কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬ এ ০৯:৪২ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২৮-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২৮-০৭-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৬২
সমাজে শ্রেণি বৈষম্য দূর করতেই এ সরকার কাজ করে যাচ্ছে --- ভূমিমন্ত্রী
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই):
মাত্র ১২৫ টাকা খরচ করে কোনো প্রকার উৎকোচ বা তদবির ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সরকারি চাকরিতে যোগদানকারী নতুন পেশকারদের মনোভাবের প্রশংসা করে ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, সমাজে শ্রেণি বৈষম্য দূর করতেই এ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। দুঃখী মানুষের কল্যাণ এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি বাবা-মা ও শিক্ষকদের সম্মান রক্ষা করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও সততার সাথে দেশের ও জনগণের জন্য কাজ করতে নবযোগদানকৃতদের প্রতি আহ্বান জানান।
আজ ঢাকার তেজগাঁও ভূমি ভবনের ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় সেমিনার হল রুমে নবযোগদানকৃত কর্মচারীগণের (পেশকার) ওরিয়েন্টেশন শীর্ষক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশের বিগত ২০ বছরের মধ্যে এত সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার কোনো রেকর্ড নেই। কোনো ধরনের তদবির ছাড়াই মাত্র ১২৫ টাকা খরচ করে আপনারা যারা চাকরি পেয়েছেন এবং আপনাদের অভিজ্ঞতার যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা সত্যিই আমাদের মুগ্ধ করেছে। বিগত ২০ বছর ধরে এ দেশ দুর্নীতি ও অনিয়মে জর্জরিত ছিল।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, নির্বাচনের আগে ঘোষিত ৩১ দফা অনুসরণ করেই সরকার দেশে সর্বপ্রথম ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে আত্মনিয়োগ করেছে। ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে কর্মরত গুটিকয়েক দুষ্টু লোকের দুর্নীতির বোঝা পুরো ভূমি ব্যবস্থাপনাকে টানতে হয়। তাই সকলকে দুর্নীতিমুক্ত থেকে সততার সাথে কাজ করতে হবে।
জনগণের অধিকারের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা সরকারি সেবা নিতে অফিসে আসেন, সেই জনগণই হলো এদেশের প্রকৃত মালিক। কাজেই আপনাদের অনুভব করতে হবে এই জনগণই প্রজাতন্ত্রের মালিক এবং তাদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করতে হবে। বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ অন্তরে ধারণ করে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) মো. আবদুল্লাহ আল বাকী, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরী। এছাড়া অনুষ্ঠানে নবযোগদানকৃত পেশকারসহ ভূমি রেকর্ড জরিপ অধিদপ্তর ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
আসাদুজ্জামান/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/মোশারফ/কনক/জয়নুল/২০২৬/২০১০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৫৮
উন্নয়ন কাজে অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকলিস্টেড করা হবে
--- গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই):
গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেছেন, সততা বজায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে কিংবা প্রকল্পে কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে টেন্ডার বাতিল করা হবে।
আজ সেগুনবাগিচায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উন্নয়নমূলক কাজ ও বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠু ও সততার সাথে হচ্ছে কি না, তা পরিদর্শনের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি দলের পাশাপাশি একটি নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমেও যাচাই করা হবে। উন্নয়ন কাজে কোনরূপ অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে সেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ব্লাকলিস্টেড করা হবে। তিনি আরো বলেন, দেশকে দূর্নীতিমুক্ত করে নতুনভাবে সাজাতে কম মুনাফায় সর্বোচ্চ মান ঠিক রেখে প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করতে হবে।
সভায় ঠিকাদারি ও নির্মাণ কাজে যাতে কোনোরকম অনিয়ম-দুর্নীতি না হয় সে বিষয়ে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টদের সচেতন করা হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম ও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোসাঃ ফেরদৌসী বেগম, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য মোঃ আব্দুল গোফফার, প্রকৌশলী আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহজালাল মজুমদার, পরিচালক ফকির মুহাম্মদ মুনাওয়ার হোসেন, মোঃ মেহেদী হাসানসহ জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা, প্রকৌশলী এবং জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নিবন্ধিত ঠিকাদারদের প্রতিনিধিবৃন্দ।
#
আলমগীর/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/মোশারফ/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৮৫০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৫৭
বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী রাশিয়া
কম দামে দিতে চায় ইউরিয়া সার
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই):
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে রাশিয়া। রাশিয়া থেকে কম দামে ইউরিয়া সারসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য আমদানির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য; শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ান ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত (ভারপ্রাপ্ত) Vyacheslav Sentyurin -এর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ গুরুত্ব পায় খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি সহযোগিতা, সার সরবরাহ এবং সরকার-টু-সরকার (G2G) বাণিজ্য সম্প্রসারণ।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত গম ও মিউরিয়েট অব পটাশ (MOP) সার সরবরাহে রাশিয়ার সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু। আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রাশিয়ার প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (BCIC) এর মাধ্যমে সরকার-টু-সরকার ভিত্তিতে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিকটন ইউরিয়া সার সরবরাহের আগ্রহের কথা জানায়। প্রতিনিধিদল জানায়, বাংলাদেশ বর্তমানে যেসব দেশ থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করে তার তুলনায় প্রতি মেট্রিকটনে ১০ মার্কিন ডলার কম দামে সার সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। এ সহযোগিতা বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন নির্ভরযোগ্য সার সরবরাহ নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে আমদানি ব্যয় কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (TCB) এবং রাশিয়ার জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গের মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের (MoU) আওতায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।
রাশিয়ার পক্ষ থেকে বাংলাদেশে সূর্যমুখী তেল, হলুদ মটরশুঁটি, ছোলা, লাল মসুর ডাল, সবুজ মসুর ডালসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সরবরাহে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। তারা বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও বাজার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেয়।
মন্ত্রী রাশিয়ার বাণিজ্য সম্প্রসারণের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি করা হবে। বৈঠকে উভয়পক্ষ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরো শক্তিশালী করতে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়।
#
কামাল/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/মোশারফ/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৮১০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৫৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই):
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সাথে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)-এর বাংলাদেশে নবনিযুক্ত চিফ অব মিশন Dr. Laura Tomm-Bonde সাক্ষাৎ করেন।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আইওএম-এর সঙ্গে দুই দশকের দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব জোরদার, জাতীয় মানবপাচার বিরোধী প্রচেষ্টা শক্তিশালীকরণ, সাইবার প্রযুক্তিনির্ভর মানবপাচার রোধ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে আইওএম মিশন প্রধান জানান, সংস্থাটির ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল উগোচি ড্যানিয়েল আগামী ১ থেকে ৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করবেন। তিনি উগোচি ড্যানিয়েলের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষ্যে আগামী ৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ইউএন হাউজ বাংলাদেশে আয়োজিত বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান।
মন্ত্রী নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনকে বাংলাদেশে স্বাগত জানান এবং মানবপাচার প্রতিরোধ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিকাশ ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক দিকনির্দেশনা ও পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইওএম-এর যৌথ উদ্যোগে প্রণীত ‘সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা’ কৌশলের জাতীয় বৈধকরণ কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোয় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। একইসাথে বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর বিশেষ শাখা-সহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানে আইওএম-এর অঙ্গীকার পুনর্নিশ্চিত করা হয়।
পাশাপাশি বৈঠকে বাংলাদেশে মানবপাচার প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মূল ভূমিকা এবং আইওএম-এর কারিগরি সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়। আইওএম-এর পক্ষ থেকে নীতি সহায়তা, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক তহবিল সংগ্রহের প্রতিশ্রুতি পুনরায় ব্যক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার বাংলাদেশ মিশনের প্রধান হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর Dr. Laura Tomm-Bonde -এর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে এটিই প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, আইওএম’র ন্যাশনাল কনসালটেন্ট (গভর্মেন্ট) ড. এস এম মোরশেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
#
ফয়সল/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/মোশারফ/কনক/জয়নুল/২০২৬/১৮০০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৫৪
স্বচ্ছ ও কার্যকর কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন
--পরিবেশমন্ত্রী
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই):
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বাংলাদেশ কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্ক’-এর ওপর আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক কার্বন মার্কেট বাংলাদেশের জন্য জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তবে এ মার্কেটের কার্যক্রমে পরিবেশগত অখণ্ডতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ন্যায্য সুবিধাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বাস্তবায়নে কার্বন মার্কেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও অপসারণ কার্যক্রমের সঠিক হিসাব, যাচাই এবং আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
প্যারিস চুক্তির আওতায় Article 6 Designated National Authority (A6 DNA) হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বিশ্বব্যাংকের Partnership for Market Implementation (PMI) কর্মসূচির সহযোগিতায় ‘বাংলাদেশ কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্ক’ খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বেসরকারিভাবে বাংলাদেশে কার্বন ট্রেডিং সীমিত পর্যায়ে শুরু হলেও সরকারিভাবে আমরা এখনও শুরু করতে পারিনি। যতটা দ্রুত সম্ভব এটা শুরু করতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে উপকূলীয় এলাকায় ২ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। সেটা থেকে কিভাবে বাংলাদেশ কার্বন ক্রেডিট পেতে পারে সেটা নিয়ে আমরা কাজ করছি।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মোঃ সাইমুম পারভেজ বলেন, কার্বন মার্কেটে আমরা এখনও প্রবেশ করতে পারিনি। দ্রুততম সময়ে কিভাবে কার্বন মার্কেটে প্রবেশ করা যায় সে বিষয়ে কাজ করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে পরামর্শ দেন।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফাহমিদা খানমের সভাপতিত্বে সভায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, রেলপথ মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, সেতু বিভাগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা বিভাগ, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা প্রস্তাবিত ফ্রেমওয়ার্কের বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন। প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করে ‘বাংলাদেশ কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্ক’ চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।
#
তোফাজ্জল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/মোশারফ/কনক/লিখন/২০২৬/১৬৩০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৫৩
হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই):
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৯৯ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০৫ জন।
১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৪৪১ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২৩৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৩।
গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৩৩ এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৫।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/রোকন/সফি/২০২৬/১৫০৭ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৫২
জুলাই গণ-অভ্যূত্থান দিবস ২০২৬ পালন উপলক্ষ্যে কর্মসূচি
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই):
আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যূত্থান দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। ঢাকাসহ সকল সিটি কর্পোরেশনের মিনিপোলগুলোতে জুলাই আন্দোলনের ওপর বস্তুনিষ্ঠ ও নৈর্ব্যত্তিক দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া, দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি বেতার ও টিভি চ্যানেলে এফএম ও কমিউনিটি রেডিওতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কিত আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজনসহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হবে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে এবং রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী প্রদান করবেন। এ উপলক্ষ্যে সংবাদপত্রসমূহে বিশেষ নিবন্ধ-সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
৫ আগস্ট ঢাকায় বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। আগামী ৩০ জুলাই সকাল ১০:০০ টায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তথ্য ভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানটিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সভাপ্রধান হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। দেশের সকল জেলায়ও জুলাই শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে অনুরূপ আয়োজন করা হবে। এছাড়া, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করবে।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো একই দিনে বাদ জোহর বা সুবিধাজনক সময়ে সারাদেশে বিশেষ মোনাজাত/প্রার্থনার আয়োজন করবে।
ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানে সজ্জিত করা হবে। জুলাই স্মৃতিস্তম্ভসমূহ আলোক সজ্জিত করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হবে।
দিনটিতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘরসমূহ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকিটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিনোদনমূলক স্থান শিশুদের জন্য সকাল-সন্ধ্যা উন্মুক্ত রাখা এবং বিনা টিকিটে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে দেশের সকল সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে।
#
ওয়ালুল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/রোকন/আলী/মিজান/২০২৬/১৪৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৫১
সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ, (২৮ জুলাই):
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, প্রথম ১৮০ দিনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরো কার্যকর করা, নগর ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি আরো বলেন, এসব কার্যক্রমের বাস্তব অগ্রগতি এবং জনগণের ওপর এর ইতিবাচক প্রভাব যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে হবে। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী ক্ষমতায়ন, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগসমূহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রি আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রণীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোর অর্জন, চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা যেন তথ্যভিত্তিক ও বাস্তবসম্মতভাবে উপস্থাপিত হয়, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে গৃহীত কার্যকর পদক্ষেপগুলোও ১৮০ দিনের অর্জনের অংশ হিসেবে গুরুত্বের সাথে উপস্থাপন করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, জনকল্যাণভিত্তিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনই সরকারের মূল লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ দর্শনের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী ঢাকা মহানগরীসহ সারা দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরো আধুনিক, সমন্বিত ও টেকসই করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।
#
ফয়সাল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৪১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৫০
বেসামরিক বিমান পরিবহন এবং পর্যটন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সাক্ষাৎ
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই):
আজ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত-এর সাথে সাক্ষাৎ করেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা UNO Yoshimasa।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের অবকাঠামো ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জাপানের অবদান নিয়ে আলোচনা হয়।
এসময় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উদ্বোধনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সকল প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি যথাসময়ে সম্পন্ন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৬ ডিসেম্বরকে সম্ভাব্য উদ্বোধনের তারিখ বিবেচনায় রেখে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দ্রুত Operational Readiness and Airport Transfer (ORAT) কার্যক্রম শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, ORAT কার্যক্রম শুরু করতে জাপানিজ স্টেকহোল্ডার ওয়ার্কিং গ্রুপের পক্ষ থেকে আগামী মাসে দরপত্র দাখিল সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম পুরোনো ও বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজেও জাপানি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে টার্মিনালটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করতে তিনি জাপানের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা আরো জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পসহ চলমান বিভিন্ন উদ্যোগে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভা শেষে পুনরায় ঢাকা-নারিতা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পরিচালনা উপলক্ষ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টাকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের Boeing 787 Dreamliner-এর প্রতিকৃতি উপহার হিসেবে প্রদান করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী।
#
তরিকুল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/সাঈদা/রোকন/আলী/আমিরুল/২০২৬/১৩৩০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৪৯
আবহাওয়ার সতর্কবার্তা
সমুদ্রবন্দরসমূহকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশ
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই):
উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে সরে গিয়ে আজ সকাল ৬ টায় পশ্চিমবঙ্গ-উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করে বর্তমানে উত্তর উড়িষ্যা এবং তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ উপকূল এলাকায় অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর এবং ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশর উপকূলীয় এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের এর বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।
#
হাছান/খাদীজা/মারুফা/তারানা/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১৪০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৪৮
নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এআইভিত্তিক ডেটা বিশ্লেষণ ব্যবস্থার উদ্যোগ
১০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে আগাম সংকট শনাক্ত করবে প্রযুক্তি
- বাণিজ্যমন্ত্রী
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই):
দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল পণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক ডেটা বিশ্লেষণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থা বর্তমানে কৃষি, খাদ্য, শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের সংবেদনশীল পণ্য নিয়ে কাজ করছে। এসব পণ্যের কোনটি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত, কোনটি আমদানিনির্ভর এবং কোনটির ক্ষেত্রে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানির সমন্বয় রয়েছে-সেগুলো বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা প্রয়োজন।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ই-কমার্স বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আতাউর রহমান খান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ অনেক সময় সরবরাহ সংকট। কোনো পণ্যের উৎপাদন বা আমদানি উৎসে সমস্যা তৈরি হলে যাতে হঠাৎ সরবরাহ ঘাটতি তৈরি না হয়, সে জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্বের যেসব দেশ থেকে পণ্য আমদানি করা হয়, সেসব দেশের উৎপাদন পরিস্থিতি ও রপ্তানি সক্ষমতাও বিবেচনায় নিতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, একসময় একটি তথ্য পেতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করতে হতো এবং আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় লাগত। এআই ১০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে কয়েক মিনিটের মধ্যে সম্ভাব্য পরিস্থিতি তুলে ধরতে পারবে। তিনি জানান, এআই ব্যবস্থা আগাম জানাতে পারবে-কোন সময়ে কোন পণ্যের ঘাটতি তৈরি হতে পারে, কোন দেশ থেকে আমদানি করা সুবিধাজনক হবে, কোন দেশের রপ্তানি সক্ষমতা কতটুকু রয়েছে এবং কখন ক্রয় করলে বাজার সুবিধা পাওয়া যাবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সারা বছর গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একা এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে না জানিয়ে তিনি বলেন, কৃষি ও খাদ্যসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে। যেসব সংস্থা এ কার্যক্রমে যুক্ত থাকবে, তারা প্রয়োজনীয় তথ্য ব্যবহারের সুযোগ পাবে। এআই প্রযুক্তির কার্যকারিতা বাড়াতে নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস নিশ্চিত করা জরুরি। সরকারি তথ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ওপেন সোর্স ও সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক তথ্য উৎস ব্যবহার করে একটি সমৃদ্ধ ডেটাবেজ তৈরি করবে।
দ্রুত ও সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য জানিয়ে তিনি বলেন এর মাধ্যমে দেশের বাজার ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে।
সভায় ই-কমার্স খাতের উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর বাজার ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়।
#
কামাল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১৪৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৪৭
দেশে টেক্সটাইল ও পাট খাতে বৃহৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই):
দেশের বস্ত্র ও পাট খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান সানকো। প্রতিষ্ঠানটি দেশের মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩০ কোটি ডলার) বিনিয়োগ করে একটি সমন্বিত টেক্সটাইল উৎপাদন সুবিধা গড়ে তুলতে চায়।
আজ সচিবালয়ে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাথে সানকোর প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এ বিনিয়োগ পরিকল্পনার বিষয়টি জানানো হয়। বৈঠকে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সানকোর প্রতিনিধিরা জানান, বাংলাদেশে তাদের বিদ্যমান ব্যবসায়িক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদার ভিত্তিতে তারা স্থানীয়ভাবে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে আগ্রহী। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি তুরস্ক থেকে টেক্সটাইল পণ্য সরবরাহ করলেও বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বাজার, দক্ষ শ্রমশক্তি এবং রপ্তানি সক্ষমতার কারণে দেশে উৎপাদন স্থাপনের পরিকল্পনা করছে।
সানকো প্রতিনিধি দল জানায়, প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় কাপড় উৎপাদন, ফ্যাব্রিক প্রসেসিং এবং উচ্চমূল্যের (ভ্যালু অ্যাডেড) টেক্সটাইল পণ্য তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতে মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা আরো বাড়বে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা বলেন, বাংলাদেশে তাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রেতা রয়েছে। স্থানীয় উৎপাদন সুবিধা চালু হলে নতুন আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের বাংলাদেশে আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দেশের বিদ্যমান টেক্সটাইল কারখানাগুলোও প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে উপকৃত হবে।
তারা আরো জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে সম্ভাব্য স্থান নির্বাচন ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত হলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করা হবে। নির্মাণকাজ শুরুর পর আনুমানিক ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে প্রকল্পটি চালুর লক্ষ্য রয়েছে। বৈঠকে সানকোর পক্ষ থেকে জ্বালানি সুবিধা, গ্যাস সংযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন দ্রুত নিশ্চিত করার বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করা হয়। তাছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী কয়লাবিহীন ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থাপনার বিষয়টিতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরে সানকোকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সরকার দেশের শিল্পখাতে বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করছে এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
#
কামাল/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/সাঈদা/রোকন/আলী/আমিরুল/২০২৬/১৩০০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪৪৬
বন্দর অবকাঠামোউন্নয়নে কাতার সরকারকে বিনিয়োগের আহ্বান নৌপরিবহন মন্ত্রীর
ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ(২৮ জুলাই):
নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সাথে গতকাল ঢাকায় সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত Seraya Ali Al-Qahtani সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বন্দর উন্নয়ন, সামুদ্রিক বাণিজ্য, লজিস্টিকস, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের বন্দর অবকাঠামোর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সরকার কাজ করছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন, টার্মিনাল নির্মাণ, লজিস্টিকস এবং সংশ্লিষ্ট খাতে কাতারের বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রী কাতারকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু উল্লেখ করে উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামী দিনে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরো বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কাতারের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বন্দর ও নৌপরিবহন খাতের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এ খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও কাতারের জনগণের কল্যাণে বন্দর, নৌপরিবহন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একইসাথে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎকালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়াসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
আরিফ/খাদীজা/মারুফা/তারানা/তানভীর/আতিক/সাঈদা/আলী/কামাল/২০২৬/১২৪৫ ঘণ্টা