কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ এ ১০:২৪ PM

তথ্যবিবরণী ১৫ এপ্রিল ২০২৬

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৫-০৪-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৫-০৪-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৬২

মাছের প্রজনন রক্ষায় সাগরে আজ থেকে ৫৮ দিনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা

ঢাকা, ২ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল):

বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ৪৭৫ প্রজাতির মাছের অবাধ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার ৫৮ দিনের জন্য মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।

মেরিন ফিশারিজ অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে আসছিল সরকার। শুরুতে এই আদেশ কেবল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিশিং ট্রলারের জন্য প্রযোজ্য হলেও, ২০১৯ সাল থেকে উপকূলীয় সকল ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও নৌকাকেও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।

তবে দীর্ঘ ৬৫ দিনের এই অবরোধ নিয়ে বাংলাদেশি জেলেদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, বাংলাদেশের জলসীমায় মাছ ধরা বন্ধ থাকার সুযোগে পার্শ্ববর্তী দেশের জেলেরা দেশীয় জলসীমায় প্রবেশ করে অবাধে মাছ শিকার করত।

জেলেদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গত বছর থেকে এই অবরোধের সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ করে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধের সময়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে অবরোধ সাত দিন কমিয়ে ৫৮ দিন ধার্য করা হয়। গত বছর ১১ মার্চ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এই নতুন সময়সীমা কার্যকর করা হয়, যা চলতি বছরেও বহাল রাখা হয়েছে।

এই নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন জেলেদের জীবিকা সুরক্ষায় সরকার বিশেষ সহায়তা প্রদান করেছে। উপকূলীয় ১৪টি জেলার ৬৭টি উপজেলা এবং চট্টগ্রাম মহানগরসহ মোট ৩ লাখ ১১ হাজার ৬২ জন সমুদ্রগামী জেলেকে প্রতি মাসে ৪০ কিলোগ্রাম হারে ৫৮ দিনের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল বিতরণ করা হবে।

#

মামুন/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/সঞ্জীব/সেলিম/২০২৬/২১২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৬১

ইআরএল আংশিক চললেও সমস্যা নেই, সরকার পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করে রেখেছে

-- জ্বালানি বিভাগ

ঢাকা, ২ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল):

দেশের জ্বালানি তেল পরিশোধনকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি (ইআরএল) জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ভূমিকা রাখে। তবে, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ক্রুড অয়েলের স্বল্পতার কারণে চাহিদা অনুযায়ী পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হচ্ছে। সুতরাং লো-ফিডে ইআরএল চালু থাকলেও এর কোনো বিরূপ প্রভাব সরবরাহ চ্যানেলে পড়বে না এবং এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

আজ সচিবালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী এসব কথা বলেন।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ইআরএল-এর মোট ইউনিটের সংখ্যা ৪টি। তন্মধ্যে ২টি ইউনিট বর্তমানে মেইনটেন্যান্সে এবং ২টি অপারেশনে আছে। বাংলাদেশের একমাত্র জ্বালানি তেল পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি মূলত সৌদি আরামকো হতে Arabian Light Cruide Oil (ALC) এবং আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ADNOC হতে মারবান ক্রুড অয়েল আমদানিপূর্বক পরিশোধন করে দেশের মোট বাৎসরিক জ্বালানি তেলের চাহিদার ৫ ভাগের ১ ভাগ সরবরাহ করা হয়, যার পরিমাণ বছরে প্রায় ১৫ লাখ মে. টন। বছরের শুরুতে নেওয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতি মাসে সাধারণত ১/২টি কার্গো আমদানিপূর্বক ইআরএল উৎপাদন অব্যাহত রাখে। দেশের চাহিদা অনুযায়ী অবশিষ্ট জ্বালানি তেল পরিশোধিত আকারে আমদানি করা হয়।

উল্লেখ্য, দেশে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ব্যবহৃত ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলের তুলনামূলক চিত্র থেকে সহজেই অনুমান করা যায় যে দেশের জ্বালানির মোট চাহিদার কত শতাংশ ইআরএল থেকে পাওয়া যায়। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ডিজেলের চাহিদা (বিক্রয়) ছিল ৪৭ লাখ ৪২ হাজার মেট্রিক টন তার মধ্যে ইআরএল থেকে পাওয়া গেছে ৭ লাখ ৩২ হাজার ২৩০ ( ১৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ); অকটেন-এর চাহিদা ৪ লাখ ৩৭ হাজার মেট্রিক টন, ইআরএল থেকে প্রাপ্তি শূন্য এবং পেট্রোল এর চাহিদা ৪ লাখ ৮৯ হাজার মেট্রিক টন ইআরএল থেকে পাওয়া গেছে ৫৮ লাখ ৩০৯ হাজার ( ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ)।

এর বাইরে ফার্নেস অয়েল, কেরোসিন ও বিটুমিনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উপজাত হিসেবে ইআরএল থেকে পাওয়া যায়। এ থেকে প্রতীয়মান হয়, দেশের মূল জ্বালানি তেল ডিজেলের মাত্র ১৫ শতাংশ এবং পেট্রোলের ১১ শতাংশ ইআরএল থেকে পাওয়া যায়। বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেল আমদানি ব্যাহত হওয়ায় সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ পরিশোধিত তেল আমদানি করে একদিকে ইআরএল থেকে প্রাপ্ত তেলের ঘাটতি যথাযথভাবে পূরণ করছে এবং অন্যদিকে সীমিত পর্যায়ে ইআরএল’র উৎপাদনও অব্যাহত রেখেছে।

এবছর ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় মার্চ (২ লাখ মেট্রিক টন) এবং এপ্রিলের (১ লাখ মেট্রিক টন) নির্ধারিত ৩ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানির যে শিডিউল সে অনুযায়ী ক্রুড অয়েল আনা সম্ভব হয়নি।

চলমান পাতা/২


--০২--

শিডিউল অনুযায়ী ক্রুড অয়েল আমদানির বর্তমান চিত্র নিম্নরূপ:

মার্চ ২০২৬ মাসের প্রথম পার্সেল এরাবিয়ান লাইট ক্রুড এর (এএলসি) ১ লাখ মেট্রিক টনের কার্গোটি (MT Nordic Pollux-IMO No-9239848) লোড সম্পন্ন হলেও নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় হরমুজ অতিক্রম করতে পারেনি। এটি বর্তমানে রাস্তানুরা বন্দরে অবস্থান করছে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

মার্চ ২০২৬ এর দ্বিতীয় পার্সেলটি (মারবান) লোডিংয়ের জন্য নির্ধারিত পোর্ট হরমুজ প্রণালীর অভ্যন্তরে থাকার কারণে (১ লাখ মেট্রিক টন) ইতোমধ্যে সরবরাহকারী কর্তৃক ফোর্স ম্যাজিউর করা হয়েছে।

তবে, এপ্রিল ২০২৬-এ নির্ধারিত (১ লাখ মেট্রিক টন) ১টি এরাবিয়ান লাইট ক্রুডের কার্গো ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে লোডিং সম্পন্ন করে ২/৩ মে ২০২৬ তারিখের মধ্যে বিকল্প বন্দর ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে মর্মে আশা করা যাচ্ছে। মে ২০২৬-এ ১টি (১ লাখ মেট্রিক টন) মারবান কার্গোর পাশাপাশি সরবরাহ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ১টি (১ লাখ মেট্রিক টন) এএলসি কার্গোর জন্য সৌদি আরামকোকে অনুরোধ করা হয়েছে। যা সরবরাহকারীর সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষমান রয়েছে। এছাড়া, জরুরি চাহিদা পূরণে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে ১ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানির জন্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন গ্রহণপূর্বক কার্যাদেশ জারি করা হয়েছে। মার্চ ২০২৬ শিডিউলের ক্রুড অয়েল পার্সেল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যথাসময়ে পৌঁছাতে না পারায় বর্তমানে ইআরএল লো-ফিডে চালু রাখা হয়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, সরকার সিডিউল অনুযায়ী পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি নিশ্চিত করছে এবং নিয়মিত আমদানির পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দেশে ডিজেলের কোনো সংকট নেই। ১৪ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত বর্তমানে ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন ডিজেল, ১৮ হাজার ২১১ মেট্রিক টন পেট্রোল, ৩২ হাজার মেট্রিক টন অকটেন মজুত আছে। উল্লেখ্য, পাইপ লাইনে প্রায় ২ মাসের জ্বালানি আছে যা দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যাবে। বর্তমানে ঢাকার ৭টি ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল পাস অ্যাপের মাধ্যমে মোটর বাইকে পরীক্ষামূলক জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে আরো ৭টি পাম্প যুক্ত করার পরিকল্পনা আছে। এ যাবত প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে।

#

আরিফ/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/সঞ্জীব/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/২১৩৫ ঘণ্টা


টিভি স্ক্রল নম্বর: ২৩৮

টেলিভিশন চ্যানেলে স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য

সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া

ঢাকা, ২ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল):

সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:

মূলবার্তা:

‘খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী টাইম-এর বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান”
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

#

মাহবুবুর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯৫০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর : ৩৩৫৭

জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

টোকিও (জাপান), ১৫ এপ্রিল:

আজ টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘বাংলাদেশের শিক্ষার্থী বৃদ্ধি: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জসমূহ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘বাংলাদেশি স্টুডেন্টস সাপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন ইন জাপান (BSSAJ)’-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই সেমিনারে জাপান ও বাংলাদেশের বিভিন্ন ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ এবং সংশ্লিষ্টখাতের বিশেষজ্ঞগণ অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ দাউদ আলী বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক নতুন মাত্রা হলো ক্রমবর্ধমান শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি। গত চার বছরে আমাদের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ হাজার থেকে ২৫ হাজারে উন্নীত হওয়া কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি আমাদের দুই দেশের পারস্পরিক আস্থার অনন্য প্রতিফলন। জাপানের দক্ষ শ্রম বাজারের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশি তরুণ শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা, কর্মনিষ্ঠা এবং অভিযোজন ক্ষমতার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, দূতাবাস ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি পরিশোধের প্রক্রিয়াকে সহজতর করা হয়েছে। এছাড়া, জাপানে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার সহজ শর্তে স্টুডেন্ট লোন প্রদান করছে। ‘স্পেসিফাই স্কিলড ওয়ার্কার’ কর্মসূচিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ কেবল একটি শ্রমবাজার নয়, বরং এটি দুই দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য একটি টেকসই ‘উইন-উইন’ অংশীদারিত্ব। তিনি জাপানি ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়ে এই সেতুবন্ধন আরো সুসংহত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সেমিনারে BSSAJ-এর সভাপতি নাগামাতসু ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, জাপানি ভাষা দক্ষতা পরীক্ষা কমিটির প্রতিনিধি নিশিও রিয়োসহ বিভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুলের অধ্যক্ষগণ অংশগ্রহণ করেন।

উন্মুক্ত আলোচনা ও নেটওয়ার্কিং সেশনে বাংলাদেশ ও জাপানের প্রতিনিধিদের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়।

#

শফি/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৮৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ৩৩৫৬

বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত এর বৈঠক

ঢাকা, ২ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল):

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাথে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত Ramis Sen

আজ সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরো সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, চামড়াজাত ও পাটজাত পণ্যে তুরস্কের বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হলে উভয় দেশ লাভবান হবে। কেন না বাংলাদেশে উৎপাদন ব্যয় তুলনামূলক কম হওয়ায় তুরস্কের উদ্যোক্তারা এখানে বিনিয়োগ করে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করলে দ্রুত লাভবান হবে।

তুরস্কের রাষ্ট্রদূত Ramis Sen বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনার প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত বিকাশমান এবং এখানে দক্ষ মানবসম্পদ রয়েছে, যা তুর্কি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয়। তিনি বাংলাদেশের পরিবেশবান্ধব পাটপণ্যের প্রশংসা করে বলেন, তুরস্কে পাটপণ্যের কদর রয়েছে। এসময় তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

#

কামাল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৮১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৫৫

সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুণ্ন না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে

-- ধর্মমন্ত্রী

ঢাকা, ২ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল):

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) বলেছেন, সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুণ্ন না হয় সে ব্যাপারে হজ টিমের সদস্যদের সতর্ক থাকতে হবে।

আজ রাজধানীর আশকোনায় হজ অফিসের সম্মেলনকক্ষে হজ টিমের সদস্যদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

হজ টিমের সদস্যদের উদ্দেশ্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, আপনারা হজযাত্রীদের খাদেম হিসেবে যাচ্ছেন। হজযাত্রীদের খেদমতের সুযোগ পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয়। তাদেরকে ভালোভাবে সেবার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব। টিমের সদস্যদেরকে প্রকৃত খাদেম হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের খেদমত বাদ দিয়ে অন্যান্য কাজ করা যাবে না। আল্লাহর মেহমানদের খেদমতে কোনো গাফিলতি সহ্য করা হবে না।

মন্ত্রী বলেন, হাজিগণ যাদের ওপর সন্তুষ্ট থাকবেন তাদেরকে পরবর্তী বছরে আবার হজযাত্রীদের খেদমতের সুযোগ দেওয়া হবে। যারা হাজিদের যথাযথ সেবা দেবেন না তাদেরকে মক্কা থেকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস.এম. জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান এবং হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মোঃ আয়াতুল ইসলাম বক্তৃতা করেন।

#

আবুবকর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮২০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৫২

ঐতিহ্য রক্ষায় সাংগ্রাই উৎসবের ভূমিকা অপরিসীম

-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী

কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি), ২ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল):

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, ঐতিহ্য রক্ষায় সাংগ্রাই উৎসবের ভূমিকা অপরিসীম। সাংগ্রাই একটি উৎসব নয়; এটি পার্বত্য অঞ্চলের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য প্রতীক।

তিনি আজ রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার চিংম্রং এলাকায় আয়োজিত ‘চিংম্রং সাংগ্রাই রিলংপোয়ে ২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী ‘মাহা: সাংগ্রাই রিলংপোয়ে’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন এবং মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দীপেন দেওয়ান বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ ধরনের উৎসব আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বর্তমান সরকার পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করছে। একটি সমৃদ্ধ ও স্থিতিশীল সমাজ গঠন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

এ উৎসবে শ্রদ্ধেয় ধর্মপ্রাণ মহাস্থবির, চতুর্থ মহাসংঘরাজ, প্রিয়দর্শী মহাস্থবির উপসংঘরাজসহ বিভিন্ন বিহারের ভিক্ষুসংঘ, দায়ক-দায়িকা, উপাসক-উপাসিকা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

রেজুয়ান/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/আতিক/সাঈদা/কামাল/২০২৬/১৩৩০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৫৩

ভূমি অধিগ্রহণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর

-ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব

ঢাকা, ২ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল):

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ বলছেন, ভূমি অধিগ্রহণে স্বচ্চতা নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর। ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া মানুষের জীবিকা, সম্মান, সামাজিক নিরাপত্তা এবং আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় সময়সাপেক্ষতা ও জটিলতা পরিহার করে দক্ষতার পাশাপাশি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মানবিকতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

তিনি আজ প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ভূমি মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ আয়োজনে ‘বাংলাদেশে ভূমিসেবা ও ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন’ বিষয়ক অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার এখন এডহক এপ্রোচ থেকে বেরিয়ে এসে একটি নিয়মতান্ত্রিক ডিজিটাল ভূমি অধিগ্রহণ কাঠামো প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয় স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও ভূমি হুকুম দখল বিধিমালার খসড়া প্রস্তুত সম্পন্ন করেছে। একই সঙ্গে, ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে পৌঁছে দিতে একটি ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘসূত্রিতা ও হয়রানি হ্রাস পাবে এবং ভূমি অধিগ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরো শক্তিশালী হবে। এই মতবিনিময় কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশসমূহ একটি অধিকতর দক্ষ, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া গড়ে তুলতে বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ কর্মশালায় ভূমি অধিগ্রহণের জন‍্য একটি প্রমিত পরিচালন পদ্ধতি বা এসওপি উপস্থাপন করা হয় এবং সকলের মতামতের আলোকে এই এসওপি চূড়ান্ত করা হবে। এর মাধ্যমে ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া আরো সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে, যা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

কর্মশালায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসেবে শ্রী কুমার তাদিমাল্লা, ডং কিউ কোয়াক এবং মোঃ আক্তারুজ্জামান বক্তব্য রাখেন। এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সুশীল সমাজ, বেসরকারি সংস্থা এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

আসাদুজ্জামান/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/আতিক/সাঈদা/কামাল/২০২৬/১৩৩০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৩৭

টেলিভিশন চ্যানেলে স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য

সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া

ঢাকা, ২ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল):

সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:

মূলবার্তা:

‘১৫ এপ্রিল হতে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ (আটান্ন) দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সকল প্রকার মৎস্য নৌযান দিয়ে যে কোনো প্রজাতির সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সকল মৎস্য নৌযান মালিককে এ নিষেধাজ্ঞা প্রতিপালনের জন্য অনুরোধ করা হলো-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।’

#

খালিদ/খাদীজা/কুতুব/মিতু/আসমা/২০২৬/১৪৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৫১

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সাভার, ২ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল):

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক আজ সাভারে যুব উন্নয়ন একাডেমিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও যুব সমাজের উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালা-২০২৬-এর উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. গাজী মোঃ সাইফুজ্জামান, যুব উন্নয়ন একাডেমির অধ্যক্ষ সেলিম খান।

কর্মশালায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি। শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিল্প-প্রতিটি ক্ষেত্রে এআই নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে। এআই-ভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যক্তিগতভাবে শেখার সুযোগ তৈরি হবে। একই সাথে প্রশিক্ষণের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সাথে দক্ষতার সংযোগ স্থাপন হবে।

তিনি আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যে এআই-নির্ভর প্রশিক্ষণ সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং আমরা চাই বাংলাদেশও সেই ধারায় এগিয়ে যাক। নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও যেন এর সুবিধা পায় এবং এআই ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন, তারা তৃণমূল পর্যায়ে এই অর্জিত জ্ঞান সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেবেন।

#

আলম/খাদীজা/কুতুব/মারুফা/মিতু/আতিক/সাঈদা/জোহরা/২০২৬/১৩২০ ঘণ্টা

Handout Number: 3350

Lifesketch of Posts, Telecommunication & Information Technology and Science and Technology Minister Faqir Mahabub Anam

Dhaka, 2 Boishakh (15 April):

Faqir Mahbub Anam was born on March 5, 1953 in a distinguished Muslim family in Tangail district. A prominent politician, industrialist, and exporter, Faqir Mahbub Anam has established himself on the national stage through significant contributions to industry, commerce, agriculture, and state governance. From his student life, he demonstrated strong organizational skills which later laid the foundation for his success in business and politics.

He is a politician, entrepreneur, and a senior leader of the Bangladesh Nationalist Party (BNP). He was elected as a Member of Parliament from the Tangail-1 (Madhupur-Dhanbari) constituency in the 2026 National Parliamentary Election. On February 17, 2026, he assumed office as the Minister of the Ministry of Posts, Telecommunications and Information Technology and the Ministry of Science and Technology. He has served as the former Acting President of Tangail District BNP and is currently a member of the BNP Central Executive Committee.

He obtained Bachelor degree from the University of Dhaka. Later, in 1979, he received specialized education in Automobile Engineering from Willesden College of Technology in London, United Kingdom.

Faqir Mahbub Anam has played a significant role in entrepreneurship and industrial leadership for over four decades. His business activities span fisheries and shrimp farming, marine exports, the ready-made garment industry, agro-industry, renewable energy, tea and jute export, leisure and entertainment infrastructure, and international trade. He was awarded the Prime Minister’s Gold Medal for excellence in hatchery operations.

He began his business career in the early 1980s in the fisheries and marine export sector. He served as the Managing Director of Shimizu Specialized Fishing Pvt. Ltd. and managed shrimp and fish export operations from 1982 to 2004.

In the 1990s, he invested in and led the ready-made garment sector. He served as Chairman of Vase Apparels Ltd. (1993–2007) and Vase Paper Products Ltd. He played an important role in the global development of Bangladesh’s garment industry and gained expertise in export management, international buyer relations, and industrial operations.

He had been serving as Chairman of Sun N’ Sands Amusement Park Pvt. Ltd., Managing Director of Anam Agro Products Ltd., and Managing Partner of Shimizu Hatchery & Nursery (Shrimp), Anam Green Fuel Energy Resource, and Anam Eastern Traders.

The Minister also served as Co-Chairman of the Standing Committee on Human Resource Development and Employment of the Federation of Bangladesh Chambers of Commerce & Industry. He also played a leadership role in the Bangladesh Garment Manufacturers & Exporters Association. Early in his career, he served as General Secretary of the Bangladesh Marine Fisheries Association. He has also served as Director of National Tea Company (NTC); assumed Chairmanship of the Tangail Red Crescent Society, and Vice-Chairman of Mohammedan Sporting Club.

In his personal life, he is married to Dr. Reshma Anam. The couple has two sons: Faqir Riasat Salekin Anam and Rad Sharbar Anam.

#

Zashim/Khadiza/Qutub/Marufa/Atik/Zohora/2026/1158 hours

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৪৯

ডাক, টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম-এর জীবনবৃত্তান্ত

ঢাকা, ২ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল):

ফকির মাহবুব আনাম ১৯৫৩ সালের ০৫ মার্চ টাঙ্গাইল জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, শিল্পোদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারক ফকির মাহবুব আনাম শিল্প, বাণিজ্য, কৃষি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে জাতীয় পরিমণ্ডলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ছাত্রজীবন থেকেই সংগঠক হিসেবে তাঁর দক্ষতা প্রকাশ পায়, যা পরবর্তীকালে ব্যবসা ও রাজনীতিতে তাঁর সাফল্যের ভিত্তি রচনা করে।

তিনি একজন রাজনীতিবিদ, উদ্যোক্তা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল (বিএনপি)-এর জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল- (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি একই বছর১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়েরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত Willesden College of Technology- অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংবিষয়ে বিশেষায়িত শিক্ষা গ্রহণ করেন।

ফকির মাহবুব আনাম চার দশকেরও বেশি সময় ধরে উদ্যোক্তা শিল্প নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর ব্যবসায়িক কার্যক্রমেরক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে-মৎস্য চিংড়ি চাষ, সামুদ্রিক রপ্তানি, তৈরি পোশাক শিল্প, কৃষি-শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, চা পাট রপ্তানি, অবকাশ বিনোদন অবকাঠামো ও আন্তর্জাতিকবাণিজ্য। হ্যাচারি কার্যক্রমে শ্রেষ্ঠত্বেরজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক লাভ করেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত হ্যাচারি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হ্যাচারি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

১৯৮০-এর দশকের শুরুতে তিনি মৎস্য সামুদ্রিক রপ্তানি খাতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেন। তিনি Shimizu Specialized Fishing Pvt. Ltd. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন এবং ১৯৮২-২০০৪ পর্যন্ত চিংড়ি মাছ রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

১৯৯০-এর দশকে তিনি তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ নেতৃত্ব প্রদান করেন। তিনি Vase Apparels Ltd. (১৯৯৩-২০০৭), এবং Vase Paper Products Ltd.-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বৈশ্বিক বিকাশের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রপ্তানি ব্যবস্থাপনা,আন্তর্জাতিক ক্রেতা সম্পর্ক শিল্প পরিচালনায় দক্ষতা অর্জন করেন। তিনি সান এন স্যান্ডস এমিউজমেন্ট পার্ক প্রাইভেট লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান, আনাম এ্যাগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনাপরিচালক, Shimizu Hatchery & Nursery (Shrimp), Anam Green Fuel Energy Resource এবং Anam Eastern Traders-এর ব্যবস্থাপনা অংশীদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মানবসম্পদ উন্নয়ন কর্মসংস্থান বিষয়ক স্থায়ী কমিটির কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে নেতৃত্বমূলকভূমিকা পালন করেছেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। National Tea Company (NTC)-এর সাবেক পরিচালক, টাঙ্গাইল রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাবেকচেয়ারম্যান এবং মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

পারিবারিক জীবনে তিনি ডা. রেশমা আনামের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির দুই পুত্র সন্তান ফকির রিয়াসাত সালেকিন আনাম ও রাদ শারবার আনাম।

#

জসীম/খাদীজা/কুতুব/মারুফা/আতিক/সাঈদা/জোহরা/২০২৬/১১৫৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৪৮

বাহরাইনে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

ঢাকা, ২ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল):

বাহরাইনে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ সকালে দেশে পৌঁছেছে। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট যোগে সকাল সাড়ে ৮টায় মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন এবং তা নিহতের ছোট ভাই সমর চন্দ্র সূত্রধরের কাছে হস্তান্তর করেন।

এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মরদেহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সরকারের পক্ষ থেকে গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ সৎকার কার্যক্রমের জন্য তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ওয়ারিশ সনদ প্রাপ্তি সাপেক্ষে নিহতের পরিবারকে আরও ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

মন্ত্রী বিদেশগামী সকল কর্মীকে অবশ্যই জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এর মাধ্যমে নিবন্ধন করে বিদেশ যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যাতে তারা সরকারের আনুষ্ঠানিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকেন এবং প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা পেতে পারেন। তিনি প্রবাসে কর্মরত সকল বাংলাদেশির নিরাপত্তা ও সুস্থতা কামনা করেন এবং নিহত গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

উল্লেখ্য, গিরিশ চন্দ্র সূত্রধর সিলেট জেলার সিলেট সদর উপজেলার পূর্ব মাছপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং তিনি কিছুদিন আগে বাহরাইনে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

#

কামাল/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/আতিক/সাঈদা/কামাল/২০২৬/১০১০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন