কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:০৩ PM

Handout 17 July 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৭-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৭-০৭-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৮৯

‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’- ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তাঁর দেশবাসীকে

তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন

-- তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২ শ্রাবণ (১৭ জুলাই):

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে তাঁর সুস্পষ্ট পরিকল্পনায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের আগে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বক্তব্যের মাধ্যমে জাতির সামনে রাষ্ট্র পরিচালনার যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, সম্প্রতি ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যের সূচনায় আই হ্যাভ এ প্ল্যান বলে পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিয়ে একই ভাষায় কথা বলেছেন।

আজ রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আপন, ঢাকা’র উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলেছেন। শুনে মনে হয়েছে, পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের যে দর্শন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, সেই একই ভাষায় জনগণের কাছে ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে। তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, তখন জনগণ সেই পরিকল্পনার মধ্যে দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং সেই নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে। দেশের আপামর জনগণ তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-বক্তব্যে ঘোষিত রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতি বিশ্বাস রেখেই তাঁকে এবং তাঁর দলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, তারেক রহমানের পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা। মহাত্মা ভেগাই হালদারও অনুরূপ মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা প্রচার করে গিয়েছেন বলে তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

জহির উদ্দিন স্বপন দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, বৈচিত্র্যে ভরা এই বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে এবং বিভাজনের রাজনীতির কোনো স্থান এখানে হবে না। তিনি বলেন, যারা একক ধর্ম, একক সংস্কৃতি বা একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তারা প্রকৃতির নিয়ম, মানবতা ও সভ্যতার বিরোধী। বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। আপন, ঢাকার সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

#

ইমরানুল/শাহাদাত/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১৫০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৮৮

সিরাজগঞ্জ ডিসি অফিসে ১৫০ কিলোওয়াট পিক অনগ্রিড রুফটপ

সোলারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী

সিরাজগঞ্জ, ২ শ্রাবণ (১৭ জুলাই):

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ আজ সিরাজগঞ্জ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অব্যবহৃত ছাদে ১৫০ কিলোওয়াট পিক অনগ্রিড সোলার সিস্টেমের উদ্বোধন করেছেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। গত ৯ জুলাই উক্ত সোলার সিস্টেমটি নেট মিটারিংয়ের আওতায় আনা হয়।

উদ্বোধনকালে মন্ত্রী বলেন, সিরাজগঞ্জ মডেলকে অনুসরণ করে যেন সারাদেশে সোলার পাওয়ার বিপ্লব ঘটে এবং সরকারের লক্ষ্য যেন অর্জিত হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।

#

আরিফ/শাহাদাত/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১৫০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৮৭

একটি সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জাতি গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই

- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

পাবনা, ২ শ্রাবণ (১৭ জুলাই):

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, একটি সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জাতি গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারের পাশাপাশি খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্নও দেখতে পারে। তাই মাদকমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে খেলাধুলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

আজ পাবনা শহীদ অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে ‘সপ্তম জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট ২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৯ সালে আমি পাবনার এই মাঠে খেলেছিলাম। দীর্ঘ সময় পর দর্শকদের এমন উপস্থিতি প্রমাণ করে যে দেশের খেলাধুলা এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের খেলাধুলা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য। সাফ গেমস, এশিয়ান গেমস এবং অলিম্পিকের মতো বৈশ্বিক আসরে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

আমিনুল হক জানান, সারাদেশে খেলাধুলার প্রসারে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির প্রথম আসর আগামী ২৭শে জুলাই সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে এবং দ্বিতীয় আসরের অনলাইন নিবন্ধন ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৬৪টি জেলার যে সকল মাঠ জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে সেই মাঠগুলো দ্রুত সংস্কার করে খেলার উপযোগী করা হবে। এছাড়া প্রতিটি জেলায় সুইমিং পুল নির্মাণ এবং জেন-জি প্রজন্মের জন্য কৃত্রিম ঘাসের ফুটসাল গ্রাউন্ড ও মিনি হকি টার্ফ নির্মাণের পরিকল্পনাও সরকারের হাতে রয়েছে। এ সময় তিনি পাবনাবাসীকে ক্রীড়ামোদী হিসেবে আখ্যায়িত করে ভবিষ্যতে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে সব ধরনের খেলাধুলার আয়োজন নিয়মিত করার অনুরোধ জানান।

পাবনা জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য এ.কে.এম. সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ আলী আছগার, পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু তালেব মন্ডল এবং সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, পাবনা জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জহুরুল ইসলাম বিশু, পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি পেশার দর্শক এবং গণমাধ্যমকর্মী।

#

আলম/শাহাদাত/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২১০৫ ঘণ্টা


Handout Number: 286

Minister Faqir Mahbub Anam Attends World Artificial

Intelligence Conference (WAIC) 2026 in Shanghai

Shanghai (China), 17 July:

Minister for Posts, Telecommunications and Information Technology and Science and Technology, Faqir Mahbub Anam, is participating in the World Artificial Intelligence Conference (WAIC) 2026, being held in Shanghai, China, from 17 to 20 July 2026. The four-day global conference was inaugurated today by President Xi Jinping of the People's Republic of China.

During the conference, Minister Faqir Mahbub Anam is scheduled to participate in a series of high-level sessions, bilateral meetings, and discussions with global technology leaders and policymakers. He will highlight Bangladesh's progress in digital transformation, AI-driven innovation, smart governance, and human resource development, while exploring opportunities for enhanced international cooperation in artificial intelligence, advanced technologies, research, investment, and capacity building.

Bangladesh's participation in WAIC 2026 reflects the Government's commitment to leveraging artificial intelligence and emerging technologies to build a knowledge-based, innovation-driven, and digitally empowered nation.

The conference has brought together heads of government, policymakers, technology leaders, researchers, innovators, and representatives from leading global technology companies to discuss the future of artificial intelligence, emerging technologies, AI governance, innovation, digital transformation, and sustainable development.

#

Zashim/Shahadat/Mosharaf/Shamim/2026/2030 Hrs.

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৮৩

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষুদ্র ঋণের এক মাসের কিস্তি ও সুদ মওকুফ করেছে সরকার

- পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

বান্দরবান, ২ শ্রাবণ (১৭ জুলাই):

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, সরকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নারী উদ্যোক্তাদের এক মাসের ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি ও সুদের টাকা মওকুফ করেছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি আরো কয়েক মাস বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে জেলা পরিষদের রেস্ট হাউজ প্রাঙ্গণে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যাপরবর্তী পুনর্বাসনের কাজকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের পাশাপাশি বন্যাকবলিত এলাকার গবাদি পশুকে বিনামূল্যে টিকা প্রদান করা হবে। একইসাথে জেলে সম্প্রদায়ের জন্য বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। তিনি উল্লেখ করেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলার বানভাসি মানুষের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ইতোমধ্যে ২০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরো আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে।

ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী বান্দরবান পার্বত্য জেলার বিভিন্ন ওয়ার্ডের ক্ষতিগ্রস্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ২৫ কেজি করে চাল ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেন। পরবর্তীতে তিনি বান্দরবান সদরের ক্রাইক্ষ্যংপাড়া এবং রোয়াংছড়ি উপজেলার বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যান এবং অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, জেলা প্রশাসক মোঃ সানিউল ফেরদৌস, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ জাবেদ রেজাসহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

#

রেজুয়ান/পবন/ফেরদৌস/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৮২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৮২

দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম

ঢাকা, ২ শ্রাবণ (১৭ জুলাই):

দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার দপ্তর ও সংস্থাসমূহ চলমান আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, পাহাড়ধস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। জেলা তথ্য অফিস চট্টগ্রামের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আগামী ২-৩ দিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১২ জুলাই দুপুর ২টা থেকে রেল চলাচল স্বাভাবিক আছে। চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। ছয়টি উপজেলায় (সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোমালখালী, সন্দ্বীপ) অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরের ২৫টি ওয়ার্ডসহ বন্যায় প্লাবিত ১৭৬টি ইউনিয়নের মধ্যে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬৩টি ইউনিয়ন। এছাড়া, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ৯২০৮টি, সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ৬০২০টি, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০৫টি, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের দৈর্ঘ্য ১৫৯২ কি.মি. ও ক্ষতিগ্রস্ত সেতু/কালভার্ট ১৬৯টি এবং মৃত ব্যক্তির সংখ্যা ১৬ জন।

জেলায় ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় সবাই আশ্রয় কেন্দ্র থেকে ফিরে গেছে। ১২০০ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ৯৫ লাখ টাকা ত্রাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০৮০ মে.টন চাল, ৮৩.৭৫ লাখ টাকা এবং ৫৬১০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এছাড়া, বাঁশখালী উপজেলায় ০৮টি, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০টি, চন্দনাইশ উপজেলায় ০৬টি, রাউজান উপজেলায় ২টি ও রাংগুনিয়া উপজেলায় ০৩টি সহ মোট ২৯টি পয়েন্টে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সংযোগ বিছিন্ন হওয়া সড়কগুলো দ্রুত চলাচল উপযোগী করার জন্য ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণের সহযোগিতায় কাজ শুরু হয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, চট্টগ্রাম এর পক্ষ থেকে বন্যা/ভারী বর্ষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনিরাপদ বসতবাড়ি এড়িয়ে চলা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সাপে কাটা প্রতিরোধ, শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপদে রাখা, ত্রাণ গ্রহণে আর্থিক লেনদেন করা থেকে বিরত থাকা, দুর্ঘটনা এড়াতে বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার এড়িয়ে চলার বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সড়ক প্রচার ও মাইকিং অব্যাহত রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস খাগড়াছড়ির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলায় এখন বৃষ্টি নেই এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস/ভূমিধস এর ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। বর্তমানে কোনো এলাকা প্লাবিত নেই। অধিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ২৭৫টি এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৭৬৬টি। তবে এখনও যাচাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, ফসলের মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ১১২০.৯৮০ লাখ টাকা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা ৭ হাজার ৩৪৪ জন। মৎস্য খাতে মোট ক্ষতির পরিমান ৬৫১ লাখ টাকা। প্রাপ্ত ত্রাণ ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, ৪০০ মে.টন চাল, ৪০ লাখ টাকা, ৪৬ বান্ডিল ঢেউটিন। মজুদকৃত ত্রাণের পরিমাণ ১০০ মে.টন চাল, ৯,৫০,০০০ টাকা এবং ৪৬বান্ডিল। জেলা তথ্য অফিস, খাগড়াছড়ি কর্তৃক ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার অব্যাহত রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস/ভূমিধস এর ঘটনা ঘটেনি। অধিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ২৪৭৫টি এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৫৭৭৩টি। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ৮০ কোটি টাকা। মৎস্য খাতে মোট ক্ষতির পরিমান ৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। জেলায় প্রাপ্ত ত্রাণ ৬৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, ৪৪৫ মে.টন চাল, ৪৯.৫০ লাখ টাকা। জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের কর্তৃক ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার ও মাইকিং অব্যাহত রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস হবিগঞ্জের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী হবিগঞ্জ সদর, বাহুবল ও বানিয়াচং উপজেলাসহ মোট ০৩টি উপজেলা খোয়াই নদী ভাঙনে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় ৪৫৫০টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ে। বর্তমানে বৃষ্টি কম হওয়ায় প্লাবিত এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৬.৫০ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয় এবং কোনো পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। বন্যার্তদের জন্য ০২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলায় নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু করা হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, হবিগঞ্জ কর্তৃক সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস মৌলভীবাজার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সরকারের গৃহীত কার্যক্রমসমূহ-বন্যার্তদের জন্য ০৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৭৫০০০০ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, মৌলভীবাজার কর্তৃক ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার অব্যাহত রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস বান্দরবান থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে দূর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ২০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, বান্দরবান কর্তৃক ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে।

#

গণযোগাযোগ অধিদপ্তর/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৬৪৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৮১

হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ২ শ্রাবণ (১৭ জুলাই):

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৭৩ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪০ জন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৯৮ হাজার ৬০০ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৯৫ হাজার ৩১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১ । গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৮৫ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৫।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

#

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১৫৫০ ঘন্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৮০

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের ধান বীজ ও চারা

দেওয়া হবে এবং শতভাগ গবাদি পশুকে টিকা দেওয়া হবে

-কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ২ শ্রাবণ (১৭ জুলাই):

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের ধান বীজ ও চারা দেওয়া হবে এবং পনের দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদি পশুকে টিকা দেওয়া হবে।

মন্ত্রী আজ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও খামারীদের মাঝে ধান বীজ ও উপকরণ বিতরণ এবং গবাদি পশুকে টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, চলমান বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমন ধানের বীজতলা। বন্যার পানি আসার আগেই কৃষকরা বীজতলা প্রস্তুত করেছিলেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের বেশি পানির নিচে থাকায় চারার উপযোগিতা নষ্ট হয়ে গেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনিয়ন ও ব্লক পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় বীজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব কৃষকের বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে, তাদের হাতে দ্রুত বীজ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আর যাদের জমি এখনও পানির নিচে রয়েছে এবং বীজ বোনার সুযোগ নেই, তাদের জন্য সরকারি উদ্যোগে কৃষকদের কাছ থেকে জমি ভাড়া নিয়ে বিকল্প বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে উৎপাদিত চারা পনের থেকে বিশ দিন পর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বন্যার পর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি হয় খুরা রোগ ও অন্যান্য সংক্রামক রোগের। তাই আজ থেকেই বন্যাকবলিত পাঁচ জেলায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে এবং আগামী পনের দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদিপশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি বন্যার কারণে সৃষ্ট গোখাদ্যের সংকট মোকাবিলায় প্রথম ধাপে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তীতেও সহায়তা বাড়ানো হবে বলেও তিনি জানান।

মন্ত্রী বলেন, মাছ চাষেও কয়েকশ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে মাঠ পর্যায়ে জরিপ চলছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষিদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কৃষক যাতে উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করতে পারেন, সেজন্য সারা দেশে পর্যায়ক্রমে প্রায় দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উৎপাদন এলাকার কাছেই এসব সংরক্ষণাগার স্থাপন করা হবে, যাতে কৃষক অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় ছাড়াই ফসল সংরক্ষণ করতে পারেন এবং বাজারে ভালো দাম পেলে বিক্রি করতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি খাল উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় খনন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। যেখানে সরকারি খাল দখল হয়েছে, সেগুলো দখলমুক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে।

এর আগে মন্ত্রী চট্টগ্রাম জেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বীজতলায় নিজ হাতে ধান বীজ বপন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে ধান বীজ বিতরণ করেন, মৎস্যচাষীদের মধ্যে পুকুর পুনর্বাসনের উপকরণ, খামরীদের মাঝে গোখাদ্য বিতরণ এবং গবাদী পশুকে এফএমডি ও পিপিআর রোগের টিকা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

#

জাকির/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১৪৪০ ঘন্টা

Handout Number: 279

EU and G77 express support for Bangladesh's smooth and sustainable LDC graduation

New York, 17 July:

The European Union (EU) and the Group of 77 and China (G77) have reaffirmed their support for Bangladesh's efforts to ensure a smooth, sustainable and irreversible graduation from the Least Developed Country (LDC) category.

The assurances came during separate meetings at United Nations Headquarters yesterday between Minister of Commerce Khandakar Abdul Muktadir and Head of the European Union Delegation to the United Nations Ambassador Stavros Lambrinidis, and Chair of the Group of 77 and China and Permanent Representative of Uruguay to the United Nations Ambassador Laura Dupuy Lasserre. The Minister was accompanied by the State Minister for Planning Zonayed Abdur Rahim Saki, Secretary of the Economic Relations Division Md. Shahriar Kader Siddiky, Permanent Representative of Bangladesh to the United Nations Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury, President of the Footwear, Leathergoods and Accessories Exporters' Association of Bangladesh Syed Nasim Manzur, and President of the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) Mahmud Hasan Khan.

The Commerce Minister explained the rationale behind Bangladesh's request for a three-year extension of the LDC graduation preparatory period, citing the country's ongoing economic and political transition, global economic uncertainties, energy challenges and the need to consolidate wide-ranging structural reforms. He reaffirmed the Government's commitment to strengthening governance, improving the financial sector, expanding infrastructure, enhancing domestic resource mobilization and creating a more investment-friendly business environment.

He underscored that additional time would help consolidate reforms, address infrastructure constraints, strengthen industrial competitiveness and ensure that Bangladesh's graduation remains smooth, sustainable and irreversible.

Ambassador Lambrinidis commended the Government's commitment to good governance and sustainable development, welcomed the launch of discussions on a Bangladesh-EU Free Trade Agreement (FTA) and reaffirmed the EU's continued support for Bangladesh's graduation. He also expressed support for stronger public-private cooperation to facilitate the transition.

Ambassador Lasserre acknowledged the strength of Bangladesh's case for an extension, welcomed the Government's pragmatic reform agenda and reaffirmed the G77's support. She also proposed a dedicated briefing for G77 member states on Bangladesh's graduation strategy, a proposal welcomed by the Bangladesh delegation.

Following the meeting, Secretary of the Economic Relations Division described the discussions with the European Union delegation as highly productive. He said the European Union had reaffirmed its continued support for Bangladesh's smooth, sustainable and irreversible graduation from the Least Developed Country (LDC) category.

#

Press NYPM/Tanvir/Atik/Ali/sofi/2026/1055 Hours

সংশোধিত

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৮

টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬ পালিত

শহিদের আত্মত্যাগের প্রেরণায় দেশ পুনর্গঠনে রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার

টোকিও, ২ শ্রাবণ (১৭ জুলাই):

গতকাল টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সম্মেলনকক্ষে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও শ্রদ্ধার সাথে ‘জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬’ পালিত হয়েছে। দিবসটির সূচনা হয় শহিদ আবু সাঈদসহ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত সকল শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে। এসময় শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত মোঃ দাউদ আলী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও শহিদের ত্যাগের মহিমা তুলে ধরে বলেন, সেদিন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে শহিদ আবু সাঈদ যেভাবে অকুতোভয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সেই আত্মত্যাগই মূলত ছাত্র আন্দোলনকে একটি গণ-আন্দোলনে রূপান্তর করতে এবং দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল।

রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা একটি সমতার রাষ্ট্র, ফ্যাসিবাদমুক্ত ও গুম-খুনমুক্ত সুশাসনের রাষ্ট্র গঠনের পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার ফিরে পেয়েছি, যা আমাদের জন্য এক নতুন আশার বার্তা। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে দেশে যে গণতান্ত্রিক ধারা এবং সুশাসনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা আমাদের জাতি তথা দেশ গঠনে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।

সরকারের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সমর্থনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বর্তমান সরকার অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। জনগণ যে আশা নিয়ে দেশ পুনর্গঠনের স্বপ্ন দেখছে, তা বাস্তবায়নে সরকার সফল হবে-এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা। শহিদের স্বপ্নের সেই রাষ্ট্র গঠনে সরকারের প্রতিটি ইতিবাচক উদ্যোগকে সফল করতে আমরা দূতাবাসের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখব। আমরা সবাই মিলে সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে চাই, যেন জনগণের কাঙ্ক্ষিত কার্যকর রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার বিশ্বমঞ্চে অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে।

অনুষ্ঠানের শেষে শহিদদের আত্মার মাগফেরাত, আহতদের সুস্থতা, দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

#

শফিউল্লাহ/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১১৪০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৭

নিউইয়র্কে বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে ইইউ ও জি-৭৭-এর প্রতিনিধিদলের বৈঠক

বাংলাদেশের মসৃণ ও টেকসই এলডিসি উত্তরণে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

নিউইয়র্ক, ১৭ জুলাই:

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের মসৃণ, টেকসই ওস্থিতিশীলউত্তরণ নিশ্চিতেইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং গ্রুপ অব ৭৭ অ্যান্ড চায়না (জি-৭৭) তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।

গতকাল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস এবং জি-৭৭ অ্যান্ড চায়নার চেয়ার ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে এ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ডঅ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ -এর সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের অনুরোধের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপান্তর, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ এবং চলমান কাঠামোগত সংস্কারের সফল বাস্তবায়নের স্বার্থে অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন। তিনি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আর্থিক খাত শক্তিশালীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথাও তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত প্রস্তুতিকাল সংস্কার কার্যক্রমকে সুসংহতকরতে, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে, শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এবং বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণকে মসৃণ, টেকসই ও অপরিবর্তনীয় করতে সহায়ক হবে।

রাষ্ট্রদূত স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস সুশাসন ও টেকসই উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বিষয়ে আলোচনা শুরুকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশের মসৃণ এলডিসি উত্তরণে ইইউর অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি এ প্রক্রিয়ায় সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে আরো ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির পক্ষে উপস্থাপিত যুক্তিকে শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন এবং সরকারের বাস্তবমুখী সংস্কার কর্মসূচির প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের প্রতি জি-৭৭-এর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ কৌশল বিষয়ে একটি বিশেষ ব্রিফিং আয়োজনের প্রস্তাব দেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলএ প্রস্তাবকে স্বাগত জানায়।

বৈঠক শেষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব জানান ইউরোপীয়ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সাথে বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশেরস্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীলউত্তরণ নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছে।

#

জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/তানভীর/ আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১১৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৬

জুলাই বিপ্লবে শহিদদের আত্মত্যাগেই রচিত হয়েছে দেশের রাজনীতির নতুন ধারা

-ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ২ শ্রাবণ (১৭ জুলাই):

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, জুলাই বিপ্লবে শহিদদের আত্মত্যাগেই রচিত হয়েছে দেশের রাজনীতির নতুন ধারা। যে আত্মত্যাগের ফলে জুলাই ২০২৪-এ সৃষ্টি হয়েছে, তার কৃতিত্বের অন্যতম দাবিদার চট্টগ্রামের সন্তান শহিদ ওয়াসিম আকরাম। সাহসী যোদ্ধার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নিয়ে শহিদ হন।

গতকাল চট্টগ্রামের কাজির দেউড়ি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শিরোনামে জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪-এর জুলাই বিপ্লব ছিল দেশের ছাত্র-জনতা ও শ্রমিক সকলেরই এক সম্মিলিত যুদ্ধ। কেউবা সক্রিয়ভাবে এ যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, কেউবা সমর্থন দিয়েছেন, কেউ সহমর্মিতা দেখিয়েছেন, আবার কেউ জুলাই যোদ্ধাদের খাবার ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের সকল মানুষই এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আজকের আলোচনা সভা শোকের নয়, এটি শক্তি সঞ্চয়ের সভা। জুলাইয়ের শক্তিতে জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচিত হয়েছেন এবং একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে। নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম শুরু করেছেন। নিত্য প্রয়োজনীয় ৬০ টির বেশি পণ্যের মূল্য কমেছে এবং স্বাস্থ্যখাতে বিভিন্ন ব্যয়বহুল জিনিসপত্রের দাম কমেছে। দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হ‌ওয়া সময়ের ব্যাপার।

সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, শহিদ ওয়াসিমসহ যেসকল জুলাই যোদ্ধা জীবন দিয়েছেন তাদের ইতিহাস অবশ্যই সংরক্ষণ করা হবে। প্রকৃত শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের নির্ভুলভাবে তালিকা করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও জুলাই বিপ্লবে ভূমিকা রেখেছে। এদেশে ফ্যাসিবাদ যেন আবার ফিরে না আসে সে জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

#

রেজুয়ান/তানভীর/আতিক/সফি/২০২৬/১১৪৫ ঘণ্টা

Handout Number: 275

State Minister for Housing and Public Works reaffirms Bangladesh's commitment to inclusive and climate-resilient urbanization

New York, 17 July:

State Minister for Housing and Public Works Ahammad Sohel Monzoor has reaffirmed Bangladesh's commitment to inclusive, affordable, climate-resilient and sustainable urban development, highlighting planned urbanization, affordable housing and balanced regional development as key priorities of the Government's national development strategy.

Addressing the High-Level Meeting on the Midterm Review of the New Urban Agenda at United Nations Headquarters yestertady, he said Bangladesh views urbanization as a powerful driver of economic growth, social inclusion and climate resilience.

The State Minister highlighted that, under Prime Minister Tarique Rahman's ‘Bangladesh First’ principle, the Government is advancing coordinated spatial planning, expanding access to affordable housing, strengthening local governance and improving urban infrastructure in line with the New Urban Agenda and the Sustainable Development Goals (SDGs).

He underlined Bangladesh's forward-looking urban development agenda, which focuses on integrated spatial planning, digital land management, innovative urban financing, balanced regional development and climate-responsive urban infrastructure.

Reaffirming Bangladesh's commitment to international cooperation, the State Minister called for stronger global partnerships, technology transfer, capacity-building and innovative financing to accelerate sustainable urbanization. He stressed the need to build cities that leave no one and no place behind.

#

Press NYPM/Tanvir/Atik/Ali/sofi/2026/1055 Hours


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৪

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

নিউইয়র্ক, ১৭ জুলাই:

গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি গতকাল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নিউ আরবান এজেন্ডার মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য প্রদানকালে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

পরিকল্পিত নগরায়ণ, সাশ্রয়ী আবাসন এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নগরায়ণকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জলবায়ু-সহনশীলতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করে।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আওতায় সরকার সাশ্রয়ী আবাসনের সম্প্রসারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই নগর অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ নিউ আরবান এজেন্ডা এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)-এর বাস্তবায়নকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতমুখী নগর উন্নয়ন কৌশলের অংশ হিসেবে সরকার সমন্বিত স্থানিক পরিকল্পনা, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা, উদ্ভাবনী নগর অর্থায়ন, সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী টেকসই নগরায়ণ ত্বরান্বিত করতে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদার, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, টেকসই নগর উন্নয়নের মাধ্যমে এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে কোনো মানুষ এবং কোনো অঞ্চল পিছিয়ে থাকবে না।

#

জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/তানভীর/ আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১০৫০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৩

চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত পাঁচ জেলায় ধানবীজ, গবাদিপশুর টিকা ও গোখাদ্য সহায়তা দেবে সরকার

-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ২ শ্রাবণ (১৭ জুলাই):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের পুনরুদ্ধারে সরকার জরুরি সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ৩২৭ মেট্রিক টন ধানবীজ, ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে টিকাদান এবং ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বিতরণ করা হবে।

গতকাল চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতি এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে পাঁচ জেলায় মৎস্য খাতে ২০০ কোটি টাকার অধিক এবং প্রাণিসম্পদ খাতে প্রায় ৭৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিরূপণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, বন্যায় ব্যাপক বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কৃষকদের পুনর্বাসনে ৩২৭ মেট্রিক টন ধানবীজ প্রয়োজন হবে। সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বীজ মজুত রয়েছে। যেসব কৃষকের জমি বীজ বপনের উপযোগী হয়েছে, তাদের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে বীজ সরবরাহ করা হবে। আর যাদের জমি এখনও প্রস্তুত হয়নি, তাদের জন্য সরকারি খালি জমিতে জরুরিভিত্তিতে বীজতলা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সেখান থেকে ধানের চারা সংগ্রহ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বন্যার পর খুরা রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলায় ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে টিকা দেওয়া হবে। আগামীকাল থেকেই এ কার্যক্রম শুরু হবে এবং ১৫ দিনের মধ্যে তা সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বন্যার কারণে খড় ও অন্যান্য পশুখাদ্য নষ্ট হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে এসব গোখাদ্য বিতরণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আরো সহায়তা দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ইউনিয়নভিত্তিক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করেছে। যেখানে ক্ষতির পরিমাণ বেশি, সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। কোনো ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষী বা খামারি যাতে সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

#

মামুন/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১০৩০ ঘন্টা

Handout Number: 272

UNFPA pledges to champion Bangladesh’s demographic

Resilience and people-centred development agenda

New York, 17 July:

UNFPA Executive Director Diene Keita has pledged to champion Bangladesh’s development initiatives globally, praising the country’s political commitment to demographic resilience, women’s empowerment, universal healthcare and inclusive social security system.

The commitment came during a meeting with a Bangladesh delegation led by Adviser to the Prime Minister for Finance and Planning Rashed Al Mahmud Titumir at UNFPA Headquarters in New York yesterday. State Minister for Planning Zonayed Abdur Rahim Saki and Member of General Economics Division Dr. Monzur Hossain also attended the meeting.

Titumir outlined the Government’s priorities, including a universal life-cycle-based social security system centred on women, the Family Card initiative, investment in education and health, youth skills and employment, healthy ageing, credible population data and stronger primary healthcare.

Titumir also underlined that Bangladesh continues to host more than 1.2 million Rohingya refugees on humanitarian grounds placing significant economic, environmental and security pressures on the country. He called for greater UNFPA engagement to support the early repatriation of the Rohingya to Myanmar and to help ensure that, upon their return they can live in safety and dignity, enjoy their rights and access sustainable livelihood opportunities.

Titumir said Bangladesh's large youth population offers a unique demographic dividend while emphasizing the need to prepare for a longevity dividend as the population ages.

State Minister said the Government aims to build an integrated primary healthcare system that reaches every citizen, with particular focus on mothers, children and underserved communities. He also sought closer cooperation in strengthening Bangladesh's national statistical system, aligning UNFPA's next Country Programme with the Government's Five-Year Strategic Framework and documenting Bangladesh's development experience as a global best practice.

USG Keita reaffirmed UNFPA's commitment to supporting Bangladesh on demographic resilience, reproductive health, youth development, healthy ageing, population data and innovative financing. She said Bangladesh's experience demonstrates how strong political leadership and national ownership can accelerate progress towards the Sustainable Development Goals and pledged that UNFPA would continue promoting the country's achievements internationally.

#

Press NYPM/Tanvir/Atik/Ali/sofi/2026/1055 Hours

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭১

বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরার অঙ্গীকার ইউএনএফপিএর

নিউইয়র্ক, ১৭ জুলাই:

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) নির্বাহী পরিচালক ডিয়েনে কেইতা বাংলাদেশের জনমিতিক সহনশীলতা, নারীর ক্ষমতায়ন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগের প্রশংসা করে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

গতকাল নিউইয়র্কে ইউএনএফপিএ সদরদপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এবং সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য ড. মনজুর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে উপদেষ্টা সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচিগুলো তুলে ধরে বলেন, সরকার নারীকে কেন্দ্র করে জীবনচক্রভিত্তিক সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান, সুস্থ বার্ধক্য নিশ্চিতকরণ, নির্ভরযোগ্য জনমিতিক তথ্যব্যবস্থা এবং শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, মানবিক কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তার ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করেছে। তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ইউএনএফপিএর আরো সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন, যাতে প্রত্যাবাসনের পর তারা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারে, তাদের অধিকার ভোগ করতে পারে এবং টেকসই জীবিকার সুযোগ পায়।

তিতুমীর আরো বলেন, বাংলাদেশের বৃহৎ তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের জন্য জনমিতিক সুফল অর্জনের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে তিনি জনসংখ্যার বয়স কাঠামোর পরিবর্তনের ফলে উদ্ভূত দীর্ঘায়ুজনিত সম্ভাবনাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য একটি সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ বিশেষ করে মা, শিশু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সহজে স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করা, ইউএনএফপিএর পরবর্তী কান্ট্রি প্রোগ্রামকে সরকারের পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতাকে বৈশ্বিক সেরা অনুশীলনের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার আহ্বান জানান।

ইউএনএফপিএর নির্বাহী পরিচালক বাংলাদেশের সঙ্গে জনমিতিক সহনশীলতা, প্রজনন স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, সুস্থ বার্ধক্য, জনসংখ্যা তথ্যব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরো জোরদারের আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে, দৃঢ় রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জাতীয় মালিকানাবোধ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে পারে। তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উন্নয়ন সাফল্য তুলে ধরতে ইউএনএফপিএর ধারাবাহিক ভূমিকারও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

#

জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/তানভীর/ আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১০৫০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন