কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:১৪ PM

Handout 21 July 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২১-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২১-০৭-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৫৮

মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সাথে আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম (Jean Pesme) সাক্ষাৎ করেছেন।

সাক্ষাৎকালে সরকারের বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, দেশব্যাপী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং প্রান্তিক ও তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়ে তারা মতবিনিময় করেন।

বৈঠকে বিএনপি সরকারের উদ্যোগ-ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারা দেশে কার্যকরভাবে সম্প্রসারণ এবং এর মাধ্যমে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীদের আরো বেশি অন্তর্ভুক্ত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসময় তৃণমূল পর্যায়ের সকল মানুষের ক্ষমতায়ন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের বিভিন্ন অগ্রাধিকার, সরকারের পলিসি এবং সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আগ্রহ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে, সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট খাতে সরকারের সাথে একযোগে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানান।

এসময় বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলে ছিলেন গেইল এইচ. মার্টিন, ধ্রুব শর্মা, আনিকা রহমান, সৈয়দ রাশেদ, আল-জায়েদ জশ এবং শ্রায়না ভট্টাচার্য।

#

ইমরানুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/রফিকুল/জয়নুল/২০২৬/২২১০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৫৭

যাদু মিয়ার দূরদর্শিতার কারণেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের

রাজনৈতিক নেতৃত্বে রূপান্তর সম্ভব হয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়ার সবচেয়ে বড়ো অবদান ছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে একজন সামরিক কর্মকর্তা থেকে সফল রাজনৈতিক নেতায় রূপান্তরের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা প্রদান। তাঁর সেই দূরদর্শী রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক ধারা সুসংহত হয়।

আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়ার ১০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়া স্মৃতি জাতীয় কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন জীবন্ত সাক্ষী ও প্রজ্ঞাবান নেতা। তিনি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক ছিলেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর হাতে বন্দি থাকা অল্প কয়েকজন জাতীয় নেতার অন্যতম। ফলে তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ইতিহাস বিশ্লেষণ ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও বাস্তবভিত্তিক।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর এবং বিশেষ করে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সে সময় দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক ধারাগুলো নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হিমশিম খাচ্ছিল। কৃষক-প্রজা পার্টি, মুসলিম লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির ঐতিহাসিক ভূমিকা তখন অনেকাংশেই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছিল। একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার কারণে জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ ছিল এবং বিভিন্ন বাম রাজনৈতিক ধারাও জাতীয় সংকটের কার্যকর সমাধান দিতে পারেনি।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সেই কঠিন সময়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতিপথ সম্পর্কে যে দূরদর্শিতা যাদু মিয়া দেখিয়েছিলেন, তা অন্য অনেক রাজনৈতিক নেতার মধ্যে প্রতিফলিত হয়নি। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, জাতির সামনে নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। সেই উপলব্ধি থেকেই তিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে রাজনৈতিক নেতৃত্বে নিয়ে আসার দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং সফলভাবে তা সম্পন্ন করেন।

তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের বিকাশ, বিএনপির প্রতিষ্ঠা, পরবর্তীকালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের সেবায় নিয়োজিত সরকারের ধারাবাহিকতা - সবকিছুর পেছনে মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়ার দূরদর্শী রাজনৈতিক ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, যদি সেই সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সঠিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতায় রূপান্তরিত না হতেন, তাহলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এই ধারাবাহিকতা এবং বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনার বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারতো।

তথ্যমন্ত্রী মশিউর রহমান যাদু মিয়ার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা এবং রাষ্ট্রচিন্তা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য বরকত উল্লাহ বুলু, শিক্ষাবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

#

ইমরানুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/রফিকুল/লিখন/২০২৬/২১১২ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৫৬

রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে

--- আইনমন্ত্রী

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান বলেছেন, আইনজীবীদের পেশাগত উন্নয়ন, পারস্পরিক সৌহার্দ ও ঐক্য সুদৃঢ় করতে আঞ্চলিক আইনজীবী সংগঠনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসব সংগঠনকে রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণ, পেশাগত উৎকর্ষ এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।

আজ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে খুলনা বিভাগীয় আইনজীবী সমিতির সামার কনভেনশন-২০২৬ ও সংগঠনের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, খুলনা বিভাগের আইনজীবীদের সংগঠিত উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এই সংগঠনকে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে আইনজীবীদের পেশাগত স্বার্থ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রাধান্য পাবে। তিনি বলেন, সমাজে বিভাজন নয় বরং ঐক্য, সহনশীলতা ও পুনর্মিলনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি।

আইনমন্ত্রী আরো বলেন, আইনজীবীদের সংগঠনগুলোকে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে, যেখানে প্রবীণ ও নবীন আইনজীবীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ আরো সম্প্রসারিত হবে। তিনি বলেন, খুলনা বিভাগ থেকে প্রতিবছর মেধাবী আইনজীবী, বিচারক ও আইন কর্মকর্তা দেশের বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। আগামী দিনেও এই ধারা অব্যাহত রাখতে খুলনা বিভাগীয় আইনজীবী সমিতিকে আরো শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, আইনজীবী সমাজ আইনের শাসন, মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। সেই দায়িত্ব পালনে পেশাগত সততা, নৈতিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সবাই রাজনৈতিক পরিচয়ের আগে নিজেকে একজন আইনজীবী এবং খুলনা বিভাগের মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করবেন। ঐক্য, সম্প্রীতি ও পেশাগত উৎকর্ষের মাধ্যমেই আইনজীবী সমাজ আরো সমৃদ্ধ হবে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান ও সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির, অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোঃ বদরুদ্দোজা বাদল এবং বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী-সহ অনেকে।

#

রেজাউল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/রফিকুল/জয়নুল/২০২৬/২১১০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৫৫

বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে

-- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ(২১ জুলাই):

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, সারাদেশ থেকে রোগীরা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। কোথাও চিকিৎসা না পেলে মানুষ বলে, ‘পিজি হাসপাতালে নিয়ে যান’, ‘মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে’ নিয়ে যান। মানুষ অনেক আশা নিয়ে এখানে আসে।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. মিলন হলে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মরণসভা উদযাপন কমিটি আয়োজিত বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নির্ভীক মানুষ যদি কাউকে বলতে হয়, তার অন্যতম উদাহরণ হচ্ছেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস। কোনো অবস্থাতেই তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত হওয়ার মানুষ ছিলেন না।

মন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, তাঁর দু’টি হাত, বুকভরা সাহস এবং নৈতিক দৃঢ়তা ছিল। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন। আর যাদের বিরুদ্ধে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন, তারা নৈতিকভাবে দুর্বল ছিল। হয়তো শারীরিকভাবে বড় ছিল, কিন্তু নৈতিক দুর্বলতার কারণে তারা তাঁর নৈতিক শক্তির কাছে পরাজিত হয়েছিল এবং আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল। তিনি বলেন, আমরা সংবিধানের কথা বলি। কিন্তু সংবিধানের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক চর্চাও গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের তো লিখিত সংবিধান নেই, কিন্তু তারা দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক প্রথা অনুসরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। কাজেই আপনাকে বুঝতে হবে আপনি সঠিক কাজ করছেন, না ভুল করছেন। আপনি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারছেন কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, শুধু ডাক্তার নয়, আমাদের নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি ক্ষেত্রে যেন দক্ষ ও মানসম্পন্ন জনবল তৈরি হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। এই প্রতিষ্ঠানকে সেই পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব শুধু উপাচার্যের নয়; আপনার টিমের এবং এখানে উপস্থিত প্রত্যেকের।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল কুদ্দুস ছিলেন একজন সত্যিকারের দেশ প্রেমিক এবং দেশের জন্য একজন অকুতোভয়, জনকল্যাণমূলক ব্যক্তিত্বের একজন মানুষ। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। একজন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি দেশের ক্রান্তিলগ্নে ও পরবর্তীতে দেশ গঠনে তাঁর অবদান ছিল অসামান্য।

স্মরণ সভায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও স্মরণসভা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডাক্তার এফ এম সিদ্দিকী, বিএমএ ও ড্যাব এর সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ এ কে এম আজিজুল হক, ড্যাব এর সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ হারুন আল রশীদ, ড্যাব এর মহাসচিব ডাঃ মোঃ জহিরুল ইসলাম শাকিল, স্মরণসভা আহ্বায়ক কমিটির সমন্বয়ক ডা. এহেতাশামুল হক তুহিন এবং সদস্য সচিব ডা. এবিএম শফিউল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

#

রফিক/Kvgiæ¾vgvb/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/২০২৯ ঘন্টা



তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৫৪

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টর Coco H. Ushiyama আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব ইয়াসমীন পারভীন উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং এ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কারিগরি ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সংক্রান্ত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডব্লিউএফপি’র দীর্ঘদিনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল নারীদের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা, সরকার গঠনের প্রথম মাস থেকেই বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে এবং এই অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু দরিদ্রদের আর্থিক সহায়তাই প্রদান করছে না, বরং তাদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে আয়বর্ধক কাজে সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত করছে এবং প্রশিক্ষণ শেষে সিড মানি প্রদান করে উদ্যোক্তা হতেও সহায়তা করছে। মন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এমসিবিপি সম্পর্কে ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরকে বিস্তারিত জানালে তিনি এর প্রশংসা করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে মিড-ডে মিল কর্মসূচি সকল উপজেলায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। এক্ষেত্রে খাদ্যের পুষ্টিমান বিবেচনায় রেখে সুষম খাদ্য নির্বাচনের বিষয়টিও সরকার নিয়মিত তদারকি করছে।

ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টর Coco H. Ushiyama বাংলাদেশে সামাজিক সুরক্ষায় সরকারের গৃহীত 'ফ্যামিলি কার্ড' উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ডে পরিবারের নারীদের নামে কার্ড ইস্যু করার ঐতিহাসিক পদক্ষেপের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আপনাদের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত। ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের কারিগরি ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হলে, ডব্লিউএফপি’র পক্ষ হতে সহযোগিতা করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডব্লিউএফপি’র পরিচালিত কল্যাণমুখী কার্যক্রমের কথা মন্ত্রীকে অবহিত করেন। একইসাথে সম্প্রতি বাংলাদেশের চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতিতে ডব্লিউএফপি যেভাবে সরাসরি মাঠপর্যায়ে সহায়তামূলক জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সে বিষয়েও আলোকপাত করেন।

#

রায়হান/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/২১০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৫৩

নতুন বিনিয়োগ ও রপ্তানির সুযোগ তৈরিতে অর্ধশত আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ(২১ জুলাই):

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার কাজ করছে এবং আগামী দুই/তিন মাসের মধ্যেই এর বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাবে।

আজ ঢাকায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ইপিবির ১৪৯তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে বর্তমান নেতৃত্বের অধীনে আমরা আরো ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাব। সরকার দেশের অর্থনীতির বিকাশ, নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি এবং ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে। শুধু কথায় নয়, বিনিয়োগ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অনুকূল পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যবসা শুরু করার প্রক্রিয়াগুলোকে আরো সহজ ও দ্রুত করার জন্য সরকার কাজ করছে। এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে আরো আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

রপ্তানি খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, লেদার, এগ্রো প্রসেসিং, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংসহ যেসব খাতকে আমরা অগ্রাধিকারমূলক রপ্তানি খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছি, সেগুলোর প্রত্যেকটিরই ডাবল ডিজিট প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে বড় রপ্তানি খাতে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, নতুন উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা জরুরি। বর্তমানে বড় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোও একসময় ছোট পরিসরে শুরু করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণ উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সাথে সংযোগ তৈরি, বিদেশি বাজারে অংশগ্রহণ এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যারা নতুন ব্যবসা শুরু করছেন, তাদের অনেকেরই বিদেশে গিয়ে বাজার অনুসন্ধান বা ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগের মতো আর্থিক সক্ষমতা থাকে না। এই সময় তাদের সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। তরুণ উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে ইপিবি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

সভায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ব্যবস্থাপনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ক্যালেন্ডার অনুমোদন দেওয়া হয়। এ অনুযায়ী, ১২টি অগ্রাধিকার খাতকে গুরুত্ব দিয়ে ২৭টি দেশে মোট ৫০টি আন্তর্জাতিক মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভায় ৩১তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৭ আয়োজনের জন্য স্টিয়ারিং কমিটিও অনুমোদন করা হয়। মেলার সম্ভাব্য সময় আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৭ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সভায় বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার (বিসিএফইসি) ইজারা দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় বাণিজ্য সচিব মোঃ আতাউর রহমান খান, ইপিবি’র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারসহ পরিচালনা পর্ষদের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

#

কামাল/Kvgiæ¾vgvb/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯২৯ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৫২

বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক

--বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বাণিজ্য আইন, অর্থনৈতিক গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই)-কে একটি শক্তিশালী জাতীয় থিংক ট্যাংক হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আজ রাজধানীর বিএফটিআই সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটির ৬৩তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক স্বার্থ সুরক্ষায় বৈশ্বিক বাণিজ্যব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক বাজার ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে গভীর গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যেই বিএফটিআইকে নতুন পরিকল্পনায় আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিয়ে আমাদের কোনো সংকট নেই, প্রয়োজন ছিল দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনার। এখন সেই জায়গায় কাজ শুরু হয়েছে। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি, বিধিবিধান ও আইনি ব্যাখ্যায় দক্ষ জনবল তৈরিতে বিএফটিআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরো জানান, চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতির বাজার পরিস্থিতি, বাণিজ্যিক প্রবণতা, সম্ভাব্য ঝুঁকি ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে নিয়মিত গবেষণা করবে বিএফটিআই। এসব গবেষণা সরকারের নীতি নির্ধারণ এবং বেসরকারি খাতের ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে।

আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় সরকারি কর্মকর্তা ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের জন্য বাণিজ্য, বাণিজ্য আইন ও অর্থনৈতিক নীতিবিষয়ক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ চালু করা হবে। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি খাতের বাণিজ্য আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি দক্ষ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।

সভায় বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ড. মোস্তফা আবীদ খানের নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, দেশের বাণিজ্য নীতি ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (BTTC) একাধিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা পর্যালোচনা, রপ্তানি বহুমুখীকরণে Anti-Export Bias-এর প্রভাব, অ্যান্টি-ডাম্পিং, কাউন্টারভেইলিং ও সেফগার্ড ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ এবং বাংলাদেশের চামড়া খাতের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ নিয়ে গবেষণা।

এছাড়া বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের (BCC) জন্য দেশের এয়ার টিকিটিং বাজারের প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি নিয়েও গবেষণা চলমান রয়েছে। বাণিজ্য নীতি পর্যালোচনা, RJSC নিবন্ধন ও রিটার্ন দাখিল, কর-ভ্যাট-কাস্টমস এবং আমদানি-রপ্তানি পদ্ধতি বিষয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

সভায় আরো জানানো হয়, বিএফটিআই ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ব্যবসা বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা (PGD) চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসাথে UNDP, SANEM ও ইনস্টিটিউট অব ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (IERF)-এর সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গবেষণা ও সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

সভায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোঃ শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, বাণিজ্য সচিব মোঃ আতাউর রহমান খান, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ, বিএফটিআই এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব ) ড. সাইফ উদ্দিন আহমেদ এবং বিএফটিআই পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

#

কামাল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/মোশারফ/কনক/লিখন/২০২৬/১৭২৯ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৫১

হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৭৮ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩০ জন।
১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ১ লাখ ২ হাজার ২৪৪ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৯৮ হাজার ৪১১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৪।
গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৭০২ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৫।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

#

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/মোশারফ/কনক/লিখন/২০২৬/১৬১৬ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৫০

২০২৭ সালের হজে সরকারি মাধ্যমে দুই প্যাকেজ ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে বিমান ভাড়া কমলো ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। সরকারি মাধ্যমে হজ প্যাকেজ-১ ও হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) নামে দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ২০২৬ সালের চেয়ে বিমান ভাড়া ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমেছে। হজ প্যাকেজ-১ এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লক্ষ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লক্ষ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।

আজ সচিবালয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন ঘোষণা করেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালের হজে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের আবাসন, যাতায়াত, ক্যাটারিং, তাঁবু ও সার্ভিস প্যাকেজকে একটি সমন্বিত প্যাকেজের মধ্যে আনার ঘোষণা দিয়েছে। ২০২৬ সালে মিনা-আরাফায় এ, বি, সি ও ডি মোট চারটি সার্ভিস প্যাকেজ ছিলো। কিন্তু ২০২৭ সালের হজে সার্ভিস প্যাকেজ হবে তিনটি। এছাড়া, ২০২৭ সালের হজে হাফ বোর্ড ক্যাটারিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সকল উদ্যোগের কারণে হজযাত্রীদের সেবার মান বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বিমান ভাড়া কমানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগের কথা তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার আমলে ২০২৩ সালে বিমান ভাড়া ছিলো প্রায় দুই লক্ষ টাকা। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে বিমান ভাড়া এক লক্ষ ৬৭ হাজার ৮২০ টাকা করা হয়। ২০২৭ সালের হজে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিমান ভাড়া এক লক্ষ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে যা হজের বিমান ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে এক মাইলফলক।

হজের খরচ গত হজের চেয়ে কমলো না বাড়লো- এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, গত হজের সর্বনিম্ন প্যাকেজে খাবার খরচ অন্তর্ভুক্ত ছিলো না। কিন্তু ২০২৭ সালের হজে ক্যাটারিং বাধ্যতামূলক করা, সার্ভিস প্যাকেজ 'ডি' বাতিল করা ও সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার বৃদ্ধি পাওয়ায় হজ প্যাকেজে বাড়তি খরচ যুক্ত হয়েছে ৬৬ হাজার ৫৭৪ টাকা। ২০২৬ সালের সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের সাথে এই টাকা যোগ করে তুলনা করলে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ-২ এ ২৮ হাজার ৬৩ টাকা কমেছে বলে তিনি জানান।

প্রবাসী হজযাত্রীদের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালের হজে প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীরা যে দেশে অবস্থান করছেন সেদেশেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা গ্রহণ করে ভিসার আবেদন করতে পারবে। এর আগের বছরগুলোতে তাদেরকে দেশে এসে এ কাজগুলো করতে হতো। এছাড়া, প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীগণ যাতে অবস্থানরত দেশ হতে সরাসরি সৌদিতে যেতে পারেন সে বিষয়েও চেষ্টা করে যাচ্ছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, হজ প্যাকেজ-১ এর হজযাত্রীদের মক্কায় হারাম শরীফের বহিঃচত্বর হতে ১০০০ থেকে ১৪০০ মিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এরিয়ায় আবাসন সুবিধা দেয়া হবে। মিনায় জোন-২ এ তাঁবুর অবস্থান হবে এবং মিনা-আরাফায়‌ ‘সার্ভিস প্যাকেজ-৩’ ক্যাটাগরির সার্ভিসসহ মোয়াল্লেম কর্তৃক খাবার সরবরাহ করা হবে। সাধারণত সৌদি আরবে অবস্থানকাল হবে ৩৫-৪০ দিন। উল্লেখ্য, অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধসাপেক্ষে রুম আপগ্রেডেশন ও শর্ট প্যাকেজ সুবিধা নেয়া যাবে।

অন্যদিকে, হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) হজ প্যাকেজ-১ এর চেয়ে কিছুটা সুলভ প্যাকেজ। এই প্যাকেজের হজযাত্রীদের মক্কায় হোটেল হারাম শরীফের বহিঃচত্বর হতে ২-৩ কিলোমিটারের মধ্যে হবে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকার বাইরে মসজিদে নববী হতে ৮০০ মিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে। মিনায় জোন-৫ এ তাঁবুর অবস্থান হবে এবংমিনা-আরাফায়‌ ‘সার্ভিস প্যাকেজ-৩’ ক্যাটাগরির সার্ভিসসহ মোয়াল্লেম কর্তৃক খাবার সরবরাহ করা হবে। হোটেলের অবস্থান দুই কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সৌদি সরকারের বিধান অনুসারে সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা থাকবে।

উল্লেখ্য, বেসরকারি তথা হজ এজেন্সির মাধ্যমে হজযাত্রীদের জন্য ‘বেসরকারি মাধ্যমের সাধারণ হজ প্যাকেজ’ নামে একটি প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ প্যাকেজের খরচ ধরা হয়েছে ৫ লক্ষ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।

এসময় গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

#

আবুবকর/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/আলী/জোহরা/২০২৬/১৫৫৩ঘন্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৪৫

প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমিসেবা সহজ করার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমিসেবা সহজ ও দ্রুততর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেছেন ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু। আজ মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে আলোচনার সময় তিনি এসকল নির্দেশনা দেন।

এসময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক এবং সচিব মোঃ মোখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমি অফিসে Priority Service চালু; ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) প্রবাসী ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধের সুবিধা; নামজারি, মিউটেশন ও অন্যান্য ভূমি সেবা স্বল্প সময়ে সম্পন্ন করা; ভূমি অফিসে প্রবাসী কর্নার বা সহায়তা ডেস্ক স্থাপন এবং পাওয়ার অব এটর্নি দলিল সম্পাদনে অগ্রাধিকার প্রদানে ভূমি মন্ত্রীকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানান।

জবাবে ভূমি মন্ত্রী বলেন, সরকার নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে এবং বিভিন্ন সেবা প্রদানের লক্ষ্যে প্রবাসী কার্ড চালু করছে। ভূমি মন্ত্রণালয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উল্লেখিত সকল সেবা যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে সব রকমের সহযোগিতা করবে মর্মে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীকে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। এছাড়া, প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমি সেবা সহজ করতে মন্ত্রণালয় থেকে একটি ফোকাল পয়েন্ট করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন ভূমিমন্ত্রী।

এসময় ভূমি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

আসাদুজ্জামান/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/আলী/জোহরা/২০২৬/১৪২৫ঘন্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৪২

ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই

-যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

খেলাধুলার মাধ্যমে দল-মত নির্বিশেষে পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুস্থতার জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই এবং ক্রীড়া চর্চাই পারে যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে।

আজ ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় গত ২ মার্চ সিলেট থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ শুরু হয়েছিল। এরপর ধাপে ধাপে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের খেলাধুলার সফল সমাপ্তি শেষে আজ জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হলো। চলমান এই আসরের পর্দা নামবে আগামী ২৭ জুলাই।

উদ্বোধনী আসরের সফলতা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, প্রথম আসরে মোট ৮টি ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রথম আসর শেষ হওয়ার পূর্বেই দ্বিতীয় আসরের প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। চলতি মাসের ১ জুলাই থেকে দ্বিতীয় আসরের রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। এবার ইউনিয়ন পর্যায় থেকে দল গঠনের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে প্রতিযোগিতা শুরু হবে এবং সারা বছরব্যাপী দেশে খেলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে।

জাতীয় পর্যায়ে উদীয়মান প্রতিভাদের অনুপ্রেরণা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশীয় ক্রীড়াঙ্গনকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। একই সাথে এই প্রতিযোগিতায় যারা ভালো পারফরম্যান্স করবে, বিকেএসপির মাধ্যমে তাদের উচ্চতর পড়াশোনা ও পেশাদার খেলাধুলার সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করা হবে।

#

আলম/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/আলী/জোহরা/২০২৬/১৩০৬ঘন্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৪১

মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে

-আইনমন্ত্রী

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, প্রি-কেস (মামলাপূর্ব) বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা কার্যক্রম বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও সহজে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সৃষ্টি করছে এবং আদালতে নতুন মামলা দায়ের উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ইতোমধ্যে আশাব্যঞ্জক ফল দিয়েছে। এ উদ্যোগকে আরো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের দীর্ঘদিনের মামলাজট নিরসনে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হবে।

আজ ঢাকায় মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি ১০টি জেলায় মামলাপূর্ব বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন, যা বিচার ব্যবস্থার ওপর একটি বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। এ বাস্তবতায় আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলে বিচারপ্রার্থীর সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমবে এবং আদালতের ওপর চাপ হ্রাস পাবে।

­­­­­­­ মন্ত্রী জানান, একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় ২০টি জেলায় প্রি-কেস মেডিয়েশন চালুর পর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-মে সময়ের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে বিভিন্ন আইনে মামলা দায়েরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এর মধ্যে পারিবারিক আদালত আইনে মামলা ৫১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৩,৫৫৯টি থেকে ১,৭৪৪টিতে নেমে এসেছে। সিভিল জজ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত বণ্টন সংক্রান্ত মামলা ৬৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২,০০১টি থেকে ৬৬১টিতে নেমে এসেছে।

এছাড়া, স্টেট অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড টেন্যান্সি আইনের প্রিম্পশন মামলা ৮৮ দশমিক ২৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১৭টি থেকে ২টিতে, নন-এগ্রিকালচারাল টেন্যান্সি আইনে ৫৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৩১টি থেকে ১৪টিতে, যৌতুক নিরোধ আইনে ৬৭ দশমিক ৭১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৫,৬০৫টি থেকে ১,৮১০টিতে এবং পিতামাতার ভরণ-পোষণ আইনে ১৮ দশমিক ৬০ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৪৩টি থেকে ৩৫টিতে নেমে এসেছে। সব মিলিয়ে গড়ে ৬২ দশমিক ০২ শতাংশ মামলা দায়ের হ্রাস পেয়েছে।

তিনি বলেন, আদালতে মামলা দায়েরের প্রবাহ এভাবে কমানো গেলে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দ্রুত কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। বিচারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিচারাধীন মামলাগুলোর মধ্যে যেগুলো আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তিযোগ্য, সেগুলো জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য রেফার করলে বিচারপ্রক্রিয়া আরো গতিশীল হবে।

আইনমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, আদালত, জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে আগামী এক বছরের মধ্যে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে পরিচালিত মধ্যস্থতা কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত এ কার্যক্রমের মাধ্যমে অসহায় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিনামূল্যে আইনগত সহায়তা ও দ্রুত ন্যায়বিচারের সুযোগ পাচ্ছে-এই তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।

কক্সবাজার জেলায় বর্তমানে এক লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন উল্লেখ করে তিনি জেলা জজ, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের আগামী তিন মাসে মামলাজট কমানোর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরো বলেন, প্রি-কেস মেডিয়েশন কার্যক্রম বাস্তবায়নে জাইকা (JICA), জিআইজেড (GIZ) এবং ইউএনডিপি (UNDP)-এর সহযোগিতা প্রশংসনীয়। এ সহযোগিতার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন সহযোগীদের ধন্যবাদ জানান।

মধ্যস্থতাকারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, এ দায়িত্বকে কেবল চাকরি হিসেবে নয়, বরং জনসেবামূলক একটি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। তবে মধ্যস্থতা কার্যক্রমে যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’ বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি কার্যকর, দ্রুত ও জনবান্ধব বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ মনজুর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্য শেষে আইনমন্ত্রী ১০টি জেলায় একযোগে মামলাপূর্ব বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। জেলাগুলো হলো- বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, পটুয়াখালী, ভোলা, নাটোর, যশোর, শরীয়তপুর, কক্সবাজার, পঞ্চগড় ও টাঙ্গাইল। আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ধারা ২১খ-এর বিধান অনুযায়ী এসব জেলায় মামলাপূর্ব বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু করা হলো। এখন থেকে এসকল জেলাগুলোতে ৭টি আইনের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের পূর্বে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে হবে।

#

রেজাউল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/আলী/আমিরুল/২০২৬/১২৫০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৪০

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়ে ভুয়া প্রচার বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিমানের নাম, লোগো এবং কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে অসংখ্য ভুয়া ফেসবুক পেইজ ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে বলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স অবগত হয়েছে। এসকল প্রতারক চক্র সাধারণত ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ডিসকাউন্ট’ বা ‘এয়ার টিকিট অফার’ নাম ব্যবহার করে লোভনীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রবাসীদের টার্গেট করে থাকে।

এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়শই বিভিন্ন প্রতারক চক্র ভুয়া পেইজ ও গ্রুপের মাধ্যমে ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আসছে মর্মে তারা জানতে পারে। প্রতারক চক্র মূলত ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, সস্তায় বিমানের টিকিট ক্রয়ের/প্রলোভনের কৌশলে সাধারণ মানুষের নিকট থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে সংঘটিত এ সকল প্রতারণার বিষয়ে সর্বসাধারণকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

#

সোলেমান/খাদীজা/মারুফা/তানভীর/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১২০০ ঘন্টা

Handout Number: 339

Agriculture and Fisheries Minister and State Minister condole death of Freedom Fighter Abdul Rauf Sarkar

Dhaka, 21 July:

Minister for Agriculture, Fisheries and Livestock Mohammed Amin Ur Rashid and State Minister for Fisheries and Livestock Sultan Salahuddin Tuku expressed their deep shocks and sorrows at the demise of the valiant freedom fighter Haji Md. Abdul Rauf Sarkar.

In a joint condolence message the Minister and State Minister said, the nation will forever remember the contribution of Haji Md. Abdul Rauf Sarkar in the Great War of Liberation with utmost respect. His life, enriched with patriotism, integrity, and humanitarian values, will remain a source of inspiration for future generations. With his passing, the country has lost a proud freedom fighter.

In the message both the Minister and State Minister prayed for the eternal peace of the departed soul and conveyed their heartfelt sympathy to the bereaved family members.

Mentionable that, Freedom Fighter Haji Md. Abdul Rauf Sarkar (73) passed away Dhaka, at 1:30 am on Tuesday while undergoing treatment at Popular Diagnostic Centre in Dhanmondi. He was the father of Md. Abubakar Sarkar, Private Secretary to the State Minister for Fisheries and Livestock. He is survived by two sons, two daughters, and a host of relatives and well-wishers to mourn his death.

#

Mamun/Khadiza/Marufa/Tanvir/Atik/Ali/Asma/2026/1100 hours

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৮

বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো: আব্দুল রউফ সরকারের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ (২১ জুলাই):

বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. আব্দুল রউফ সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

যৌথ শোকবার্তায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. আব্দুল রউফ সরকারের অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। দেশপ্রেম, সততা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ তাঁর কর্মময় জীবন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তার মৃত্যুতে দেশ একজন গর্বিত মুক্তিযোদ্ধাকে হারালো।

মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, গতকাল দেড়টার রাজধানীর ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকারের পিতা। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই কন্যা, নাতি-নাতনিসহ আত্মীয়-স্বজন, অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

#

মামুন/খাদীজা/মারুফা/তানভীর/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১১৩০ ঘন্টা

Handout Number: 337

Minister Rabiul reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road deaths by 2030

New York, 21 July:

Minister for Road Transport and Bridges of Bangladesh Shaikh Rabiul Alam has reaffirmed the government’s commitment to reducing road traffic deaths and injuries by 50 percent by 2030.

Speaking at the United Nations High-Level Meeting on Improving Global Road Safety yesterday, the Minister underlined Bangladesh's ongoing legal, policy and technological reforms to improve road safety in line with the Global Plan for the Decade of Action for Road Safety 2021–2030. He also highlighted the government's efforts to expand AI-enabled speed management, strengthen post-crash response systems and implement targeted highway safety interventions, particularly for pedestrians.

The Minister reiterated the government's commitment to finalizing, endorsing and enacting a comprehensive Road Safety Law by December 2027 in line with the Safe System Approach and international best practices.

Reaffirming road safety as a national political priority, the Minister stressed that achieving the 2030 target would require strong political commitment, effective partnerships and shared responsibility. He said Bangladesh remains committed to working with the international community to build safer, healthier and more equitable roads for all users.

Mentionable that Minister for Road Transport and Bridges Shaikh Rabiul Alam is leading the Bangladesh delegation at the United Nations High-Level Meeting on Improving Global Road Safety being held at United Nations Headquarters. Other members of the delegation includes Secretary of the Road Transport and Highways Division Dr. Mohammed Ziaul Haque, Permanent Representative of Bangladesh to the United Nations Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury, and Project Director of the Bangladesh Road Safety Project Mohammad Shabbir Hasan Khan.

#

Press NYPM/Khadiza/Marufa/Tanvir/Ali/Asma/2026/1000 hours

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৬

জাতিসংঘে সড়কমন্ত্রী

২০৩০ সালের মধ্যে সড়কে প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

নিউইয়র্ক, ২১ জুলাই:

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। গতকাল জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জাতীয় বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মদশক (২০২১–২০৩০)-এর বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। তিনি জানান, সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)ভিত্তিক গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি সেবা নিশ্চিতকরণ এবং বিশেষ করে পথচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে মহাসড়কে লক্ষ্যভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ এবং আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারিত্ব এবং সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য। তিনি সকল সড়ক ব্যবহারকারীর জন্য নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

#

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/খাদীজা/মারুফা/তানভীর/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১০০০ ঘন্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন