কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬ এ ১০:৫৪ PM

Handout 30 march 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ৩০-০৩-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ৩০-০৩-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৯৬

জেনেভায় আইএলও তে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে অভিনন্দন ও পূর্ণ সমর্থন

জেনেভা, ৩০ মার্চ:

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৫৬তম গভর্নিং বডি অধিবেশনে বাংলাদেশ বিষয়ক আলোচনায় অংশগ্রহণকারী ৪৭টি দেশ বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন ও পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে দেশগুলো।

২০১৯ সালের জুন মাসে আইএলও কনভেনশন ৮১, ৮৭ ও ৯৮ প্রতিপালনে ব্যর্থতার অভিযোগে সংস্থাটির সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের পাঁচজন শ্রমিক প্রতিনিধি একটি মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলার কারণে তৎকালীন সরকার ২০২১ সালে একটি পাঁচ বছর মেয়াদী শ্রমখাত সংস্কার সংক্রান্ত রোডম্যাপ প্রণয়ন করে আইএলওর গভর্নিং বডিতে দাখিল করে। দাখিলকৃত এ রোডম্যাপে অর্জিত অগ্রগতির বিষয়ে গত পাঁচ বছরে গভর্নিং বডির আটটি অধিবেশনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বর্তমান সরকার নবম অগ্রগতি রিপোর্ট পেশ করে।

মামলাটির আলোচনায় অংশ নিয়ে সকল দেশের প্রতিনিধিরা বর্তমান সরকারের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সংস্থাটির ৫৬ সদস্যবিশিষ্ট গভর্নিং বডির ১৯টি রাষ্ট্র, দুটি আঞ্চলিক গ্রুপভুক্ত ২৮টি দেশ ও মালিকপক্ষ শ্রম খাত উন্নয়নে নতুন সরকারের সুদৃঢ় আইনগত ও প্রশাসনিক সংস্কারের অঙ্গীকারের ভূয়সী প্রশংসা করে চলমান মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছে। মামলা সংক্রান্ত আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন অংশগ্রহণ করেন। জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান ও শ্রমসচিব আব্দুর রহমান তরফদার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত সকল গভর্নিং বডি সদস্যকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ হতে উষ্ণ শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রয়োজনীয়তা এবং শ্রম অধিকার, শ্রমিক সুরক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার রয়েছে বলে জানান।

উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের জনগণ আমাদের নির্বাচিত সরকারকে বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট দিয়েছে। এ ম্যান্ডেটের মূলে রয়েছে নির্বাচনি ইশতেহার যেখানে নাগরিক অধিকার বিশেষত মানবাধিকার, আইনের শাসন ও বাক-স্বাধীনতা, ব্যাপক ও বহুমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও যোগ্যতা বৃদ্ধি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ। সরকারের এসব অগ্রাধিকারের সঙ্গে আইএলওর Decent Work Agenda সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ কে আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে বলে তিনি অধিবেশনে উপস্থিত সকলকে জানান। সরকার এ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে জোর প্রচেষ্টা চালাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে প্রণীত সংশোধনীগুলোর বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে বলে তিনি জানান। এর মধ্য দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও কর্মসংস্থান নির্ভর উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চলমান পাতা-২

পাতা-২

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সুসংহতকরণে, শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা এক্ষেত্রে আইএলও সহ সংশ্লিষ্ট সকলের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন।

আলোচনায় ২২ সদস্যবিশিষ্ট আরব গ্রুপ, ৬ সদস্যবিশিষ্ট উপসাগরীয় অঞ্চলের গ্রুপ, নাইজার, চীন, রাশিয়া, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, তানজানিয়া, ইরান, লিবিয়া, ওমান, ফিলিপাইন, নেপাল, তিউনিসিয়া, ইথিওপিয়া, লাওস, কিউবা, মোজাম্বিক, গ্যাবন, উজবেকিস্তানসহ মোট ১৯টি দেশ, মালিকপক্ষ ও দু'টি আঞ্চলিক গ্রুপ শ্রম খাতের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করে। সমর্থনকারী দেশগুলোর মধ্যে ১৪টি দেশ, ২২ সদস্যের আরব গ্রুপ, ৬ সদস্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের গ্রুপ ও মালিকপক্ষ মামলাটি দ্রুত তুলে নেয়ার জন্য জোর দাবি জানায়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রম আইন সংশোধনের অগ্রগতি, পরিদর্শক নিয়োগ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতির প্রশংসা করে রোডম্যাপ পুরোপুরি বাস্তবায়নের জন্য আরো পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।

দীর্ঘ আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে মামলাটির পরবর্তী আলোচনা আগামী বছরের মার্চে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

#

শরীফুল/কামরুজ্জামান/পবন/মেহেদী/রফিকুল/আব্বাস/২০২৬/২২২৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৯৪

জ্বালানি সরবরাহ সচল রেখে জনগণের স্বস্তি নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার ---বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী

ঢাকা, ১৬ চৈত্র (৩০ মার্চ):

বিদ্যমান গ্যাস এবং জ্বালানির মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা বিষয়ে আজ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দিতে গিয়ে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বৈশ্বিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির (বিশেষ করে গাল্ফ ও মধ্য এশিয়ার) মধ্যেও বাংলাদেশের গ্যাস ও জ্বালানি মজুত সরবরাহের অগ্রিম প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনার বিষয়টি দেশবাসীর সামনে উপস্থাপন করা জরুরি। বিভিন্ন রকমের বিভ্রান্তি সৃষ্টির মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে যাতে কোনো মহল উদ্বেগ উৎকণ্ঠা সৃষ্টি না করতে পারে সেজন্য এই বিবৃতি।

মন্ত্রী সংসদকে জানান, আন্তর্জাতিক সংঘাত, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, সরবরাহ ব্যবস্থার ঝুঁকি ও জ্বালানি পরিবহনে অনিশ্চয়তাসব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে এক ধরনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে চাপের মুখে ফেলেছে। এর অভিঘাত বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও এসে পৌঁছেছে।

মন্ত্রী বলেন, এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রেখেছি এবং জনগণের স্বস্তি নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই, বরং আমরা গত বছরের তুলনায় সরবরাহ আরো বৃদ্ধি করেছি। গত বছর এই সময়ে আমাদের যে পরিমাণ জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছিল, এ বছর আমরা তার চেয়েও বেশি সরবরাহ নিশ্চিত করেছি। ৩০ মার্চ তারিখে দেশে ডিজেলের মোট মজুত ২ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন। এত বিপুল বিক্রয়ের পরও মজুত বৃদ্ধি পাওয়া প্রমাণ করে যে, সরকার আগাম প্রস্তুতি, ধারাবাহিক আমদানি এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সরবরাহ ব্যবস্থাকে দৃঢ়ভাবে অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, আমরা ২০২৫ সালের মার্চ মাসের চাহিদাকে ভিত্তি ধরে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত সরবরাহের ব্যবস্থা করেছি।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আমাদের মোট ব্যবহৃত জ্বালানির ৬৩% ডিজেল, যার সরবরাহ স্বাভাবিক। অর্থাৎ, মোট ব্যবহৃত জ্বালানির মাত্র ৬.০৮% অকটেন ও ৬.৭৭% পেট্রোলের জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন জ্বালানি সরবরাহের সঠিক চিত্র প্রতিফলিত করে না। এখানে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের মাধ্যমে মজুতের প্রবণতা থাকায় এ সংকট কৃত্রিমভাবে তৈরি হয়েছে। এ সংকট উত্তরণে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। তিনি যোগ করেন, সরকার ডিজেলের পাশাপাশি অকটেনের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য ইতোমধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী এপ্রিল মাসে ৫০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আমদানির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এছাড়া, দেশীয় উৎস থেকে আরো ৩০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন পাওয়া যাবে।

মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সরকার জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করেনি। পৃথিবীর অনেক দেশে জ্বালানির দাম বারবার সমন্বয় করতে হয়েছে। এমনকি প্রতিবেশী অনেক দেশেও ২৫ শতাংশের বেশি মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে; সেখানে বাংলাদেশ সরকার জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে মূল্য স্থিতিশীল রেখেছে।

#

আরিফ/কামরুজ্জামান/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/রফিকুল/আব্বাস/২০২৬/২০৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৯১

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের এডিপি’র পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১৬ চৈত্র (৩০ মার্চ):

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আজ কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-এর বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী সভায় সততা দক্ষতার সাথে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ না করার জন্য আহ্বান জানান। সভায় কারিগরি শিক্ষার জন্য বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়ন এবং প্রয়োজনীয় নতুন কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা হয়। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে মডেল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এছাড়া, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোর চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স এক বছর কমিয়ে তিন বছর করা যায় কি না সেটির ভালো-মন্দের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা হয়।

#

মাহমুদ/কামরুজ্জামান/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/মোশারফ/রফিকুল/আব্বাস/২০২৬/২০২৬ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৮৯

ডিএনসিসি প্রশাসকের নির্দেশ: সশরীরে থেকে উন্নয়ন কাজের মান যাচাই করবেন নির্বাহী প্রকৌশলীরা

ঢাকা, ১৬ চৈত্র (৩০ মার্চ):

নির্বাহী প্রকৌশলীদের সশরীরে উপস্থিত থেকে চলমান সব উন্নয়নমূলক কাজের মান যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)-এর প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের চলমান কাজের মান নিশ্চিত করতে নির্বাহী প্রকৌশলীদের নিজ নিজ এলাকায় উপস্থিত থেকে কাজের গুণগতমান যাচাই করতে হবে। কোনো নিম্নমানের কাজ পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা চিহ্নিত করে পুনরায় যথাযথভাবে কাজ আদায় করে নিতে হবে।

আজ নগর ভবনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের চলমান সকল উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি, গুণমান ও গতিশীলতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ঠিকাদারদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রশাসক এসব কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, ‘‘ডিএনসিসি ও ঠিকাদারদের মধ্যে কার্যকর বোঝাপড়া থাকতে হবে। আমরা কাউকে বাদ দিয়ে কাজ করতে চাই না। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, আধুনিক ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তুলতে চাই।’’ এসময় তিনি বলেন, কাজের ক্ষেত্রে দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় ডিএনসিসিকে অগ্রগামী থাকতে হবে এবং কারো প্রতি কোনো বৈষম্য করা হবে না। তিনি ঠিকাদারদের উদ্দেশে বলেন, সব কাজ নির্ধারিত সময়সূচির মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। যথাসময়ে কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

সভায় জানানো হয়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে বর্তমানে ৩৪৮টি উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এসব কাজের আওতায় ২১৫ দশমিক ৬৫ কি.মি. রাস্তা, ২১৫ দশমিক ১৩ কি.মি. নর্দমা এবং ৬৭ দশমিক ৫৯ কি.মি. ফুটপাত উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। সভায় বিভিন্ন কাজের ঠিকাদারগণ তাদের কাজ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে সেসব সমস্যার সমাধানে ডিএনসিসির সহায়তা কামনা করেন।

সভায় ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসানসহ ডিএনসিসির অন্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

জোবায়ের/কামরুজ্জামান/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/মোশারফ/আব্বাস/২০২৬/২০০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৮৮

জলবায়ু পরিবর্তন ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয় এটি অনিবার্য বাস্তবতা

---দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী

ঢাকা, ১৬ চৈত্র (৩০ মার্চ):

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যখন জলবায়ু পরিবর্তন আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কা নয়; এটি অনিবার্য বাস্তবতা। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, নদীভাঙনএসব দুর্যোগ এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই দুর্যোগগুলোর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে আমাদের শিশুরা।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর একটি হোটেলে 'Save the Children আয়োজিত ‘Met Club: The Next Wave’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ, আমাদের স্বপ্ন, আমাদের সম্ভাবনা। কিন্তু দুর্যোগের সময় তারাই সবচেয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। তাই শুধু তাদের রক্ষা করাই নয়, তাদেরকে সচেতন, দক্ষ ও প্রস্তুত করে তোলা আমাদের নৈতিক ও জাতীয় দায়িত্ব।

আয়োজকরা জানান, মেট ক্লাব (Meteorological Club) একটি স্কুলভিত্তিক, শিশু-কিশোর নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ, যার লক্ষ্য শিশুদের আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন , প্রাকৃতিক বিপদ এবং দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতি সম্পর্কে সচেতন ও সক্ষম করে তোলা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, আগাম সতর্কতা বোঝা এবং দুর্যোগকালীন সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা উন্নয়ন করা হয়। গেমিফাইড লার্নিং পদ্ধতিভিত্তিক ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মটি শিশুদের জন্য একটি সহজ, আকর্ষণীয় এবং অংশগ্রহণমূলক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করবে, যা তাদের বাস্তব পরিস্থিতিতে প্রয়োগযোগ্য জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করবে এবং নিজের পাশাপাশি পরিবার ও কমিউনিটির সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে সক্ষম করবে।

মন্ত্রী পরে ক্লাবের ই-লার্নিং পোর্টালের উদ্বোধন ও প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন।

#

মাহবুবুর/কামরুজ্জামান/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/মোশারফ/রফিকুল/আব্বাস/২০২৬/১৯১২ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৮৬

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে যাত্রীবান্ধব ও

লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান বিমানমন্ত্রীর

ঢাকা, ১৬ চৈত্র (৩০ মার্চ):

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) বলেছেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে একটি লাভজনক ও যাত্রীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই।

আজ কুর্মিটোলার বলাকায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনাদের বেতন আসে সাধারণ যাত্রীদের অর্থ থেকে। তাই তাদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা আপনাদের নৈতিক দায়িত্ব”। তিনি কর্মীদের পারফরম্যান্স মনিটরিংয়ের মাধ্যমে পদোন্নতির ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন। পাশাপাশি দ্রুত শূন্যপদ পূরণ এবং বেতন-ভাতা সন্তোষজনক পর্যায়ে উন্নীত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, “বর্তমান সরকার জনবান্ধব ও গণতান্ত্রিক। তাই আমরা বিমানকে একটি অনুসরণীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই।”

সভায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সার্বিক উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল দ্রুত নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন, প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য হুইলচেয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের সংযোগ জোরদার করা।

সভা শেষে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিমান ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টার (বিএফসিসি) পরিদর্শন করেন এবং সেখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মান যাচাই করেন।

#

তরিকুল/কামরুজ্জামান/পবন/ফেরদৌস/মোশারফ/আব্বাস/২০২৬/১৮৩৩ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৮৫

আল্লামা আবু তাহের নদভী-এর মৃত্যুতে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ১৬ চৈত্র (৩০ মার্চ):

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম, দেশবরেণ্য আলেম আল্লামা আবু তাহের নদভী-এর ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

আজ এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন বলেন, আল্লামা আবু তাহের নদভী ছিলেন ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারে এক আলোকবর্তিকা। পটিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হিসেবে তাঁর অবদান এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে তাঁর নিরলস পরিশ্রম আলেম সমাজ ও সাধারণ মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন সুযোগ্য ধর্মীয় অভিভাবককে হারালো।

প্রতিমন্ত্রী মরহুমের বিদেহ আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

#

রেজুয়ান/কামরুজ্জামান/পবন/ফেরদৌস/মোশারফ/আব্বাস/২০২৬/১৮২২ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৮৪

প্রকল্পে অনিয়ম দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় নয়

---কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৬ চৈত্র (৩০ মার্চ):

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, জনগণের প্রকৃত কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

মন্ত্রী আজ সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় সভাপতিত্বকালে এসব কথা বলেন।

আমিন উর রশিদ বলেন, যে সকল প্রকল্প প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে, সেগুলোর কারণ চিহ্নিত করতে হবে এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। ভবিষ্যতে প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

কৃষি উৎপাদন টেকসই রাখতে জমির উর্বরতা পুনরুদ্ধার এবং মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত সার ব্যবহারের ফলে মাটির অম্লতা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মাটির ক্ষতির পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন ব্যয়ও বাড়াচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে মাটির অম্লতা হ্রাসে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় জানানো হয়, চলতি অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-এর অগ্রগতি ৪২ দশমিক ১৮ শতাংশ।

সভায় কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

জাকির/কামরুজ্জামান/পবন/ফেরদৌস/মোশারফ/আব্বাস/২০২৬/১৮১০ ঘণ্টা

Handout Number: 3083

Biography of Mirza Fakhurl Islam Alamgir

Dhaka, 30 March:

Mirza Fakhrul Islam Alamgir is the current Secretary General of the Bangladesh Nationalist Party (BNP) since March 30, 2016. Before that, he served as the Acting Secretary General of the party for five years, starting from March 20, 2011. He was named Senior Joint Secretary General of the party at the 5th National Council held on December 8, 2009.

He was nominated as a Member of Parliament in the 8th National Parliamentary Election in 2001 from his native area, Thakurgaon-01 constituency, as a BNP candidate. He served as State Minister for the Ministry of Agriculture and also for Civil Aviation and Tourism from 2001 to 2006. He contested the 9th Parliamentary Election in 2008.

Mirza Fakhrul Islam Alamgir began his political journey in the 1960s when he was a student in the Department of Economics at the University of Dhaka. At that time, he joined the East Pakistan Students Union (EPSU), the student wing of the East Pakistan Communist Party. He was elected Secretary General of the Dhaka University S.M. Hall unit of the organization. He later became President of the prestigious Dhaka University unit during the mass uprising against President Ayub Khan in 1969. He was arrested and imprisoned for political reasons.

Mirza Fakhrul Islam Alamgir resigned from his government job in 1986 and joined active politics. He was elected Chairman of Thakurgaon Municipality in 1988 as a neutral candidate. He joined the Bangladesh Nationalist Party (BNP) in the early 1990s amid the countrywide anti-Ershad movement. In 1992, he was made President of the Thakurgaon District BNP.

Renowned politician Mirza Fakhrul Islam Alamgir was born on January 26, 1948, in Thakurgaon District. He completed his Master’s degree with Honours in Economics from the University of Dhaka. After completing his education, he began his career as a lecturer at Dhaka College as a member of the Bangladesh Civil Service (Education Cadre). He served as a teacher in several government colleges. Among other government responsibilities, he worked as Deputy Director at the Directorate of Inspection and Audit of the Bangladesh Government and also worked with the UNESCO National Commission.

He also served as the Personal Secretary to the then Deputy Prime Minister S.A. Bari during the administration of President Ziaur Rahman in late 1979, a position he held until S.A. Bari resigned in 1982.

Mirza Fakhrul Islam Alamgir is married to Rahat Ara Begum, who attended the University of Calcutta and is currently working in an insurance company in Dhaka. The couple has two daughters: Mirza Shamaruh and Mirza Safaruh. Shamaruh attended the University of Dhaka and was a teacher there. She is currently a post-doctoral fellow in Australia. The younger daughter, Safaruh, also a graduate of the University of Dhaka, is now working as a teacher at a reputed school in Dhaka.

His younger brother, Mirza Faisal Amin, is the General Secretary of Thakurgaon District BNP and the elected Chairman of Thakurgaon Municipality.

His father, Mirza Ruhul Amin, an eminent lawyer and renowned politician, was elected Member of Parliament several times from the Thakurgaon constituency. He also served as Minister of Agriculture under the Government of Bangladesh.

His uncle, Mirza Ghulam Hafiz, was a BNP politician who served as Minister of Land (1978–79), Minister of Law, Justice, and Parliamentary Affairs (1991–96), and Speaker of the 2nd National Parliament of Bangladesh (1979–82). He was elected Member of Parliament from a Dhaka constituency in 1979.

Another uncle, Wing Commander S.R. Mirza, served in the Mujibnagar Government in exile formed in April 1971. He was appointed to head the newly formed Directorate of Youth Camps, overseeing training facilities for freedom fighter recruits in 1971.

#

Gias/Kutub/Fatema/Marufa/Mitu/Atik/Saida/Kamal/2026/1350 hours

তথ্যবিবরণী নম্বর:৩০৮২

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জীবনবৃত্তান্ত

ঢাকা, ১৬ চৈত্র (৩০মার্চ):

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ইতঃপূর্বে তিনি ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে পাঁচ বছর দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ৫ম জাতীয় কাউন্সিলে তাঁকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মনোনীত করা হয়। ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি তার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও-০১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৬০-এর দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র থাকাকালে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। সেই সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্র সংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে (ইপিএসইউ) যোগদান করেন। তিনি সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এসএম হল ইউনিটের মহাসচিব নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালে রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সময় মির্জা আলমগীর সংগঠনের মর্যাদাপূর্ণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হন। রাজনৈতিক কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়।

১৯৮৬ সালে তিনি সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালে নিরপেক্ষ প্রার্থী হিসেবে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে দেশব্যাপী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মধ্যে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিতে যোগদান করেন। ১৯৯২ সালে পুনরায় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি হন।

প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করার পর তিনি ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শিক্ষা ক্যাডারের) এর সদস্য হিসেবে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক এবং ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনে কাজ করেন। তিনি ১৯৭৯ সালের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশাসনে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস.এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও কাজ করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাহাত আরা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকায় একটি বীমা কোম্পানিতে কর্মরত আছেন। এই দম্পতির দুই কন্যা, মির্জা শামারুহ এবং মির্জা সাফারুহ। শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করেন। তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো। কনিষ্ঠ কন্যা মির্জা সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকার একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

 ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ঠাকুরগাঁও পৌরসভার নির্বাচিত পৌরসভা চেয়ারম্যান।
 তার বাবা মির্জা রুহুল আমিন, একজন বিশিষ্ট আইনজীবী এবং প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, ঠাকুরগাঁও নির্বাচনি এলাকা থেকে বেশ কয়েকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের কৃষিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
 তাঁর চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ছিলেন একজন বিএনপি রাজনীতিবিদ যিনি ভূমিমন্ত্রী (১৯৭৮-৭৯), আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী (১৯৯১-৯৬) এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদের স্পিকার (১৯৭৯-৮২) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মির্জা হাফিজ ১৯৭৯ সালে ঢাকার একটি নির্বাচনি এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
 মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আরেক চাচা উইং কমান্ডার এস.আর. মির্জা ১৯৭১ সালের এপ্রিলে গঠিত মুজিবনগর প্রবাসী সরকারে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ সুবিধা তদারকির জন্য নবগঠিত যুব শিবির অধিদপ্তরের প্রধান হিসেবে তাকে মনোনীত করা হয়েছিল।

#

গিয়াস/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/মিতু/আতিক/সাঈদা/কামাল২০২৬/১৩৫০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৭৯

বাংলাদেশ ও হংকং-এর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ক্যামেরুন (ইয়াউন্দে): ৩০ মার্চ:

ক্যামেরুন ইয়াউন্দেতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশ ও হংকং-এর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল ক্যামেরুনের ইয়াউন্দে শহরের প্যালেস দ্য কংগ্রেসে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং হংকং, চীনের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টর-জেনারেল অ্যারন লিউ।

বৈঠকে বাণিজ্য সচিব বাংলাদেশের নবগঠিত সরকারের দূরদর্শী ও অগ্রগামী নীতির কথা তুলে ধরেন। বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, দেশের দক্ষ জনশক্তি, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান, বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজার এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বাণিজ্য সচিব হংকংয়ের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান, বিশেষ করে রপ্তানিমুখী উৎপাদন, অবকাঠামো ও লজিস্টিকস, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), উদ্ভাবন এবং সবুজ ও টেকসই শিল্পখাতে। একই সঙ্গে হংকংয়ের প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) যথাযথ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বাস দেন।

হংকং প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে নির্বাচনে গণতান্ত্রিক সরকারের বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানায়। বাংলাদেশ ও হংকং-এর মধ্যে বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সুরক্ষা চুক্তি (IPPA)-এর খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে বলেও তারা অবহিত করে। তারা আশা প্রকাশ করে ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হবে, যা উভয় দেশের বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এছাড়া, হংকং প্রতিনিধিদল IPPA অনুমোদনের পর বাংলাদেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) বা অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (EPA) আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করে। তারা উল্লেখ করেন, এ ধরনের চুক্তি বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা হ্রাস এবং ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খাদিজা নাজনীন, জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ইকোনমিক মিনিস্টার মোহাম্মদ জাহিরুল কায়ুমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

#

কামাল/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/মিতু/আতিক/শফি/২০২৬/১৩৪০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর:৩০৭৮

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে বৈঠক অনুষ্ঠিত

ক্যামেরুন (ইয়াউন্দে) (৩০মার্চ):

ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (MC14)-এর সাইডলাইনে গতকাল (২৯ মার্চ) বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্যালেস দ্যা কংগ্রেসে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং নিউজিল্যান্ডের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট মন্ত্রী টড ম্যাকক্লে অংশ নেন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমানসহ উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী নিউজিল্যান্ডের মন্ত্রী ও তার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নবনির্বাচিত সরকারের লক্ষ্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে আরো সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে চায়। বাংলাদেশ বাণিজ্যভিত্তিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করছে বলেও ‍তিনি বৈঠকে জানান।

মন্ত্রী আঞ্চলিক বাণিজ্য জোট আরসিইপি (RCEP)-এ যোগদানের বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন এবং এ ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের সমর্থন কামনা করেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে বাংলাদেশের ভূ-অবস্থান এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী এ জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরো জানান, স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে বাজার বহুমুখীকরণের কৌশলের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (EPA) স্বাক্ষর করেছে এবং কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের মন্ত্রী টড ম্যাকক্লে বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার প্রশংসা করে বলেন, আরসিইপি জোটে বাংলাদেশ একটি উপযুক্ত অংশীদার হতে পারে। তিনি এ জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির জন্য অন্যান্য সদস্য দেশের সঙ্গে সমন্বয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এছাড়া, তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) আলোচনার প্রস্তাব দেন। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক বার্তা পৌঁছানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী নিউজিল্যান্ডের মন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। আমন্ত্রণ গ্রহণ করে টড ম্যাকক্লে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নতুন অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র অনুসন্ধানে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

#

কামাল/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/মিতু/আতিক/সাঈদা/কামাল২০২৬/১৪০৪ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৮১

মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সাথে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১৬ চৈত্র (৩০ মার্চ):

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম-এর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত Jean-Marc SERE-Charlet আজ সচিবালয়ে মন্ত্রীর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে টেলিযোগাযোগ ও স্যাটেলাইট খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার, সেবার মান উন্নয়ন এবং চলমান কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থায় বর্তমান সেবার মান সন্তোষজনক। তবে বিদ্যমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দ্রুত চুক্তি নবায়ন প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতে নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে টেলিযোগাযোগ ও স্যাটেলাইট খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা অত্যন্ত ইতিবাচক। আমরা এ সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে আগ্রহী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে চুক্তি নবায়ন সংক্রান্ত বিষয় দ্রুত নিষ্পত্তি হবে।

বৈঠকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট স্যাটেলাইট সেবার চুক্তি নবায়ন বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং এ বিষয়ে উভয় পক্ষ ইতিবাচক অগ্রগতি প্রত্যাশা করছে।

সাক্ষাৎকালে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান এবং ফ্রান্স সরকারের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এএফডি এর কাট্রি ডাইরেক্টর সিনথিয়া মেলা উপস্থিত ছিলেন।

#

জসীম/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/মিতু/আতিক/জোহরা/২০২৬/১৪৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৭৭

ঢাকা শহরের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরো জোরদার করতে হবে

- ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা, ১৬ চেত্র, ৩০ মার্চ:

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ঢাকা শহরের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরো জোরদার করতে হবে। এ বিষয়ে তিনি মশককর্মীদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও কমিটমেন্ট নিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আজ ঢাকায় নগর ভবনে ডিএনসিসি’র স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে সমন্বিত বাহক ব্যবস্থাপনা (আইভিএম) ও মৌলিক কীট নিয়ন্ত্রণ কৌশল বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক এসব কথা বলেন।

প্রশাসক আরো বলেন, তাত্ত্বিক জ্ঞানের তুলনায় ব্যবহারিক জ্ঞানের ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। মশার যন্ত্রণায় নগরবাসী অতিষ্ঠ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দৃঢ় কমিটমেন্ট থাকতে হবে এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আমরা শতভাগ সফল না হলেও আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছানো সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, আগামীতে আমরা কীভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো, তা অনেকাংশে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের কাজের ওপর নির্ভর করছে। মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের সাথে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিএনসিসি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমও জোরদারভাবে বাস্তবায়ন করছে। প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে নগরবাসীকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেওয়া সম্ভব হবে। এ কাজে নিয়োজিতদের মধ্যে যাদের পারফরম্যান্স ভালো থাকবে, তাদের সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. বেনজীর আহমেদসহ ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ প্রশিক্ষণে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রতিটি ওয়ার্ডের মশক সুপারভাইজারসহ মোট ৮২ জন অংশগ্রহণ করছেন। দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে বিভিন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও কীটতত্ত্ববিদবৃন্দ প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন।

#

জোবায়ের/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/আতিক/শফি/২০২৬/১৩৪০ ঘণ্টা

টিভি স্ক্রল নম্বর: ২১৮

টেলিভিশন চ্যানেলে স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য

সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া

ঢাকা, ১৬ চৈত্র (৩০ মার্চ):

সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও অনলাইন নিউজপোর্টালে নিম্নোক্ত বার্তাগুলো স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:

মূলবার্তা:

জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও পাচারকারীদের সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসনকে সঠিক তথ‍্য দিয়ে সহায়তাকারীর জন্য সর্বোচ্চ ১ (এক) লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

প্রচারে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

#

ইয়াকুব/বিবেকানন্দ/ফাতেমা/মিতু/আতিক/আসমা/২০২৬/১১৪২ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৭৬

বাংলাদেশ-ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারের আশাবাদ

ইয়াউন্দে (ক্যামেরুন), ৩০ মার্চ:

ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন-এর সাইডলাইনে গতকাল বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির বাণিজ্য বিষয়ক কমিশনার মারোস সেফকোভিচ (Maroš Šefčovič)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ট্রেড ডিরেক্টর জেনারেল সাবিন ওয়েয়ান্ড (Sabine Weyand) সহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, নতুন সরকার বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে দূরদর্শী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যা টেকসই বাণিজ্যনির্ভর প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।

বাংলাদেশের আসন্ন স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উত্তরণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে প্রস্তুতিমূলক সময়সীমা তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ জানান, যাতে রপ্তানি প্রতিযোগিতা ধরে রাখা এবং অর্থনীতিতে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়। একইসঙ্গে, বাংলাদেশের প্রধান তৈরি পোশাক রপ্তানি বাজার হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দ্রুত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাপানের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সম্পন্ন করেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের সাথে FTA ও CEPA নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রম খাতে সংস্কার কার্যক্রমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং সংশোধিত শ্রম আইন শিগগিরই প্রণয়ন করা হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের LDC উত্তরণ সংক্রান্ত প্রস্তুতি সময় বৃদ্ধির অনুরোধকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয় এবং শ্রম খাতে চলমান সংস্কারের প্রশংসা করা হয়। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত FTA বিষয়ে প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শেষে মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানানো হয়।

বৈঠকে উভয় পক্ষই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে সমতাভিত্তিক পরিবেশ, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারসাম্যপূর্ণ সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, আর বাংলাদেশ সকল অংশীদারের জন্য বৈষম্যহীন ও ন্যায়সংগত আচরণ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

#

কামাল/বিবেকানন্দ/ফাতেমা/অতিক/শফি/২০২৬/১০৩৪ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩০৭৫

বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

ইয়াউন্দে (ক্যামেরুন), ৩০ মার্চ:

ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (MC14)-এর সাইডলাইনে গতকাল বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান কু।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি নতুন সরকারের দূরদর্শী বাণিজ্যনীতি, বাজার বহুমুখীকরণ কৌশল, নতুন রপ্তানি বাজার অনুসন্ধান এবং স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে FTAEPA আলোচনা চলমান থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন।

মন্ত্রী আরো জানান, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাপান এর সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (EPA) সম্পন্ন করেছে এবং কোরিয়া, সিঙ্গাপুরসহ একাধিক দেশের সঙ্গে FTACEPA নিয়ে আলোচনা করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক সুবিধা ও বৃহৎ ভোক্তা বাজারকে কাজে লাগিয়ে রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক পার্টনারশিপ (RCEP)-এ যোগদানের বিষয়ে বাংলাদেশ আগ্রহী, যা উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।

বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগের সফলতা উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী কোরীয় বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি বিনিয়োগে আহ্বান জানান।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের নবগঠিত সরকারকে সাম্প্রতিক নির্বাচনে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। তিনি বাংলাদেশকে সম্ভাবনাময় অর্থনীতির দেশ হিসেবে উল্লেখ করে পারস্পরিক বাণিজ্য সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া, তিনি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত চলমান FTA আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বর্তমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ সম্ভাবনার তুলনায় কম উল্লেখ করে কোরীয় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জাহাজ নির্মাণ, ইস্পাত, উৎপাদন ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো হলে দু’দেশের বাণিজ্য প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

বৈঠক শেষে উভয় দেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদার এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। বৈঠকে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

#

কামাল/বিবেকানন্দ/ফাতেমা/আতিক/আসমা/২০২৬/১০০০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন