কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬ এ ১০:৩১ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ০৬-০৮-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০৬-০৮-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬২৭
জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক তথ্যচিত্র নিয়ে কতিপয়
অভিযোগের বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য
ঢাকা, ২২ শ্রাবণ (৬ আগস্ট):
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গত ৫ আগস্ট ঢাকায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায়’ প্রদর্শিত তথ্যচিত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ উপস্থাপনায় ত্রুটি থাকার অভিযোগ এনে অনুষ্ঠানস্থলে কতিপয় ব্যক্তির দ্বারা যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, সে জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। প্রদর্শিত তথ্যচিত্রটির বিষয়ে উত্থাপিত অভিযোগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন শেষে দ্রুততম সময়ে তা প্রকাশ করা হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে নির্ভুল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও তথ্যভিত্তিকভাবে সংরক্ষণে অঙ্গীকারবদ্ধ।
তথ্যচিত্র অথবা অন্য যে কোনো বিষয়ে অভিযোগ জানানোর অধিকার যেকোনো নাগরিকের রয়েছে। তবে তা পরিশীলিত ও নিয়মতান্ত্রিক হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু সেটি না করে রাষ্ট্রপতি, বিদেশি কূটনীতিবিদ, গণমাধ্যম ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে গোলযোগ সৃষ্টি করার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বানচাল করা এবং রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার প্রয়াস ছিলো কি না সেটিও বিবেচনার দাবি রাখে। এই প্রতিবাদ ভিন্নভাবে করার সুযোগ থাকলেও তা না করে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে যার কারণে আমন্ত্রিত শহিদ পরিবার ও আহত জুলাইযোদ্ধারা মানসিকভাবে আহত হয়েছেন-যা তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছে।
এছাড়া, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে তা রাষ্ট্রের জন্য সম্মানহানিকর এবং গণতন্ত্রের জন্য বিপর্যয়কর। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যে কোন বিভ্রান্তিমূলক ও সম্মানহানিকর অপতথ্য ছড়ানো থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। এ ধরনের অপতথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রায় আবারও ফ্যাসিবাদের কবলে রাষ্ট্রকে নিয়ে যাওয়ার শামিল। তাই পুরো জাতিকে এ ধরনের হঠকারী, রাষ্ট্রবিরোধী এবং গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো যাচ্ছে।
#
শাকিলুজ্জামান/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/সঞ্জীব/সেলিম/২০২৬/২২১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬২৬
ঐক্যবদ্ধ জনগণ ও তরুণরাই পারবে দেশের যথাযথ পরিবর্তন আনতে
-- সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ২২ শ্রাবণ (৬ আগস্ট):
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিলো গণতন্ত্রকামী সকল রাজনৈতিক দলসহ ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্রেডিট নেয়ার এই প্রতিযোগিতা অভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে ব্যাহত করছে।ঐক্যবদ্ধ জনগণ ও তরুণরাই পারবে দেশের যথাযথ পরিবর্তন আনতে। তরুণসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মাধ্যমে সবার জন্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
আজ ঢাকায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি আয়োজিত ‘আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল লতিফ ও প্রিয় অতিথি হিসাবে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর প্রফেসর ড. মোঃ তাজুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আবুল বাশার ও কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক মোঃ মসীহুর রহমান।
প্রধান অতিথি ফারজানা শারমীন তার বক্তব্য শেষে ৭ দিনব্যাপী আয়োজিত আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
#
রফিকুল/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/সঞ্জীব/লিখন/২০২৬/২১৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬২৫
আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তির কার্যক্রম পরিচালনা হবে
ঢাকা, ২২ শ্রাবণ (৬ আগস্ট):
আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে কোনো ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। এক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্যান্য সকল শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হবে।
এবছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশ করা হবে।
আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
#
শিবলী/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/লিখন/২০২৬/১৮৪৩ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬২৩
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন
-- পরিবেশমন্ত্রী
ঢাকা, ২২ শ্রাবণ (৬ আগস্ট):
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, খাল খনন কর্মসূচি এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণ অভিযানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে শিখিয়েছিলেন কীভাবে প্রকৃতিকে ভালোবেসে স্বনির্ভর দেশ গড়ে তোলা যায়।
আজ রাজধানীর উত্তরার নওয়াব হাবিবউল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে ঢাকা-১৮ আসনে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে গাজীপুরের শালনায় নিজ হাতে মেহগনির চারা রোপণ করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযানকে জনগণের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তিনিই ১৯৯৪ সালে জাতীয় বৃক্ষমেলার সূচনা করেন। তিনি প্রতিটি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তরুণ এবং যুব সংগঠনকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার আহ্বান জানান। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন ২৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না; এটি আমাদের পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি প্রতিটি চারার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে।
ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধন শেষে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন এবং মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
#
তোফাজ্জল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৭৪৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬২১
বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা
পরিহার করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ জনপ্রশাসন উপদেষ্টার
ঢাকা, ২২ শ্রাবণ (৬ আগস্ট):
বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পরিহার করে ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ। এ সময় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মোঃ আব্দুল বারী উপস্থিত ছিলেন।
আজ ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রণীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মেধাভিত্তিক জনপ্রশাসন গড়ে তোলা, স্বচ্ছ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব প্রশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় সরকারি কর্মকর্তাদের পেনশনের আবেদন ও প্রশাসনিক অনুমোদন সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে পাইলট প্রকল্পের আওতায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অবসরপ্রাপ্ত এক জন অতিরিক্ত সচিবের পেনশন অনলাইনে প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, সরকারি কর্মচারী ব্যবস্থাপনা সিস্টেম (জেমস)-এ অনলাইনে বদলি ও পদায়ন কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরো স্বচ্ছ, দ্রুত ও দক্ষ হবে।
সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রণীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার আওতায় শূন্যপদে নিয়োগের শতভাগ লক্ষমাত্রা অর্জনের নিমিত্ত দ্রুত কাজ সম্পন্নের নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ এহছানুল হকের সভাপতিত্বে সভায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানগণ, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অনলাইনে বিভাগীয় কমিশনারগণ অংশগ্রহণ করেন।
#
মালেক/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৭৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬২০
অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাণিজ্য, দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব
ঢাকা, ২২ শ্রাবণ (৬ আগস্ট):
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং গবেষণা সহযোগিতা আরো বিস্তৃত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল।
আজ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীর করার লক্ষ্যে বাণিজ্য আলোচনা (Trade Negotiation) সক্ষমতা বৃদ্ধি, গবেষণা সহযোগিতা, শিক্ষা, কৃষি, পশুসম্পদ এবং বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিশেষ করে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-এর আইন ও বাণিজ্য আলোচনায় সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি গবেষণা ও স্টাডি সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আঞ্চলিক পর্যায়ে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নে প্রকল্প পরিচালকদের দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
জবাবে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল জানান, এ ধরনের দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচিতে সহযোগিতা করতে অস্ট্রেলিয়া আগ্রহী। তিনি বলেন, অতীতে বিচ্ছিন্নভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হলেও এবার আরো পরিকল্পিত ও ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এসব কর্মসূচিতে বাণিজ্য আলোচনা, আন্তর্জাতিক চুক্তির আইনগত বিষয় এবং নীতিনির্ধারণী দক্ষতা উন্নয়নে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাকেও এ উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।
আলোচনায় বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (LDC) মর্যাদা থেকে উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্য সুবিধা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ বাজারে প্রবেশাধিকারের বিষয়ে ও মতবিনিময় হয়। উভয়পক্ষই এ বিষয়ে নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, শিক্ষা, ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ব্যবসায়িক বিনিয়োগের মতো খাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তিনি আরো জানান, অস্ট্রেলিয়ার একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা করছে, যা দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া থেকে উচ্চমানের গরুর মাংস বাংলাদেশে রপ্তানির সম্ভাবনা এবং এ লক্ষ্যে হালাল সার্টিফিকেশন, পশুর ট্রেসেবিলিটি (Traceabilitz) ও আধুনিক লাইভস্টক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়ে ও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের শেষে উভয়পক্ষই বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ককে আরো বহুমাত্রিক, টেকসই ও কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
#
কামাল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/লিখন/২০২৬/১৭৪১ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬১৯
জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
ঢাকা, ২২ শ্রাবণ (৬ আগস্ট):
দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী, সমন্বিত এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার লক্ষ্যে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (National Civil Aviation Security Committee–NCASC) প্রথম সভা আজ ঢাকায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম কমিটির সভাপতি এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তৃতায় মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, দেশের বিমান খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ও সমন্বয়কারী কমিটির ১৩তম সভার সিদ্ধান্ত যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়। শীঘ্রই আমাদের ICAO অডিট অনুষ্ঠিত হবে। তাদের পর্যবেক্ষণের সাথে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই যেসব বিষয়ে ICAO এর পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ থাকতে পারে সেগুলোর Compliance নিশ্চিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ভিআইপি এবং সিআইপিসহ সকলের জন্যই নিরাপত্তা প্রোটোকল সমান। তাই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সকলকে সমানভাবে প্রোটোকল অনুসরণ করতে হবে। আমাদের অগ্রাধিকার হলো যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা। তাই প্রবাসীদের জন্য উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় ড্রোনের উড্ডয়ন বন্ধে Anti Drone System স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি, স্ক্যানার প্রয়োজনীয় সংখ্যার তুলনায় বেশি থাকতে হবে। এ সময় প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যগণকে আইনের ব্যত্যয় হলে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন।
সভায় দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর, সমন্বিত ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডসম্মত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য, সভায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার, বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে স্থাপিত Under Vehicle Scanning System (UVSS)-এর কার্যকারিতা, দেশের সকল বেসামরিক বিমানবন্দরে Contingency ও Crisis Management কার্যক্রম আরো কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় ট্রাফিক জট, অনিয়ন্ত্রিত লোকসমাগম, ভিক্ষুকের উপদ্রব এবং অবৈধ লাগেজ র্যাপিং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে বেবিচক, এপিবিএন, পুলিশ, আনসার ও এয়ারপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে আরো সক্রিয় ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
#
তরিকুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬১৩
কায়রোতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
কায়রো (মিশর), ৬ আগস্ট:
মিশরের কায়রোতে বাংলাদেশ দূতাবাসে গতকাল যথাযথ মর্যাদা ও আনন্দমুখর পরিবেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ পালন করা হয়েছে। দূতাবাসের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে দিবসটি পালনের কার্যক্রম শুরু হয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণ, আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরবর্তীতে জুলাই শহীদ এবং যোদ্ধাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রেরিত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মিশরের বিখ্যাত আল আজাহার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ইত্তিহাদ’-এর সভাপতি নোমানুল করিম, কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আল আমিন আকন্দ, ইয়াসমিনা টেক্সটাইলের ব্যবস্থাপক ইব্রাহীম হাসান এবং সমাপনী বক্তব্য রাখেন দূতাবাসের চার্জ দ্যা এফেয়ার্স গৌতম কুমার দে। আলোচনা সভার শেষে নৃত্য সহকারে একটি সমবেত সংগীত পরিবেশিত হয়।
চার্জ দ্যা এফেয়ার্স গৌতম কুমার দে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে অভ্যুত্থানে আহত, পঙ্গুত্ববরণকারী ও দৃষ্টিশক্তি হারানো সকল সাহসী জুলাই যোদ্ধাদের ত্যাগ ও অবদান গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। তিনি জুলাই অভ্যুত্থানে প্রবাসীদের ভূমিকার জন্য তাদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, জুলাই অভ্যুত্থান ছিল বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের একটি নতুন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সম্মিলিত লড়াই, যার মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল সোনালি ইতিহাসকে স্মরণ করে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হাজার হাজার মানুষের এই অপরিসীম সাহস ও আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য এক বিরল সুযোগ এনে দিয়েছে। ন্যায়বিচার ও সাম্যের ভিত্তিতে এক নতুন বাংলাদেশ গঠনে গণমানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং আমাদের সকলেরই এ উদ্যোগে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখা উচিত বলে তিনি মতামত ব্যক্ত করেন।
আলোচনা সভা শুরুর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপরে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় দূতাবাস প্রাঙ্গণে। চার্জ দ্যা এফেয়ার্স আগত অতিথিদের আলোকচিত্র প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখান এবং বিভিন্ন আলোকচিত্রের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিসরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রথিতদশা অধ্যাপক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, নারী উদ্যোক্তা, প্রসিদ্ধ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীবৃন্দ, বিভিন্ন পেশাজীবী, শ্রমজীবীসহ বাংলাদেশি মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। অনুষ্ঠানের শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের বাঙারি ঐতিহ্যবাহী খাবার দিয়ে পরিবেশন করা হয়।
#
বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, কায়রো/খাদীজা/সাঈদা/আলী/আসমা/২০২৬/১০০০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬১২
ইস্তাম্বুলে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
ইস্তাম্বুল, ৬আগস্ট:
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালন করেছে। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালায় ইস্তাম্বুলে বসবাসরত বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশাজীবী ব্যক্তিবর্গ, বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, কনস্যুলেট জেনারেলের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা হয়। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ। এরপর দিবসটিকে উপজীব্য করে নির্মিত ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরবর্তীতে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভার মূল বক্তব্যে কনসাল জেনারেল মুহাম্মাদ মীযানুর রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার এবং বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের সংগ্রামে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। কনসাল জেনারেল এ গণঅভ্যুত্থানে তরুণ প্রজন্মের অবদান ও আত্মত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। শহীদদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা তাদের আলোচনায় গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণসহ এ সময়ের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর স্মৃতিচারণ করেন। তারা গণঅভ্যুত্থানের এ চেতনা ধারণ করে জাতীয় ঐক্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন। একই সাথে বক্তারা বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস এবং শহীদদের আত্মত্যাগের বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যথাযথভাবে তুলে ধরতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ উপলক্ষ্যে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে একটি বিশেষ দোয়া এবং মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত অতিথিদের আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
#
বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ইস্তাম্বুল/খাদীজা/সাঈদা/আলী/আসমা/২০২৬/১০০০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬১১
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্মারক সংবর্ধনা
নিউইয়র্ক, ৬আগস্ট:
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন নিউইয়র্কে গতকাল যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে এক স্মারক সংবর্ধনার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের স্থায়ী প্রতিনিধি ও কূটনীতিক, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার ঐতিহাসিক বহিঃপ্রকাশ ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান। তিনি উল্লেখ করেন, একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ গণঅভ্যুত্থান জাতির দৃঢ় অঙ্গীকার ও ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের প্রতীক।
রাষ্ট্রদূত সরকারের থ্রি-আর কৌশল-রিকভারি, রেস্টোরেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, এই কৌশলের লক্ষ্য অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা পুনর্গঠন এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও সুসংহত করা। একই সঙ্গে তিনি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও মূলনীতির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল অঙ্গীকার এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়, যেখানে আন্দোলনের পটভূমি, এর তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
#
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/খাদীজা/সাঈদা/আলী/আসমা/২০২৬/৯.৩০ ঘন্টা
Handout Number: 610
Bangladesh Permanent Mission to the UN Commemorates July Mass Uprising Day
New York, 6 August:
The Permanent Mission of Bangladesh to the United Nations in New York yesterday marked July Mass Uprising Day at a commemorative reception attended by Permanent Representatives, diplomats, senior officials of the United Nations and representatives of other international organizations.
Addressing the reception, Permanent Representative of Bangladesh to the United Nations Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury paid tribute to those who sacrificed their lives during the July Mass Uprising and underscored the people's enduring aspiration for democracy, justice, accountability and human dignity. He said the movement reflected the collective determination of Bangladeshis to shape a more peaceful, inclusive and prosperous future.
The Ambassador highlighted the Government's 3R Strategy-Recovery, Restoration and Reconstruction-aimed at restoring economic stability, rebuilding institutions and advancing sustainable development. He also reaffirmed Bangladesh's commitment to democratic governance, the purposes and principles of the Charter of the United Nations and strengthened international cooperation.
A documentary on the July Mass Uprising was screened during the event, providing delegates with an overview of the movement and its significance in Bangladesh's democratic journey.
#
Press NYPM/Khadiza/Sadia/Ali/Asma/2026/9.30 hours
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬০৯
বাংলাদেশ দূতাবাস, উজবেকিস্তানেজুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
উজবেকিস্তানে, ২২ শ্রাবণ (৬ আগস্ট):
বাংলাদেশ দূতাবাস, উজবেকিস্তান যথাযথ মর্যাদায় গতকাল ‘জুলাই-গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালন করেছে। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কর্মসূচির প্রথম পর্বে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে দূতাবাসে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয়। এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রচারিত হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এ দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ আকাঙ্ক্ষা ও চেতনাকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে যার যার অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানান। জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জনগণের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও অগ্রযাত্রা কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে প্রথম পর্বের সমাপ্তি ঘটে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে উজবেকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর, ভাইস-রেক্টর, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে ‘ইয়ুথ অ্যাজ অ্যা চেঞ্জ মেকার ইন অ্যা চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় এ বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উজবেকিস্তান টি,আই,এফ,টি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর আজিজ নাদিরোভ, সারবন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর মোজাফ্ফর জালালোভ, উজবেকিস্তান ইকোনমিক অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট মুক্তার ওমরোভ এবং তাসখন্দ টাইমসের প্রধান সম্পাদক আকবর ইউসুপভ।
রাষ্ট্রদূত ড. ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তনে আনায়নের ক্ষেত্রে তরুণ ও ছাত্রসমাজের বলিষ্ঠ অবদান ও নেতৃত্বের বর্ণনা করেন। এ প্রসঙ্গে, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও পটভূমির ওপর আলোকপাত করে তিনি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, আধুনিক ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মের সাহস, সংগ্রাম ও সংকল্পের কথা তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে তারুণ্যের সম্পৃক্ততা ও ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের উদ্যোগ, পদক্ষেপ ও প্রতিশ্রুতি পুর্নব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ককে আরো গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে দু’দেশের তরুণ সমাজের উদ্যম ও সৃজনশীলতাকে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর ওপর তিনি জোর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি এক্ষেত্রে বিশেষভাবে কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য শক্তি, ঔষধ, টেক্সটাইল, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি খাতসমূহের উল্লেখ করেন, যেখানে দু'দেশের তরুণ সম্প্রদায় পারস্পরিক স্বার্থে একসাথে কাজ করতে পারে বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন। বক্তারা বাংলাদেশ-উজবেকিস্তানের মধ্যকার ঐতিহাসিক ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনকে বর্ণনা দিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ এ বন্ধনকে আরো শক্তিশালীকরণে তরুণদের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। আগামী দিনগুলোতে দু’দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক ও সহযোগিতা এক নতুন অধ্যায়ে পৌঁছাতে তরুণ সমাজ আরো সক্রিয় ও অগ্রগামী ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
#
বাংলাদেশ দূতাবাস, উজবেকিস্তান/খাদীজা/সাঈদা/আলী/আমিরুল/২০২৬/০৯৪০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬০৮
রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
রোম (ইতালি), ২২ শ্রাবণ (৬ আগস্ট):
বাংলাদেশ দূতাবাস, রোমে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইতালির নাগরিক, ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্যবৃন্দ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।
জুলাই-আগস্ট গণআন্দোলন এবং বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয় এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে প্রেরিত ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অংশগ্রহণকারী প্রবাসী বাংলাদেশিগণ জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমান সরকারের গৃহীত সকল কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক তাঁর বক্তব্যে জুলাই-আগস্ট গণআন্দোলন এবং বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ও তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর অনুসৃত ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দর্শন হিসেবে গ্রহণ করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর চেতনায় বর্তমান সরকার একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জুলাই-আগস্ট গণআন্দোলনে ইতালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণের বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
#
বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম/খাদীজা/সাঈদা/আলী/আমিরুল/২০২৬/০৯০০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৬০৭
নারায়ণগঞ্জে নদীদূষণকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান
ঢাকায় বুড়িগঙ্গায় তরল বর্জ্য নির্গমনস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ
নারায়ণগঞ্জ, ২২ শ্রাবণ (৬ আগস্ট):
নদীদূষণ প্রতিরোধ ও পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চল কার্যালয়ের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয় গতকাল টানা দ্বিতীয় দিনের মতো নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা এলাকায় নদীদূষণকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং তরল বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে নীট কনসার্ন লিমিটেড, ইব্রাহীম টেক্সটাইল, আমজাদ ডাইং, রাইডার থ্রেড অ্যান্ড এক্সেসরিজ লিমিটেড এবং ফ্রেন্ডস ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং ইন্ডাস্ট্রিজ পরিদর্শনের জন্য যান। ফতুল্লার ওয়াপদারপুল এলাকায় অবস্থিত ফ্রেন্ডস ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং ইন্ডাস্ট্রিজে উৎপাদন কার্যক্রম প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়। কারখানা প্রতিনিধির উপস্থিতিতে বাইপাস ড্রেন থেকে উৎপাদন কার্যক্রমে সৃষ্ট তরল বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। প্রাথমিক পরিদর্শনে প্রতিষ্ঠানটির পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকা এবং ইটিপি ছাড়া উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
সংগৃহীত নমুনাগুলো পরীক্ষার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফলে পরিবেশ দূষণের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত পরিবেশ আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই দিনে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখা, ঢাকা জেলা কার্যালয়, ঢাকা মহানগর কার্যালয় ও ঢাকা গবেষণাগারের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বুড়িগঙ্গায় তরল বর্জ্য নির্গমনস্থল শনাক্ত করে নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি ২০২৫ থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত বুড়িগঙ্গা নদী ও এর সংযোগ খালসংলগ্ন ১০৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত তরল বর্জ্য নির্গমনের দায়ে মোট ২ কোটি ৯২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে এবং ৯৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। একই সময়ে ইটিপিবিহীন ৯টি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচলের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নদী ও জলাশয় দূষণ রোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের পরিদর্শন, নজরদারি ও আইনগত কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
#
তোফাজ্জল/খাদীজা/সাঈদা/আলী/আমিরুল/২০২৬/০৯০০ ঘন্টা