কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ১০:১৬ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ০৪-০২-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০৫-০২-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৩২
চিকিৎসাধীন মোহনাকে দেখতে হাসপাতালে বিমান উপদেষ্টা
গাজীপুর, ২১ মাঘ (৪ ফেব্রুয়ারি):
গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোহনার (১১) চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন; বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
উপদেষ্টা আজ মোহনাকে দেখতে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপস্থিত হন। এসময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হুমায়রা সুলতানা, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন এবং শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা মোহনার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকদের কাছ থেকে বিস্তারিত খোঁজ নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। এ সময় শিশুটির চিকিৎসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এ সময় উপদেষ্টা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস মোহনার খোঁজ নিতে তাকে পাঠিয়েছেন। মোহনাকে অভয় দিয়ে বলেন, সরকার তার পাশে আছে।
প্রধান উপদেষ্টা এসময় বাণিজ্য উপদেষ্টাকে ফোন করে মোহনার শারীরিক কুশলাদি সম্পর্কে জানতে চান।
শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, একটি শিশুর প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা কোনো সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না। দুনিয়া ও আখিরাতে নিষ্ঠুর ব্যক্তিরা শাস্তি পাবে। এ সময় উপদেষ্টা মোহনার বাবা মোস্তফাকে একটি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, শারীরিক নির্যাতনের শিকার মোহনাকে গত ৩১ জানুয়ারি গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সাফিকুর রহমানকে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে গত ২ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করা হয়।
#
কামাল/পবন/তাহমিনা/মেহেদী/সঞ্জীব/রফিকুল/শামীম/২০২৬/২০৫৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৩১
সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতির কারণে
নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুজ্জামান সাময়িক বরখাস্ত
ঢাকা, ২১ মাঘ (৪ ফেব্রুয়ারি):
ছয় কোটি একত্রিশ লাখ সাতানব্বই হাজার টাকা সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতির কারণে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) মোঃ সাইফুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
গতকাল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মোঃ সাইফুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) (চলতি দায়িত্ব), লালমনিরহাট গণপূর্ত বিভাগ (সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪, ঢাকা) ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪ এ কর্মরত থাকাকালে ‘বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের জন্য রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্প’র মূলধন অংশের ‘অনাবাসিক ভবন’ খাতে কাজ (W-1) প্যাকেজের সিভিল কাজ DPP বা RDPP বা HOPE এর অনুমোদন ব্যতিরেকেই বিধি-বহির্ভূতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি প্যাকেজকে আটটি প্যাকেজে বিভাজন করে ইজিপি-এর মাধ্যমে টেন্ডার আহ্বান করে ছয় কোটি একত্রিশ লাখ সাতানব্বই হাজার টাকা খরচ করে।
বিভাজিত আটটি প্যাকেজের কাজের বিপরীতে তার দায়িত্ব পালনকালে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে প্রদত্ত বিলের বিপরীতে কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এ সকল কাজে (W-1) প্যাকেজ বাস্তবায়নের জন্য নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (NDEL) ব্যতীত অন্য আটটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ৬৩১ দশমিক ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে ও কাজ বাস্তবায়ন ছাড়া বিল পরিশোধ করা হয়েছে, যা সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতি।
মোঃ সাইফুজ্জামানকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(১) অনুযায়ী ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ হতে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকী ভাতা প্রাপ্য হবেন।
#
আলমগীর/পবন/তাহমিনা/ফেরদৌস/মেহেদী/সঞ্জীব/কনক/শামীম/২০২৬/১৯৩০ ঘণ্টা
তথ্যববিরণী নম্বর: ২৪৩০
ইনফোসরকার-৩ পরিচালনার পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ চুক্তি সংশোধন
টেকসই রাজস্ব কাঠামো ও জাতীয় ফাইবার ব্যবহারে স্পষ্ট নীতি
ঢাকা, ২১ মাঘ (৪ ফেব্রুয়ারি):
আইসিটি বিভাগের অধীন জাতীয় অগ্রাধিকার প্রকল্প ইনফোসরকার-৩ এর পরিচালনার জন্যে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পুনঃআলোচনার মাধ্যমে এ চুক্তির একাধিক সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে রাজস্ব স্বার্থ ও জাতীয় ডিজিটাল অবকাঠামো ব্যবহারে কাঠামোগত পরিবর্তন এনেছে।
আগের চুক্তিতে ইনফোসরকার-৩ প্রকল্পের রাজস্ব ভাগাভাগির কাঠামো ছিল স্থির ও সীমিত। ইউনিয়ন পর্যায়ে আয় যতই বাড়ুক না কেন, সরকারের অংশ নির্দিষ্ট ১০ শতাংশ হারে সীমাবদ্ধ থাকত। প্রকল্পের সামগ্রিক আর্থিক সাফল্যের সঙ্গে সরকারের প্রাপ্তির কোনো সরাসরি সংযোগ ছিল না। একইভাবে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সক্রিয় ডিভাইস থেকে অর্জিত আয়ের ক্ষেত্রেও সরকারের অংশ ছিল তুলনামূলকভাবে কম এবং প্রকৃত ব্যবহার ও আয়ের বিস্তারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সংশোধিত চুক্তিতে এ কাঠামো পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন প্রকল্পের মাসিক মোট আয়ের উপর ভিত্তি করে স্তরভিত্তিক (slab-based) রাজস্ব ভাগাভাগি নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকারের অংশও বৃদ্ধি পাবে। ৫ কোটি টাকার কম আয়ে সরকারের অংশ ১৫ শতাংশ, ৫ থেকে ১০ কোটি টাকার আয়ে ২০ শতাংশ এবং ১০ কোটি টাকার বেশি আয়ে সরকারের অংশ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে। এর ফলে প্রকল্পের আর্থিক সাফল্য ও সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তির মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সক্রিয় ডিভাইস থেকে অর্জিত আয়ের ক্ষেত্রেও সরকারের অংশ ১০ শতাংশ এর বদলে ১৫ শতাংশে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আগের চুক্তিতে ফাইবার লিজিং, অব্যবহৃত ফাইবার কোর ব্যবহার, কিংবা ফাইবার ব্যাংক সংক্রান্ত কোনো সুস্পষ্ট বিধান ছিল না। এতে রাষ্ট্রের বিনিয়োগে গড়ে ওঠা বৃহৎ ফাইবার অবকাঠামো কার্যত একটি নির্দিষ্ট প্রকল্পের মধ্যেই আবদ্ধ ছিল এবং জাতীয় পর্যায়ে ফাইবার পুনর্ব্যবহারের সুযোগ সীমিত ছিল।
সংশোধিত চুক্তিতে প্রথমবারের মতো অব্যবহৃত (dark) ফাইবার কোর লিজিংয়ের বিষয়টি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন এই ফাইবার সরকারি সংস্থা, মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং জাতীয় ফাইবার ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যবহারের সুযোগ পাবে। একইসঙ্গে চুক্তিতে বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান পরিচালনা, ভবিষ্যৎ ব্যান্ডউইথ সম্প্রসারণ, সরকারি প্রকল্পের সংযোগ এবং জরুরি ব্যবহারের জন্য যৌক্তিক পরিমাণ ফাইবার সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ন না হয়।
আগের চুক্তিতে জাতীয় ফাইবার ব্যাংক বা অনুরূপ কোনো উদ্যোগের সঙ্গে এ প্রকল্পের সম্পর্ক স্পষ্ট না থাকায় ভবিষ্যতে চুক্তির স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি ছিল। সংশোধিত চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ফাইবার ব্যাংক বা ফাইবার শেয়ারিং ব্যবস্থাকে ইনফোসরকার-৩ PPP চুক্তি বাতিল, পরিবর্তন বা একতরফাভাবে সংশোধনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এতে একদিকে বিনিয়োগ নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে, অন্যদিকে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল অবকাঠামোগত স্বার্থ সংরক্ষিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইনফোসরকার-৩ একটি রাষ্ট্রনির্মিত (state-built) জাতীয় অগ্রাধিকারভুক্ত ডিজিটাল অবকাঠামো প্রকল্প, যার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত একটি একক, সমন্বিত ও বাস্তব জাতীয় ফাইবার ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক নির্মাণ করা হয়।
#
জসীম/পবন/তাহমিনা/ফেরদৌস/মেহেদী/সঞ্জীব/কনক/জয়নুল/২০২৬/২০৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪২৯
জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা ও জনকল্যাণকে প্রাধান্য
দিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
রাজশাহী, ২১ মাঘ (৪ ফেব্রুয়ারি):
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননিরাপত্তা ও জনকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
উপদেষ্টা আজ রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬’ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ নির্দেশ দেন।
নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে সবাইকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তি, দল, কিংবা রাজনৈতিক কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নে কেউ জড়িত হতে পারবেন না। উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে আইন, বিধি, জননিরাপত্তা, জনসেবা ও জনকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বই হবে এই নির্বাচনের মূল শক্তি। নিবার্চনে যারা নীতিবিবর্জিত কাজ করবে, লোভের বশবর্তী হয়ে অন্যায় কাজ করবে, দায়িত্ব এড়িয়ে চলবে, দায়িত্ব অবহেলা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একইভাবে প্রার্থী বা তাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে কোনো প্রকার অর্থ বা অন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করা থেকে পুরোপুরি বিরত থাকতে হবে এবং রাখতে হবে। এমনকি কোনো প্রকার আহারও গ্রহণ করা যাবে না।
রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, ভোট দেওয়ার বুথসহ প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে স্বচ্ছ ও নির্বাচনের পরিবেশ উপযোগী করে প্রস্তুত রাখতে হবে। ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার মূল রাস্তা যাতে মসৃণ ও যাতায়াত উপযোগী থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনি সরঞ্জামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ এগুলো যাতে যথাসময়ে ভোটকেন্দ্র পৌঁছানো যায়- সেটি নিশ্চিত করতে হবে। মোদ্দাকথা, নির্বাচন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সহযোগিতা ও লজিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিত করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আশাপ্রদ মনোভাব ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি বলেন, ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান আমাদের ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে, বৈষম্যমুক্ত ও সৌহার্দপূর্ণ নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুযোগ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, সততা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা রাষ্ট্রের কর্মচারী হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যিনি ফাঁকি দেবেন, তিনি নিজের বিবেকের পাশাপাশি জনগণের নিকট দায়ী থাকবেন। সিনিয়র সচিব এসময় সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, র্যাব-এর মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (অপরাধ ও অপস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তৃতা করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান।
চলমান পাতা-২
পাতা-২
মতবিনিময় সভায় রাজশাহী বিভাগের সকল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও বিজিবির রাজশাহী বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল উপ-পুলিশ কমিশনার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, খুলনা বিভাগের মতো রাজশাহী বিভাগেরও নির্বাচনি প্রস্তুতি ভালো। নির্বাচনি সহিংসতা বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দু’একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচনি সহিংসতা অন্যান্য বারের তুলনায় অনেক কম। নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর ও ভালো রয়েছে। তিনি আরো বলেন, এবারের নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ১ লাখ, বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী ৫ হাজার, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০ (স্থলভাগ-১ হাজার ২৫০), বাংলাদেশ পুলিশ ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, র্যাব ৭ হাজার ৭০০, এবং সাপোর্ট সার্ভিস হিসেবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ১৩ হাজার ৩৯০ জন সদস্য। সবমিলিয়ে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠানে আমরা আশাবাদী।
#
ফয়সল/পবন/তাহমিনা/ফেরদৌস/মেহেদী/সঞ্জীব/কনক/শামীম/২০২৬/১৯৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪২৮
ফ্যাসিবাদের করুণ পরিণতির কথা মাথায় রেখে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
খুলনা, ২১ মাঘ (৪ ফেব্রুয়ারি):
ফ্যাসিবাদের করুণ পরিণতির কথা মাথায় রেখে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবঃ) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
উপদেষ্টা আজ খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬’ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে খুলনা বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ নির্দেশ দেন।
উপদেষ্টা বলেন, বিগত ১৬ বছর ফ্যাসিবাদের বীজ বপন হয়েছিল অস্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। রাষ্ট্রের পুরো যন্ত্র পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেছিল। জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রতিটি কাঠামোকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছিল। স্বৈরতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল। এর ফলস্বরূপ একনায়কতন্ত্র, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদি কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তির জন্য ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থান ঘটায়। তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়ার মদদদাতা, ইন্ধনদাতা, পক্ষপাতিত্বকারী, সহায়তাকারী ও প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারীরা কেউ কেউ অনেকেরই পূর্ব পরিচিত। তারা সরকার যন্ত্রেরই অংশ ছিলো। আজকে তাদের অনেকের করুণ পরিণতি সম্পর্কে সবাই অবহিত আছেন। অনেকে চাকরিচ্যুত, অনেকে পলাতক, দেশান্তরিত, জেলে আছেন, আইন-আদালত ফেস করছেন। এমনকি তাদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনরাও আজ কঠিন পরীক্ষার ভিতর দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে বিষয়টি গভীরভাবে অনুধাবন করে সংশ্লিষ্ট সবাই সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে এদেশের আপামর জনগণ, রাজনৈতিকদলসহ সর্বমহলের প্রত্যাশা অনেক। সেই প্রত্যাশা পূরণে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব আপনাদের কাঁধে। তিনি বলেন, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে এমন এক মানদণ্ড স্থাপিত হবে, যা শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হবে। উপদেষ্টা এসময় সামান্যতম ভুল বা বিচ্যুতি যাতে নির্বাচন তথা দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে না পারে এবং জনগণের আস্থা হারাতে না পারে সেদিকে সজাগ ও সতর্ক থাকার জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। তাছাড়া কোনো ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম বা ব্যালট বাক্স ছিনতাই হলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার সহ সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেন।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবঃ) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি ‘কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল’ গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট যেকোনো অভিযোগ এ সেলে করা যাবে। তিনি বলেন, এ সমন্বয় সেলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি থাকবেন। এর মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের প্রতিটি মুহূর্তের তথ্য তাৎক্ষণিক আদান-প্রদান নিশ্চিত করতে হবে, যাতে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলা করা যায়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এবারের নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’-এর ব্যবহার যেটি ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) কর্তৃক প্রস্তুত করা হয়েছে। এর সঙ্গে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার সহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম যুক্ত থাকবে। উপদেষ্টা বলেন, অ্যাপটি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও এর দ্রুত প্রতিকার/নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে।
উপদেষ্টা আরো বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের দ্রুত প্রবেশপত্র প্রদান সম্পন্ন করতে হবে এবং ভোটকেন্দ্রে তাদের অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের দ্রুত পরিচয়পত্র প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। তারা নির্বাচন ও সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য চাইতে পারে। এ বিষয়ে তাদেরকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করতে হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পরিবেশ এমন উন্নত করতে হবে যাতে সবাই আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আসতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি বলেন, নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থেকে সততা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমাদের
‘স্টিল ফ্রেম অভ ব্যুরোক্রেসি’ নিশ্চিত করতে হবে যাতে কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও ফাঁকি দিতে না পারে। তিনি বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তীকাল থেকে বর্তমানে আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। বেশিরভাগ কর্মকর্তারাই বিদেশ সফর ও উন্নত প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন। রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দেয়া রাষ্ট্রের কর্মচারী হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, খুলনা বিভাগের নির্বাচনি প্রস্তুতি ভালো। সাংবাদিকদের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অপতথ্য বা মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করলে ভোটের পরিবেশ বিঘ্নিত হতে পারে। তিনি আরো বলেন, এবাবের তিনটি বিষয় নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে যা পূর্ববর্তী নির্বাচনসমূহে সম্ভব হয়নি। সেগুলো হলো নির্বাচন তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার (বডি ওর্ণ ক্যামেরা, সিসিটিভি, ড্রোন ইত্যাদি), আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও এনটিএমসি প্রণীত ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’ এর ব্যবহার। উপদেষ্টা এগুলোর সফল প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দেয়া সম্ভব হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, র্যাব (এসআইএফ)-এর মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (অপরাধ ও অপস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ বক্তৃতা করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান।
মতবিনিময় সভায় খুলনা বিভাগের সকল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আঞ্চলিক/জেলা/উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও বিজিবি’র খুলনা বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল উপ-পুলিশ কমিশনার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
#
ফয়সল/ তানভীর/সুর্বণা/আলী/শফি/২০২৬/১৪০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪২৭
নির্বাচন ও গণভোটের তথ্য পেতে ডায়াল করুন ৩৩৩
ঢাকা, ২১ মাঘ (৪ ফেব্রুয়ারি):
গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নাগরিকদের জন্য সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও যাচাইকৃত তথ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায় এটুআই এর ন্যাশনাল হেল্পলাইন
৩৩৩-এর মাধ্যমে বিশেষ তথ্যসেবা চালু করা হয়েছে। এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরো স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নাগরিকবান্ধব করা।
দেশের যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে টোল ফ্রি নম্বর ৩৩৩-তে কল করে ৯ প্রেসের মাধ্যমে নাগরিকরা সহজেই নির্বাচন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাবেন। এ সেবার আওতায় ভোটাররা ভোট প্রদানের নিয়ম ও পদ্ধতি, ভোটকেন্দ্রের অবস্থান, জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত তথ্য, নির্বাচনকালীন আচরণবিধি, প্রবাসী ভোটারদের ভোট প্রদানের নিয়ম, প্রতিবন্ধী, প্রবীণ ও নারী ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধার পাশাপাশি জরুরি নির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ নম্বর সম্পর্কে জানতে পারবেন।
এছাড়া, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ‘Smart Election Management BD’ ও ‘Postal Vote BD’ অ্যাপ ব্যবহারের পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হচ্ছে।
গত ১৬ জানুয়ারি থেকে পাইলট আকারে চালু হওয়া এ বিশেষ সেবার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ১ হাজার ৬৪৩ জন নাগরিক তথ্য ও সহায়তা গ্রহণ করেছেন।
একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য গ্রহণ, সম্ভাব্য অস্থিরতা আগাম শনাক্তকরণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করার একটি সহায়ক মাধ্যম হিসেবে ৩৩৩-এর ৯ নম্বর ব্যবহারের সম্ভাবনাও বিবেচনায় রয়েছে। তবে এটি সরাসরি পুলিশ কন্ট্রোল রুম হিসেবে কাজ করবে না, বরং একটি ‘Information Intake, Early Warning & Forwarding System’ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাপ্ত তথ্য ৯৯৯ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩-এর এ তথ্যসেবা নির্বাচন সংক্রান্ত বিভ্রান্তি, গুজব ও ভুল তথ্য প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং একটি স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
#
জসীম/তানভীর/সুর্বণা/আলী/শফি/২০২৬/১৪০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ১৪৯
টেলিভিশন চ্যানেলে স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য
সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া
ঢাকা, ২১ মাঘ (৪ ফেব্রুয়ারি):
সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:
মূলবার্তা:
“আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ‘বাংলা ইশারা ভাষা দিবস’। দিবসের মূল প্রতিপাদ্য-‘ইশারা ভাষার ব্যবহার, বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার’-সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।”
#
বরকাতুর/তানভীর/সুবর্ণা/আলী/শফি/২০২৬/১২১৫ ঘণ্টা
Handout Number: 2426
Bangladesh lauds UNDP’s role in development sector
New York, 4 February:
Bangladesh has reaffirmed its strong commitment to multilateralism and vowed to work in close partnership with the United Nations Development Programme (UNDP) for development in line with national priorities.
At the annual meeting of the Executive Board of UNDP, held on yesterday in UN Headquarters, Permanent Representative of Bangladesh to the United Nations Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury highlighted UNDP's crucial role in strengthening democratic participation and judicial reforms in Bangladesh.
Ambassador Chowdhury also emphasized the need for continued and predictable international support as Bangladesh prepares to graduate from the Least Developed Country (LDC) category. Furthermore, he stressed the need for new, additional and accessible climate finance to address loss and damage faced by
climate vulnerable countries.
Bangladesh also expressed support for ongoing UN reforms while emphasizing the importance of preserving UNDP's delivery mandate and country-level programming.
Ambassador Chowdhury congratulated the new UNDP Administrator Alexander De Croo for assuming his responsibility and reaffirmed Bangladesh's full support to his leadership.
#
Mission New York/Tanvir/Ali/Sofi/2026/1120 Hours
Handout Number: 2425
Bangladesh calls for people-centred policies and fair
finance to advance social development and social justice
New York, 4 February:
Bangladesh called for renewed global solidarity and people-centred policies to advance social development and social justice. Speaking at the sixty-fourth session of the Commission for Social Development (CSocD64) at the United Nations Headquarters in New York on yesterday, the Bangladesh Permanent Representative emphasized the need to build compassionate societies with equal opportunities for all.
Bangladesh Permanent Representative also highlighted the governments holistic development approach with a strong focus on rural development, women’s empowerment, youth development, social protection, climate resilience and inclusive finance.
Bangladesh also called for strengthened international support for debt relief, disaster response and protection of persons subjected to displacement due to persecution.
The sixty-fourth session of the Commission for Social Development (CSocD64) is being held at the United Nations Headquarters in New York from 02-10 February 2026.
Bangladesh is a member of the Commission for 2023-2027.
#
Mission New York/Tanvir/Ali/Sofi/2026/1110 Hours