কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬ এ ০৬:০৮ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১১-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১১-০৭-২০২৬
Handout Number: 157
Govt mapping out flood damage to support affected farmers
--Agriculture Minister
Cumilla, 11 July:
The government is currently compiling an accurate list of farmers affected by the recent floods across the country to deliver targeted rehabilitation support, Fisheries, Livestock, and Agriculture Minister Mohammad Amin Ur Rashid said today.
Speaking to journalists after inaugurating a week-long tree plantation drive and tree fair at the Cumilla Town Hall grounds, the minister assured that necessary aid would be disbursed rapidly at the union and ward levels once the ongoing assessment is complete.
Following explicit directives from the Prime Minister, the local administration is actively working on the ground to gather precise data on the losses incurred by agriculturalists and cultivators, The Minister stated. The government will ensure all necessary support to help them recover and resume standard agricultural operations without delay.
Addressing the nationwide tree plantation campaign, the minister noted that the Prime Minister is personally monitoring its progress to rule out any scope for irregularities or mismanagement. He reiterated the administration's firm stance on turning Bangladesh into a clean, green, and pollution-free nation.
To mitigate post-harvest losses and protect farmers from price volatility, the minister announced a massive infrastructure plan. The government has initiated a phased program to set up mini cold storage facilities across the country. Several are already operational, and we have planned to construct over 2,000 additional mini cold storages in the near future, he added.
Highlighting the vital role of agriculture, the minister stated that around 75% of the country’s population is directly or indirectly reliant on farming. Therefore, improving farmers' livelihoods, ensuring fair prices, and transforming agriculture into a highly profitable sector remain core government priorities.
The inaugural ceremony was attended by Cumilla City Corporation Administrator Yusuf Molla Tipu, Deputy Commissioner Rosy Akter, Cumilla Social Forest Division's Divisional Forest Officer Md. Ruhul Amin, and Superintendent of Police Anisuzzaman, alongside senior administrative officials and political leaders.
Prior to the discussion, the minister participated in a colorful rally held to mark the opening of the tree fair and inspected various stalls featuring fruit, forest, and medicinal saplings.
#
Mamun/Paban/Sanjib/Konok/Abbas/2026/1757 Hours
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৫৬
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার
---মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী
কুমিল্লা, ২৭ আষাঢ় (১১ জুলাই):
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। তালিকা প্রণয়ন সম্পন্ন হলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও কৃষি কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করতে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
আজ কুমিল্লা টাউন হল মাঠে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বন্যাকবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও চাষিদের সঠিক তথ্য সংগ্রহে স্থানীয় প্রশাসন কাজ করছে। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে তালিকা প্রস্তুতের পর সরকার তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা প্রদান করবে।
আমিন উর রশিদ বলেন, সরকার বাংলাদেশকে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যেই সারা দেশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যে ফলের উৎপাদন বেশি হয়, সেখানে সেই ফলের উৎপাদন আরো বৃদ্ধি করে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করেছে। আগামীতে আরো দুই হাজারের বেশি মিনি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, কুমিল্লা সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো: রুহুল আমিন, পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মন্ত্রী বৃক্ষমেলা উপলক্ষ্যে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালিতে অংশ নেন এবং মেলার বিভিন্ন ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের স্টল পরিদর্শন করেন।
#
মামুন/পবন/সঞ্জীব/কনক/আব্বাস/২০২৬/১৭৪৪ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৫৪
বন্যার্তদের অতন্দ্র প্রহরী বর্তমান সরকার
---দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম), ২৭ আষাঢ় (১১ জুলাই):
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেছেন, বন্যার্তদের অতন্দ্র প্রহরী বর্তমান সরকার। বন্যার্তদের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার সম্ভব সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আগামী দিনগুলোতে এ কার্যক্রম আরো জোরদার করা হবে। পাশাপাশি এ সমস্যার টেকসই সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী আজ চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ শেষে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য সামগ্রী, চিকিৎসা সরঞ্জাম, বিশুদ্ধ পানি সবই পর্যাপ্ত পরিমাণে বিতরণ করা হচ্ছে। যাদের ঘর-বাড়ি ডুবে গেছে তাদের নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে তিনি আহ্বান জানান।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর।
#
মাহবুবুর/পবন/সঞ্জীব/কনক/আব্বাস/২০২৬/১৭২৮ ঘণ্টা তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৫৩
হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, ২৭ আষাঢ় (১১ জুলাই):
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭০২ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮৪ জন।
১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৯৩ হাজার ৪৯১জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৮৯ হাজার ৭৬২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৩। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৬০ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৩।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৫৫০ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৫২
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে
-ফকির মাহবুব আনাম
বিরুলিয়া (সাভার), ২৭ আষাঢ় (১১ জুলাই):
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শুধু একটি প্রযুক্তি নয়; এটি ভবিষ্যৎ অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন এবং জাতীয় প্রতিযোগিতা সক্ষমতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এআই প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এবং গবেষণা-উদ্ভাবনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
আজ সাভারের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ল্যাব’ এবং ‘এআই প্রজেক্ট কম্পিটিশন-২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক এআই গবেষণা ল্যাব উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি সম্পর্কে দক্ষ করে তুলবে এবং গবেষণা পরিচালনা, উদ্ভাবনী প্রোটোটাইপ তৈরি ও শিল্প-উপযোগী সমাধান উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বর্তমানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, ব্যবসা, প্রশাসন থেকে শুরু করে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে এআই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনছে। তাই নতুন বাংলাদেশ গড়তে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির বিকল্প নেই।
মন্ত্রী বলেন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে সরকারের ধারাবাহিক উদ্যোগ দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এআই গবেষণা ল্যাব দেশের শিক্ষা, শিল্প ও সরকারের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা জোরদার করবে এবং একটি শক্তিশালী উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনে করেন আজকের তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের বাংলাদেশের মূল চালিকাশক্তি। এআই এখন আর কেবল প্রযুক্তি নয়, এটি অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং উদ্ভাবনের প্রধান নিয়ামক। আমাদের লক্ষ্য আগামী ৫ বছরে আইসিটি খাতে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত ১৪৫টি এআই প্রকল্পের মধ্য থেকে সম্ভাবনাময় ও সেরা প্রকল্পগুলোকে সরকার এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ ফান্ড ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সর্বাত্মক সহায়তা করা হবে। এছাড়া, সারাদেশের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত এআই ট্রেনিং সেন্টার ও স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আর. কবীর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সামস ইকবাল এবং কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সারওয়ার হোসেন মোল্লাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
#
জসীম/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৫১৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৫০
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন ফোরামে জলবায়ু সহনশীলতা ও উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ বাংলাদেশের
নিউইয়র্ক, ১১ জুলাই :
গতকাল নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামে জলবায়ু সহনশীলতা, পানি নিরাপত্তা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং উদ্ভাবনভিত্তিক শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ।
ফোরামে বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল-আওয়াল জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। তিনি জানান, সেচ ব্যবস্থা জোরদার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার এবং গ্রামীণ ও শহরে জনগণের জন্য নিরাপদ পানীয়জল নিশ্চিত করতে সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে। একইসঙ্গে তিনি তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পসহ আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
এসডিজি-৯ বিষয়ক পৃথক এক সেশনে ড. আওয়াল বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রাক্কালে বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশলের মূলভিত্তি হিসেবে সহনশীল অবকাঠামো, টেকসই শিল্পায়ন এবং উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের জন্য তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার দক্ষতা ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা-প্রশিক্ষণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, ডিজিটাল অবকাঠামো এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে বিনিয়োগ জোরদার করছে।
পাশাপাশি, তিনি বাংলাদেশের কৃষি, জৈবপ্রযুক্তি, ওষুধশিল্প, চামড়াশিল্প, ডিজিটাল এবং সৃজনশীল শিল্পখাতে বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি স্থিতিশীল, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরো আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে এবং টেকসই ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার অনুকূল সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
অধ্যাপক আওয়াল উল্লেখ করেন, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আরো সুসংহত করাসহ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং একটি সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
#
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১০৫০ ঘণ্টা
Handout Number: 151
Bangladesh highlights climate resilience and innovation-led growth at UN Sustainable Development Forum
New York, 11 July:
Bangladesh has underscored the importance of climate resilience, water security, skills development and innovation-driven industrialization in advancing the Sustainable Development Goals (SDGs) at the High-level Political Forum on Sustainable Development at United Nations Headquarters in New York yesterday.
Speaking at the Forum, Professor Dr. S M Abdul-Awal, Principal Coordinator (SDG Affairs) at the Prime Minister’s Office, highlighted Bangladesh’s long-standing focus on climate adaptation and sustainable water management. He referred to the government’s plan to excavate 20,000 kilometres of canals over the next five years to strengthen irrigation networks, improve rainwater retention, raise groundwater levels and enhance drinking water security for both rural and urban communities. He also stressed the importance of international cooperation on transboundary water sharing, including in support of the Teesta Barrage Project in northern Bangladesh.
In a separate intervention on SDG 9, Dr. Awal said resilient infrastructure, sustainable industrialization and innovation remain central to Bangladesh’s development strategy as it is struggling for graduation from the least developed country (LDC) category. He emphasized investments in skilled and knowledge-based education, technical and vocational education and training (TVET), STEM, digital infrastructure and entrepreneurship to equip young people for future jobs and build a knowledge-based economy. Also, he asked for investment from international communities on agriculture, biotechnology, pharmaceutical, leather, digital and creative industries as Bangladesh has now favorable condition for foreign investment after proper democratic election.
He underlined these efforts would help safeguard development gains, create employment and support a resilient, inclusive and sustainable future.
#
Press NYPM/Tanvir/Atik/Ali/sofi/2026/1040 Hours