কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬ এ ০৮:৫১ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২২-০৮-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২৩-০৮-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৪৬
তেজগাঁও থানা আকস্মিক পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিতকরণে কঠোর নির্দেশ
ঢাকা, ৭ ভাদ্র (২২ আগস্ট):
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ রাজধানীর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর আওতাধীন তেজগাঁও থানা আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী থানার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অবকাঠামোগত অবস্থা এবং সাধারণ মানুষের পুলিশি সেবা পাওয়ার মান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় মন্ত্রী থানায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি থানা ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরে অবস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক কক্ষ, ডিউটি অফিসারের কক্ষ, তদন্ত কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষ, হাজতখানা এবং পুলিশ সদস্যদের আবাসন ব্যারাক ও ডাইনিং স্পেস (মেস) ঘুরে দেখেন।
ব্যারাক পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেখানে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যদের আবাসন ব্যবস্থা, মেসের সার্বিক খাদ্যের মান এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সাথে থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের নাইট ডিউটি ও শিফটিং ডিউটির সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ও কাজের পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী তেজগাঁও থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকদের সাথেও সরাসরি কথা বলেন। জিডি (সাধারণ ডায়েরি) বা অভিযোগ জমা দিতে আসা ভুক্তভোগীদের সমস্যার কথা ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং তাদের অভিযোগগুলো দ্রুততম সময়ে ও স্বচ্ছতার সাথে নিষ্পত্তির জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-সহ সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের মূল কাজই হলো জনগণের সুরক্ষা ও সেবা দেওয়া। থানাকে প্রতিটি মানুষের আস্থা ও ভরসাস্থল হতে হবে। নাগরিকরা যেন নির্ভয়ে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে থানায় আসতে পারেন এবং কোনো মাধ্যম ছাড়া নিজের সমস্যা সরাসরি জানাতে পারেন—আমরা সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।’
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
#
ফয়সল/পবন/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২০৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৪৫
দেশের প্রতিটি জেলায় আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন
স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা সরকারের
-- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
হবিগঞ্জ, ৭ ভাদ্র (২২ আগস্ট):
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, সরকার দেশের প্রতিটি জেলায় আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি করে স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রথম ধাপে ১০টি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সিলেট বিভাগের মধ্যে হবিগঞ্জ জেলায় এ কার্যক্রমের প্রথম ধাপে স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।
আজ হবিগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, হবিগঞ্জ ও সিলেটের মানুষ অত্যন্ত ক্রীড়াপ্রেমী। আজকের ফাইনাল খেলায় দর্শকদের উপচেপড়া উপস্থিতি প্রমাণ করেছে, খেলাধুলার প্রতি এ অঞ্চলের মানুষের গভীর ভালোবাসা রয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সিলেট বিভাগ সারা দেশের জন্য একটি মডেল হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মোঃ আমিনুল হক বলেন, হবিগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামের গ্যালারিসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের সব জেলা স্টেডিয়াম ও ইনডোর স্টেডিয়াম সংস্কারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামের যে অংশে গ্যালারি নেই, সেখানে দ্রুত কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। দর্শকদের যাতে মাঠে দাঁড়িয়ে খেলা দেখতে না হয় এবং গ্যালারিতে বসে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলাধুলা উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে গ্যালারি নির্মাণের পাশাপাশি ড্রেসিং রুমসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামোর উন্নয়ন ও সংস্কার করা হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। হবিগঞ্জের মানুষের ক্রীড়াপ্রেম ও ব্যাপক উৎসাহকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের খেলাধুলাকে আরো এগিয়ে নেওয়া হবে।
হুইপ জি কে গউছ বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য সৃষ্টি করা সম্ভব। রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হলেও খেলাধুলার মাঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ড. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, পুলিশ সুপার মোঃ তারেক মাহমুদ, টুর্নামেন্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আমিনুল ইসলামসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও ক্রীড়া সংগঠক উপস্থিত ছিলেন।
ফাইনাল খেলায় বানিয়াচং ফুটবল একাদশ ১-০ গোলে নুনু এফসি ফুটবল একাদশ, সিলেটকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
#
নূর আলম/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/মোশারফ/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯৫৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৪৪
সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ; ব্যর্থতায় কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
ঢাকা, ৭ ভাদ্র (২২ আগস্ট):
ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাসহ সারা দেশে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এক্ষেত্রে ব্যর্থতায় ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ অনুসরণপূর্বক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
মন্ত্রী আজ রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্প্রতি শান্তিনগরের পপুলার হাসপাতালের সামনে দুষ্কৃতকারীদের হামলায় আহত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মোঃ আসাদুর রহমানকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে বিশেষ করে ঢাকা মেট্রোপলিটনসহ অন্যান্য মেট্রো এলাকায়—যারা এরকম চিহ্নিত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, তাদেরকে অতিশীঘ্র যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হেফাজতে না নিতে পারে, আইনের আওতায় আনতে না পারে, তাহলে যারা যারা ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্র ও তাদের তৎপরতা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ আগস্ট রাতে অধ্যাপক ডা. মোঃ আসাদুর রহমান শান্তিনগরে তাঁর চেম্বার থেকে বের হওয়ার পর সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্র তাঁর ওপর হামলা চালায় এবং গুরুতর আহত করে। তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উক্ত সংঘবদ্ধ চক্রের সাতজন সদস্যের মধ্যে মূল হোতাসহ চারজনকে সফলভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন ঘটনাস্থল থেকে, একজন লক্ষ্মীপুর থেকে, একজন যাত্রাবাড়ীর দনিয়া থেকে এবং অপরজন সাঁতারকুল এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে আসে। মন্ত্রী দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করায় পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর প্রশংসা করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে মন্ত্রী বলেন, চক্রটির মূল হোতা বিদেশে থাকাকালীন হুন্ডি ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দেশে ফিরে অপরাধমূলক চক্র গড়ে তোলে। বড় বড় হাসপাতাল, খ্যাতিমান চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও ধনাঢ্য পেশাজীবীদের টার্গেট করে ভয়ভীতি প্রদর্শন, বার্তা প্রেরণ এবং পরবর্তীতে শারীরিক হামলা চালিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করাই ছিল এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, চাঁদাবাজদের এ ধরনের কোনো অপতৎপরতা সহ্য করা হবে না এবং চাঁদাবাজি পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পুলিশের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমরা কেবল চাঁদাবাজ বা অপরাধীদের তালিকা তৈরি করছি না; এসব চাঁদাবাজির সাথে যদি পুলিশের কোনো সদস্য জড়িত থাকে বা সহায়তা করে, তবে তাদের তালিকাও প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, অপরাধী বা তাদের মদদদাতা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
ডাক্তার ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের ৫০০টি হাসপাতালে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। মন্ত্রী কোনো চিকিৎসক নিজস্ব চেম্বার ও ক্লিনিকে বিশেষ নিরাপত্তা ঝুঁকি বোধ করলে পুলিশকে অবহিত করার পরামর্শ দেন। এসময় এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের যেকোনো নাগরিক বিদ্যমান আইন অনুযায়ী শর্ত পূরণ সাপেক্ষে শর্ট গান বা পিস্তলের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। কোনো চিকিৎসক যদি নিজের নিরাপত্তায় ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের প্রয়োজন মনে করে আবেদন করেন, তবে সরকারের বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী তা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি প্রধান) মোঃ শফিকুল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান প্রমুখ।
মন্ত্রী পরে ধানমন্ডির এক হাসপাতালে একই চাঁদাবাজ চক্রের হুমকির শিকার ডা. এ কে এম আমিনুল হককে দেখতে যান।
#
ফয়সল/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৪৩
শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার ক্ষেত্র আরো বৃদ্ধি করতে হবে
- শিক্ষামন্ত্রী
ঢাকা, ৭ ভাদ্র (২২ আগস্ট):
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার ক্ষেত্র আরো বৃদ্ধি করতে হবে।
মন্ত্রী আজ সাভারে ব্রাক সিডিএম সেন্টারে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আয়োজিত ‘Vice-Chancellors’ Dialogue: Shaping the Future of Higher Education’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার উন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ইতোমধ্যে শিক্ষা বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তা ৫ শতাংশ এ উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা বাজেটের যে সমস্যা রয়েছে তা দূর হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা যদি গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে না পারি তাহলে শিক্ষার অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও যেন আরো বেশি গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হয় সেদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের দেশে অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেগুলোর মান সন্তোষজনক নয়। সেগুলো চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
‘রিভার্স ব্রেইন ড্রেইন’ এর গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এদেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিদেশে অনেক ভালো ফলাফল করে। পাশাপাশি গবেষণা ক্ষেত্রে তারা বিশাল সাফল্য দেখাচ্ছে। তাদেরকে দেশে এনে সেই মেধাকে কাজে লাগাতে হবে। এসময় তিনি বাংলাদেশে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের গুরুত্বের বিষয় তুলে ধরেন। এছাড়া তিনি দেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন অপচয়ের ক্ষেত্রগুলো খুঁজে বের করে সেগুলো বন্ধ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জেড এন তাহমিদা বেগম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
‘উচ্চশিক্ষা রুপান্তরে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে ধারণ করে ২ দিনব্যাপী এই সংলাপ অনুষ্ঠানে সরকারি ও বেসরকারি প্রায় ৬০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
#
আসিফ/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/মোশারফ/কনক/শামীম/২০২৬/১৯৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৪২
খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার
--যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
হবিগঞ্জ, ৭ ভাদ্র (২২ আগস্ট):
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, খেলাধুলা এখন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। জাতীয় ও জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পদকজয়ী ক্রীড়াবিদদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বাছাই করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে এবং তাদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার ব্যয়ভার সরকার বহন করবে।
প্রতিমন্ত্রী আজ হবিগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলার ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ মোঃ জি কে গউছ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রমের প্রথম আসর ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং দ্বিতীয় আসরের অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। আগামী অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে দ্বিতীয় আসর আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি সুস্থ জাতি গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের মাদক ও প্রযুক্তির আসক্তি থেকে দূরে রাখা সম্ভব। দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিভাগীয় পর্যায়ের বিকেএসপিগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান কিশোর-কিশোরীরা নিজ এলাকায় থেকেই উন্নত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার সুযোগ পায়। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য বগুড়ায় প্রায় ২০ একর জায়গার ওপর ‘আরাফাত রহমান জাতীয় প্যারা স্পোর্টস ভিলেজ’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে অগ্রাধিকারভিত্তিতে ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে হবিগঞ্জে একটি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করা হবে। তিনি বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে শৃঙ্খলা, ধৈর্য, সহনশীলতা ও মননশীলতার বিকাশ ঘটিয়ে একটি মাদকমুক্ত ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। সব ধরনের প্রতিহিংসা ও বিভাজন দূরে রেখে একটি সুস্থ ও সহনশীল সামাজিক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংসদ সদস্য ডা. শাখাওয়াত হোসেন জীবনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ১ম সিজনে বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে পদকপ্রাপ্ত সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
#
নূর আলম/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/আব্বাস/২০২৬/১৯১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৪১
দেশে বর্তমানে সত্যিকারের গণতন্ত্র বিরাজ করছে
-এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী
বগুড়া, ৭ ভাদ্র (২২ আগস্ট):
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, দেশে বর্তমানে সত্যিকারের গণতন্ত্র বিরাজ করছে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া দেশে গণতন্ত্রের চর্চা ও বিকাশের বড় প্রমাণ। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিরোধী দলকেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আজ বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
মীর শাহে আলম আরো বলেন, সম্মান দেওয়ার মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ। তিনি যেকোনো সময় যে কাউকে সম্মান দিতে পারেন, আবার যেকোনো সময় কারো কাছ থেকে সেই সম্মান ছিনিয়েও নিতে পারেন। তাই কোনো রাজনীতিবিদের অহংকার করা উচিত নয়। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অহংকারহীন সজ্জন রাজনীতিবিদ। তিনি দায়িত্বশীলভাবে দেশ পরিচালনা করছেন। মানুষের কল্যাণ এবং দেশের উন্নয়নই তাঁর রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র শুধু নির্বাচন আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রের প্রকৃত সৌন্দর্য প্রকাশ পায়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
পরে প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং মোকামতলা ইউনিয়ন জামে মসজিদ ও মোকামতলা খেলার মাঠে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিদর্শন করেন।
#
আশরাফুল/তানভীর/আতিক/রোকন/সফি/২০২৬/১৫০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৪০
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রির দায়িত্ব পেলেন সাচিং প্রু
ঢাকা, ৭ ভাদ্র (২২ আগস্ট):
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু । গতকাল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।
সাচিং প্রু ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবান আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ২০০১, ২০০৯ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
উল্লেখ্য, তিনি ১৯৫৩ সালের ১৫ জানুয়ারি বান্দরবান পৌরসভার ক্যাংভিটা এলাকার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা অংশৈপ্রু চৌধুরী, আর মাতা আবাঈ প্রু চৌধুরানী। অংশৈপ্রু চৌধুরী ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাবেক প্রতিমন্ত্রী।
#
রেজুয়ান/তানভীর/আতিক/রোকন/মিজান/২০২৬/১১১০ ঘণ্টা