কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:১৬ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৪-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৪-০৭-২০২৬
টিভি স্ক্রল নম্বর: ১১
টেলিভিশন চ্যানেল, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য
ঢাকা, ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:
মূলবার্তা:
‘শিক্ষামন্ত্রী আজ জাতীয় সংসদে তাঁর ইতঃপূর্বে প্রদত্ত বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’
#
গণসংযোগ-১, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়/
কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/২১৪৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২১১
ক্যান্সার চিকিৎসায় আইএনএমপি এবং এনআইসিআরএইচ-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
ঢাকা, ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
দেশের ক্যান্সার চিকিৎসা সেবাকে আরো সহজলভ্য, রোগীর সেবার মানোন্নয়ন ও পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্যে ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিকেল ফিজিক্স (আইএনএমপি) এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (এনআইসিআরএইচ)-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) আজ ঢাকায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ফলে দেশের ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হবে এবং তারা আরো নিবিড় ও উন্নত মানের চিকিৎসাসেবা পাবেন। ক্যান্সার রোগীর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, রেডিয়েশন অনকোলজি সেবা, মেডিকেল ফিজিক্স, গুণমান নিশ্চিতকরণ, গবেষণা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নে যৌথ সহযোগিতার বিষয়টি সমঝোতা স্মারক চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।
সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয় বর্তমানে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সারা দেশ থেকে আসা রোগীদের একটি দীর্ঘ সিরিয়ালে বা অপেক্ষমান তালিকায় থাকতে হয়, যা অনেক সময় চিকিৎসার কার্যকারিতাকে ব্যাহত করে। রোগীদের এই দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমাতে এবং দ্রুততম সময়ে সেবা নিশ্চিত করতে এই দু’টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে এখন থেকে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পাশাপাশি ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিকেল ফিজিক্স ও ক্যান্সার রোগীদের সমানভাবে আধুনিক সেবা দিতে সক্ষম হবে। এর ফলে এনআইসিআরএইচ-এর ওপর একক চাপ কমবে এবং হাসপাতালের দীর্ঘ সিরিয়াল বা অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ এন্ড হাসপাতাল এর পক্ষে পরিচালক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন এবং ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিকেল ফিজিক্স, এইআরআই এর পক্ষে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মোঃ সেলিম রেজা সমঝোতা স্মারক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সচিব মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড.মঈনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
#
মামুন/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/২০৪৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২১০
চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প উপদেষ্টা এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী
চট্টগ্রাম (সাতকানিয়া), ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রাম জেলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন এবং দুর্গত মানুষের মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
আজ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদিপ বাজার সংলগ্ন এলাকা, বাঁশখালী উপজেলার ইলিশা এবং সাতকানিয়া পাঠানের পুল এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প উপদেষ্টা এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী। পরবর্তীতে সাতকানিয়ার পাঠানের পুল এলাকা থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতায় নৌকাযোগে কেউচিয়াসহ মারাত্মকভাবে প্লাবিত ও জলমগ্ন এলাকাগুলো অবলোকন করেন। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে জলবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে তাঁরা সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগের খোঁজখবর নেন।
সরেজমিনে পরিদর্শনকালে বন্যাদুর্গত এসব অঞ্চলের চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় ১ হাজার ৫০০ পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্যসামগ্রীসহ জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রশাসনের সহযোগিতায় সুশৃঙ্খলভাবে এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
ত্রাণ বিতরণকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সর্বদা আপনাদের পাশে রয়েছে। তিনি দুর্গত মানুষকে আশ্বস্ত করে আরো বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথেই দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের অত্যন্ত দ্রুততার সাথে কোনো ধরনের বৈষম্য ছাড়া সুষম ত্রাণ বিতরণ নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। একই সাথে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি ও পুনর্বাসন কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য জনপ্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।
#
রেজুয়ান/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/মোশারফ/কনক/জয়নুল/২০২৬/২০১০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২০৯
বণ্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি জেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের সহায়তা
৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি জেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয় হতে নগদ টাকাসহ ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ ও বিতরণ করা হয়েছে এবং ত্রাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বন্যায় আক্রান্ত জেলাগুলো হলো খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। বন্যায় প্লাবিত উপজেলার সংখ্যা ৫৯টি, ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়ন সংখ্যা ৩৩৪টি ও পৌরসভা ১২টি। বন্যায় মোট নিহত হয়েছেন ৫৬ জন ও আহত হয়েছেন ৩৯ জন।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের আশ্রয় প্রদানের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৩২৯ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মোট ১০ হাজার ৮৫৪ জন লোক আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।
একইসাথে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয় থেকে ৭ জুলাই হতে অদ্যাবধি ছাড়কৃত মানবিক সহায়তা ৪ কোটি ৬০ লাখ নগদ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিকটন চাল। এর মধ্যে বন্যাকবলিত ৭টি জেলায় নগদ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং চাল বিতরণ করা হয়েছে ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিকটন। অন্যান্য ৫৭ জেলায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং চাল ৫ হাজার ৭০০ মেট্রিকটন।
আজ দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে প্রেরিত বন্যা সম্পর্কিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
#
তুহিন/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/মোশারফ/কনক/লিখন/২০২৬/১৬১৮ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২০৮
জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে
-- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
ঢাকা, ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, পরিবর্তিত তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের প্রচলিত কার্যক্রমকে আধুনিক কমিউনিকেশন ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। মাঠপর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম, বিশেষ করে দুর্যোগকালীন তথ্য দ্রুত, নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক কার্যক্রমে আরো সক্রিয় হতে হবে। একইসাথে ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলার মাধ্যমে তথ্যপ্রবাহকে পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য রাখা তথ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
আজ ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের সাথে দুর্যোগ মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে এক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে তথ্য মানুষের জীবনে অক্সিজেনের মতো অপরিহার্য। জনগণ যাতে সহজে, দ্রুত ও সঠিক তথ্য পায়, সেটি নিশ্চিত করা যেমন রাষ্ট্রের দায়িত্ব, তেমনি বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার রোধ করাও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য। তাই তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তথ্যপ্রবাহ গতিশীল, উন্মুক্ত ও নির্ভুল রাখতে আরো সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম, তথ্য সংগ্রহ, প্রতিবেদন প্রেরণ এবং জনগণের সাথে যোগাযোগ আধুনিক ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হওয়া সময়ের দাবি।
মন্ত্রী বলেন, অতীতে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের প্রধান কাজ ছিল প্রজেক্টর ও প্রচারযান নিয়ে মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা। সেই কার্যক্রমের গুরুত্ব এখনও থাকলেও বর্তমান বাস্তবতায় এর পাশাপাশি ডিজিটাল যোগাযোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের স্থানীয় জনগণের কাছে পৌঁছাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যমকে আরো কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে।
সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম সময়মতো জনগণের সামনে যথাযথভাবে তুলে ধরতে না পারলে সরকারের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব তৈরি হতে পারে এবং এতে বিভ্রান্তির সুযোগ সৃষ্টি হয় বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ও তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)-কে যৌথভাবে প্রতিদিন তথ্য সংগ্রহ, সমন্বয় ও প্রচারের নির্দেশনা দেন।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনেক কার্যক্রম দৃশ্যমান না হলেও এর প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দুর্যোগ-সংক্রান্ত তথ্যের নিয়মিত হালনাগাদ নিশ্চিত করতে একটি অনলাইন ড্যাশবোর্ড বা ডিজিটাল পোর্টাল চালুর উপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে সংশ্লিষ্ট সবাই যেকোনো সময় সর্বশেষ তথ্য জানতে পারেন।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, দুর্যোগ-সংক্রান্ত তথ্য আরো নির্দিষ্ট, বিশ্লেষণভিত্তিক ও প্রমাণসমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। তিনি জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃতি, স্থানভিত্তিক পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের আহ্বান জানান।
সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা তথ্য অফিস থেকে প্রাপ্ত বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ত্রাণ বিতরণ সংশ্লিষ্ট সর্বশেষ তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদ, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবদুল জলিলসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন জেলার তথ্য কর্মকর্তারা মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
#
ইমরানুল/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/মোশারফ/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২০৭
যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতীয় যুবনীতি ২০১৭ সংশোধনে ইনসেপশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঢাকা, ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে আজ ঢাকায় বিয়াম (BIAM) ফাউন্ডেশনে ‘জাতীয় যুবনীতি ২০১৭’ সংশোধনের লক্ষ্যে এক জাতীয় ইনসেপশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালাটি জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) বাংলাদেশের সহায়তায় এবং জাতীয় পরামর্শক ও ভিএসও (VSO) বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হয়। এই কর্মশালার মাধ্যমে নীতি সংশোধনের জন্য আনুষ্ঠানিক পরামর্শ, তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং অংশীজনদের সম্পৃক্তকরণের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই হবে আসন্ন সংশোধিত যুবনীতির প্রধান লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, সবার মতামত নিয়ে একটি বাস্তবধর্মী ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে আমরা কাজ করছি। যুবকদের আস্থা অর্জন এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, অতিশীঘ্রই একটি ‘যুব কাউন্সিল’ গঠন করা হবে, যেখানে তরুণদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট ও সৃজনশীল ভাবনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং তাঁর বক্তব্যে বলেন, তরুণরা ইতোমধ্যে ব্যবসা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছে। নতুন নীতিতে দেশের প্রতিটি অঞ্চল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তরুণদের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। একটি যুগোপযোগী নীতি প্রণয়নের পাশাপাশি এর কার্যকর বাস্তবায়নও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ মোতাহের হোসেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালইয়ের যুব অনুবিভাগের যুগ্মসচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা, জাতিসংঘের উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
#
নূর আলম/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/মোশারফ/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৮২০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২০৬
সরকার মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রীকে "অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা
কমিটি" এবং "সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি" তে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে
৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
সরকার "অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি" এবং "সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি" তে সদস্য হিসেবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেনকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে। কমিটি দু'টির কার্যপরিধি ও অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
কুতুবুদ-দ্বীন/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/মোশারফ/কনক/লিখন/২০২৬/১৬১৮ঘন্টা
Handout Number: 205
Bangladesh and Saudi Arabia Hold High-Level Meeting to
Strengthen Cooperation in Transport and Logistics
Dhaka, 14 July:
A high-level bilateral meeting was held this morning at the Bangladesh Secretariat between Road Transport and Bridges, Railways and Shipping Minister Shaikh Robiul Alam and a Saudi Arabian delegation led by Dr. Rumaih bin Mohammed Al-Rumaih, Vice Minister for Transport and Logistics, with the aim of further expanding cooperation between Bangladesh and Saudi Arabia in the fields of transport, logistics, and port development.
During the meeting, the two sides held fruitful discussions on a wide range of issues, including the development of port infrastructure, modernization of maritime transport and logistics systems, expansion of investment opportunities, exchange of expertise and technology, and other areas of mutual interest.
The Minister highlighted Bangladesh’s ongoing initiatives in the maritime sector, including the expansion of the capacities of Chattogram Port and Mongla Port, the Bay Terminal Project, and other major infrastructure developments. He also invited Saudi investors to explore investment opportunities in Bangladesh’s ports and logistics sector
The Saudi Vice Minister for Transport and Logistics commended Bangladesh’s remarkable economic progress and the significant development of its maritime sector.
He expressed Saudi Arabia’s keen interest in strengthening bilateral cooperation in transport and logistics, building on the longstanding friendly relations between the two countries.
The meeting was attended by Ambassador of the Kingdom of Saudi Arabia to Bangladesh Dr. Abdullah bin Abiah along with senior officials from both countries.
Both sides reaffirmed their strong commitment to enhancing bilateral cooperation, promoting the exchange of knowledge and expertise, and implementing joint initiatives to elevate Bangladesh–Saudi Arabia relations to a new height.
#
Arif/Khadiza/Marufa/Tarana/Atik/Mizan/2026/1505 Hours
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২০৪
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে সহযোগিতা জোরদারে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত
ঢাকা, ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে পরিবহন, লজিস্টিকস এবং বন্দর উন্নয়ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সাথে সৌদি আরবের পরিবহন ও লজিস্টিকস বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার Dr. Rumaih bin Mohammed Al-Rumaih-এর নেতৃত্বাধীন একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে বন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন, সামুদ্রিক পরিবহন, লজিস্টিকস ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণ, দক্ষতা ও প্রযুক্তি বিনিময় এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বাংলাদেশে নৌখাতের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বে টার্মিনালসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্প এবং বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি সৌদি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বন্দর ও লজিস্টিকস খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
সৌদি আরবের পরিবহন ও লজিস্টিকস বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং নৌপরিবহন খাতের উন্নয়নের প্রশংসা করেন। তিনি দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো গভীর করতে পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত Dr. Abdullah bin Abiyah এবং উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
#
আরিফ/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/মিজান/২০২৬/১৫০০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২০৩
হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৬৮ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২২ জন।
১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৯৬ হাজার ২৭ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৯২ হাজার ৩৮৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা এক এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৬। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৭১ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৫।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৫৫০ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২০২
বন্যা মোকাবিলায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা
সংস্থাসমূহকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর
ঢাকা, ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা, জরুরি সাড়াদান এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে আজ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভার শুরুতে তিনি উদ্ভূত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত সেবা ও সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে। উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনরুদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকার দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। তিনি বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, কোনো ধরনের দুর্নীতি ছাড়াই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে হবে।
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের একটি নির্ভুল ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে, যাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম আরো সুশৃঙ্খল ও কার্যকর হয়। একই সাথে তিনি সরবরাহ ব্যবস্থা (সাপ্লাই চেইন) এবং যোগাযোগ অবকাঠামো সচল রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ নিজ নিজ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। পানি নেমে যাওয়ার পর প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র মূল্যায়ন করে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। এছাড়া, কৃষিখাতের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে নতুন বীজ সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং রোগব্যাধি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
#
চয়ন/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/সফি/২০২৬/১৪১৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২০১
অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক সমাজ গঠনে ইসলামিক উম্মাহ’র সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান
-মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী
ইসলামাবাদ, ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন নারী উন্নয়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক সমাজ গঠনে ইসলামিক উম্মাহ’র পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। মন্ত্রী গতকাল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে নারী বিষয়ক নবম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে এ আহ্বান জানান। ১২-১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে ওআইসি সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, নারীর অগ্রগতি শুধু একটি সামাজিক লক্ষ্য নয় বরং মুসলিম উম্মাহর সম্মিলিত সমৃদ্ধির জন্য একটি কৌশলগত বিষয়। ওআইসি সর্বদাই নারীর ক্ষমতায়নে গৃহীত উদ্যোগের অগ্রভাগে থাকে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নারীর অধিকারকে জাতীয় সংস্কার কর্মসূচির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে, যা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs)-এর সঙ্গে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন ।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব নারী উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে ‘Gender-Responsive Budgeting (GRB)’-এর অগ্রদূত হিসেবে স্বীকৃত এবং বর্তমানে ৬২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে এ ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, দেশে এসডিজি ৪-এর আলোকে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত জেন্ডার সমতা অর্জিত হয়েছে, স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক ও উপবৃত্তি চালু রয়েছে এবং সরকার এটিকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত সম্পূর্ণ অবৈতনিক করার পরিকল্পনা করছে। আগামী বছর থেকে প্রাথমিক স্তরে শিশুদের বিনামূল্যে ইউনিফর্ম প্রদান করা হবে এবং প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতে এসডিজি-৩ অর্জনে মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১৩৬-এ নামিয়ে আনা হয়েছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে এসডিজি ১ ও ১০ অর্জনে এ বছরের মধ্যে দেশের ৪১ লাখ দরিদ্র পরিবারের নারীকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে এবং আগামী চার বছরে এ সংখ্যা ১ কোটি ৬০ থেকে ৭০ লাখে উন্নীত করা হবে। এছাড়াও মা ও শিশু কল্যাণ ভাতা, দুঃস্থ নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী নারী-শিশু, বিধবা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য বিশেষায়িত ভাতা চলমান রয়েছে। এসডিজি-৮ অর্জনে প্রান্তিক নারীদের পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও প্রারম্ভিক মূলধন দেওয়া হচ্ছে। দেশে কৃষি, পোশাক শিল্প, সাংবাদিকতাসহ রাজনীতিতেও নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এসডিজি -১৩ অনুযায়ী নারীদের লাইফ স্কিলস ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে এবং তৃণমূলের জন্য স্থানীয় এনজিওগুলোকে আর্থিক মঞ্জুরি দেওয়া হচ্ছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রতিটি ইউনিয়নে কিশোর-কিশোরী ক্লাব সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। কর্মজীবী মায়েদের সুবিধার্থে ডে-কেয়ার সেন্টার ও কর্মজীবী নারীদের জন্য নিরাপদ আবাসন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। তিনি মুসলিম উম্মাহ’র নারীদের অগ্রগতির জন্য ওআইসি-র প্রচেষ্টাকে আরো জোরদার করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
সম্মেলনের সাইড লাইনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, সৌদি আরবের Family Affairs Council- এর মহাসচিব Dr. Maimoonah Khalil Alkhalil, তুরস্কের ফ্যামিলি ও সোশ্যাল সার্ভিসেস বিষয়ক মন্ত্রী Mahinur Özdemir Göktas, ইরানের Women and Family বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট Zahra Behrouz Azar, লিবিয়ার নারী বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী Grebe Randa, ইরাকের Women and Family বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট Professor Dr. Zainab Al-Mulla Al-Sultani, মালদ্বীপের Health, Family and Welfare মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী Geela Ali এবং সোমালিয়ার Family & Human Rights Development বিষয়ক মন্ত্রী Khadija Al Makhzoumi-এর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। মন্ত্রী ইসলামাবাদে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুহাম্মদ ইসহাক দার (Muhammad Ishaq Dar)-এর সাথে সাক্ষাৎ এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অটুট রাখার বিষয়ে আলোচনা করেন।
সৌদি আরবের Family Affairs Council- এর মহাসচিব Dr. Maimoonah Khalil Alkhalil -এর সাথে বৈঠককালে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবসময় সৌদি আরবের বিশ্বস্ত বন্ধু। গত কয়েক দশক ধরে লাখ লাখ বাংলাদেশি কর্মী সৌদি আরবের এই উন্নয়ন যাত্রায় অংশীদার হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। বাংলাদেশিদের প্রতি সৌদি আরবের এই আস্থা ও আতিথেয়তার জন্য মন্ত্রী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
#
রায়হান/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/মাহ্ফুজ/সাঈদা/আলী/আমিরুল/২০২৬/১৩০০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২০০
আগামীকাল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা
ঢাকা, ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র সফর মাসের তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আগামীকাল সন্ধ্যা ৭ টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
বাংলাদেশের আকাশে কোথাও সফর মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানোর জন্য ফাউন্ডেশন হতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
টেলিফোন নম্বর: ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭।
#
বিল্লাল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১১০০ ঘন্টা
আজ বিকালপাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৯৯
বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ঢাকা, ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস, ২০২৬’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
“যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চাহিদাভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার। উৎপাদনশীল, আত্মনির্ভর, বৈষম্যহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার দক্ষতা উন্নয়নকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে। পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনীতি ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মপরিবেশের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার।
এই প্রেক্ষাপটে ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস, ২০২৬’ উদ্যাপনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জাতিসংঘের আহ্বানে ২০১৫ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদ্যাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের তরুণদের উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তরের যে সুদূরপ্রসারী দর্শন ও কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতাকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী রূপ দিচ্ছে। সরকার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং মানবসম্পদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বহুমাত্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
আমাদের যুবসমাজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাদের দক্ষতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও পেশাগত যোগ্যতা বিকশিত করা গেলে দেশের শিল্পায়ন, উৎপাদনশীলতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।
বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন এবং উদীয়মান প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ কর্মক্ষেত্রে যেমন নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে, তেমনি নতুন সম্ভাবনারও দ্বার উন্মোচন করছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সরকার দক্ষতা উন্নয়ন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, শিল্পমুখী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে কাজ করছে।
জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দক্ষতার মানোন্নয়ন, অভিন্ন সনদায়ন ব্যবস্থা প্রবর্তন, দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন, জাতীয় দক্ষতা প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং বিশ্ব দক্ষতা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণসহ বহুমাত্রিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি সরকারি, বেসরকারি ও শিল্পখাতের সমন্বয়ে একটি সময়োপযোগী জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
আমি বিশ্বাস করি, দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, পুনঃদক্ষায়ন (Reskilling) ও দক্ষতার নবায়ন (Upskilling)-এর সুযোগ সম্প্রসারণ এবং পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী অধিকসংখ্যক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস, ২০২৬’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এর মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের জাতীয় অভিযাত্রা আরও বেগবান হবে।”
#
শাহরিয়ার/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/আলী/আসমা/২০২৬/১১০০ ঘণ্টা
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৯৮
বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী
ঢাকা, ৩০ আষাঢ় (১৪ জুলাই):
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আগামীকাল ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
“জাতিসংঘের আহ্বানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এই উপলক্ষ্যে আমি দেশের সকল তরুণ-তরুণী, শিক্ষক, প্রশিক্ষক, উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং দক্ষতা উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
যুবসমাজ একটি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজকে যুগোপযোগী জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন নতুন জ্ঞান ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে বৈশ্বিক শ্রমবাজার প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে ই-কমার্স, ক্লাউড কম্পিউটিং, রোবোটিক্স, ব্লকচেইন, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), সাইবার সিকিউরিটি, আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স, ন্যানো প্রযুক্তিসহ ডিজিটাল প্রযুক্তির সকল খাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। এসকল প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে দেশ ও বিদেশের শ্রমবাজার উপযোগী দক্ষ কর্মী, উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
বর্তমান উন্নয়নমুখী সরকার তরুণ ও যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নানান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) মাধ্যমে তরুণ ও যুবদের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে সমন্বিত, মানসম্মত ও ভবিষ্যতমুখী কাঠামোর আওতায় আনা হচ্ছে। কারিকুলাম প্রণয়ন, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, জাতীয় দক্ষতা সনদ প্রদান, মানোন্নয়ন ও মান তদারকি ব্যবস্থাকে করা হচ্ছে আরো শক্তিশালী ও যুগোপযোগী। আমি আশা করি, যুব সমাজের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদায়নসহ সরকারের নেয়া উদ্যোগগুলো দেশ-বিদেশের শ্রমবাজারের উপযোগী মানবসম্পদ ও উদ্যোক্তা তৈরিতে কাঙ্ক্ষিত অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
আসুন, দক্ষতা উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী এবং শিল্প-বাণিজ্যসহ সকল খাতের অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্কৃতি গড়ে তুলি। তরুণ সমাজকে দক্ষতা অর্জনে উদ্বুদ্ধ করি। সবাই মিলে একসাথে গড়ে তুলি দক্ষ যুবসমাজ-আগামীর বাংলাদেশ।
আমি ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি।”
#
রাহাত/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/আলী/মিজান/২০২৬/ ১১০০ ঘণ্টা
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
Handout Number: 197
LDCs need fairer global financial architecture to achieve SDGs
- PM’s Adviser Titumir
New York, 14 July:
Adviser for Finance and Planning to the Prime Minister of Bangladesh Rashed Al Mahmud Titumir has called for significantly increased concessional financing, reform of the international financial architecture, accessible climate finance, expanded market access and stronger technology cooperation to accelerate sustainable development in the world's Least Developed Countries (LDCs).
Delivering a statement on behalf of the Group of LDCs during the General Debate of the High-Level Segment of the ECOSOC at the United Nations Headquarters, yesterday Titumir said mounting debt vulnerabilities, climate change, declining official development assistance, widening digital divides and limited access to affordable finance continue to undermine implementation of sustainable development goals. He urged the international community to strengthen support through predictable financing, equitable debt solutions, enhanced climate action, development-friendly trade rules and greater technology transfer.
Reaffirming the LDC Group’s commitment to the implementation of 2030 Agenda and the Doha Programme of Action, Titumir stressed that with fewer than five years remaining to achieve the sustainable development goals, urgent and coordinated global action is needed to address the structural constraints confronting LDCs.
#
Press NYPM/Khadiza/Atik/Ali/Asma/2026/1000 hours
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৯৬
এসডিজি অর্জনে এলডিসির জন্য ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো জরুরি
- প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তিতুমীর
নিউইয়র্ক, ১৪ জুলাই:
বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অধিক পরিমাণে স্বল্পসুদে ও সহজশর্তে অর্থায়ন, আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার, সহজলভ্য জলবায়ু অর্থায়ন, বাজারে অধিকতর প্রবেশাধিকার এবং প্রযুক্তি সহায়তা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
গতকাল জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামে (এইচএলপিএফ) স্বল্পোন্নত দেশসমূহের পক্ষে বক্তব্য প্রদানকালে তিতুমীর বলেন, ক্রমবর্ধমান ঋণঝুঁকি, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) হ্রাস, ডিজিটাল বৈষম্যের বিস্তার এবং সাশ্রয়ী অর্থায়নের সীমিত প্রবেশাধিকার স্বল্পোন্নত দেশসমূহের ২০৩০ এজেন্ডা ও দোহা কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্বল্পোন্নত দেশসমূহের টেকসই উন্নয়নের জন্য ন্যায্য ও পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করা, ন্যায্য ঋণ সমাধান ব্যবস্থা গড়ে তোলা, জলবায়ু অর্থায়নে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, উন্নয়নবান্ধব বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর ও ডিজিটাল রূপান্তরে সহযোগিতা জোরদার করা জরুরি।
তিতুমীর বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের সময়সীমা পূরণে পাঁচ বছরেরও কম সময় বাকি থাকলেও স্বল্পোন্নত দেশসমূহ এখনো বহুমাত্রিক কাঠামোগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তাই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং দোহা কর্মসূচির লক্ষ্য বাস্তবায়নে সমন্বিত ও কার্যকর বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের এখনই উপযুক্ত সময়।
অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, স্বল্পোন্নত দেশসমূহ ২০৩০ এজেন্ডা ও দোহা কর্মসূচি বাস্তবায়নে দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে তাদের বাস্তব চাহিদা ও ঝুঁকিকে বিবেচনায় নিয়ে আরো ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য।
#
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/খাদীজা/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১০০০ ঘন্টা