কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬ এ ১০:০৩ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২১-০৮-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২১-০৮-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৩৯
নিষিদ্ধ করে জনগণের কণ্ঠ ও ইতিহাসকে বন্দি করা যায় না
-- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
ঢাকা, ৬ ভাদ্র (২১ আগস্ট):
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কিছু সময়ের জন্য কোনো বক্তব্যকে নিষিদ্ধ করতে পারে, মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারে; কিন্তু চিরদিনের জন্য সব মানুষকে বিভ্রান্ত করা কিংবা জনগণের সম্মিলিত অনুভূতিকে বন্দি করে রাখা সম্ভব নয়।
আজ ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে সাংবাদিক ইমরুল কায়েস রচিত ‘তারেক রহমান: নিষিদ্ধ সময়ে নিষিদ্ধ প্রচার’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ‘মাতৃভাষা প্রকাশ’ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতি তার নিজের গতিতে চলে, স্রষ্টার আইন তার নিজের গতিতে চলে, জনগণের সম্মিলিত অনুভূতিও তার নিজস্ব গতিতে চলে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর চক্রান্ত তাকে কেবল কিছু সময়ের জন্য নিষিদ্ধ করতে পারে, কিন্তু সব সময়ের জন্য সব মানুষকে বিভ্রান্ত করা যায় না এবং কোনো সময়কে নিষিদ্ধ করে বন্দি করে রাখা যায় না। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ করার ক্ষমতার মধ্যে হয়তো এক ধরনের ঔদ্ধত্যের নেশা থাকতে পারে; কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞার পরিণাম অনেক সময় আরো ভয়াবহ হয়।
তথ্যমন্ত্রী যারা নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করে তাদের মনোজগৎকে বোঝা ও তাদের ব্যর্থ প্রচেষ্টার প্রতিক্রিয়ায় জনগণের মধ্যে যে স্বতঃস্ফূর্ততা ও আবেগ তৈরি হয় তা বোঝা জরুরি বলে উল্লেখ করেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী শক্তি নিজেদের কর্মকাণ্ডকে নানা আদর্শ ও যুক্তির মাধ্যমে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষাকে দীর্ঘদিন দমন করে রাখা সম্ভব হয়নি। জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনৈতিক চেতনাকে দমন করার চেষ্টা শেষ পর্যন্ত বিপরীত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি ইতিহাসের বিভিন্ন উদাহরণ টেনে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নেওয়ার কারণে তাকে দেশের সীমানার বাইরে পালিয়ে যেতে হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য তিনি যে ঝুঁকি নিয়েছেন এবং তার মা, পরিবার ও সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তার ফলে জনগণের মধ্যে গণতন্ত্রের প্রতি আগ্রহ, স্পৃহা ও অনুপ্রেরণা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, এই বইয়ের নিবন্ধগুলোর মধ্য দিয়ে সেই ঐতিহাসিক সত্য আবারও সামনে আসবে।
‘তারেক রহমান: নিষিদ্ধ সময়ে নিষিদ্ধ প্রচার’ বইটি কেবল তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে লেখা নয়; বরং একটি বিশেষ ‘মনোজগৎ’কে ঘিরেও আলোচনা বিস্তৃত হয়েছে। ফ্যাসিবাদী মনোজগৎ শেষ পর্যন্ত কোনো সমাজ বা রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণ বয়ে আনেনি বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘তারেক রহমান: নিষিদ্ধ সময়ে নিষিদ্ধ প্রচার’ বইটি পাঠকদের মধ্যে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতনতা, রাজনৈতিক বিবেক ও গণতান্ত্রিক বোধ আরো জাগ্রত করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ও অ্যাডভোকেট এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব।
বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক ড. আবদুল হাই সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট নজমুল হক নান্নু এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এর মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী।
#
ইমরানুল/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/২১৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৩৮
দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার গৃহীত কার্যক্রম
ঢাকা, ৬ ভাদ্র (২১ আগস্ট):
দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার দপ্তর ও সংস্থাসমূহ চলমান আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, পাহাড়ধস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
জেলা তথ্য অফিস, চট্টগ্রামের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। অধিক ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা-৬টি, যথা: সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, সন্দ্বীপ। জেলা তথ্য অফিস, চট্টগ্রাম কর্তৃক বন্যা চলাকালীন ও বন্যা-পরবর্তী সময়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার চলমান রয়েছে।
জেলা তথ্য অফিস, হবিগঞ্জের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী হবিগঞ্জ জেলার সকল উপজেলার বন্যার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে কোনো পানিবন্দি পরিবার নেই। কোনো হতাহত হয়নি এবং জেলায় পাহাড়ধস/ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, হবিগঞ্জ কর্তৃক সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
জেলা তথ্য অফিস, খাগড়াছড়ির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় খাগড়াছড়ি জেলায় অতিবৃষ্টি নেই। নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। তবে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেনি। নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার অব্যাহত রয়েছে।
জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টি হয়নি। বন্যা-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং অন্যান্য বিপদ এড়াতে জরুরি বার্তা নিয়ে মাইকিং প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
জেলা তথ্য অফিস, মৌলভীবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী মৌলভীবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। আকস্মিক বন্যায় মৌলভীবাজার জেলায় ৫৭ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, মৌলভীবাজার কর্তৃক বন্যাকালীন ও বন্যা-পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
জেলা তথ্য অফিস, রাঙামাটির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছে। ভারী বর্ষণের প্রথম থেকেই পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাবার জন্য জনসচেতনতা তৈরি করতে রাঙামাটি জেলা তথ্য অফিসের সড়ক প্রচার অব্যাহতভাবে চলছে।
চলামান পাতা-২
পাতা-২
জেলা তথ্য অফিস, বান্দরবান থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান জেলায় ১০ মিলিমিটারের কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে বন্যার পানি নেমে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্র হতে লোকজন তাদের বাসা-বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে। জেলা তথ্য অফিস, বান্দরবান কর্তৃক ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে।
তথ্য অফিস, লামার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিলো। সকাল থেকে কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। বন্যা, পাহাড়ধস বা ভূমিধসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার বেশ নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তথ্য অফিস, লামা কর্তৃক বন্যাকালীন সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
তথ্য অফিস, রামগড়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী রামগড়ে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। বর্ষাকাল হওয়ায় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কিছু কিছু স্থানে হালকা বৃষ্টি হতে দেখা যায়। হঠাৎ করে টানা ভারী বর্ষণের ফলে ফেনী নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বর্তমানে বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই। গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত নতুন করে পাহাড়ধসের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। রামগড় তথ্য অফিস কর্তৃক বন্যা/ভারী বর্ষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনিরাপদ বসতবাড়ি এড়িয়ে চলা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সাপে কাটা প্রতিরোধ, শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপদে রাখা, ত্রাণ গ্রহণে আর্থিক লেনদেন করা থেকে বিরত থাকা, দুর্ঘটনা এড়াতে বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার এড়িয়ে চলা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পানি জমে থাকতে না দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সড়ক প্রচার/মাইকিং করা হয়েছে।
তথ্য অফিস, পটিয়ার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী পটিয়া উপজেলায় পাহাড়ধস বা ভূমিধস হয়নি। বন্যা পরবর্তী করণীয়সহ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তথ্য অফিস, কাপ্তাইয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী কাপ্তাই, রাজস্থলী ও বিলাইছড়ি উপজেলার আবহাওয়া আজ স্বাভাবিক থাকবে।
#
গণযোগাযোগ অধিদপ্তর/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/শামীম/২০২৬/২০১৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৮৩৭ রাজশাহী কলেজ কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়
এটি উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক
-ভূমিমন্ত্রী
ঢাকা, ৬ ভাদ্র (২১ আগস্ট):
ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, রাজশাহী কলেজ কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। তিনি আরো বলেন, রাজশাহী কলেজ আমাদের সবার মা। মায়ের সন্তানের মতো এ প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ও বর্তমান সব শিক্ষার্থীকে এক ছাতার নিচে এনে দেড়শত বর্ষ উদ্যাপন করতে হবে। ১৫০ বছর উদ্যাপন এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতু বন্ধন তৈরি করবে। এ আয়োজন হবে ঐক্য, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের উৎসব।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় হেয়ার রোডে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী কলেজ ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৫০ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মধ্যদিয়ে এ প্রতিষ্ঠান বহু প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে। দেশ-বিদেশে থাকা সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে নিবন্ধনের মাধ্যমে এতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। প্রয়োজনে মহাদেশ ভিত্তিক অ্যালামনাসদের নিয়ে কমিটি করে এ ঐতিহাসিক এই মিলনমেলাকে স্মরণীয় করে রাখতে হবে।
তিনি আরো বলেন, কলেজের দেড়শত বর্ষ উদ্যাপনকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্মারক ভাস্কর্য তৈরি করা হবে। এ প্রতিষ্ঠানের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস শুধু বাংলাদেশের নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সমানভাবে সমাদৃত। তাই দেড়শত বর্ষ উদ্যাপন হবে রাজশাহী কলেজ পরিবারের সব প্রজন্মের এক মহামিলনের উৎসব।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সহযোগিতায় রাজশাহী কলেজে আধুনিক বহুতল একাডেমিক ভবন, অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম, ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য নতুন আবাসন এবং ঐতিহাসিক খেলার মাঠের উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী- ৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, দুদক সচিব মো: সাইদুর রহমান খান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব এস.এম. জহুরুল ইসলাম। এছাড়া, বর্তমান ও সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, কলেজের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
#
আসাদুজ্জামান/তানভীর/আতিক/রোকন/সফি/২০২৬/১৩১৫ ঘণ্টা