কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬ এ ১১:১৩ PM

Handout 10 July 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১০-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১০-০৭-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৪৯

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে

- তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, সরকার একটি সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আধুনিক শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি মানসম্পন্ন শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

আজ ময়মনসিংহের নান্দাইলে দিনের প্রথম কর্মসূচিতে দত্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। একটি মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সারাদেশে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সময়মত বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরে তিনি নান্দাইলে শশা চাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। সেখানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষকরাই দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি। তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, বাজার ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার নিরলস কাজ করছে। তিনি বলেন, কৃষকদের যেকোনো সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, কৃষক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

#

ইমরানুল/শাহাদাত/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২৩১০ ঘন্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৪৭

বাঙালির আত্মপরিচয় ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে হবে

-- সংস্কৃতিমন্ত্রী

কুমিল্লা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক চেতনাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কুমিল্লায় আগমন উপলক্ষ্যে আজ কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), কুমিল্লা মহানগর শাখা এবং কুমিল্লার সর্বস্তরের শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতি হলো একটি জাতির দর্পণ। আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে। অপসংস্কৃতির ভিড়ে তরুণ প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট করতে জাসাসসহ সকল সাংস্কৃতিক সংগঠনকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি কুমিল্লার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে শিল্পকলার চর্চা আরো বেগবান করার জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মনিরুল হক চৌধুরী, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাবিনা আলম। এছাড়া জাসাস ও স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

​​#

শাকিলুজ্জামান/শাহাদাত/ফেরদৌস/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২২৩০ ঘণ্টা



তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৪৬

সংস্কৃতি মন্ত্রীর কুমিল্লার ঐতিহাসিক ময়নামতি জাদুঘর ও শালবন বিহার পরিদর্শন

কুমিল্লা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী আজ কুমিল্লার ঐতিহাসিক ময়নামতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন। তিনি জাদুঘর প্রাঙ্গণে পৌঁছালে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আকতার এবং সংসদ সদস্য মোঃ মনিরুল হক চৌধুরী ও স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

পরিদর্শনকালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম উপস্থিত ছিলেন এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ-এর আঞ্চলিক পরিচালক ড. মোছাঃ নাহিদ সুলতানা মন্ত্রীকে ময়নামতি জাদুঘরের গ্যালারিসমূহ এবং সংরক্ষিত শালবন বিহারের বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শনসমূহ ঘুরিয়ে দেখান। এ সময় মন্ত্রী সংরক্ষিত প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বিভিন্ন ঐতিহাসিক পাথর ও ব্রোঞ্জের মূর্তি, পোড়ামাটির ফলক (টেরাকোটা), প্রাচীন মুদ্রা ও লিপিসহ হাজার বছরের পুরোনো অমূল্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনাদি পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়া তিনি জাদুঘর চত্বরে প্রদর্শিত প্রাচীন ‘জীবাশ্ম বৃক্ষ’ প্রত্যক্ষ করেন।

পরিদর্শন শেষে সংস্কৃতি মন্ত্রী প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদসমূহের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, ময়নামতি জাদুঘর আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক অনন্য জীবন্ত দলিল। দেশি-বিদেশি পর্যটক এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে আমাদের গৌরবময় ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরতে এই জাদুঘরের আধুনিকায়ন ও প্রাচীন নিদর্শনাদির বিজ্ঞানসম্মত সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়াও এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, দলটির সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

#

শাকিলুজ্জামান/শাহাদাত/ফেরদৌস/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২২৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৪৮

২১তম বিসিএস প্রশাসন এসোসিয়েশনের ২৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

২১তম বিসিএস প্রশাসন এসোসিয়েশনের ২৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা ও সম্মিলন ২০২৬ আজ বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। আরো উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: এহসানুল হক, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক ও বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম। ব্যাচের সভাপতি আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ২১তম ব্যাচের যুগ্মসচিবগণ আগামী দিনে আরো সততা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্বপালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে মিলনমেলা সমাপ্ত হয়।

#

আবদাল/শাহাদাত/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২২৩৫ ঘণ্টা

টিভি স্ক্রল নম্বর: ০৮

টেলিভিশন চ্যানেল, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য

ঢাকা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:

মূলবার্তা:

‘দেশের সকল গণমাধ্যম তথা প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানানো যাচ্ছে যে, গত ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক অপরাধীর কোনো ধরনের বক্তব্য, সাক্ষাৎকার, অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ব্যাপারে আইনগত নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এমতাবস্থায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার কোনো প্রকার ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য সরাসরি কিংবা ধারণকৃত অবস্থায় কোনো গণমাধ্যমে (টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক মাধ্যম) প্রচার বা প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সকল গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।’

#

আবদাল/শাহাদাত/ফেরদৌস/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৪৫

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ

ঢাকা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

দেশের সকল গণমাধ্যম তথা প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানানো যাচ্ছে যে, গত ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক অপরাধীর কোনো ধরনের বক্তব্য, সাক্ষাৎকার, অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ব্যাপারে আইনগত নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এমতাবস্থায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার কোনো প্রকার ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য সরাসরি কিংবা ধারণকৃত অবস্থায় কোনো গণমাধ্যমে (টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক মাধ্যম) প্রচার বা প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সকল গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

#

আবদাল/শাহাদাত/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২১৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৪৪

উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে

‘দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক- ২০২৫’ বিতরণ অনুষ্ঠানে পরিবেশমন্ত্রী

ঢাকা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে উন্নয়ন হবে প্রকৃতির সাথে সহাবস্থান রেখে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানব কল্যাণ হবে একই পথের সহযাত্রী।

আজ ঢাকায় বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে ব্র্যাক ব্যাংক এবং তরুপল্লব আয়োজিত ‘দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫’ প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রকৃতি সংরক্ষণ এখন আর কোনো বিকল্প নয়; এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আজকের সম্মাননাপ্রাপ্তরা প্রমাণ করেছেন, একজন মানুষের নিষ্ঠা ও উদ্যোগ পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারে। প্রকৃতি রক্ষার এই প্রচেষ্টা সমাজজুড়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।

পরিবেশ মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় এবং সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমরা ‘ন্যাশনাল গ্রিন মিশন’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। এর আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেবে। তিনি পদকপ্রাপ্তদের ‘সবুজ ভবিষ্যতের নির্মাতা’ ও ‘নীরব পরিবেশযোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, তাঁদের এই নিষ্ঠা ও উদ্যোগ সমাজজুড়ে পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

উল্লেখ্য, এবার দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক ২০২৫-এ ভূষিত হয়েছেন জীববৈচিত্র্য গবেষণায় অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান (নিসর্গ পুরস্কার), টেকসই কৃষি চর্চায় ‘প্রাণ বৈচিত্র্য খামার’ (জীববৈচিত্র্য পুরস্কার), তৃণমূল পর্যায়ে বৃক্ষরোপণে মো. বাদশা মিয়া (বৃক্ষসখা সম্মাননা), ডিজিটাল মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে উম্মে কুলসুম পপি (সবুজ সারথী সম্মাননা), প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভিদ গণনায় সুমাইয়া মারিয়ম (নবীন নিসর্গী সম্মাননা) এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবিব (পরিবেশ কীর্তিমান সম্মাননা)।

অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, ব্র্যাক ব্যাংক ও তরুপল্লবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশবিদ, গবেষক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

তোফাজ্জল/শাহাদাত/ফেরদৌস/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২০৫০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৪৩

হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯০১ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২৮ জন।
১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৯২ হাজার ৮৩১ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৮৯ হাজার ২৩৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৩। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৫৭ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৩।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

#

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/পবন/সঞ্জীব/কনক/লিখন/২০২৬/১৬৩৬ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৪১

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীর বৈঠক

লন্ডন, ১০ জুলাই ২০২৬:

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম গতকাল লন্ডনে যুক্তরাজ্যের পরিবহন বিষয়ক মন্ত্রী হেইডি আলেকজান্ডারের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা যুক্তরাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীর নিকট পৌঁছে দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের বিপুল সমর্থনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং গণতন্ত্র, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।

মন্ত্রী বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, বন্ধুত্বপূর্ণ ও বহুমাত্রিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার জন্য ধন্যবান জানান। তিনি আন্তর্জাতিক জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকদের জন্য ওকেটিবি (OKTB) এবং অন্যান্য ট্রানজিট ও নাবিক-সংক্রান্ত ভিসা দ্রুত ও সহজতর করার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ, সামুদ্রিক প্রকৌশল, বন্দর উন্নয়ন, সামুদ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা এবং বন্দরভিত্তিক শিল্পে অধিকতর ব্রিটিশ বিনিয়োগ, যৌথ উদ্যোগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্পে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে হংকং আন্তর্জাতিক কনভেনশন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে দেশের ৪২টি জাহাজ পুনর্ব্যবহার ইয়ার্ডের মধ্যে ২৭টি আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে এবং অবশিষ্ট ইয়ার্ডগুলোকে পর্যায়ক্রমে ওই মানদণ্ডে উন্নীত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থার (IMO) জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস-সংক্রান্ত বৈশ্বিক উদ্যোগকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে। যদিও বাংলাদেশ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রধান উৎস নয়, তবুও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, সবুজ প্রবৃদ্ধি এবং টেকসই সামুদ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশের সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী যুক্তরাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে উভয় পক্ষই পরিবহন, নৌপরিবহন, রেলপথ, বন্দর উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

#

আরিফ/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১৫০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৪২

সর্বশেষ আবহাওয়ার পরিস্থিতি

সমুদ্র বন্দরসমূহের জন্য তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত

ঢাকা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

সর্বশেষ আবহাওয়া তথ্য অনুয়ায়ী, উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে লঘুচাপ আকারে মধ্য উত্তরপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আজ ১০ জুলাই সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী- রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, চট্রগ্রাম, নোয়াখালী, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়োহাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের দুর্যোগ সংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদনে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।

#

হাছান/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৪৫০ ঘণ্টা

আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ

তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৩৯

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

ঢাকা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আগামীকাল ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:

“বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।

বাংলাদেশ বিশ্বের একটি অন্যতম জনবহুল দেশ। যার এক-তৃতীয়াংশই তরুণ প্রজন্ম। তারাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি। রাষ্ট্রের কাছে নতুন প্রজন্মের চাওয়া হচ্ছে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে, নিশ্চিত হবে সকলের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক ভাগ্যোন্নয়নের সুযোগ। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা গেলে নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা যেমন পূরণ হবে, পাশাপাশি নিশ্চিত হবে সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ (Realizing the hopes and aspirations of young peopleToday and for the future) সময়োপযোগী ও যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

বর্তমান সরকার দেশের যুব ও তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষিত, দক্ষ, স্বাবলম্বী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এলক্ষ্যে সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী করতে নানান পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করেছে। যুবসমাজের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের বিকাশ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে দক্ষ করে গড়ে তুলতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে দেয়া হচ্ছে বিশেষ অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে মাদক, বাল্যবিবাহ, সহিংসতাসহ নানান সামাজিক অবক্ষয় রোধে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমার বিশ্বাস, এ সকল উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের বিকাশ ও জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের অন্যতম নিয়ামক হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

নাগরিক সুস্বাস্থ্য ও পরিকল্পিত পরিবার একটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি এবং টেকসই আর্থসামাজিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত। এই প্রেক্ষাপটে সরকার দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নেও ব্যাপকভিত্তিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা সেবা, মা-শিশু স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সেবাকে আরো কার্যকর ও সর্বজনীন করে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে।

তারুণ্যের উন্নয়নে আমি সরকারের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানাই। দেশের বিদ্যমান স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোসমূহের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত এবং মানসম্মত পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু স্বাস্থ্য ও কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবেএ প্রত্যাশা করি।

আমি ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করছি।”

#

রাহাত/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/সফি/২০২৬/১২০০ ঘণ্টা

আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ


আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৩৮

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঢাকা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:

“জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। জনমিতিক সম্ভাবনাকে টেকসই উন্নয়নের শক্তিতে রূপান্তর, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের শক্তিশালীকরণ এবং নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আমাদের উন্নয়ন-অভিযাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হলো তরুণদের সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে পরিণত করা। সে লক্ষ্যে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবার পরিকল্পনাকে সমন্বিত করে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আমি দেশবাসী, বিশেষ করে নবীন প্রজন্মকে দিবসটির চেতনা ধারণ ও বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানাই।

এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘Realising the hopes and aspirations of young people today and for the future’ (তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রস্তুতিতে সুন্দর আগামী গড়ি), আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এমন একটি প্রজন্মের ওপর, যারা হবে শিক্ষিত, দক্ষ, প্রযুক্তিবান্ধব, সুস্থ, মানবিক ও উদ্ভাবনী। তরুণদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বিকাশে রাষ্ট্রকে এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে তারা মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণ করবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা লাভ করবে এবং নিজেদের ইচ্ছা, সক্ষমতা ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুখী পরিবার গড়ে তুলতে পারবে।

আজকের তরুণরাই তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির প্রধান শক্তি। সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যেখানে প্রতিটি তরুণ-তরুণী যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশীয় ও বৈশ্বিক শ্রমবাজারে নিজেদের সক্ষমতার স্বাক্ষর রাখবে এবং জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

আমরা বিশ্বাস করি, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত হলে তরুণরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে এবং দায়িত্বশীল পরিবার গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তেও সচেতন ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

একটি উন্নত জাতি গঠনের পূর্বশর্ত হলো সুস্থ জনগোষ্ঠী। সেই লক্ষ্য অর্জনে সরকার সবার জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। একই সঙ্গে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা, প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। এ সমন্বিত প্রচেষ্টাই ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি সুদৃঢ় করবে।

চলমান পাতা=২

=২=

তবে বাল্যবিবাহ, কিশোরী মাতৃত্ব এবং অপুষ্টির মতো চ্যালেঞ্জ এখনও আমাদের তরুণ প্রজন্মের বিকাশ ও অগ্রযাত্রার পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে। এসব সমস্যা শুধু একজন কিশোরী বা একটি পরিবারের নয়; এগুলোর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষার ধারাবাহিকতা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং জাতীয় উৎপাদনশীলতার ওপর। এ কারণে সরকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের জন্য মানসম্মত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, পুষ্টি উন্নয়ন এবং জীবনদক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ও সেবা জোরদারে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস, প্রতিটি তরুণ-তরুণী যদি সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে বেড়ে ওঠার সমান সুযোগ পায়, তবে তারাই আগামী দিনের সম্ভাবনাময়, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলেক্ষ্যে আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে প্রতিটি তরুণের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা বাস্তবে বিকশিত হবে এবং একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মানবিক ভবিষ্যৎ নির্মাণে তারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

আমি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।”

#

আশরোফা/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১১০০ ঘণ্টা

আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ

তথ্যবিবরণী নম্বর : ১৪০

ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের স্ত্রীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই):

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ফরিদপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব এ কে কিবরিয়া স্বপনের স্ত্রী মেহেজাবিন আক্তার লোটাসের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ) শামা ওবায়েদ ইসলাম।

আজ এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, মেহেজাবিন আক্তার লোটাস গতকাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি স্বামী, দুই পুত্র এবং অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

#

কামরুল/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১৩০০ ঘণ্টা


ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন