কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬ এ ১০:১১ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২৪-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২৪-০৫-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১২৪
পার্বত্য মন্ত্রীর সাথে আইএলও-এর প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
আজ ঢাকা বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর অফিস কক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত আইএলও (আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টিউনন (Max Tunon) ও আইএলও প্রতিনিধিদল এক সাক্ষাতে মিলিত হন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম, আইএলও-এর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার এএনএম তানজেল আহসান এবং এলেক্সিয়াস চিকাম।
সাক্ষাতকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) কর্তৃক রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক ইস্যুগুলো পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতির সাথে সংগতি রেখে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্যবিমোচন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার বদ্ধপরিকর। মন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ নতুন করে পুনর্গঠন করা হলে আইএলও’র এই জনকল্যাণমূলক কাজগুলো তিন জেলা পরিষদের সাথে সমন্বয় করে আরো গতিশীলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। অতীতে বাস্তবায়িত সকল কার্যক্রমের জন্য আইএলও প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী ভবিষ্যৎ দিনগুলোতে পার্বত্য চট্টগ্রামের এই অঞ্চলের মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষি ও জীবিকার সুরক্ষায় আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী পার্বত্য অঞ্চলে জলবায়ু-সহনশীল জীবিকা গড়ে তোলা, পরিবেশ রক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির উন্নয়ন এবং নারীদের জন্য উদ্যোক্তা সহায়তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। জাতীয় অগ্রাধিকার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সাথে সংগতি রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামে সামাজিক ন্যায়বিচার ও শোভন কাজের সুযোগ সৃষ্টিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও সমন্বয় আরও জোরদার করতে আইএলও উন্মুখ বলে প্রতিনিধি দল আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
#
রেজুয়ান/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২২০৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১২৩
ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সংহতি প্রকাশ করেছেন। তিনি ফিলিস্তিনের পক্ষে বাংলাদেশের সুদৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
আজ ঢাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাসে আয়োজিত ‘নাকবা’ বা মহাদুর্যোগ বিষয়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
১৯৪৮ সালে ইসরাইল কর্তৃক দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক বিতাড়িত করার ঘটনাকে ফিলিস্তিনিরা ‘নাকবা’ বা ‘মহাদুর্যোগ’ হিসেবে স্মরণ করে আসছে। এ উপলক্ষ্যে ফিলিস্তিন দূতাবাস নাকবার প্রেক্ষাপটে নির্মিত প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী একটি চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। তিনি ফিলিস্তিন ইস্যুতে অব্যাহত সমর্থনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
#
ইমরানুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২১১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১২২
ঈদযাত্রা যদি নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও যানজটমুক্ত হয়, সেটিই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদের আনন্দ
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী
গাজীপুর, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
গাজীপুরের কালিয়াকৈরের খাড়াজোড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিতকরণে এক গণসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ঈদযাত্রা যদি নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও যানজটমুক্ত হয়, সেটিই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদের আনন্দ। তিনি বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সারা দেশে সড়কপথে মানুষের যাতায়াত স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে সমন্বয় সভা ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; পরিবহন মালিক, শ্রমিক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন এবং সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা অবশ্যই বাইপাইল, এলেঙ্গা, চন্দ্রাসহ এই অঞ্চলে সুশৃঙ্খল ও নির্দ্বিধায় ঈদযাত্রা নিশ্চিত করবেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, মহাসড়কের পাশে অস্থায়ী বাস কাউন্টার স্থাপন করে যানজট সৃষ্টি করা যাবে না এবং রাস্তার ওপর যত্রতত্র বাস রেখে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো থেকেও বিরত থাকতে হবে। ফিটনেসবিহীন যানবাহন কোনোভাবেই সড়কে নামানো যাবে না এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
শেখ রবিউল আলম বলেন, সরকার পরিবহন সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আন্তরিক রয়েছে। তবে যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করা এবং জনগণের ভোগান্তি কমানোই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, হাইওয়ে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন, পরিবহন মালিক-শ্রমিক এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবারের ঈদযাত্রা হবে স্বস্তিদায়ক, নিরাপদ ও যানজটমুক্ত।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এমপি, গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মজিবুর রহমান এমপি এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। এছাড়াও সভায় পরিবহন মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভাটির আয়োজন করে জেলা প্রশাসন, গাজীপুর ও বিআরটিএ, গাজীপুর সার্কেল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ নূরুল করিম ভূঁইয়া, জেলা প্রশাসক, গাজীপুর।
#
নোবেল/ কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২১৫৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১২১
এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের
উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
------- অর্থ মন্ত্রী
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক যুদ্ধের বিরূপ পরিস্থিতিতে এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বহুপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর মধ্যে এডিবির এই দ্রুত সহযোগিতা খুবই প্রশংসনীয়।
বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ERD) এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) এর মধ্যে আজ ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এই চুক্তির আওতায় দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সুরক্ষা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে ৪টি বড় প্রকল্পে ১.৪ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে।
চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়া প্রকল্পগুলো হলো-(১) স্ট্রেনদেনিং ইকোনমিক ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড গভর্ন্যান্স প্রোগ্রাম (সাবপ্রোগ্রাম২)। (২) সেকেন্ড স্ট্রেনদেনিং সোশ্যাল রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম (সাবপ্রোগ্রাম ২)। (৩) সাসেক (SASEC) ঢাকা-সিলেট করিডোর রোড প্রজেক্ট। (৪) নারায়ণগঞ্জ গ্রিন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট।
মন্ত্রী এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, আগামীকাল এডিবির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের সময় দেশব্যাপী সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প (Nationwide Integrated Development Project) বিষয়ে ঘোষণা করা হবে। এই দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে বড় অবদান রাখবে। বাংলাদেশ সরকার ও এডিবির এই দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্ব আগামীতে দেশের টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে আরো জোরালো ভূমিকা রাখবে বলে অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি ।
#
সিরাজ/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২১৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১১৯
রামিসা হত্যা মামলায় রাষ্ট্রীয় খরচে আসামিপক্ষে আইনজীবী নিয়োগ
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
আলোচিত রামিসা হত্যা মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী (State Defence Lawyer) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
আজ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-জিপি শাখা) থেকে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রামিসা হত্যা মামলায় শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-১৩৯০/২০২৬ (পল্লবী থানার মামলা নং ৩৫, তারিখ: ২০/০৫/২০২৬ খ্রি. ধারা: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(২)/৩০ তৎসহ ধারা: ২০১/৩৪, পেনাল কোড হতে উদ্ভূত) আসামিপক্ষকে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহ-কে (State Defence Lawyer) নিয়োগ প্রদান করা হয়।
#
রেজাউল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২১০৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১১৮
রামিসা হত্যা মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে আজ মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪৯২ ধারার বিধান মতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন পল্লবী থানার মামলা নং ৩৫, তারিখ ২০/০৫/২০২৬ খ্রি. ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(২)/৩০ তৎসহ ২০১ পেনাল কোড রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
#
রেজাউল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২০৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১১৬
সৌদি বাজারে রপ্তানি বাড়াতে খাতভিত্তিক প্রস্তাব চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বিদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি, রপ্তানি সক্ষমতা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
আজ সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একটি প্রতিনিধিদল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দপ্তরে সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি এখনো তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। তবে সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, পাটপণ্য, খাদ্যপণ্য এবং সৌদি ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী তৈরি পোশাক রপ্তানির বড় সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে খাতভিত্তিক পরিকল্পনা নিতে হবে। প্রবাসী কর্মীদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিদেশে কাজ করতে যাওয়া মানুষ অনেক ত্যাগ স্বীকার করেন। তাঁদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ব্যক্তি, পরিবার ও দেশ—সবাই উপকৃত হবে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ বাংলাদেশের জন্য বড় সম্পদে পরিণত হতে পারে।
প্রতিনিধিদলের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোন খাতে কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, কোথায় নীতিগত সহায়তা দরকার এবং কোথায় আর্থিক বা খাতভিত্তিক সহযোগিতা দরকার—এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতে হবে। বাস্তবসম্মত প্রস্তাব পেলে সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
বৈঠকে সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আশরাফুল হক চৌধুরী বলেন, সৌদি আরবের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবার জন্য বড় ধরনের রপ্তানি ও বাণিজ্য সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি সহায়তা ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে ২০২৭ সালের মধ্যে সৌদি আরবে বাংলাদেশের রপ্তানি ১০০ কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।
প্রতিনিধিদল জানায়, সৌদি ভিশন ২০৩০, ওয়ার্ল্ড এক্সপো এবং বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শিক্ষা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, গ্রিন টেকনোলজি, পরিবেশ, মরুভূমি বনায়ন, কৃষি ও খাদ্য খাত এবং ক্ষুদ্র ঋণভিত্তিক অর্থায়নের মতো খাতে বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও খাতভিত্তিক সহযোগিতা আরো জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
#
কামাল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২১১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১১৩
দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক
ক্ষতি করা হয়েছে; আমরা দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই চুক্তি স্বাক্ষর করব
- জ্বালানি মন্ত্রী
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
আজ বাংলাদেশের অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬ আহবান উপলক্ষ্যে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, অতীতে দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে; আমরা দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই চুক্তি স্বাক্ষর করব।
মন্ত্রী স্মরণ করেন, বাংলাদেশের প্রথম সফল বিড রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৯৯৩ সালে, দূরদর্শী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে। সেই বিডিং রাউন্ডে স্থলভাগ এবং সমুদ্র এলাকার মোট আটটি ব্লকের জন্য বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক কোম্পানির সংগে পিএসসি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। পরবর্তিতে কখনো কোনো বিডিং রাউন্ডের আওতায় এতগুলি চুক্তি স্বাক্ষর হয়নি। এই চুক্তিগুলির মাধ্যমেই বাংলাদেশের অন্যতম বড় গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা আবিষ্কৃত হয় এবং সমুদ্রবক্ষের প্রথম বাণিজ্যিক গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু আবিষ্কৃত হয়। আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিসমূহ দ্রুত এসব গ্যাসক্ষেত্রগুলো উন্নয়ন করে উৎপাদনে নিয়ে আসায় বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মিটানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়।
মন্ত্রী আরো বলেন, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও দেশীয় গ্যাস কোম্পানি বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈদেশিক বিনিয়োগের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছে। সমুদ্রাঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম অধিক চ্যালেঞ্জিং হওয়ায় বিদেশী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সমূদ্রে তেল গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন আর তাঁর সুযোগ্য পুত্রের হাত ধরে ২০২৬ সালে সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে ইনশাআল্লাহ।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের জ্বালানি সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি। নির্বচিনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পরই কর্মকর্তাদের আগামী ১০০ দিনের মধ্যেই বিড রাউন্ড আহ্বান এঁর প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়।
এ লক্ষে কর্মকর্তাদের নিয়ে দফায় দফায় সভা করে অফশোর মডেল পিএসসি চূড়ান্ত করা হয়েছে। দেশের স্বার্থ সুরক্ষা করে বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য মডেল পিএসসি'র কিছু বিধান সংশোধন/সংযোজন করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘বিনিয়োগ যেন আসে সে বিষয়টিকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছি, তবে দেশের স্বার্থের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ আশা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান সরকার অতন্ত অল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা সাড়া দিবে এবং তাদের অনুসন্ধান কার্যক্রমের মাধ্যমে আমাদের সমুদ্র এলাকায় নতুন নতুন তেল গ্যাস ক্ষেত্র আবিস্কার করা সম্ভব হবে।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে জ্বালানি জ্বালানি খাতে স্বয়ং সম্পূর্ণ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সে লক্ষ্যে আমাদের জ্বালানি উৎপাদনের সম্ভাবনাগুলো আমরা আবিষ্কার করতে চাই। এজন্য ১৮০ দিনের কর্মসূচির কথা বলা হয়। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে সরকারের কিছু উদ্যোগের উদাহরণ দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিডিং ক্ষেত্রে আরেকটি সফল বিপ্লব ঘটবে।
চলমান পাতা-২
পাতা-২
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, টেন্ডারের ক্ষেত্রে অতীতের সীমাবদ্ধতা, ভুলত্রুটি সংশোধন করার জন্য কাজ করা হচ্ছে যাতে এবার সফলতার আশা করা যায়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষন করেই সব কিছু করা হবে। প্রতিমন্ত্রী বরাবরে মতো সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং সমুদ্র অঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬ এবং বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ প্রকাশ করা হয়েছে।
নতুন অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬-এ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে বিনিয়োগবান্ধব ও প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রি ও নির্দিষ্ট শর্তে গ্যাস রপ্তানির সুযোগ রাখা হয়েছে। পাইপলাইন বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে পারস্পরিক সম্মত ট্যারিফ ব্যবস্থা এবং নির্মিত পাইপলাইনে পেট্রোলিয়াম পরিবহনের জন্য পেট্রোবাংলা কর্তৃক ট্যারিফ প্রদানের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ট্যারিফ নির্ধারণে দূরত্ব, পানির গভীরতা ও গ্যাসের পরিমাণ বিবেচনায় নেওয়া হবে।এছাড়া বিনিয়োগ সুরক্ষায় Stabilization ও Expropriation সংক্রান্ত বিধান, Commercial Discovery, Production, R&D ও Service Fee সংক্রান্ত বিভিন্ন বোনাস ও ফি নির্ধারণ এবং প্রশিক্ষণ অনুদানের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। বিস্তারিত জ্বালানি বিভাগের ওয়েবসাইটে আপলোড করা আছে।
বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬-এর আওতায় মোট ২৬টি অফশোর ব্লক-যার মধ্যে ১১টি Shallow Sea এবং ১৫টি Deep Sea ব্লক — বিডের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। প্রতিটি ব্লকের জন্য পৃথক আবেদন করতে হবে। তবে Deep Sea ব্লকের ক্ষেত্রে দুটি সংলগ্ন ব্লকের জন্য একক চুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে Information, Promotional ও Data Package ক্রয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিড জমাদানের জন্য শুধুমাত্র Promotional/Bid Document Package ক্রয় বাধ্যতামূলক এবং একটি Package ক্রয়ের মাধ্যমে একাধিক ব্লকে অংশগ্রহণ করা যাবে। জ্বালানি বিভাগ আশা করছে এ সব সুযোগ-সুবিধা বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মান্নান, জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব মোছাঃ মোর্শেদা ফেরদৌসসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
আরিফ/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২১০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১১২
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সাক্ষাৎ
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অভ দ্য রেডক্রস (আইসিআরসি) বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান নিকোলাস ফ্লাউরি (Nicolas Fleury) সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে কারাবন্দিদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিতকরণ, জেল কোড যুগোপযোগীকরণ, পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ফার্স্ট এইড ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইসিআরসি বাংলাদেশ ডেলিগেশনের প্রধানকে স্বাগত জানান। আইসিআরসি’র প্রতিনিধিদলের প্রধান মন্ত্রীকে নতুন পোর্টফোলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান জানান, বাংলাদেশের বিদ্যমান জেল কোড যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে তাঁরা প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রেরণ করেছেন। এছাড়া কারাগারের অভ্যন্তরে স্বাস্থ্যসুবিধা বৃদ্ধি করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এ সময় মন্ত্রী বলেন, কারাগারে বন্দিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া কারাগারের অভ্যন্তরীণ মেডিকেল ইউনিটের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
পুলিশ ও কারা পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আইসিআরসির বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রস্তাবের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের আয়োজন পেশাদারিত্ব বাড়াতে সহায়ক হবে। নিকোলাস ফ্লাউরি জানান, তাঁরা পুলিশের জন্য ফার্স্ট এইড ও মানবাধিকার এবং পুলিশ ও কারাগারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য উচ্চতর প্রশিক্ষণ আয়োজনে আগ্রহী। মন্ত্রী এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং আন্তর্জাতিকমানের দক্ষ প্রশিক্ষক প্রেরণের জন্য আইসিআরসিকে অনুরোধ জানান।
রোহিঙ্গাদের মানবিক ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য আইসিআরসি’কে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা সংকটকে সবসময় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরে রাখতে চায়। এ বিষয়ে তিনি আইসিআরসি’র ধারাবাহিক সহযোগিতা কামনা করেন।
মন্ত্রী আইসিআরসি প্রধানকে আশ্বস্ত করে বলেন, বাংলাদেশ সরকার সর্বদা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের (IHL) প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আইসিআরসির মানবিক কার্যক্রমে সব ধরনের প্রশাসনিক ও নীতিগত সহযোগিতা প্রদানে বদ্ধপরিকর। জেনেভা কনভেনশন প্রতিপালন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন বাস্তবায়নে আইসিআরসি’র চলমান কারিগরি ও প্রশিক্ষণ সহায়তার জন্যও তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
#
ফয়সল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২০৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১১১
কুরবানির বর্জ্য পরিবেশসম্মতভাবে অপসারণে আমাদের করণীয়
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রচারপত্রের মাধ্যম থেকে এ তথ্য জানা যায়।
#
পরিবেশ অধিদপ্তর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/১৯৫৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১১০
তথ্য কর্মকর্তাদের আধুনিক ডিজিটাল সক্ষমতা অর্জনের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান যুগে তথ্যই সবচেয়ে বড়ো শক্তি এবং তথ্য ব্যবস্থাপনা ও জনসংযোগ কার্যক্রমকে সময়োপযোগী ও ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তুলতে না পারলে রাষ্ট্র ও সমাজ পিছিয়ে পড়বে। তিনি বলেন, তথ্য ক্যাডার, জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) এবং জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি দক্ষ ও আধুনিক ডিজিটাল জনবল গড়ে তুলতে পারলে রাষ্ট্রের জনসংযোগ কার্যক্রম আরো কার্যকর ও সুসংগঠিত হবে।
আজ সকালে ঢাকায় তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং তথ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জন্য “নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন ও কর্মপরিকল্পনা” শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডকে সমন্বিত ও সমান্তরাল গতিতে পরিচালনার জন্য কার্যকর আন্তঃসম্পর্ক ও টিমওয়ার্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “ব্যক্তিগত সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও সক্ষমতাকে সমন্বিত করতে পারলে তার ফল জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায়।”
মন্ত্রী ডিজিটাল লিটারেসিকে মৌলিক সক্ষমতা উল্লেখ করে বলেন, যারা ডিজিটাল জ্ঞান থেকে পিছিয়ে থাকবে, তারা ভবিষ্যতের যোগাযোগ ব্যবস্থায় কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।তিনি তথ্য ক্যাডার, জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের জন্য সময়োপযোগী কারিকুলাম ও সক্ষমতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ চালুর বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানান। তিনি বলেন, তথ্য কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে তথ্য মন্ত্রণালয় একটি শক্তিশালী ডিজিটাল জনসংযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হবে, যা রাষ্ট্রের নীতি, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনমতের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধ তৈরি করবে।
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ইতিবাচক ব্যবহার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি এআই ব্যবহার করে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন ছড়ানোর ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্কতা ও নৈতিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তথ্য মন্ত্রণালয় সরকারের ভাবমূর্তি তুলে ধরার অন্যতম প্রধান মাধ্যম উল্লেখ করে জনসংযোগ কর্মকর্তাদের আরো সমন্বিত ও দক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ইয়াসীন ও অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহ আলম। অনুষ্ঠানে তথ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
#
ইমরানুল/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/মোশারফ/শামীম/২০২৬/১৯১৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১০৯
হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩০৬ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২৮ জন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৫০ হাজার ৫৫৮ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৪৬ হাজার ২১৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগে কেউ মারা যায়নি। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৮৬ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৪৪২ জন।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
জাহিদ রায়হান/কামরুজ্জামান/মোশারফ/শামীম/২০২৬/১৮০৫ঘণ্টা
Handout Number: 4108
Govt takes all-out measures for safe cattle markets, curbing fake notes
-Livestock Minister
Dhaka, 24 May:
Fisheries, Livestock, and Agriculture Minister Mohammed Aminur Rashid has said that the government has taken special security measures across the country’s cattle markets to ensure the safety of traders, farmers, and buyers ahead of Eid-ul-Azha. To prevent the spread of counterfeit currency specialized fake note, detector machines have been installed at the markets. Additionally, dedicated banking services have been made available on-site, allowing sellers to safely deposit their earnings or open new accounts instantly to secure their flow of money.
The minister made these remarks while exchanging views with journalists after visiting the Diabari cattle market in the capital this morning to inspect the overall management.
Responding to a query, the minister assured that Bangladesh has an adequate supply of sacrificial animals for the upcoming Eid-ul-Azha, and this year’s demand can be fully met with locally reared livestock. He added that the volume of cattle, goats, and buffaloes produced by domestic farmers and cattlemen is more than sufficient to meet the national demand.
Addressing concerns over missing or stolen livestock, the minister stated that concern officials, law enforcement agencies, and volunteer teams are working round-the-clock at major markets. Various measures including public announcements via loudspeakers, strict monitoring, and immediate assistance cells have been taken in this purpose. In most cases, missing cattle are being swiftly tracked down and returned to their owners.
Regarding the illegal influx of cattle through the borders, the minister emphasized that the government maintains a zero-tolerance policy. He noted that necessary directives were issued to border guards, local administration, and law enforcement agencies during a cross-ministerial meeting held prior to the Eid season.
When asked about the pricing of sacrificial animals, the minister explained that buying and selling in Bangladesh still largely depends on haggling based on the animal's build, health, size, and physical appearance. As a result, prices for similar-looking animals may vary. He suggested that transitioning to a ‘live weight’ pricing system in the future would make transactions more transparent and standardized.
He also dismissed the possibility of market manipulation, stating, with thousands of buyers and sellers interacting freely, it is highly difficult to create an artificial syndicate. Animal prices are determined solely by market competition and the dynamics of supply and demand.
The minister reiterated that the government has deployed adequate personnel to ensure discipline, security, and smooth transactions at cattle markets in the capital and across the country, adding that these operations will continue until Eid day.
Director General of the Department of Livestock Services (DLS) Md. Shahzaman Khan,
DLS Director Dr. Md. Boyzar Rahman, and Project Directors Dr. Md. Abdur Rahim and Dr. Md. Sofiqur Rahman, along with senior officials from the ministry and departments were present during the visit.
#
Mamun/Khadiza/Marufa/Mitu/Atik/Kanok/Mizan/2026/1510 Hours
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
তথ্যবিবরণী নম্বর : ৪১০৩
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন:
“বাংলাদেশের জনগণের পরম প্রিয়জন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর চির-অম্লান স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাঁকে স্মরণ করছি অনিঃশেষ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে। কামনা করি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত।
আমাদের জাতীয় ইতিহাসের অবিস্মরণীয় নাম কাজী নজরুল ইসলাম। পরাধীন, পর্যুদস্ত, পরাভূত জাতির ভাগ্যাকাশে তাঁর আবির্ভাব ছিল আলোকবর্তিকার মতো। দিকনির্দেশক বাতিঘরের মতো। মুমূর্ষু জাতিকে জাগিয়ে দিয়ে সামগ্রিকভাবে সচেতন করার জন্য, স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য যে সর্বপ্লাবী প্রতিভার তখন দরকার হয়ে পড়েছিল, জাতীয় কবি ছিলেন সেই প্রার্থিত ও বহু কাঙ্ক্ষিত প্রতিভা।
কাজী নজরুল ইসলামের পুরো জীবনটাই যেন ছিল এক যুদ্ধ ঘোষণা। একটা অনন্যসাধারণ বিদ্রোহ। এই বিদ্রোহ ঔপনিবেশিক শাসন, পরাধীনতা, জুলুম, নির্যাতন, শোষণ, অসাম্য, বৈষম্য, কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে; তথা সকল অন্যায়, অবিচার ও অসুন্দরের বিরুদ্ধে।
মানুষ, মানবতা, স্বাধীনতা, শোষণমুক্ত সমাজ ও নারীমুক্তির জন্য তাঁর চেয়ে বেশি শিল্পসফল শব্দ আর কেউ রচনা করেননি। তিনিই আমাদের প্রথম কবি, সাংবাদিক, রাজনীতিক যিনি ঔপনিবেশিক পরাধীনতার বিরুদ্ধে উপমহাদেশের পূর্ণ স্বাধীনতা দাবি করেন। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র-নির্বিশেষে মানুষের প্রতি তাঁর যে দরদ ও দীপ্ত অঙ্গীকার তা তুলনাহীন।
মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রেও তিনি আমাদের অন্যতম প্রধান দিশারি। আমাদের জীবন, আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, সংগ্রাম, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য তাঁর রচনার মধ্যে মহিমাময় সৌন্দর্যে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। তাঁর সৃষ্টিশীলতার মধ্যে আতিথ্য আছে সকল কালের সকল মানুষের। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষেত্রে তিনি আমাদের প্রধান পাথেয়। তাঁর প্রাসঙ্গিকতা ও প্রয়োজন কখনো ফুরানোর নয়।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর কবিতা ও গান যেমন ছিল অনুপ্রেরণার প্রবল উৎস, তেমনই আমাদের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর সৃষ্টিশীলতাই হয়ে ওঠে প্রতিবাদ প্রতিরোধের মূল ভাষা। তিনি আমাদের যাপিত জীবনের অনিবার্য অংশ। বাংলা কাব্য-সংগীতে তাঁর আবির্ভাব ছিল ধূমকেতুর মতো বিস্ময়ময় ও অভূতপূর্ব। মাত্র দুই দশকের সাধনা দিয়ে তিনি জাতিকে করে গেছেন আত্মপ্রত্যয়মণ্ডিত। নির্মাণ করে দিয়ে গেছেন জাতীয় সাহিত্য-সংস্কৃতির পাটাতন। সত্যিকার অর্থেই তিনি জাতীয় রেনেসাঁর নিশানবরদার। আবার তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি হয়েও সারা পৃথিবীর নিঃস্ব, রিক্ত মজলুম মানুষের আত্মার আত্মীয়।
বাংলাদেশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এক অবিভাজ্য সত্তা। তিনি বিশ্ব কবিসভারও গুরুত্বপূর্ণ নায়ক। তিনি আমাদের জাতীয় সত্তার সার্থক প্রতিনিধি, আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক। আমাদের জাতীয়তাবাদের পথিকৃৎ। জাতীয় কবির জন্মদিনে আমরা অন্যায়, অবিচার, ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বিভেদের গ্লানি মুছে ফেলে সবার আগে বাংলাদেশকে ধারণ করে, আমাদের স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে, সুখী-সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক মাতৃভূমির জন্য নিজেদের নিবেদিত করাই হোক আমাদের প্রত্যয়।”
#
শাহরিয়ার/খাদীজা/মারুফা/মিতু/আতিক/সাঈদা/কনক/মিজান/২০২৬/১০০৫ ঘণ্টা
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১০২
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতির বাণী
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আগামীকাল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন:
“জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আমি ক্ষণজন্মা এ কবিকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।
সাম্য, মানবতা, দ্রোহ ও প্রেমের কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক। নজরুলের সৃজনশীল কর্ম বাংলা সাহিত্যে তো বটেই, বিশ্ব সাহিত্যেও বিরল। তাঁর কালজয়ী সব লেখায় ঋদ্ধ হয়েছে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য। নজরুল ছিলেন জাতীয় জাগরণের তূর্যবাদক ও আমাদের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যের রূপকার। কবি তাঁর ক্ষুরধার লেখার মধ্য দিয়ে আমরণ শোষিত-নির্যাতিত ও বঞ্চিতদের অধিকারের কথা বলে গেছেন, করেছেন সকল অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। তাঁর এই বিপ্লবী ও অবিনাশী কণ্ঠস্বরের জন্য তিনি হয়ে ওঠেন ‘বিদ্রোহী কবি’।
কাজী নজরুলের অমর সৃষ্টি শুধু নিজ ধর্ম, সমাজ-সম্প্রদায়, দেশ ও কালের গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ থাকেনি, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে সর্বদা গেয়েছে মানবতার জয়গান। কুসংস্কার আর অন্যায়ের সকল আবরণ বিদীর্ণ করে নতুন প্রেক্ষাপট ও ভিন্নতর ভঙ্গি তৈরির মধ্য দিয়ে কবি হয়ে উঠেছেন সকল সমাজের, সকল কালের।
নজরুলের অগ্নিঝরা কবিতা, প্রেরণাদায়ী গান ও বিদ্রোহী চেতনা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ঊনসত্তরের
গণ-অভ্যুত্থান, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অপরিসীম অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। আমার বিশ্বাস, সমাজের শোষণ-বঞ্চনা, বৈষম্য, অপশাসন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে নজরুলের কালজয়ী কবিতা, গান ও সৃষ্টি অনাদিকাল আমাদের অনুপ্রেরণা, শক্তি ও সাহস যোগাবে। আমি আশা করি, নজরুলের আদর্শ ও চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা দেশপ্রেম, সততা ও নিষ্ঠার সাথে একটি সাম্য, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে দ্রুত এগিয়ে যেতে সক্ষম হবো।
আমি চিরঞ্জীব কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই ও তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।”
#
রাহাত/খাদীজা/মারুফা/মিতু/আতিক/সাঈদা/কনক/মিজান/২০২৬/১৩২০ ঘণ্টা
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৯
টেলিভিশন চ্যানেলে স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য
সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:
মূলবার্তা:
‘পবিত্র ঈদ-উল-আজহায় গণপরিবহনে ভাড়া আদায়ে অনিয়ম, সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে বিআরটিএ’র হটলাইন নম্বরে কল করুন: 01550051606, 01550056577, 01550722065, 01550722066, 02-55058181, 02-55058182-সড়ক ও পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।
প্রচারে-তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়।’
#
ওয়ালুল/খাদীজা/মারুফা/মিতু/আতিক/কনক/মিজান/২০২৬/১২৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১০৪
মিড-ডে মিল প্রকল্পে শিশুদের খাদ্যের মান নিয়ে আপস নয়
-প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে শিশুদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাদ্যের মান ও সরবরাহে কোনো ধরনের গাফিলতি কিংবা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।
রাজধানীতে আজ স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সাথে আয়োজিত এক নির্দেশনামূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি। দায়িত্বরত সরকারি কর্মকর্তা কিংবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সবার সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে।
সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসাবান্ধব। কিন্তু ব্যবসার নামে শিশুদের খাদ্যের মানের সঙ্গে আপস করার সুযোগ নেই। যারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, তারা ভবিষ্যতে এই কার্যক্রমে থাকতে পারবেন না।
তিনি বলেন, বর্তমানে ১৫১টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং এতে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে। এত বড় একটি কর্মসূচিতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে তা সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য বিব্রতকর হবে।
সভায় নতুন নির্দেশনাসমূহ কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেন। এর মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ সাপ্লাই চেইন ম্যাপিং, ফুড টেকনিশিয়ান নিয়োগ, স্থানীয়ভাবে খাদ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করা, প্রতিদিন নির্ধারিত দিনে বিদ্যালয়ে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া এবং মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা। তিনি বলেন, স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে কোথা থেকে খাদ্য আসছে, কীভাবে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে এবং কার মাধ্যমে বিদ্যালয়ে পৌঁছাচ্ছে-সবকিছুর পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরকারের কাছে থাকতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য শিশুরা যেন সঠিকভাবে পুষ্টিকর খাবার পায়। এজন্য বাস্তবসম্মত সব ধরনের সহযোগিতা সরকার দেবে। তবে দায়িত্বপ্রাপ্তদেরও নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
সভায় উপস্থিত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা আরো জোরদারের আশ্বাস দেন। ববি হাজ্জাজ বলেন, এটি একটি পাইলট কর্মসূচি। এখন যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত হচ্ছে, সেগুলো সমাধান করেই আগামীতে সারা দেশে আরও কার্যকরভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, প্রকল্প পরিচালক, উপপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সকল ঠিকাদার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।
#
তানভীর/খাদীজা/মারুফা/মিতু/সাঈদা/কনক/কামাল/২০২৬/১৩১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪১০৫
প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ট্রেন ভ্রমণে ভাড়ার ২৫ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে রেলওয়ে
ঢাকা, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
প্রবীণ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ট্রেন ভ্রমণে ভাড়ার ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ে। আগামী ২৫ মে থেকে প্রবীণ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ট্রেন ভ্রমণে এই ছাড় কার্যকর হবে।
রেলপথ মন্ত্রণালয় আজ বাংলাদেশ রেলওয়েকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রদান করে।
ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রবীণ যাত্রীর বয়স অবশ্যই ৬৫ (পঁয়ষট্টি) বছর বা তার অধিক হতে হবে যা অনলাইনে টিকেট ক্রয়ের সময় তার জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হবে। ভাড়ার ভিত্তিমূল্যের ওপর ২৫ শতাংশ ছাড় প্রযোজ্য হবে। অন্যান্য চার্জ (যেমন: সার্ভিস চার্জ, ভ্যাট ইত্যাদি) ছাড়কৃত টিকেট মূল্যের ওপর বিদ্যমান হারে প্রযোজ্য হবে। এই ছাড় সুবিধা অনলাইন এবং কাউন্টার টিকেটিং, উভয় মাধ্যমে রাখা হবে। ব্যবহারকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকেটিং প্ল্যাটফর্ম ‘রেলসেবা’ অ্যাপে রেজিস্টার্ড হতে হবে। একজন জেষ্ঠ নাগরিক প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ দুইবার এই ছাড় সুবিধা পাবেন, যেখানে সপ্তাহ গণনা করা হবে যাত্রার তারিখ অনুযায়ী। ছাড়কৃত টিকেট রিফান্ড করা হলে সেই অর্ডারটি সাপ্তাহিক গণনা থেকে বাদ যাবে এবং ব্যবহারকারী একই সপ্তাহে পুনরায় ছাড় পাওয়ার যোগ্যতা ফিরে পাবেন। যদি কোনো জেষ্ঠ নাগরিক সহযাত্রীসহ বুকিং করেন সেক্ষেত্রে সহযাত্রীদের জন্য নিয়মিত ভাড়া প্রযোজ্য হবে। যদি সহযাত্রীও প্রবীণ হন তাহলে প্রতি বুকিংয়ে সর্বোচ্চ একজন অতিরিক্ত সহযাত্রী (প্রবীণ) ডিসকাউন্ট সুবিধা পাবেন। তবে (সিনিয়র সিটিজেন এর সহযাত্রী) নিজস্ব রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর দিয়ে আলাদাভাবে ভেরিফাইড হতে হবে।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ভ্রমণের ক্ষেত্রে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘সুবর্ণ’ পরিচয়পত্রধারী প্রতিবন্ধীগণকে এ সুবিধার আওতায় রাখা হবে। আন্তঃনগর ট্রেনের সুলভ বা শোভন শ্রেণিতে এবং যে সকল ট্রেনে সুলভ বা শোভন শ্রেণি নেই সে সকল ট্রেনে শোভন চেয়ার শ্রেণির মোট ভাড়ার ওপর বিদ্যমান সুবিধা অনুযায়ী ৫০ শতাংশ এবং নতুন করে সকল শীতাতপ শ্রেণিতে ২৫ শতাংশ ছাড় প্রদান করা হবে। অন্যান্য চার্জ (যেমন: সার্ভিস চার্জ, ভ্যাট ইত্যাদি) বিদ্যমান হারে প্রযোজ্য হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ছাড় সুবিধা আপাতত স্টেশন কাউন্টারে টিকেট ইস্যুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ভবিষ্যতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাপেক্ষে অনলাইন টিকেট ইস্যুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিচয়পত্রধারী প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সহযাত্রীর জন্য নিয়মিত ভাড়া প্রযোজ্য হবে।
স্বল্প দূরত্বে কমিউটার ট্রেনে শিক্ষার্থীদের ইউনিফায়েড পরিচয়পত্র প্রবর্তনের পর টিকিট মূল্যের ২৫ শতাংশ ছাড় প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
উল্লেখ্য, রেল পরিবহন ব্যবস্থাকে অধিকতর জনবান্ধব, সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর নির্বাচনি ইশতেহারে দূরপাল্লার সকল পরিবহনে শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী ও ৬০ (ষাট) বছরের অধিক বয়স্কদের জন্য বিশেষ ছাড় প্র্রদানের ঘোষণা দেয়। সরকার গঠিত হওয়ার পরে নির্বাচনি ইশতেহারে বর্ণিত রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত বিষয়াদির আলোকে করণীয় নির্ধারণে গত ০৩ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সাথে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে প্রতিবন্ধী, শিক্ষার্থী ও সিনিয়র সিটিজেনদের (৬৫ বছরের অধিক বয়স্ক ব্যক্তি) ২৫শতাংশ ছাড়ে ট্রেনে ভ্রমণের সুযোগ প্রদানের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। উক্ত নির্দেশনার আলোকে প্রথম পর্যায়ে উল্লিখিত ছাড়কৃত ভাড়ায় জেষ্ঠ নাগরিক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ট্রেনে ভ্রমণের সুযোগ প্রদানের এ সিদ্ধান্ত নেয় রেলপথ মন্ত্রণালয়।
#
রেজাউল/খাদীজা/মারুফা/মিতু/আতিক/সাঈদা/কনক/জোহরা/২০২৬/১১৫৬ঘণ্টা