কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ এ ০৯:০৭ PM

Handout 23 August 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২৩-০৮-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২৩-০৮-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৫৯

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে

ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

রাঙ্গামাটি, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশে মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জনগণের সেবক উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

রেজুয়ান/কামরুজ্জামান/পবন/ফেরদৌস/মোশারফ/জয়নুল/২০২৬/২০৪০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৫৮

আগামীতে যেন কেউ অনুমোদিত নকশার বাইরে

ভবন নির্মাণ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা হবে

--গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

ঢাকা, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, দেশে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে যেসব আইন, বিধি ও নীতিমালা রয়েছে, গত ১৭ বছরে সেগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন ছিল না। ভবনের অনুমোদিত নকশায় স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) ও সোক ওয়েল অন্তর্ভুক্ত থাকলেও অনেক ডেভেলপার কোম্পানি তা নির্মাণ করেনি। এখন থেকে আইনের সঠিক বাস্তবায়ন করা হবে। আইন ব্যত্যয় করে ভবন নির্মাণ ও আবাসন গড়ে তোলার সুযোগ আর থাকছে না। আগামীতে যেন কেউ অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী আজ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এবং বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম ও অতিরিক্ত সচিব মোঃ আব্দুল মতিন।

জাকারিয়া তাহের বলেন, রিহ্যাব এবং বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সচেতন হতে হবে, আইন ভঙ্গ করে যেন কোনো ভবন বা আবাসন গড়ে না ওঠে। রাজউক ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র ও নকশা অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়াটি শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনছে। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বিধিমালা সংশোধন করে রাজধানীর বাইরের ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার অধীনে আনা হবে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা গ্রাহকদের ভোগান্তির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করুন। অনেক মানুষ বছরের পর বছর আগে টাকা পরিশোধ করেও তাদের কাঙ্ক্ষিত ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট বুঝে পাচ্ছেন না। আবার অনেকে কোনো কারণে চুক্তি অনুযায়ী কিস্তি চালিয়ে যেতে না পারায় তাদের জমা টাকা তিন-চার বছর ধরে ফেরত পাচ্ছেন না। তাদের বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

মতবিনিময় সভায় রিহ্যাব ও বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ড. আলী আফজাল, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল, ড. এমএ কাইয়ুম, মোঃ রায়হানুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ খাজা নজিবুল্লাহ চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম রেজাসহ উভয় সংগঠনের সদস্যবৃন্দ। সভায় রিহ্যাব এবং বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ আইন ও বিধি মেনে ভবন নির্মাণ ও আবাসন উন্নয়নের বিষয়ে তাঁদের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন। এ সময় তাঁরা ঢাকা মহানগর বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) ও ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালার বিষয়ে তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।

#

আলমগীর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/মোশারফ/আব্বাস/২০২৬/১৮৪৯ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৫৭

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন

--- আইনমন্ত্রী

ঢাকা, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন। এ সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলাও জরুরি।

আজ ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাব নীতি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রোহিঙ্গা সংকট: বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে হবে না; এর সঙ্গে মানবিক, সামাজিক, কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক আইনের বিষয়ও জড়িত। বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের মানবিক ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, নিজ দেশে নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই বাংলাদেশ তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গাদের জীবন, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।

আইনমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা ও সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ ও ২৫ অনুচ্ছেদের আলোকে দেশের প্রতি নাগরিকদের কর্তব্য এবং আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা করতে হবে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধপ্রবণতা ও অন্যান্য নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জও যথাযথভাবে মোকাবিলা করতে হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনা ও কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি দেশের জনগণের মধ্যে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী জনমত তৈরি করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে গবেষক, বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। তিনি নীতি গবেষণা কেন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের রোহিঙ্গা সংকটের সামাজিক, মানবিক, কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক আইনগত দিক বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর সুপারিশ দেওয়ার আহ্বান জানান। এসব সুপারিশ সরকারের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের নিজ মাতৃভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করাই বাংলাদেশের প্রত্যাশা। এ লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় ঐকমত্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

সভায় নীতি গবেষণা কেন্দ্রের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. শফিকুল আহমেদ, মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুফিউর রহমান, নীতি গবেষণা কেন্দ্রের ট্রাস্টি সদস্য প্রফেসর এস কে তৌফিক এম হক এবং রোহিঙ্গা নারী অধিকারকর্মী রাজিয়া সুলতানাসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটের বর্তমান পরিস্থিতি, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক ও সামাজিক বাস্তবতা, মিয়ানমারের পরিস্থিতি, প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা এবং সংকটের টেকসই সমাধানে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে করণীয় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

#

রেজাউল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/মোশারফ/জয়নুল/২০২৬/১৭৫০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৫৬

দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং

উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার গৃহীত কার্যক্রম

ঢাকা, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার দপ্তর ও সংস্থাসমূহ চলমান আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, পাহাড়ধস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, চট্টগ্রামের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী চট্টগ্রাম জেলার ১৫টি উপজেলা এবং চট্টগ্রাম মহানগর বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। অধিক ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা-৬টি, যথা: সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, সন্দ্বীপ। জেলা তথ্য অফিস, চট্টগ্রাম কর্তৃক বন্যা চলাকালীন ও বন্যা-পরবর্তী সময়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার চলমান রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, হবিগঞ্জের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী হবিগঞ্জ জেলার সকল উপজেলার বন্যার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে কোনো পানিবন্দি পরিবার নেই। কোনো হতাহত হয়নি এবং জেলায় পাহাড়ধস/ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, হবিগঞ্জ কর্তৃক সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, খাগড়াছড়ির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী গত ২২ আগস্ট রাতে ক্লাউড ব্লাস্টের কারণে একটানা তিন ঘণ্টায় ১০৩ মি.মি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এতে ফেনী নদীর পানি বৃদ্ধিতে খাগড়াছড়ি সদরের গঞ্জপাড়া, মুসলিম পাড়া, মেহেদীবাগ, শান্তিনগর, খবংপড়িয়া, শব্দমিয়া পাড়াসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এছাড়া মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধিতে দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী, মেবুং এবং বোয়ালখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। দীঘিনালা-সাজেক এবং দীঘিনালা-মেবুং সড়ক পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। অতিবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। আক্রান্ত এলাকার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেয়। বৃষ্টিতে কৃষি, মৎস্য ও পশুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে নদীর পানি কমতে শুরু করায় প্লাবিত এলাকা থেকে পানি নেমে যাচ্ছে। ২২ আগস্ট সন্ধ্যায় আবারও কিছু সময়ের জন্য প্রচন্ড বৃষ্টি হয়। এসময় বজ্রপাতে মহালছড়ি উপজেলায় দু’জন ও খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় একজনের মৃত্যু হয়। তবে আজ সকালে বৃষ্টি নেই।

জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২ মি. মি. বৃষ্টি হয়েছে। বন্যা-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং অন্যান্য বিপদ এড়াতে জরুরি বার্তা নিয়ে মাইকিং প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, মৌলভীবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী মৌলভীবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। আকস্মিক বন্যায় মৌলভীবাজার জেলায় ৫৭ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, মৌলভীবাজার কর্তৃক বন্যাকালীন ও বন্যা-পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

চলামান পাতা-২

পাতা-২

জেলা তথ্য অফিস, রাঙামাটির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছে। ভারী বর্ষণের প্রথম থেকেই পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাবার জন্য জনসচেতনতা তৈরি করতে রাঙামাটি জেলা তথ্য অফিসের সড়ক প্রচার অব্যাহতভাবে চলছে।

জেলা তথ্য অফিস, বান্দরবান থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান জেলায় ১০ মিলিমিটারের কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে বন্যার পানি নেমে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্র হতে লোকজন তাদের বাসা-বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে। জেলা তথ্য অফিস, বান্দরবান কর্তৃক ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে।

তথ্য অফিস, লামার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিলো। সকাল থেকে কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। বন্যা, পাহাড়ধস বা ভূমিধসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার বেশ নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তথ্য অফিস, লামা কর্তৃক বন্যাকালীন সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

তথ্য অফিস, রামগড়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী রামগড়ে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। বর্ষাকাল হওয়ায় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কিছু কিছু স্থানে হালকা বৃষ্টি হতে দেখা যায়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পানি জমে থাকতে না দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সড়ক প্রচার/মাইকিং করা হয়েছে।

তথ্য অফিস, পটিয়ার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী পটিয়া উপজেলায় পাহাড়ধস বা ভূমিধস হয়নি। বন্যা পরবর্তী করণীয়সহ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তথ্য অফিস, কাপ্তাইয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী কাপ্তাই, রাজস্থলী ও বিলাইছড়ি উপজেলার আবহাওয়া আজ স্বাভাবিক থাকবে।

#

গণযোগাযোগ অধিদপ্তর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/শামীম/২০২৬/১৭৪০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৫৫

কোনো শিশু স্কুলের বাইরে থাকবে না, প্রতিটি শিশুই শিখবে

এই দুই ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার

--- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

বরিশাল, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

কোনো শিশু স্কুলের বাইরে থাকবে না (No Child Out of School) এবং প্রতিটি শিশুই শিখবে (Every Child Learns) এই দুই ভিশন বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, দেশের কোনো শিশু যেন শিক্ষার বাইরে না থাকে এবং প্রতিটি শিশু যেন বিদ্যালয়ে গিয়ে কার্যকরভাবে শিখতে পারে এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার, জবাবদিহি ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

আজ বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়, প্রাথমিক শিক্ষা আয়োজিত ‘বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে তিনটি বিভাগে (সিলেট, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম) এ ধরনের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেখান থেকে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। চলতি মাসের মধ্যে দেশের সব বিভাগে কর্মশালা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কর্মশালা থেকে পাওয়া মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। এই নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁদের দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম আরো সমন্বিত, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলকভাবে পরিচালিত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরো কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব ও কার্যক্রম আরো সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ ও পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে বিভাগীয় উপপরিচালক (ডিডি), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও), সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও), প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকসহ প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়বে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

শিক্ষার মানোন্নয়নে অবকাঠামো ও গুণগত শিক্ষার সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, শুধু পাঠ্যবই বিতরণ বা শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করলেই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত হবে না। এর সঙ্গে শ্রেণিকক্ষের উপযুক্ত আয়তন, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, নিরাপদ ও সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি জাতীয় কারিকুলাম যথাযথভাবে অনুসরণ, যুগোপযোগী শিক্ষা পদ্ধতির প্রয়োগ, দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি গড়ে ওঠে প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে। তাই মানসম্মত, আধুনিক ও শিশুবান্ধব প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পুরো প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারকে দায়িত্বশীল ও সমন্বিত ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা, বরিশাল বিভাগের উপপরিচালক নিলুফার ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) এবং বরিশাল বিভাগের সকল জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ বিভাগের শিক্ষা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

#

তানভীর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/মোশারফ/জয়নুল/২০২৬/১৭৫৫ঘণ্টা

Handout Number: 854

Boost fish production without compromising quality

-Fisheries, Livestock and Agriculture Minister

Dhaka, 23 August:

Minister for Fisheries and Livestock, and Agriculture, Mohammed Amin Ur Rashid today called for boosting fish production to meet growing consumer demand, stressing that quality must not be compromised under any circumstances.

He urged researchers, scientists, and entrepreneurs to work together to ensure safe food for the domestic market while improving the credibility of Bangladeshi products in international trade.

The minister made the remarks as the chief guest at the Aquaculture Knowledge Day 2026’ organized by Fishtech BD Limited at Hotel in the capital's Banani.

Highlighting current agricultural dynamics, the minister stated that while the country no longer faces major food production deficits, producing high-quality and safe food remains a critical challenge. He emphasized that quality production is essential if Bangladesh aims to propel its economy forward through agricultural exports.

Nearly 75 percent of the country's population is directly or indirectly involved in agriculture. Empowering this demographic economically will permanently strengthen the national economy, Minister said. He added that the twin objectives of agricultural growth are satisfying domestic demand and establishing a firm footprint in global markets.

Addressing the research community, the minister advised a shift away from reliance on antibiotics and vaccines, urging scientists to focus on natural remedies. People now demand safe, healthy, and quality food. No production method should be adopted that poses long-term health risks to consumers, he noted.

He reiterated his commitment to reducing the use of harmful pesticides that damage soil, water, air, and human health, adding that the government has already initiated steps to tackle soil and water pollution.

Expressing concern over the alarming rise of heavy metals like lead and arsenic in soil and water-and recently detected in rice- the minister revealed that the government has launched research to trace the root sources, whether from soil, underground water, fertilizers, or pesticides.

To mitigate falling groundwater tables, he emphasized utilizing surface river water for irrigation to reduce reliance on underground extraction.

The minister also outlined the government's plan to transform agriculture graduates into entrepreneurs rather than job seekers, promising full policy support. He further cited the potential of native breeds like the Black Bengal goat, highlighting its high productivity and disease resistance.

Secretary of the Ministry of Fisheries and Livestock Md. Delwar Hossain and Director General of the Department of Fisheries Dr. Md. Khaled Kanak spoke as special guests. Janna Van Der Linden, Deputy Head of Mission at the Embassy of the Netherlands in Bangladesh, was present. Khondaker Farhad Hossain, Chairman of Fishtech BD Limited, presided over the event.

The 'Aquaculture Knowledge Day 2026' served as a platform for sharing insights on modern fisheries technologies, eco-friendly farming techniques, ecosystem preservation, safe food production, and public awareness.

#

Mamun/Marufa/Tarana/Tanvir/Atik/Rokon/Mizan/2026/1500 Hours


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৫৩

মাছের উৎপাদন বাড়াতে হবে, মানের সাথে আপস নয়

-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, মানুষের চাহিদা পূরণে মাছের উৎপাদন বাড়াতে হবে। তবে উৎপাদন বাড়াতে গিয়ে কোনোভাবেই গুণগত মানের সাথে আপস করা যাবে না। তিনি বলেন, গবেষক, বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে, যাতে দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে।

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে ফিশটেক বিডি লিমিটেড আয়োজিত ‘অ্যাকুয়াকালচার নলেজ ডে-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে খাদ্য উৎপাদনে বড় ধরনের ঘাটতি নেই, তবে গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য উৎপাদন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ যদি কৃষিভিত্তিক পণ্য রপ্তানি করে অর্থনীতিকে আরো এগিয়ে নিতে চায়, তাহলে মানসম্মত কৃষিপণ্য উৎপাদনের বিকল্প নেই।

মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সাথে জড়িত। এ জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করা গেলে দেশের অর্থনীতিও স্থায়ীভাবে শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধির প্রধান দুটি লক্ষ্য- দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থান তৈরি করা।

গবেষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক ও ভ্যাকসিন নির্ভরতা কমিয়ে কীভাবে প্রাকৃতিকভাবে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা যায়, সেদিকে আরো নজর দিতে হবে। মানুষ এখন নিরাপদ, সুন্দর ও মানসম্পন্ন খাদ্য চায়। খাদ্য উৎপাদনে এমন কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করা যাবে না, যা মানুষের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

তিনি বলেন, কৃষিমন্ত্রী হিসেবে তিনি মাটি, পানি, আলো-বাতাস ও মানুষের জন্য ক্ষতিকর পেস্টিসাইডের ব্যবহার থেকে বেরিয়ে আসতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। মাটি ও পানি দূষণ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, দেশের মাটি ও পানিতে হেভি মেটালের উপস্থিতি উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। লেড ও আর্সেনিকের মতো ক্ষতিকর উপাদান পানিতে পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি চালেও হেভি মেটালের উপস্থিতির বিষয়টি সামনে এসেছে। এসব উপাদান কোথা থেকে আসছে-মাটি, ভূগর্ভস্থ পানি, সার নাকি পেস্টিসাইড- তা চিহ্নিত করতে সরকার গবেষণা শুরু করেছে।

ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে। তাই নদীর মিঠাপানি সেচকাজে ব্যবহার করে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন কমানো বা বন্ধ করা যায় কি না, তা নিয়ে ভাবতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু চাকরি সৃষ্টি করা নয়; কৃষি বিষয়ে পড়াশোনা করা তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা। সরকার তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত। দেশি জাতের গবাদিপশুর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল প্রায় হারিয়ে যাওয়ার পথে থাকলেও এটি বিশ্বের অন্যতম ভালো জাত। এর উৎপাদনশীলতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: দেলোয়ার হোসেন এবং মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো: খালেদ কনক বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের ডেপুটি হেড অব মিশন জন্না ভ্যান ডের লিন্ডেন (Janna Van Der Linden) উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ফিশটেক বিডি লিমিটেডের চেয়ারম্যান খন্দকার ফরহাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, প্রান্তিক পর্যায়ের খামারি এবং ফিশটেকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ‘অ্যাকুয়াকালচার নলেজ ডে -২০২৬’-এ আধুনিক মৎস্য প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব চাষ পদ্ধতি, বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় হয়।

#

মামুন/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/রোকন/মিজান/২০২৬/১৪৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৫২

দ্রুতগতিতে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ঢাকা, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোর গৃহীত পরিকল্পনা দ্রুতগতিতে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের মন্ত্রণালয়ের আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। প্রতিটি দপ্তরের জন্য পৃথক পৃথক পরিকল্পনা রয়েছে। সময় এসেছে দ্রুতগতিতে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের।

আজ সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নবনিযুক্ত মন্ত্রী আন্দালিভ রহমানের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং অধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের পরিচিতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে অনেক সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তা বাস্তবায়নে বিলম্ব হয়েছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও তা বাস্তবায়নের দিকে যথাযথভাবে এগোনো সম্ভব হয়নি। এখন থেকে আমাদের খুব দ্রুতগতিতে এগোতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিএসএস, বাংলাদেশ বেতার ও বিএফডিসিসহ মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো ও আধুনিকায়ন দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সাধারণ মানুষ সরাসরি দেখতে ও জানতে পারে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বাড়ানো গেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মান, পরিচিতি ও সুনাম অরো বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের মাধ্যমে বর্তমান সরকার কী কী করছে, তা জনগণের কাছে আরও সুন্দর ও কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। এর ফলে সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কেও মানুষের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে।

তিনি বলেন, আমরা যেসব সিদ্ধান্ত নেব, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য যা যা করা প্রয়োজন, বিধান ও নীতিমালা মেনে দ্রুততার সঙ্গে সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। নবনিযুক্ত মন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে স্বাগত জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি ও দেশের প্রেক্ষাপটে আন্দালিভ রহমান সবার কাছেই পরিচিত। তিনি সুসংগঠক, ডায়নামিক মানুষ।’

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও কর্মসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, একই মন্ত্রণালয়ে এখন আমাদের একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি এ সুযোগকে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে গতি আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

পরিচিতি সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানাও বক্তব্য রাখেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী মন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এসময় মন্ত্রণালয় এবং অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

#

ইমরানুল/মারুফা/তারানা/আতিক/রোকন/আসমা/২০২৬/১৫০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৫১

নবনিযুক্ত খাদ্যমন্ত্রীর প্রথম কর্মদিবসে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়

চট্টগ্রাম, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

নবনিযুক্ত খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম আজ খাদ্য মন্ত্রণালয়ে প্রথম অফিস করেন। এ উপলক্ষ্যে তিনি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।

সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান বিভিন্ন কর্মসূচি, খাদ্যশস্য সংগ্রহ, মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, সরকারি খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে নবনিযুক্ত খাদ্যমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। এছাড়া, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সরকারি খাদ্য মজুত ব্যবস্থাপনা, কৃষকের কাছ থেকে খাদ্যশস্য সংগ্রহ এবং ভোক্তাদের জন্য খাদ্য সরবরাহসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।

মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী বলেন, সরকারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি খাদ্য কর্মসূচিগুলো আরো কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, দৃশ্যমান পরিবর্তনের মাধ্যমে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরো স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করতে হবে। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, দক্ষতা, নিষ্ঠা ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার পাশাপাশি জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, খাদ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি খাদ্য কর্মসূচির সুফল যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে, তা নিশ্চিত করতে হবে। খাদ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণের প্রতিটি পর্যায়ে দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

খাদ্যমন্ত্রী এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ও সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ঐক্যবদ্ধভাবে, সমন্বিত প্রচেষ্টায় এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান ।

তিনি আরো বলেন, আমরা সবাই মিলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে ইতিবাচক ও দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে চাই। জনগণের কল্যাণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, দক্ষতা ও সেবার মান আরো বাড়াতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মোঃ আব্দুল বারী, খাদ্য সচিব আবু তাহের মোঃ মাসুদ রানা,
খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

ইমদাদ/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/সাঈদা/রোকন/আমিরুল/২০২৬/১৪১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৫০

জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

ঢাকা, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

সরকারের কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে, বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম ও তথ্যসেবায় নিয়োজিতদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান।

আজ সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং অধীনস্ত দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের সাথে পরিচিতি সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

তথ্য মন্ত্রণালয় সচিব মাহবুবা ফারজানা সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন

তথ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সরকার কী করছে, জনগণের স্বার্থে কী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে - এসব তথ্য জনগণের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের একটি কঠিন সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। জনগণের স্বার্থ ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করছে।

আন্দালিভ রহমান বলেন, গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। অতীতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে যে নিয়ন্ত্রণমূলক পরিবেশ ছিল, তা থেকে বেরিয়ে এসে একটি স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব গণমাধ্যমব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের অভিজ্ঞতা সরকারের কাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করে জনগণের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারের কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

নবনিযুক্ত মন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে স্বাগত জানিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি ও দেশের প্রেক্ষাপটে আন্দালিভ রহমান সবার কাছেই পরিচিত। তিনি সুসংগঠক, ডায়নামিক মানুষ।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও কর্মসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, একই মন্ত্রণালয়ে এখন আমাদের একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি এ সুযোগকে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে গতি আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

#

ইমরানুল/মারুফা/তানভীর/আতিক/রোকন/সফি/২০২৬/১৪০৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৪৯

নতুন নেতৃত্বে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন খাতে গতি আনতে চান নবনিযুক্ত মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

চট্টগ্রাম, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

নবনিযুক্ত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আজ নিজ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীগণের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, নতুন নেতৃত্বে আমরা টিম তৈরির মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের কাজগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

মন্ত্রণালয় এবং অধস্তন দপ্তর সমূহের কর্মকর্তাগণের সাথে মতিবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, রদবদল একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কাজের সুবিধার্থে আমি পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে একদিন সিভিল এভিয়েশন বা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে অফিস করতে চাই। মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন সংস্থার সমন্বয়হীনতা দূর করা হবে আমার প্রথম কাজ।

উপস্থিত কর্মকর্তাগণের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ভালো কাজের জন্য যেমন পুরস্কার রয়েছে তেমনি খারাপ কাজের জন্য তিরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কাজকে আরো গতিশীল করতে Conventional Bureaucracy এর বাইরে গিয়ে কাজ করতে হবে। উদ্ভাবনী পরিকল্পনা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে বলে জানান তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ১৬ ডিসেম্বর Soft Opening করার পরিকল্পনা নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জাপানিজ কোম্পানির সঙ্গে আগামী সেপ্টেম্বরে চুক্তি করার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। আগামী বছরে ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বিমানের বহরে শীঘ্রই ১০ টি লিজকৃত বিমান যুক্ত করতে পারবো বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ঈশ্বরদী বিমানবন্দর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পাবনায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য তেজস্ক্রিয় সামগ্রী পরিবহণের সুবিধার্থে শীঘ্রই ফ্লাইট চালুর কথা রয়েছে। যশোর বিমানবন্দরে কমার্শিয়াল ফ্লাইট কমে যাওয়ায় ইউএস বাংলার সঙ্গে ফ্লাইট চালুর জন্য কথা চলমান রয়েছে। বগুড়া বিমানবন্দর নির্মাণ এর জন্য Feasibility Study চলছে। আগামী অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চালুর ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রাণালয়ের কর্মকর্র্তারা উপস্থিত ছিলেন।

#

তরিকুল/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/সাঈদা/রোকন/আমিরুল/২০২৬/১৩১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৪৮

আমরা জনগণের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় কোনো আপস করব না -মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ঢাকা, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন বলেছেন, আমরা জনগণের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় কোনো আপস করব না। বর্তমান সরকারের মূল অঙ্গীকার হলো, সবার জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা।

আজ ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও-, ঢাকা আর্থ্রোপ্লাস্টি সোসাইটির সহযোগিতায়বাংলাদেশ আর্থ্রোস্কোপি এন্ড আর্থ্রোপ্লাস্টি একাডেমিআয়োজিত ‘2nd Dhaka International Knee Summit 2026’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দক্ষতা এবং আধুনিক জ্ঞানের প্রকৃত মেলবন্ধন ঘটলেই কেবল চিকিৎসাসেবার বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব। বর্তমান সুপার-স্পেশালাইজেশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) যুগে স্বাস্থ্যসেবার আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে না চললে দেশের ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য চাহিদার চ্যালেঞ্জ সামাল দেওয়া কঠিন হবে।

মন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জাতীয় বাজেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে এ ধরনের ঐতিহাসিক বরাদ্দ এই প্রথম। তিনি চিকিৎসাশিক্ষা, চিকিৎসাসেবা, রোগ প্রতিরোধ এবং মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে এই তহবিলের সর্বোচ্চ ও দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ এ বছর স্বাস্থ্য খাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানের ছয়জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে ঢাকা আর্থ্রোপ্লাস্টি সোসাইটির পক্ষ হতে ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। ‘Save your knees’ শিরোনামে একটি বইয়েরও মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

#

রায়হান/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/সাঈদা/রোকন/কামাল/২০২৬/১২৩০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৪৭

নাগরিকদের দুর্নীতিমুক্ত ও উন্নত সেবা দিতে সরকার শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

-প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

চট্টগ্রাম, ৮ ভাদ্র (২৩ আগস্ট):

দেশের জনগণকে দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ এবং সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সঠিক ভূমি জোনিং কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে ভূমি খাতের দুর্নীতি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হবে।

গতকাল চট্টগ্রামের স্থানীয় একটি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিতচট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো-২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এক্সপোতে প্রদর্শিত পরিবেশবান্ধব ইটের প্রতি বিশেষ সন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী পরিবেশ ও মাটির উর্বরতা রক্ষার ওপর জোর দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, নিয়মনীতি না মেনে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা ইটভাটাগুলো দেশের উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) ব্যাপকভাবে ধ্বংস করছে। এই ক্ষতিকর ধারা বন্ধ না হলে মাটির ফসল ফলানোর ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যাবে, যা আমাদের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

সীমিত আয়তন ও বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে কৃষিজমি রক্ষাকে প্রধান চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, যেকোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা বাধ্যতামূলক। কৃষিজমি নষ্ট করে অবকাঠামো নির্মাণ থেকে সবাইকে সরে আসতে হবে। এর বদলে নির্মাণশিল্প সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা ও খাতগুলোকে টেকসই, সময়োপযোগী ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে এগিয়ে আসতে হবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বসবাসযোগ্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।

দেশের স্বার্থকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু লাভের চিন্তা না করে দেশের সার্বিক প্রবৃদ্ধিতে নিজ নিজ জায়গা থেকে ইতিবাচক অবদান রাখতে হবে। উন্নয়ন মানেই শুধু ইট-পাথরের অবকাঠামো নয়; উন্নয়নকে হতে হবে সুপরিকল্পিত, টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব।

চট্টগ্রামে এই ধরনের তথ্যবহুল ও যুগোপযোগী মেলা আয়োজনের জন্য তিনি বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটসহ আয়োজক সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এ প্রদর্শনীটি নতুন প্রযুক্তি ও সচেতনতা তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, খ্যাতনামা স্থপতি, প্রকৌশলী, দেশের উদীয়মান স্থপতি, প্রকৌশলী, দেশের উদীয়মান উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

#

রেজুয়ান/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/সাঈদা/রোকন/আমিরুল/২০২৬/০৯১০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন