কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬ এ ১০:১৩ PM

তথ্যবিবরণী ২৭ মার্চ ২০২৬

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২৭-০৩-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২৮-০৩-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৪৪

আমরা প্রত্যেকের জায়গা থেকে স্লোগান তুলবো তামাককে না বলি, জীবনকে হ্যাঁ বলি

- সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ):

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকে স্লোগান তুলবো তামাককে না বলি, জীবনকে হ্যাঁ বলি। তিনি বলেন, আমাদের দেশে যে পরিমাণ আইন আছে এতো আইন অন্য কোনো দেশে নেই। আইনের প্রতি আমাদের সচেতন হতে হবে তাহলে আমরা আইনকে সম্মান করতে পারবো।

প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে Youth Conference on Protecting Health of Women, Children and Youth from Tobacco Harms অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কিন্তু আমাদের দেশে কি ধর্ষণ কমেছে? তামাক বিরোধী আইন আছে। কিন্তু তামাক সেবন বন্ধ হয়নি। এখনো দেখা যায় মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে ধূমপান করছে। তাই দেশকে তামাকমুক্ত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধূমপান করা, তামাক সেবন করা মানুষের জীবনকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। এজন্য আমি ধূমপান করাকে পছন্দ করি না। তিনি বলেন, বিভিন্ন নিষিদ্ধ ড্রাগ কিডনিসহ নানা ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। যারা মাদককে না বলে তাদেরকে আমি সমর্থন করি।

ফারজানা শারমীন বলেন, আমাদের তরুণদেরকে বোঝাতে হবে, সচেতন করে তুলতে হবে। তাদেরকে বলতে হবে এ ধরনের ড্রাগ থেকে শরীরে নানা রোগের সৃষ্টি হয়। শরীর দুর্বল হয়, মেধার বিকাশ বাঁধাগ্রস্ত হয়। তিনি আরো বলেন, আজ আমরা এখানে যারা উপস্থিত হয়েছি আমাদের দেশের তরুণ যুবক, নারী ও শিশুকে রক্ষা করতে, পথভ্রষ্ট থেকে ফিরিয়ে আনতে। এজন্য তিনি প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবক থেকে তাদের ছেলে-মেয়েদের সচেতন করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি অনকোলজিস্ট এবং প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম মহিউদ্দীন ফারুক, টিচার্স ফোরাম এগেইনস্ট টোব্যাকোর সদস্য সাবিনা আকতার আরজু, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব শিবানী ভট্টাচার্য এবং বিসিআইসির সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান । প্রোগ্রামের বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন নারী মৈত্রীর টোব্যাকো কন্ট্রোল প্রজেক্ট এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর নাছরিন আকতার।

#

রফিকুল/পবন/মোশারফ/কনক/শামীম/২০২৬/২১৪৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৪৩

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের নাম ব্যবহার করে

বিভিন্ন ধরনের ফেসবুক পেজ/ফেসবুক গ্রুপের বিষয়ে সতর্কীকরণ

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ):

Barrister Kayser Kamal Fan’s নামে একটি ফেসবুক পেজ/ফেসবুক গ্রুপ (https://www.facebook.com/groups/1867170763594569) খোলাসহ কিছু ফেসবুক পেজ/ফেসবুক গ্রুপসমূহে বিভিন্ন ধরনের পোস্টের মাধ‌্যমে অপপ্রচার করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানানো যাচ্ছে যে, উক্ত ফেসবুক পেজ/ফেসবুক গ্রুপসমূহের সঙ্গে ডেপুটি স্পিকার কোনো প্রকার সম্পৃক্ততা নেই। তিনি এই ফেসবুক পেজ/ফেসবুক গ্রুপসমূহের কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত নন এবং এর কোনো কর্মকাণ্ডের দায়ভার তিনি গ্রহণ করেন না/করবেন না।

ডেপুটি স্পিকার শুধু তাঁর নিজস্ব ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ ব‌্যবহার করেন। তাঁর নামে পরিচালিত অন্য যেকোনো ফেসবুক পেজ/ফেসবুক গ্রুপ প্রতারণামূলক এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত

অতএব, উল্লিখিত ফেইক ফেসবুক পেজ/ফেসবুক গ্রুপের পোস্টে বিভ্রান্ত না হতে; উক্ত ফেসবুক পেজ/ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত হওয়া বা কোনো তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে। কেউ নিজে বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এ ধরনের অপপ্রচারে লিপ্ত থাকলে তিনি/তারা এর জন‌্য দায়ী থাকবেন।

উল্লিখিত অপপ্রচার ও প্রতারণামূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আজ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-2 থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

#

এমাদুল হক/পবন/মোশারফ/কনক/শামীম/২০২৬/২১৪৪ ঘণ্টা

Handout Number: 3042

Embassy of Bangladesh in Rabat Celebrates the Independence and National Day-2026

Rabat, 27 March :

The Embassy of Bangladesh in Rabat solemnly observed the Independence and National Day on 26 March 2026 with due respect. The day’s programme commenced in the morning with the ceremonial hoisting of the National Flag at the Chancery, led by the Ambassador of Bangladesh to Morocco, Her Excellency Sadia Faizunnesa.

The second segment of the programme was held in the afternoon and began with a recitation from the Holy Quran. This was followed by the rendition of the National Anthem, observance of one-minute silence, reading out of messages from the President, Prime Minister, Foreign Minister and State Minister for Foreign Affairs, screening of documentaries, cultural show and the offering of special prayer.

In her address, Ambassador Sadia Faizunnesa paid profound tribute to the valiant freedom fighters and the martyrs of the Liberation War of Bangladesh, recalling their immense sacrifices and heroic contributions that led to the independence of the country.

The Ambassador noted that the achievement of independence was not merely to place a flag on the map; it was founded on the vision of building a discrimination-free Bangladesh—democratic, peaceful, and prosperous, grounded in equality, justice, and human dignity.

Guided by the principle of “Bangladesh First,”, under the leadership of Prime Minister Tarique Rahman, the government is strengthening relations with neighbors and the international community based on mutual respect and shared interests, she added.

Bangladeshi expatriates and foreign nationals residing in Morocco, Moroccan citizens, as well as officials and staff of the Embassy, participated in the event. At the conclusion of the programme, guests were served traditional Bangladeshi cuisine.

#

Morocco/Paban/Mosharaf/Konok/Shamim/2026/2100 hrs.

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৪১

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর অংশগ্রহণে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল

ইস্তাম্বুল কর্তৃক ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬’ উদ্‌যাপন

ইস্তাম্বুল, ২৭ মার্চ:

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ইস্তাম্বুল গতকাল মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করেছে। এতে STRATCOM SUMMIT-এ অংশগ্রহণের জন্য ইস্তাম্বুলে সফররত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ আমানুল হক। ইস্তাম্বুল ও এতদঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পেশাজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং কনস্যুলেটের কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ স্বপরিবারে যোগদান করেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থা এবং ভিন্নমতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের গুরুত্ব তুলে ধরেন, যা একটি জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য। তিনি প্রবাসী কমিউনিটিকে বাংলাদেশে শিক্ষা ও অর্থনৈতিক খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। প্রবাসী কমিউনিটিকে বিদেশে অনানুষ্ঠানিক রাষ্ট্রদূত হিসেবে অভিহিত করে তিনি তুরস্কে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি উন্নয়নে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান। সরকার জনকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করবে বলে তিনি প্রবাসীদের আশ্বস্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরো গভীর ও বহুমাত্রিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কনসাল জেনারেল মীযানুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতাকে অর্থবহ ও টেকসই করতে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা এবং সকল প্রকার সামাজিক বৈষম্য ও অন্যায় থেকে মুক্তি অর্জন করতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।

#

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ইস্তাম্বুল/পবন/মোশারফ/কনক/শামীম/২০২৬/২০৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৪০

তুরস্ক সম্মেলনে শক্তিশালী গণমাধ্যম ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ):

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিশ্বাসযোগ্য যোগাযোগ, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের গুরুত্বারোপ করেছেন।

মন্ত্রী আজ ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন সামিট (STRATCOM) ২০২৬-এ একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেভদেত ইলমাজ এবং কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান বুরহানেত্তিন দুরান।

‘নতুন বৈশ্বিক কাঠামো : একটি যোগাযোগের দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী তুরস্ক সরকারকে সময়োপযোগী এ আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী ক্ষমতার পরিবর্তন এবং অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার প্রেক্ষাপটে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, কৌশলগত যোগাযোগ এখন শাসন ব্যবস্থার একটি কেন্দ্রীয় উপাদান হয়ে উঠেছে এবং রাষ্ট্রগুলোকে ক্রমেই তাদের যোগাযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা ও ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, অপতথ্য মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, বিশেষ করে একটি স্বাধীন ও পেশাদার গণমাধ্যম।

মন্ত্রী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, মতপ্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে এমন আইন পর্যালোচনা করা এবং একটি স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলাসহ বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রম আলোচনায় তুলে ধরেন। তিনি কৌশলগত যোগাযোগের জন্য বিশ্বাসযোগ্যতা, গণতান্ত্রিক সহনশীলতা এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার মতো তিনটি মূল নীতি তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের মতো একটি জনবহুল ও দ্রুত ডিজিটালাইজড দেশে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করতে তথ্যকে কৌশলগতভাবে বিকৃত করে ব্যবহার করা হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ মানবিক বিষয়গুলোতে তুরস্কের সমর্থনের প্রশংসা করেন। তিনি বক্তব্যের শেষে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক যোগাযোগ কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর কণ্ঠস্বর যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে।

প্যানেল আলোচনায় আরো অংশ নেন উত্তর সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাহসিন এরতুগ্রুলোগ্লু, সিরিয়ার তথ্য মন্ত্রী হামজা আলমুস্তাফা এবং কাজাখস্তানের সংস্কৃতি ও তথ্য বিষয়ক উপমন্ত্রী কানাত ঝুমাবায়েভিচ ইস্কাকভ।

#

ইমরানুল/পবন/মোশারফ/কনক/শামীম/২০২৬/১৮৫০ ঘণ্টা

Handout Number: 3038

Information Minister Calls for Strong Media and Institutions at Turkiye Summit

Dhaka, 27 March :

Information and Broadcasting Minister Zahir Uddin Swapan has emphasised the importance of credible communication, strong democratic institutions, and a free media in ensuring stability in the evolving global order at the International Strategic Communication Summit (STRATCOM) 2026, held today in Istanbul.

Turkish President Recep Tayyip Erdogan, Vice President Cevdet Yilmaz, and Head of Communications Burhanettin Duran delivered the opening remarks at the event.

The Information Minister thanked the Government of Turkiye for hosting the timely forum amid rising global uncertainty, marked by shifting power dynamics and growing challenges of misinformation and disinformation, while delivering his speech at the panel discussion titled “A New Framework for the Global Order: A Communication Perspective.”

He highlighted that strategic communication is now central to governance, with nations increasingly judged by the credibility and consistency of their communication.

He stressed that the most effective response to misinformation lies in strengthening institutions, particularly an independent and professional media.

“A strong fourth estate is essential to protect truth, ensure accountability, and sustain public trust,” the minister said.

Bangladesh’s ongoing reform priorities were also outlined, including strengthening democratic institutions, ensuring media freedom, reviewing restrictive laws, and developing an independent media regulatory framework.

The Information Minister reiterated that the solution to information disorder lies in a balanced, institutional approach—rejecting both censorship and unchecked chaos.

He further outlined three key principles for strategic communication: credibility, democratic resilience, and global cooperation.

The Information Minister highlighted the challenges of tackling misinformation and disinformation in a densely populated and rapidly digitizing country like Bangladesh. He noted that during the previous fascist regime, information was strategically distorted and used as a tool to control the public.

The Minister stated in his speech that in this digital age, an effective balance is needed between access to information and the free flow of information. A new, appropriate framework at both national and international levels will help us address emerging challenges. Bangladesh seeks to learn from other countries on these issues, while also contributing its own experiences to enrich global knowledge. This shared knowledge will work towards global peace and prosperity.

Highlighting bilateral ties, Bangladesh reaffirmed its close relationship with Turkiye and appreciated its support on humanitarian issues, including the Rohingya crisis.

Zahir Uddin Swapan concluded his speech with a call for a more inclusive global communication framework that ensures the voices of developing nations are fairly represented.

Minister of Foreign Affairs of the Turkish Republic of Northern Cyprus Tahsin Ertugruloglu, Syria’s Minister of Information Hamza Almustafa, and First Vice Minister for Culture and Information of Kazakhstan Kanat Zhumabayevich Iskakov also participated in the panel discussion.

#

Imranul/Paban/Mosharaf/Konok/Shamim/2026/1855 hrs.

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৩৭

জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শনে প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ):

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

আজ প্রতিমন্ত্রী সাধারণ দর্শনার্থীর মতো নিজেই টিকিট কেটে চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করেন। প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থানকালে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন প্রাণীর খাঁচা, প্রাণীর চিকিৎসা কেন্দ্র ও ওষুধ সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন। প্রথমে প্রাণী পুষ্টি শাখায় গিয়ে প্রাণীদের খাবারের মান ও পরিমাণ যাচাই করেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে প্রাণীদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচর্যার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল চিড়িয়াখানার পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা ও কোনো ধরনের ত্রুটি রয়েছে কি না তা সরেজমিনে দেখা। এ সময় তিনি দর্শনার্থীদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার বিষয়ে জানতে চান।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বেদখল হওয়া চিড়িয়াখানার প্রায় সাত একর জমি দ্রুত পুনরুদ্ধারের নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে পাবলিক টয়লেট বৃদ্ধি, দর্শনার্থীদের বসার স্থান সম্প্রসারণ, রাস্তাঘাট মেরামত, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং পশুপাখির সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বর্তমান বাজেটের মধ্যেই দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ শুরু করতে হবে।

আকস্মিক পরিদর্শন সম্পর্কে সালাউদ্দিন টুকু বলেন, চিড়িয়াখানায় কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা রয়েছে কি না তা দেখতেই তিনি হঠাৎ করে এসেছেন। তিনি বলেন, 'কাউকে না জানিয়ে এখানে এসেছি, যাতে প্রকৃত অবস্থা বোঝা যায়। পরিচ্ছন্নতা, বসার ব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুবিধা বাড়াতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন কিছু প্রাণী আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।'

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রাণীদের খাদ্য সরবরাহ সন্তোষজনক হলেও দর্শনার্থীরা আরো উন্নত পরিবেশ প্রত্যাশা করেন। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিড়িয়াখানাকে আরো সংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে হবে, এটি একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প। সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে এটিকে লাভজনক ও দর্শনার্থীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব।

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকার, চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার, চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

#

মামুন/পবন/মোশারফ/কনক/শামীম/২০২৬/১৮০৫ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৩৬

সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও সড়কে সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে আশু কর‌ণীয় নির্ধারণ বিষয়ে সভা

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ):

দেশের সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও সড়কে সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সরকারের কার্যক্রম জোরদার করতে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামী ২৯ মার্চ বাংলাদেশ সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এছাড়া সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সভায় উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ, সড়কে সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং ঢাকা মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে জরুরি নির্দেশনা প্রদান করা হয়। উক্ত বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহের আলোকে এবং বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে এ সভা আয়োজন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, যানজট নিরসন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে এ সভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর, সংস্থা ও অংশীজনদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ সভা আয়োজন করা হচ্ছে। সরকার দেশের জনগণকে আশ্বস্ত করতে চায় যে সড়কে দুর্ঘটনা হ্রাস, যাত্রীসেবার উন্নয়ন এবং সড়কে শৃঙ্খলা বৃদ্ধিকরণসহ সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে বদ্ধপরিকর।

#

নোবেল/পবন/মোশারফ/কনক/শামীম/২০২৬/১৮০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৩৫

বাংলাদেশ দূতাবাস রোম কর্তৃক যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

রোম (ইতালি), ২৭ মার্চ:

বাংলাদেশ দূতাবাস রোমে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপিত হয়েছে। রাষ্ট্রদূত এটিএম রকিবুল হক সকালে দূতাবাসে জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে দিবসটি উদ্‌যাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।

পরবর্তীতে দূতাবাসে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভার প্রারম্ভে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে মন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে আলোচনা করেন।

সন্ধ্যায় রোমের একটি হোটেলে গুরুত্বপূর্ণ ইতালিয়ান ব্যক্তিবর্গ, বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকগণ, রোমস্থ জাতিসংঘের তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্মানে একটি কূটনৈতিক অভ্যর্থনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া ও ওশেনিয়া ডিভিশনের মহাপরিচালক ও রাষ্ট্রদূত আলেসসান্দ্রা স্কিয়াভো

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ এবং ইতালির জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে মহান স্বাধীনতা দিবস পালনের প্রেক্ষাপট ও স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদগণকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন ইতিবাচক দিক এবং সক্ষমতার বিষয় উল্লেখ করেন। তিনি ২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার যে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে, তা যার যার জায়গা থেকে বাস্তবায়নের জন্য সকলকে আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ-ইতালি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নয়নের বিভিন্ন আঙ্গিক উল্লেখ করেন।

বিশেষ অতিথি রাষ্ট্রদূত আলেসসান্দ্রা স্কিয়াভো তাঁর বক্তব্যে বাণিজ্য, শিক্ষা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, প্রতিরক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-ইতালির পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ হতে ইতালিতে বৈধ উপায়ে অধিকতর দক্ষকর্মী প্রেরণের লক্ষ্যে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ কর্নারে ঐতিহ্যবাহী দেশীয় শাড়ি ও হস্তশিল্পের বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে বাংলাদেশ এর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলা হয়। নৈশভোজে উপস্থিত অতিথিবৃন্দকে বাংলাদেশি এবং ইতালিয়ান খাবার পরিবেশন করা হয়

#

বাংলাদেশ দূতবাস, রোম/পবন/মোশারফ/কনক/শামীম/২০২৬/১৭৫৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৩৪

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

ক্যামেরুন (ইয়াউন্দে) ২৭ মার্চ:

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে এই সংস্কার যেন সংস্থাটির মৌলিক নীতিমালাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। গতকাল ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (MC14)-এ বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ করণীয় শীর্ষক সেশনে তিনি একথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী ‘WTO Reform: Fundamental Issues’ শীর্ষক এ অধিবেশনে বলেন, WTO-এর মূল ভিত্তি হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যনির্ভর উন্নয়নকে উৎসাহিত করা। বৈষম্যহীনতা ও অন্তর্ভুক্তির নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ঐকমত্যভিত্তিক ও নিয়মভিত্তিক এই বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশসমূহের পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (LDCs) জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত দেশ (MFN) সুবিধা, শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার (DFQF), এবং বিশেষ ও পার্থক্যমূলক সুবিধা (S&DT)-এর মতো ব্যবস্থাগুলো বিশ্ব বাণিজ্যে সমতা ও অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকট এবং কোভিড-১৯ মহামারির সময় ছাড়া গত তিন দশকে উন্নত দেশগুলোর মধ্যম আয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিদ্যমান বাণিজ্য ব্যবস্থার কার্যকারিতা প্রমাণ করে।

WTO সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করে মন্ত্রী বলেন, এই সংস্কার যেন সংস্থাটির মৌলিক নীতিমালাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, WTO সংস্কার প্রক্রিয়া অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে, যাতে ব্যবস্থার অখণ্ডতা বজায় থাকে, পূর্বের অর্জনগুলো অক্ষুণ্ণ থাকে এবং সকল সদস্য দেশের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী ফলাফল নিশ্চিত করা যায়।

উল্লেখ্য, মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে সদস্য দেশসমূহ বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। এবারের সম্মেলনে ১৬৬টি সদস্য দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ও প্রতিনিধিগণ অংশ নিয়েছেন। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। প্রতিনিধিদলে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অংশ নিচ্ছেন।

#

কামাল/খাদীজা/আতিক/রিদওয়ান/শফি/২০২৬/১৫৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৩৩

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা ৬২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন গম বহনকারী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ):

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে নগদ ক্রয় চুক্তি
জি টু জি-০৩ এর অধীনে আমেরিকা থেকে ৬২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন গম নিয়ে MV.UBON NAREE জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। ইতিপূর্বে জি টু জি-০৩ চুক্তির আওতায় প্রথম শিপমেন্টের মাধ্যমে ৫৮ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন গম দেশে পৌঁছায়।

MV.UBON NAREE জাহাজে রক্ষিত গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং দ্রুত গম খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জাহাজে রক্ষিত ৬২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন গমের মধ্যে ৩৭ হাজার ২৯০ মেট্রিক টন চট্টগ্রামে এবং অবশিষ্ট ২৪ হাজার ৮৬০ মেট্রিক টন গম মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সরকার টু সরকার (জি টু জি) ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি কার্যক্রম শুরু করেছে। জি টু জি-০১ এবং ০২ এর আওতায় আমদানিকৃত সকল গম দেশে পৌঁছেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে জি টু জি-০১ এর আওতায় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন এবং জি টু জি-০২ এর আওতায় ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৯ মেট্রিক টন মিলিয়ে মোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে।

দেশে মোট গমের চাহিদা আনুমানিক ৭০ লাখ মেট্রিক টন। দেশে উৎপাদন হয় প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন। চাহিদা পূরণের জন্য সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে অবশিষ্ট গম বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

#

ইমদাদ/খাদীজা/আতিক/রিদওয়ান/শফি/২০২৬/১৫০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৩২

এশিয়া কাপ আর্চারি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বাংলাদেশ দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ):

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ আর্চারি টুর্নামেন্টের (স্টেজ-১) কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত ইভেন্টে ভিয়েতনামকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় বাংলাদেশ আর্চারি দলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এক অভিনন্দন বার্তায় আর্চারদের এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, আমাদের আর্চারদের এই ধারাবাহিক সাফল্য দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য অত্যন্ত গর্বের। সেমিফাইনালে ভুটানকে এবং ফাইনালে শক্তিশালী ভিয়েতনামকে হারিয়ে তারা প্রমাণ করেছে যে, বিশ্ব আর্চারির মানচিত্রে বাংলাদেশ এখন এক অপরাজেয় শক্তির নাম। এই বিজয় আমাদের তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আর্চারিতে বাংলাদেশ যে নিয়মিত সাফল্য পাচ্ছে, এটি তারই একটি অংশ। এ ঐতিহাসিক অর্জনের জন্য খেলোয়াড়, কোচ এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। এশিয়া কাপের মতো বড় মঞ্চে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আর্চারদের মানসিক দৃঢ়তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এ জয় আসন্ন অলিম্পিকসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক গেমসে আমাদের পদক জয়ের স্বপ্নকে আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

#

নূর/খাদীজা/আতিক/রিদওয়ান/শফি/২০২৬/১১৪৫

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৩১

জেনেভায় আইএলও-র ৩৫৬তম গভর্নিং বডি সভায় যোগ দিচ্ছেন শ্রমমন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ):

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৫৬তম গভর্নিং বডি সভায় যোগ দিতে আজ ঢাকা ত্যাগ করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সভায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে আজ জেনেভায় পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদারসহ বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ ইতোমধ্যেই জেনেভায় পৌঁছেছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, মন্ত্রী ও উপদেষ্টা আইএলও'র মূল অধিবেশন ছাড়াও বিভিন্ন দেশের শ্রমমন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন। মূল অধিবেশনে বাংলাদেশের শ্রম খাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক শ্রম মানদণ্ড বাস্তবায়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরা হবে। আগামী ৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রতিনিধিদলের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

#

শরীফুল/খাদীজা/আতিক/রিদওয়ান/শফি/২০২৬/১১২০



তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৩০

বাংলাদেশের প্রতি অবিচল সমর্থন ও সংহতি পুনর্ব্যক্ত করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব

নিউইয়র্ক, ২৬ মার্চ:

বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের অবিচল সমর্থন ও সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। গতকাল নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ আশ্বাস প্রদান করেন।

বৈঠকে মহাসচিব নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় প্রদানে বাংলাদেশের ধারাবাহিক মানবিক নেতৃত্ব ও উদারতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বৈঠকে সমসাময়িক বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান বৈশ্বিক তেল সংকটের প্রেক্ষিতে উন্নয়নশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সম্মুখীন চ্যালেঞ্জসমূহ এবং দরিদ্র দেশগুলোর ওপর এর অসম ও বৈষম্যমূলক প্রভাব বিষয়ে আলোকপাত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসচিবকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। মহাসচিব আমন্ত্রণটি সাদরে গ্রহণ করেন এবং এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

#

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন/খাদীজা/আতিক/রিদওয়ান/শফি/২০২৬/১০৪০


Handout Number: 3029

UN Secretary-General reaffirms unwavering support and solidarity with Bangladesh

New York, 27 March:

The Secretary-General of the United Nations, António Guterres reaffirmed the United Nations’ unwavering support and solidarity with Bangladesh during a meeting held at the UN Headquarters in New York with the Foreign Minister of Bangladesh, Dr. Khalilur Rahman yesterday.

At the meeting, the Secretary-General has extended his warm congratulations to the newly formed Government of Bangladesh. He also highly commended Bangladesh for its continued humanitarian leadership and generosity in sheltering forcibly displaced Rohingya people.

The discussions also covered a range of contemporary global issues. Foreign Minister highlighted the challenges faced by developing and vulnerable nations due to the ongoing global oil crisis and its disproportionate impact on poorer countries.

On behalf of the Prime Minister, Dr. Rahman extended an invitation to the Secretary-General to visit Bangladesh at a mutually convenient time. The Secretary-General welcomed the invitation and expressed his appreciation.

The meeting concluded with both sides reaffirming their commitment to strengthening cooperation between Bangladesh and the United Nations in addressing global challenges and promoting sustainable development.

#

Press NYPM/khadiza/Atik/Ridwan/Sofi/2026/1030 hrs.


Handout Number: 3028

Bangladesh Consulate General in Toronto Celebrates Independence and National Day

Toronto, 27 March :

The Bangladesh Consulate General in Toronto yesterday celebrated Bangladesh’s Independence and National Day, 2026 with due fervour and festivity.

The day-long programme began at the Bangladesh House premises with the hoisting of the national flag by Bangladesh Consul General Md Shah Alom Khokon, followed by the reading out of the messages delivered by the President, Prime Minister, Foreign Minister, and State Minister for Foreign Affairs on the occasion.

A befitting reception was held in the evening at the Conference Hall, Atria-I, Toronto, bringing together prominent members of the Bangladeshi community from across the Greater Toronto Area and beyond.

In his remarks on this occasion, Consul General Shah Alom Khokon paid profound tribute to the martyrs, freedom fighters, and women who made the supreme sacrifices for the nation's independence. The Consul General paid tribute to the proclaimer of independence, late President Ziaur Rahman, for his historic declaration that galvanized the nation, and lauded former Prime Minister Begum Khaleda Zia for her instrumental role in the struggle for democracy. The Consul General elaborated on the ‘Bangladesh First’ foreign policy, calling on all to lend their support to the government's pursuit of a modern and just nation.

Expressing happiness over the existing bilateral relations between Bangladesh and Canada, Consul General Shah Alom Khokon noted that the partnership has reached new heights. He also highlighted several innovative, people-friendly consular initiatives and diaspora engagement programs recently undertaken by the Consulate, guided by the motto ‘Community First.’

The Consul General further underscored Bangladesh’s commitment to multilateralism, noting that the country has presented its candidature for the Presidency of the 81st Session of the United Nations General Assembly, with the election scheduled for June 2026. He expressed hope for the support of the international community and affirmed that, if elected, Bangladesh would strive to contribute meaningfully to strengthening global peace, cooperation, and sustainable development.

The evening concluded with the screening of a documentary on the Liberation War and a cake-cutting ceremony to mark the occasion. The guests were entertained with traditional Bangladeshi cuisine.

As part of the celebrations of the 55th anniversary of Bangladesh’s independence, the Consulate General will host a second reception on April 2, 2026, in honor of the consular corps based in Toronto, a city which hosts the second largest consular corps in the world after New York.

#

Bangladesh Consulate Toronto/khadiza/Atik/Ridwan/Sofi/2026/1030 hrs.

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন