কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬ এ ১০:০৯ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ০১-০৮-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০১-০৮-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫২১
গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার সুফল নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন থাকতে হবে
- কৃষিমন্ত্রী
কুমিল্লা, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ যাতে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে এবং স্বাধীনতার সুফল পায়, সে লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন থাকতে হবে।
আজ কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত জুলাই স্মৃতি সমাবেশ ২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অন্যায়, অনিয়ম ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ সজাগ ও সচেতন থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। তিনি বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করেছে, ভবিষ্যতেও অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একইভাবে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। একটি মহল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে এখনো ষড়যন্ত্র করছে। তারা বিভিন্ন অজুহাতে দেশে অস্থিতিশীল ও উচ্ছৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করতে পারে। তাই দেশের মানুষকে সবসময় সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই গণতন্ত্রের পথ থেকে বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিতে পারবে না।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় ও সুন্দর দেশ। কিন্তু অতীতে অন্যায়, লুটপাট, জুলুম এবং রাষ্ট্রীয় অর্থের অপব্যবহারের কারণে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে যারা দুর্বল করে দিয়ে গেছে, সেই ক্ষতি কাটিয়ে বাংলাদেশকে আবারও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মতের পার্থক্য থাকতেই পারে। একজন যে বিষয়টি যেভাবে দেখেন, অন্যজন সেভাবে নাও দেখতে পারেন। কিন্তু ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং পারস্পরিক সহনশীলতাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। জনগণের যৌক্তিক মতামত ও শক্তিকে সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। দেশের স্বার্থে জনগণের মতামতকে সম্মান জানিয়ে সরকার দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাবে। তিনি আরো বলেন, যারা অতীতে স্বৈরাচারী ও অন্যায় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল, তারা সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে পারে। সুযোগ পেলে তারা আবারও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পারে। তাই অতীতের ত্যাগ ও আত্মত্যাগকে স্মরণ করে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অনেক জীবন ও অঙ্গহানির বিনিময়ে যে পরিবর্তন অর্জিত হয়েছে, কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সেই অর্জনকে নস্যাৎ হতে দেওয়া যাবে না।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। আহতদের চিকিৎসাসেবা আরো উন্নত ও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে আহতদের চিকিৎসা ও কল্যাণে সরকার আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাদের যেকোনো সমস্যা বা প্রয়োজনের কথা সংশ্লিষ্টদের জানাতে হবে। আহতদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও কল্যাণে সরকার এবং সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা সহায়তার জন্য মানবিক সংগঠন ‘বিবেক’-এর পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। ফেস দ্য পিপল-এর সম্পাদক সাইফুর রহমান সাগরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও মানবিক সংগঠন ‘বিবেক’-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু। অন্যান্যের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডাঃ আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ এবং কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার।
#
জাকির/শাহাদাত/পবন/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২২০৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫২০
গাছের পরিচর্যার পাশাপাশি সমাজের পরিচর্যায়ও মনোনিবেশ করতে হবে
-- আসাদুল হাবিব দুলু
লালমনিরহাট, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, একটি গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, গাছকে বড় করে তুলতে যেমন নিয়মিত পরিচর্যার প্রয়োজন, তেমনি একটি শিশুকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজন সঠিক শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধের উন্মেষ ও সুস্থ সামাজিক পরিবেশ।
আজ লালমনিরহাট জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষমেলা উদ্বোধন ও বিভিন্ন সংগঠনের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী ও সুস্থ প্রাণের বিকাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।
এজন্য সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরো সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে ত্রাণমন্ত্রী সামাজিক অপরাধ দমন ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড প্রসারে গুরুত্বারোপ করেন।
জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম প্রমুখ।
মন্ত্রী এর আগে লালমনিরহাট আরডিআরএস পরিচালিত অন্ধ শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
#
মাহবুবুর/শাহাদাত/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২০২৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫১৯
কোনো প্রতিভা প্রতিবন্ধকতার কারণে থেমে থাকবে না
-- আইসিটি মন্ত্রী
ঢাকা, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে কোনো প্রতিভা প্রতিবন্ধকতার কারণে থেমে থাকবে না। প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের প্রতিটি নাগরিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার সমান অংশীদার হবে।
আজ রাজধানীর গ্রীন রোডে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে অনুষ্ঠিত ‘যুব প্রতিবন্ধীদের জন্য জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধিতা কোনো সীমাবদ্ধতা নয়। সঠিক সুযোগ, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীরাও দেশের ডিজিটাল রূপান্তর এবং উন্নয়নের সমান অংশীদার হতে পারে। তাই সরকার তাদের ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত ক্ষমতায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার এমন একটি প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে সমাজের কোনো শ্রেণির মানুষ পিছিয়ে থাকবে না। সবার জন্য প্রযুক্তির সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
মন্ত্রী আরো বলেন, জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতা প্রতিবন্ধী তরুণদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সক্ষমতা তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। আমি বিশ্বাস করি, ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল আইটি চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।
উল্লেখ্য, এটি যুব প্রতিবন্ধীদের জন্য জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতার দশম আয়োজন। এবার প্রতিযোগিতার ৪টি ক্যাটাগরিতে (১) দৃষ্টি প্রতিবন্ধী-২১ জন (২) শারীরিক প্রতিবন্ধী-২৫ জন (৩) বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ১৫ জন এবং (৪) নিউরো ডেভলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার (এনডিডি)-৯ জন সহ মোট ৭০ জন প্রতিযোগী অংশ গ্রহণ করেন। প্রত্যেক ক্যাটাগরি থেকে বিজয়ী প্রথম ৩ জনকে অর্থাৎ ৪ ক্যাটাগরিতে মোট ১২ জন প্রতিযোগীকে পুরস্কৃত করা হয়।
প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত ৪টি ক্যাটাগরি যথাক্রমে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিভাগে মোঃ শাকিল মিয়া, শারীরিক প্রতিবন্ধী বিভাগে শেখ ইয়ামিন আহসান, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিভাগে নাহিন সিরাজ এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার বিভাগে আরিয়ান ইসলাম জাতীয় প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে আগামী অক্টোবরে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিতব্য Global IT Competition for Youth with Disabilities (GITC)) গ্রহণের সুযোগ পান। মন্ত্রী সুযোগ পাওয়া চার প্রতিযোগীকে ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করবেন বলে জানান।
অনুষ্ঠানে সিএসআইডির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার জহুরুল আলম, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক এর উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী, তাদের অভিভাবক, বিসিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
#
জসীম/শাহাদাত/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১২৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫১৮
মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে জনগণের দ্রুত ও সাশ্রয়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব
-- আইনমন্ত্রী
ঢাকা, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান বলেছেন, মধ্যস্থতা (Mediation) বিরোধ নিষ্পত্তির এমন একটি কার্যকর পদ্ধতি, যা বিচারপ্রার্থীদের সময়, অর্থ ও মানসিক ভোগান্তি কমিয়ে দ্রুত ও সাশ্রয়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারে। কার্যকর মধ্যস্থতার মাধ্যমে দেশের আদালতে বিচারাধীন প্রায় ৪৫ লাখ মামলার জট উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা সম্ভব।
আজ রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির লক্ষ্যে মধ্যস্থতা এবং দেওয়ানি মামলা পরিচালনা পদ্ধতির উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘আইন পেশাজীবীদের জন্য মৌলিক মধ্যস্থতা প্রশিক্ষণ (Basic Mediation Training for Legal Professionals)’ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো দেশের দরিদ্র, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকার এমন মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শুধু আইনগত জ্ঞানই নয়, মানবিকতা, প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও আস্থাভিত্তিক সমাধান তৈরির সক্ষমতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রসঙ্গে তিনি অংশগ্রহণকারীদের জাপানের একটি সুপরিচিত গ্রন্থ Justice with a Smile (হাসিমুখে ন্যায়বিচার) পড়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, এ ধরনের সাহিত্য মধ্যস্থতাকারীদের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, বিরোধের পক্ষগুলোর আইনজীবীরা সমঝোতায় যেতে অনাগ্রহী থাকেন। তবে বাস্তবতা হলো, দেশে ও বিদেশে অসংখ্য সফল মধ্যস্থতা ও সালিশের পেছনে আইনজীবীদেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমান সময়ে আইন পেশায় আলোচনাভিত্তিক বিরোধ নিষ্পত্তির একটি ইতিবাচক সংস্কৃতি গড়ে উঠছে, যা আরো সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, মধ্যস্থতা উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক একটি পদ্ধতি। পক্ষান্তরে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় বছরের পর বছর সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় হওয়ার পাশাপাশি মানুষ মানসিক উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যারও সম্মুখীন হয়। তাই হত্যা বা অন্যান্য গুরুতর আমলযোগ্য অপরাধ ছাড়া অধিকাংশ বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় সর্বোত্তম কর্মদক্ষতা প্রদর্শনকারী একজন নারী ও একজন পুরুষ মধ্যস্থতাকারীকে জাপানে উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে। এ উদ্যোগ মধ্যস্থতাকারীদের আরো দক্ষ, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. খাদেমউল কায়েসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাইকা বাংলাদেশের প্রধান প্রতিনিধি জুনকো তাকাহাশি, জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের (ICD) উপমহাপরিচালক কাজুনোরি নোসে এবং বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মনজুরুল হোসেন বক্তব্য রাখেন। দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন জেলার জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার এবং জেলা জজ আদালতে কর্মরত আইনজীবীসহ মোট ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাইকার যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে মধ্যস্থতা ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং বিচারপ্রার্থীদের জন্য সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।
#
রেজাউল/শাহাদাত/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫১৭
শিশুদের সুস্বাস্থ্যে মায়ের দুধের বিকল্প নেই
- স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ঢাকা, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
শিশুদের সুস্বাস্থ্যের জন্য মায়ের বুকের দুধের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।
আজ রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।
‘জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান : টেকসই উদ্যোগ করি বেগমান’ প্রতিপাদ্যেকে সামনে রেখে মাতৃদুগ্ধ পান বাড়াতে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি ও জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মায়ের দুধ পানে সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জন্মের প্রথম ৪-৫ মাস একটি শিশুর বৃদ্ধির মূল উৎসই মায়ের দুধ। প্রসবের পরপরই শিশুকে শালদুধ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, যা প্রোটিনের সর্বোচ্চ ভান্ডার। কোরআনসহ সকল ধর্মেও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মায়ের দুধ খাওয়ানোর কথা বলা হয়েছে। অথচ বর্তমানে সিজারিয়ানের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া এবং সচেতনতার অভাবে অনেক শিশু শালদুধ ও মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, অতীতে মানুষের জীবনযাত্রা ছিল খুব সাধারণ, কিন্তু শিশুদের প্রতি ভালোবাসা ও যত্ন ছিল অকৃত্রিম। বর্তমানে শিক্ষিত ও বিত্তবান সমাজে শিশুদের প্রতি যত্ন অনেকটাই অনুপস্থিত।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাম রোগীদের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, পুষ্টিহীনতার কারণে শিশুদের শরীর দুর্বল হয়ে পড়ছে। অনেক মা নিজের অপুষ্টির দোহাই দিয়ে শিশুকে দুধ দেওয়া বন্ধ রাখেন, যা একেবারেই অনুচিত। অল্প বয়সে বিয়ে, অসচেতনতা এবং শিশুকে দুধ না দেওয়ার কারণেই পুষ্টিহীনতা বাড়ছে।
বিগত দিনে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত এক বছরে গ্রামের সাধারণ মানুষকে সচেতন করার মতো কার্যকর কোনো ধরনের সভা-সেমিনার করা হয়নি। এখন থেকে বছরব্যাপী কর্মসূচি তৈরি করে প্রতি মাসে অন্তত একটি জেলায় গিয়ে সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা লেভেলের কর্মকর্তাদের এক অডিটোরিয়ামে নিয়ে মাতৃদুগ্ধপানের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে হবে এবং তা পালনে বাধ্যতামূলক করতে হবে। এতে দেশের মানুষ সচেতন হবে এবং নিরাপদে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে উঠতে সহযোগিতা করবে। সেইসঙ্গে কমে আসবে শিশু মৃত্যুর হার। শিশুখাদ্য ও বিকল্প দুধের ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, দেশে মাতৃদুগ্ধের বিকল্প খাদ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য আইন রয়েছে। বাজারে প্রচলিত প্রিজারভেটিভ ও মেডিসিন মেশানো গুঁড়ো দুধের চেয়ে ঘরে তৈরি সুষম খাবার বাচ্চার জন্য অনেক বেশি উপযোগী। ছয় মাস পর থেকে চালের খুদ, ডাল, আলু ও শাকসবজি দিয়ে তৈরি খিচুড়ি জাতীয় পথ্যই শিশুদের জন্য সেরা খাবার।
মায়েদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন অনুরোধ জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মহান আল্লাহ্র দেওয়া মাতৃদুগ্ধের নিয়ামত থেকে যেন মায়েরা তাদের সন্তানদের কোনোভাবেই বঞ্চিত না করেন। মা যখন শিশুকে বুকে টেনে নেন, শিশু তখনই তার পরম নিরাপত্তায় কান্না থামায়। কৃত্রিম বিকল্পের দিকে না গিয়ে একটি সুন্দর, সুস্বাস্থ্য ও শক্তিশালী শিশুগোষ্ঠী গড়ে তোলাই হোক আজকের দিনের প্রধান শপথ।
#
মাহমুদুল /শাহাদাত/পবন/সঞ্জীব/মোশারফ/কনক/শামীম/২০২৬/২০২৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫১৬
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন শিগগিরই মন্ত্রিসভায়, আগামী সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের আশা
- আইনমন্ত্রী
ঢাকা, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান বলেছেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই, অংশীজনদের সাথে ধারাবাহিক পরামর্শ এবং সচিব কমিটির সভা সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে এবং আগামী সংসদ অধিবেশনেই আইনটি উত্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
আজ রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির লক্ষ্যে মধ্যস্থতা এবং দেওয়ানি মামলা পরিচালনা পদ্ধতির উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘আইন পেশাজীবীদের জন্য মৌলিক মধ্যস্থতা প্রশিক্ষণ (Basic Mediation Training for Legal Professionals)’ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সরকার ঘোষণা দিয়েছিল যে, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন আরো পর্যালোচনা ও পরিমার্জনের পর সংসদে উত্থাপন করা হবে। সে অনুযায়ী বিভিন্ন পর্যায়ে একাধিক দফা পরামর্শ, মতবিনিময় ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে আইনটির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। বর্তমানে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
ভারতে অবস্থানরত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র নিজস্ব আইন ও দায়িত্বের আলোকে বিবেচনা করবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি সরকার নিয়মিত পর্যালোচনা করছে। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত যথাসময়ে নেওয়া হবে।
সাইবার আইন বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি আধুনিক ও ভারসাম্যপূর্ণ আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে, যেখানে একদিকে সংবিধানপ্রদত্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংরক্ষিত থাকবে, অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বা অন্যান্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে মানহানি, ভুয়া তথ্য প্রচার এবং সাইবার অপরাধ কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যাবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, সাইবার আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সরকার কোনো তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিতে চায় না। বিষয়টি অধিকতর যাচাই-বাছাই এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে পরামর্শক্রমে চূড়ান্ত করা হবে। সরকার মানুষের কণ্ঠরোধ করতে বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করতে চায় না; একইসাথে নাগরিকদের অধিকার ও সুনাম রক্ষায় কার্যকর আইনি কাঠামো নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে বিচারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সময়ই এ বিষয়ে উত্তর দেবে।
#
রেজাউল/শাহাদাত/পবন/সঞ্জীব/মোশারফ/কনক/শামীম/২০২৬/২০১৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫১৫
অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে
-- স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর), ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়ম করলে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতি ও সাময়িক বরখাস্তের মতো কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।
আজ শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবা, ওষুধ সরবরাহ, রোগীদের উপস্থিতি, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্ব পালনসহ সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সাথে কথা বলে সেবার মান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং প্রয়োজনীয় উন্নয়ন নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।
মন্ত্রী বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর এই সময়ে যদি আমরা আমাদের কমিটমেন্ট বাস্তবায়নে ব্যর্থ হই, তাহলে শুধু আমরাই নয়, আপনারাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই সবাই নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করুন। এ সময় তিনি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জনগণের প্রতি আরো দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সবাইকে সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
#
মাহমুদুল/শাহাদাত/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫১৪
বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের দুই চিকিৎসকের মৃত্যুতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোক
ঢাকা, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
৩৩তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের দুই কর্মকর্তা ডা. আবু ঈসা মোঃ আরাফাত ইমাম এবং ডা. মমিনুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।
৩৩তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডাঃ আবু ঈসা মোঃ আরাফাত ইমাম গতকাল ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তার বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৪২ বছর। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ-এ প্যাথলজি বিভাগে কিউরেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের একজন প্রাক্তন কৃতী শিক্ষার্থী ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
৩৩-তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের আরেক কর্মকর্তা ডা. মমিনুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা, আজ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো আনুমানিক ৪৫ বছর। ডা. মমিনুল ইসলাম রাজশাহী মেডিকেল কলেজ এর প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সদ্যপ্রয়াত চিকিৎসকদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহকর্মী ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছেন।
#
মাহমুদুল/শাহাদাত/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫১৩
দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য
-- ভূমি প্রতিমন্ত্রী
হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো আর্তপীড়িত দুঃখী মানুষের সেবা করা এবং দেশবাসীকে মূল মালিক হিসেবে বিবেচনা করে তাদের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন করা। দল, ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে সকল বাংলাদেশির সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান কাজ।
আজ চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারীতে সরকার হাটে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রত্যাশী’ আয়োজিত সংস্থার সংগঠিত সদস্য ও ক্ষতিগ্রস্ত বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অতীতের ত্যাগের ইতিহাস তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, বিগত ১৯ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গসংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হয়েছে। চরম প্রতিকূলতা ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েও দলের প্রতিটি ইউনিয়ন, থানা, উপজেলা, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ের সদস্যরা সর্বদা দুঃখী, অসহায় ও পীড়িত মানুষের পাশে থেকে সেবা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করেছে। তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন, আমাদের রাজনীতিতে কোনো বাছ-বিচার নেই। আমরা সম্মিলিতভাবে দল-মত ও ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের পাশে দাঁড়াতে চাই এবং সেবা করতে চাই।
হাটহাজারীর সাম্প্রতিক দৃশ্যমান অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বাসিন্দাদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সাড়ে পাঁচ মাসে হাটহাজারীতে সাড়ে চারশ’র বেশি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩৮০টি উন্নয়ন কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বা শেষের পথে রয়েছে। বিগত ১৯ বছরে হাটহাজারীতে এমন অভূতপূর্ব বিশাল কর্মযজ্ঞ কখনোই হয়নি।
প্রতিমন্ত্রী আরো মনে করিয়ে দেন, আজ থেকে ১৯ বছর আগে হাটহাজারীর সড়ক ও অবকাঠামোগত অবস্থা এতটাই বেহাল ছিল যে আমাদের মা-বোনদের চলাচলে চরম কষ্ট পোহাতে হতো। বর্তমান সরকার সেই সব চলাচলের সড়ক প্রশস্তকরণ এবং যানজট নিরসনে পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি হাটহাজারীর সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
পরে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রত্যাশী’ সংস্থার সংগঠিত সদস্য ও এলাকাভুক্ত বন্যার্ত মানুষের হাতে ত্রাণ সহায়তা তুলে দেন।
‘প্রত্যাশী’ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মনোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
#
রেজুয়ান/শাহাদাত/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫১২
প্রকৃতি রক্ষায় বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে চায় সরকার
-- স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
বগুড়া, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
বগুড়ার শিবগঞ্জে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ এর উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী আজ বগুড়ায় শিবগঞ্জ গোলচত্বরে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, মানুষের জীবন, জীববৈচিত্র্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পাশাপাশি তার পরিচর্যার দায়িত্বও নিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার সবসময় পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আন্তরিক। দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পেও সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মেলায় উপজেলার ১৫টি নার্সারি বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ নিয়ে অংশগ্রহণ করে। মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে প্রতিমন্ত্রী প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন। এরপর প্রতিমন্ত্রী শিবগঞ্জে নবনির্মিত হেলিপ্যাডের উদ্বোধন করেন।
#
আশরাফুল/শাহাদাত/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮৪০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫১১
সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত বিস্তৃত হবে রেললাইন
-- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী
ঢাকা, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, ঢাকা থেকে সিলেট হয়ে জাফলং পর্যন্ত রেলপথ বিস্তৃত করতে চায় সরকার। সিলেটের জাফলং তামাবিল এবং সন্নিহিত এলাকায় একটি পর্যটন হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রেললাইনের এই বিস্তৃতি করতে চায় সরকার। রেলের পাশাপাশি থাকবে উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
আজ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল এ উপলক্ষ্যে জাফলং তামাবিল ও সন্নিহিত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এই এলাকার পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য করণীয় বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সাথে পরামর্শ করেন। জাফলং পর্যটন স্পটে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পর্যটকরা দূর-দূরান্ত থেকে এখানে আসে। সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত রেলপথ না থাকা, উন্নত সড়ক যোগাযোগ না থাকা এবং মানসম্মত আবাসন সুবিধা না থাকায় তাদের ভোগান্তির শিকার হতে হয়। পর্যটকদের এই ভোগান্তি লাঘবের জন্য সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার নতুন রেলপথ স্থাপন করা হবে। খুব শীঘ্রই এর সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ফাহিমুল ইসলাম, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদার, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মোঃ আফজাল হোসেনসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত সাথে ছিলেন।
#
রেজাউল/শাহাদাত/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/মোশারফ/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮২০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫১০
জুলাইয়ের চেতনা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনারই বর্ধিত প্রবাহ
-- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
ঢাকা, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনারই বর্ধিত ও ধারাবাহিক প্রবাহ। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার জন্ম হয়েছিল, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান সেই চেতনাকেই নতুন প্রজন্মের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আজ রাজধানীর রাওয়া ক্লাব মিলনায়তনে ‘রিমেম্বারিং জুলাই ২০২৪’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। জুলাই-২৪ শহিদ পরিবার অ্যাসোসিয়েশন ও নাগরিক কণ্ঠ ফোরাম এ সভার আয়োজন করে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে যখনই ফ্যাসিবাদী প্রবণতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, তখনই জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই ধারাবাহিকতার সর্বশেষ প্রমাণ।
ইতিহাস বিকৃতকারীদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, ইতিহাসকে সাময়িকভাবে বিকৃত করার চেষ্টা করা গেলেও প্রকৃত ইতিহাস শেষ পর্যন্ত নিজস্ব সত্য নিয়েই প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্বের দাবিকে ব্যবহার করে একদলীয় শাসন, বৈষম্য কিংবা ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে, ইতিহাস তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
স্বাধীনতার পর মুক্তিযুদ্ধকে দলীয়করণ ও কোটা ব্যবসার মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা হয়েছিল উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকেও কেউ যেন নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জুলাইয়ের অর্জনকে কোনোভাবেই খণ্ডিত বা বিকৃত হতে দেওয়া যাবে না। এই আন্দোলনের শহিদ ও আহতদের যথাযথ পুনর্বাসন রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলেও এর পাশাপাশি তাদের আত্মত্যাগের আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনে প্রতিষ্ঠিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জুলাইয়ের আন্দোলনকে বাংলাদেশের পাহাড়-সমতল, বাঙালি-অবাঙালি, হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ সব মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, গণতন্ত্র এবং মর্যাদার সংগ্রাম আখ্যা দিয়ে বলেন, ধর্ম, ভাষা, জাতিসত্তা কিংবা পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতি জুলাইয়ের চেতনার পরিপন্থী।
মন্ত্রী আরো বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য সংসদে যুক্তি, তর্ক ও বিতর্কের মধ্যেই বিকশিত হয়। কিন্তু যারা গণতান্ত্রিক বিতর্ককে রাজপথের সংঘাত কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভাজনের অস্ত্রে পরিণত করতে চায়, তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক প্রচারণা, বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা এবং কৃত্রিম বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তরুণ সমাজকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার সমগ্র রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে কাজ করছে।
প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি টিচার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ তৌফিকুল ইসলাম (মিথিল) এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ ও মাহমুদা হাবিবা, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল হান্নান চৌধুরী এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।
#
ইমরানুল/শাহাদাত/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫০৯
জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনে কাজ করছে সরকার
-- কৃষিমন্ত্রী
কুমিল্লা, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি উৎপাদন হ্রাসের আশঙ্কা মোকাবিলায় নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনে সরকার গবেষণাভিত্তিক কৃষি উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, আগামী মৌসুমে হাওর অঞ্চলের জন্য ব্রি ধান-১১৮ অবমুক্ত করা হবে। শীত সহনশীল এ জাতের ধান আগাম রোপণ ও আগাম কর্তনের সুযোগ সৃষ্টি করবে। ফলে আকস্মিক বন্যার আগেই কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
আজ কুমিল্লা সার্কিট হাউজে কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কুমিল্লা জেলার সকল দপ্তর/সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মাছ রপ্তানি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কুমিল্লা স্থলবন্দর দিয়ে মাছ রপ্তানির সম্ভাবনাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, আগামী বছর লবণাক্ততা সহনশীল নতুন একটি ধানের জাত অবমুক্ত করা হবে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় উপযোগী ফসলের জাত উদ্ভাবনে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
মৎস্য বিপণন অবকাঠামো প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কুমিল্লা অঞ্চলে মাছের ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কি না, তার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। উপযুক্ত সরকারি জমি পাওয়া গেলে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, দেশের ভোক্তারা সাধারণত মিঠাপানির মাছ তাজা অবস্থায় কিনতে আগ্রহী। তাই সংরক্ষণ ব্যবস্থার পাশাপাশি আধুনিক বাজারজাতকরণ অবকাঠামো গড়ে তোলার বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
প্রাণিসম্পদ খাতের ভ্যাকসিন উৎপাদন বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান ভ্যাকসিন উৎপাদন কেন্দ্র সম্প্রসারণে একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গবাদিপশুর পাশাপাশি হাঁস-মুরগির ভ্যাকসিনও অধিক পরিসরে দেশে উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এতে আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং প্রাণিসম্পদ খাত আরো শক্তিশালী হবে।
সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বীজ ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যাকবলিত উপজেলাগুলোতে গবাদিপশুর রোগ প্রতিরোধে বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে, যাতে বন্যা-পরবর্তী সময়ে রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ খোরশেদ আলম, জেলা প্রশাসক রোজী আকতার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ ওবায়দুর রহমান মন্ডল, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য দপ্তরের পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন, কুমিল্লা অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ আধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#
মামুন/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/শামীম/২০২৬/১৭৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫০৮
হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৫১ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২১জন।
১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ১ লাখ ১১ হাজার ৬৭৪জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৩৯৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৩।
গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪৪ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৬।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/তারানা/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৫১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫০৪
কুমিল্লার খেলোয়াড়রা একদিন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সম্মান বয়ে আনবে
-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী
কুমিল্লা, ১৭ শ্রাবণ (১ আগস্ট):
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলার উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, কুমিল্লার তরুণ খেলোয়াড়রা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায় পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে।
গতকাল কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬-এ চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট দলকে দেওয়া নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি জাতিকে গড়ে তুলতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি খেলাধুলার বিকাশও গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে সরকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়া চর্চা বাড়াতে দেশব্যাপী স্কুলভিত্তিক বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। তিনি বলেন, দেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলার মাঠ থাকলেও সেগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ হয় না। মাঠগুলো সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করা গেলে স্থানীয় পর্যায় থেকেই আরো দক্ষ খেলোয়াড় তৈরি করা সম্ভব হবে।
কুমিল্লায় একটি ক্রীড়া অবকাঠামো বা ক্রীড়া বিভাগ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করা গেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেন, যারা খেলাধুলার মাধ্যমে দেশ ও সমাজের জন্য সম্মান বয়ে আনছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। সরকার প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
খেলোয়াড়দের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, নিষ্ঠা ও কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। একসময় বাংলাদেশের খেলোয়াড়রাও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য আরো বড় সাফল্য বয়ে আনবে।
অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজসেবক, সাংবাদিক এবং বিপুলসংখ্যক ক্রিকেটপ্রেমী উপস্থিত ছিলেন।
#
মামুন/তারানা/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১০৪৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৫০৩
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক ক্রীড়া শিক্ষায় মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে
-ববি হাজ্জাজ
ঢাকা, ১৭ শ্রাবণ (০১ আগস্ট):
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ গড়ে তুলতে ক্রীড়া শিক্ষার পাশাপাশি মার্শাল আর্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করছে এবং চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বাধ্যতামূলক ক্রীড়া শিক্ষার অংশ হিসেবে মার্শাল আর্টকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
গতকাল রাতে ঢাকার বিজয় সরণিতে র্যাংগস ভবনে বাংলাদেশ কিয়োকুশিন কারাতে সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত ব্ল্যাক বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মার্শাল আর্ট কেবল আত্মরক্ষার কৌশল নয়, এটি একজন মানুষকে শৃঙ্খলাবোধ, আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য ও ইতিবাচক মানসিকতা অর্জনে সহায়তা করে। একজন শিক্ষার্থী যখন নিজের ওপর আস্থা অর্জন করে, তখন সে সহিংসতা ও সংঘাত এড়িয়ে চলতে শেখে এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, আত্মবিশ্বাসী ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলা ও মার্শাল আর্টের প্রসার অপরিহার্য। তাই কারাতে সংগঠনগুলোর প্রতি তাঁর আহ্বান, তারা যেন সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করে। সরকার এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।
তিনি নিজের কারাতে চর্চার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৯৯১ সালে কিয়োকুশিন কারাতে প্রশিক্ষণ শুরু করার মধ্য দিয়ে তাঁর এই যাত্রা শুরু হয়। সেই সময়ের অনুশীলন, সহপাঠীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং বিভিন্ন ব্রেকিং ও কারাতে প্রদর্শনীর স্মৃতি আজও তাঁকে অনুপ্রাণিত করে। বর্তমান প্রজন্মের কারাতেকাদের পরিবেশনা দেখে তাঁর তিন দশকেরও বেশি সময় আগের স্মৃতি ফিরে এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং আত্মরক্ষার সক্ষমতা গড়ে তুলতে মার্শাল আর্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এর মাধ্যমে একটি সুস্থ, দক্ষ ও মানবিক ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী ব্ল্যাকবেল্ট অর্জনকারী কারাতেকাদের মাঝে ব্ল্যাকবেল্ট প্রদান করেন। এসময় তিনি বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।
#
তানভীর/তারানা/তানভীর/আতিক/আলী/২০২৬/১০৩০ ঘণ্টা