কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬ এ ০৯:৫১ PM

Handout 20 July 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২০-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২০-০৭-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর:৩৩৫

শিক্ষার্থীদের হাতে পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগ পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার

-- বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৫ শ্রাবণ (২০ জুলাই):

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরিফুল আলম বলেছেন, পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রতিটি উপজেলার একটি করে নির্বাচিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাটের স্কুল ব্যাগ প্রদান করা হবে। এ উদ্যোগ সফল হলে পরবর্তী সময়ে সারা দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাটের ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশবান্ধব পাটের স্কুল ব্যাগ প্রদানের এ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ সাভারের জৈনাবাড়ীতে জুট ফাইবার বিডির ব্যাগ উৎপাদন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি পাইলট প্রকল্পের আওতায় উৎপাদিত পাটের স্কুল ব্যাগের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৪৯৫টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতি বিদ্যালয়ে গড়ে ২০০ জন শিক্ষার্থী বিবেচনায় পাইলট পর্যায়ে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থীকে পাটের স্কুল ব্যাগ দেওয়া হবে। ব্যাগ উৎপাদনের কাজে ৫৪ জন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে নির্বাচন করা হয়েছে এবং জেডিপিসি পিএলসির মাধ্যমে এসব ব্যাগ সংগ্রহ করা হবে।

পাট শিল্পের রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্যোগ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রয়োজনীয় পাট বীজ আমদানি করতে হয়। পাটের বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করছে। একইসঙ্গে পাট চাষিদের প্রশিক্ষণ ও ঋণ প্রদান এবং পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অনেক নদী, নালা ও খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পাট জাগ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে কৃষকেরা সময়মতো পাট জাগ দিতে পারছেন না, যা পাটের গুণগত মান ও উৎপাদনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে ইতোমধ্যে খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পাট চাষি ও পাট শিল্পকে সুরক্ষা দিতে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

#

রাজীব/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/রফিকুল/লিখন/২০২৬/২১২২ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর:৩৩২

সীমান্ত নিরাপত্তায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে বিজিবিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ

ঢাকা, ৫ শ্রাবণ (২০ জুলাই):

সীমান্ত নিরাপত্তায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় বিজিবি সদর দপ্তর পিলখানায় শহীদ শাকিল আহমেদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বিজিবি সদস্যদের প্রতি দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদানকালে এ নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। সভায় ভিডিও টেলিকনফারেন্সের (VTC) মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের সকল ব্যাটালিয়ন ও বিওপি থেকে বিজিবি সদস্যরা সংযুক্ত ছিলেন। এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এতে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার ও ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত পাঁচ মাসে বিজিবির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। তিনি জানান, স্মার্ট সীমান্ত ব্যবস্থাপনার আওতায় নতুন বিওপি স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি, ড্রোন প্রযুক্তি, নাইট ভিশন ও থার্মাল ক্যামেরা সংযোজন এবং আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বিজিবিকে একটি বিশ্বমানের আধুনিক ও ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

বাহিনীর শৃঙ্খলা ও চেইন অব কমান্ড বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর মূল ভিত্তিই হলো তার কঠোর শৃঙ্খলা। তিনি বিজিবি সদস্যদের যেকোনো ধরনের গুজব, অপপ্রচার বা উসকানিতে বিভ্রান্ত না হয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে অর্পিত দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাজেট ও সম্পদের বাস্তব সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সরকার ধাপে ধাপে বিজিবির যৌক্তিক প্রয়োজন এবং আবাসন ও কল্যাণমূলক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ৪ হাজার ৪ শত ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, দেশের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিতকরণ, জাতীয় সংকট মোকাবিলা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মানবিক সহায়তা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিজিবি বরাবরই দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজিবি অত্যন্ত নিরপেক্ষ, পেশাদার ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।

মন্ত্রী সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং জোরপূর্বক পুশইনের অপচেষ্টা অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে প্রতিহত করার জন্য বিজিবির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের কারণে বর্তমানে পুশইনের অপচেষ্টা কার্যত শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে, যা দেশের স্বার্থ রক্ষায় এক অভূতপূর্ব সাফল্য। এছাড়া মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান দমন, মানবপাচার প্রতিরোধ এবং সীমান্তবর্তী জনগণের বিকল্প কর্মসংস্থান ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিজিবির মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন তিনি।

#

ফয়সল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/মোশারফ/লিখন/২০২৬/১৮৪৩ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩১

জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মেজর মোজাফফরের বিচার সেনা আইনেই সম্পন্ন হবে

--- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ৫ শ্রাবণ (২০ জুলাই):

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা সুসংহত করতে এবং দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করছে। মিয়ানমার সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী ১০৮ কিলোমিটার সীমানায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এটি এখনো প্রস্তাব আকারে রয়েছে, চূড়ান্ত হয়নি। একই সাথে বর্ডার মাইন বা ল্যান্ডমাইনের ক্ষয়ক্ষতি রোধে অত্যাধুনিক ডিটেকশন যন্ত্রপাতি ইতোমধ্যে বিজিবিকে সরবরাহ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আজ বিজিবি সদর দপ্তর পিলখানায় আশরাফ হলে বিজিবি'র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় ও দরবার শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান পলাতক আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের সাম্প্রতিক গ্রেফতার এবং বিচার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তৎকালীন সময়ে এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান বিচার সামরিক আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল এবং সেখানে সুনির্দিষ্ট ফাইন্ডিংস ছিল। দীর্ঘ সময় ছদ্মনামে পার্শ্ববর্তী দেশে আত্মগোপনে থাকা এই আসামিকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতারের পর বর্তমান সেনা আইনেই (মিলিটারি অ্যাক্ট) বিচারের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। জেনারেল কোর্ট মার্শাল (General Court Martial) গঠনের মাধ্যমে এই বিচার প্রক্রিয়া আইনানুগভাবে সম্পন্ন হবে। তিনি বলেন, একই অপরাধে কোনো ব্যক্তিকে সিভিল ল' ও মার্শাল ল' দুই ভিন্ন আইনে আলাদাভাবে বিচার বা ট্রায়াল করার আইনি সুযোগ নেই। তাই সেনা আইনেই এই মামলার বিচার সম্পন্ন হবে।

মিয়ানমার সীমান্তে চলমান অস্থিরতার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দেশটির সরকারি বাহিনীর সাথে আরাকান আর্মিসহ বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠী যেমন আরএসও ও আরসা’র তীব্র অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র সংঘাত চলছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বর্ডার এই ত্রিমুখী সংঘাতের মাঝে এক ধরনের সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। তিনি বলেন, ওপার থেকে ছিটকে আসা গোলাগুলি ও মাদকের অনুপ্রবেশ রুখতে সরকার সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ জারি রেখেছে। ভারতের সাথে সীমানা ব্যবস্থাপনার ধরন ও মিয়ানমার সীমান্তের কৌশলগত চ্যালেঞ্জ সম্পূর্ণ ভিন্ন বিধায় মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপওা নিশ্চিত করা এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অভিযোগ নাকচ করে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, অবৈধভাবে পুশ-ইন করার কোনো সুযোগ কাউকে দেওয়া হয়নি। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সতর্ক অবস্থানে আমরা প্রতিটি পুশ-ইন সফলভাবে প্রতিহত করেছি। মন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিজস্ব রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তারা এমন প্রচারণা চালাতে পারে, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে আনুষ্ঠানিক আলাপ-আলোচনা করে থাকে। তিনি আরো বলেন, যদি বৈধ বাংলাদেশী নাগরিকের উপস্থিতির স্বপক্ষে সুনির্দিষ্ট তালিকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিধিমাতাবেক প্রেরণ করা হয়, তবে বাংলাদেশ সরকারের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের জাতীয়তা যাচাই (ন্যাশনালিটি ভেরিফিকেশন) পূর্বক ফেরত আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর বাইরে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বরদাশত করা হবে না।

বিজিবি'র জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক সরঞ্জাম ও যানবাহন সংগ্রহ, নতুন প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ এবং বিজিবি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে নার্স ও চিকিৎসক নিয়োগসহ বিজিবি'র বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে মন্ত্রী এ সময় জানান।


#

ফয়সল/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/মোশারফ/লিখন/২০২৬/১৮১০ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩০

দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায় আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম

ঢাকা, ৫ শ্রাবণ (২০ জুলাই):

দেশব্যাপী আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, পাহাড়ধস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমের ওপর জেলা তথ্য অফিসসমূহের প্রেরিত সম্পর্কিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপদ্রুত এলাকায় আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম চিত্র।

জেলা তথ্য অফিস, চট্টগ্রামের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্যায় মোট ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ও ২৪৫টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সকলে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরে গিয়েছেনিহত ১৩ জনের পরিবারের মধ্যে ২৫ হাজার টাকা করে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হয়েছেত্রাণ বরাদ্দ: চাল ১২০০ মেট্রিক টন, নগদ ৯৫ লক্ষ টাকা, শিশু খাদ্য (নগদ) চার লক্ষ টাকা এবং গো-খাদ্য (নগদ) ১০ লক্ষ টাকাঢেউটিন ১০০০ বান্ডিল, গৃহনির্মাণ মঞ্জুরি ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ প্রাপ্তত্রাণ বিতরণ: ১১০৫ মে.টন চাল; নগদ টাকা বিতরণ: ৮৩.৭৫ লক্ষ টাকা; শিশু খাদ্য (নগদ): ৪ লক্ষ টাকা, শুকনো খাবার: ৪৬১০০ প্যাকেট; গো-খাদ্য বিতরণ (নগদ): ১০ লক্ষ টাকাত্রাণ মজুদ: চাল ৯৫ মে.টন, নগদ টাকা: ১১.২৫ লক্ষ টাকা, ঢেউটিন: ১০৪৫ বান্ডিল; গৃহনির্মাণ মঞ্জুরি: ৩০ লক্ষ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে

হবিগঞ্জ সদরে সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যার্তদের জন্য ০২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বন্যার্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত নগদ ২ লক্ষ টাকা, ৩০ মেট্রিক টন চাল এবং ১৬২০ প্যাকেট শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য নগদ ৮ লক্ষ টাকা, ১৭০ মেট্রিক টন চাল, ২০০ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২০০ বান্ডিল ঢেউটিন এবং গৃহনির্মাণ মঞ্জুরি ৬ লক্ষ টাকা মজুদ রয়েছে। জেলা ও উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, হবিগঞ্জ কর্তৃক সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে-১৫০টি, ত্রাণ সহায়তা: প্রাপ্ত ত্রাণ: চাল-৪০০ মে.টন, নগদ অর্থ- ৪৫,০০,০০০/- টাকা, ঢেউটিন- ৫৪৬ বান্ডিল, গৃহমঞ্জুরি বরাদ্দ ১৫,০০,০০০ টাকা, শিশু খাদ্য বরাদ্দ ২,০০,০০০/- টাকা, গো-খাদ্য ৫,০০,০০০ টাকা। মজুদকৃত ত্রাণের পরিমাণ: চাল-১০০ মে.টন, নগদ অর্থ- ১৪,৫০,০০০/- টাকা, ঢেউটিন- ৫৪৬ বান্ডিল, গৃহমঞ্জুরি বরাদ্দ ১৫,০০,০০০/- টাকা, শিশু খাদ্য বরাদ্দ ২,০০,০০০/- টাকা, গো-খাদ্য ৫,০০,০০০/- টাকা। বিতরণকৃত ত্রাণের পরিমাণ: চাল-৩০০ মে.টন, নগদ অর্থ-৩০,৫০,০০০/- টাকা।

কক্সবাজার জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ত্রাণ বিতরণ নগদ-৪৯.৮০ লক্ষ টাকা, চাল-৮৫০ মে. টন। এছাড়া পর্যাপ্ত শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী সরকারিভাবে বন্যার্তদেরকে সরবরাহ করা হচ্ছেদুর্যোগ পরিস্থিতি মনিটরিং করার লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলায় কন্ট্রোল রুম চালু রয়েছেত্রাণ মজুদ: নগদ- ১০.২০ লক্ষ টাকা, ঢেউটিন- ১০৭৭ বান্ডিল, গৃহ মঞ্জুরি- ৩০ লাখ টাকা, শিশু খাদ্য-৪ লক্ষ টাকা, গো-খাদ্য- ১০ লক্ষ টাকা, কম্বল- ৫,৮০০টি।

মৌলভীবাজার জেলা তথ্য অফিসে প্রতিবেদন অনুযায়ী মোট ৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২৯২ জন মানুষ এবং ১০০টি গবাদি পশু আশ্রয় নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ত্রাণকার্যের অংশ হিসেবে নগদ ৭৫০,০০০/- টাকা, ১৪০ মে.টন চাল, ১৭৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যা কবলিত অসহায় মানুষ এবং ৫ টি অন্ধ পরিবারের ১১ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী, শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। সেই মানবিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন পোশাক প্রদান করা হয়েছে। মজুদ নগদ টাকা ৭,৫০,০০০, চাল ৬০ মে: টন, ঢেউটিন ৫০০ বান্ডিল, গৃহ নির্মাণ মঞ্জুরি ১৫,০০,০০০ টাকা। জেলা তথ্য অফিস মৌলভীবাজার কর্তৃক বন্যাকালীন ও বন্যা পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

রাঙামাটি জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। বিতরণকৃত ত্রাণের বিবরণ: ২৯৫.০০০ মে:টন (চাল), ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা, মজুদকৃত ত্রাণের বিবরণ: ২০৫.০০০ মে:টন (চাল) এবং ২৫,০০,০০০/-(পঁচিশ লক্ষ) টাকা।

বান্দরবান জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হতে লোকজন তাদের বাসা-বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে। মৃত ব্যক্তির সংখ্যা- ৭ জন। ত্রাণ কার্যক্রম: (নগদ) ২০ লক্ষ টাকা বিতরণ: ২০ লক্ষ টাকা, ত্রাণ কার্যক্রম: (চাল) ৪০০ মে.টন, বিতরণ ২৪৪ মে.টন, শুকনো খাবার: ৮৫৬০ প্যাকেট, প্রাপ্ত ঢেউটিন: ৫০০ বান্ডিল, মজুদ ঢেউটিন: ৫০০ বান্ডিল, প্রাপ্ত গৃহনির্মাণ মঞ্জুরি: ১৫ লক্ষ টাকা, মজুদ গৃহনির্মাণ মঞ্জুরি: ১৫ লক্ষ টাকা, প্রাপ্ত শিশু খাদ্য: ২ লক্ষ টাকা, মজুদ শিশু খাদ্য: ২ লক্ষ টাকা, প্রাপ্ত গো খাদ্য: ৫ লক্ষ টাকা ও মজুদ গো-খাদ্য: ৫ লক্ষ টাকা। ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে জেলা তথ্য অফিস, বান্দরবানের সচেতনতামূলক প্রচার ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে।

লামায় তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্যোগের সময় ৩ উপজেলায় মোট ১২২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। ১৫ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ২,৮৫০ জনকে আশ্রয় প্রদান হয়েছিল। ১৫ জুলাই থেকে ৩ উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত কেউ নেই। আজ পর্যন্ত বিতরণকৃত চাল: ৮৮.৫০ মে. টন (১৮ জুলাই পর্যন্ত), নগদ টাকা বিতরণ: ৯.৫০ লক্ষ টাকা (১৮ জুলাই পর্যন্ত), শুকনো খাবার প্যাকেট: ৬৩৭৭ প্যাকেট (১৮ জুলাই পর্যন্ত) ত্রাণ বিতরণ ও মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তথ্য অফিস, রামগড় এবং সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন এ পর্যন্ত দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৫৭০টি পরিবারের মধ্যে (প্রতিটি পরিবারকে ২০ কেজি হারে) চাল বিতরণ করে। শুকনো খাবার ১২৯ প্যাকেট বিতরণ, ঢেউটিন ৫ বান্ডিল এবং নগদ অর্থ ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৫৫ টাকা বিতরণ করে।

তথ্য অফিস, পটিয়া এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী উপজেলায় পাহাড়ধস/ভূমিধস হয়নি। মজুদ চাল রয়েছে ১০ মেট্রিক টন বিতরণকৃত: ৬০ মেট্রিক টন ১৪০০ প্যাকেট ও ২ লক্ষ টাকার শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

#

গণযোগাযোগ অধিদপ্তর/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/শফিক/২০২৬/ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৭

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

ঢাকা, ৫ শ্রাবণ (২০ জুলাই):

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষার তারিখ অনিবার্য কারণবশত পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষাটি ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে হবে। পরিবর্তিত তারিখের এই পরীক্ষাটি ২১১৫২১ এবং ২১১৫০১ পত্রকোডের জন্য প্রযোজ্য।

উল্লেখ্য, পরীক্ষার পূর্বঘোষিত কেন্দ্র ও সময়সূচিসহ অন্যান্য সকল শর্তাবলি অপরিবর্তিত থাকবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd) পাওয়া যাবে।

#

তাইয়েবা/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/আমিরুল/২০২৬/১৫১০ ঘন্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৯

আবহাওয়ার সতর্কবার্তা

ঢাকা, ৫ শ্রাবণ (২০ জুলাই):

আজ সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী-রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, রাজশাহী এবং সিলেট অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

­

সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে আজ সকাল ১১টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘন্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪-৮৮মিলিমিটার/২৪ ঘন্টা) থেকে অতিভারী (>৮৮মিলিমিটার/২৪ ঘন্টা) বর্ষণ হতে পারে। অতিভারী বর্ষণের কারণে ঢাকা মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরী হতে পারে।

ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের দুর্যোগ সংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদনে আজ এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

#

ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টার/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সফি/২০২৬/১৫৩০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৮

হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ৫ শ্রাবণ (২০ জুলাই):

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল রবিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯২২ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪৭ জন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ১ লাখ ১ হাজার ২৬ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৯৭ হাজার ৫৩২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৫। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৯৮ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৫।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

#

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সফি/২০২৬/১৫৩০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৬

দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম

ঢাকা, ৫ শ্রাবণ (২০ জুলাই):

দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিস ও জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস বন্যা পরিস্থিতির কারণে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত সংক্রান্ত জরুরি বার্তা প্রচার, বন্যা/ভারী বর্ষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনিরাপদ বসতবাড়ি এড়িয়ে চলা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সাপে কাটা প্রতিরোধ, শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপদে রাখা, ত্রাণ গ্রহণে আর্থিক লেনদেন করা থেকে বিরত থাকা, দুর্ঘটনা এড়াতে বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার এড়িয়ে চলা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পানি জমে থাকতে না দেওয়াসহ অন্যান্য জনসচেতনতামূলক সড়ক প্রচার/মাইকিং অব্যাহত রয়েছে

প্রতিবেদন অনুসারে খাগড়াছড়ি জেলায় এখন বৃষ্টি নেই এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস বা ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। তবে স্বাভাবিক অবস্থা এখনো ফেরেনি। খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিস ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী কক্সবাজার পৌরসভা ও আক্রান্ত ইউনিয়নের সংখ্যা ৭৪। সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস/ভূমিধস এর ঘটনা ঘটেনি। জেলা তথ্য অফিস ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার ও মাইকিং অব্যাহত রেখেছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, রাঙামাটির পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। ভারী বর্ষণের প্রথম থেকেই পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাবার জন্য জনসচেতনতা তৈরি করতে রাঙামাটি জেলা তথ্য অফিসের সড়ক প্রচার অব্যাহতভাবে চলছে।

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বান্দরবানে বর্তমানে দূর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান জেলায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে বন্যার পানি নেমে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্র হতে লোকজন তাদের বাসা-বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে। জেলা তথ্য অফিস ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে।

সিলেট আঞ্চলিক তথ্য অফিস এবং সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলেট জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩.৪ মিলিমিটার এবং আজ (সকাল ৬টা -৯ টা) ৩৭ মিলোমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টিপাত বাড়ায় সুরমা, কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন, পিয়াইনসহ প্রধান নদ-নদীর পানি কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার নীচে প্রবাহিত হলেও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নতুন করে প্লাবিত হওয়ার বা বড় বা দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশঙ্কা নেই তবে নদীসংলগ্ন কিছু নিচু এলাকায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি বিরাজমান। সুনামগঞ্জ জেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত বাড়ায় নদ-নদীর পানি কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। মারকুলি পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। হবিগঞ্জ সদর, বাহুবল ও বানিয়াচং উপজেলাসহ মোট তিনটি উপজেলা খোয়াই নদী ভাঙনে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হয়েছিল। বর্তমানে বৃষ্টি কম হওয়ায় প্লাবিত এলাকায় পানি নিচে নেমে গেছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৪.৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয় এবং কোনো পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী মৌলভীবাজার জেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। মনু নদীর পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে। প্লাবিত হয়েছে ১৫ টি ইউনিয়ন। এর মধ্যে জেলার সদর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। এছাড়া, কমলগঞ্জ উপজেলায় নদীরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা গিয়েছে। জেলা তথ্য অফিস বন্যাকালীন ও বন্যা পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

#

তথ্য অধিদফতর, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/সফি/২০২৬/১২৫০ ঘণ্টা

Handout Number: 325

Meeting between ILO DG and Minister for Labour and Employment

Commitment to mutual partnership for workers' rights and employment generation

Dhaka, 20 July:

A meeting was held between the Minister for Labour and Employment, Ariful Haque Choudhury, and the Director-General (DG) of the International Labour Organization (ILO), Gilbert F. Houngbo, at the Minister’s office at the secretariat in Dhaka yesterday. In a cordial atmosphere, fruitful discussions took place regarding the modernization of Bangladesh's labor sector, labor law reforms, the creation of new employment, and the further strengthening of bilateral cooperation to ensure international labor standards.

Welcoming the ILO Director-General to Bangladesh, labour minister Ariful Haque Choudhury has said that the current government is fully committed to protecting workers' rights and ensuring a safe working environment. He noted that labor sector reform is an ongoing process, and as a historical milestone in this continuity, the Bangladesh Labour (Amendment) Act, 2026 has been enacted. Through this amendment, Bangladesh has made significant strides toward ensuring international labor standards. The Minister highlighted that Bangladesh is the first country in Asia to ratify all 10 fundamental conventions of the ILO, brightening the country's image in the global labor arena.

During the meeting, the minister detailed the government's current and future action plans. He stated that the amendment of Bangladesh Labour Rules 2015, forming a tripartite 'National Social Dialogue Forum', and introducing a digital case management system alongside an independent alternative dispute resolution mechanism are progressing rapidly. Furthermore, to build an integrated social safety net for workers in both the formal and informal sectors, an initiative has been taken to nationalize the 'Employment Injury Scheme'.

He also stated that to create employment for skilled manpower both at home and abroad, efforts are underway to establish a new 'Department of Employment' under the ministry. This department will ensure self-employment and technical training by launching employment exchanges at the district and upazila levels. The Minister laid special emphasis on the fact that the current government is determined to ensure complete transparency and accountability in every sector, stressing that no irregularities or syndicates would be tolerated in labor migration. The Minister added that the government is working to send workers to various countries, including Malaysia, through a transparent process and at a lower cost.

Calling for increased technical and institutional cooperation from the ILO to tackle the challenges of technology and global transformation while ensuring a safe working environment, the minister said in the meeting that Bangladesh has been playing a highly responsible role as a member of the governing body. Extensive progress has been made in implementing the ILO roadmap, including the recruitment of new labor inspectors to enhance the capacity of the Department of Labour. Recognizing these positive changes and milestones, he strongly requested the Director-General (DG) to expedite the resolution of the ongoing complaint case against Bangladesh under Article 26 of ILO.

ILO Director-General Gilbert F. Houngbo highly praised Bangladesh’s groundbreaking reforms in the labor sector. ​He said, the ILO is committed to keep up collaboration with the Government, workers, and employers of Bangladesh to translate its historic labour reforms into tangible protections for all workers and improved labour market governance. By building on its landmark ratification of all ten (10) ILO fundamental conventions, and ensuring their effective implementation, Bangladesh can secure a promising future for its workers and enterprises, the DG added.

Among others, the Secretary of the Ministry of Labour and Employment, Md. Abdur Rahman Tarafder, ILO Country Director Tuomo Poutiainen (Max Tunon), and senior officials from the Ministry of Labour and Employment and the ILO were present at the meeting.

#

​ Borhan/Khadiza/Marufa/Tarana/Atik/Amirul/2026/1000 Hrs.

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৪

বর্তমান সরকার পারস্পরিক কল্যাণভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ

-মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ঢাকা, ৫ শ্রাবণ (২০ জুলাই):

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সম্মান, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং পারস্পরিক কল্যাণভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশে মিশর আরব প্রজাতন্ত্র দূতাবাসের উদ্যোগে ‘মিশরীয় বিপ্লব দিবস’ (Egyptian Revolution Day)-এর ৭৪তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন। অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনে আরো গভীর ও বহুমাত্রিক হবে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ব্যবসা, কৃষি, শিক্ষা, পর্যটন, সংস্কৃতি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত হবে।

তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মিশরের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত, এই দুই মহান নেতার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আজকের বাংলাদেশ-মিশর সম্পর্কের দৃঢ় ভিত্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সমর্থন আজও আমাদের দুই দেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

তিনি মিশরের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, পর্যটন এবং ওষুধ শিল্প ও আইসিটি খাতে বিশেষ সুযোগ-সুবিধার আওতায় মিশরের উদ্যোক্তাদের আরো বড় পরিসরে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঐতিহাসিক আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূয়সী প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, এ প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক ও আলোকিত ইসলামের এক অনন্য কেন্দ্র। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি করায় তিনি মিশর সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

মন্ত্রী গ্লোবাল সাউথের দুই গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সফল জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বাংলাদেশের নতুন সরকারের উন্নয়ন অভিযাত্রার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আন্তর্জাতিক ফোরামে দুই দেশের পারস্পরিক কূটনৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদিন আহমেদ ফাহমি (Omar Mohie Eldin Ahmed Fahmy) মিশরের ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি দুর্নীতি দূরীকরণ, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও আধুনিক মিশর গঠনে এ বিপ্লবের অবদানকে স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত ২০২৬ সালের সফল নির্বাচনে নির্বাচিত বাংলাদেশের সরকার এবং জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, শিক্ষা, সরাসরি বিমান যোগাযোগ এবং নিরাপত্তা ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বভিত্তিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক কোরের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

#

রায়হান/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/আসমা/২০২৬/১০৩০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন