কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ এ ০৯:৩০ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২৪-০৮-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২৪-০৮-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৬৬
জিম্মার শর্ত ভঙ্গ করায় ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ হাতি দু’টি পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে
ঢাকা, ৯ ভাদ্র (২৪ আগস্ট):
জিম্মার শর্ত ভঙ্গ করায় ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’কে পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
গাজীপুর সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে গত ১২ আগস্ট ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ নামের দুটি হাতি পৃথক দুই ব্যক্তির জিম্মায় প্রদান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে জিম্মাগ্রহীতারা নির্ধারিত শর্ত যথাযথভাবে প্রতিপালন করছেন না—এমন তথ্য মন্ত্রীর নজরে আসে। বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর মন্ত্রী হাতি দুটির নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অভিযান পরিচালনা করে হাতি দুটি পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে নিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, সরকার বন্যপ্রাণীর কল্যাণ, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে বন্যপ্রাণী জিম্মায় প্রদান করা হলে নির্ধারিত শর্ত প্রতিপালনে ব্যত্যয় ঘটলে আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ‘নিহার কলি’ নামের মাদি হাতিটিকে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ এলাকা থেকে এবং ‘সম্রাট বাহাদুর’ নামের পুরুষ হাতিটিকে জুড়ী উপজেলার শিলুয়া চা-বাগানসংলগ্ন এলাকা থেকে বন বিভাগের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে হাতি দুটি বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে গাজীপুর সাফারি পার্কে নিয়ে আসা হচ্ছে। সাফারি পার্কে পৌঁছানোর পর দায়িত্বপ্রাপ্ত ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের মাধ্যমে হাতি দুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। পরবর্তীতে সেগুলোকে হাতির জন্য নির্ধারিত শেডে স্থানান্তর করে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।
#
তোফাজ্জল/কামরুজ্জামান/পবন/রফিকুল/লিখন/২০২৬/২০৫৬ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৬৫
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন
ঢাকা, ৯ ভাদ্র (২৪ আগস্ট):
The Armed Police Battalions Ordinance, 1979-এর অধীনে গঠিত Armed Police Battalions -কে অধিক জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিদ্যমান অধ্যাদেশ যুগোপযোগী করে বাংলায় ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। খসড়া আইনটি জনমত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো: (ক) বিদ্যমান The Armed Police Battalions Ordinance, 1979 রহিতপূর্বক এ অধ্যাদেশের অধীনে কৃত কার্যক্রমের হেফাজতের বিধান রেখে বাংলায় আইনটি যুগোপযোগী করা হয়েছে; (খ) পুলিশ বাহিনীর অধীন এ ব্যাটালিয়ন পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে; (গ) এ ব্যাটালিয়নকে জননিরাপত্তা রক্ষা, ভিআইপি ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা, সরকার ঘোষিত স্থাপনাসমূহের নিরাপত্তা, সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার, ধর্ষণ এবং মানবতাবিরোধী কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে; (ঘ) ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন প্রতিপালন-সাপেক্ষে ইউনিটের সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে; (ঙ) এ আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন ও বিচার পদ্ধতির প্রস্তাব করা হয়েছে।
আজ মন্ত্রিসভার ১৮তম বৈঠকে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।
#
কুতুব/কামরুজ্জামান/পবন/মোশারফ/রফিকুল/লিখন/২০২৬/১৯২৫ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৬৪
ভূমির সুরক্ষা ছাড়া জলবায়ু সহনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়
--পরিবেশমন্ত্রী
ঢাকা, ৯ ভাদ্র (২৪ আগস্ট):
ভূমির সুরক্ষা ছাড়া জলবায়ু সহনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, ভূমিকে পরিবেশগত ব্যয় হিসেবে নয়, অর্থনৈতিক ও উন্নয়নগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
আজ মঙ্গোলিয়ার উলানবাটরে জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশনের ১৭তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজের (UNCCD COP17) ফাইন্যান্স ডে উপলক্ষ্যে ‘স্বাস্থ্যকর ভূমি ও খরা সহনশীলতায় উদ্ভাবনী অর্থায়ন ব্যবস্থা’ শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভূমি অবক্ষয় কমাতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে মাটির উর্বরতা, বনভূমি, জলাবদ্ধতা, পাহাড়ি ভূমিক্ষয়, উপকূলীয় লবণাক্ততা এবং নদীভাঙনের মতো বিষয়গুলোকে জাতীয় পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও জলবায়ু-সহনশীল খাতে রূপান্তর করছে এবং কৃষকদের জন্য ঋণ ও কৃষিঋণ-সহায়তা সম্প্রসারণ করছে। ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমি পুনরুদ্ধারে কার্যকর অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি গ্যারান্টি, প্রাথমিক ক্ষতির মূলধন ও মিশ্র অর্থায়ন ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশের নিজস্ব উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সাল থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে জলবায়ু ও ভূমি সহনশীলতায় দেশীয় অর্থায়ন করা হচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে প্রথম দিকের এই তহবিলে এ পর্যন্ত ৪৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ সংস্থান করা হয়েছে। তিনি জানান, এই অর্থায়নের সহায়তায় ১২টি নতুন প্রতিকূলতা-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে এবং কৃষকদের মধ্যে ১৯ হাজার ৪০০ মেট্রিক টনের বেশি খরা ও লবণাক্ততা-সহনশীল বীজ বিতরণ করা হয়েছে। তবে বর্তমান চাহিদা তহবিলের বার্ষিক বরাদ্দকে ছাড়িয়ে গেছে।
মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অর্থায়নকে জাতীয় উদ্যোগের বিকল্প হিসেবে নয়, বিদ্যমান অর্থায়ন-ঘাটতি পূরণের সহায়ক হিসেবে কাজ করতে হবে। তিনি ঋণের বিনিময়ে প্রকৃতি ও জলবায়ু সংরক্ষণ, ভূমি পুনরুদ্ধারের জন্য সবুজ বন্ড প্রদানের মতো উদ্ভাবনী ব্যবস্থার প্রস্তাব দেন। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের অর্থায়নের মাধ্যমে বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির নিয়ন্ত্রিত পুনর্ভরণ, কৃষি, বনায়ন, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি এবং ২৫ কোটি চারা রোপণের জাতীয় সবুজ মিশনের আওতায় উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা সম্ভব।
আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, উজানের পানিপ্রবাহের পরিবর্তন বাংলাদেশের মতো বদ্বীপ রাষ্ট্রে লবণাক্ততা ও খরার ঝুঁকি বাড়ায়। এ কারণে অভিন্ন নদী অববাহিকার দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টন জোরদার এবং পানি-সংকট ও ভূমি অবক্ষয়সংক্রান্ত তথ্য বিনিময়ে যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন।
মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্ট খুরেলসুখ উখানা UNCCD COP17-এর উচ্চপর্যায়ের অধিবেশন উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে মঙ্গোলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও COP17-এর সভাপতি বাতসেতসেগ বাতমুনখ, জাতিসংঘের উপমহাসচিব আমিনা জে. মোহাম্মদ এবং UNCCD-এর নির্বাহী সচিব ইয়াসমিন ফুয়াদসহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও প্রতিনিধিদলের প্রধানগণ অংশ নেন।
#
তোফাজ্জল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/রফিকুল/লিখন/২০২৬/১৭৫৪ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৬৩
দক্ষিণ এশিয়ার অভিন্ন জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা প্রয়োজন
--- পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ৯ ভাদ্র (২৪ আগস্ট):
দক্ষিণ এশিয়ার অভিন্ন জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে ‘কো-ডিজাইন দ্য ফিউচার অব সাউথ-এশিয়ান ক্লাইমেট ডিপ্লোমেসি’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়া রিজিওনাল ক্লাইমেট কোঅপারেশন (ঝঅজঈঈ) এর সভায় এ মন্তব্য করেন।
শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার অনেকগুলো কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে। ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি দূষণ নিয়ন্ত্রণেও নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ। ঢাকার আশপাশের নদীকে দূষণ মুক্ত করতে নেওয়া হয়েছে মাস্টার প্ল্যান। বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ, বালু নদীকে দূষণমুক্ত করতে নদীতে পতিত দূষণমুখ বন্ধ করতে নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মোঃ সাইমুম পারভেজ বলেন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় সার্ক এবং বিএমএসটেক-কে সক্রিয় করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এখন আর কোনো একক দেশীয় সমস্যা নয়। আন্তঃদেশীয় সমস্যা মোকাবিলায় রাজনৈতিক সদিচ্ছা সবচেয়ে জরুরি। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর ও ঝুঁকিমুক্ত বিশ্ব গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক ড. এ কে এম সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর ভবিষ্যতের কোনো হুমকি নয়; এটি দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান উন্নয়ন বাস্তবতা। তাপপ্রবাহ, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, হিমবাহের পরিবর্তন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির প্রভাব জাতীয় সীমানা অতিক্রম করছে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত, আঞ্চলিক ও ভবিষ্যৎমুখী উদ্যোগ অপরিহার্য।
বিশেষ অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জাতীয় বৃক্ষরোপণ সেলের সদস্য ও কারিগরি বিশেষজ্ঞ জামাইল বশীর জেবি, ধরিত্রী রক্ষায় আমরার সদস্যসচিব শরীফ জামিল, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আলোচকগোষ্ঠীর সমন্বয়কারী জিয়াউল হক এবং জলবায়ু আলোচক এম হাফিজুল ইসলাম খান ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হাবিব রহমান। বিষয়ভিত্তিক আলোচনায় অংশ নেন হিউম্যান সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এম এ মুকিত এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী। আলোচনায় আরো অংশ নেন সিসিডিবির জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচির সমন্বয়কারী মো. আশরাফুজ্জামান খান, আইইউসিএন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সারোয়ার আলম দিপু, হেলভেটাস বাংলাদেশের ওয়াটার, ফুড অ্যান্ড ক্লাইমেট কর্মসূচির প্রধান মাহমুদুল হাসান তারেক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চের সহকারী পরিচালক শারমিন নাহার নিপা এবং সেন্টার ফর অ্যাটমোসফেরিক পলিউশন স্টাডিজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান মজুমদার।
সভায় জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক, গবেষক, উন্নয়নকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী ও তরুণ প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
#
তোফাজ্জল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/জয়নুল/২০২৬/১৭১০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৩
টেলিভিশন চ্যানেলে স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য
সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া
ঢাকা, ৯ ভাদ্র (২৪ আগস্ট):
সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:
মূলবার্তা:
‘২০ থেকে ২৯ আগস্ট ২০২৬ প্রথমবারের মতো দেশব্যাপী নৌযান শুমারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গণনাকারীকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন।-বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর।’
#
ওয়ালুল/মারুফা/তারানা/আতিক/রোকন/জোহরা/২০২৬/১৫৩৪ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৬২
আকস্মিক পরিদর্শনে নওগাঁ হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে রোগীরা সন্তুষ্টির কথা জানালেন মন্ত্রীকে
নওগাঁ, ৯ ভাদ্র (২৪ আগস্ট):
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন গতকাল নওগাঁ সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আমি হাসপাতাল ঘুরে দেখেছি। কোনো জায়গা থেকে কোনো খারাপ রিপোর্ট পাইনি। রোগীরা জানিয়েছেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর তারা ভালো সেবা পাচ্ছেন, ওষুধ পাচ্ছেন। ডাক্তার-নার্সদের ব্যবহার ভালো এবং খাবার-দাবারের মানও ভালো। তিনি বলেন, হাসপাতালের খাবারের মান আরও উন্নত করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। কিছুদিনের মধ্যেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
চিকিৎসাসেবাকে পাঁচস্তরে ভাগ করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে প্রতি তিনটি ইউনিয়নে একটি হেলথ হাব এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে তিনটি ওয়ার্ড নিয়ে একটি করে ‘হেলথ ওয়েলবিয়িং সেন্টার’ স্থাপন করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমরা ৫০ শয্যার এবং জেলা সদর হাসপাতালের জন্য ১০ শয্যা করে ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করতে যাচ্ছি। যাতে টারশিয়ারি লেভেলে রোগীদের ঢাকায় যেতে না হয়। ডিস্ট্রিক্ট লেভেলে ডায়ালাইসিস মেশিন থাকবে।
তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে আমরা ৫০ থেকে প্রথমে ১০১ শয্যা ঘোষণা করেছিলাম। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১০১ থেকে ১৫১ শয্যা বিশিষ্ট করার কাজ শুরু করেছি।
হাসপাতালে কোনো অনিয়ম দেখেছেন কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটি জায়গায় অনিয়ম পেয়েছি। হাসপাতালে স্যালাইন থাকা সত্ত্বেও একজন সিনিয়র নার্স রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে বলেছেন। টাকাটা আমি রোগীকে দিয়ে দিয়েছি।
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
#
মাহমুদুল/মারুফা/তারানা/আতিক/রোকন/জোহরা/২০২৬/১৪৫৬ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৬১
কালচারাল ট্যুরিজম উন্নয়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত
ঢাকা, ৯ ভাদ্র (২৪ আগস্ট):
আজ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সাথে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন শীর্ষক আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান এসময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী বলেন, পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প যার সঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২-৩ শতাংশ। আমরা এই অবদানকে ৭-৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছি।
মন্ত্রী আরো বলেন, আজকের সভায় প্রাথমিকভাবে একসাথে কাজ করার লক্ষ্যে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সাক্ষরের পরে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হবে। দেশের কালচারাল ট্যুরিজমকে এগিয়ে নেয়ার জন্য Joint Taskforce for Cultural Tourism গঠন করা হবে।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দেশের বিমানবন্দরে বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের জন্য নজরুল বর্ষের প্রচারণার প্রস্তাব করলে পর্যটন মন্ত্রী বলেন, নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রচারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য হাজার বছরেরে পুরনো। এই ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চায় সরকার। আমাদের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে পর্যটন থিমকে লক্ষ্য রেখে উন্নয়ন করা হবে। আমাদের ৫৫৪ টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলোতে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রণালয়ের Taskforce পরিদর্শন করবেন এবং এর প্রেক্ষিতে উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতারসহ উভয় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
তরিকুল/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/রোকন/আমিরুল/২০২৬/১৫০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৬০
স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী সরকার
ঢাকা, ৯ ভাদ্র (২৪ আগস্ট):
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সাথে আজ মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তারা দুই দেশের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব এবং স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন খাতে সহযোগিতার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে মন্ত্রী পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষি ও কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম আরো কার্যকর ও টেকসই হবে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করি। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। একই সাথে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো শক্তিশালী ও কার্যকর করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নগর ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানান তিনি।
আলোচনায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এখাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থানীয় সরকার খাতেও নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করতে পারে বলে বৈঠকে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে। দুই দেশের এই পারস্পরিক সহযোগিতা আগামী দিনে আরো গভীর ও ফলপ্রসূ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
চয়ন/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/আসমা/২০২৬/১৩৩০ ঘণ্টা