কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ এ ১২:০৪ AM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১১-০৪-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১১-০৪-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৯৪
বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা: সম্প্রীতি ও ঐক্যের আহ্বান
ঢাকা, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাহাড়ের উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে পার্বত্য এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর জনসাধারণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা নববর্ষ ও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে পার্বত্য অঞ্চল এলাকায় বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষ্যে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী বা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। একইসঙ্গে জানাই বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন সম্প্রদায় অথবা পাহাড় কিংবা সমতলে বসবাসকারী সকলে-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায় এবং পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সকলের ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব আমাদের জাতীয় উৎসবেরই অংশ। এসব উৎসব জাতীয় জীবনে শান্তি ও আনন্দ বয়ে নিয়ে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আমাদের ঐতিহ্যকে গৌরবময়, প্রাচুর্যময় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে। মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও মিলনের অমিয় বাণী মিশে আছে আমাদের লোকজ ঐতিহ্যে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সারা বিশ্বে দেশের মর্যাদায় এক উজ্জ্বলতর ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। আমাদের দেশের বিভিন্ন ছোট ছোট জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়সহ সকল নাগরিকের সমান অগ্রগতি, বিকাশ, নিরাপত্তা ও সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের সমান অধিকার।
বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব এবং বাংলা নববর্ষ সকলের জীবনে অনাবিল সুখ ও শান্তি বয়ে আনবে বলেও শুভেচ্ছা বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
#
ইয়াকুব/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/সঞ্জীব/কনক/আব্বাস/২০২৬/২৩৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৯৩
কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের
শাস্তির নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের মুখে একটি কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাগেরহাটের ঘটনাটি আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। শুধু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবেও আমি মর্মাহত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই দেশকে মানুষ এবং সকল প্রাণীর বসবাসের অভয়ারণ্য হিসাবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই অমানবিক ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এদিকে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার পর বাগেরহাট জেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিয়া খাতুনকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম. শরীফ খান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. পলাশ কুমার দাস এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাহামুদ-উল-হাসান।
#
মামুন/শাহাদাত/পবন/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২২২০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৯২
নোয়াখালীর হাতিয়ায় কোস্ট গার্ডের হাতে অবৈধ জ্বালানি তেলসহ ৪ জন আটক
ঢাকা, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে কোস্ট গার্ড স্টেশন হাতিয়া কর্তৃক নোয়াখালীর হাতিয়া থানাধীন নলচিরা ঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে বিদেশি তেলবাহী জাহাজ থেকে শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে আসা প্রায় ৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা মূল্যের ৪ হাজার ৮ শ’ লিটার পেট্রোল, ২ হাজার ১৫ লিটার ডিজেল এবং পরিবহন কাজে ব্যবহৃত দু’টি ইঞ্জিনচালিত কাঠের বোটসহ ৪ জনকে আটক করা হয়।
জব্দকৃত অবৈধ জ্বালানি তেল ও আটককৃত ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হাতিয়া থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
#
আরিফ/শাহাদাত/পবন/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২২০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৯১
রাজশাহীর সিল্কের মান উন্নত করতে কাজ করছে সরকার
-- বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
রাজশাহী, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম বলেছেন, রাজশাহীর সিল্ক (রেশম) এর মান উন্নত ও কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে কাজ করছে সরকার। রেশম সুতা তৈরিতে উন্নত বিশ্বের প্রযুক্তি ও গবেষণা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ বছর রেশম সংশ্লিষ্ট গবেষণার জন্য ৯ লাখের পরিবর্তে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এদেশের প্রায় সাড়ে ১১ হাজার বসনীদের (রেশম চাষি) কৃষক কার্ডের আওতায় আনার কাজ চলছে।
আজ রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে ‘রাজশাহী সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ’ বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি রাজশাহীর রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, রেশম বোর্ডের কারখানা পরিদর্শন করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেশম চাষিদের সংখ্যা ও দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে, যা সরকার প্রতিশ্রুত কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়ক হবে। রেশম শিল্পকে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে চীন, জাপানের মতো আমাদেরকেও গুটি থেকে পনেরশ’ মিটারের আশেপাশে সুতা বানাতে সক্ষম হতে হবে।
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক তৌফিক আল মাহমুদ, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, বিভিন্ন রেশম চাষি ও ব্যবসায়ীবৃন্দ, রেশম বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
#
আসিফ/শাহাদাত/পবন/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১২০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৯০
শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে ফুটে উঠেছে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চিত্র
-- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের এক সম্ভাবনাময় চিত্র ফুটে উঠেছে। বিজ্ঞানের সঠিক চর্চা ও সৃজনশীলতা ব্যবহারের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মই স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের মূল কারিগর হিসেবে কাজ করবে।
আজ চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে প্রশাসন আয়োজিত ১০ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও ১০ম জাতীয় বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের বিজ্ঞান মেলায় শিক্ষার্থীরা জ্বালানি সংকট নিরসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর মতো বৈশ্বিক ও জাতীয় সমস্যার সৃজনশীল ও টেকসই সমাধান উপস্থাপন করেছে, যা তাদের প্রখর মেধা ও দেশপ্রেমের পরিচয় দেয়। প্রচলিত রোবট বা স্বয়ংক্রিয় গাড়ি তৈরির বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীরা এখন দেশীয় সমস্যা সমাধানে মনোযোগী হয়েছে। তিনি এই পরিবর্তনকে ইতিবাচক উল্লেখ করে বলেন, দেশকেন্দ্রিক প্রজেক্টে শিক্ষার্থীদের এই অগ্রগতি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সক্ষমতাকেই তুলে ধরছে।
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে মীর হেলাল বলেন, সরকারের দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে বাংলাদেশ এখনো সফলভাবে এই খাত পরিচালনা করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা সত্ত্বেও বড় ধরনের সংকট ছাড়াই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে শিক্ষক, অভিভাবক ও উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রজেক্টগুলো সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পরে তিনি বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এলাকার অসচ্ছল নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
#
রেজুয়ান/শাহাদাত/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৮৯
ওয়াসার সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে
- পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন ওয়াসাসমূহের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সময়মতো বাস্তবায়ন এবং সেবার মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আজ স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন ওয়াসাসমূহ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক একটি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে কাঙ্ক্ষিত সেবা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। তিনি ওয়াসাসমূহের সার্বিক কার্যক্রম ও প্রকল্প বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় থেকে সব ধরনের প্রশাসনিক ও কারিগরি সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।
সভায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী ওয়াসার চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি ও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ তুলে ধরা হয়। প্রতিমন্ত্রী প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার ওপর বিশেষ জোর দেন। মাঠপর্যায়ে কার্যক্রমের নিবিড় তদারকির নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আরো সতর্ক হতে হবে, যাতে পরবর্তী সময়ে কোনো জটিলতা তৈরি না হয়। এছাড়া তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যথাসময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয় ও ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন চলমান প্রকল্পের পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
আশরাফুল/শাহাদাত/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/মোশরফ/শামীম/২০২৬/২০১৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৮৯
ওয়াসার সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে
- পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন ওয়াসাসমূহের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সময়মতো বাস্তবায়ন এবং সেবার মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আজ স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন ওয়াসাসমূহ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক একটি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে কাঙ্ক্ষিত সেবা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। তিনি ওয়াসাসমূহের সার্বিক কার্যক্রম ও প্রকল্প বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় থেকে সব ধরনের প্রশাসনিক ও কারিগরি সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।
সভায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী ওয়াসার চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি ও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ তুলে ধরা হয়। প্রতিমন্ত্রী প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার ওপর বিশেষ জোর দেন। মাঠপর্যায়ে কার্যক্রমের নিবিড় তদারকির নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আরো সতর্ক হতে হবে, যাতে পরবর্তী সময়ে কোনো জটিলতা তৈরি না হয়। এছাড়া তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যথাসময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয় ও ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন চলমান প্রকল্পের পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
আশরাফুল/শাহাদাত/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/মোশরফ/শামীম/২০২৬/২০১৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৮৮
উন্নয়ন কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর
ঢাকা,২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
উন্নয়ন কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আজ ঢাকায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহের প্রধান এবং প্রকল্প পরিচালকগণের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সংস্থাভিত্তিক চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জসমূহ উপস্থাপন করা হয়। আলোচনার ভিত্তিতে প্রতিমন্ত্রী এ প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন আরো গতিশীল, কার্যকর এবং সময়োপযোগী করার জন্য প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রয়োজনে দপ্তর সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে প্রকল্প প্রণয়নে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি। একইসাথে সরকারি কর্মচারীদের আরো উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমাদের চিন্তা ও কর্মপদ্ধতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের পুরনো জৌলুস ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে তৃণমূল পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোকে আরো জোরদার করতে হবে। তিনি বলেন, সব ধরনের আইনি জটিলতা দূর করে শূন্য পদগুলোতে দ্রুত নিয়োগের মাধ্যমে প্রকল্পগুলোকে আরো গতিশীল করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারমূলক কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে অধিক সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। একইসঙ্গে কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমন্বিতভাবে প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া, সূর্যমুখী ও সরিষা উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সেখান থেকে ভোজ্য তেল উৎপাদনের মাধ্যমে আমদানিনির্ভরতা কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে মন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের যুবসমাজকে আধুনিক দক্ষতায় সজ্জিত করে কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচন করা সম্ভব। পাশাপাশি, বন্ধ হয়ে যাওয়া সকল প্লান্ট দ্রুত পুনরায় চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
আশরাফুল/শাহাদাত/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৮৭
কক্সবাজার বিমানবন্দর ও রেলওয়ে স্টেশনে স্থাপিত
ফ্রি ওয়াইফাই সেবা পরিদর্শন করলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
কক্সবাজার, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম আজ কক্সবাজার বিমানবন্দর ও রেলওয়ে স্টেশনে স্থাপিত ফ্রি ওয়াইফাই সেবা পরিদর্শন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী সেবার গুণগত মান, গতি এবং ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন এবং ট্রেনে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি যাত্রী ও পর্যটকরা সহজে ইন্টারনেট সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমরা সারাদেশে ধাপে ধাপে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা সম্প্রসারণ করে চলেছি। এই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো—বিশেষ করে রেলওয়ে স্টেশন ও বিমানবন্দরে ইতোমধ্যে এই সেবা চালু করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, কক্সবাজারে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যটক আগমন করেন। তাদের সুবিধা, নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল সংযোগ নিশ্চিত করতে আমরা আরো নতুন নতুন পর্যটন স্পটকে ফ্রি ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছি।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এবং উপদেষ্টা রেলস্টেশন প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন।
পরিদর্শনকালে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আসলাম হোসেন, বিটিসিএল এর দপ্তর সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
#
জসীম/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/সঞ্জীব/কনক/আব্বাস/২০২৬/১৯২২ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৮৬
নগরভবনে উন্নয়ন বিষয়ক সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী
২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই বদলে যাবে সিলেট
সিলেট, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই সিলেট নগরের দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটবে।
আজ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলনকক্ষে সিলেট মহানগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেটকে একটি আধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি সিলেটকে একটি ‘ভাইব্রেন্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, এ নগরে প্রাণবন্ত পরিবেশ, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিশ্চিত করা হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, সিলেটের ১০ লাখ নাগরিককে উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা গেলে একটি নান্দনিক, বাসযোগ্য ও টেকসই নগর গড়ে তোলা সম্ভব। সকল উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে টেকসই দৃষ্টিভঙ্গিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।
জলাবদ্ধতা নিরসনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে নগরের নিচু এলাকাগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমান।
#
কামাল/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৮২
সবার জন্য ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর
কক্সবাজার, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, সবার জন্য ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আজ কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সবার জন্য ইন্টারনেট শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান।
মন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় ও মৎস্য খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে সমুদ্রে কর্মরত জেলেদের জন্য সাইক্লোন সতর্কতা, ডাকাতি প্রতিরোধ এবং জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থায় স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলে, বিশেষ করে পর্যটননির্ভর এলাকা যেমন কক্সবাজারে, আধুনিক ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণে কাজ করছে। ইতোমধ্যে বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়েছে।
ফকির মাহবুব বলেন, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা জরুরি। এ লক্ষ্যে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজীকরণ, অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট সকল সেবা সহজলভ্য করতে সরকার কাজ করছে। তিনি পর্যটন খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিচ্ছন্নতা, পর্যটকবান্ধব আচরণ এবং ইতিবাচক মনোভাবই কক্সবাজারের ভাবমূর্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের লক্ষ্য জনগণের দোরগোড়ায় প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া। এজন্য উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ইন্টারনেট বিস্তার, ফ্রিল্যান্সিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, দেশের টেলিযোগাযোগ সেবার মানোন্নয়নে সরকার কাজ করছে। বিটিসিএলের সেবা বিলম্বসহ বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, কক্সবাজারে ফ্রি ওয়াইফাই সম্প্রসারণ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক উন্নয়নে কাজ চলবে। ধাপে ধাপে বিনিয়োগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে সেবার মান আরো উন্নত করা হবে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আ: মান্নানের সভাপতিত্বে সভায় সুশীল সমাজ, বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার, গণমাধ্যম কর্মী এবং দপ্তর সংস্থার প্রতিনিধিরা তাদের মতামত তুলে ধরেন।
এরপর মন্ত্রী এবং উপদেষ্টা কক্সবাজার হিলটাউন সার্কিট হাউজ সম্মেলনকক্ষে বিটিসিএল, টেলিটক, সাবমেরিন ক্যাবল ও বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির কর্মকর্তা এবং ডাক বিভাগের অবিভাগীয় (ইডি) কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
#
জসীম/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/সঞ্জীব/কনক/শামীম/২০২৬/১৮১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৮৩
হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৮৮। এ সময় ৮০ জন নিশ্চিত হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৯ হাজার ৪৬৩। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৭ হাজার ২২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগ এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু সংখ্যা ২। গত ১৫ মার্চ হতে এখন পর্যন্ত ১৪৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/পবন/সঞ্জীব/কনক/শামীম/২০২৬/১৭৩০ ঘণ্টা
Handout Number: 3280
ICAB’s 22nd Convocation
Information and Broadcasting Minister calls for
Accountants to develop as strategic advisors
Dhaka, 11 April:
Information and Broadcasting Minister Zahir Uddin Swapon said that in the modern world, accountants are no longer limited to financial management; rather, they play a vital role in decision-making in both large and small organizations. Entrepreneurs as well as the state are increasingly relying on their activities. Therefore, he urged accountants to develop themselves not only as accountants but also as strategic advisors.
He made these remarks as the chief guest while speaking at the 22nd convocation of the Institute of Chartered Accountants of Bangladesh (ICAB) held today at a hotel in Dhaka.
The minister said that in this technology-driven new world, accountants must not limit themselves only to institutional knowledge. Instead, they must stay constantly aware of the changing technological environment, especially Artificial Intelligence and the digital ecosystem.
Addressing the newly qualified professionals, he said that the present time is an era of both challenges and opportunities. By taking these challenges, they carry the responsibility of enhancing their skills, contributing to the country, and advancing their profession. He wished a bright future for the new Chartered Accountants and expressed hope that their professional success would play an important role in national development.
Convocation speaker Professor Dr. Salimullah Khan also spoke at the event. Among others, ICAB President N. K. A. Mobin delivered remarks.
#
Imranul/Qutub/Atiq/Ali/Kamal/2026/1540 hrs
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৭৭
‘Youth Entrepreneurship & Startups for Students’ কর্মসূচির উদ্বোধন
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হতে আহ্বান শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর
সিলেট, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি আজ সিলেটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘Youth Entrepreneurship & Startups for Students (YESS Program)’ শীর্ষক কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা জরুরি। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে জ্ঞান, উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা মানসিকতার বিকল্প নেই।
তিনি আরো বলেন, উন্নত দেশগুলোর অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হলো জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও দক্ষ মানবসম্পদ। এ লক্ষ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে আঞ্চলিক উন্নয়নের ‘নলেজ হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষুদ্র সাবমেরিন নির্মাণ এবং রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি তৈরির মতো সৃজনশীল প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা দেশের প্রযুক্তি উন্নয়নের সম্ভাবনাকে আরো উজ্জ্বল করবে।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে উল্লেখ করে বলেন, নতুন বিভাগ স্থাপন, পরিবহন সুবিধা বৃদ্ধি, আবাসন ব্যবস্থা সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন প্রকল্প একীভূত করে প্রস্তাব আকারে উপস্থাপন করলে সরকার তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে।
মন্ত্রী শিল্পখাতে গবেষণালব্ধ জ্ঞান প্রয়োগের ওপর জোর দিয়ে বলেন, আমাদের সার, চিনি ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং লোকসান কমিয়ে লাভজনক করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এসময় শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের সুযোগ সৃষ্টির আশ্বাস দেন তিনি।
শিল্প সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক খালেদ আহমদ, iDEA প্রকল্প ও আইসিটি ডিভিশনের প্রকল্প পরিচালক মুর্তুজা জুলকার নাঈন নোমান এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং YESS প্রোগ্রামের মাধ্যমে তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
#
কামাল/কুতুব/আতিক/আলী/শফি/২০২৬/১৩৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৭৯
আইসিএবি’র ২২তম সমাবর্তন
হিসাববিজ্ঞানীদের কৌশলী উপদেষ্টা হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর
ঢাকা, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আধুনিক বিশ্বে হিসাববিজ্ঞানীরা কেবল আর্থিক ব্যবস্থাপনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন; বরং তারা বড়ো বা ছোটো যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। উদ্যোক্তা কিংবা রাষ্ট্র সকলেই দিকনির্দেশনার জন্য তাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠছে। তাই নিজেদেরকে শুধুমাত্র হিসাবরক্ষক নয়, বরং কৌশলগত উপদেষ্টা হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
আজ ঢাকার একটি হোটেলে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)-এর ২২তম সমাবর্তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই নতুন বিশ্বে হিসাববিজ্ঞানীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। বরং পরিবর্তিত প্রযুক্তিগত পরিবেশ, বিশেষ করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও ডিজিটাল ইকোসিস্টেম সম্পর্কে সর্বদা সচেতন থাকতে হবে।
নবীন সনদপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বর্তমান সময় চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার যুগ। এই চ্যালেঞ্জকে গ্রহণ করে নিজেদের দক্ষতা, দেশ এবং পেশাকে সমৃদ্ধ করার দায়িত্ব তাদের ওপর বর্তায়। তিনি নবীন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং তাদের পেশাগত সাফল্য দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ডঃ সলিমুল্লাহ খান। অন্যান্যদের মধ্যে আইসিএবির প্রেসিডেন্ট এন কে এ মবিন বক্তব্য রাখেন।
#
ইমরানুল/কুতুব/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১৫১৭ ঘণ্টা
Handout Number: 3276
Prime Minister Tarique Rahman to inaugurate
pre-piloting of Farmer Card distribution on April 14
Dhaka, April 11:
Prime Minister Tarique Rahman will inaugurate the pre-piloting activities of the ‘Farmer Card’ distribution program on April 14 (Tuesday) at 10:00 AM at Shaheed Maruf Stadium in Tangail Sadar.
At the same time, the pre-piloting activities of the Farmer Card distribution will also be launched in 10 Upazilas across the country; Shibganj, Panchagarh Sadar and Boda, Islampur, Shailkupa, Nesherabad, Juri, Cumilla Adarsha Sadar, Goalanda and Teknaf.
This information was shared through an official letter from the Ministry of Information and Broadcasting.
#
Walul/Qutub/Mitu/Atik/Ali/Sofi/2026/1235 Hrs.
Handout No: 3275
'Farmers’ Market' inaugurated in Sylhet
Direct farmer-consumer connection will bring relief to the market
- CommerceMinister
Sylhet, 11 April:
To reduce the dominance of middlemen, ensure fair prices for farmers’ products, and provide safe food to consumers at affordable prices, a government-managed “Farmers’ Market” has been launched for the first time in Sylhet.
The initiative was officially inaugurated today by the Minister of Commerce, Industry, Textiles and Jute, Khandaker Abdul Muktadir, at a location near Tilagarh Point in Sylhet city.
This program, jointly organized by the Sylhet District Administration and the Department of Agricultural Extension, has been launched with the slogan “Safe and fresh products directly from farmers.” Through this initiative, marginal farmers will be able to sell their produce directly to consumers without any intermediaries.
Speaking as the chief guest at the inauguration, the Commerce Minister said that the government is taking various new initiatives to bring transparency and balance to the market system. Often, agricultural products change hands four to five times before reaching consumers, causing unreasonable price increases. The “Farmers’ Market” will reduce these intermediary layers and create a win-win situation for both farmers and consumers. He also noted that direct connections between farmers and consumers will bring relief to the market.
He added that under the supervision of district and upazila administrations, the market will be held at designated locations on specific days of the week, where farmers will sell their products directly. Due to administrative oversight, there will be no opportunity for extortion or unexpected costs.
Khandaker Abdul Muktadir further stated that the government has taken initiatives to modernize the supply system to stabilize the market. The entire supply chain from import to retail sales will be brought under an integrated digital model, making market monitoring easier and enabling the quick detection of any irregularities.
The Commerce Minister also mentioned that the activities of the Trading Corporation of Bangladesh (TCB) will be strengthened to maintain balance in the market for essential commodities. By importing larger quantities of goods through TCB, an effective counterbalance will be created in the market.
He emphasized the expansion of irrigation systems and the re-excavation of canals to support the development of the agricultural sector. He expressed hope that these initiatives will increase agricultural production and help stabilize the country’s market in the future.
The event was chaired by Deputy Commissioner of Sylhet Md. Sarwoer Alam and attended by Divisional Commissioner Khan Md. Reza-un-Nabi, Sylhet Metropolitan BNP General Secretary Imdad Hossain Chowdhury, Acting President Rezaul Hasan Koyes Lodi, Sylhet Sadar Upazila Executive Officer Khoshnur Rubaiyat, Deputy Director of the Department of Agricultural Extension Shamsuzzaman, and other concerned officials.
According to relevant sources, the market will operate every morning at designated locations. If successful, this initiative is expected to ensure fair prices for farmers and allow consumers to purchase safe and fresh products at comparatively lower prices-positively impacting the overall market.
#
Kamal/Qutub/Mitu/Atik/Ali/Kamal/2026/1052 Hrs.
অতীব জরুরি
টিভি স্ক্রল নম্বর: ২৩১
টেলিভিশন চ্যানেলে স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য
সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া
ঢাকা, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:
মূলবার্তা:
“প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। একই সাথে দেশের ১০টি উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে-তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।”
#
ওয়ালুল/কুতুব/আতিক/আলী/শফি/২০২৬/১১৫০ ঘন্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৭৪
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন
ঢাকা, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
একই সাথে দেশের ১০টি উপজেলায় (শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর ও বোদা, ইসলামপুর, শৈলকুপা, নেছারাবাদ, জুড়ী, কুমিল্লা আদর্শ সদর, গোয়ালন্দ ও টেকনাফ) ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক পত্রের মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
#
ওয়ালুল/কুতুব/আতিক/আলী/শফি/২০২৬/১১৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩২৭৩
সিলেটে ‘কৃষকের হাট’ উদ্বোধন
কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে বাজারে আসবে স্বস্তি
-বাণিজ্যমন্ত্রী
সিলেট, ২৮ চৈত্র (১১ এপ্রিল):
মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষকের পণ্যর ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত এবং ভোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী দামে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে সিলেটে প্রথমবারের মতো সরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু হয়েছে ‘কৃষকের হাট’।
আজ সিলেট নগরীর টিলাগড় পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এ উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সিলেট জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ‘সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে নিরাপদ ও তাজা পণ্য’ স্লোগানে এ কর্মসূচির শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ভোক্তাদের কাছে বিক্রির সুযোগ পাবেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও ভারসাম্য আনতে সরকার নানা ধরনের নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। অনেক সময় উৎপাদক থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে কৃষিপণ্য চার থেকে পাঁচবার হাতবদল হয়, ফলে অযৌক্তিকভাবে দাম বেড়ে যায়। ‘কৃষকের হাট’ এই মধ্যবর্তী স্তর কমিয়ে কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের জন্যই একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করবে। কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে বাজারে আসবে স্বস্তি আসবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত স্থানে সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে এই হাট বসবে, যেখানে কৃষকরা সরাসরি পণ্য বিক্রি করবেন। প্রশাসনের নজরদারির কারণে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা অপ্রত্যাশিত খরচের সুযোগ থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার সরবরাহ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। আমদানি থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত পুরো সাপ্লাই চেইনকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল মডেলের আওতায় আনা হবে, যাতে বাজার তদারকি সহজ হয় এবং যেকোনো ধরনের কারসাজি দ্রুত শনাক্ত করা যায়।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখতে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যক্রম আরো জোরদার করা হবে। টিসিবির মাধ্যমে অধিক পরিমাণে পণ্য আমদানি করে বাজারে একটি কার্যকর ‘কাউন্টার ব্যালেন্স’ তৈরি করা হবে।
কৃষি খাতের উন্নয়নে সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং খাল পুনঃখননের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং ভবিষ্যতে দেশের বাজার আরো স্থিতিশীল হবে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াত এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামসুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিদিন সকালে নির্ধারিত স্থানে এই হাটের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ উদ্যোগ সফল হলে কৃষকরা তাদের উৎপাদনের ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং সাধারণ মানুষ তুলনামূলক কম দামে নিরাপদ ও তাজা পণ্য ক্রয়ের সুযোগ পাবেন-যা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
#
কামাল/কুতুব/মিতু/আতিক/আলী/কামাল/২০২৬/১০৪৮ ঘণ্টা