কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:১০ PM

18 Jul 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৮-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৮-০৭-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৮

মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মনোহরদী (নরসিংদী), ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন নরসিংদীর মনোহরদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করেছেন। আজ নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার গাংকুলকান্দি ভূঁইয়া বাজার সংলগ্ন মাঠে ‘নব দিগন্ত ক্লাব’ এই মেধা বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র থেমে নেই। আজকের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে, যাতে তারা মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত সত্য জানতে পারে।

সরকারের নীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এই নীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিখাতের উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যার সুফল জনগণ পেতে শুরু করেছে।

নব দিগন্ত ক্লাবের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোস্তাক আহমেদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এমএ মুহাইমিন আল জিহান এবং মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলনসহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কৃতী ৪০ জন শিক্ষার্থীর হাতে মেধা বৃত্তির ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেন।

#

মাহমুদুল/শাহাদাত/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১২০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৭

দেশের ১০ জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের

-- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জ, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ জাতি গঠন করার জন্য কাজ করছেন। বর্তমান প্রজন্মের ডিভাইসের প্রতি আসক্তি কমিয়ে মাঠমুখী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। আমরা খেলাধুলাকে পাঠ্যপুস্তকে বাধ্যতামূলক করার জন্য কাজ করছি। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সকলের সহযোগিতা চাই।

আজ নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর ওসমানী স্টেডিয়ামে বেগম খালেদা জিয়া (অনূর্ধ্ব-১৭) ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রত্যকটি ইউনিয়নে একটি খেলার মাঠ এবং দেশের ১০টি জেলায় পর্যায়ক্রমে ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছি। নারায়ণগঞ্জে একটি আন্তর্জাতিকমানের স্পোর্টস ভিলেজ স্থাপনের ইচ্ছা রয়েছে। সেখানে ফুটবল, ক্রিকেট ছাড়াও আর্চারি, শ্যুটিং, সুইমিংসহ বিভিন্ন ইনডোর ও আউটডোর খেলার আধুনিক সুবিধা থাকবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ, সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজিব, নাসিক প্রশাসক এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সিসহ রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

#

নূর আলম/শাহাদাত/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৬

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ইস্তাম্বুল কর্তৃক যথাযোগ্য

মর্যাদায় ‘জুলাই শহিদ দিবস, ২০২৬’ পালন

ইস্তাম্বুল (তুরস্ক), ১৮ জুলাই:

আজ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ‘জুলাই শহিদ দিবস, ২০২৬’ উদ্‌যাপন করেছে। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালায় ইস্তাম্বুলে বসবাসরত বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশাজীবী ব্যক্তিবর্গ, বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, কনস্যু লেট জেনারেলের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন কনস্যুলেটের কর্মকর্তাগণ। এরপর দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভার মূলবক্তব্যে কনসাল জেনারেল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে এবং শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অভিযাত্রায় অংশ নিতে সবার প্রতি আহবান জানান।

উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা তাদের আলোচনায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদদের আত্মত্যাগ এবং তাদের অবদানের কথা বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন। বক্তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাঁথা বিদেশিদের কাছে তুলে ধরার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

পাশাপাশি শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া এবং মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

#

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ইস্তাম্বুল/শাহাদাত/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২০৫০/ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৫

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি পরিদর্শন করলেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আজ চট্টগ্রামের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, অবকাঠামোগত সুবিধা, গবেষণা পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচালিত বিভিন্ন একাডেমিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বলেন, একটি জ্ঞানভিত্তিক, দক্ষ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলতে হবে। তিনি বলেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদসহ বিভিন্ন উৎপাদনমুখী খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

পরে মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ সময় তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যার আহ্বান জানান।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে মন্ত্রী ইস্ট ডেল্টা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঘুরে দেখেন। তিনি স্কুলের শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষার পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, বিভিন্ন বিভাগের পরিচালকবৃন্দ, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

#

মামুন/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৪

জনগণই দেশের মালিক, প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য বৈষম্যহীন মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়া

-- ভূমি প্রতিমন্ত্রী

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করে সকলের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এদেশের জনগণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের প্রকৃত মালিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায়। আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করব।

আজ চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মধ্য মাদার্শা রহমানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) কর্তৃক আয়োজিত চট্টগ্রাম-৫ সংসদীয় আসনের পানিবন্দী মানুষের মাঝে চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাদের জনগণের সেবক হতে হবে। সরকারের উন্নয়ন কাজ করতে হলে বসে থাকার সুযোগ নেই, প্রতিটি মুহূর্তকে দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। আগামী পাঁচ বছরে আমরা বাংলাদেশের দৃশ্যমান ও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটাতে চাই। বিশেষ করে চট্টগ্রামে যেভাবে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হচ্ছে, তা একদিন ইতিহাস হয়ে থাকবে। যেখানে দেশের স্বার্থ জড়িত, সেখানে কারো সাথে কোনো আপস করা হবে না।

এ সময় তিনি চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় জোর দিয়ে বলেন, পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ঠিক রাখতে হলে নদী-নালা এবং খাল-বিলের পানির চলাচল যেকোনো মূল্যে সচল রাখতে হবে।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন হাটহাজারীর গুমানমর্দ্দন ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি পূর্ববর্তী সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, আগের সরকার ভোটের রাজনীতি না করে খুন, গুমের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রেখেছিল। তারা জেল, জুলুম ও নির্যাতন চালিয়ে দেশের প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে স্থবির ও অকেজো করে দিয়েছিল।

#

রেজুয়ান/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮১০ ঘণ্টা

Handout Number: 303

Agriculture Minister visits East Delta University, joins tree plantation drive

Chattogram, 3 Srabon (18 July):

Agriculture, Fisheries and Livestock Minister Mohammed Amin Ur Rashid urged higher education institutions to play a more effective role in creating skilled human resources for production-oriented sectors, including agriculture, fisheries, and livestock.

The minister made this remarks while visiting East Delta University today.

Higher education institutions have a critical role to play in building a knowledge-based, skilled, and compassionate Bangladesh. We must equip our youth to tackle future challenges through modern education, research, innovation, and technology-driven knowledge, he said.

During the visit, the minister inquired about the university’s academic programs, infrastructural facilities, research environment, and various co-curricular activities.

Later, Minister Mohammed Amin Ur Rashid participated in a tree-planting program on the university premises. Emphasizing environmental preservation, he said there is no alternative to tree plantation to maintain ecological balance, combat the adverse impacts of climate change, and ensure a habitable world for future generations. He urged all to plant more trees from their respective positions and take proper care of them.

As part of his visit, the minister also toured East Delta International School, where he inspected classrooms and the learning environment, interacted with the students, and exchanged views with the teachers.

Chattogram-10 constituency lawmaker Sayeed Al Noman, University Vice-Chancellor Professor Dr. Mohammad Nazim Uddin, Treasurer Professor Dr. Siddique Ahmed Chowdhury, directors of various departments, teachers, and senior officials were present, among others.

​#

Mamun/Shahadat/Ferdows/Sanjib/Konok/Salim/2026/18.20 Hrs.

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০০

বাংলাদেশ হবে বিশ্বের এডুকেশন হাব

- শিক্ষামন্ত্রী

নওগাঁ, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ‘এডুকেশন হাব।’ সেভাবেই আমরা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গড়ে তুলছি।

আজ নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, একসময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রচুর শিক্ষার্থী পড়তে আসতো। এখন এদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়তে যায়। আমরা চাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে 'সেন্টার অফ এক্সিলেন্স' হিসেবে গড়ে তুলতে। এর ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করতে আরো আগ্রহী হবে। আমাদের লক্ষ্য এ দেশকে আন্তর্জাতিক 'এডুকেশন হাব' এ পরিণত করা।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। এদেশ থেকে যারা দেশের বাইরে পড়তে গিয়েছে, তারা ভালো ফলাফল ও সুনাম অর্জন করেছে। এদেশে প্রচুর জনসম্পদ রয়েছে। এই জাতি গঠনে আমাদের যে অপার সম্ভাবনা রয়েছে, তা কাজে লাগাতে হলে আমাদের জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, কোনো অঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয় হলে, সেই অঞ্চলের চাহিদাগুলোর দিকেও নজর রাখতে হয়। এই অঞ্চলে যেহেতু প্রচুর পরিমাণ আম ও অন্যান্য ফসল উৎপাদন হয়, তাই সেদিকে লক্ষ্য রেখে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভবিষ্যতে নতুন বিষয় চালু করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে, 'ফুড টেকনোলজি'র মতো বিষয়গুলো সংযুক্ত হতে পারে।

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহা: হাছানাত আলীর সভাপতিত্বে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।

এছাড়া নওগাঁর বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যবৃন্দ, জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

#

শিবলী/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/শামীম/২০২৬/১৭৫০ ঘণ্টা


Handout Number: 299

Bangladesh Formulating Human-Centric National AI Policy

---ICT Minister

Shanghai (China), 18 July:

Bangladesh is actively working towards establishing a modern, safe, and responsible Artificial Intelligence (AI) governance framework rooted in human rights, ethics, and inclusive development under the visionary leadership of Prime Minister Tarique Rahman.

Faqir Mahbub Anam, Minister for Posts, Telecommunications, and Information Technology, stated this today while representing Bangladesh at the "High-Level Meeting on Global AI Governance," organized during the World Artificial Intelligence Conference (WAIC) 2026 in Shanghai, China.

The Minister emphasized that the current government is meticulously reforming the country’s digital policies and legal structures to make them contemporary. This transformation aims to leverage the potential of artificial intelligence for the welfare of the citizens while concurrently ensuring an effective governance framework to mitigate potential risks.

Faqir Mahbub Anam highlighted that under the direction of Prime Minister Tarique Rahman, Bangladesh is progressing rapidly with the formulation of an integrated and inclusive National AI Policy. Simultaneously, the government is executing pivotal initiatives, including: Strengthening personal data protection and cyber security measures. Drafting guidelines for the deployment of AI in the public sector. Ensuring responsible data management standards. Expanding AI-based education and curriculum. Establishing decentralized AI Centres of Excellence across various regions of the country.

The Minister proposed four fundamental priorities for global AI governance: safety, equity, adaptability, and international cooperation. He stressed that the international community must collaborate closely to ensure technology transfer, capacity building, data sovereignty, and equitable technological access for developing countries.

Faqir Mahbub Anam further underscored Bangladesh's call for robust global cooperation, asserting that the future of artificial intelligence should not merely be a reflection of technological excellence, but must firmly embody human values, justice, and inclusivity.

Organized under the theme "AI Partnership for a Brighter Future," the high-level meeting facilitated intensive dialogues on leveraging artificial intelligence effectively to accelerate sustainable development, strengthen collective security, ensure inclusive growth, and fortify global AI governance mechanisms.

The conference brought together heads of government, ministers and representatives from over a hundred countries, heads of international organizations, industry leaders, and distinguished academics. Participants engaged in a comprehensive exchange of perspectives regarding the future of artificial intelligence, its ethical governance, and the consolidation of global cooperation in this domain.

It is notable that the four-day global summit, the 'World Artificial Intelligence Conference (WAIC) 2026', is being held in Shanghai, China, from July 17 to July 20, 2026.

#

Zashim/Shahadat/Ferdows/Sanjib/Konok/Abbas/2026/1728 Hour


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৮

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান থেকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ-বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের

ঢাকা, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাকে আরো গতিশীল করতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। একইসাথে রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানেও বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে দেশটি। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের স্বার্থে চীনের সাথে সম্পর্ক আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁয়ের পদ্মা হলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত Long Live Bangladesh-China Friendship শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক এবং সময়ের সাথে আরো গভীর ও বহুমাত্রিক হয়েছে। স্বাধীনতার পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক সুদৃঢ় ভিত্তি লাভ করে। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চীন সফর এ সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ–চীন সম্পর্ক কেবল রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এর বিস্তৃতি ঘটেছে। বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী চীনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন, উদ্যোক্তারা ব্যবসা সম্প্রসারণ করছেন এবং আধুনিক প্রযুক্তি দেশে এনে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছেন। তিনি বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও অর্থনীতিতে চীনের অভূতপূর্ব অগ্রগতি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সম্ভাবনা। চীনের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের উন্নয়ন আরো গতিশীল হবে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থে চীনের সাথে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভারত, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করতে চীন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে। তিনি বাণিজ্য ও রপ্তানি সম্প্রসারণ, চীন–মিয়ানমার–বাংলাদেশ সড়ক যোগাযোগ এবং রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে চীনের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত Yao Wen বলেন, বাংলাদেশের সাথে ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরো বাড়াতে চীন আগ্রহী। তিনি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানেও চীনের সহযোগিতার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন।

Bangladesh-China Friendship Association এর সভাপতি নাজমুল হক নান্নুর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

#

চয়ন/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/আব্বাস/২০২৬/১৬৪৫ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৭

বন্যাদুর্গত কৃষকদের সহায়তায় বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে অনিয়মে ‘জিরো টলারেন্স’

-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও কৃষকদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বীজ, সার, গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।

মন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মানুষের জীবনে দুঃসময় আসে। সে সময়ে সরকার ও সমাজ যদি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তবে তারা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পায়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে-তা নিশ্চিত করতে হবে। অতীতের মতো কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় শতভাগ গবাদিপশুকে এফএমডি (ক্ষুরা রোগ) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে। ছয় মাস আগে যেসব পশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তাদেরও পুনরায় টিকা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, একটি গবাদিপশু মারা গেলে একজন খামারির যে আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি হয়, তা অনুধাবন করেই সরকার দ্রুত ভ্যাকসিন কার্যক্রম জোরদার করছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের সব সহায়তা যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে এবং কেউ যেন বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে। কোথাও কোনো অনিয়ম বা অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ খোরশেদ আলম, মৎস্য অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

#

মামুন/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৫১৫ঘন্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৬

দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম

ঢাকা, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার দপ্তর ও সংস্থাসমূহ চলমান আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, পাহাড়ধস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। জেলা তথ্য অফিস চট্টগ্রামের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আগামী ২-৩ দিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, চট্টগ্রামের পক্ষ থেকে বন্যা পরিস্থিতির কারণে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত সংক্রান্ত জরুরি বার্তা প্রচার, বন্যা/ভারী বর্ষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনিরাপদ বসতবাড়ি এড়িয়ে চলা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সাপে কাটা প্রতিরোধ, শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপদে রাখা, ত্রাণ গ্রহণে আর্থিক লেনদেন করা থেকে বিরত থাকা, দুর্ঘটনা এড়াতে বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার এড়িয়ে চলাসহ অন্যান্য জনসচেতনতামূলক সড়ক প্রচার/মাইকিং অব্যাহত রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, খাগড়াছড়ির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলায় এখন বৃষ্টি নেই এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস/ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। তবে স্বাভাবিক অবস্থা এখনো ফিরেনি। জেলা তথ্য অফিস, খাগড়াছড়ি কর্তৃক ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার অব্যাহত রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস/ভূমিধস এর ঘটনা ঘটেনি। জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের পক্ষ থেকে ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার ও মাইকিং অব্যাহত রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, রাঙামাটির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছে। ভারী বর্ষণের প্রথম থেকেই পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাবার জন্য জনসচেতনতা তৈরি করতে রাঙামাটি জেলা তথ্য অফিসের সড়ক প্রচার অব্যাহতভাবে চলছে ৷

জেলা তথ্য অফিস বান্দরবান থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে দূর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান জেলায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে বন্যার পানি নেমে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্র হতে লোকজন তাদের বাসা-বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে। জেলা তথ্য অফিস, বান্দরবান কর্তৃক ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস হবিগঞ্জের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী হবিগঞ্জ সদর, বাহুবল ও বানিয়াচং উপজেলাসহ মোট ০৩টি উপজেলা খোয়াই নদী ভাঙনে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হয়েছিল। বর্তমানে বৃষ্টি কম হওয়ায় প্লাবিত এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫.৫০ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয় এবং কোনো পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। জেলা তথ্য অফিস, হবিগঞ্জ কর্তৃক সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস মৌলভীবাজার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী মৌলভীবাজার জেলার সদর উপজেলার ০৫টি ইউনিয়নের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। জেলা তথ্য অফিস, মৌলভীবাজার কর্তৃক জেলা তথ্য অফিস, মৌলভীবাজার কর্তৃক বন্যাকালীন ও বন্যা পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

#

গণযোগাযোগ অধিদপ্তর/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৫৪৫ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৫

সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে বন্যাদুর্গত মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে হবে

-ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

বান্দরবান, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, বিচ্ছিন্ন কোনো সিদ্ধান্ত বা এককভাবে নয়, বরং সরকারি-বেসরকারি সকল সংস্থাকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দোরগোড়ায় যথাযথ সেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ অব্যাহত রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশ হলো-সকলকে সাথে নিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং এর মূল টার্গেট হতে হবে দেশের সাধারণ জনগণ।

গতকাল বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বান্দরবান পার্বত্য জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে সাম্প্রতিক বন্যা পরবর্তী সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও করণীয় বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, যে যার মতো করে বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে সেবামূলক কাজ পরিচালনা করবেন না, কারণ এতে সঠিক সেবার মান বজায় থাকে না। দুর্যোগের এ সময়ে কে কী করলো বা কোন সংস্থা কতটুকু কাজ করলো, সেই হিসাব নির্ণয় বা কৃতিত্ব নেওয়ার প্রতিযোগিতা করার সময় নয়। এই মুহূর্তে সরকারি, বেসরকারি কিংবা যেকোনো সংস্থাসহ সকলের সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রয়াস নিশ্চিত করাই হবে মূল দায়িত্ব।

পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও অন্যান্য সংস্থার ছোট ছোট অনেক প্রকল্প রয়েছে। একসঙ্গে এতগুলো প্রকল্প ফোকাস করা অত্যন্ত কঠিন এবং এতে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আসে না। তাই সাময়িক বা ছোট প্রকল্পের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক উৎসের কোনো অপচয় হতে দেওয়া যাবে না। কোনো অবস্থাতেই কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ ঘাটতি রাখা চলবে না।

মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে মীর হেলাল বলেন, সরকারের উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা খরচ না করে কোষাগারে ফেরত প্রদান করার মধ্যে কোনো কৃতিত্ব নেই। বরং অর্থ ফেরত গেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হয় এবং জনগণ সুফল থেকে বঞ্চিত হয়। তিনি বরাদ্দকৃত অর্থ কোনোভাবেই অপচয় না করে সঠিক সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন এবং মাঠ পর্যায়ে নিবিড় সমন্বয় নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন।

বান্দরবান জেলার জেলা প্রশাসক মোঃ সানিউল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে সভায় বান্দরবান পার্বত্য জেলার সাচিং প্রু এবং সংরক্ষিত নারী আসনের এডভোকেট মাধবী মারমা ও জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় এবারের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে বান্দরবান জেলার ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ, বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি এবং তা মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন এবং দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন।

#

রেজুয়ান/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১১৪০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৪

ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠক

এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের আহ্বান

নিউইয়র্ক, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ এবং মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের লক্ষ্যে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)-এর সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

গতকাল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত পৃথক বৈঠকে ইকোসকের সভাপতি ও নেপালের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লোক বাহাদুর থাপা এবং ইকোসকের সহ-সভাপতি ও আলজেরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আমর বেনজামার কাছে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর পক্ষে সরকারের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক প্রভাব এবং অন্যান্য বহিঃপ্রতিকূলতার কারণে বাংলাদেশ পূর্বনির্ধারিত প্রস্তুতিকালের পূর্ণ সুফল গ্রহণ করতে পারেনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধের উদ্দেশ্য উত্তরণ বিলম্বিত করা নয়; বরং ব্যাপক কাঠামোগত সংস্কার সুসংহত করা, সুশাসন জোরদার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আর্থিক খাত শক্তিশালীকরণ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং একটি শক্তিশালী ও টেকসই মসৃণ উত্তরণ কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরণকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল করা।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ -এর সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।

ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতি এলডিসি থেকে উত্তরণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে বিদ্যমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আলোকপাত করে বাংলাদেশের এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

#

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১১৩০ ঘন্টা


Handout Number: 293

Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President

to advance Bangladesh's smooth LDC graduation

New York, 18 July:

Minister of Commerce Khandakar Abdul Muktadir held separate bilateral meetings with the President and Vice-President of the United Nations Economic and Social Council (ECOSOC) to discuss Bangladesh's request for a three-year extension of the preparatory period for graduation from the Least Developed Country (LDC) category and to advance international support for the country's smooth, sustainable and irreversible graduation.

During the meetings at the United Nations Headquarters yesterday with ECOSOC President and Permanent Representative of Nepal Ambassador Lok Bahadur Thapa and ECOSOC Vice-President and Permanent Representative of Algeria Ambassador Amar Bendjama, the Commerce Minister presented the rationale behind Bangladesh's request for extending the preparatory period until November 2029. He explained that the country's ongoing economic and political transition, global economic uncertainties, energy crises, climate change and other external shocks had limited Bangladesh's ability to fully utilize the existing preparatory period.

Reaffirming the Government's firm commitment to LDC graduation, the Minister said the proposed extension was intended not to delay graduation but to consolidate structural reforms, strengthen governance, restore macroeconomic stability, reinforce the financial sector, improve the investment climate, expand infrastructure and implement a robust and sustainable Smooth Transition Strategy.

The Bangladesh delegation included Adviser to the Prime Minister for Finance and Planning Rashed Al Mahmud Titumir, State Minister for Planning Zonayed Abdur Rahim Saki, Secretary of the Economic Relations Division (ERD) Md. Shahriar Kader Siddiky, Permanent Representative of Bangladesh to the United Nations Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury, President of the Leathergoods and Footwear Manufacturers & Exporters Association of Bangladesh Syed Nasim Manzur, and President of the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) Mahmud Hasan Khan.

The ECOSOC President and Vice-President acknowledged the global challenges facing developing countries in their graduation from the LDC category and expressed their commitment to working closely with Bangladesh to ensure its smooth, sustainable and irreversible graduation.

#

Press NYPM/Tanvir/Atik/Ali/Kamal/2025/1110 Hrs.


Handout Number: 292

Titumir calls for UN-led debt relief mechanism

to safeguard investment in children and women

New York, 18 July:

Adviser to the Prime Minister for Finance and Planning Rashed Al Mahmud Titumir has called on the United Nations system to establish an international mechanism for debt restructuring, debt relief, debt suspension and sustainable debt solutions to help developing countries address mounting fiscal pressures arising from the Middle East crisis and other global shocks. He said such measures are essential to enable developing countries to sustain investment in children, women, education, health and social protection, while keeping progress towards the Sustainable Development Goals (SDGs) on track.

Speaking during a meeting with UNICEF Deputy Executive Director for Humanitarian Action and Supply Operations Ted Chaiban at UNICEF House in New York yesterday, Titumir said rising energy prices, supply chain disruptions and increasing debt burdens had significantly narrowed Bangladesh's fiscal space. Despite these challenges, he said the Government remains committed to protecting vulnerable populations and advancing its vision of a democratic human welfare state under the 'Bangladesh First' philosophy. State Minister for Planning Zonayed Abdur Rahim Saki also attended the meeting.

The Adviser highlighted the Government’s commitment to a universal life-cycle-based social security system placing women at the centre of development. He said the Family Card initiative would support women-led households and provide assistance across different stages of life, including pregnancy, childhood, education, disability and old age.

State Minister for Planning stressed the importance of reliable and integrated data systems and outlined the Government’s proposed “One Child, One Card, One Number and One Wallet” strategy to improve birth registration, school enrolment and access to public services.

He also sought UNICEF’s cooperation in strengthening teachers’ capacity through digital training and learning tools to improve the quality of education. The State Minister highlighted initiatives promoting multilingual learning, sports, culture, museum visits and extracurricular activities as essential components of children’s holistic development.

Deputy Executive Director Ted Chaiban congratulated Bangladesh’s newly elected Government and also welcomed the country’s election to the presidency of the 81st Session of the United Nations General Assembly. He commended the Government’s ambitious initiatives to protect vulnerable populations, particularly children and women, despite significant fiscal constraints. Welcoming the priorities outlined during the meeting, he reaffirmed UNICEF’s commitment to strengthening its partnership with Bangladesh in education, early childhood development, nutrition, social protection, teacher capacity-building and child-focused data systems.

#

Press NYPM/Tanvir/Atik/Ali/Kamal/2025/1110 Hrs.


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯০

কৃষক কার্ডের পাইলট কর্মসূচিতে চলতি বছরে ৪৩ লাখ কৃষকের তথ্য সংগ্রহের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে

-কৃষিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষক কার্ডের পাইলট কর্মসূচিতে চলতি বছরে ৪৩ লাখ কৃষকের তথ্য সংগ্রহের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গতকাল চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের মধ্যম কচুয়াই ব্লকে কৃষক কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে। এর ফলে দেশের কৃষি খাতের একটি সমন্বিত ও আধুনিক তথ্যভান্ডার গড়ে উঠবে, যা ভবিষ্যতে কৃষি পরিকল্পনা ও সেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, গত ১৬ জুলাই থেকে দেশব্যাপী কৃষক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নিবন্ধনের তথ্য অনলাইনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত হচ্ছে এবং কন্ট্রোল রুম থেকে তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গতকাল দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৪৫ হাজার কৃষক নিবন্ধিত হয়েছেন এবং এই সংখ্যা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে।

মন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ড কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকের জন্য নয়; দেশের সব কৃষকই পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচির আওতায় আসবেন। কৃষকের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ, উৎপাদন বৃদ্ধি, বাজারের চাহিদার সঙ্গে সমন্বয় এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতেই সরকার কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, দেশে বড়, মাঝারি, ক্ষুদ্র, ছোট, প্রান্তিক ও বর্গাচাষিসহ বিভিন্ন শ্রেণির কৃষক রয়েছেন। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে তাদের পূর্ণাঙ্গ তথ্যভান্ডার তৈরি করা হবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিটি শ্রেণির কৃষকের জন্য আলাদা প্রকল্প ও সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী তারা সরকারি সেবা ও সহায়তা সহজে পেতে পারেন।

কৃষি মন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক মানুষকে উৎপাদনে প্রয়োজনীয় সহায়তা সময়মতো পৌঁছে দেওয়া। বড় কৃষকরা যাতে বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা পান এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরাও প্রয়োজনভিত্তিক সহায়তা লাভ করেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে কৃষক যেন তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান, সে লক্ষ্যে উৎপাদন ও বাজারের চাহিদার মধ্যে সমন্বয় করা হবে।

আমিন উর রশিদ বলেন, কোন এলাকায় কোন ফসল সবচেয়ে ভালো উৎপাদিত হয়, কৃষক কার্ডের তথ্যভান্ডারের মাধ্যমে তা নির্ভুলভাবে জানা সম্ভব হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিশেষজ্ঞ কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে উৎপাদনের মান উন্নয়ন, রোগবালাই দমন এবং ফলন বৃদ্ধিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। এতে উৎপাদনের অপচয় কমবে এবং কৃষক লাভবান হবেন।

#

জাকির/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১১০০ ঘন্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯১

শিশু ও নারীর কল্যাণে বিনিয়োগ সুরক্ষায় ঋণসংকট মোকাবিলায়

জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান তিতুমীরের

নিউইয়র্ক, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই):

মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও অন্যান্য বৈশ্বিক অভিঘাতের ফলে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান রাজস্ব চাপ মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ঋণ পুনর্গঠন, ঋণ-ভার লাঘব, ঋণ পরিশোধ স্থগিত এবং ঋণসংকটের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে শিশু ও নারীর কল্যাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখতে সহায়তা করবে এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের অগ্রগতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গতকাল নিউইয়র্কে ইউনিসেফ সদরদপ্তরে সংস্থাটির মানবিক কার্যক্রম ও সরবরাহ বিভাগের উপনির্বাহী পরিচালক টেড শেইবানের সঙ্গে বৈঠকে তিতুমীর বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের ফলে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান ঋণের চাপ বাংলাদেশের রাজস্ব সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত করেছে। তা সত্ত্বেও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ দর্শনের আলোকে একটি গণতান্ত্রিক মানবকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার নারী, শিশু ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ। বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী উপস্থিত ছিলেন।

তিতুমীর বলেন, নতুন সরকার নারীকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে সর্বজনীন জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। তিনি জানান, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে গর্ভাবস্থা, শিশুর বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, প্রতিবন্ধিতা ও বার্ধক্যসহ জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সহায়তা দেওয়া হবে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী নির্ভরযোগ্য ও সমন্বিত তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরে সরকারের প্রস্তাবিত ‘এক শিশু, এক কার্ড, এক নম্বর ও এক ওয়ালেট’ কৌশলের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন, বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং সরকারি সেবাপ্রাপ্তিকে আরো কার্যকর ও সমন্বিত করা হবে।

তিনি শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ডিজিটাল প্রশিক্ষণ ও আধুনিক শিক্ষাসামগ্রী ব্যবহারের মাধ্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউনিসেফের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি বহুভাষাভিত্তিক শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি, জাদুঘর পরিদর্শন এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমকে শিশুদের সার্বিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন।

ইউনিসেফের উপনির্বাহী পরিচালক টেড শেইবান বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানান এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকেও স্বাগত জানান। তিনি সীমিত রাজস্ব সক্ষমতা সত্ত্বেও শিশু ও নারীসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কল্যাণে সরকারের গৃহীত উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন। শিক্ষা, প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুকেন্দ্রিক তথ্যব্যবস্থা উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউনিসেফের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন।

#

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/তানভীর/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১০৫০ ঘন্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন