কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:১৪ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১২-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১২-০৭-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৭৮
বায়োমেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের জন্য নতুন মাইলফলক স্থাপন করল সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জ, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
আজ সিরাজগঞ্জ জেলার সকল স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের জন্য বায়োমেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থাপনা উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে টেকসই স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবেশ সুরক্ষায় একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জন করল বাংলাদেশ। অত্যাধুনিক এই স্থাপনাটি বার্ষিক ৯৫০ টনেরও বেশি বায়োমেডিকেল বর্জ্য নিরাপদে সংগ্রহ, পরিবহন, শোধন ও নিষ্পত্তি করার পাশাপাশি প্রতি বছর আনুমানিক ১৩০ টন পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদান পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম। সংক্রামক স্বাস্থ্যসেবা বর্জ্যের সংস্পর্শ হ্রাস, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা জোরদার এবং পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধের মাধ্যমে এই উদ্যোগ ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিবেশ অধিদপ্তর আজ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে বায়োমেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্মিত কমন ট্রিটমেন্ট ফ্যাসিলিটি (সিটিএফ) উদ্বোধন করেছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে উৎপন্ন বায়োমেডিকেল বর্জ্যের পরিবেশবান্ধব সংগ্রহ, পৃথকীকরণ, পরিবহন, শোধন ও নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে এই স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।
জাতিসংঘ শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউনিডো)-এর কারিগরি সহায়তা এবং ঢাকাস্থ রয়েল নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘Integrated Approach towards Sustainable Plastics Use and Marine Litter Prevention in Bangladesh’ প্রকল্পের আওতায় এই সিটিএফ স্থাপন করা হয়েছে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রতি বছর টনকে টন পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদান পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে এই স্থাপনা বর্জ্যের পরিমাণ কমাচ্ছে এবং সম্পদের দক্ষ ব্যবহার ও টেকসই শিল্প চর্চাকে উৎসাহিত করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সিরাজগঞ্জ বায়োমেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থাপনা প্রমাণ করে যে পরিবেশবান্ধব বায়োমেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কীভাবে পরিবেশ সুরক্ষা ও বৃত্তাকার অর্থনীতি উভয় ক্ষেত্রেই অবদান রাখতে পারে, পাশাপাশি এটি সারাদেশে ভবিষ্যতে অনুরূপ স্থাপনার জন্য একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।
ভার্চুয়াল বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিবেশবান্ধব বায়োমেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা জোরদার করতে মন্ত্রণালয়ের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এই প্রকল্পের সুফল শুধু স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ৩০ লাখেরও বেশি মানুষের কাছে সেবা পৌঁছানোর মাধ্যমে এই উদ্যোগ অনুপযুক্ত বায়োমেডিকেল বর্জ্য নিষ্পত্তির সাথে সম্পর্কিত রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করবে, পরিবেশগত মান উন্নত করবে এবং সমগ্র জেলাজুড়ে সুস্থ ও নিরাপদ জনসম্প্রদায় গড়ে তুলতে অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিভিন্ন সরকারি সংস্থার বক্তারা এই স্থাপনাকে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত স্থায়িত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে অভিহিত করেন।
বাংলাদেশে জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়ক মিসেস গীতাঞ্জলি সিং পরিবেশগত স্থায়িত্ব এগিয়ে নিতে এবং স্বাস্থ্যসেবা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থাকে আরো সহনশীল করে তুলতে বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা প্রদানে জাতিসংঘের অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, দেশজুড়ে উদ্ভাবনী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পরিবেশগত সমাধান সম্প্রসারণে বাংলাদেশ সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে জাতিসংঘ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান; ইউনিডো সদর দপ্তরের সার্কুলার ইকোনমি অ্যান্ড রিসোর্স এফিশিয়েন্সি ইউনিটের প্রধান জেরোম স্টুকি; বাংলাদেশে জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়ক গীতাঞ্জলি সিং; ইউনিডো ভিয়েনার প্রকল্প ব্যবস্থাপক ড. রানা প্রতাপ সিংহ; এছাড়াও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যসেবা খাতের নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাতের অংশীজন এবং সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#
আরিফ/বিবেকানন্দ/পবন/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২২১০ ঘণ্টা
Handout Number: 177
Sirajganj Sets a New Benchmark for Bangladesh
in Biomedical Waste Management
Sirajganj, 12 July:
Bangladesh marked a significant milestone in sustainable healthcare and environmental protection on sunday with the inauguration of the Biomedical Waste Management Facility for all Healthcare Establishments of Sirajganj District. The state-of-the-art facility is designed to safely collect, transport, treat and dispose of more than 950 tonnes of biomedical waste annually while recovering approximately 130 tonnes of recyclable materials every year. The initiative is expected to benefit more than three million people by reducing exposure to infectious healthcare waste, strengthening public health protection and preventing environmental contamination.
The Department of Environment, under the Ministry of Environment, Forest and Climate Change, today inaugurated the Common Treatment Facility (CTF) for Biomedical Waste Management at the Upazila Auditorium, Sadar Upazila, Sirajganj. The facility has been established to strengthen the environmentally sound collection, segregation, transportation, treatment and disposal of biomedical waste generated by healthcare facilities in the region.
The CTF has been set up under the project "Integrated Approach towards Sustainable Plastics Use and Marine Litter Prevention in Bangladesh," implemented by the Department of Environment with technical assistance from the United Nations Industrial Development Organization (UNIDO) and financial support from the Royal Norwegian Embassy in Dhaka.
Iqbal Hassan Mahmood, Minister, Ministry of Power, Energy and Mineral Resources, was the Chief Guest in the inauguration ceremony and Abdul Awal Mintoo, Honourable Minister, Ministry of Environment, Forest and Climate Change was the special guest.
Speaking during the inauguration, Iqbal Hassan Mahmood, Minister, Ministry of Power, Energy and Mineral Resources, highlighted that by recovering tonnes of recyclable materials every year, the facility embraces circular economy principles, reduces the volume of waste requiring final disposal, and promotes resource efficiency and sustainable industrial practices. He emphasized that the Sirajganj Biomedical Waste Management Facility demonstrates how environmentally sound biomedical waste management can contribute to both environmental protection and the circular economy while serving as a model for future replication across Bangladesh.
In his virtual remarks, Abdul Awal Mintoo, Minister, Ministry of Environment, Forest and Climate Change, reaffirmed the Ministry’s commitment to strengthening environmentally sound biomedical waste management systems as an integral part of Bangladesh’s sustainable development agenda.The project’s benefits extend far beyond healthcare facilities. With service coverage reaching more than three million people, the initiative is expected to reduce the risks of disease transmission associated with improper biomedical waste disposal, improve environmental quality, and contribute to healthier and safer communities throughout the district. Speakers from various government agencies emphasized that the facility represents an important investment in public health and environmental sustainability.
Gitanjali Singh, United Nations Resident Coordinator in Bangladesh, reaffirmed the United Nations’ continued commitment to supporting the Government of Bangladesh in advancing environmental sustainability and strengthening resilient healthcare waste management systems. She highlighted that the Sirajganj Biomedical Waste Management Facility reflects the power of partnerships in delivering integrated solutions that protect public health, safeguard the environment and contribute to achieving the Sustainable Development Goals. She further reaffirmed the United Nations’ commitment to continuing its close collaboration with the Government of Bangladesh and development partners to scale up innovative, inclusive and sustainable environmental solutions across the country.
Page-1
Page-2
In his keynote presentation, Gubair Bin Arafat demonstrated how effective collaboration among government institutions, healthcare providers, development partners and local communities has made this pioneering initiative possible. He emphasised that the project showcases how strategic partnerships can generate lasting environmental, public health and socio-economic benefits for Bangladesh while inspiring similar initiatives across the country.
The event was chaired by Md. Aminul Islam, Deputy Commissioner and District Magistrate, Sirajganj, and attended by Dr. Md. Lutfor Rahman, Director General of the Department of Environment, Jérôme Stucki, Chief, Circular Economy and Resource Efficiency Unit, UNIDO Headquarters, Gitanjali Singh, United Nations Resident Coordinator in Bangladesh, Dr. Rana Pratap Singh, Project Manager, UNIDO, Vienna, together with senior government officials, healthcare leaders, development partners, local government representatives, civil society organizations, private-sector stakeholders and members of the media.
#
Arif /Vivekananda /Paban/Mosharaf/Shamim/2026/2105 hours
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৭৫
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে উৎস পর্যায় থেকেই
কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে হবে
- কৃষিমন্ত্রী
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে উৎস পর্যায় থেকেই কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে হবে।
মন্ত্রী আজ রাজধানীর ফার্মেগেটস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মোঃ আবদুছ ছালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মাহমুদুর রহমান।
মন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ফসল সংগ্রহের অল্প সময় আগে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়, ফলে খাদ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ থেকে যায়। দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে শুধু কৃষকদের সচেতন করলেই হবে না; কীটনাশক আমদানি, নিবন্ধন, মান যাচাই এবং ল্যান্ডিং পয়েন্ট থেকেই কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনই আগামী দিনের কৃষির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরির অন্যতম শর্ত।
মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান বিশ্বে মানসম্পন্ন খাদ্যের চাহিদা বেশি। বাংলাদেশের উর্বর মাটি, অনুকূল জলবায়ু পর্যাপ্ত সূর্যালোক ও বৃষ্টিপাতকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
কৃষিপণ্যের সম্ভাবনা নিয়ে আলোকপাত করতে গিয়ে আমিন উর রশিদ বলেন, বাংলাদেশে আম রপ্তানির জন্য আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত প্যাকিং ব্যবস্থা চালু ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। একইভাবে কাঁঠাল, মাংসসহ অন্যান্য কৃষিপণ্যেরও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রপ্তানি বাড়াতে হলে উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে আন্তর্জাতিক মান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
কৃষি মন্ত্রী বলেন, কৃষি গবেষক, বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছে দিয়ে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
#
জাকির/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/সঞ্জীব/শামীম/২০২৬/১৮১৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৭৪
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানবৃন্দের শ্রদ্ধা নিবেদন
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবযোগদানকৃত চেয়ারম্যানবৃন্দ।
আজ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো: আবুল কালাম আজাদ, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান লোদী, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী বাবু, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীবকে নিয়ে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এসময় উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে ৬টি নতুন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্তৃপক্ষগুলোর মূল লক্ষ্য হলো সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোর ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা, অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ করা, দুর্যোগসহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, তথ্য-প্রযুক্তি ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং উন্নত নাগরিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে একটি সুপরিকল্পিত ও আধুনিক নগর গড়ে তোলা।
#
আলমগীর/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/সঞ্জীব/শামীম/২০২৬/১৯১৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৭৩
চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
চট্টগ্রাম, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আজ চট্রগ্রামের বন্যাকবলিত সিএন্ডবি টেকবাজারপোল পরিদর্শন করেন এবং সেখানকার বন্যার্তদের মাঝে শুকনা খাবার ও চাল বিতরণ করেছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সৈয়দ সেহাব উদ্দিন আলম, সদস্য জাফর আহমদসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রতিমন্ত্রী নগরীর ১১নং ওয়ার্ড কালীমন্দির এলাকার জেলাপাড়ায় ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাজার সংলগ্ন লাকী স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারে ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন, নগরীর ফইল্লাতলী বাজার সংলগ্ন মহেষ খাল ও বারনীঘাট খাল পরিদর্শন করেন। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের (৩৪ ইসিবি) ডিরেক্টর জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামস সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল চট্টগ্রাম পৌঁছে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রাম বিভাগ ও জেলার সাম্প্রতিক বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা শেষ করে তিনি বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত বন্যার্তদের মাঝে শুকনো খাবার ও চাল বিতরণ করেন। এরপর নগরীর ব্র্যাক প্রাক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এরপর ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়া বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ জুলাই চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি সংস্থার কার্যক্রমের মধ্যে সুষম সমন্বয় ও নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে বিশেষ এই দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।
#
আরিফ/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/সঞ্জীব/শামীম/২০২৬/১৭৫৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৭২
বন্যাকবলিত বান্দরবান, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি
ও চট্টগ্রামসহ ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও ভূমিধসে সৃষ্ট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের উদ্ধার, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা, ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষায় বান্দরবান, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, ফেনী, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও জামালপুর জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় উল্লিখিত জেলাগুলোতে মোট ৯০টি পয়েন্টে বিজিবির সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বান্দরবানের বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ১১৬ জন পর্যটকসহ ১২২টি পরিবারের ৬ শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয় প্রদান, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং ৪৮ জনকে জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে বিজিবি। পাশাপাশি বান্দরবান–রোয়াংছড়ি সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে উপড়ে পড়া গাছ ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে বিজিবি। এছাড়া নাইক্ষ্যংছড়িতে ভূমিক্ষয়ের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া স্টিলের সেতু রক্ষায় জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে।
বিজিবি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে সমন্বিত উদ্যোগ, দ্রুত সাড়া এবং মানবিক সহায়তাই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্যাদুর্গত মানুষের জীবন, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিজিবির উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
#
শরীফুল/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/সঞ্জীব/শামীম/২০২৬/১৭২০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৭১
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ৭ জুলাই হতে অদ্যাবধি মানবিক সহায়তা
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ৭ জুলাই ২০২৬ থেকে অদ্যাবধি ধারাবাহিকভাবে দেশের বিভিন্ন জেলার জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও চাল বরাদ্দ প্রদান করেছে। বন্যা ও অন্যান্য দুর্যোগ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এ সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রথম ধাপে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, শেরপুর এবং কুড়িগ্রাম জেলায় মোট ৬০ লাখ টাকা ও ১২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ এবং দেশের বাকি ৫৭টি জেলার প্রতিটিতে পাঁচ লাখ টাকা ও ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
৯ জুলাই চট্টগ্রামে অতিরিক্ত ২৫ লাখ টাকা ও ৩০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়। একই দিনে কক্সবাজারে ২০ লাখ টাকা ও ২৫০ মেট্রিক টন চাল, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে প্রত্যেক জেলায় ১০ লাখ টাকা ও ২০০ মেট্রিক টন করে চাল প্রদান করা হয়। মৌলভীবাজারে ৫ লাখ টাকা ও ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
১০ জুলাই চট্টগ্রাম জেলার জন্য আরো ৫ লাখ টাকা এবং ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়, যা জেলার চলমান ত্রাণ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।
১২ জুলাই চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি জেলার জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রামের জন্য ২৫ লাখ টাকা ও ৫০০ মেট্রিক টন চাল এবং রাঙ্গামাটির জন্য ৫ লাখ টাকা ও ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়।
সব মিলিয়ে উল্লিখিত সময়ে দেশের ৬৪ জেলার জন্য মোট ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল মানবিক সহায়তা দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
#
তুহিন/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সফি/২০২৬/১৪৪৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৭০
জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সাথে নতুন প্রোগ্রাম হবে
-অর্থমন্ত্রী
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সাথে নতুন প্রোগ্রাম হবে। দেশের মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া আইএমএফ-এর আগের প্রোগ্রামটি ছিল সম্পূর্ণ জনস্বার্থবিরোধী। একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের এবং দেশের অর্থনীতির স্বার্থ সুরক্ষিত রাখাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।
আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের চলমান রাজনীতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক সহযোগিতা বিষয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আস্থা বাড়াতে বর্তমান ভিসা নীতিতে পরিবর্তন আনা হবে। তিনি বলেন, একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে আমাদের বর্তমান ভিসা নীতি রিভাইজ বা সংশোধন করা দরকার। এই নীতিকে আরও সহজ ও আধুনিক করা হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভিসা নীতি আধুনিকীকরণের ফলে দেশে বিদেশি পর্যটকদের আগমন বাড়বে, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগ করতে পারবেন এবং বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের ওপর আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা আরও সুদৃঢ় হবে।
#
সিরাজ/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/মাহ্ফুজ/সাঈদা/আমিরুল/২০২৬/১৫২০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৬৯
সরকার একটি সমন্বিত ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে
-প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ, সৃজনশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একটি সমন্বিত ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলছে। এ ব্যবস্থায় শুধু পাঠ্যবই নয়, প্রতিটি বিষয়ের সঙ্গে থাকবে শিক্ষক গাইড, ওয়ার্কবুক, রেমিডিয়াল গাইড এবং ভিডিও লেসন, যাতে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ ও শ্রেণিকক্ষের বাইরে সমানভাবে শেখার সুযোগ পায়।
আজ ঢাকার সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে নতুন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার ২০২৮ সালের জন্য একটি যুগপোযোগী, দক্ষতাভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রণয়নে কাজ করছে। বর্তমানে যে পাঠ্যবইগুলো প্রস্তুত করা হচ্ছে, সেগুলো ভবিষ্যতের পূর্ণাঙ্গ কারিকুলামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই তৈরি করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা থেকে বের করে এনে দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, নেতৃত্ব, দলগত কাজ, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তাত্ত্বিক শিক্ষার তুলনায় ব্যবহারিক শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে বাস্তব জীবনের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ আরও শক্তিশালী করা হবে।
তিনি বলেন, সংস্কৃতি শিক্ষা ও ক্রীড়া শিক্ষা নতুন প্রজন্মের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংস্কৃতি শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, মূল্যবোধ, জাতীয় পরিচয় এবং সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ পাবে। অন্যদিকে ক্রীড়া শিক্ষার মাধ্যমে নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, সহমর্মিতা, দলগত কাজ এবং সুস্থ জীবনাচারের চর্চা গড়ে উঠবে।
নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে এমন কারিকুলাম প্রণয়ন করা হবে, যা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে না।
#
তানভীর/খাদীজা/মারুফা/তারানা/মাহ্ফুজ/সাঈদা/আমিরুল/২০২৬/১৪৩০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৬৮
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দের শোক
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, সাবেক মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
পৃথক পৃথক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ); পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু; মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান; ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু; বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; পানি সম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
এছাড়াও শোক প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু; তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। উল্লেখ্য,ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আজ ভোর আনুমানিক ৪ টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৯৫ বছর।
#
সিরাজ/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/আসমা/২০২৬/১৫৫৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৬৭
সীমিত সক্ষমতা নিয়েই মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি
-প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, সীমিত সক্ষমতা নিয়েই মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। ঢাকা-৯ আসনের মানুষদেরকে একটি পরিবার উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবার অংশগ্রহণে অসহায় ও দুস্থদের সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আজ রাজধানীর বাসাবো কমিউনিটি সেন্টারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের সকল সক্ষমতা দিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আমরা সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। সক্ষমতার সর্বোচ্চটুকু ব্যবহার করতে চাই। বৃষ্টির মধ্যেও দেশের মানুষের জন্য আন্তরিকতার সাথে কাজ করার জন্য তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সরকার অনেক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রী জনগণের পাশে থাকার এবং তাঁদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করছেন।
#
রেজাউল/খাদীজা/তারানা/মারুফা/আতিক/সফি/২০২৬/১৩৫৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৬৬
সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর শোক
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
সাবেক স্পিকার, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
শোকবার্তায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠার সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে ও দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় তার ভূমিকা জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।
পৃথক এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র। জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে অত্যন্ত নিরপেক্ষতা ও দক্ষতার সাথে সংসদ পরিচালনায় তাঁর অনন্য ভূমিকা এদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং দেশের আইনি অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করতে একজন শীর্ষস্থানীয় আইনজীবী হিসেবে তাঁর মেধা ও অবদান অনস্বীকার্য।
তথ্যমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার এর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
#
ইমরানুল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/জোহরা/২০২৬/১৩১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৬৫
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বিশেষ আয়োজন
‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দেওয়া, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আগামী ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠান।
দেশের তরুণ, শিক্ষার্থী, গবেষক, উদ্ভাবক, নারী উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও শিল্পখাতের অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের উদ্দেশ্যে এ বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে একটি স্টার্টআপের সম্পূর্ণ যাত্রাপথ-আইডিয়া থেকে প্রোটোটাইপ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, বিনিয়োগ, স্কেল-আপ এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ সমন্বিতভাবে তুলে ধরা হবে। অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উদ্বোধন করা হবে ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’। এটি উদ্যোক্তাদের জন্য একটি জাতীয় ডিজিটাল লঞ্চপ্যাড হিসেবে কাজ করবে।
নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণ ও নারীর উদ্ভাবনী শক্তিকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূলধারায় যুক্ত করার লক্ষ্যে বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইতোমধ্যে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড গঠন করা হয়েছে, যা উদ্ভাবনী উদ্যোগের অর্থায়ন ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উদ্যোক্তাদের তাদের আইডিয়া ও উদ্যোগকে সফলতার পথে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ সরকারের সমন্বিত ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’ ব্যবহার করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ হতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
#
জসীম/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/মাহ্ফুজ/মিজান/২০২৬/১২০০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৬৪
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর শোক
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
সাবেক স্পিকার, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বিশিষ্ট আইনজীবী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
এক শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন দেশের একজন লব্ধপ্রতিষ্ঠিত আইনজীবী, দক্ষ পার্লামেন্টারিয়ান এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তিনি আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ছিল নীতি, আদর্শ, সততা ও দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও তাঁর অসংখ্য শুভানুধ্যায়ীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
#
তুহিন/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/আসমা/২০২৬/১১৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৬৩
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
বাংলাদেশের প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ, প্রবীণ আইনজীবী, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার এবং সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন।
আজ মন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতি ও আইনি জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। দেশের সুপ্রীম কোর্টের একজন সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবীদের সংগঠিত করতে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। দল গঠনের প্রথম পর্যায় থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দেশের রাজনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।
মন্ত্রী বলেন, তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবনের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ, আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর অবদান জাতি চিরকাল গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
১৯৯০ সালে পঞ্চগড়ে ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারেও তিনি অবদান রেখেছেন। তাঁর এ সুবিশাল কর্মজীবন, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সৃজনশীলতা এবং উচ্চ মানবিক মূল্যবোধ আগামী প্রজন্মের জন্য গভীর অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করেন।
#
রায়হান/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/সাঈদা/মিজান/২০২৬/১০৩০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৬২
সংস্কৃতির যে ধারাই হোক, নিজস্ব ঐতিহ্যের মূলধারাকে ধারণ করতে হবে
-সংস্কৃতি মন্ত্রী
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই):
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, অভিনয় ও সংগীত মানুষের জীবনের কথা বলে। ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ বা ‘তিতাস একটি নদীর নাম’-এর মতো বাস্তবধর্মী ও জীবনসংগ্রামের কন্টেন্ট আমাদের তৈরি করতে হবে। পপ সংগীত কিংবা আধুনিক যে ধারাই হোক না কেন, তা যেন আমাদের লোকসংগীত ও নিজস্ব ঐতিহ্যের মূলধারাকে ধারণ করে। আমরা সংস্কৃতির সুস্থ ধারা ফিরিয়ে আনতে চাই।
মন্ত্রী গতকাল রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত ‘কালারস মাল্টিমিডিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
কালারস মাল্টিমিডিয়ার উপদেষ্টা ও সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন এবং বিশিষ্ট কবি ও সাংস্কৃতিক সেবী রিজভী হাসান রিজভী। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কৃতী ব্যক্তিত্বদের মাঝে ‘কালারস মাল্টিমিডিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি গুণীজনদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় পুঁজি ও দেশীয় শিল্পের সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, শিল্প ও বাণিজ্যই একটি দেশের জাতীয় পুঁজি গড়ে তোলে। দেশীয় শিল্প শক্তিশালী হলে বিদেশি পণ্যের আগ্রাসন থেকে জাতি মুক্তি লাভ করে। বিগত দিনে সুপরিকল্পিত দুর্নীতির মাধ্যমে আমাদের ঐতিহ্যবাহী পাট শিল্প, বস্ত্র শিল্প ও চামড়া শিল্প ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে দেশ উৎপাদনবিমুখ হয়ে চোরাচালান ও আমদানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ফলে সমাজে এক শ্রেণির দুর্বৃত্ত ব্যবসায়ী ও নৈতিকতাহীন গোষ্ঠীর জন্ম হয়, যারা মাদক বিস্তার এবং বিভিন্ন সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। বর্তমান সরকার দেশের স্বার্থ রক্ষা এবং একটি টেকসই দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য হুসনে আরা রফিক ও মোঃ আহমেদ জুয়েল, আবাসন শিল্পে অবদানের জন্য সারোয়ার খোকন, মানসম্মত চিকিৎসা সেবায় ডা. রামিসা ফারিহা, অভিনয় শিল্পে প্রিয়মণি, সংগীতে হুমা ব্যাপারী এবং মডেলিংয়ে আরজিন নিশিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
#
শাকিলুজ্জামান/খাদীজা/আতিক/সাঈদা/মিজান/২০২৬/৯১০ ঘন্টা