কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:২২ PM

Handout 29 July 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২৯-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ৩০-০৭-২০২৬

Handout Number: 476

To advance agriculture food security, clean energy

and farmers’ interests must be taken into consideration

---- Environment Minister

Dhaka, 29 July:

Environment, Forest and Climate Change Minister Abdul Awal Mintoo, MP, has said that agrivoltaics can play an important role in expanding renewable energy while continuing agricultural production on the same land. He stressed, however, that food security, farmers’ rights, environmental safeguards and fair benefit-sharing must remain at the centre of all agrivoltaic initiatives.

The Minister made the remarks today while addressing the National Agrivoltaics Workshop: Exploring Local Action Model for Inclusive Growth in Bangladesh as the Chief Guest at the Westin Dhaka. The workshop brought together government representatives, researchers, technology providers, financial institutions, development partners and business leaders to discuss the opportunities and challenges of agrivoltaics in Bangladesh.

The Minister said that Bangladesh faces severe climate risks, including floods, cyclones, salinity intrusion, drought, extreme heat and changing rainfall patterns. These impacts are placing increasing pressure on agriculture, water resources, infrastructure and rural livelihoods. At the same time, the country’s demand for reliable and affordable energy is rising rapidly.

He noted that Bangladesh has set a target of achieving 25 percent renewable energy by 2035 under NDC 3.0. Given the country’s limited land and high population density, large-scale solar development must be planned carefully so that it does not create unnecessary competition with productive agricultural land.

“Agrivoltaics offers a promising solution because solar photovoltaic systems and agricultural production can operate on the same land,” the Minister said. “Properly designed systems can generate clean electricity while continuing crop cultivation. They may also reduce evaporation, improve water-use efficiency and create additional income for farmers.”

He said that Bangladesh’s Renewable Energy Policy 2025 has recognised agrivoltaics as a potential renewable energy source. Nevertheless, every project must ensure that meaningful agricultural activity continues and that the design of solar structures, including panel height, spacing and orientation, supports crop production.

The Minister emphasised that farmers must be placed at the centre of the agrivoltaic model. He said projects should not lead to farmers losing access to their land or receiving only limited temporary payments while most benefits are captured elsewhere. Instead, projects should generate predictable additional income while protecting agricultural livelihoods.

He further said that electricity generated through agrivoltaics could support solar irrigation, cold storage, crop drying, food processing and other productive rural activities. Decentralised energy systems could also strengthen the resilience of communities where grid reliability is limited.

The secretary of the Ministry of Environment, Forest and Climate Change Dr. Fahmida Khanom chaired the workshop and mentioned that appropriate financial and business models would be essential for the expansion of agrivoltaics. Carbon finance may provide supplementary support through cooperative approaches under Article 6 of the Paris Agreement and mechanisms such as the Joint Crediting Mechanism. However, all carbon-market activities must ensure environmental integrity, additionality, transparent monitoring and avoidance of double counting, while complying with Bangladesh’s national carbon-market framework.

The workshop was organised by the Institute for Global Environmental Strategies and HSBC Bangladesh in collaboration with the Department of Environment, TERRA Japan and the Bright Green Energy Foundation.

Representatives of the Ministry of Environment, Forest and Climate Change, the Embassy of Japan, JICA, the Japan Bangladesh Chamber of Commerce and Industries, research organisations, financial institutions, the private sector and development partners attended the event.

#

Tofazzal/Kamruzzaman/Shahadat/Sanjib/Joynul/2026/2220 hour



তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৭৫

কৃষিকে এগিয়ে নিতে খাদ্য নিরাপত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি ও কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় আনতে হবে

--- পরিবেশমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ শ্রাবণ (২৯ জুলাই):

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, একই জমিতে কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রেখে নবায়নযোগ্য জ¦ালানির সম্প্রসারণে এগ্রিভোল্টাইক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষকের অধিকার, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং সুফলের ন্যায্য বণ্টন প্রতিটি এগ্রিভোল্টাইক উদ্যোগের কেন্দ্রে রাখতে হবে। তিনি বলেন, এগ্রিভোল্টাইক একটি সম্ভাবনাময় সমাধান। কারণ এর মাধ্যমে একই জমিতে সৌর ফটোভোল্টাইক ব্যবস্থা এবং কৃষি উৎপাদন পরিচালনা করা যায়। যথাযথভাবে পরিকল্পিত ব্যবস্থা ফসল চাষ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পরিছন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। এটি বাষ্পীভবন কমানো, পানির ব্যবহার দক্ষ করা এবং কৃষকের অতিরিক্ত আয় সৃষ্টিতেও সহায়তা করতে পারে।

আজ রাজধানীর ওয়েস্টিন ঢাকায় আয়োজিত ‘ন্যাশনাল এগ্রিভোল্টাইকস ওয়ার্কশপ: এক্সপ্লোরিং লোকাল অ্যাকশন মডেল ফর ইনক্লুসিভ গ্রোথ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে এগ্রিভোল্টাইকসের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করতে কর্মশালায় সরকারি প্রতিনিধি, গবেষক, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী এবং ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, খরা, তীব্র তাপপ্রবাহ ও পরিবর্তিত বৃষ্টিপাতের ধরনসহ মারাত্মক জলবায়ু ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে বাংলাদেশ। এসব প্রভাব দেশের কৃষি, পানিসম্পদ, অবকাঠামো ও গ্রামীণ জীবিকার ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে দেশে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী জ¦ালানির চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। তিনি জানান, এনডিসি ৩.০-এর আওতায় বাংলাদেশ ২০৩৫ সালের মধ্যে ২৫ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দেশের সীমিত ভূমি এবং উচ্চ জনঘনত্ব বিবেচনায় বৃহৎ আকারের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এমনভাবে পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে উৎপাদনশীল কৃষিজমির সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা সৃষ্টি না হয়।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ¦ালানি নীতি ২০২৫-এ এগ্রিভোল্টাইককে একটি সম্ভাবনাময় নবায়নযোগ্য জ¦ালানির উৎস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিটি প্রকল্পে অর্থবহ কৃষি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে সৌর কাঠামোর নকশা, প্যানেলের উচ্চতা, ব্যবধান ও অবস্থান যেন ফসল উৎপাদনে সহায়ক হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

পরিবেশমন্ত্রী এগ্রিভোল্টাইক মডেলের কেন্দ্রে কৃষকদের রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, এসব প্রকল্পের কারণে কৃষক যেন জমিতে প্রবেশাধিকার হারিয়ে না ফেলেন কিংবা অধিকাংশ সুবিধা অন্যরা ভোগ করার বিপরীতে কৃষক যেন কেবল সাময়িক ও সীমিত অর্থ না পান। বরং কৃষকের কৃষিভিত্তিক জীবিকা সুরক্ষিত রেখে প্রকল্পগুলোকে অতিরিক্ত ও পূর্বানুমানযোগ্য আয় নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, এগ্রিভোল্টাইক থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সৌরসেচ, হিমাগার, ফসল শুকানো, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং অন্যান্য উৎপাদনশীল গ্রামীণ কার্যক্রমে ব্যবহার করা যেতে পারে। বিকেন্দ্রীভূত জ¦ালানি ব্যবস্থা বিদ্যুৎ গ্রিডের নির্ভরযোগ্যতা সীমিত এমন এলাকার জনগোষ্ঠীর সহনশীলতাও বৃদ্ধি করতে পারে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, জাপান দূতাবাস, জাইকা, জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, গবেষণা সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

তোফাজ্জল/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২৬/২২১০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৭২

বিএনপি'র ইতিহাস আপসকামিতা ও পলায়নপরতার ইতিহাস নয়,

বিএনপি’র ইতিহাস স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস

--- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ শ্রাবণ (২৯ জুলাই):

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বিএনপি'র ইতিহাস আপসকামিতার ও পলায়নপরতার ইতিহাস নয়, বিএনপি’র ইতিহাস স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস।

আজ রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে মরহুম শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং মরহুম শফিউল বারী বাবু'র সহধর্মিণী সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভুঁইয়া।

অহেতুক মানুষকে উত্তেজিত করে স্বৈরাচারকে রাস্তা খুলে দিয়ে দেশকে বিপদগ্রস্ত না করার আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি রাজনীতি করে দেশের মানুষের জন্য, দেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করার জন্য। জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে তাহলে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হবে না।

মন্ত্রী মরহুম শফিউল বারী বাবুর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, বাবু ছিলো সৎ, নিষ্ঠাবান, ত্যাগী, দায়িত্ববোধসম্পন্ন এবং দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। তিনি তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও সন্তানদের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বাবু ভাইয়ের সাথে আমার রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও ছিল আদর্শিক সম্পর্ক। বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে রাজপথে ছিলাম। তিনি যে ন্যায়ভিত্তিক মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সরকার সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সততা, সাহস, মেধা, মানবিকতা, দলের প্রতি আনুগত্য, দেশের প্রতি মমতাবোধ, কর্মীর প্রতি ভালবাসায় শফিউল বারী বাবু ছিলেন অনন্য।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন। শফিউল বারী বাবু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এবং পরে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ জনপ্রিয় ছাত্রনেতা তরুণদের মাঝে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন এবং পরিচিতি পেয়েছিলেন তুখোড় সংগঠক হিসেবেও।

#

রায়হান/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৯৪০ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৭১

সুন্দরবনের বাঘ ও প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর

--পরিবেশমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ শ্রাবণ (২৯ জুলাই):

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, সুন্দরবনের বাঘ ও এর প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, বাঘ বাংলাদেশের জাতীয় প্রাণী এবং সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পাহারাদার। এটি একটি ‘কিস্টোন স্পিসিস’ হিসেবে বনের খাদ্যশৃঙ্খল ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বাঘ সংরক্ষণ শুধু একটি প্রাণী রক্ষার বিষয় নয়; এর সঙ্গে সুন্দরবনের অন্যান্য প্রাণী, বনজ সম্পদ, খাদ্য, প্রজননক্ষেত্র ও সামগ্রিক প্রতিবেশ ব্যবস্থার সুরক্ষা জড়িত।

মন্ত্রী আজ ‘বিশ্ব বাঘ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এবারের বিশ্ব বাঘ দিবসের প্রতিপাদ্য-‘সবাই হই সচেতন, বাঘ করি সংরক্ষণ’।

মন্ত্রী বলেন, বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল রক্ষা এবং মানুষ-বন্যপ্রাণী সংঘাত নিরসনে সরকার সম্প্রতি ১০ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিশন গঠন করেছে। কমিশন সুন্দরবনের বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা বৃদ্ধিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, অবৈধভাবে দখল করা বনভূমি পুনরুদ্ধার, বনসংলগ্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে।তিনি বলেন, সরকারের আন্তরিকতা, বন বিভাগের নিরলস প্রচেষ্টা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহযোগিতায় সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ক্যামেরা ট্র্যাপিং জরিপে সুন্দরবনে ২০১৫ সালে ১০৬টি, ২০১৮ সালে ১১৪টি এবং ২০২৪ সালে ১২৫টি বাঘ পাওয়া গেছে। বাঘ সংরক্ষণে ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম, কমিউনিটি প্যাট্রোলিং গ্রুপ এবং স্থানীয় বননির্ভর জনগোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, বাঘ ও বাঘের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা ট্রফি পাচারের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। বাঘ-সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য প্রদানকারীদের জন্য ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক পুরস্কারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বাঘ আমাদের সাহসিকতা ও ঐতিহ্যের প্রতীক। সুন্দরবনের বাঘ রক্ষায় সংরক্ষিত অঞ্চল আরো বাড়ানো হয়েছে। বাঘের সুপেয় পানির সুযোগ বাড়াতে সুন্দরবনে ৮০ টি পুকুর খনন করা হয়েছে এবং বিশ্রামের জন্য ২০ টি টিলা তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, লোকালয় থেকে বন আলাদা করতে নাইলনের নেট দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়েছে। ফলে বাঘ এখন আর লোকালয়ে প্রবেশ করছে না।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম বলেন, সুন্দরবনের খাদ্য শৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণে বাঘের গুরুত্ব অপরিসীম। বাঘের নিরাপদ আবাসস্থল গড়ে তুলতে টেকসই পর্যটন গড়ে তোলা জরুরি। সেজন্য সুন্দরবনে পর্যটক সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়টিও ভেবে দেখা দরকার।

প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ আজিজ এবং খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ।

আলোচনায় অংশ নেন ওয়াইল্ডটিমের প্রধান নির্বাহী ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম এবং আইইউসিএন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ বিপাশা এস হোসেন।


#
তোফাজ্জল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/লিখন/২০২৬/১৬৪৮ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৭০

হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে

--- স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ শ্রাবণ (২৯ জুলাই):

সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।

আজ ‘বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ঘাটতি নিরসন: সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার উপযোগী সেবা নিশ্চিত করতে ব্যয় দক্ষতার একটি দ্রুত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। যৌথভাবে গবেষণাটি করে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেন্ট রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট।

অনুষ্ঠানে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনা করেন পিপিআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মোঃ এনামুল হক।

গবেষণাটি দেশের আটটি প্রশাসনিক বিভাগের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও তৃতীয় পর্যায়ের ২২টি সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করে পরিচালিত হয়। এতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন ও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়। এছাড়া ৯৫ জন কর্মকর্তার জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি ও পেশাগত চর্চা বিষয়ে একটি জরিপ পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপক, জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারক, সরবরাহকারী, শিক্ষাবিদ ও রোগীদের সঙ্গে আরো ৩২টি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জরিপভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক বাজেট ব্যবহারের হার ছিল ৮৫ শতাংশ। মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাজেট বাস্তবায়নের হার ছিল সবচেয়ে কম, ৭৮ শতাংশ। অর্থবছর শেষে ৯৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে অব্যয়িত অর্থ থাকার তথ্য পাওয়া গেলেও মাত্র ১১ শতাংশ আর্থিক অব্যবস্থাপনাকে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছে। এই ফলাফল থেকে প্রতীয়মান হয় যে উত্তরদাতাদের দৃষ্টিতে অব্যয়িত অর্থের প্রধান কারণ আর্থিক অনিয়মের চেয়ে বাজেট ব্যবস্থাপনার কাঠামোগত দুর্বলতা ও প্রশাসনিক জটিলতার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। বিশেষ করে যেসব পরিচালন খাতে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে তুলনামূলকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেসব খাতে ব্যয় ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে কম। সাধারণ সরঞ্জাম খাতে বরাদ্দের মাত্র ২৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। ভ্রমণ ও স্থানান্তরসংক্রান্ত খাতে ব্যয়ের হার ছিল ৬৮ শতাংশ এবং পেশাগত সেবা ও সম্মানি খাতে ৫৯ শতাংশ।

টেন্ডার প্রক্রিয়ার অনিয়মের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পছন্দের লোককে কাজ দিতে টেন্ডারে এমন অবাস্তব শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়, যাতে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই কাজ পায়। যেমনপাঁচ বছরে ১০ হাজার কোটি টাকার ট্রানজেকশনের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। এটি করা হয় মূলত প্রতিযোগিতা সীমিত করে পছন্দের পাত্রকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য।

স্বাস্থ্য খাতে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও কোটি কোটি টাকার সরকারি অর্থ অপচয়ের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে ১১ কোটি টাকার রেডিওথেরাপি মেশিন ১৮ কোটি টাকা দিয়ে দুটি কেনা হয়েছিল। অথচ যেখানে বসানো হয়েছে, সেখানে কোনো প্রস্তুতিই (রেডি সেটআপ) ছিল না। কেন কেনা হয়েছিল? কারণ প্রতি মেশিনে ৪ থেকে ৬ কোটি টাকা লাভ ছিল। যার একটি পড়ে আছে ফরিদপুরে, অন্যটি খুলনায়। একইভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে কারিগরি লোকবল ছাড়াই এক্স-রে ও অন্যান্য টেকনোলজির সরঞ্জাম কিনে ফেলে রাখা হয়েছে, যা পরবর্তীতে ভাঙ্গারির কাছে বিক্রি করা ছাড়া উপায় নেই।

চলমান পাতা - ২

--- ২ ---

টেস্ট বাণিজ্য বন্ধ করার উদ্যোগের কথা জানিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব রেখে বাইরে পাশের ক্লিনিক খোলাবেন, সরকারি দায়িত্ব রেখে সেখানে সার্জারি করবেন আর কমিশন খাবেন, রোগী আসলে বলবেন পাশের ক্লিনিকে গিয়ে টেস্ট করতেএসব বন্ধ করতে হবে। এগুলো মনিটর করা হবে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত চার বছরে যেখানে হামের টিকা দেওয়ার কথা ছিল, তারা টিকা সংগ্রহ করেনি। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর কোনো ক্যাম্পেইন হয়নি। ইউনিসেফ যখন অনুরোধ করেছে, তখনও তারা টিকা কেনেনি। বর্তমানে যেসব শিশু হামে আক্রান্ত হচ্ছে, তার ৯৯% শতাংশই আনভ্যাক্সিনেটেড। তাই এই টিকাদান কর্মসূচিকে এখন আরো বেগবান করা হয়েছে এবং সম্প্রতি আরো ১ লাখেরও বেশি নতুন শিশুকে এর আওতায় আনা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, আওয়ামী লীগ আমল থেকে একটি বিদেশি কোম্পানি চট্টগ্রাম ও ঢাকায় ডায়ালাইসিসের বাজার দখল করে রেখেছিল। নভেম্বরে তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে তা আর নবায়ন করা হবে না। সরকার এখন নিজস্ব উৎস থেকে ডায়ালাইসিস মেশিন কিনবে। ফলে আগামী ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচবে এবং অত্যন্ত কম খরচে সাধারণ মানুষ ডায়ালাইসিস সেবা পাবে। এছাড়া প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার এবং প্রতিটি জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে।

দেশের নারী ও সাধারণ মানুষের স্তন ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও মানুষের অসচেতনতার বিষয়টি উল্লেখ করে যুগান্তকারী উদ্যোগের কথা জানিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের ১০টি উপজেলা ও ৯০টি ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর্মীদের সাইকেল, স্মার্টফোন এবং এআই সমৃদ্ধ 'কিট বক্স' প্রদান করা হবে। এটি আগামী তিন মাসের মধ্যে শুরু হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে দৈহিক মাপ (উচ্চতা, ওজন), ডায়াবেটিস, রক্তচাপ (হাই প্রেসার) এবং মেশিনের সাহায্যে রক্তের লিপিড প্রোফাইল, আরবিসি ও সিবিসি টেস্ট করবেন। পুরুষদের কাছে পুরুষকর্মী এবং নারীদের কাছে নারী কর্মী যাবেন।

মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের কাজে অডিটের নামে এক টাকাও ঘুষ দেওয়া যাবে না। সৎ থাকলে কাউকেই ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাকে কেউ ভয় দেখাতে পারবে না, জেলে নিতে পারবে না। আপনি যদি সৎ হন, অডিটে অনৈতিক টাকা চাইলেই দেওয়া বন্ধ করুন এবং সরাসরি আমার কাছে আসুন। পরিস্থিতি যা-ই হোক, আমি নিজে তা ফেস করব।

হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারির হার বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে সন্তানসম্ভবা মা এলে পরিবারকে ভয় দেখিয়ে (যেমন-সিজার না করলে মা বা বাচ্চা মারা যেতে পারে) সিজারিয়ান অপারেশনে বাধ্য করার যে প্রতারণামূলক ব্যবসা চলছে, তা বন্ধে কঠোর তদারকি শুরু হয়েছে। সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে সারাদেশে প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে সারপ্রাইজ ভিজিট ও তদারকি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী লেবার রুম, লেবার চেয়ার কিংবা নবজাতককে হিট দেওয়ার ন্যূনতম আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়াই অপারেশন চালিয়ে যাওয়া অনেক ক্লিনিক ইতোমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং এই অভিযান আরো জোরদার করা হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দিল আফরোজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

#

মাহমুদুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৭৩০ঘণ্টা



তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৬৯

আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব গড়ার পথে বাংলাদেশ

--- পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ শ্রাবণ (২৯ জুলাই):

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজামান মিল্লাত বলেছেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দেশীয় একটি বিমান সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিমান পরিবহন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বেসরকারি খাতের প্রসারের জন্য বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন করছে। বাংলাদেশের বিমান চলাচল শিল্পে আরো অধিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে এবং নতুন নতুন সম্ভাবনা ও সুযোগের দ্বার উন্মোচন করবে।

প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত হোটেল শেরাটনে আয়োজিত “Beyond With Boeing: Powering the Next Chapter of Aviation” শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমরা একটি সমন্বিত এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছি, যা আগামী কয়েক দশকে দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের টেকসই, আধুনিক ও পরিকল্পিত উন্নয়নের দিকনির্দেশনা প্রদান করবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, এমপি; বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen -সহ বোয়িং কোম্পানি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

তরিকুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৭৪৫ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৬৭

গুজবে কান নয়, তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করুন

-ফকির মাহবুব আনাম

ঢাকা, ১৪ শ্রাবণ (২৯ জুলাই):

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, ডাক বিভাগকে আরো জনপ্রিয় করার উদ্যোগ চলমান রয়েছে। নগদ বিক্রি নিয়ে যেসব গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ভিত্তিহীন। এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না।

বাজার প্রতিযোগিতার জন্য এ ফিন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানটির সরকারি ব্যবস্থাপনা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি বলেছেন, নগদের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো দক্ষ, লাভজনক ও জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ডাক ভবনে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিসের উদ্বোধন এবং নগদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংগৃহীত রাজস্ব হতে মুনাফার অংশ হিসেবে ১৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ডাক অধিদপ্তরের কাছে আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পোস্ট অফিস ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থা নতুন কোনো ধারণা নয়; বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বহুবছর ধরে এটি সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশেও এ উদ্যোগের মাধ্যমে ডাকসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে। জনগণ ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিসের সুবিধা সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে, যাতে আরো উদ্যোক্তা এ কার্যক্রমে যুক্ত হন।

পর্যায়ক্রমে দেশের সব পোস্ট অফিসকে ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলে পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে, এতে একদিকে নাগরিক সেবার পরিধি বাড়বে, অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি উদ্যোক্তাদের শুভকামনা জানিয়ে আশ্বস্ত করেন, কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো সমস্যা হলে ডাক বিভাগ সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।

নগদের রাজস্বের চেক গ্রহণ শেষে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসের মধ্যেই নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। নগদের মুনাফা অর্জন সেই সফলতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

মন্ত্রী আরো বলেন, ডিজিটাল আর্থিক সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নিরাপদ, সহজ ও সাশ্রয়ী সেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ডাক বিভাগের আধুনিকায়ন, নগদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে আরো আস্থাশীল ও জনবান্ধব করে তুলতে হবে।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, সরকারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদের প্রতি মানুষের বিশেষ আস্থা রয়েছে। আধুনিক সফটওয়্যার, উন্নত গ্রাহকসেবা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের মাধ্যমে নগদকে আরো প্রতিযোগিতামূলক ও শক্তিশালী করা সম্ভব। একই সঙ্গে দেশের ৯ হাজারের বেশি ডাকঘরকে আধুনিক সেবাকেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও সহজে ডিজিটাল ও আর্থিক সেবা পেতে পারেন। চলতি অর্থবছরে নগদ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কর ও রাজস্ব প্রদান করেছে, যা রাষ্ট্রের জন্য একটি ইতিবাচক অর্জন এবং দেশের রাজস্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

উল্লেখ্য, প্রথম পর্যায়ে ঢাকার অভ্যন্তরে ৪ টি এবং ঢাকার বাইরে ৪টি ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস চালু করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে দেশের সকল অঞ্চলে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

বিপিও-নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ এর সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) কাজী আসাদুল ইসলাম। নগদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের কর্মকর্তা, ডাক অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

#

জসীম/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/মনির/সাঈদা/রোকন/আলী/জোহরা/২০২৬/১৪৫৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৬৮

হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ১৪ শ্রাবণ (২৯ জুলাই):

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৯৬ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭৯ জন।
১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ১ লাখ ৯ হাজার ৩৬৬ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ১ লাখ ৫ হাজার ১৯৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১ এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ২।
গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৩৫ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৬।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

#

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/মনির/সাঈদা/রোকন/কামাল/২০২৬/১৫৪০ ঘণ্টা

Handout Number: 465

State Minister for Livestock calls for public awareness to protect tigers

Dhaka, 29 July:

State Minister for Fisheries and Livestock Sultan Salauddin Tuku has emphasized the need to create public awareness and foster a conservation-minded mindset among the young generation to protect tigers-a crucial wildlife species and an essential component of biodiversity.

He made the remarks while responding to reporters following a rally at the Bangladesh National Zoo to mark the World Tiger Day today.

Highlighting the alarming decline in the global tiger population, the State Minister noted that around a century ago, there were approximately one lac tigers worldwide, whereas the figure has now dropped to around 5,000. He said this statistic clearly indicates how severely endangered the species has become. If we do not take effective measures immediately and raise awareness among the public, this species will face an even deeper crisis in the future, he warned.

Sharing statistics on Bangladesh’s tiger population, the state minister said there are currently 124 tigers in the Sundarbans. In addition, around 15 tigers are housed at the Bangladesh National Zoo, with approximately 50 tigers across various zoos nationwide. Describing tigers as a national asset, he reaffirmed the government's commitment to taking necessary measures to ensure future generations can learn about tigers and recognize the importance of their preservation.

Responding to a question regarding budget allocations and transparency in the tiger census, the State Minister clarified that the census falls under the jurisdiction of the Forest Department, not the Ministry of Fisheries and Livestock. However, the Forest Department carries out the task transparently through its established procedures, he added.

Following the event, the State Minister inaugurated the Bangladesh National Zoo's gift shop.

Secretary to the Ministry of Fisheries and Livestock Md. Delwar Hossain, Director General of the Department of Livestock Services Md. Shahzaman Khan, Director of Bangladesh National Zoo Dr. Md. Shahinoor Alam, Curator Dr. Md. Habibur Rahman, Convenor of the Bangladesh Animal Welfare Association Adnan Azad, alongside senior officials from the ministry, the department, and the national zoo, were present at the event.

#

Manun/Khadiza/Tarana/Tanvir/Ali/Rokan/Kamal/2025/1120 Hrs.

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৬৬

আবহাওয়ার সতর্কবার্তা

সমুদ্রবন্দরসমূহকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশ

ঢাকা, ১৪ শ্রাবণ (২৯ জুলাই):

উত্তর উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে বর্তমানে উত্তর উড়িষ্যা এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খন্ড এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো পশ্চিম দিকে অগ্রসর এবং ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

#

হাছান/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/সাঈদা/রোকন/আলী/জোহরা/২০২৬/১৩০০ ঘণ্টা

Handout Number: 465

State Minister for Livestock calls for public awareness to protect tigers

Dhaka, 29 July:

State Minister for Fisheries and Livestock Sultan Salauddin Tuku has emphasized the need to create public awareness and foster a conservation-minded mindset among the young generation to protect tigers-a crucial wildlife species and an essential component of biodiversity.

He made the remarks while responding to reporters following a rally at the Bangladesh National Zoo to mark the World Tiger Day today.

Highlighting the alarming decline in the global tiger population, the State Minister noted that around a century ago, there were approximately one lac tigers worldwide, whereas the figure has now dropped to around 5,000. He said this statistic clearly indicates how severely endangered the species has become. If we do not take effective measures immediately and raise awareness among the public, this species will face an even deeper crisis in the future, he warned.

Sharing statistics on Bangladesh’s tiger population, the state minister said there are currently 124 tigers in the Sundarbans. In addition, around 15 tigers are housed at the Bangladesh National Zoo, with approximately 50 tigers across various zoos nationwide. Describing tigers as a national asset, he reaffirmed the government's commitment to taking necessary measures to ensure future generations can learn about tigers and recognize the importance of their preservation.

Responding to a question regarding budget allocations and transparency in the tiger census, the State Minister clarified that the census falls under the jurisdiction of the Forest Department, not the Ministry of Fisheries and Livestock. However, the Forest Department carries out the task transparently through its established procedures, he added.

Following the event, the State Minister inaugurated the Bangladesh National Zoo's gift shop.

Secretary to the Ministry of Fisheries and Livestock Md. Delwar Hossain, Director General of the Department of Livestock Services Md. Shahzaman Khan, Director of Bangladesh National Zoo Dr. Md. Shahinoor Alam, Curator Dr. Md. Habibur Rahman, Convenor of the Bangladesh Animal Welfare Association Adnan Azad, alongside senior officials from the ministry, the department, and the national zoo, were present at the event.

#

Manun/Khadiza/Tarana/Tanvir/Ali/Rokan/Kamal/2025/1120 Hrs.

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৬৪

বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে

- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ শ্রাবণ(২৯ জুলাই):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বাঘ পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী এবং জীববৈচিত্র্যের অপরিহার্য অংশ। এ প্রাণী সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে সংরক্ষণ বিষয়ক মানসিকতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

আজ বিশ্ব বাঘ দিবসউপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় আয়োজিত র‍্যালি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রায় একশ বছর আগে বিশ্বে বাঘের সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ। বর্তমানে বিশ্বে বাঘের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজারের মতো। এ পরিসংখ্যান বাঘের অস্তিত্ব যে হুমকির মুখে রয়েছে, তা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে। তিনি বলেন, আমরা যদি এখনই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করি এবং মানুষকে সচেতন করতে না পারি, তাহলে ভবিষ্যতে এ প্রজাতি আরো সংকটের মুখে পড়বে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে ১২৪টি বাঘ রয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় প্রায় ১৫টি এবং দেশের বিভিন্ন চিড়িয়াখানায় মোট প্রায় ৫০টি বাঘ রয়েছে। তিনি বলেন, বাঘ আমাদের জাতীয় সম্পদ। এ প্রাণী সংরক্ষণে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাঘ সম্পর্কে জানতে পারে এবং এর সংরক্ষণের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারে।

বাঘ গণনায় বরাদ্দকৃত বাজেট ও এ-সংক্রান্ত স্বচ্ছতা বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাঘ গণনার বিষয়টি বন বিভাগের আওতাধীন। এটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বাধীন নয়। তবে বন বিভাগ তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার সঙ্গে এ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার স্যুভেনির শপ উদ্বোধন করেন।

এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামান খান, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. মোঃ শাহীনুর আলম, চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আদনান আজাদসহ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

#

মামুন/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/সাঈদা/আলী/রোকন/কামাল/২০২৬/১২১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৬৩

মিরপুরে দেয়াল ধসে আহতদের দেখতে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সহযোগিতার আশ্বাস

ঢাকা, ১৪ শ্রাবণ (২৯ জুলাই):

রাজধানীর মিরপুরে দেয়াল ধসে আহতদের দেখতে গিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। এসময় আহতদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

গতকাল রাতে মন্ত্রী ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) আহতদের দেখতে যান এবং তাদের স্বজনদের সাথে কথা বলেন।

দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আহতদের চিকিৎসার যাবতীয় খরচ সরকারের পক্ষ থেকে বহন করা হবে। চিকিৎসায় যেন কোনো ত্রুটি না থাকে, সে জন্য সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালে কোনো ধরনের খরচ রোগীদের বহন করতে হবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাইরে থেকে কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী আনতে হলে তার হিসাব রাখা হবে এবং সরকারের পক্ষ হতে পুরো অর্থ পরিশোধ করা হবে। এরই মধ্যে প্রাথমিক খরচ হিসেবে রোগীদের হাতে নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গতকাল বেলা দেড়টার দিকে রাজধানীর মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দেয়াল ধসের দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে একজন এবং হাসপাতালে একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় ছয়জন আহত হয়েছেন। নিটোরে পাঁচজন এবং ঢাকা মেডিকেলে একজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে আহতরা শঙ্কামুক্ত আছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনকালে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আরা মিষ্টি, হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কেনানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

#

মাহমুদুল/খাদীজা/তারানা/তানভীর/আলী/মিজান/২০২৬/৯১৫ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন