কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬ এ ০৯:১৮ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ০৮-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০৮-০৭-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১২৪
স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে
-- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, এদেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতার পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্য সেবা দিতে হলে সব ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকল্পে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে ব্যবস্থা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় ফার্মগেটের কেআইবিতে ইউনানী আয়ুর্বেদিক গ্রাজুয়েট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আগড্যাব) আয়োজিত ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠনে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এদেশের বেশিরভাগ জনসংখ্যা কোনো না কোনোভাবে এই চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর ওপর নির্ভরশীল, যা আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ রুপে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি এলোপ্যাথির পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রচলিত চার ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে এই তিন ধরনের চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানুষের মনে বিশ্বস্ততার জায়গা করে নিতে গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী সবার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা উন্মুক্ত করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের উৎকর্ষ সাধনে আরো গবেষণা হওয়া উচিত ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা সম্প্রসারণ করা উচিত। গবেষণার মাধ্যমে যদি এই চিকিৎসা ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা আরো বাড়ানো যায় তাহলে মানুষের আস্থা আরো বৃদ্ধি পাবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রচলিত এলোপ্যাথির পাশাপাশি ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক—এই চার পদ্ধতির সবারই নিজস্ব ক্ষেত্র থেকে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিকের তুলনায় দেশে হোমিওপ্যাথির প্রচলন বর্তমানে বেশি। মানুষ এখন হারবাল মেডিসিনের প্রতিও উৎসাহিত হচ্ছে এবং হামদর্দ এখনো সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।
কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হোমিও ও দেশজ চিকিৎসার পরিচালক ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, দেশের প্রখ্যাত ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আগড্যাব এর সভাপতি ডাঃ মির্জা লুৎফুর রহমান লিটন।
#
রফিকুল/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/সঞ্জীব/সেলিম/২০২৬/২১১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১২৩
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেনের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার Imran Haider সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এবং পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ ওয়াসিফ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতে নারী শিক্ষা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারীদের আত্মকর্মসংস্থান, কৃষি, ডেইরি, পোলট্রি, মৎস্য এবং ব্যবসা- বাণিজ্যসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
আলোচনাকালে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কাছে দেওয়া নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এবং একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশের নারীরা যাতে তাদের হাতে তৈরি পণ্যসমূহ পাকিস্তানে কোনো বাধা ছাড়াই রপ্তানি করতে পারে, সে ব্যাপারে মন্ত্রী পাকিস্তানের ইতিবাচক সহযোগিতার প্রত্যাশা করেন। বাংলাদেশ হতে আম, কাঁঠাল ও আনারস আমদানির বিষয়েও পাকিস্তানকে আহ্বান জানান।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার বাণিজ্য পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে প্রত্যাশা করেন। পাকিস্তানে বাংলাদেশের জন্য ১০ হাজার টন পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক মুক্ত সুবিধা রয়েছে, বাংলাদেশ যেন এ সুযোগ গ্রহণ করে, এ ব্যাপারে তিনি সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
হাইকমিশনার আরো বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সাইবার সিকিউরিটি, ন্যানো টেকনোলজি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পাকিস্তানে গমন করেছে। এছাড়াও বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিবের একটি দল অ্যাকাডেমিক প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে পাকিস্তান সফর করেছে, যা আগামীতে আরো বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
মন্ত্রী বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের পরিমাণ বৃদ্ধির আহ্বান জানালে পাকিস্তানের হাইকমিশনার স্কলারশিপের সংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।
#
রায়হান/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/সঞ্জীব/লিখন/২০২৬/২০৩২ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১২২
বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (বিএসপি)-এর আদলে প্রস্তুতকৃত জাল
ওয়েবসাইট/পোর্টালের প্রতারণা থেকে সর্তক থাকার আহ্বান বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সার্ভিস পোর্টাল (বিএসপি)-এর আদলে প্রস্তুতকৃত জাল ওয়েবসাইট/পোর্টাল ব্যবহার করে প্রতারণা করছে একটি অসাধু চক্র।
কতিপয় অসাধু ব্যক্তি/চক্র বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে ‘ট্রাফিক জরিমানার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি’ বা ‘স্পিডিং ফাইন বকেয়া রয়েছে, দ্রুত পরিশোধ করুন’ বা ‘আপনার বকেয়া জরিমানা আছে’ এ ধরনের বার্তা মোবাইলে প্রেরণ করছে। উক্ত বার্তা/মেসেজের সাথে bsbrtcar-bdpay.sbs ev bspbrtcar-govbd.online বা bspbrtn-gov.cc বা bspbrtcar-payfeebd.icu বা bspbrtn-gov.cc বা bsp.brtagov.top বা bsp.brta.vu/bd বা bsapqzc.lat ev bsp.brtas.cfd বা অন্য কোনো লিংক প্রেরণ করছে, যা বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (বিএসপি)-এর আদলে প্রস্তুত করা হলেও এসব জাল ওয়েবসাইট/পোর্টালের সাথে বিআরটিএ এর সার্ভিস পোর্টালের প্রকৃত লিংক bsp.brta.gov.bd বা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এটি সম্পূর্ণ প্রতারণামূলক কার্যক্রম।
এই ধরনের মোবইল মেসেজের লিংকে ক্লিক না করা; ব্যক্তিগত কোনো তথ্য বা আর্থিক লেনদেন না করার বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং এ ধরনের প্রতারক চক্রের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে (স্থানীয় থানা বা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে) অবহিত করার জন্য অনুরোধ করছে বিআরটিএ কৃর্তপক্ষ।
#
বিআরটিএ/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৯৫০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১২১
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জাতিসংঘের রাজনৈতিক ও শান্তি বিনির্মাণ
বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল এর বৈঠক
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সাথে গতকাল জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের রাজনৈতিক ও শান্তি বিনির্মাণ বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল Rosemary A. DiCarlo দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে মন্ত্রী বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও শান্তি বিনির্মাণে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের টেকসই ও জোরালো সহায়তার আহ্বান জানান।
DiCarlo জাতিসংঘে বাংলাদেশের গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের অব্যাহত অবদানের প্রশংসা করেন।
#
ফয়সল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/লিখন/২০২৬/১৮৩৭ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১২০
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বৃক্ষরোপণকে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলেন
-- পরিবেশমন্ত্রী
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী ৯ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬’ এবং ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধন করবেন।
আজ ঢাকায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, এবারের জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের পরিবেশ ও বনায়ন আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশে বৃক্ষরোপণকে সর্বপ্রথম একটি রাষ্ট্রীয় আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলেন এবং ১৯৭৯ সালে প্রথম জাতীয় বন নীতি প্রণয়ন করেন। পরবর্তীতে, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৪ সালে জাতীয় বৃক্ষমেলার ঐতিহাসিক পথচলা শুরু করেন এবং অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের এক অনন্য দিগন্তের উন্মোচন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার প্রযুক্তি ও প্রকৃতির মেলবন্ধনে টেকসই বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, ঢাকাতে পরিবেশ মেলা ও মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলার পাশাপাশি দেশের ৭টি বিভাগীয় সদরে ১৫ দিনব্যাপী, ৫৬টি জেলা সদরে ৭ দিনব্যাপী এবং ২৯টি উপজেলায় ৩ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হবে। ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় বৃক্ষমেলায় সর্বমোট ১২০টি স্টল থাকবে। ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা সফল করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় জিআইএস, রিমোট সেন্সিং, ন্যাশনাল ট্রি ডাটাবেজ এবং ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বনায়ন পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর ফলে দেশের অর্থনীতিতে ৩.৫ লক্ষাধিক নতুন ‘সবুজ কর্মসংস্থান’ সৃষ্টি হবে এবং ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে উঠবে।
পরিবেশ দূষণ রোধে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ১ হাজার ৫২৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে ২৩ দশমিক ৩৪ কোটি টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে এবং গত চার মাসে ৫৮১ একরের বেশি জবরদখলকৃত বনভূমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ‘উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব বিষয়ক নির্দেশিকা ২০২৬’ এবং সীসা দূষণ নিয়ন্ত্রণে ইউনিসেফের সহায়তায় একটি ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ, মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, অতিরিক্ত সচিববৃন্দ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, প্রধান বন সংরক্ষকসহ মন্ত্রণালয়সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তৃগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
তোফাজ্জল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৭১৫ ঘণ্টা
Handout Number: 119
Turkish Ambassador Calls on Power, Energy and Mineral Resources Minister
Dhaka, 8 July:
Ramis Şen, Ambassador of the Republic of Türkiye to Bangladesh, called on Iqbal Hassan Mahmood, Minister of Power, Energy and Mineral Resources, at the Minister's office in the Bangladesh Secretariat, Dhaka. The Ambassador was accompanied by Bilal Belyurt, Commercial Counsellor and Harun Ortaç, Chief Executive Officer of United Aygaz LPG Ltd.
During the meeting, the delegation congratulated the Minister on assuming charge of the Ministry and conveyed the continued goodwill of the Government of Türkiye toward Bangladesh. Ambassador Şen briefed the Minister on the current state of bilateral relations and Turkish investment and trade plans in Bangladesh. The Minister welcomed continued Turkish investment and reaffirmed the government’s commitment to expanding participation in the country's energy sector, including in LNG supply and underscored the importance of government-to-government (G2G) cooperation in helping to narrow the trade gap between the two countries that share religious affinity.
Both sides expressed satisfaction with the growing economic and energy cooperation between Bangladesh and Türkiye and discussed avenues to strengthen bilateral ties in the energy sector further.
Ambassador Şen extended an invitation to the Minister to visit Türkiye to further enhance bilateral relations and cooperation. The Minister expressed his desire to visit Türkiye at the earliest convenience.
#
Arif/Kamruzzaman/Vivekananda/Rafiqul/Konok/Salim/2026/17.15 Hrs.
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১১৮
হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৯৬ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০৬ জন।
১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৯১ হাজার ২৭০ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৮৭ হাজার ৬২৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৩। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৫২ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৩।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/কামরুজ্জামান/রফিকুল/কনক/লিখন/২০২৬/১৬১২ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১১৭
ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ট্রেন চলাচল সাময়িক বন্ধ
নিমজ্জিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন প্রতিমন্ত্রী
কক্সবাজার, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পানির ঢলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের জানআলী হাট ও ষোলোশহর স্টেশনের মধ্যবর্তী সেকশনের শমসের পাড়া এলাকায় প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন পানির নিচে ডুবে গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আজ সকালে উক্ত স্থান পরিদর্শন করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। পরিদর্শনকালে তিনি রেল চলাচলের সার্বিক পরিস্থিতি, যাত্রীসেবা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন। এসময় তিনি যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ড. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দিন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ও বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সুবক্তগীনসহ বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা বাতিল করে আজ বিকাল ৪:০০ টায় পুনরায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম হতে কক্সবাজার পর্যন্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগমুক্ত হলে অর্থাৎ পানি নেমে গেলে রেলপথ পরিদর্শন সাপেক্ষে পুনরায় ট্রেন পরিচালনা করা হবে ।
যেসব যাত্রী তাঁদের গন্তব্যে যেতে না পেরে পথিমধ্যে আটকা পড়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে তাঁদেরকে ট্রেনযোগে ঢাকায় ফেরত আসবার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। যারা টিকেটের মূল্য ফেরত নিতে চান সংশ্লিষ্ট স্টেশনের কাউন্টার থেকে তাঁদেরকে ভাড়ার টাকা ফেরত নেয়ার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। স্থগিতকৃত অন্যান্য যাত্রার টিকেটের মূল্য যাত্রীগণ সংশ্লিষ্ট কাউন্টার থেকে ফেরত নিতে পারবেন।
আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে যাত্রীসাধারণের রেলযাত্রায় বিঘ্ন ঘটায় বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।
#
রেজাউল/খাদীজা/মারুফা/মিতু/তানভীর/মাহ্ফুজ/কামাল/১৫৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১১৬
সর্বশেষ আবহাওয়ার পরিস্থিতি
সমুদ্র বন্দরসমূহের জন্য তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুযায়ী, পূর্ব মধ্য প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে উত্তরপশ্চিম মধ্য প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যেরআধিক্য বিরাজ করছে। সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ০৩ (তিন) নম্বর (পুন:) ০৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলেরকাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনের মাধ্যমে এ সতর্কতা জানানো হয়।
#
হাসান/খাদীজা/মারুফা/মিতু/তানভীর/মাহ্ফুজ/জোহরা/২০২৬/১৪৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১১৫
প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ থেকে শুরু হচ্ছে ‘সবুজ বিদ্যালয়’ উদ্যোগ
প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে ২ লাখ গাছ রোপণ
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
আগামী ১৫ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি প্রতীকীভাবে একটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে প্রায় ২ লাখ গাছ রোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এ কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ন্যূনতম তিনটি করে গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
এ তথ্য জানিয়ে আজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকৃতিপ্রেম ও পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তুলতে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ন্যূনতম তিনটি করে গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলজ, বনজ ও ঔষধি-এই তিন ধরনের গাছ লাগানোর মাধ্যমে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে আরো সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব করে তোলা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শুধু পাঠদানের কেন্দ্র নয়, বরং পরিবেশবান্ধব ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। বিদ্যালয়ভিত্তিক এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবুজ বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় আরো দৃঢ় করবে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারের লক্ষ্য প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে একটি 'সবুজ বিদ্যালয়' হিসেবে গড়ে তোলা। এ কর্মসূচির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের সবুজায়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা নিশ্চিত হবে।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণকে বৃক্ষরোপণ এবং রোপণকৃত গাছের নিয়মিত পরিচর্যায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
#
তানভীর/খাদীজা/মারুফা/মিতু/তানভীর/মাহ্ফুজ/আমিরুল/২০২৬/১৪৫০ ঘন্টা
Handout Number: 114
Bangladesh keen to work with the Netherlands on media, AI and digital challenges
-Information Minister
Dhaka, 8 July:
The Ambassador of the Kingdom of the Netherlands to Bangladesh, Joris van Bommel, paid a call on Information and Broadcasting Minister Zahir Uddin Swapon at his office in the Ministry today.
The Information and Broadcasting Minister said that since assuming office, the present government has been working to bring qualitative improvements to governance and public service delivery. He expressed Bangladesh's interest in collaborating with the Netherlands in the fields of media, communication and digital transformation.
The Minister noted that the rapid advancement of new media, artificial intelligence (AI) and the digital ecosystem have created both new opportunities and unprecedented challenges. He emphasized that while ensuring freedom of expression remains a fundamental responsibility of the state, protecting citizens from misinformation and disinformation is equally important.
He stressed the need for developing effective and forward-looking strategies to address these challenges and expressed interest in learning from the Netherlands' experience and best practices in this regard.
In the meeting, Ambassador van Bommel congratulated the Minister on assuming office. He said that the Netherlands and Bangladesh have enjoyed a strong bilateral relationship since Bangladesh's independence, which has expanded significantly over the years to education, healthcare, development cooperation, trade and commerce, among other sectors. He expressed his country's interest in working closely with the Government of Bangladesh to further strengthen these ties.
The Ambassador underscored the importance of developing modern policy frameworks to address the challenges of the digital age. He briefed the Minister on various initiatives and measures undertaken by the Netherlands in this field.
Information and Broadcasting Secretary Mahbuba Farzana and Additional Secretary Md. Shah Alam were also present during the meeting.
#
Imranul/Khadiza/Marufa/Mitu/Kamal/2025/1400 Hrs.
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১১৩
তথ্যমন্ত্রীর সাথে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে আজ মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত Joris van Bommel।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে কাজের ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে। তিনি গণমাধ্যম ও কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডসের সাথে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্বে নিউ মিডিয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল ইকো সিস্টেম নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
মন্ত্রী মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং একই সাথে জনগণকে ভুলতথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন। তিনি এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট স্ট্র্যাটেজি প্রণয়নের উপর গুরুত্ব দেন এবং এক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডস কিভাবে কাজ করছে তা জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত তথ্যমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের সাথে নেদারল্যান্ডসের একটি শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে যা বর্তমানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত হয়েছে। তিনি এ সম্পর্ক আরো জোরদারে সরকারের সাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ডিজিটাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়নের উপর গুরুত্ব দেন। তিনি এক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডস এর গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
সাক্ষাৎকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা ও অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহ আলম উপস্থিত ছিলেন।
#
ইমরানুল/খাদীজা/মারুফা/তানভীর/মিতু/আসমা/২০২৬/১৩৪৬ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১১২
পার্বত্য অঞ্চলে ভারী বর্ষণে জনদুর্ভোগে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ
ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় তৈরি হওয়া জলাবদ্ধতা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
গতকাল রাতে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এ বৈরী আবহাওয়া থেকে নিজেদের জানমাল রক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করার জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনসহ সকল জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী এবং স্থানীয় তরুণ সমাজকে সমন্বিতভাবে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের এ উদ্ভূত পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর রাখছেন এবং আমাদের সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি কঠিন এ পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয় দিয়ে সহায়তা করার প্রতি জোর দেন।
উল্লেখ্য, ৪২ বছরের রেকর্ড ভাঙা এ ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে চরম জনদুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রামে বিমান ও ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এছাড়া, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে সড়কে পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বান্দরবানের সকল পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
#
রেজুয়ান/খাদীজা/মারুফা/মিতু/তানভীর/মিজান/২০২৬/১১৫৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১১১
বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত
মানব পাচার ও অবৈধ অভিবাসন রোধে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক গতকাল (০৭ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং ভিয়েতনাম প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির জননিরাপত্তা বিষয়ক উপমন্ত্রী সিনিয়র লেফটেন্যান্ট জেনারেল নগুয়েন ভ্যান লং (Senior Lieutenant General Nguyen Van Long)।
বৈঠকে উভয় দেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করা, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং মানব পাচার ও অবৈধ অভিবাসন রোধে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ গত জানুয়ারি ২০২৬-এ ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির ১৪তম জাতীয় কংগ্রেস সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া এবং আগামী পাঁচ বছরের জন্য নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হওয়ায় ভিয়েতনাম সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকার দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক স্তরে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভিয়েতনামের সাথে সম্পর্ককে আরও গতিশীল করতে আগ্রহী।
১৯৭৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ভিয়েতনামের সাথে তার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও বহুমুখী অংশীদারিত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কানেক্টিভিটি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ (People-to-people contact) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে ভিয়েতনামে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা জটিলতা এবং অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে ভিয়েতনাম সরকারকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত পর্যটক, ব্যবসায়ী, বৈধ কর্মজীবী এবং পারিবারিক ভিসাপ্রত্যাশী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ ও শিথিলকরণের অনুরোধ জানান। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, মানব পাচার, মাদক চোরাচালান ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ জোরদার করা প্রয়োজন।
দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ইতোমধ্যে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে ‘প্রেফারেন্সিয়াল ট্রেড স্বাক্ষরিত হবে এবং এর ফলে দ্রুতই বাণিজ্যের পরিমাণ দ্বিগুণ হবে। মন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আলু আমদানির অনুমতি এগ্রিমেন্ট’ (PTA) দেওয়ায় ভিয়েতনাম সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং আন্তর্জাতিক মানের বাংলাদেশি ওষুধ সাশ্রয়ী মূল্যে আমদানির অনুরোধ করেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের আকর্ষণীয় বিনিয়োগ পরিবেশের সুবিধা নিয়ে ভিয়েতনামের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি। সালাহউদ্দিন আহমদ আসিয়ান (ASEAN)-এ বাংলাদেশের ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার’ (Sectoral Dialogue Partner) হওয়া এবং আরসিইপি (RCEP)-এর সদস্যপদ প্রাপ্তিতে ভিয়েতনামের জোরালো সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
ভিয়েতনাম পক্ষ বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেয় এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামীতে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে।
#
ফয়সল/খাদীজা/মারুফা/মিতু/তানভীর/কামাল/২০২৬/১০৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১১০
মাদক চোরাচালান রোধ, আধুনিক নগর নিরাপত্তা ও পুলিশের পেশাগত প্রশিক্ষণে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির ইন্টেরিয়র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভী (Syed Mohsin Naqvi)।
বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, আধুনিক নগর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলোচনার শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ চলতি বছরের মে মাসে পাকিস্তানের ইন্টেরিয়র মন্ত্রীর সফল বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করেন। তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন যে, উক্ত সফরের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা দুই দেশের সীমান্ত ও সমাজকে সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তানের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দীর্ঘ ১৪ বছর বিরতির পর চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে ঢাকা-করাচি রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এর ফলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের মানবিক সংকটের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উত্থাপন করেন। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় পারিবারিক নথিপত্রের (Family Tree) অভাবে অনেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা দেশটির ‘কম্পিউটারাইজড ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড’ (CNIC) প্রাপ্তিতে জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন। এর ফলে তারা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বিষয়টিকে সম্পূর্ণ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করতে এবং এর দ্রুত স্থায়ী সমাধানের জন্য পাকিস্তানের মন্ত্রীকে বিশেষ অনুরোধ জানান।
নগর নিরাপত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সফল অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের ৪০টিরও বেশি প্রধান শহরে বাস্তবায়িত ‘সেফ সিটি’ (Safe City) উদ্যোগ এবং আধুনিক নগর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত অনুকরণীয় হতে পারে। প্রসঙ্গত তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সিনিয়র সচিব (যিনি বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব) বিগত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের সফরে ইসলামাবাদ, লাহোর, মুলতান ও করাচির ‘সেফ সিটি’ মডেল সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের শহরগুলোকে আরও নিরাপদ করতে পাকিস্তান কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা প্রদান করতে পারে।
পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা বাড়াতে পুলিশ কর্মকর্তাদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদানে পাকিস্তানের সহযোগিতা কামনা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অতীতে সৌদি আরবে অবস্থানরত অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের জটিল বিষয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সমন্বিত পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে কাজ করেছে। আগামীতেও এ ধরনের বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সংকটে দুই দেশের নিবিড় পরামর্শ ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, মিয়ানমার যেন তাদের নাগরিকদের দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই উপায়ে ফিরিয়ে নেয়, সেজন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পাকিস্তানের জোরালো ও ধারাবাহিক সমর্থন প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের ইন্টেরিয়র (স্বরাষ্ট্র) মন্ত্রী বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানালে তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে জানান যে সুবিধাজনক সময়ে তিনি এই সফর সম্পাদন করবেন।
বৈঠকে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
#
ফয়সল/খাদীজা/মারুফা/তানভীর/কামাল/২০২৬/১০৩০ ঘণ্টা
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১০৯
জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
“সবার আগে বাংলাদেশ’-এই দর্শনকে ধারণ করে বর্তমান সরকার একটি সবুজ, জলবায়ু-সহনশীল, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার।
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে জাতীয় ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ একটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ। এ বছর জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’, আমাদের এই জাতীয় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।
মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডের বিরূপ প্রভাবে বৈশ্বিক উষ্ণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে। প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধে বৃক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বৃক্ষ বায়ু মণ্ডলীয় কার্বন শোষণ করে, অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমায় এবং পরিবেশকে নির্মল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এ বাস্তবতা বিবেচনায় বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এক যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এটি কেবল একটি সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং একটি জাতীয় আন্দোলন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও রেলপথের দুই পাশ, বাঁধ, সরকারি বনভূমি, উপকূলীয় চরাঞ্চল, নগর এলাকা এবং বসতবাড়িসহ দেশের সর্বত্র বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। নগর বনায়নে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং বিনামূল্যে চারা বিতরণের উদ্যোগও অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন বৃদ্ধি পাবে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা সহজ হবে এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।
উন্নত জীবনের জন্য যেমন প্রয়োজন সমৃদ্ধ দেশ ও শক্তিশালী অর্থনীতি, তেমনি সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ বন। সমৃদ্ধ অর্থনীতি ও সবুজ বন পরস্পর ওতপ্রোতভাবে সম্পর্কযুক্ত।
একটি গতিশীল ও সম্ভাবনাময় সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে বন ও বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই দেশকে সবুজে আচ্ছাদিত করার লক্ষ্যে বাড়ির আনাচে-কানাচে, পতিত ও প্রান্তিক জমিতে, খাল ও নদীর পাড়ে, বাঁধে, সড়ক ও সড়কদ্বীপে, বাড়ির ছাদে এবং শহর-বন্দর নির্বিশেষে উপযুক্ত প্রতিটি স্থানে ব্যাপক বনায়ন কার্যক্রমে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে অংশগ্রহণের জন্য আমি উদাত্ত আহ্বান জানাই।
বৃক্ষমেলা দেশে সবুজায়ন আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৃক্ষরোপণে দেশবাসীকে আরও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ বছরও জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৃক্ষমেলার আয়োজন এবং তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
আমি আশা করি, দেশবাসী বৃক্ষমেলা থেকে উন্নত জাতের চারা সংগ্রহের সুযোগ পাবে এবং শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ লাভ করবে।
আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর, নির্মল ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে বৃক্ষরোপণ করি এবং তার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করি।
এ বছর যারা ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার, ২০২৫’, ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার, ২০২৬’ এবং সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশ অর্জন করেছেন, আমি তাঁদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
আমি জাতীয় ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’-এর সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।”
#
আশরোফা/খাদীজা/মারুফা/তানভীর/মিতু/মাহ্ফুজ/আসমা/২০২৬/১৩৩০ ঘণ্টা
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
আজ বিকালপাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১০৮
জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী
ঢাকা, ২৪ আষাঢ় (৮ জুলাই):
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আগামীকাল ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
“পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ শুরু হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম। প্রাণিকূলের জন্য অপরিহার্য অক্সিজেন সরবরাহের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে বৃক্ষরাজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে দ্রুত নগরায়ণ, বনভূমি হ্রাস, পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বৈরী প্রভাবে বাংলাদেশ পরিবেশগত নানা সংকটের সম্মুখীন। এ সকল সংকট মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়ন অপরিহার্য। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।
বর্তমান সরকার বৃক্ষরোপণ অভিযানকে জনগণের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রজন্মগত উন্নয়নের এক সবুজ বিপ্লবে রূপান্তর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারি বনভূমি, প্রান্তিক ভূমি, উপকূলীয় এলাকা ও চরাঞ্চলে বনায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় দেশের ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বৃক্ষরোপণ অভিযান। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের এ সকল যুগান্তকারী কর্মসূচি একটি সবুজ, টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
বৃক্ষরোপণ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়; এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব, পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি কর্তব্য। আজকের একটি বৃক্ষই হতে পারে আগামী দিনের নির্মল পরিবেশ, সুস্থ জীবন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি। তাই আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা বিবেচনা করে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছের চারা রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব গ্রহণ করি। বৃক্ষরোপণকে একটি জাতীয় দায়িত্ব ও সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করাই হোক আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার।
এ বছর ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৫’ এবং ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৬’-এ ভূষিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশপ্রাপ্ত সকল উপকারভোগীকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
আমি ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করি।”
#
রাহাত/খাদীজা/মারুফা/তানভীর/মিতু/মাহ্ফুজ/আসমা/২০২৬/১১০০ ঘণ্টা
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
Handout Number:107
Home Minister holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders
New York, 8 July:
Minister of Home Affairs Salahuddin Ahmed held separate bilateral meetings at UN Headquarters with Pakistan’s Federal Minister for Interior and Narcotics Control Syed Mohsin Naqvi; Viet Nam’s Deputy Minister of Public Security Senior Lieutenant General Nguyen Van Long and United Nations Under-Secretary-General for Political and Peacebuilding Affairs Rosemary A. DiCarlo.
In his meeting with Syed Mohsin Naqvi, the Minister underscored the importance of strengthening cooperation in counter-narcotics and broader law-enforcement collaboration. He raised the humanitarian difficulties faced by Bangladeshi-origin Pakistani nationals in obtaining National Identity Cards. The two ministers also discussed issues of mutual interest, including the impact of the ongoing Middle East conflict on energy security, trade and regional stability. They also discussed issues of capacity building of respective institutions.
During his meeting with Viet Nam’s Deputy Minister Nguyen Van Long, the Minister of Home Affairs highlighted cooperation on migration management, consular services, enhancing trade and efforts to combat human trafficking and transnational crime.
In his meeting with USG DiCarlo, the Minister highlighted Bangladesh’s priorities on peacekeeping and peacebuilding and underscored the need for sustained international support for the return of the Rohingyas to their homeland Myanmar. DiCarlo commended Bangladesh’s constructive role at the United Nations and its continued contribution to international peace and stability.
#
Press NYPM/Khadiza/Tanvir/Asma/2026/1000 hours
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১০৬
নিউইয়র্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও জাতিসংঘ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক
নিউইয়র্ক, ৮ জুলাই:
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গতকাল নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নকভি, ভিয়েতনামের জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী সিনিয়র লেফটেন্যান্ট জেনারেল নগুয়েন ভ্যান লং এবং জাতিসংঘের রাজনৈতিক ও শান্তিনির্মাণবিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল রোজমেরি এ. ডি-কার্লোর সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
পাকিস্তানের ফেডারেল মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নকভির সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি পাকিস্তানে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিকদের ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড প্রাপ্তিতে সম্মুখীন মানবিক জটিলতার বিষয়টিও উত্থাপন করেন। বৈঠকে দুই মন্ত্রী চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাবসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। তাঁরা উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও আলোচনা করেন।
ভিয়েতনামের উপমন্ত্রী নগুয়েন ভ্যান লংয়ের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, কনসুলার সহযোগিতা জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং মানবপাচার ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমনে সহযোগিতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। ভিয়েতনামের উপমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ও শান্তিনির্মাণ কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমন এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল রোজমেরি এ. ডি-কার্লোর সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শান্তিরক্ষা ও শান্তিনির্মাণে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের টেকসই ও জোরালো সহায়তার আহব্বান জানান। ডি-কার্লো জাতিসংঘে বাংলাদেশের গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের অব্যাহত অবদানের প্রশংসা করেন।
#
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/খাদীজা/তানভীর/আমিরুল/২০২৬/১০০০ ঘন্টা