কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:০৫ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ০৩-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০৩-০৭-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১
হাওরাঞ্চলে মৎস্য খাতের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার
-- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মদন (নেত্রকোণা), ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই):
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, হাওরাঞ্চলের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। তিনি বলেন, একটি মা মাছ থেকে এক থেকে দেড় লাখ পোনা উৎপাদন হতে পারে। তাই মা মাছ সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ বিষয়ে জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সবার সচেতনতা প্রয়োজন।
আজ নেত্রকোনার মদন উপজেলার উচিতপুর ট্রলারঘাটে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি উপলক্ষ্যে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ মাস মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকলে মাছের উৎপাদন কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে যে মাছ অল্প দামে বিক্রি হচ্ছে, কয়েক মাস পর তা আকারে বড় হবে এবং বেশি মূল্য পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, আমরা আবারও ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করতে চাই। মা মাছ রক্ষা করলে জেলেদের যেমন লাভ হবে, তেমনি দেশের মৎস্যসম্পদও সমৃদ্ধ হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, খুন, গুম, নির্যাতন ও জুলুমের মাধ্যমে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। তিনি দাবি করেন, অতীতে যারা জনগণের ওপর নির্যাতন চালিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করেছিল, তারা শেষ পর্যন্ত জনরোষের মুখে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ খালেদ কনকসহ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে স্হানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর, দুই প্রতিমন্ত্রী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাওরের বিভিন্ন স্থানে পোনা মাছ অবমুক্ত করেন।
#
মামুন/শাহাদাত/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/২১৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০
মেরিন ফিশারিজ একাডেমিকে বিশ্বমানের দক্ষ মেরিন পেশাজীবী গড়ে তুলতে হবে
-- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম), ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই):
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে মেরিন ফিশারিজ একাডেমিকে বিশ্বমানের দক্ষ মেরিন পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
মন্ত্রী আজ চট্টগ্রামের মেরিন ফিশারিজ একাডেমি পরিদর্শনকালে একাডেমির কর্মকর্তা, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের বিশাল সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ, সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে একাডেমির বিদ্যমান সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে মেরিন ফিশারিজ একাডেমিকে একটি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করা হবে, যাতে দেশের ব্লু ইকোনমির বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
এ সময় মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন ফাইজ উদ্দিন আহমেদ (এন), বিসিজিএম, পিএসসি, বিএন; কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রিদুয়ানুল ইসলাম-সহ মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী একাডেমির সার্বিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ সুবিধা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
উল্লেখ্য, মেরিন ফিশারিজ একাডেমিতে চার বছর মেয়াদি বিএসসি (অনার্স) ইন নটিক্যাল, মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন ফিশারিজ কোর্সে ক্যাডেটদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২,৩৫০ জন ক্যাডেট এখান থেকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।
#
মামুন/শাহাদাত/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/২১১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯
এতিম এবং দুস্থ শিশুদের পুনর্বাসন ও সুরক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর
∑সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
চট্টগ্রাম, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই):
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের এতিম, দুস্থ ও অবহেলিত শিশুদের সার্বিক সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
আজ চট্টগ্রামে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত বিভিন্ন শিশু প্রতিষ্ঠান ও পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং শিশুদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি, ক্রীড়াসামগ্রী ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সমাজে এতিম ও অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। তাদের উপযুক্ত শিক্ষা ও আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে তিনি সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ।
মন্ত্রী আরো বলেন, দুস্থ নারী, গর্ভবতী ও অসচ্ছল মায়েদের সহায়তার ক্ষেত্রে টার্গেটিং বা উপকারভোগী নির্বাচনে অনিয়ম বন্ধ করতে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রতি মাস বা তিন মাস পর পর তালিকা আপডেট করতে হবে। এখানে কোনো রাজনীতি বা ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য করা যাবে না; এক্ষেত্রে একমাত্র বিবেচ্য বিষয় হবে নারীটি প্রকৃত অর্থেই দুস্থ বা গর্ভবতী কি না।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে রৌফাবাদ সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), ছোটমনি নিবাস এবং মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি শিশুদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এরপর মন্ত্রী চট্টগ্রামের রাউজানে প্রস্তাবিত 'শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক)'-এর নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন। সেখানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন্দ্রের ৪৮তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থী শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।
পরবর্তীতে মন্ত্রী নগরীর বাকলিয়ায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম কর্তৃক পরিচালিত ‘Prevention of Violence and Harmful Practices (PVHP) against Children and Women in Bangladesh’ প্রকল্পের আওতাধীন ‘বাস্তুহারা শিশু সুরক্ষা কমিউনিটি হাব’ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পথশিশু ও বাস্তুহারা শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন। পাশাপাশি, উপপরিচালকের কার্যালয়, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের উদ্যোগে ‘জীবিকায়নের জন্য মহিলাদের দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীদের মাঝে সনদপত্র, নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির মাঝে অনুদানের চেক এবং ১০ জন নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে ক্ষুদ্রঋণের চেক বিতরণ করা হয়।
এসময় মন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. শরীফা করিম স্বর্ণা, চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যগণ, জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#
রায়হান/শাহাদাত/রফিকুল/লিখন/২০২৬/২০৩৬.ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৮
প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে আইনি সংস্কারের তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর
ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই):
প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(এআই) ও ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে সৃষ্ট নতুন বাস্তবতা মোকাবিলায় সময়োপযোগী আইনি সংস্কার অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কার্যকর আইন প্রণয়ন ও সংস্কারে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামসহ আইন অঙ্গনের বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
আজ রাজধানীতে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে আয়োজিত ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬ ও রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আধুনিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের আয়না হিসেবে কাজ করে। গণমাধ্যম যত বেশি বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল হবে, নাগরিকরা তত বেশি সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র ও সমাজ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন। আর আইন বিষয়ক সাংবাদিকদের দায়িত্ব আরো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিচার বিভাগের কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণের আস্থা ও উপলব্ধি গড়ে তুলতে তাদের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতি যেমন মানুষের জীবনকে সহজ করেছে, তেমনি নতুন ধরনের জটিলতাও সৃষ্টি করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি ছবি, ভিডিও কিংবা তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং এসব বিষয়ে আইনের অবস্থান এখন বিশ্বব্যাপী আলোচনার বিষয়। এই বাস্তবতায় প্রচলিত আইনকে দ্রুত সময়োপযোগী করে তোলার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, সমাজের দ্রুত রূপান্তরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনেরও দ্রুত রূপান্তর হওয়া দরকার। কিন্তু বাস্তবে আইনি সংস্কারের গতি এখনো অনেক ধীর। এই ব্যবধান দূর করতে আইনজীবী, বিচারবিশারদ, গবেষক এবং আইন বিষয়ক সাংবাদিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
মন্ত্রী জানান, সাইবার আইন সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এ বিষয়ে গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটিতে তিনি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকার একটি আধুনিক, কার্যকর ও বাস্তবসম্মত আইনি কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সরকার খুব শিগ্গিরই আইন বিশেষজ্ঞ ও ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের মতো পেশাজীবী সংগঠনের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় মতামত ও সুপারিশ গ্রহণ করবে। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, কার্যকর ও বাস্তবায়নযোগ্য আইন প্রণয়নে আপনাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আমাদের প্রয়োজন।
মন্ত্রী ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, বার্ষিক সাধারণ সভা যেন কেবল সাংগঠনিক বা আর্থিক হিসাব-নিকাশে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং প্রযুক্তিনির্ভর নতুন বাস্তবতায় আইন ও বিচারব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি কার্যকর চিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার সূচনা ঘটায়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, উইদাউট ডেটা, এনি ইনফরমেশন ইজ নাথিং বাট ওপিনিয়ন। তথ্য, মতামত, অনুমান এবং বাস্তবতার মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করাই গণমাধ্যমের প্রধান দায়িত্ব। বিশেষ করে আইন বিষয়ক সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতাই একমাত্র মানদণ্ড হওয়া উচিত।
মন্ত্রী আশাপ্রকাশ করেন, প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের দ্রুত পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটি মানবকল্যাণমুখী ও কার্যকর আইনি কাঠামো গড়ে তুলতে ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম ভবিষ্যতে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি হাসান জাবেদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিশনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, ব্যারিস্টার শিশির মনির, ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সভাপতি সালেহউদ্দিনসহ বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা বক্তব্য রাখেন।
#
ইমরানুল/পবন/সঞ্জীব/সেলিম/২০২৬/১৮৪৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৭
ধনবাড়ী-মধুপুরের প্রতিটি উন্নয়নকাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে
-ফকির মাহবুব আনাম
টাঙ্গাইল, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই):
ধনবাড়ী-মধুপুরের সার্বিক উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, এলাকার রাস্তা, সেতু, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের উন্নয়নকাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এতে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।
মন্ত্রী আজ টাঙ্গাইলে ধনবাড়ী উপজেলার যদুনাথপুরে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই উন্নয়নকাজ শুরু করেছে। পর্যায়ক্রমে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ঠিকাদারদের সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে হবে। জনগণের অর্থে নির্মিত কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজ গ্রহণযোগ্য হবে না। কোথাও অনিয়ম দেখা গেলে স্থানীয় জনগণকে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে তিনি আহ্বান জানান।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ধনবাড়ী ও মধুপুরে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক ও জুয়ার স্থান হবে না। অপরাধ দমনে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে নারী, শিশু ও সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবেন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারবেন। এজন্য জনগণের সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
এর আগে মন্ত্রী নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণের অংশ হিসেবে নিজ নির্বাচনি এলাকার ধনবাড়ী নবাব ঈদগাহ ও খেলার মাঠের মাটিভরাট কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এবং বিপুলসংখ্যক স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
জসীম/পবন/সঞ্জীব/লিখন/২০২৬/১৮০৬.ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৬
হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই):
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৬৮ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩৯ জন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৮৭ হাজার ২৬২ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৮৩ হাজার ৫৪৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৫। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৩৬ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৩।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/পবন/সঞ্জীব/সেলিম/২০২৬/১৬৩০ ঘণ্টা
Handout Number: 35
Government to Ensure Free Access to Open Waterbodies for Genuine Fishers
- Fisheries, Livestock State Minister
Netrokona, Friday, 19 Ashar (3 July)
The government is committed to ensuring unrestricted fishing rights for genuine fishers across all open waterbodies to safeguard the livelihoods of the fishing community, particularly in the haor regions, said State Minister for Fisheries and Livestock, Sultan Salauddin Tuku.
The State Minister made the remarks while responding to reporters at the Netrokona Circuit House today.
The current government is dedicated to establishing the fair rights of genuine fishermen, the State Minister said, Guided by the policy 'Jal Jaar, Jola Taar' (He who owns the net, owns the waterbody), we have secured free access to open waterbodies so that fishers can earn a living without hindrance, thereby strengthening the sustainable management of the country's fisheries resources.
Addressing the long-standing challenges posed by the leasing system, the State Minister noted that influential locals had previously occupied haors and waterbodies through leases, preventing ordinary citizens from accessing them. The government has taken initiatives to eliminate these obstacles so that ordinary people and fishers can harvest fish and maintain their livelihoods seamlessly, he added.
Highlighting infrastructure development, the State Minister recalled the canal-digging program once initiated by the late President Ziaur Rahman. Following that legacy, he said, Prime Minister Tarique Rahman has already launched various programs to excavate rivers and canals, maintain the navigability of waterbodies, and ensure proper management. Under this initiative, numerous canals and rivers across the country are currently being re-excavated.
He further emphasized that the government has implemented effective measures to maintain river navigability, alleviate public suffering caused by waterlogging, and make waterbodies more suitable for fish farming.
State Minister for Railway and Road Transport & Bridges Habibur Rashid, Member of Parliament for Netrokona-4 Lutfuzzaman Babar, senior officials from the district and police administrations were present on the occasion.
#
Mamun/Tanvir/Atik/ali/sofi/2026/1545 Hours
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৪
প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জন্য উন্মুক্ত জলাশয়ে অবাধ মাছ আহরণ নিশ্চিত করবে সরকার
-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
নেত্রকোণা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই):
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, হাওরাঞ্চলের মৎস্যজীবীদের জীবিকা সুরক্ষায় উন্মুক্ত জলাশয়ে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অবাধ মাছ আহরণ নিশ্চিত করবে সরকার।
আজ নেত্রকোণা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার প্রকৃত মৎস্যজীবীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ‘জাল যার, জলা তার’- এই নীতিকে সামনে রেখে দেশের উন্মুক্ত জলাশয়ে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অবাধ মাছ আহরণের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে তারা নির্বিঘ্নে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন এবং দেশের মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা আরো সুসংহত হয়।
ইজারা প্রথার কারণে সৃষ্ট সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইজারা দেওয়ার ফলে প্রভাবশালীরা যেভাবে হাওর বা জলাশয় দখল করে রাখতো এবং সাধারণ মানুষকে নামতে বাধা দিত, সেই প্রতিবন্ধকতা দূর করা হবে। সরকার আইনগতভাবে এই ধরনের সকল বাধা দূর করার উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে একসময় দেশে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় তাঁর যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদী-খাল খনন, জলাশয়ের নাব্যতা রক্ষা এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। এরই অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বহু খাল ও নদী পুনঃখননের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নদীর নাব্যতা যাতে অক্ষুণ্ন থাকে, জলাবদ্ধতার কারণে মানুষ যাতে দুর্ভোগে না পড়ে এবং জলাশয়গুলোকে মৎস্য চাষের জন্য আরো উপযোগী করা যায়, সে লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যেই বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
এসময় রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, নেত্রকোণা-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#
মামুন/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৫৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধিস্থলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
চট্টগ্রাম, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই):
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় জিয়ানগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম-এর প্রথম সমাধিস্থলে আজ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। এসময় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও দলীয় কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে নিহত হওয়ার পর প্রথমে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে রাঙ্গুনিয়ায় দাফন করা হয়েছিল। পরে তাঁর মরদেহ ঢাকায় নিয়ে গিয়ে চন্দ্রিমা উদ্যানে (বর্তমান জিয়া উদ্যান) সমাহিত করা হয়।
#
রফিকুল/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১৫৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২
গার্ডিয়ান কমিটির সতর্কতায় বিতরণের আগেই পচা ডিম শনাক্ত
প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে দ্রুত ব্যবস্থা
ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই):
মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বাশঁবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে নিম্নমানের খাদ্য বিতরণের অভিযোগ প্রকাশের পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা শিক্ষা অফিস দ্রুত ঘটনাস্থলে তদন্ত পরিচালনা করে। তদন্তে দেখা যায়, গত ১ জুলাই শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহকৃত ১৩৩টি ডিমের মধ্যে ২০টি ডিম নিম্নমানের অবস্থায় পাওয়া যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যালয়ের গার্ডিয়ান কমিটি খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুশীলনের নজরে আনে, ফলে তারা এক ঘণ্টার মধ্যেই ত্রুটিপূর্ণ ডিমগুলো অপসারণ করে নতুন ও মানসম্মত ডিম সরবরাহ করে। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে নিরাপদ ও মানসম্মত খাবার বিতরণ নিশ্চিত করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে মান নিয়ন্ত্রণে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরো কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, গার্ডিয়ান কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যই ছিল শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও খাদ্যের মান নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করা। বাশঁবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘটনায় সেই উদ্যোগের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য নিয়ে আপস করা হবে না। বাশঁবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘটনাটি প্রমাণ করেছে যে, গার্ডিয়ান কমিটির কার্যকর তদারকির কারণেই ত্রুটিপূর্ণ ডিম বিতরণের আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পূর্ণভাবে এড়ানো গেছে।
উল্লেখ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের নির্দেশনায় গত ১৮ মে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মায়েদের অংশগ্রহণে ৫ সদস্যবিশিষ্ট গার্ডিয়ান কমিটি গঠন করা হয়। স্কুল ফিডিং কার্যক্রমসহ শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করাই ছিল এ কমিটি গঠনের মূল উদ্দেশ্য।
#
তানভীর/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১০১৫ ঘণ্টা