কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:১৬ PM

Handout 19 July 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৯-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৯-০৭-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৩

তরুণদের মাদক নয়, খেলাধুলায় মনোযোগী হতে হবে

- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকা, ৪ শ্রাবণ (১৯ জুলাই):

বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমধর্মী ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক আয়োজন ‘ভ্যালেরিয়ন ওয়ার্ল্ড কাপ নাইট ২০২৬’। আজ জাতীয় সংসদ ভবনের পশ্চিম পাশে শহিদ ফারহান ফাইয়াজ খেলার মাঠে দিনব্যাপী এ উৎসবে ফুটবল, বিনোদন ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির এক অনন্য সমন্বয় দেখা যায়।

ভ্যালেরিয়ন এআরসি লিমিটেড ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘আহ্বান’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে বিশেষ ফুটবল টুর্নামেন্ট। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, তরুণ সমাজকে মাদক ও সব ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। একটি সুস্থ, মানবিক ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের মূলধারার ক্রীড়ায় সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে এবং সবাইকে সমানভাবে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

অনুষ্ঠানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি রানারআপ হয়।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিউভয়পক্ষের চ্যাম্পিয়ন দলকে অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রতিটি দলকে এক লাখ টাকা করে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেন। তাঁর এ ঘোষণায় উপস্থিত খেলোয়াড়, শিক্ষার্থী ও দর্শকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়।

#

চয়ন/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২২১৫ ঘণ্টা

Handout Number: 322

DG of ILO calls on the State Minister for Foreign Affairs

Dhaka, 19 July:

Bangladesh is embarking on a new journey to improve work ambience, says the State Minister for Foreign Affairs Shama Obaed Islam during her meeting with the Director General of ILO Gilbert F. Houngbo, Houngbo met with the State Minister for Foreign Affairs in the afternoon of today at the latter’s Office during his 2-day long visit to Bangladesh.

During the meeting, the State Minister for Foreign Affairs highlighted the Government’s commitment to advancing decent work, social justice and labour rights through comprehensive labour-sector reforms. She reaffirmed the Government’s commitment to fulfilling the pledges made in the election manifesto to advance democracy, human rights and workers’ rights. She called for ILO’s continued cooperation and constructive engagement in strengthening labour governance, protecting migrant workers and facilitating safe, regular and skilled labour mobility from Bangladesh.

The State Minister expressed hope that Bangladesh’s significant progress in the labour-sector reform would be duly recognized in the upcoming ILO Governing Body Session and pave the way for the earliest closure of the ongoing case against Bangladesh under Article 26 of the ILO Constitution.

The ILO Director-General expressed deep appreciation for the effort and the political commitment of the Bangladesh Government in ensuring a better world of work. He reaffirmed the Organization’s continued support for Bangladesh’s endeavour and priorities in advancing labour-sector reform, decent work and social justice. “Success of Bangladesh in improving the labour situation in the country can be an example for ILO’s engagement with other countries”, he said.

Both sides expressed their commitment to further strengthening the Bangladesh–ILO partnership.

#

Kamrul/Kamruzzaman/Vivekananda/Paban/Mosharaf/Shamim/2026/2130 Hrs

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২১

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য

-মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

ঢাকা, ৪ শ্রাবণ (১৯ জুলাই):

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মূল লক্ষ্য ও অঙ্গীকার হলো আমাদের তরুণ ছেলে-মেয়েদের কেবল শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলাতেও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করা; যাতে তারা তাদের চরিত্র গঠন করতে পারে, শারীরিক বিকাশ ঘটাতে পারে।

আজ রাজধানীর মিরপুরে শহিদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত '১০ম ক্যাডেট, জুনিয়র, অনূর্ধ্ব-২১, সিনিয়র সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ এবং ২য় অনূর্ধ্ব-১৪ কারাতে কাপ-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কারাতে কেবলই একটি খেলা নয়, এটি বিভিন্ন দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বের মেলবন্ধন তৈরি করতেও সাহায্য করে। কারাতের মাধ্যমে এই বন্ধুত্ব ভৌগোলিক সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্ব দরবারে পৌঁছাবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি খেলোয়াড়দের প্রদর্শিত বিভিন্ন ইভেন্ট উপভোগ করেন। পরে তিনি বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী খেলোয়াড়দের মাঝে ট্রফি, মেডেল ও পুরস্কার বিতরণ করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ থেকে ১৯ জুলাই তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং স্বাগতিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৯ শতাধিক উদীয়মান খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে তাদের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম, সাউথ এশিয়ান কারাতে ফেডারেশনের সভাপতি ভারত শর্মা এবং বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সভাপতি শাহজাদা আলম, সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেনসহ দেশি-বিদেশি রেফারি, প্রশিক্ষক, অংশগ্রহণকারী দেশসমূহের প্রতিনিধি দল এবং ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ দর্শক।

#

রায়হান/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২১২৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২০

জনগণের করের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় নিশ্চিত করছে সরকার

---আইনমন্ত্রী

মাগুরা,, ৪ শ্রাবণ (১৯ জুলাই):

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদু্জ্জামান বলেছেন, জনগণের করের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। জনগণের অর্থের সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করে উন্নয়নের সুফল প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ মাগুরা জেলা অডিটোরিয়ামে সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল, গ্রামীণ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন এবং গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, অতীতে জনগণের কল্যাণে বরাদ্দকৃত অনেক অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় না হয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকতো। বর্তমান সরকার সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের প্রতিটি টাকার জবাবদিহি নিশ্চিত করছে এবং সরকারি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করছে। অতীতে উন্নয়ন প্রকল্পের নামে আত্মসাৎ হওয়া অর্থের তদন্ত চলছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও ইমাম কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব যোগ্য পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এনে নারীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, বিচার বিভাগে দুর্নীতি প্রতিরোধ, রাজনৈতিক সহিংসতা ও মিথ্যা মামলা বন্ধ এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জনগণের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

মাগুরা জেলা পরিষদের প্রশাসক আলী আহম্মেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাগুরা সদর আসনের সংসদ সদস্য মো. মনোয়ার হোসেন খান, জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বির আহমদেসহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এসময় পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মোট উপকারভোগী সংখ্যা ১৮২ জন।

এর আগে আইনমন্ত্রী মাগুরা জেলা আইনজীবী সমিতি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

#

রেজাউল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/মোশারফ/আব্বাস/২০২৬/২১১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১৯

আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার বদ্ধপরিকর

--- ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

মহালছড়ি (খাগড়াছড়ি), ৪ শ্রাবণ (১৯ জুলাই):

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, বর্তমান সরকার এদেশের জনগণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের প্রকৃত মালিক হিসেবে তাদের স্বীকৃতি দিতে চায়। আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে পৃথিবীব্যাপী বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবো।

আজ খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার চৌংড়াছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ আয়োজিত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার দেশ ছেড়ে পালানোর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিন্তায়, মননে একটি কথাই বলতেনবাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও তার সরকার সবসময়ই থাকবে। তিনি আরো বলেন, আমরা বিরোধী দলে থাকা অবস্থায়ও অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে ছিলাম এবং আজীবন থাকব। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দুর্যোগপ্রবণ এলাকাগুলোতে আমরা মন্ত্রিপরিষদ, জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে দল-মত নির্বিশেষে সকলেই ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছি।

পরে বন্যাকবলিত তিন পার্বত্য জেলায় খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি বাজারে স্বল্পমূল্যে খোলা বাজারে চাল আটা বিক্রয় ওএমএস কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।

‎‎ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ যাতে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য সরকারের এই কর্মসূচি। একইসাথে স্বল্পমূল্যে সরকারের এই কর্মসূচি দেশব্যাপী শুরু হবে আগামী আগস্ট মাস থেকে।

পরে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী।

এসময় গণমাধ্যমকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খোঁজখবর রাখছেন। বিপদে-আপদে তাদের পাশে আছেন। তারা কিভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সে ব্যাপারে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন।

‎‎ প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, যারা এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে মাসে মাসে কিস্তি দেন তাদেরকে ন্যূনতম এক মাসের কিস্তি সুদসহ মওকুফ করতে সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে যাদের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের তালিকা করে তাদের অবস্থা ঘুরে দাঁড়াতে সরকার সহায়তা করবে।

সরকার গৃহীত পদক্ষেপের বিবরণ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার আগাম পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। ইতোমধ্যে ত্রাণ সহায়তা হিসেবে সরকার পার্বত্য তিন জেলায় ১৩০০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৬০ লাখ টাকা বিতরণ করেছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যার ফলে অনেক জানমাল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের মাঝে প্রণোদনা দেওয়া শুরু হয়েছে। গবাদি পশুর জন্য বিনামূল্যে খুরা রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। আজ থেকে বন্যাকবলিত এলাকায় খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে খোলা বাজারে সুলভ মূল্যে চাল ও আটা বিক্রয় শুরু হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণকালে খাগড়াছড়ি জেলা হতে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঞা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফলিকা ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত, রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়ি জেলা সার্কিট হাউজে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সার্বিক বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

#

রেজুয়ান/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২৬/২০১০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১৮

মানিকগঞ্জের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কঠোর

মনিটরিংয়ের নির্দেশ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

মানিকগঞ্জ, ৪ শ্রাবণ (১৯ জুলাই):

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, প্রত্যেকটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে মনিটরিং কার্যক্রম জোরদারসহ প্রত্যেকটি প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন নির্দিষ্ট সময়ে জমা দিতে হবে। আপনাদের যেকোনো সমস্যা সমাধানে আমি সচেষ্ট থাকবো।

মন্ত্রী আজ মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেন, মানিকগঞ্জের উন্নয়নে পিতা হারুনার রশিদ খান মুন্নুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। মানিকগঞ্জের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই।

এরপর মন্ত্রী জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহযোগিতায় ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইসিস, জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত ১৫ জন রোগীর প্রত্যেককে এককালীন ৫০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করেন।

সভায় মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

তরিকুল/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২৬/১৮১০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১৭

দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম

ঢাকা, ৪ শ্রাবণ (১৯ জুলাই):

দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। দপ্তর সমূহের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী-

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিস ও জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস বন্যা পরিস্থিতির কারণে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত সংক্রান্ত জরুরি বার্তা প্রচার, বন্যা/ভারী বর্ষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনিরাপদ বসতবাড়ি এড়িয়ে চলা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সাপে কাটা প্রতিরোধ, শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপদে রাখা, ত্রাণ গ্রহণে আর্থিক লেনদেন করা থেকে বিরত থাকা, দুর্ঘটনা এড়াতে বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার এড়িয়ে চলাসহ অন্যান্য জনসচেতনতামূলক সড়ক প্রচার/মাইকিং অব্যাহত রয়েছেখাগড়াছড়ি জেলায় এখন বৃষ্টি নেই এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস/ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। তবে স্বাভাবিক অবস্থা এখনো ফিরেনি। খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিস ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী কক্সবাজার পৌরসভা ও আক্রান্ত ইউনিয়নের সংখ্যা ৭৪। সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস/ভূমিধস এর ঘটনা ঘটেনি। জেলা তথ্য অফিস ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার ও মাইকিং অব্যাহত রেখেছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। ভারী বর্ষণের প্রথম থেকেই পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাবার জন্য জনসচেতনতা তৈরি করতে রাঙামাটি জেলা তথ্য অফিসের সড়ক প্রচার অব্যাহতভাবে চলছে ৷

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বান্দরবনে বর্তমানে দূর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান জেলায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে বন্যার পানি নেমে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্র হতে লোকজন তাদের বাসা-বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে। জেলা তথ্য অফিস ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন অব্যাহতভাবে করছে।

সিলেট আঞ্চলিক তথ্য অফিস এবং সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলেট জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টিপাত বাড়ায় সুরমা, কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন, পিয়াইনসহ প্রধান নদ-নদীর পানি কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার নীচে প্রবাহিত হলেও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নতুন করে প্লাবিত হওয়ার বা বড় বা দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশঙ্কা নেই তবে নদীসংলগ্ন কিছু নিচু এলাকায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি বিরাজমান। সুনামগঞ্জ জেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত বাড়ায় নদ-নদীর পানি কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। মারকুলি পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। হবিগঞ্জ জেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা নেই। হবিগঞ্জ সদর, বাহুবল ও বানিয়াচং উপজেলাসহ মোট তিনটি উপজেলা খোয়াই নদী ভাঙনে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হয়েছিল। বর্তমানে বৃষ্টি কম হওয়ায় প্লাবিত এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৪.৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয় এবং কোনো পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী মৌলভীবাজার জেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। মনু নদীর পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে। প্লাবিত হয়েছে ১৫ টি ইউনিয়ন। এছাড়া, কমলগঞ্জ উপজেলায় নদীরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা গিয়েছে। মৌলভীবাজার জেলার সদর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। জেলা তথ্য অফিস বন্যাকালীন ও বন্যা পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

#

তথ্য অধিদফতর, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/সফি/২০২৬/১২৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১৬

জুলাইয়ের আত্মত্যাগে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে

-স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকা, ৪ শ্রাবণ (১৯ জুলাই):

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ন্যায়, ইনসাফ ও আইনের শাসনভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আজ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) আয়োজিত জুলাই শহিদ সাংবাদিক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি ও দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান

অনুষ্ঠানে জুলাইয়ের শহিদ সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় এবং প্রতি পরিবারকে এক লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, অতীতে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দেয়া হয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, গুম, নির্যাতন, অসংখ্য মামলা এবং বিরোধী মত দমনের কারণে গণতান্ত্রিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ইতিহাসের এই অধ্যায় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, স্বাধীনতার পর জনগণের প্রত্যাশা পুরোপুরি বাস্তবায়িত না হওয়ায় দেশে বারবার গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন গড়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক আন্দোলনও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যেখানে অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগ নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর জনগণের ভোটে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৬ বছরের লুটপাট, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষয় অল্প সময়ে দূর করা সম্ভব নয়। তা সত্ত্বেও রাষ্ট্র সংস্কার ও উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে এবং ধীরে ধীরে সেই প্রচেষ্টা এগিয়ে যাচ্ছে। জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই অগ্রযাত্রা সফল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

তিনি আরো বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম কখনো শেষ হয় না। জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও সমাজের সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, কঠিন সময়েও সাংবাদিকরা সত্য তুলে ধরতে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় সংবাদমাধ্যমের অবদান সবসময় গুরুত্বপূর্ণ এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

বক্তব্যে তিনি অতীতের রাজনৈতিক নির্যাতন, গুম, বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড এবং অসংখ্য নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, এসব ঘটনার সত্য উদঘাটন ও বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, যা জনগণের সমর্থন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশ্বাস করে। জনগণের কল্যাণ, সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে বাংলাদেশকে ন্যায়, ইনসাফ ও সমৃদ্ধির রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল সবসময় শহিদ সাংবাদিক পরিবারের পাশে থাকবে। তাদের পরিবার ও সন্তানদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে। তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবকে ভুলতে দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না।

অনুষ্ঠানে শহিদ সাংবাদিক পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

#

চয়ন/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/আমিরুল/২০২৬/১৫১০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১৫

বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে সরকারের খরচ প্রায় শূন্য

গত বিশ্বকাপে মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে লেনদেন হয়েছিল প্রায় ১৪০ কোটি টাকা

- তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৪ শ্রাবণ (১৯ জুলাই):

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সম্প্রচার স্বত্ব সরাসরি ফিফার কাছ থেকে ক্রয় এবং পরবর্তীতে সাব-লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে সরকারের বিশ্বকাপ খেলা দেখানোর ব্যয় প্রায় শূন্যের পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে ২০২২ সালের বিশ্বকাপে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে প্রায় ১৪০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।

আজ সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলনকক্ষে বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ সম্প্রচার উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের মিডিয়া রাইটস সরকার সরাসরি ফিফার কাছ থেকে ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে ক্রয় করেছে। এরপর দেশের চারটি সম্প্রচার মাধ্যমে সাব-লাইসেন্সিংযের মাধ্যমে অধিকাংশ অর্থ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। ফলে সরকারের প্রকৃত ব্যয় এখন মাত্র চার থেকে পাঁচ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে এবং চলমান রাজস্ব ভাগাভাগির আলোচনার মাধ্যমে এই ঘাটতিও পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্পষ্ট নির্দেশনা ছিল-দেশের মানুষ যেন বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারে, কিন্তু জনগণের করের অর্থের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা যাবে না। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার সরাসরি ফিফার সাথে দীর্ঘদিন আলোচনা, দর-কষাকষি এবং বিভিন্ন পর্যায়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের সম্পূর্ণভাবে বাদ দিয়ে সম্প্রচার স্বত্ব সংগ্রহ করেছে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ফিফা থেকে ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে সম্প্রচার স্বত্ব নেওয়া হলেও তা সরাসরি বাংলাদেশ সরকার সংগ্রহ করেনি। প্রথমে একটি সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্বত্ব ক্রয় করে, পরে বাংলাদেশের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশন সেই স্বত্ব অধিগ্রহণ করে। এরপর বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ওই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় ৯৮ কোটি টাকায় সম্প্রচার স্বত্ব কিনে নেয়। একই সাথে তমা কনস্ট্রাকশন স্যাটেলাইট ও ডিজিটাল মিডিয়া রাইটস পৃথকভাবে দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রায় ৪০ কোটি টাকায় বিক্রি করে। সব মিলিয়ে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে প্রায় ১৪০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।

তিনি বলেন, ২০২২ সালের পুরো প্রক্রিয়ায় দুই স্তরের মধ্যস্বত্বভোগী যুক্ত ছিল। অথচ এবার সরকার সরাসরি ফিফার কাছ থেকে স্বত্ব কিনে সেই অতিরিক্ত ব্যয় ও অস্বচ্ছতার সুযোগ বন্ধ করেছে। এর ফলে জনগণের করের অর্থ সাশ্রয় হয়েছে এবং রাষ্ট্রের আর্থিক স্বার্থ সুরক্ষিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বকাপ সম্প্রচার শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়, এটি জনগণের প্রতি সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা। তবে এই সেবাকে কখনোই দুর্নীতির সুযোগে পরিণত করতে দেওয়া উচিত নয়। অতীতের অভিজ্ঞতার সাথে বর্তমান ব্যবস্থার তুলনা করলে জনগণ সহজেই বুঝতে পারবেন কোন পদ্ধতি রাষ্ট্রের জন্য লাভজনক এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়া।

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ভবিষ্যতের বিশ্বকাপ সম্প্রচারকে আরো প্রযুক্তিনির্ভর, আর্থিকভাবে টেকসই এবং লাভজনক করার লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ করবে, যাতে আগামীতে জনগণের জন্য বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের জন্যও এটি একটি লাভজনক উদ্যোগে পরিণত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ শাহ আলম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মোঃ মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

#

ইমরানুল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/আসমা/২০২৬/১৪০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১৪

রাজনৈতিক পক্ষপাতমুক্ত থেকে দেশপ্রেম ও সততার সাথে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে

- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ৪ শ্রাবণ (১৯ জুলাই):

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জনপ্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পূর্ণ রাজনৈতিক পক্ষপাতমুক্ত থেকে দেশপ্রেম, সততা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, সিভিল সার্ভিস রাষ্ট্রের প্রধান চালিকাশক্তি। বিগত ১৭ বছরের প্রশাসনিক রাজনীতিকরণের ধারা থেকে বেরিয়ে এসে জনপ্রশাসনকে জনগণের প্রকৃত সেবকে রূপান্তরিত করতে হবে। বর্তমান সরকারের প্রতি জনগণের সুউচ্চ প্রত্যাশা রয়েছে এবং তা পূরণে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমি মিলনায়তনে ‘জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে বিসিএস প্রশাসন একাডেমি আয়োজিত ‘দক্ষ, জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন: সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন কর্মকৌশল’ শীর্ষক চার দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ এহছানুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর (সচিব) মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুখ্য আলোচক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সিপিটি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

মন্ত্রী বলেন, শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মশালা বা উচ্চপর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কর্মসূচি প্রণয়ন করার কোনো যৌক্তিকতা নেই, যদি না তা জনগণের প্রকৃত কল্যাণে আসে। সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা এ সমাজের সবচেয়ে সুবিধাপ্রাপ্ত একটি অংশ। তাই নিজেদের শাসক মনে না করে জনগণের সেবক হিসেবে জনসেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।

দেশে সঠিক নীতি প্রণয়নের স্বার্থে পরিসংখ্যান ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত রেজিমের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেশের সব পরিসংখ্যান ধ্বংস করা হয়েছে। আদমশুমারি, কৃষি উৎপাদন কিংবা পার ক্যাপিটা ইনকাম (মাথাপিছু আয়)-সবখানেই ভুল তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে। তিনি বলেন, সঠিক নীতি প্রণয়নের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে (BBS)সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় বা সংস্থায় রূপান্তরিত করা দরকার।

দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করতে কৃষি ও রেমিট্যান্স খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখনও কৃষি ও কৃষকদের ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে। তাই আমাদের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর ভিত্তি করে 'এগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি' বা কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি, দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করার জন্য ভোকেশনাল ট্রেনিং বা কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সাথে দেশের ক্রমবর্ধমান জন্মহার নিয়ন্ত্রণে ফ্যামিলি প্ল্যানিং ডিপার্টমেন্টকে পুনরায় সক্রিয় করার বিষয়টিও সরকারের ভাবনায় রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নীতি বা পলিসি মূলত সরকারের উচ্চ পর্যায়ে এবং রাজনৈতিক ম্যান্ডেটের আলোকে প্রণীত হয়। ব্যুরোক্রেসির কাজ হলো সেই নীতির আলোকে কর্মসূচি (Programming) নির্ধারণ, প্রকল্প প্রণয়ন ও আইএমইডি (IMED)-র তদারকির মাধ্যমে প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করা। তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিয়মের বাইরে কোনো কার্যক্রম চালানো যাবে না। নির্বাচিত সরকারের যে নির্বাচনী ইশতেহার এবং ৩১ দফা অঙ্গীকার রয়েছে, যার ওপর জনগণ ম্যান্ডেট দিয়েছে, তা বিধি মোতাবেক বাস্তবায়ন করাই আপনাদের মূল দায়িত্ব।

#

ফয়সল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/জোহরা/২০২৬/১৩৪৩ ঘণ্টা

Handout Number: 313

Civil Aviation and Tourism Minister inaugurates One Child, One Tree

programme in Manikganj

Manikganj, 19 July:

‘The One Child, One Tree’ programme was inaugurated today at Nabagram Government Primary School in Manikganj Sadar, with the aim of building a green and livable Bangladesh for future generations. Civil Aviation and Tourism Minister Afroza Khanam, attended the inaugural ceremony as the Chief Guest.

In her address, the Minister said, we have not gathered here merely to inaugurate a programme. We have gathered to pledge our commitment to building a greener Bangladesh for future generations-to place a tree in the hands of every child and to sow the seeds of a beautiful tomorrow through a tree.

She further said that, under the leadership of Prime Minister Tarique Rahman, the present government is working to build a modern, green and livable Bangladesh. We believe that development is not limited to the construction of bridges, roads or buildings. Development becomes meaningful only when nature is protected, the environment remains safe and people become conscious of their responsibilities. Therefore, planting a tree is not merely the act of planting a sapling. It is a pledge, a responsibility and a gift to future generations, she said.

The Minister expressed her gratitude to the people of Manikganj for placing their trust in her and sought their prayers and continued support for the realization of the dreams and aspirations of the people of Manikganj. Following the address, the Minister formally inaugurated the programme by planting a tree alongside the concerned officials and participants.

The programme was organized by the Manikganj Sadar upazila administration. Officials from the district and upazila administrations, along with local dignitaries, attended the event.

#

Tariqul/Khadiza/Marufa/Tarana/Atik/Saidha/Amirul/2026/1250 Hrs.

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১২

একটি শিশু একটি গাছ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

মানিকগঞ্জ, ৪ শ্রাবণ (১৯ জুলাই):

ভবিষ্যৎপ্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে একটি শিশু একটি গাছ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি আজ মানিকগঞ্জ সদরের নবগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেন, আজ আমরা শুধু একটি কর্মসূচির উদ্বোধন করতে একত্রিত হইনি। আমরা একত্রিত হয়েছি আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করতে। প্রত্যেক শিশুর হাতে একটি গাছ তুলে দিতে। একটি গাছের মাধ্যমে একটি সুন্দর আগামীর সূচনা করতে।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার একটি আধুনিক, সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে। আমরা বিশ্বাস করি, উন্নয়ন শুধু সেতু, সড়ক কিংবা ভবন নির্মাণের নাম নয়। উন্নয়ন তখনই অর্থবহ, যখন প্রকৃতি সুরক্ষিত থাকে। পরিবেশ নিরাপদ থাকে। মানুষ সচেতন হয়। তাই একটি গাছ লাগানো শুধু একটি চারা রোপণ নয়। এটি একটি অঙ্গীকার। এটি একটি দায়িত্ব। এটি আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উপহার।

এসময় মন্ত্রী, তাঁর ওপর আস্থা রাখার জন্য মানিকগঞ্জবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং মানিকগঞ্জবাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলের দোয়া কামনা করেন।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

#

তরিকুল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/মিজান/২০২৬/১২৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১১

তাঁতশিল্পের উন্নয়নে প্রান্তিক তাঁতিদের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

- বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জ, ৪ শ্রাবণ (১৯ জুলাই):

তাঁতশিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে প্রান্তিক তাঁতিদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় নীতি গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম।

গতকাল সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাঐতারা গ্রামে তাঁত শিল্পীদের সাথে আয়োজিত উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তাঁত শিল্পের উন্নয়ন, তাঁতিদের সমস্যা, ঋণ সুবিধা, কাঁচামালের মূল্য, বাজারজাতকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁতিরা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁতিদের সাথে সরাসরি কথা বলা এবং তাঁদের বাস্তব সমস্যা জানা প্রয়োজন। কারণ প্রান্তিক তাঁতিদের মতামতের ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নীতি নির্ধারণ করা হবে। মন্ত্রণালয় শুধু অফিসের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তাঁতি ও সংশ্লিষ্ট মানুষের কাছে গিয়ে তাঁদের কথা জেনে কাজ করতে চায়।

তিনি বলেন, সিরাজগঞ্জ বাংলাদেশের তাঁতশিল্পের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এ অঞ্চলের তাঁতশিল্পের রয়েছে দীর্ঘ ঐতিহ্য ও সম্ভাবনা। হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করে তাঁতশিল্পকে আরো সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মতবিনিময় সভায় তাঁতিরা সুতা, রং, কাঁচামালের মূল্য, পণ্যের ন্যায্যমূল্য, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের বিষয়ে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছেন। প্রকৃত তাঁতি ও তাঁতি সমিতির সদস্যরা যাতে সরকারের সহায়তার প্রকৃত সুফল পান, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সিরাজগঞ্জ সদর, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর ও বেলকুচি এলাকায় ইতোমধ্যে প্রায় ৬৫ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সহজ শর্তে চার শতাংশ সুদে এই ঋণ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরো অধিক সংখ্যক তাঁতিকে ঋণ সুবিধার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সাথে ঋণের অর্থ যথাযথ ব্যবহার ও সময়মতো পরিশোধের জন্য তাঁতিদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিরাজগঞ্জে নবনির্মিত তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টারের মাধ্যমে শুধু প্রশিক্ষণ নয়, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সাথে সংযোগ তৈরি করে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে-কলমে কাজ শেখা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার ও তাঁতিদের যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প আবারও সমৃদ্ধ অবস্থানে ফিরে আসবে।

অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, তাঁতি সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার তাঁতি ও শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।

#

আশিকুর/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/আসমা/২০২৬/১০০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১০

রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই শহিদ দিবস পালিত

রোম, ১৯ জুলাই:

ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাস রোমে, যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইতালির নাগরিক, ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্যবৃন্দ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

জুলাই গণআন্দোলনে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে ‘জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। পরবর্তীতে ‘জুলাই শহিদ দিবস’-এর তাৎপর্য নিয়ে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপট এবং এ আন্দোলনকে সর্বজনীন রূপ দেয়ার ক্ষেত্রে দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক তাঁর বক্তব্যে জুলাই গণআন্দোলনে আত্মদানকারী শহিদ আবু সাঈদ, শহিদ ওয়াসিম আকরাম, শহিদ মুগ্ধসহ সকল শহিদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান ও তাঁদের আত্মার মাগফেরাত এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শহিদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান-স্বীকৃতি, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতকল্পে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি জুলাইয়ের চেতনা ও আত্মত্যাগ থেকে শক্তি ও প্রেরণা নিয়ে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহিদের রুহের মাগফেরাত, আহতদের পূর্ণ সুস্থতা এবং বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

#

বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/আমিরুল/২০২৬/০৯৩০ ঘন্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন