কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬ এ ০৯:৫৪ PM

Handout 30 July 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ৩০-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ৩০-০৭-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৯৫

ওমান ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের মধ্যে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং

যৌথ গবেষণা এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই):

আজ ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশের পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সাথে ওমানের Star Drones, Innovation Park Muscat, Seeb, Oman এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) Said Abdul Ghafoor Saif Udeen এর নেতৃত্বে সৌদি আরাবিয়া- বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি'র প্রতিনিধিদলের মধ্যে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং যৌথ গবেষণা এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে একটি দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা , ড্রোন প্রযুক্তি, কৃষি প্রযুক্তি, স্টার্টআপ ফান্ডিং, খাদ্য নিরাপত্তা এবং উদ্ভাবনে দুই দেশের সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা।

আলোচনায় ওমানের প্রতিনিধিরা তাদের বিজ্ঞান, ড্রোন এবং এআই সংক্রান্ত উদ্যোগগুলোর কথা তুলে ধরেন। ওমানি প্রতিনিধিদল উল্লেখ করেন, তাদের একটি স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড রয়েছে যা প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্ভাবনগুলোতে অর্থায়ন করে। ওমানি দল তাদের নিজস্ব এলএলএম (Large Language Model) এবং ডেটা সুরক্ষার ওপর জোর দিচ্ছে বলে জানান। বৈঠকে মুসলিম দেশগুলোর নিজস্ব প্রযুক্তি ও ডাটা সেন্টার ব্যবহার, ডাটা সংরক্ষণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।

দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন বাংলাদেশের বিশাল তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী (বিশেষ করে আইসিটি ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ) সম্পর্কে তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন এবং রোবোটিক্স খাতে তরুণদের আগ্রহ ও এ নিয়ে সরকারের উদ্যোগের কথা জানান। সেমিকন্ডাক্টর চিপ ডিজাইন ও গবেষণার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং বাংলাদেশের স্থানীয় যুবসমাজকে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তোলার বিষয়ে বৈঠকে জোর দেওয়া হয়।

ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে ওমানে হাজার হাজার একর জমিতে কীটনাশক বা স্প্রে ছিটানোর কাজ সফলভাবে করা হয়েছে বলে ওমান প্রতিনিধিদল তাদের বক্তব্যে তুলে ধরেন। বাংলাদেশে কৃষি কাজ, কীটনাশক ছিটানো, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এবং অগ্নি-নিরাপত্তায় এই ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করার বিশাল সুযোগ রয়েছে বলে ওমানের প্রতিনিধি জানান।

বাংলাদেশে লবণাক্ততা প্রতিরোধী ধানের জাত ব্যবহার করে যৌথ গবেষণার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া, ডায়াবেটিস রোগীদের উপযোগী বিশেষ চালের জাতের বিষয়ে ওমানের প্রতিনিধিদল আগ্রহ প্রকাশ করেন। খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের অংশ হিসেবে কাঁঠাল, আনারসের মতো ফল দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির বিষয়ে যৌথ গবেষণার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের বিসিএসআইআর (BCSIR) শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর করতে ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ বিশেষ খাদ্য প্রস্তুত করেছে, যা আফ্রিকা ও ওমানে ব্যবহারযোগ্য বলে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বিসিএসআই আর এর চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ উল্লেখ করেন।

ওমানি দল তাদের রেড পাম উইভিল জাতের খেজুর গাছের পোকা দমন নিয়ে গবেষণার কথা উল্লেখ করে এবং এর ঔষধি গুণের জন্য যৌথ গবেষণার প্রস্তাব দেয়। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল এক্ষেত্রে জানায়, এ জাতীয় গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো ও নীতিমালা তৈরির কাজ বিবেচনা করা যেতে পারে।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দু’দেশের গবেষক, স্টার্টআপ এবং নীতি-নির্ধারকদের পারস্পরিক বিজ্ঞান পার্ক ও গবেষণা সুবিধা পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।

বৈঠকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আগামী সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ন্যাশনাল ইনোভেশন ফেয়ারে ওমানি দলকে অংশগ্রহণের বিশেষ আমন্ত্রণ জানান। এছাড়া, আজকের আলোচনার প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষ থেকে যোগাযোগ রক্ষা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট/ প্রতিনিধি নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহম্মদ আশরাফ আলী ফারুক, ড. সৈয়দা নওশিন পর্ণিনী, ওমানের Star Drones, Innovation Park Muscat, Seeb, ঝববন এর চিফ টেকনোলজি অফিসার Bassim Allah Bakhsh Ghulam Al-Zadjali, বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড মঈনুল ইসলাম, সৌদিআরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সভাপতি আশরাফুল হক চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

#

আল-মামুন/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/সঞ্জীব/কনক/জয়নুল/২০২৬/২১৫০ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৯৪

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে অধিকতর জনবান্ধব

--- জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই):

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগে জনপ্রশাসন আরো জনবান্ধব হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দক্ষ, উদ্ভাবনী, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনকল্যাণমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে সমৃদ্ধ, মর্যাদাশীল ও উজ্জ্বল বাংলাদেশ গঠনে মেধা, শ্রম ও সততার সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

আজ ঢাকার শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ১৪৪তম ও ১৪৫তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ প্রদান ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বর্তমান বিশ্বের প্রশাসন আর কেবল নথিপত্র পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি এখন জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নির্ভর। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইতোমধ্যে নীতি বিশ্লেষণ, সেবা প্রদান, অভিযোগ নিষ্পত্তি, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এ প্রযুক্তি দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগাতে হবে। সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে এআইনির্ভর করে আরো কার্যকর ও জনবান্ধব করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

উপদেষ্টা বলেন, দেশের অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করতে তৈরিপোশাক শিল্পের পাশাপাশি চামড়া শিল্প, সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চপ্রযুক্তি উৎপাদন এবং জ্ঞানভিত্তিক সেবা খাতের বিকাশ জরুরি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার স্টার্টআপ খাতে চলতি অর্থবছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে।

চীনের ‘একটি গ্রাম, একটি পণ্য’ উদ্যোগের উদাহরণ তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার নিজস্ব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, ব্র্যান্ডিং ও বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে সকলে মিলে কাজ করতে হবে। তিনি পরীক্ষামূলকভাবে একটি জেলায় এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নেরও জন্য কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার পরিচয় তাঁর পদবিতে নয়, বরং কর্ম, সততাও উদ্ভাবনী চিন্তায়। মানুষের জীবন সহজ করা, সময় সাশ্রয় এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিটি কর্মকর্তাকে নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, কর্মজীবনে নানা চ্যালেঞ্জ আসবে। তবে প্রতিটি সংকটকে সুযোগে রূপ দিতে হবে। জ্ঞানচর্চা অব্যাহত রাখতে হবে এবং নতুন প্রযুক্তি ও নতুন ধারণা গ্রহণে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি বলেন, আজ যে সনদ তাঁরা গ্রহণ করছেন, সেটি শিক্ষার সমাপ্তি নয়; বরং আজীবন শিক্ষার নতুন অভিযাত্রার সূচনা।

অনুষ্ঠানে বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর (সচিব) ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলমের সভাপতিত্বে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পরিবহন কমিশনার, এনএপিডির মহাপরিচালক, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক এবং বিসিএস প্রশাসন একাডেমির অনুষদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

#

মালেক/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২৬/২১৩০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৯৩

অপরিকল্পিত প্রকল্প হাতে নিয়ে জনগণের অর্থের অপচয় করা যাবে না

---বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই):

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বিগত দিনের মতো অপরিকল্পিত প্রকল্প হাতে নিয়ে জনগণের অর্থের অপচয় করা যাবে না।

আজ সচিবালয়ে জ্বালানি ও বিদ্যুতের চাহিদা, উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থাকে দক্ষ ও সাশ্রয় করার জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রস্তাবের লক্ষ্যে গঠিত কমিটি এবং বিদ্যুৎ বিভাগের অননুমোদিত প্রকল্পসমূহ গ্রহণ ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক পৃথক দু’টি সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

¦ালানি বিভাগের সভায় জ্বালানি খাতের ম্যাপিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের কোথায় কী ধরনের খনিজ সম্পদ রয়েছে তার একটি সুস্পষ্ট ভৌগোলিক ও তথ্যভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র বা রূপরেখা থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে আংশিক, খণ্ডিত এবং বিভিন্ন সংস্থার কাছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ব্লক ম্যাপ, ভূতাত্ত্বিক জরিপসহ প্রতিটি বিষয়ে একটি একক, আধুনিক এবং সমন্বিত রূপরেখা দাঁড় করানোর নির্দেশ দিয়ে বলেন, ভূগর্ভস্থ সম্পদের সঠিক অবস্থান ও সম্ভাবনার চিত্র পরিপূর্ণভাবে থাকলে সরকারের প্রতিটি বিভাগের মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা সহজ হবে।

জ্বালানি এবং খনিজসম্পদ বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত এ বৈঠককালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে জোনভিত্তিক জ্বালানির চাহিদা এবং সরবরাহের প্রকৃত চিত্র থাকতে হবে। কোথায় আমাদের কি ধরণের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা চিহ্নিত করা এবং করণীয় নির্ধারণে কালক্ষেপণ করা যাবে না। বৈঠকে তিনি প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের প্রতিও গুরুত্ব দেন।

একই দিন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী সচিবালয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের অননুমোদিত প্রকল্পসমূহ গ্রহণ ও অগ্রাধিকার ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। এ সময় তিনি অননুমোদিত বিভিন্ন প্রকল্পের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য শোনেন এবং প্রতিটি প্রকল্পের যৌক্তিকতা ও জনগণের প্রয়োজন মেটাতে কতটুকু ভূমিকা রাখবে সে বিষয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণের প্রতি জোর দেন। প্রসঙ্গক্রমে বিগত দিনের মতো অপরিকল্পিত এবং অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের পেছনে যেভাবে জনগণের অর্থের অপচয় ঘটছে তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে দেওয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি এ সংক্রান্ত পরিপূর্ণ তথ্য উপাত্ত উপস্থাপনের নির্দেশ দেন। একই সাথে তিনি সেবামূলক এই খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যা যা করণীয় দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

বৈঠকে বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখসহ বিদ্যুৎ বিভাগ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

আরিফ/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/২০৫০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৯১

২০২৬ সালে ৫ কোটির অধিক বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকার

--- প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই):

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ সেলের সভাপতি নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ২০২৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মাধ্যমে মোট ৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩০টি চারা রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্বভাবে উৎপাদিত চারা এবং নিজস্ব অর্থায়নে সংগৃহীত চারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত সেল এর অনুষ্ঠিত ৪র্থ সভায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে একটি দেশব্যাপী সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষার্থী এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীসহ সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে এতে সম্পৃক্ত করতে হবে। স্থানীয় মাটি, জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য বিবেচনা করে সঠিক স্থানে উপযুক্ত দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণের পাশাপাশি চারার বেঁচে থাকার হার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

উপদেষ্টা আরো জানান, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৪৩ শতাংশ চারা ইতোমধ্যে রোপণ করা হয়েছে। যেসব মন্ত্রণালয় ও সংস্থা লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পিছিয়ে রয়েছে তাদের চলতি বর্ষা মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশনা দেন তিনি।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি সফল করতে শুধু চারা রোপণ নয়, রোপণ-পরবর্তী নিয়মিত পরিচর্যা, সুরক্ষা এবং কার্যকর মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি নার্সারির সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। ‘রাইট ট্রি, রাইট প্লেস’ নীতি অনুসরণ করে দেশীয় প্রজাতিকে অগ্রাধিকার প্রদান করা জরুরি। অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক গাছ নারিকেল, তাল, খেজুর, সুপারি ইত্যাদি রোপণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে জোর দেন তিনি। সরকারি খাসজমি, সড়ক, রেলপথ, নদীর তীর, চর ও উপকূলীয় এলাকায় পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের বিষয়ে তিনি পরামর্শ দেন। শিক্ষার্থী, স্কাউট, বিএনসিসি, রোভার, যুব সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও এনজিওগুলোকে কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, আগামী ডিসেম্বর- জানুয়ারি মাসে উপকূলীয় এলাকায় ২ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। ফলে আগামি জানুয়ারি মাসের মধ্যে এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, রোপিত চারার পরিচর্যা, সুরক্ষা, প্রয়োজনে পুনঃরোপণ এবং বেঁচে থাকার হার পর্যবেক্ষণের জন্য একটি সমন্বিত মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মোঃ সাইমুম পারভেজ বলেন, বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে নারী, তরুণ ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে সাড়ে তিন লাখের বেশি সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সারা দেশে নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এছাড়া প্রতিটি রোপিত গাছের জিপিএসভিত্তিক অবস্থান, প্রজাতি, রোপণের তারিখ, জিও-ট্যাগযুক্ত ছবি ও পরিচর্যার তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণের জন্য ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ তৈরির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। অ্যাপটির মাধ্যমে গাছের বেঁচে থাকার হার, প্রতিস্থাপনমূলক বৃক্ষরোপণ, জেলা ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অগ্রগতি এবং রিয়েল-টাইম প্রতিবেদন জাতীয় ড্যাশবোর্ডে প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, অতিরিক্ত সচিব শামিমা বেগম, বৃক্ষরোপণ সেলের টেকনিক্যাল এক্সপার্ট অধ্যাপক ড. মোঃ নুরুল ইসলাম জামাইল বশীর জেবি এবং মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

তোফাজ্জল/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/২০৩০ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৮৯

পরিবর্তনের দাবি উঠলেই মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে

--- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই):

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জনগণ যখনই পরিবর্তনের দাবি তুলেছে, তখনই এদেশের মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান-প্রতিটি পরিবর্তনের পেছনেই রয়েছে মানুষের আত্মত্যাগ। তাই শহিদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে রাষ্ট্র ও সমাজে সত্যিকারের পরিবর্তন নিশ্চিত করতে হবে।

আজ রাজধানীর তথ্য ভবন মিলনায়তনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং পিএসসির সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা জুলাই শহিদ দিবস বিষয়ক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন এবং আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, পরিবর্তন একটি চলমান ও অনিবার্য প্রক্রিয়া। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রতিটি ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য জনগণকে জীবন দিতে হয়েছে। স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর যদি পরিবর্তনের দাবিতে আবারও তরুণদের রক্ত দিতে হয়, তবে তা আমাদের জন্য আত্মসমালোচনার বিষয়।

মন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে দেশের তরুণরাই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাঁদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। শুধু সরকার পরিবর্তন নয়, মানুষের চিন্তা-চেতনা, প্রশাসনিক সংস্কৃতি এবং রাষ্ট্র পরিচালনায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরও তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরোনো মানসিকতা ও পরিবর্তনবিমুখ প্রবণতা দেখতে পেয়েছেন। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনকে আরো জনমুখী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হতে হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, শহিদদের আত্মত্যাগ তখনই সার্থক হবে, যখন দেশের প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা, দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করবে। প্রতিশোধ নয়, জাতীয় ঐক্য, সুশাসন ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও অর্জনকে কেন্দ্র করে যেন কেউ কোনো ধরনের ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যেমন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর লাভজনক প্রকল্পে পরিণত করা উচিত নয়, তেমনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকেও কোনো সংকীর্ণ রাজনৈতিক বা ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমাজে যখনই অন্যায় ও শোষণ বেড়েছে, তখনই জনগণ স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ প্রকাশ। জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে ন্যায়, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে নানা ধরনের নির্যাতন ও অপমানের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কিন্তু জনগণের ভালোবাসা নিয়ে তাঁর বিদায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। জুলাইয়ের চেতনা জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেতনা হিসেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ শাহ আলম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রেস কাউন্সিলর চেয়ারম্যান বিচারপতি একেএম আব্দুল হাকিম, প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান ও জুলাইয়ের শহিদ মুগ্ধর ভাই মীর স্নিগ্ধ।

#

ইমরানুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৮৩০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৮৮

লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে বদলি

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই):

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুষ্ঠু মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন

উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়েছে। এ লটারিভিত্তিক বদলি কার্যক্রমের মাধ্যমে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে অধীন দপ্তর-সংস্থায় বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।

আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পূর্ত ভবনের সম্মেলনকক্ষে দেশের আটটি বিভাগের ৭৬৭ জন

উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)-এর পদায়নের স্থান ও শাখা লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়। পুরো লটারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ সারোয়ার আলম।

লটারির ফলাফলের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন কার্যালয়ে ৩১৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ৭৪ জন, বরিশাল বিভাগে ৪৪ জন, সিলেট বিভাগে ৩৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৯ জন এবং রংপুর বিভাগে ৬৪ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে পদায়ন করা হয়েছে।

লটারির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব মোঃ সারোয়ার আলম বলেন, লটারির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম পরিচালনার ফলে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর, আধুনিক ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতির সূচনা হলো।

এ সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ খালেকুজ্জামান চৌধুরী, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, যুগ্মসচিব ফৌজিয়া খান এবং উপসচিব খান মোঃ নাজমুস শোয়েব ও মোঃ আবু নাছেরসহ গণপূর্ত অধিদপ্তরের অন্যান্য প্রকৌশলীগণ উপস্থিত ছিলেন।

আগামী সপ্তাহে একই পদ্ধতিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের বদলি কার্যক্রমও সম্পন্ন করা হবে।

#

আলমগীর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৮২৫ঘণ্টা

Handout Number: 487

ICT Minister Calls on Grameenphone to Address

Concerns over Call Drops, Network Quality and Pricing

Dhaka, 30 July:

Minister for Posts, Telecommunications and Information Technology and Science and Technology Faqir Mahbub Anam said that the benefits of digital technology must reach every citizen of Bangladesh. He stressed that women, youth, persons with disabilities, transgender communities, and other marginalized groups must be able to participate equally in and benefit from the country's digital transformation.

The Minister made the remarks while addressing the inauguration ceremony of Grameenphone's "Digital Inclusion for Marginalized Communities – Phase II" initiative as the Chief Guest at Sheraton Dhaka in Banani today.

Minister said that under the leadership of Prime Minister Tarique Rahman, Bangladesh is working relentlessly to expand digital connectivity across the country. To achieve the national goal of becoming a US$1 trillion economy by 2034, the Government is placing strong emphasis on meaningful digital inclusion, digital literacy, and the development of a skilled workforce.

Calling for further expansion of telecommunications services in remote and underserved areas, the Minister said that no region should be left behind in the country's digital transformation journey. He emphasized that accessible and affordable connectivity is essential for inclusive development and improving people's quality of life.

Referring to public concerns over telecommunications services, Faqir Mahbub Anam urged mobile network operators to take effective measures to address issues related to call drops, network quality, and the pricing of voice and data packages.

Minister said that while business growth is important, equal importance must also be given to customers expectations and interests. Ensuring affordable, reliable, uninterrupted and high-quality services for consumers should remain the highest priority of service providers.

At the conclusion of the event, the Minister formally inaugurated Grameenphone's "Digital Inclusion for Marginalized Communities – Phase II" programme.

The event was attended by Grameenphone Chief Executive Officer (CEO) Yasir Azman, Chairman of the Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) Major General (Retd.) Md. Emdad Ul Bari, senior government officials, representatives from the private sector, development partners, and other stakeholders.

#

Zashim /Kamruzzaman/Vivekananda/Rafiqul/Joynul/2026/1820 hour

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৮৬

জাতি, ধর্ম এবং রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে আছে সরকার

--- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই):

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশে বর্তমানে ৪০ লাখ নিবন্ধিত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ রয়েছে। জাতি, ধর্ম এবং রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে আছে সরকার।

আজ রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদে ‘দি দাউদি বোহরাস অব বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে নবনির্মিত ‘প্রজেক্ট রাইজ ওয়ার্ড ফর চাইল্ড হেলথ কেয়ার’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহানুভূতিশীল এবং মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে কেউ নিজেকে অনাদৃত, বঞ্চিত কিংবা অসহায় মনে করবে না। ইতোমধ্যেই সরকারের গৃহীত বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ জনমনে সাড়া ফেলেছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সমাজে বসবাসরত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিভিন্ন থেরাপি ও চিকিৎসা প্রদান করলে তারা সুস্থ হয়ে সমাজের মূল ধারায় মিশে যেতে পারে। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, সমাজ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানসমূহে অনুদান দিলে ট্যাক্স রিবেট পাওয়া যায়, তিনি সকলকে এ সুযোগ গ্রহণ করারও আহ্বান জানান। একইসাথে মন্ত্রী এ মানবহিতৈষী কাজের জন্য বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ ও দি দাউদি বোহরাস অব বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ বর্তমানে ৮০ বেডের একটি

ফিজিওথেরাপি সেন্টার পরিচালনা করে আসছে, আজ নতুন করে আরো ৭০ টি বেড যুক্ত হওয়ায় এখন থেকে ১৫০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু এ সেবা পাবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দি দাউদি বোহরাস অব বাংলাদেশ’র ঢাকা ও চট্টগ্রামের প্রতিনিধিসহ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

#

রায়হান/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৮১৫ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৮৫

হজ টিকিটের মূল্য কমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, আরো সুবিধা নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে

--- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই):

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এ যাত্রায় বাংলাদেশি হজযাত্রীগণের জন্য যৌক্তিক খরচে, হয়রানিমুক্ত পরিবেশে হজ প্যাকেজ তৈরিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।

প্রতিমন্ত্রী আজ হজ এজেন্সিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ে হজ ও ওমরাহ ফেয়ার-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত বছর আমরা টিকিট প্রতি খরচ ১২ হাজার টাকা কমাতে সক্ষম হয়েছিলাম। এ বছর আমরা টিকিট প্রতি খরচ আরো ২৫ হাজার টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। এছাড়া, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে সৌদি সরকারকে বিমান টিকেটের ওপর আরোপিত সৌদি বিমানবন্দরের নির্মাণ কর কমানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশি হাজিদের আবাসন খরচ কমানোর লক্ষ্যে বিশেষ সুবিধা আরোপের বিষয়েও সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাথে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া হজযাত্রীদের সাথে কোনোরূপ প্রতারণা করা হলে সর্বোচ্চ শাস্তি পেতে হবে বলেও হুশিয়ারি দেন তিনি।

ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, বাংলাদেশের হজযাত্রীদের মাত্র পাঁচ শতাংশের মতো সরকারি মাধ্যমে হজ পালন করে থাকেন, বাকি ৯৫% বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে হজে যান। তিনি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কাজ করা হতে বিরত থাকার জন্য এজেন্সি মালিকদেরকে অনুরোধ জানান।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ মেলা পরিদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে রাজকীয় সৌদি দূতাবাসের উপ মিশন প্রধান খালিদ সাঈদ আল হাদাল, হজ এজেন্সিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর নেতৃবৃন্দসহ হজপ্রত্যাশীগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

তরিকুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৮১০ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৮৪

পরিবর্তনের দাবি উঠলেই এ দেশের মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে

-স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই):

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের ইতিহাসে জনগণ যখনই পরিবর্তনের দাবি তুলেছে, তখনই তাদের প্রাণ দিতে হয়েছে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রতিটি পরিবর্তনের পেছনেই রয়েছে মানুষের আত্মত্যাগ। তাই শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে রাষ্ট্র ও সমাজে সত্যিকারের পরিবর্তন নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর তথ্য ভবন মিলনায়তনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং পিএসসির সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা জুলাই শহীদ দিবস বিষয়ক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন এবং আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, পরিবর্তন একটি চলমান ও অনিবার্য প্রক্রিয়া। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রতিটি ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য জনগণকে জীবন দিতে হয়েছে। স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর যদি পরিবর্তনের দাবিতে আবারও তরুণদের রক্ত দিতে হয়, তবে তা আমাদের জন্য আত্মসমালোচনার বিষয়। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে দেশের তরুণরাই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাঁদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। শুধু সরকার পরিবর্তন নয়, মানুষের চিন্তা-চেতনা, প্রশাসনিক সংস্কৃতি এবং রাষ্ট্র পরিচালনায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরও তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরোনো মানসিকতা ও পরিবর্তনবিমুখ প্রবণতা দেখতে পেয়েছেন। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনকে আরো জনমুখী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হতে হবে। তিনি আরো বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ তখনই সার্থক হবে, যখন দেশের প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা, দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করবে। প্রতিশোধ নয়, জাতীয় ঐক্য, সুশাসন ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও অর্জনকে কেন্দ্র করে যেন কেউ কোনো ধরনের ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, সমাজে যখনই অন্যায় ও শোষণ বেড়েছে, তখনই জনগণ স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে ন্যায়, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

#

চয়ন/খাদীজা/তারানা/তানভীর/সাঈদা/রোকন/আলী/আমিরুল/২০২৬/১৫১০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৮২

খাদ্য মূল্যস্ফীতি হ্রাসে লজিস্টিক ব্যয় কমানো ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই):

উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির অন্যতম কারণ হিসেবে লজিস্টিক ব্যয়ের উচ্চহার, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং বাজারব্যবস্থার বিভিন্ন অসঙ্গতিকে চিহ্নিত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে লজিস্টিক ব্যয় কমানো, উৎপাদন উপকরণের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা, বাজারে অনানুষ্ঠানিক ব্যয় হ্রাস এবং কৃষিপণ্যের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।

আজ রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যশৃঙ্খল: বাজারব্যবস্থা, মুনাফার মার্জিন ও মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কোভিড-পরবর্তী সময়ে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই অতিরিক্ত তারল্য, সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্ন এবং চাহিদা বৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছিল। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি স্থায়ীভাবে বেশি থাকার অন্যতম কারণ লজিস্টিক ব্যয়। বিশ্বে যেখানে গড়ে জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশ লজিস্টিক ব্যয় হিসেবে বিবেচিত হয়, সেখানে বাংলাদেশে তা প্রায় ১৬ শতাংশ। এ ব্যয় কমানো গেলে খাদ্যপণ্যের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাজারে তথ্যের অসমতা কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, টানা কয়েক বছর কৃষক আলুর ন্যায্যমূল্য না পেলেও একই পরিমাণ উৎপাদন অব্যাহত রেখেছেন। এর অর্থ, কৃষকের কাছে বাজারসংক্রান্ত সঠিক তথ্য ও বিকল্প উৎপাদন পরিকল্পনার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পৌঁছাচ্ছে না। তিনি জানান, কৃষিপণ্যের উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলে ট্রেসেবিলিটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোন পর্যায়ে অস্বাভাবিক ব্যয় বা মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে তা সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক ব্যয় কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশের প্রায় এক কোটি ৭৮ লাখ কৃষক পরিবার সীমিত আয়ের মধ্যে জীবনযাপন করে। তাদের সঞ্চয়ের সুযোগ খুবই কম। ফলে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও উচ্চ উৎপাদনশীলতায় বিনিয়োগের সক্ষমতাও সীমিত। এজন্য কৃষিকে আরো বেশি রাষ্ট্রীয় সহায়তা, গবেষণা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে হবে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সরকার কৃষি খাতকে ভর্তুকি, সার, বীজ ও সেচ সুবিধা দিয়ে সহযোগিতা করেছে। তবে এখন সময় এসেছে কৃষিকে আরও সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরের। দেশের মাটি, জলবায়ু ও কৃষি বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিজস্ব বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কৃষি উন্নয়ন কৌশল গ্রহণ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, কৃষি এমন একটি খাত, যা শিল্পের মতো নির্দিষ্ট পরিবেশে পরিচালিত হয় না; বরং এটি প্রকৃতি ও নানা বাহ্যিক ঝুঁকির ওপর নির্ভরশীল। তাই জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমাতে হলে তিনটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে-লজিস্টিক ব্যয় হ্রাস, উৎপাদন উপকরণের খরচ নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি। উৎপাদনশীলতা বাড়লে কৃষকের আয় যেমন বাড়বে, তেমনি ভোক্তার জন্যও খাদ্যপণ্য সহনীয় দামে সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে।

সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ফখরুদ্দিন আল কবির। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুস সাত্তার মণ্ডল, সাবেক অর্থসচিব সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুল মাজিদ এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপতি তাসলিমা আক্তার লিমা।

#

কামাল/খাদীজা/তারানা/তানভীর/সাঈদা/আলী/আসমা/২০২৬/১৩৪৫ ঘণ্টা

Handout Number: 481

Zero Tolerance Against Human Trafficking and Online Scams

-Home Minister

Dhaka, 30 July:

Home Minister Salahuddin Ahmad stated that the current government is giving the highest priority to protecting citizens from human trafficking and technology-driven crimes. He affirmed that the government remains steadfast in maintaining a ‘zero tolerance’ policy against international human trafficking and scam networks operating through the misuse of technology.

The Minister made these remarks while addressing as the chief guest at a high-level national dialogue titled ‘Trapped Behind the Scam: Ending Human Trafficking for Forced Criminality,’ organized on the occasion of ‘World Day Against Trafficking in Persons 2026’ at the Grand Ballroom of Pan Pacific Sonargaon Hotel in the capital today.

The Minister noted that the nature of human trafficking is evolving and increasingly complex. He said that criminal rings are no longer relying solely on conventional methods; instead, they are targeting youth and job seekers using digital platforms, fake online recruitment portals, and various social media channels. Lured by false promises of attractive employment and a better future, victims are being taken abroad and subsequently held captive in cyber scam centers, where they are subjected to severe abuse, intimidation, and forced to engage in criminal activities.

The Minister further stated that trafficking syndicates are increasingly utilizing various digital technologies to execute these crimes. Addressing this threat, he emphasized, requires more than just traditional law enforcement measures; it demands a coordinated and robust response involving technology firms, financial institutions, the private sector, and an aware civil society.

Highlighting the current government’s initiatives to combat human trafficking, the Minister informed that, keeping pace with modern times and international standards, the government has achieved a historic milestone in crime prevention. The government has enacted the 'Human Trafficking and Migrant Smuggling (Prevention and Suppression) Act, 2026'. He stated that this new law, framed in alignment with the United Nations Convention against Transnational Organized Crime (UNTOC) and its associated protocols, brings modern offenses-such as online scams, technology-based inducements, and forced criminality-under strict punitive measures. Simultaneously, efforts are underway to update the 'Human Trafficking Prevention and Suppression Rules, 2017' to accelerate the implementation process. Additionally, the Ministry of Home Affairs, through consultations with all stakeholders, is finalizing the 'National Action Plan (2026–2030)', which will reinforce four primary pillars: Prevention, Protection, Prosecution, and Partnership.

Regarding the dignity and rehabilitation of victims, Salahuddin Ahmad emphasized that ensuring the protection of every victim of human trafficking is a moral and legal duty of the government. To this end, the 'National Referral Mechanism (NRM)' is being strengthened to ensure rapid rescue and immediate legal, physical, psychological, and rehabilitative support for victims. To support evidence-based policymaking and precise case tracking, a state-of-the-art 'Digital Anti-Trafficking Information Management Platform' is being developed. He called upon the media and civil society to generate widespread public awareness against fraudulent recruitment syndicates to ensure safe migration for youth, women, and prospective migrants.

The national dialogue was chaired by Manzur Morshed Chowdhury, Senior Secretary, Ministry of Home Affairs. Special guest addresses were delivered by Md. Liaquet Ali Molla, Secretary of the Law and Justice Division; Md. Ali Hossain Fakir, Inspector General of Police (IGP), Bangladesh Police; Baiba Zarina, Chargé d' Affaires of the European Union to Bangladesh; and Dr. Laura Tomm-Bonde, Chief of Mission, IOM Bangladesh and Coordinator of the UN Network on Migration.

The event was also attended by Rear Admiral Md. Ziaul Hoque, Director General of Bangladesh Coast Guard, and Brigadier General Md. Sohrab Hossain Bhuiyan, NDC, Additional Director General of Border Guard Bangladesh (BGB).

Dr. Ziauddin Ahmed, Additional Secretary of the Ministry of Home Affairs, delivered the welcome address. Shah Mohammad Naheeaan, Head of the UNODC Program Office Bangladesh, elaborated on the theme of this year's World Day Against Trafficking in Persons. The inaugural session concluded with the screening of an informative documentary video. The session was moderated by Rebeka Khan, Joint Secretary (Political-1 Branch), Ministry of Home Affairs.

Following the inaugural session, a working session featuring a panel discussion titled ‘Trapped behind the scam: Addressing trafficking for forced criminality, deceptive recruitment and online exploitation’ was held. Moderated by Tasneem Binta Karim, National Program Coordinator, UNODC South Asia, the panel included Barrister Mohammad Mosharraf Hossain, Head of the Criminal Investigation Department (CID) and Additional IGP; Giuseppe Di Giovanni, Representative of the Italian State Police at the Embassy of Italy in Dhaka; Shariful Hasan, Associate Director of BRAC's Migration Program and Youth Platform; and Nahid Arman, a victim rescued from an online scam center in Cambodia. This was followed by an open floor discussion and a awareness-raising puppet show titled "Trapped in Pursuit of a Better Life’.

The event was jointly organized by the Ministry of Home Affairs, the United Nations Office on Drugs and Crime (UNODC), and the Counter-Trafficking Technical Working Group of the UN Network on Migration. Senior officials from various ministries, members of the diplomatic corps, representatives of international development partners, members of law enforcement agencies, and media representatives attended the national dialogue.

#

Faisal/Khadiza/Marufa/Tarana/Tanvir/Ali/Zohora/2026/1330

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৮০

মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার

-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই):

মানবপাচার এবং প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের হাত থেকে দেশের নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক মানবপাচার ও স্ক্যাম চক্রের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘বিশ্ব মানবপাচার বিরোধী দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘Trapped Behind the Scam: Ending Human Trafficking for Forced Criminality’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মানবপাচারের ধরন পরিবর্তনশীল এবং জটিল। তিনি বলেন, অপরাধী চক্রগুলো এখন কেবল প্রচলিত উপায়ে নয়, বরং ডিজিটাল মাধ্যম, ভুয়া অনলাইন নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে তরুণ সমাজ ও চাকরিপ্রার্থীদের ফাঁদে ফেলছে। আকর্ষণীয় কর্মসংস্থান ও উন্নত ভবিষ্যতের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগীদের বিদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং পরবর্তীতে তারা সাইবার স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি হয়ে চরম নির্যাতন, ভয়ভীতি ও জোরপূর্বক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে বাধ্য হচ্ছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, মানবপাচার চক্র এখন বিভিন্ন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধে যুক্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, এ হুমকি মোকাবিলায় কেবল প্রথাগত আইনশৃঙ্খলা কেন্দ্রিক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়; বরং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, অর্থলগ্নি সংস্থা, বেসরকারি খাত ও সচেতন সমাজকে সাথে নিয়ে একটি সমন্বিত ও শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

মানবপাচার প্রতিরোধে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অপরাধ দমনে সরকার আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সঙ্গতি রেখে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। সরকার প্রণয়ন করেছে ‘মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান (প্রতিরোধ ও দমন) আইন, ২০২৬’। তিনি বলেন, জাতিসংঘের ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম কনভেনশন এবং সংশ্লিষ্ট প্রটোকলসমূহের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রণীত এ নতুন আইনে অনলাইন স্ক্যাম, প্রযুক্তিনির্ভর প্রলোভন ও জোরপূর্বক অপরাধে বাধ্য করার মতো আধুনিক অপরাধগুলোকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। একই সাথে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে বেগবান করতে ‘মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন বিধিমালা, ২০১৭’ যুগোপযোগী করার কাজ চলছে। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সকল অংশীজনদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০২৬-২০৩০)’ চূড়ান্ত করছে, যা প্রতিরোধ, সুরক্ষা, বিচার এবং অংশীদারিত্ব-এ চার প্রধান স্তম্ভকে আরো শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে।

ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ও পুর্নবাসন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মানবপাচারের শিকার প্রতিটি মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব। এজন্য ‘ন্যাশনাল রেফারেল মেকানিজম জোরদার করা হচ্ছে, যাতে ভুক্তভোগীদের দ্রুত উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক আইনি, শারীরিক, মনস্তাত্ত্বিক ও পুনর্বাসন সহায়তা দেওয়া যায়। তথ্যভিত্তিক নীতি নির্ধারণ এবং নিখুঁত কেস ট্র্যাকিং নিশ্চিত করতে একটি সর্বাধুনিক ‘ডিজিটাল পাচার প্রতিরোধ তথ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম’ তৈরি করা হচ্ছে। তরুণ সমাজ, নারী ও অভিবাসন প্রত্যাশীদের নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ এবং ভুয়া নিয়োগ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য তিনি গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের প্রতি আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ জাতীয় সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লা, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বাইবা জারিনা এবং আইওএম বাংলাদেশ-এর চিফ অব মিশন ও জাতিসংঘের অভিবাসন নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী ড. লরা টম বোন্ডে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া এনডিসি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ। এবছরের বিশ্ব মানবপাচার বিরোধী দিবসের প্রতিপাদ্যের ওপর বিস্তারিত আলোকপাত করেন ইউএনওডিসি প্রোগ্রাম অফিস বাংলাদেশের প্রধান শাহ মোহাম্মদ নাহিয়ান। উদ্বোধনী সেশনের পর একটি তথ্যভিত্তিক ভিডিওচিত্র প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান।

উদ্বোধনী সেশন শেষে আয়োজিত ওয়ার্কিং সেশনে ‘Trapped behind the scam: Addressing trafficking for forced criminality, deceptive recruitment and online exploitation’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনওডিসি দক্ষিণ এশিয়ার ন্যাশনাল প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর তাসনিম বিনতে করিমের সঞ্চালনায় এতে আলোচনায় অংশ নেন অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান ও ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি আলী আকবর খান, ঢাকাস্থ ইতালি দূতাবাসের ইতালিয়ান স্টেট পুলিশের প্রতিনিধি জিউসেপ্পে জিওভানি, ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইউথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল ইসলাম হাসান এবং কম্বোডিয়ার অনলাইন স্ক্যাম সেন্টার থেকে মুক্ত হয়ে আসা ভুক্তভোগী নাহিদ আরমান। এরপর মুক্ত আলোচনা এবং Trapped in Pursuit of a Better Life শীর্ষক একটি সচেতনতামূলক পুতুলনাচ প্রদর্শিত হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘ মাদক ও অপরাধ সংক্রান্ত দফতর এবং জাতিসংঘের অভিবাসন নেটওয়ার্কের কাউন্টার ট্রাফিকিং টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। জাতীয় সংলাপে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

ফয়সল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/সাঈদা/আলী/রোকন/মিজান/২০২৬/১২১৫ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন