কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:০৫ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৬-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৬-০৭-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৬৪
EARN প্রকল্পের সার্ভিস প্রোভাইডার নিয়োগের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত
৯ লাখ নিট যুবকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ
ঢাকা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন এবং বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় পরিচালিত ‘Economic Acceleration and Resilience for NEET (EARN) (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের সার্ভিস প্রোভাইডার নিয়োগের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আজ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) আমেনা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, EARN প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো যুব সম্পৃক্ততা বা ইয়ুথ এনগেজমেন্ট। যুব ও যুব নারীদের কর্মসংস্থানই সরকারের প্রধান এবং যুবসমাজের দোরগোড়ায় এই সুবিধাগুলো পৌঁছে দিতে পারলেই প্রকল্পের প্রকৃত সার্থকতা আসবে।
প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রাখতে যথাযথ মনিটরিং নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের দেশীয় সার্টিফিকেটের পাশাপাশি কোনো বিদেশি সার্টিফিকেট প্রদান করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। একই সাথে তরুণ প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে মূল প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রতিটি সেশনে অন্তত ৫ মিনিটের জন্য নীতি-নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে দেশের যুব ও যুব নারীদের কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্তকরণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই শিক্ষা, চাকরি বা প্রশিক্ষণে না থাকা ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৯ লাখ যুব ও যুব নারীকে (যার মধ্যে ৬০ শতাংশই যুব নারী) প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করে তুলতে এই EARN প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ এবং বিশ্বব্যাংকের অনাপত্তি অনুযায়ী দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান—ব্র্যাক, সেভ দ্য চিলড্রেন, কেয়ার বাংলাদেশ এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশন এই প্রকল্পের সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ মোতাহার হোসেন, EARN প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কাজী মোখলেছুর রহমান, বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার সৈয়দ রাশেদ আল-জায়েদ জশ এবং অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. মেরিনা নাজনীনসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কনসালটেন্টবৃন্দ।
#
নূর আলম/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯২০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৬১
নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়
--- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
ঢাকা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক বেতন-ভাতা এবং চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। একইসাথে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম শিল্পের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দিতে হবে। তাহলেই সাংবাদিকরা নিরাপদ কর্মপরিবেশে স্বাধীনভাবে মেধা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারবেন।
আজ রাজধানীর একটি মিডিয়া গ্রুপের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে সেখানে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন সাংবাদিকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর করা না গেলে পেশাদার সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অপসাংবাদিকতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকৃত ও মেধাবী সাংবাদিকদের এই পেশায় ধরে রাখতে হলে সম্মানজনক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা অপরিহার্য। তিনি বলেন, সংবাদপত্র শিল্পের মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে রাষ্ট্রকে এমন নীতিগত সহায়তা দিতে হবে যাতে গণমাধ্যম শিল্পে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকে।
জহির উদ্দিন স্বপন আরো বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা। বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের প্রধান চ্যালেঞ্জ সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে নয়; বরং ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রচলিত গণমাধ্যম ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সাথে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের ফলে বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে। তাই মূলধারার গণমাধ্যমকে প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে আরো শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। তিনি সরকারি বিজ্ঞাপনের বিষয়ে দর্শক ও পাঠক সংখ্যাই গণমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড নিরূপণের মূল ভিত্তি উল্লেখ করেন এবং এ বিষয়টি নির্ধারণে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম, কালের কন্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, নিউজ ২৪ এর বার্তা প্রধান শরিফুল ইসলাম খান, বাংলা নিউজ ২৪ ডটকম এর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ কে এম মনজুরুল ইসলাম মনজু ও কালের কন্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান বক্তব্য রাখেন।
#
ইমরানুল/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/২০০০ঘণ্টা
Handout Number: 260
Government Uncompromising to Ensure Quality Education
--- Home Minister
Dhaka, 16 July:
Home Minister Salahuddin Ahmed has stated that the current government is completely uncompromising on restoring the quality of education with the ultimate goal of building a nationally educated, merit-based, and strong nation. He emphasized that along with ensuring exams are conducted in a peaceful and malpractice-free environment, the government is determined to rid the country of the malpractice of 'auto pass' or indiscriminately inflating marks, which was prevalent during the past fascist regime.
The Minister made these remarks today while responding to questions from journalists during a press briefing organized on contemporary issues at the conference room of the Ministry of Home Affairs.
The Minister said that no demand or malpractice that degrades the quality of education in the country would be tolerated. He pointed out that the public suffering caused by student protests at certain locations is instigated by specific quarters trying to embarrass the government. Furthermore, many among the protesters are not even genuine examinees or students. He clarified that students who could not participate in the postponed examinations under the Chittagong Education Board due to adverse weather conditions have been given another opportunity to take the exams. Additionally, the Ministry of Education has formed an inquiry committee to investigate the flaws in the Physics question paper, and a decision has been announced to award appropriate grace marks to the affected students. Consequently, actual examinees are satisfied with this decision. He termed the photos and videos circulating on social media regarding police using force against students as 'disinformation' or propaganda.
Regarding the progress in extraditing fugitives from abroad, the Minister informed that based on Interpol's Red Notices, a total of four accused individuals have been arrested, including one in the United Arab Emirates (UAE) and three in India. Among them are the accused in the Martyr Osman Sharif Hadi murder case. He mentioned that in response to a request from the UAE government, necessary legal documents and copies of the warrants were sent within just three days. He added that the process is underway to quickly bring back the accused detained in India under the existing extradition treaty. Although India is taking some time due to illegal entry cases in local courts, extradition is possible even while the cases are pending under the treaty agreements.
On the list of martyrs of the July-August student mass uprising, the Minister stated that at the dawn of the fall of the autocratic government, many documents were removed from hospitals, medical treatments were obstructed, and bodies were hidden, creating complexities in determining the actual number. Although the UN report stated the death toll to be around 1,400, the government believes the actual number exceeds 2,000. Currently, the process of identifying the missing through DNA testing and searching mass graves is ongoing, which will further increase the number of documented martyrs. So far, the government has prepared a specific gazette and list of over 15,000 martyrs and injured individuals, and the injured are being categorized into three classes—'A', 'B', and 'C'—to provide medical and other assistance.
Responding to a query about the upcoming local government elections, the Minister said that considering the monsoon weather conditions, the final schedule for local government elections, including the Union Parishad, will be determined by September-October through a joint meeting with the Local Government Minister. He assured that the government remains fully vigilant in maintaining law and order and fulfilling public expectations.
#
Faisal/Kamruzzaman/Rafiqul/Konok/Joynul/2026/1840 hour
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৫৯
বাংলাদেশ সরকারকে ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব
-- সৌদি রাষ্ট্রদূত
ঢাকা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনের সাথে আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত Dr. Abdullah Zafer H. Bin Abiah.
বৈঠকে সৌদি সরকার বাংলাদেশ সরকারের সাথে রাজনীতি ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে। বিশেষ করে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সৌদি আরব কীভাবে সহযোগিতা করতে পারে, সে বিষয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর ৫০০টি শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। রাষ্ট্রদূত জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যেই তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবহিত করেছেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে প্রবেশকে আরো সহজ করা এবং এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান নিয়মতান্ত্রিক জটিলতা দূর করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া হজ ও ওমরাহ, দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টির বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাথে রাষ্ট্রদূতের আলাপ হয়।
বর্তমানে সৌদি আরবে বসবাসরত ৩৮ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি সৌদি আরবের অর্থনীতি ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। একইসাথে তাঁদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করার বিষয়ে উভয় সরকার গুরুত্বারোপ করে।
বৈঠকে সৌদি প্রতিনিধিদলের পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইস অ্যাম্বাসেডর Khalid Saeed M Al Hadal এবং ডেপুটি হেড অব দ্য কনসুলার সেকশন Muhammed Fahad Dhi Al Suhaimi.
#
ইমরানুল/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৫৮
মানিকগঞ্জে রথযাত্রার উদ্বোধন করলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী
মানিকগঞ্জ, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে আরো সমৃদ্ধ ও অগ্রসর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
আজ মানিকগঞ্জে শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতকে আধুনিক, দক্ষ ও জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য হয়রানিমুক্ত ও মানসম্মত বিমানসেবা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে একাধিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং এ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলমান রয়েছে।
রথযাত্রা উপলক্ষ্যে মন্ত্রী উপস্থিত সনাতনী ভক্তবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আস্থার কারণেই আজ আমি আজকের অবস্থানে এসেছি। আমি হিন্দু-মুসলিম সকলের জন্য উন্নত ও নিরাপদ মানিকগঞ্জ প্রতিষ্ঠায় আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। আপনারা আমার জন্য প্রার্থনা করুন, আমি যাতে আপনাদের সকলের স্বপ্ন পূরণে সফল হতে পারি।’
অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#
তরিকুল/কামরুজ্জামান/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৮১২ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৫৫
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে গঠিত সেল’এর সহায়ক টাস্কফোর্স’র ২য় সভা অনুষ্ঠিত
ঢাকা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত ‘সেল’-এর সহায়ক টাস্কফোর্স-এর ২য় সভা আজ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর এই যুগান্তকারী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে সভায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বর্তমান কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের হালনাগাদ তথ্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। চারাগাছ নিখুঁতভাবে ট্র্যাকিং ও ডেটাভিত্তিক পর্যবেক্ষণের জন্য ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ খুব দ্রুতই উন্মুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মোঃ সাইমুম পারভেজ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ নুরুল ইসলাম এবং টেকনিক্যাল এক্সপার্ট জামাইল বশীর জেবিসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#
তোফাজ্জল/কামরুজ্জামান/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৮১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৫৪
নকলমুক্ত ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার আপসহীন
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জাতীয়ভাবে একটি শিক্ষিত, মেধাভিত্তিক ও শক্তিশালী জাতি গঠনের লক্ষ্যে শিক্ষার মান পুনরুদ্ধার করতে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ আপসহীন। নকলমুক্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের 'অটো পাস' বা ঢালাওভাবে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার অপসংস্কৃতি থেকে দেশকে বের করে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর।
মন্ত্রী আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষার মান ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো দাবি বা অপসংস্কৃতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। কিছু স্পটে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে জনগণের যে ভোগান্তি হচ্ছে, তার পেছনে সরকারকে বিব্রত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত নির্দিষ্ট কিছু মহলের ইন্ধন রয়েছে। এমনকি আন্দোলনকারীদের মধ্যে অনেকে প্রকৃত পরীক্ষার্থী বা শিক্ষার্থী নন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে যে সকল শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি, তাদের জন্য পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্রের ত্রুটি খতিয়ে দেখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের যথোপযুক্ত নম্বর প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রকৃত পরীক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুলিশ কর্তৃক শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগের ছড়ানো ছবি ও ভিডিওগুলোকে অপপ্রচার হিসেবে অভিহিত করেন।
বিদেশে পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে আরব আমিরাতে একজন এবং ভারতে তিনজনসহ মোট চারজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে শহিদ ওসমান শরীফ হাদি হত্যা মামলার আসামিরাও রয়েছেন। তিনি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মাত্র তিন দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনি নথিপত্র ও ওয়ারেন্টের কপি পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ভারতের সাথে বিদ্যমান এক্সট্রাডিশন চুক্তি অনুযায়ী সে দেশে আটক আসামিদেরও দ্রুত ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় আদালতে বেআইনি অনুপ্রবেশের মামলার কারণে ভারত কিছুটা সময় নিলেও চুক্তি অনুযায়ী মামলা চলমান থাকা অবস্থাতেও আসামিদের প্রত্যর্পণ সম্ভব।
জুলাই-আগস্ট ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের তালিকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারী সরকার পতনের প্রাক্কালে হাসপাতাল থেকে বহু নথিপত্র গায়েব, চিকিৎসায় বাধা এবং লাশ গুম করার কারণে প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী শহিদের সংখ্যা প্রায় ১৪০০ বলা হলেও সরকারের ধারণা এই সংখ্যা দুই হাজারের অধিক। বর্তমানে ডিএনএ টেস্ট ও গণকবর অনুসন্ধানের মাধ্যমে নিখোঁজদের পরিচয় নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে, যার ফলে নথিবদ্ধ শহিদের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে ১৫ হাজারেরও বেশি শহিদ ও আহতদের সুনির্দিষ্ট গেজেট ও তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং আহতদের ক, খ ও গ—এই তিন শ্রেণীতে বিন্যস্ত করে চিকিৎসাসহ অন্যান্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্ষাকালীন আবহাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সাথে যৌথ বৈঠকের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। তিনি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনপ্রত্যাশা পূরণে সরকার সম্পূর্ণ সচেতন রয়েছে বলে জানান।
#
ফয়সল/কামরুজ্জামান/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৭৪৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৫৩
আবু সাঈদসহ জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে পুনরায় গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হয়েছে
-- স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ঢাকা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, প্রায় ১৫ বছরের দুঃশাসনের পর ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে আবু সাঈদসহ অসংখ্য শহিদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশে পুনরায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬ এর প্রাক্কালে তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বলেন, তাঁদের ত্যাগ আমাদের বাঁচার অধিকার দিয়েছে, তাঁদের ত্যাগ আমাদের মুক্তি দিয়েছে। আমরা স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেয়েছি।
মন্ত্রী আজ সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এ সময় শহিদ আবু সাঈদ ও অন্যান্য শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।
জুলাই আন্দোলনের সূচনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত একদিনে ঘটে না। অনেক কিছু জমা হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। তেমনি জুলাই আন্দোলনের পটভূমি তৈরি হয় ২০০৯ সাল থেকে আমাদের নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১৫ বছরের সংগ্রাম ও আন্দোলনের মাধ্যমে। এসময় অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতিত হয়েছে। একটি রাজনৈতিক দল গত প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে অনিয়ম, অন্যায় ও অবিচার করেছে। তাদের আচরণ ছিলো হিংস্র। তারা স্বাধীনতার ঘোষকের সহধর্মিণী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপর নির্যাতন করেছে। চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করেছে, জেলখানায় হয়রানি করেছে। সাধারণ জনগণ স্বৈরাচারী সরকারের দুঃশাসনে অতিষ্ঠ হয়ে আন্দোলনে যোগ দিয়েছে। সন্তানকে বিপ্লবে অংশ নিতে পাঠিয়েছে। মন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি জুলাই শহিদদের পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
স্বাস্থ্য সচিব মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আহসানুল আজিজ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খোরশেদ আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
#
মাহমুদুল/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৭৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৫০
হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৭৪ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯৭ জন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৯৭ হাজার ৮১৯ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৯৪ হাজার ২৭৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৮। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৮৪ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৫।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/কামরুজ্জামান/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৭২৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৯
দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি: ত্রাণ কার্যক্রম চলমান
ঢাকা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জন্য সরকারের বিভিন্ন ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার দপ্তর ও সংস্থাসমূহ চলমান আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, পাহাড়ধস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জেলাসমূহের ত্রাণ মজুদ পর্যাপ্ত রয়েছে এবং ত্রাণ কার্যক্রম চলমান আছে। ক্ষতিগ্রস্ত জেলাসমূহের মধ্যে চট্টগ্রামে মজুদ ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ৫১৬ মে. টন চাল, ১৭.৫০ লাখ টাকা। বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ৮০৫ মে. টন চাল ৬৭.৫০ লাখ টাকা এবং ত্রাণসামগ্রীর চাহিদার পরিমাণ ৫৯২ মে. টন চাল, ১০৫ লাখ টাকা ।
কক্সবাজারে মজুদ ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ৩৯ মে. টন চাল, ১.৯০ লাখ টাকা, শুকনো খাবার ১৬৭৮ প্যাকেট, ঢেউটিন ৭ বান্ডিল। বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ১২৬ মে. টন চাল, ৫.১৫ লাখ টাকা এবং শুকনো খাবার ৪৭৭৮ প্যাকেট। ত্রাণসামগ্রীর চাহিদার পরিমাণ ৫৩৫ মে. টন চাল, ২,৮৫,৬০,০০০ টাকা, ৪৮৯০ বান্ডিল ঢেউটিন, ২০ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং শুকনো খাবার ১২ হাজার প্যাকেট।
নোয়াখালীতে বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ শুকনো খাবার ১২০০ প্যাকেট। ত্রাণসামগ্রীর চাহিদার পরিমাণ ১০০ মে. টন চাল, ২০ লাখ টাকা এবং ৩৫৭৭.৮ হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত ফসলি জমি।
রাঙামাটিতে মজুদ ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ২০৫ মে. টন চাল, ১০ লাখ টাকা। বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ২৯৫ মে. টন চাল, ৩৫ লাখ টাকা। ত্রাণসামগ্রীর চাহিদার পরিমাণ ৫০০ মে. টন চাল, ২০ লাখ টাকা, ১৩০০ বান্ডিল ঢেউটিন এবং ৩৬৭৫ হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি জমি।
খাগড়াছড়িতে মজুদ ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ১০০ মে. টন চাল, ৯.৫ লাখ টাকা, ৪৬ বান্ডিল ঢেউটিন। ইতোমধ্যে বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ৩০০ মে. টন চাল, ৩০.৫ লাখ টাকা।
খাগড়াছড়িতে আজ নতুন করে কোথাও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। বন্যায় প্লাবিত এলাকা থেকে পানি নেমে গেছে। চালু করা ১৫০টি আশ্রয় কেন্দ্রের সবগুলো বর্তমানে খালি। সবাই বাড়িতে ফিরেছেন। তবে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে আরো সময় লাগবে। পার্বত্য চট্রগ্রামে অতিবৃষ্টির ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আজ খাগড়াছড়িতে সরকারি সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং সদর ও দীঘিনালা উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করেন। তিনি সকল দপ্তর প্রধানকে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। সার্বিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় উন্নতির দিকে।
বান্দরবানে মজুদ ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ১২৪ মে. টন চাল, ৮০ হাজার টাকা, শুকনো খাবার ২০০ প্যাকেট। বিতরণকৃত ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ ৭৬ মে. টন চাল, ২ লাখ টাকা, শুকনো খাবার ৩৭১০ প্যাকেট। ত্রাণসামগ্রীর চাহিদার পরিমাণ ৬৫ মে. টন চাল, ৪৩ লাখ টাকা, ১২০০ বান্ডিল ঢেউটিন, শুকনো খাবার ২২০০ প্যাকেট ও শিশু খাদ্য ২০০ প্যাকেট।
বান্দরবান পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র থেকে লোকজন নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছে। নতুন করে কোনো পাহাড়ধস হয়নি। সাঙ্গু নদীর পানি অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে। ভারী বৃষ্টিপাত নেই। তবে বৃষ্টি হচ্ছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিদর্শন করছেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। সর্বোপরি বান্দরবান পার্বত্য জেলার বর্তমান পরিস্থিতি ভাল।
#
গণযোগাযোগ অধিদপ্তর/কামরুজ্জামান/খাদীজা/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৯৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৭
শহীদ আহাদ ও সুমনের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ রাখবে
-সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী
মাগুরা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, শহীদ আহাদ ও সুমনের মতো তরুণদের রক্তের বিনিময়ে আজ আমরা এক বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। তাঁদের এই মহান আত্মত্যাগ বাঙালি জাতি চিরকাল কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ রাখবে।
মন্ত্রী আজ মাগুরায় মহম্মদপুর উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আজ সারা বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারিভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দিবস পালিত হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে মহম্মদপুরের রসূলপুর থেকে আমাদের এই কর্মসূচির বিশেষ উদ্বোধন করা হয়েছে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় চলমান এই কর্মসূচিকে সফল করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী ও বৈষম্যহীন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রীসভা গঠনের পর থেকেই জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর থেকে ট্যাক্স মওকুফ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি পরিবারের দায়িত্বশীল নারী সদস্যের নামে 'ফ্যামিলি কার্ড' এবং কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে কৃষিকাজে সরাসরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরো বলেন, ইমাম, ঠাকুর, পুরোহিত ও খ্রিস্টান ধর্মগুরুসহ সকল ধর্মীয় প্রচারকদের একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে এনে মাসিক ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমেও সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া দেশের বেকার যুবকদের জন্য বহুমুখী কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় সফল সফরসহ অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের পরিসর বাড়ানোর কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। শিল্প, বাণিজ্য ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেও ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা হচ্ছে।
মহম্মদপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব বেদবতী মিস্ত্রী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্র নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
শাকিলুজ্জামান/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/সাঈদা/আলী/আমিরুল/২০২৬/১৫৩০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৬
এআইভিত্তিক বাজার বিশ্লেষণ ও ক্রয়ব্যবস্থা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিচ্ছে টিসিবি
ঢাকা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
সরকারি ক্রয়ব্যবস্থাকে আরো দক্ষ, স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)ভিত্তিক বাজার বিশ্লেষণ এবং সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। একই সঙ্গে ব্যয় প্রাক্কলন আরো বাস্তবসম্মত করা, দরপত্রে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডকে অন্যান্য সরকারি সেবার কার্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
আজ ঢাকায় মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে টিসিবির কার্যক্রম মূল্যায়ন শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান।
সচিব বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে টিসিবি দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির ক্রয়ব্যবস্থা আরো আধুনিক ও তথ্যনির্ভর হওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় দাপ্তরিক ব্যয়ের প্রাক্কলন ও চূড়ান্ত চুক্তিমূল্যের মধ্যে ব্যবধান যত কম হবে, ততই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও মূল্য নির্ধারণের দক্ষতা প্রতিফলিত হবে। এজন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার, প্রতিবেশী দেশের মূল্যপ্রবণতা এবং অতীতের বাজার তথ্য বিশ্লেষণ করে আরো নির্ভুল কস্ট এস্টিমেট প্রস্তুতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরো বলেন, সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে দরপত্রে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ানো জরুরি। এতে একদিকে যেমন একচেটিয়া প্রবণতা কমবে, অন্যদিকে সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে।
আতাউর রহমান খান জানান, বাজার ব্যবস্থাপনা ও সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় এআইভিত্তিক বিশ্লেষণ যুক্ত করার লক্ষ্যে একটি কনসেপ্ট নোট প্রস্তুত করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, টিসিবি, অর্থ বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফয়সল আজাদ বলেন, টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডকে অন্যান্য সরকারি কার্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নেয়া হবে। পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্য পণ্যের বাস্কেটে আরো প্রয়োজনীয় পণ্য যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সচিব বলেন, বরিশাল, রাজশাহী ও ঢাকায় মডেল স্টোর স্থাপন করা হবে। এছাড়া পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ই-জিপি পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা চালু হলে কার্ড স্ক্যানের মাধ্যমে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে মূল্য পরিশোধ করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে টিসিবির ভর্তুকিপ্রাপ্ত পণ্যের সঙ্গে সাবান ও ডিটারজেন্ট বিক্রির বিষয়েও আলোচনা হয়। এসময় জানানো হয়, এসব অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক; ভোক্তাদের জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না।
এছাড়াও টিসিবির ডিজিটাল রূপান্তর, ক্রয়ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বাজার ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা।
#
কামাল/খাদীজা/মারুফা/তানভীর/তারানা/সাঈদা/আলী/কামাল/২০২৬/১৫৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৮
আবহাওয়ার সতর্কবার্তা
ঢাকা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ঘণীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ (তিন) নম্বর (পুনঃ) ৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
#
সুলতানা/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/সাঈদা/আলী/আমিরুল/২০২৬/১৪০০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৫
প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের (NRB) হজের প্রাক-নিবন্ধন চলমান
ঢাকা, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকগণ সরকারি অথবা বেসরকারি যেকোন মাধ্যমে হজে গমন করতে পারবেন। বাংলাদেশের হজ কোটায় হজে যেতে ইচ্ছুক প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের ২০২৭ সালের হজের প্রাক-নিবন্ধন চলমান রয়েছে।
ই-হজ সিস্টেমে (www.hajj.gov.bd) প্রাক-নিবন্ধনকালে প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকগণের বাংলাদেশি পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মসনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, মোবাইল নম্বর (WhatsApp) এবং বাংলাদেশের ব্যাংক হিসাবের তথ্য থাকতে হবে। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির একটি ব্যাংক একাউন্ট থাকলেও চলবে। প্রাক-নিবন্ধনকালে ই-হজ সিস্টেমে NRB (Non-Resident Bangladeshi) তথ্য প্রদান করতে হবে এবং দেশের নাম উল্লেখসহ বসবাসের বৈধ ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে।
উল্লেখ্য, শীঘ্রই হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন ২০২৭ ঘোষণা করা হবে। ই-হজ সিস্টেমে ঘোষিত প্যাকেজ নির্বাচন করে আগ্রহী প্রবাসীদের নিবন্ধন করতে হবে এবং সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধিত হজযাত্রীকে হজে গমন করতে হবে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সকল তথ্য জানানো হয়েছে।
#
সফিউজ্জামান/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/সাঈদা/আলী/আমিরুল/২০২৬/১৩৩০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪২
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে
-আসাদুল হাবিব দুলু
বান্দরবান, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। উপদ্রুত অঞ্চলের মানুষকে শান্তি ও স্বস্তি দিতে সরকারের আন্তরিক প্রয়াস অব্যাহত আছে। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন বরাদ্দসহ গৃহনির্মাণ মঞ্জুরি প্রদান করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও মেরামতে দ্রুত টিআর, কাবিখা ছাড় করা হবে।
গতকাল বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাম্প্রতিক বন্যা উপদ্রুত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের স্ব-স্ব দপ্তরে প্রয়োজনীয় চাহিদাপত্র পাঠিয়ে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করার অনুরোধ জানান। এসময় তিনি বন্যাকালীন সময়ে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, সংরক্ষিত আসনের সাংসদ মাধবী মার্মা, পুলিশ সুপার ওহাবুল ইসলাম খন্দকারসহ জেলা পর্যায়ের সরকারি দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাগণ বক্তৃতা করেন।
এর আগে বিকেলে মন্ত্রী বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের ভরাখালী এলাকার বন্যা উপদ্রুত অঞ্চল পরিদর্শন ও ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
#
তুহিন/খাদীজা/মারুফা/তানভীর/তারানা/সাঈদা/আলী/কামাল/২০২৬/১২৫২ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৩
টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬ পালিত
শহিদের আত্মত্যাগের প্রেরণায় দেশ পুনর্গঠনে রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার
টোকিও, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
আজ জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সম্মেলনকক্ষে জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটির সূচনা হয় শহিদ আবু সাঈদসহ জুলাই গণ অভ্যুত্থানে নিহত সকল শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে। এসময় শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। দূতাবাসের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার মাধ্যমে এই শোকাবহ দিবসটিকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করা হয়।
আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত মোঃ দাউদ আলী তার বক্তব্যে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও শহিদের ত্যাগের মহিমা তুলে ধরে বলেন, স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে শহিদ আবু সাঈদ যেভাবে অকুতোভয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সেই আত্মত্যাগই মূলত ছাত্র আন্দোলনকে একটি গণ আন্দোলনে রূপান্তর করতে এবং দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা একটি সমতার রাষ্ট্র, ফ্যাসিবাদমুক্ত ও গুম-খুনমুক্ত সুশাসনের রাষ্ট্র গঠনের পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার ফিরে পেয়েছি, যা আমাদের জন্য এক নতুন আশার বার্তা। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে দেশে যে গণতান্ত্রিক ধারা এবং সুশাসনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা আমাদের জাতি তথা দেশ গঠনে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।
সরকারের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সমর্থনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বর্তমান সরকার অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। জনগণ যে আশা নিয়ে দেশ পুনর্গঠনের স্বপ্ন দেখছে, তা বাস্তবায়নে সরকার সফল হবে-এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা থাকবে। শহিদের স্বপ্নের সেই রাষ্ট্র গঠনে সরকারের প্রতিটি ইতিবাচক উদ্যোগকে সফল করতে আমরা দূতাবাসের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখব। আমরা সবাই মিলে সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে চাই, যেন জনগণের কাঙ্ক্ষিত কার্যকর রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার বিশ্বমঞ্চে অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে। শহিদদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত, আহতদের সুস্থতা, দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
#
শফি উল্লাহ/খাদীজা/মারুফা/তানভীর/তারানা/সাঈদা/আলী/কামাল/২০২৬/১১৫২ ঘণ্টা
Handout Number: 241
Adviser Titumir seeks stronger UN Women support to protect women and girls
New York, 16 July:
Adviser to the Prime Minister of Bangladesh for the Ministries of Finance and Planning Rashed Al Mahmud Titumir has called for stronger cooperation from UN Women to protect and empower women and girls in Bangladesh amid the growing challenges posed by global conflicts, economic instability, energy insecurity and supply chain disruptions.
During a meeting with UN Assistant Secretary-General and UN Women Deputy Executive Director Nyaradzayi Gumbonzvanda yesterday, Titumir said Bangladesh continues to host more than 1.2 million Rohingya refugees on humanitarian grounds placing significant economic, environmental and security pressures on the country. He called for greater UN Women engagement to support the early repatriation of the Rohingya to Myanmar and to help ensure that, upon their return, women and girls can live in safety and dignity, enjoy their rights and access sustainable livelihood opportunities.
The Adviser noted that the multidimensional impacts of the ongoing global crises have significantly constrained Bangladesh's fiscal space, while stricter lending conditions imposed by international financial institutions have limited access to grants and concessional financing. He underscored the need for expanded UN Women support to strengthen the protection and empowerment of women and girls and reinforce inclusive social protection programmes.
Highlighting the Government's women-centred development agenda under the leadership of Prime Minister Tarique Rahman, Titumir outlined key initiatives, including the Family Card issued in the name of the female head of household, free education for girls up to the postgraduate level, expanded reproductive and mental health services and the planned universal life-cycle-based social protection system.
ASG Gumbonzvanda commended Bangladesh's progress in advancing gender equality and described the Family Card initiative as an innovative women-centred social protection programme. Recalling her visit to Cox's Bazar, she praised Bangladesh's humanitarian commitment and reaffirmed UN Women's continued partnership in promoting gender equality, women's economic empowerment, social protection, the Women, Peace and Security agenda and efforts to address the Rohingya crisis.
#
Press NYPM/Khadiza/Tarana/Tanvir/Saida/Ali/Mizan/2026/910 Hours
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪০
ইউএন উইমেনের সঙ্গে বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা
বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে নারী ওকন্যাশিশুদের সুরক্ষায় সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান
নিউইয়র্ক, ১ শ্রাবণ (১৬ জুলাই):
বৈশ্বিক সংঘাত, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক অস্থিরতা, পণ্য সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন এবং জ্বালানি সংকটের কারণে সৃষ্ট বহুমাত্রিক চাপের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নে জাতিসংঘ নারী সংস্থা (ইউএন উইমেন)-এর আরো জোরালো সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আলমাহমুদ তিতুমীর।
গতকাল নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব ও ইউএন উইমেনের উপনির্বাহী পরিচালক নিয়ারাডজাই গুম্বোনজভান্ডার সঙ্গে বৈঠকে তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় বর্তমানে ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে, যা দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তার ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করেছে। তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে এবং প্রত্যাবাসনের পর বিশেষ করে নারী ও কন্যাশিশুরা যেন নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারে, জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পায় এবং তাদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত হয় সে লক্ষ্যে ইউএন উইমেনের আরো সক্রিয়, কার্যকর ও জোরালো ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।
উপদেষ্টা বলেন, চলমান বৈশ্বিক সংকটের বহুমাত্রিক প্রভাব বাংলাদেশের ওপর উল্লেখযোগ্য আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে, যার ফলে সরকারের ফিস্কাল স্পেস ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কঠোর শর্ত ও নীতিমালার কারণে অনুদান ও সহজ শর্তের ঋণপ্রাপ্তি সীমিত হয়ে পড়ছে এবং অনেক স্বল্পোন্নত দেশ ঋণচাপের মুখোমুখি হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে তিনি নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষা, ক্ষমতায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরো জোরদারে ইউএন উইমেনের কার্যকর ও সম্প্রসারিত সহযোগিতার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের নারী-কেন্দ্রিক উন্নয়ন উদ্যোগগুলোর কথা তুলে ধরে তিতুমীর বলেন, পরিবারের নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড চালু, মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা, প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সর্বজনীন জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে আরো ত্বরান্বিত করবে।
উপনির্বাহী পরিচালক নিয়ারাডজাই গুম্বোনজভান্ডা নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগকে একটি উদ্ভাবনী ও নারী-কেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি হিসেবে অভিহিত করেন। কক্সবাজার সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা, লিঙ্গসমতা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক সুরক্ষা এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউএন উইমেনের সহযোগিতা আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
#
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/খাদীজা/তারানা/সাঈদা/আলী/আমিরুল/২০২৬/১৪৫০ ঘন্টা