কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬ এ ০৯:৪৫ PM

Handout 4 July 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ০৪-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০৪-০৭-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫৪

মাদকমুক্ত সমাজ ও ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার

-- ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ২০ আষাঢ় ( জুলাই):

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, তরুণ ও কিশোর সমাজকে মাদকের কালো থাবা থেকে রক্ষা করতে এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকার ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

আজ চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ক্রীড়া উৎসব-২০২৬’ ফুটবল খেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা তরুণ ও কিশোরদের মরণনেশা মাদক থেকে দূরে রাখে। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী ভাবনার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কিশোর ও তরুণদের পাঠ্যপুস্তকের পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক চর্চা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে বাধ্যতামূলক করেছেন। এর ফলে বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে এবং একটি সুস্থ-সবল সমাজ বিনির্মাণ ত্বরান্বিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তিনি উপস্থিত তরুণ ও ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশ্যে পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা ও পারিবারিক সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং দেশের সব ধরনের কল্যাণমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখার আহ্বান জানান। একই সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশের মানুষের সার্বিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা এবং কারিগরি ও আধুনিক সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার জন্য তরুণ প্রজন্মের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আবুল হাশেম বক্কর এর চমৎকার ব্যবস্থাপনায় এই উৎসবমুখর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আজ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন একাদশ ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ক্রীড়া সমিতি (সাদা দল)।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, খেলোয়াড় এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন।

#

রেজুয়ান/পবন/ফেরদৌস/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১৪০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫৩

বাংলাদেশকে একটি ক্রীড়াবান্ধব দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই

-- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

খুলনা, ২০ আষাঢ় ( জুলাই):

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করেছেন। তারই অংশ হিসাবে আমরা তিনশ’ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে পেশাগত স্বীকৃতি বাবদ ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান করেছি। পর্যায়ক্রমে আরো দুইশ’ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করে সর্বমোট পাঁচশ’ জনকে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আজ খুলনায় রূপসা উপজেলার পালেরহাট মাঠে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশকে একটি ক্রীড়াবান্ধব দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাদের পেশাগত স্বীকৃতি প্রদান করতে চাই। তিনি বলেন, ঢাকাসহ সারা দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলে মাঠ সংরক্ষণ ও সংস্কার করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে খেলার উপযোগী মাঠ উপহার দিতে চাই। আটটি বিভাগ ও দু’টি জেলায় ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে আন্তর্জাতিকমানের ইনডোর সুযোগ-সুবিধা থাকবে। খেলাধুলার মাধ্যমে আমরা একটি সুস্থ জাতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করতে বদ্ধপরিকর।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী হেলাল, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা পরিষদের প্রশাসক মনিরুল ইসলাম বাপ্পি, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু ও বিসিবির সাবেক পরিচালক খান জুলফিকার আলী জুলু। এতে সভাপতিত্ব করেন বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল প্রতিযোগিতা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, খুলনা-৪ আসন রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল প্রতিযোগিতায় ১৫টি দল অংশ নেবে। উদ্বোধনী খেলায় রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন ও তেরখাদা উপজেলার মধুগ্রাম ইউনিয়ন অংশগ্রহণ করে।

#

নূর আলম/পবন/ফেরদৌস/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২০৪০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫২

একই মঞ্চে যৌতুকবিহীন ৭ জুটির বিয়ে, নতুন দৃষ্টান্ত গড়ল ‘আলোকিত লালমনিরহাট’

লালমনিরহাট, ২০ আষাঢ় (৪ জুলাই):

সামাজিক অপরাধ প্রবণতা রোধ এবং যৌতুকের মতো কুপ্রথার বিরুদ্ধে তীব্র গণসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে লালমনিরহাটে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

সামাজিক অপরাধমুক্ত ও কুসংস্কারহীন সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে নতুন করে যাত্রা শুরু করেছে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সামাজিক আন্দোলন। এই মহতী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাতে লালমনিরহাটে সম্পূর্ণ যৌতুকবিহীন এক জমকালো গণবিয়ের আয়োজন করা হয়, যা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে নবদম্পতিদের শুভ পরিণয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ণিল আলোকসজ্জা আর সাজসজ্জায় পুরো জেলা পরিষদ মিলনায়তন ছিল উৎসবমুখর। তবে সব চাকচিক্য ছাপিয়ে সবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মূল মঞ্চটি। মঞ্চ আলোকিত করে বসেন লালমনিরহাট সদর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৭ জন বর ও ৭ জন কনে। যেখানে ত্রাণ মন্ত্রীর উপস্থিতিতে একইসঙ্গে সাত জোড়া তরুণ-তরুণীর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। যৌতুকহীন এই আয়োজনের মাধ্যমে তারা এক পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নতুন জীবনের সূচনা করলেন।

এই আয়োজনের মাধ্যমে ৬টি মুসলিম এবং ১টি হিন্দু পরিবার কোনো প্রকার দেনা-পাওনা বা যৌতুকের দাবি ছাড়াই নতুন জীবনে পা রাখল। গত ঈদুল আজহার সময় ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ গড়ার লক্ষ্যে যে যৌতুকবিহীন বিয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, ৩ জুলাই রাতে তারই সফল বাস্তবায়ন ঘটলো।

যৌতুক প্রথার অভিশাপমুক্ত হয়ে নতুন জীবন শুরু করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নবদম্পতিরা। তারা যুবসমাজের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বলেন, বিয়ে হওয়া উচিত যৌতুকমুক্ত এবং অহংকারহীন। বর-কনেদের অভিভাবকরাও এই উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং একে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বড় আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক। অতিথিবৃন্দ ও সুধীজন এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, যৌতুকের মতো সামাজিক ব্যাধি দূর করতে এবং তরুণ সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’-এর এই প্রয়াস সারা দেশের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

#

মাহবুবুর/পবন/ফেরদৌস/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২০৩৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫১

হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন

-- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

রাউজান (চট্টগ্রাম), ২০ আষাঢ় (৪ জুলাই):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সক্রিয় অংশগ্রহণও প্রয়োজন।

আজ চট্টগ্রামের রাউজানে হালদা নদীর তীরবর্তী ছাত্তারঘাট এলাকায় হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় পর্যায়)-এর আওতায় হালদা নদীর মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, হালদা নদীতে মাছের পোনা আহরণকারীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে খুব শিগগিরই তাদের মধ্যে স্পিডবোট বিতরণ করা হবে। তবে এ সহায়তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই অবৈধভাবে মা-মাছ বা মাছের পোনা আহরণ করা যাবে না।

মন্ত্রী আরো বলেন, কৃষি সেচের সুবিধার্থে নির্মিত বিভিন্ন স্লুইসগেট বর্তমানে হালদা নদীতে মাছের স্বাভাবিক চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এ সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একইভাবে যেখানে সেচের প্রয়োজনে রাবার ড্যাম নির্মাণ অপরিহার্য, সেখানে বিকল্প হিসেবে সেচ পাম্প সরবরাহের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

আমিন উর রশিদ বলেন, হালদা নদী রক্ষায় সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি নদী তীরবর্তী জনগণের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন প্রকল্পের আওতায় হালদা তীরবর্তী এলাকার শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, হালদা নদীতে ডিম আহরণ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদন আরো বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখবে। একইসঙ্গে নদীর পানি দূষণমুক্ত ও মাছের জন্য উপযোগী রাখতে শিল্পকারখানার দূষিত বর্জ্য নির্গমন নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কারখানা মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আমিন উর রশিদ আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কৃষি সেচের পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। বর্তমান সরকারও কৃষকবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যাংক ঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন সহায়তামূলক উদ্যোগ কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং টেকসই জীবিকা নিশ্চিতের মাধ্যমে হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি হালদা নদী তীরবর্তী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন বাস্তবধর্মী প্রস্তাব তুলে ধরেন এবং এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোতাহার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ খালেদ কনক, মৎস্য অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন, স্হানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ-সহ জেলে ও মৎস্যজীবীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রী নদী থেকে আহরিত ডিম থেকে উৎপাদিত রেণু আহরণকারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন এবং ছাত্তারঘাটে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় পর্যায়)-এর প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন হাটহাজারী অঞ্চলের ডিম সংগ্রহকারী শফিউল আলম এবং রাউজান অঞ্চলের ডিম সংগ্রহকারী দলের প্রতিনিধি রোসঙ্গী আলম।

#

মামুন/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/সেলিম/২০২৬/১৯৩৫ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫০

সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানই সভ্যতার সংকট উত্তরণের একমাত্র পথ

---তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২০ আষাঢ় ( জুলাই):

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান বিশ্ব এক গভীর ও বহুমাত্রিক সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। জাতিগত, ধর্মীয়, ভাষাগত, সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক পরিচয়কে ঘিরে সৃষ্ট নানা সংঘাতের স্থায়ী সমাধান আধিপত্যে নয়; বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মধ্যেই নিহিত। মানবসভ্যতার টেকসই অগ্রযাত্রার জন্য বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং অভিন্ন মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে আল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট ও 'আল উম্মাহ জার্নাল'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান অস্থিরতা ও বিভাজনের প্রেক্ষাপটে আল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। বিভিন্ন দর্শন, মতাদর্শ ও চিন্তার মানুষের জন্য একটি উন্মুক্ত বুদ্ধিবিনিময়ের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এ উদ্যোগ সভ্যতার চলমান সংকট মোকাবিলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, ভাষা, জাতিসত্তা, ধর্মীয় পরিচয়, সংস্কৃতি ও ভৌগোলিক অবস্থান মানবসভ্যতার স্বাভাবিক বৈচিত্র্যের অংশ। মহান আল্লাহ মানুষকে বৈচিত্র্যের মধ্যেই সৃষ্টি করেছেন। ফলে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী, জাতি বা মতাদর্শের পক্ষে সমগ্র বিশ্বে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা যেমন বাস্তবসম্মত নয়, তেমনি তা মানবসভ্যতার কল্যাণও বয়ে আনতে পারে না।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান বিশ্বের বহু সংঘাত পরিচয়ের সংকটকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে। কখনো জাতিগত, কখনো ধর্মীয়, কখনো ভাষাগত কিংবা সাংস্কৃতিক বিভাজন সংঘর্ষের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব সংকট উত্তরণে গবেষক, চিন্তাবিদ ও বিভিন্ন মতাদর্শের প্রতিনিধিদের একটি অভিন্ন মানবিক অবস্থান গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়াই হবে প্রধান ভিত্তি। তিনি বলেন, ইতিহাস প্রমাণ করে, যুদ্ধ, শক্তির প্রদর্শন কিংবা আধিপত্য কখনো সভ্যতার স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। বরং মুক্ত চিন্তার বিনিময়, জ্ঞানচর্চা ও পারস্পরিক সম্মানই মানবসভ্যতাকে এগিয়ে নিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের নীতি - শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, সম্প্রীতি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। আমরা এমন একটি পৃথিবী চাই, যেখানে সব জাতি, ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতি নিজ নিজ মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে একসঙ্গে এগিয়ে যাবে এবং মানবসভ্যতার সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণে অংশীদার হবে।

মন্ত্রী তুরস্ক সফরের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে তিনি উপলব্ধি করেছেন যে ইসলামের প্রকৃত শক্তি কেবল আনুষ্ঠানিক ধর্মীয় আচারে নয়; বরং এর মানবিক চেতনা, নৈতিক মূল্যবোধ ও আত্মিক দর্শনের মধ্যেই নিহিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আল উম্মাহ জার্নাল ও ওয়েবসাইট বিভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি ও চিন্তার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, জ্ঞানচর্চা এবং সভ্যতার সংলাপকে আরো সমৃদ্ধ করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তুরস্কের জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির সাবেক ডেপুটি চেয়ারম্যান প্রফেসর ইয়াসিন আকতে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

#

ইমরানুল/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২৬/১৯১১ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৯

প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে

----তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নান্দাইল (ময়মনসিংহ), ২০ আষাঢ় ( জুলাই):

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সরকারি কাজে দুর্নীতি এবং অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত রাখতে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

আজ ময়মনসিংহ নান্দাইল উপজেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত নীতি "সবার আগে বাংলাদেশ"-কে প্রাধান্য দিয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার রক্ষায় দেশের স্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে শেষ করতে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় প্রতিমন্ত্রী নান্দাইল উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাতের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

ইমরানুল/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২৬/১৮৫৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৮

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গাজীপুরের রাজাবাড়ী-দমদমা সড়ক পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

ঢাকা, ২০ আষাঢ় ( জুলাই):

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী-দমদমা সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ধসে পড়ার ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কের ধস এবং নিম্নমানের নির্মাণকাজের অভিযোগ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর আজ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ধসে পড়া সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নির্মাণকাজের সার্বিক অগ্রগতি, কারিগরি মান এবং ধসের সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন। একইসঙ্গে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনগণের ভোগান্তি লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাহরিয়ার নজির, এলজিইডি গাজীপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল মান্নানসহ স্থানীয় প্রশাসন ও এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা এবং প্রতিমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক পরিদর্শনের ফলে সড়ক ধসের প্রকৃত কারণ উদঘাটিত হবে, দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের নিম্নমানের নির্মাণকাজ রোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

#

আশরাফুল/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২৬/১৮৩৩ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৭

মধুপুরে বিভিন্ন উন্নয়নকাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম

মধুপুর (টাঙ্গাইল), ২০ আষাঢ় ( জুলাই):

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম আজ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় জনস্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নকাজের উদ্বোধন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।

মন্ত্রী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত মধুপুর উপজেলার কাকরাইদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ১ (এক) লাখ লিটার পানি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পানির ট্যাংক নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণের জন্য আর্সেনিকমুক্ত ও নিরবচ্ছিন্ন সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিত হবে।

এর আগে মন্ত্রী মধুপুরের সাবেক যুবদল নেতা মরহুম সোহেল তালুকদারের কবর জিয়ারত করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন।

পরে মন্ত্রী মধুপুর উপজেলার জটাবাড়ী ফাযিল(ডিগ্রি) মাদ্রাসার নবনির্মিত ৪ তলা ভবনের উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি পর্যায়ক্রমে গাংগাইর নজমুল ইসলাম ফাযিল মাদ্রাসা, মধুপুর আদর্শ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা এবং শালিখা ফাজিল মাদ্রাসার নবনির্মিত ৪ তলা ভবনের উদ্বোধন করেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার মানোন্নয়ন, আধুনিক শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ এবং নাগরিকদের মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা খাতে শৃঙ্খলা ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরকার নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরীক্ষা পরিচালনা করছে, যাতে প্রকৃত মেধাবীরা তাদের প্রাপ্য মূল্যায়ন পায়। তিনি বলেন, উন্নত শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

মন্ত্রী আরো বলেন, মধুপুরের সার্বিক উন্নয়নে সরকার আন্তরিক এবং এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও জনসেবামূলক অবকাঠামোর উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব উন্নয়নকাজ স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠানগুলোতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুধীজন এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

#

জসীম/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২৬/১৮০৬ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৬

সমবায়ীদের উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর

ঢাকা, ২০ আষাঢ় ( জুলাই):

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, দেশের সমবায় আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী করতে সমবায় সমিতির সংখ্যা বৃদ্ধির পরিবর্তে বিদ্যমান সমিতিগুলোর গুণগত মান, দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সমবায়ীদের উৎপাদিত পণ্য আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

আজ ১০৪তম আন্তর্জাতিক সমবায় দিবসে আগারগাঁওয়ে সমবায় অধিদপ্তরের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এবারের আন্তর্জাতিক সমবায় দিবসের প্রতিপাদ্য "Cooperatives for a Peaceful World".

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি সমবায়ীদের তৈরি বিভিন্ন পণ্যের মেলার স্টল পরিদর্শন করেন।

প্রতিমন্ত্রী সমবায় অধিদপ্তরের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে অধিক সতর্কতা অবলম্বন এবং যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য স্থানে দায়িত্ব দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে জেলা কার্যালয়গুলোকে আরো কার্যকর করতে উন্নয়ন প্রকল্প (ডিপিপি) প্রণয়ন, কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি, পদোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ক্রয়, কর-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, তিনি পর্যায়ক্রমে উপজেলা পর্যায়ের সমবায় সমিতিগুলো পরিদর্শন করবেন এবং মাঠপর্যায়ের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবেন। সমবায় খাতের উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতারও আশ্বাস দেন।

মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার সমবায় খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক সমবায় দিবস কেবল একটি উদ্‌যাপনের উপলক্ষ নয়, বরং এটি সমবায়ের আদর্শ, মূল্যবোধ ও অবদানকে নতুন করে মূল্যায়নের এক অনন্য সুযোগ। তিনি বলেন, মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা ছাড়া দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় এবং সমবায়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ঐক্য, আত্মনির্ভরশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার চেতনা গড়ে ওঠে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনে সমবায় একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তিনি সমবায় আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক মোঃ সেলিম ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম। এতে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী, সমবায় অধিদপ্তরের অতিরিক্ত নিবন্ধক মোঃ নবীরুল ইসলাম, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সমবায় অধিদপ্তরের বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সমবায়ীরা।

#

আশরাফুল/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২৬/১৭৪৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৫

হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ২০ আষাঢ় (৪ জুলাই):

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল শক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৩২জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০১ জন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৮৭ হাজার ৯৬৬ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৮৪ হাজার ২১৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ২ । গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৩৮ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৩।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

#

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৫৪০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৪

কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার

-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ২০ আষাঢ় (৪ জুলাই):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে উৎপাদন, প্রণোদনা, ভরতুকি ও বাজার ব্যবস্থাপনাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষিত করা হবে।

আজ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রীর সাথে মৎস্য অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার বিশ্বাস করে এবং দেশের সাধারণ মানুষও বিশ্বাস করে কৃষক অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হলে জাতীয় অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার আওতায় এনে উৎপাদন বৃদ্ধি, কার্যকর বিপণন ব্যবস্থা এবং কৃষকের আয় নিশ্চিত করতে সরকার ধারাবাহিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সরকার ঘোষিত নীতি, কর্মপরিকল্পনা ও নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। সরকারের গতির সাথে নিজেদের কাজের গতি ও সক্ষমতা সমন্বয় করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে। সরকার প্রধানের নির্দেশনা বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও কর্মদক্ষতার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া বিএনপি’র ৩১ দফা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে সেই অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে খালের পানি ব্যবহারের উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের কৃষকদের একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজ গড়ে তুলতে কৃষক কার্ড কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। পাইলট প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে প্রান্তিক, ক্ষুদ্র এবং অন্যান্য সব কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষক শনাক্তকরণ, সরকারি প্রণোদনা ও ভরতুকি সরাসরি বিতরণ, উৎপাদন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং কৃষিপণ্যের বাজার ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর ও স্বচ্ছ করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উর্বর মাটি, অনুকূল জলবায়ু এবং সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরো শক্তিশালী করা হবে। কৃষকের সমৃদ্ধিই দেশের সমৃদ্ধির ভিত্তি- এই লক্ষ্য সামনে রেখেই সরকার কৃষিবান্ধব নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

এসময় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব
মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ খালেদ কনক, চট্টগ্রাম স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক মনোয়ারা বেগম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো: আনোয়ার হোসেন, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল চট্টগ্রাম, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট-সহ চট্টগ্রাম অঞ্চলের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রণালয়ের চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্হা প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

মামুন/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৫২৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৩

অসুস্থ সংগীত শিল্পী শবনম মুশতারীকে দেখতে তাঁর বাসায় গেলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

ঢাকা, ২০ আষাঢ় (৪ জুলাই):

দেশের স্বনামধন্য ও একুশে পদকপ্রাপ্ত নজরুল সংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত ও জটিল ডিমেনশিয়া (স্মৃতিভ্রম) রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দেশবরেণ্য এ শিল্পীর অসুস্থতার সংবাদ জানতে পেরে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম আজ রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ শিল্পীর বাসভবনে তাঁকে সশরীরে দেখতে যান। এসময় তাঁরা তাঁর চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট’-এর পক্ষ থেকে গুণী এ শিল্পীর জরুরি চিকিৎসার জন্য পাঁচ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার একটি চেক হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য, নজরুল সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শিল্পী শবনম মুশতারী ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত হন। এছাড়া, ২০১৫ সালে তিনি জাতীয়ভাবে ‘নজরুল পুরস্কার’ লাভ করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি তালিম হোসেন এবং প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক বেগম মাফরুহা চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ কন্যা।

#

শাকিলুজ্জামান/তানভীর/অতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৩৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪২

চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে মানবিক সহায়তা প্রদান করলেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

হাটহাজারী, (চট্টগ্রাম), ২০ আষাঢ় ( জুলাই):

ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন গতকাল চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ও হাটহাজারীতে দুঃস্থ, অসহায় এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন। পৃথক পৃথক এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত চাল এবং তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগরীর ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী এলাকায় দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এছাড়া, বায়েজিদের ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ডে আয়োজিত পৃথক দুটি অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিমন্ত্রী চাল ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। অন্যদিকে, হাটহাজারী গড়দুয়ারা ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মাঝে তাৎক্ষণিক নগদ আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন প্রতিমন্ত্রী ।

এসকল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। জনসাধারণের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের সেবক হিসেবে বিপদে আপনাদের পাশে থাকা আমাদের কর্তব্য। সরকারের এই মানবিক সহায়তা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার টেকসই উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বর্তমান সরকার কেবল সাময়িক ত্রাণ বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সকল নাগরিকের টেকসই অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ার মূল চেতনাকে অন্তরে ধারণ করার উদাত্ত আহ্বান জানান। একটি সুখী, সমৃদ্ধশালী ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে বৈষম্যহীন, মানবিক ও প্রগতিশীল এক নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

#

রেজুয়ান/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১০৩০ ঘণ্টা


ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন