কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬ এ ০৯:৪১ PM

Handout 21 May 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২১-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২১-০৫-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৬৩

ICESCO আয়োজিত মন্ত্রীদের উচ্চ-পর্যায়ের সংলাপে শিক্ষামন্ত্রীর অংশগ্রহণ

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

আজ যুক্তরাজ্যের লন্ডনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন Islamic World Educational, Scientific and Cultural Organization (ICESCO) আয়োজিত মন্ত্রীদের উচ্চ-পর্যায়ের সংলাপে অংশগ্রহণ করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা, আনন্দময় ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষণকে উৎসাহিত করা, এবং এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যেখানে প্রতিটি শিশু শেখা, বেড়ে ওঠা এবং বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায়।

বাংলাদেশে মেয়েদের শিক্ষার অগ্রগতির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষার উন্নয়নে প্রাথমিক উদ্যোগগুলো গ্রহণ করেছিলেন। তিনি মেয়েদের জন্য শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

সেশনের পর শিক্ষামন্ত্রী অনুষ্ঠানের মূলবক্তা নাইজেরিয়ার এডো অঙ্গরাজ্যের সাবেক গভর্নর গডউইন ওবাসেকির সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন। ওবাসেকি এডো অঙ্গরাজ্যে বাস্তবায়িত ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাবলেট’ উদ্যোগের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ অঙ্গরাজ্যটিকে নাইজেরিয়ার অন্যতম সফল শিক্ষা অঙ্গরাজ্যে পরিণত করতে সহায়তা করেছে।

উল্লেখ্য, ICESCO শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা অগ্রসর করতে কাজ করে।

এরপর মন্ত্রী হাউস অব লর্ডসে যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটন কর্তৃক মন্ত্রীর সম্মানে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ–যুক্তরাজ্য শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন (টিএনই), মানসম্মত শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা, এডটেক সহযোগিতা, পাঠ্যক্রম সংস্কার, উদ্ভাবনী হাব, তৃতীয় ভাষা প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের যোগ্যতা প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাকে শিল্পের চাহিদার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করতে হবে, যাতে শিখন দক্ষতা কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মদক্ষতায় রূপান্তরিত হয়। আলোচনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি হয় এবং অপব্যবহার রোধে টিএনই-এর কার্যকর সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

উভয় পক্ষই বাংলাদেশের জাতীয় প্রয়োজন ও অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবসম্মত সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার গুরুত্বারোপ করেন।

#

শিবলী/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/ফেরদৌস/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯২০ ঘণ্টা

Handout Number: 4062

All Barriers to Exporting Agricultural Products Including Mangoes Will Be Eliminated

-- Agriculture Minister

Dhaka, May 21:

Agriculture and Fisheries & Livestock Minister Mohammed Aminur Rashid has assured that all barriers to exporting agricultural products, including mangoes, will be eliminated to enhance Bangladesh’s export potential.

The Minister made these remarks today as the chief guest at the inauguration ceremony of mango exports held at the auditorium of Bangladesh Agricultural Research Council in the capital. The event was organized under the Exportable Mango Production Project.

The Minister stated that Bangladesh’s agricultural sector is one of the country’s most promising economic pillars and offers immense opportunities for earning foreign currency through agricultural exports. He noted that although Bangladesh is among the world’s most suitable countries for agricultural production, certain policy and legal complexities have prevented the sector from reaching its full potential.

The Minister added that the government is implementing various development initiatives with the highest priority given to agriculture and farmers. He highlighted measures such as farmer Card, loan waivers, and canal excavation projects as important contributions to agricultural development.

Emphasizing competitiveness in international markets, the Minister said government support and subsidies are essential for the agricultural sector, pointing out that developed countries also provide substantial agricultural subsidies. He further stressed that modern agricultural technologies and maintaining product quality are key requirements for success in global markets. Referring to the potential for jackfruit exports to China, the Minister said China has shown interest in importing Bangladeshi jackfruit on a large scale. However, he underlined the need to establish modern packing and quality control systems in Bangladesh to meet international standards.

Addressing challenges in the export sector, the Minister identified high air cargo costs as a major obstacle and assured that resolving this issue would receive top priority.

The Minister expressed optimism that mangoes and other agricultural products would become major sources of foreign currency earnings for Bangladesh in the future. He called upon producers, exporters, and all relevant stakeholders to work in a coordinated manner to achieve this goal.

The event was chaired by Abdur Rahim, Director General of the Department of Agricultural Extension. Other speakers included Agriculture Secretary Dr. Rafiqul I Mohamed and Additional Secretary (Extension) of the Ministry of Agriculture Md. Selim Khan.

Project Director Mohammad Arifur Rahman presented a keynote paper on the potential and achievements of mango exports.

Later, the Minister distributed GAP (Good Agricultural Practices) certificates among mango growers producing mangoes following GAP standards.

#

Zakir/Kamruzzaman/Vivekananda/Sahadat/Ferdows/Rafiqul/Konok/Salim/2026/1830 Hours

Handout Number: 4060

Ensuring access to digital services for persons with disabilities is our priority

- ICT Minister

Dhaka, 21 May:

Minister for Posts, Telecommunications and Information Technology and Science & Technology Faqir Mahbub Anam has said that ensuring equal access to digital services for persons with disabilities is one of the government’s key priorities.

As part of the celebration of Global Accessibility Awareness Day (GAAD) 2026, Aspire to Innovate (a2i) organized an event today at the BIDA Auditorium in Agargaon, Dhaka. Friendship and Sightsavers co-organized the event.

State Minister for Social Welfare Farzana Sharmin; Sightsavers Country Director Amrita Regina Rosario; and Ayesha Taasin Khan, Senior Director and Head of Inclusive Citizenship Sector at Friendship, attended the event as special guests. Valerie Ann Taylor, Founder of Centre for the Rehabilitation of the Paralysed (CRP), attended as guest of honour. The event was chaired by Quazi Anowar Hossain, Secretary of the ICT Division, while Md. Abdur Rofiq, Project Director (Additional Secretary) of a2i, delivered the welcome remarks. Abdullah Al Fahim, Head of Programme Management, moderated the event, and accessibility consultant and visionary disability rights advocate Vashkar Bhattacharjee also spoke.

Faqir Mahbub Anam said, “Accessible websites and apps have been developed keeping in mind the principle that no one should be left behind. From now on, all digital services will be designed considering the needs of persons with disabilities. Because this is not a matter of charity; we see it as their right. Technology must be aligned with people’s needs, abilities and diversity.”

He further said, “Through new technologies, we want to connect persons with disabilities more actively with the mainstream of society. We want to turn the children of our country with disabilities into assets. The ICT Division will take all necessary initiatives to ensure a dignified position for persons with disabilities in society through technology.”

Farzana Sharmin said the government will provide full support for the growth of public and private institutions and innovative initiatives that contribute to digital accessibility. Ensuring universal accessibility is essential to building a Bangladesh for all. The government is working so that all citizens, including persons with disabilities, can easily access digital services.

At the event, five initiatives were recognized. These were the Ministry of Social Welfare’s Therapy Service Management for Persons with Disabilities and Disability Information System; Bangladesh Police’s Online Police Clearance Certificate Service; the Gram Adalat Mobile App of the Local Government Division and UNDP; and Eastern Bank’s EBL Skybanking initiative.

In addition, Minister Faqir Mahbub Anam visited various innovators’ stalls set up around disability-friendly innovations in the morning, while Rehan Asif Asad, Adviser to the Prime Minister on Posts, Telecommunications and Information Technology, visited them in the afternoon. After visiting the stalls, they expressed appreciation for the innovations and highlighted the government’s goodwill and commitment to building an inclusive Bangladesh for all. Other guests and senior officials from the relevant organizations were also present.

#

Zashim/Kamruzzaman/Vivekananda/Shahadat/Ferdous/Rafiqul/Konok/Shamim/2026/1840 hours

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৫৯

আমসহ কৃষিপণ্য রপ্তানির সকল বাঁধা দূর করা হবে

-- কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

আমসহ কৃষিপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে সকল বাধা দূর করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (বিএআরসি) মিলনায়তনে রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত আম রপ্তানির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কৃষিখাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত এবং কৃষিপণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বিশাল সুযোগ রয়েছে। এদেশ কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য বিশ্বের অন্যতম উপযোগী দেশ হলেও নীতিগত ও আইনগত কিছু জটিলতার কারণে এ খাত এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। তিনি বলেন, সরকার কৃষি ও কৃষকদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, ঋণ মওকুফ এবং খাল খননের মতো উদ্যোগ কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে কৃষিখাতে সরকারি সহায়তা ও ভরতুকি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নত দেশগুলোও কৃষিখাতে ব্যাপক প্রদান করে থাকে। একইসঙ্গে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পণ্যের মান বজায় রাখাকে তিনি আন্তর্জাতিক বাজারে সফলতার প্রধান শর্ত হিসেবে তুলে ধরেন। চীনে কাঁঠাল রপ্তানির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, চীন বাংলাদেশ থেকে বড় পরিসরে কাঁঠাল আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে একটি আধুনিক প্যাকিং ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে আমসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎসে পরিণত হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে উৎপাদক, রপ্তানিকারক এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সেলিম খান। অনুষ্ঠানে আম রপ্তানির সম্ভাবনা ও প্রকৃত অর্জন বিষয়ে কি নোট পেপার উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান।

পরে মন্ত্রী উত্তম কৃষি চর্চা (গ্যাপ) অনুসরণ করে আম উৎপাদনকারী চাষিদের মাঝে গ্যাপ সার্টিফিকেট তুলে দেন।

#

জাকির/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/ফেরদৌস/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯১০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৫৮

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে।

আজ রাজধানীর বন অধিদপ্তরের সভাকক্ষে বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) প্রতিনিধিদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বিষয়ক জাতীয় সেলের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক) ড. মোঃ সাইমুম পারভেজ বলেন, বিএনপি নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

সভায় বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি তাদের বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং দেশব্যাপী সমন্বিত বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম জোরদারে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

সভায় প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, টেকনিক্যাল এক্সপার্ট জামাইল বশীর জেবি, বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

মালেক/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮৪০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৫৬

নৌপথে ঈদযাত্রার প্রস্তুতি দেখতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

নৌপরিবহন এবং সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান আজ নৌপথে ঈদযাত্রার প্রস্তুতি দেখতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ফেরিঘাটের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যানবাহন পারাপার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

সাংবাদিকদের ব্রিফকালে প্রতিমন্ত্রী জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফেরিঘাটের পন্টুনের নিরাপত্তা বেষ্টনী উঁচু ও মজবুত করা হয়েছে। ফেরিঘাটে স্টপ গেট নির্মাণ করা হয়েছে। যাত্রী ওঠানামার জন্য পৃথক সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ফেরি পারাপারের সময় বাস থেকে নেমে ফেরিতে ওঠার জন্য অনুরোধ জানান। একইসঙ্গে নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীদের কোনো অবস্থাতেই নৌকা বা ট্রলার হতে লঞ্চে উঠানামা না করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং প্রতিটি লঞ্চে দৃশ্যমান স্থানে ডিজিটাল ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ঈদুল-আজহার পূর্বের ৫ দিন এবং পরের ৫ দিন অর্থাৎ ২৩ মে হতে ০২ জুন পর্যন্ত দিন-রাত সার্বক্ষণিক বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। এছাড়া রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচলও বন্ধ রাখা হবে। ঈদুল-আজহার পূর্বের ৩ দিন এবং পরের ৩ দিন অর্থাৎ ২৫ মে হতে ৩১ মে পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ও দ্রুত পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ব্যতীত সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে। তবে কোরবানির পশুবাহী ট্রাক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফেরি পারাপারের সুবিধা পাবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সদরঘাটে যাত্রীচাপ কমাতে ঢাকার মোহাম্মদপুরের বসিলা ঘাট এবং পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া ঘাট হতে লঞ্চ সার্ভিস পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি কুড়িল বিশ্বরোড হতে শিমুলিয়া ঘাট পর্যন্ত বিআরটিসির শাটল বাস সার্ভিস চালু করা হবে।

উল্লেখ্য, নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীদের যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে বিআইডব্লিউটিএ’র হটলাইন ১৬১১৩, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, সরকারি তথ্য ও সেবা ৩৩৩, ফায়ার সার্ভিস ১০২, কোস্ট গার্ড ১৬১১১, নৌপুলিশ ০১৭৬৯-৭০২২১৫ এবং অপারেশন জিরো মিসিং ০১৩২০০০২১৭ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুরোধ জানানো হয়েছে।

#

আরিফ/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৭৫৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৫৫

কল্যাণমুখী রাষ্ট্র এবং মানবিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে সরকার সর্বাত্মক সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে

- অর্থমন্ত্রী

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, কিছু লোকের নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি ও পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র এবং মানবিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে সরকার সর্বাত্মক সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

আজ ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দৈনিক প্রথম আলো আয়োজিত ‘সংকটকালের বাজেট ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে গণতান্ত্রিকীকরণ কেবল কোনো স্লোগান নয়, এটি বর্তমান সরকারের মূল দর্শন। যুগের পর যুগ ধরে বাজেটের বাইরে থাকা গ্রামীণ কামার-কুমার, তাঁতিসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। ক্রিয়েটিভ ইকোনমির যেমন-থিয়েটার, কালচার, মিউজিক, পেইন্টিং ও আর্টিফিশিয়াল জুয়েলারি প্রসারে এবং একে মনিটাইজ করতে আগামী বাজেটে বিশেষ প্রজেক্ট ও ফান্ড বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। ঢাকার পাশাপাশি বড় শহরগুলোতে ‘থিয়েটার ডিস্ট্রিক্’ গড়ে তোলা হবে। পার্শ্ববর্তী দেশের মতো বাংলাদেশের সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র ও সংগীতকে বৈশ্বিক বাজারে ব্র্যান্ডিং ও প্ল্যাটফর্ম প্রদানের মাধ্যমে দেশের সফট পাওয়ার বৃদ্ধি করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, ব্যবসা পরিচালনার খরচ এবং বন্দর থেকে শুরু করে পণ্য পরিবহনের সব স্তরের অতিরিক্ত চার্জ ও আমলাতান্ত্রিক হয়রানি কমাতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। ব্যবসা বা প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আগে যেখানে অসংখ্য অনুমোদনের প্রয়োজন হতো, তা কমিয়ে আনা হচ্ছে। আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের পুরো অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে ডিজিটাল অটোমেশনের আওতায় আনা হবে। একই সাথে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’-এর মাধ্যমে সব নাগরিক সেবা নিশ্চিতের উদ্যোগ চলছে। প্রকল্প গ্রহণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিদিন মনিটর করা হবে এবং নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমের মধ্যে বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, উচ্চ সুদের ব্যাংক ঋণের বিকল্প হিসেবে ক্যাপিটাল মার্কেট ও বন্ড মার্কেটকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি মূলধনী কোম্পানিগুলোর জন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়াও সরকার দেশে এবং বিদেশে ‘বাংলাদেশ বন্ড’ ফ্লোট করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে, যেখানে সুদের হার ৬ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে থাকবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কর ফাঁকি রোধে কোকাকোলা, পেপসি বা বহুজাতিক ও বড় তামাক কোম্পানিগুলোর প্রকৃত মার্কেট শেয়ার যাচাই করে ন্যায্য ট্যাক্স আদায় করা হবে। সাধারণ রেস্টুরেন্ট বা ক্ষুদ্র দোকানদারদের করের আওতায় আনতে এবং কর কর্মকর্তাদের হয়রানি থেকে বাঁচাতে বছরে একটি সহজ ‘ফ্ল্যাট রেট' চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

#

সিরাজ/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৭৩৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৫৩

কোরবানির চামড়া ও উপজাত সংরক্ষণে অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব

-- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কোরবানির পশুর মাংসের পাশাপাশি চামড়া ও অন্যান্য উপজাত সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা গেলে জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব।

আজ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আয়োজিত “কোরবানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬ (মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী, চামড়া সংরক্ষণকারী এবং ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম)”-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ।

মন্ত্রী বলেন, কোরবানিকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষ পশু জবাই, চামড়া ছাড়ানো, মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বণ্টনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে। এ বাস্তবতায় দক্ষ জনবল তৈরির বিকল্প নেই। বিশেষ করে চামড়া ছাড়ানোর মতো সংবেদনশীল কাজে প্রশিক্ষিত জনবল না থাকলে চামড়ার গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এর বাজারমূল্য কমে যায়। তিনি বলেন, দেশের মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে কোরবানির সময় দক্ষ জনবল তৈরি করা যেতে পারে। এতে একদিকে চামড়ার গুণগত মান উন্নত হবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা ও স্বল্পমেয়াদি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, সরকার প্রয়োজনে সারা বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করবে, যাতে কোরবানির সময় দক্ষতার অভাব না থাকে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, অবৈধভাবে আসা পশু ক্রয় করে কোরবানি দেওয়া কতটা সমীচীন-এ বিষয়ে ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে সচেতনতা তৈরি প্রয়োজন। তিনি বলেন, কোরবানির পশু ক্রয় ও ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা বৃদ্ধি, দেশীয় খামারিদের সুরক্ষা এবং চামড়া সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। দেশীয় উৎপাদন, খামারি ও জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামান খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন। এসময় স্বাগত বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের পরিচালক ডাঃ মোঃ বয়জার রহমান এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিচালক ডাঃ বেগম শামছুননাহার আহম্মদ, পরিচালক ড. এ. বি. এম. খালেদুজ্জামান।

#

মামুন/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/লিখন/২০২৬/১৬০০.ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৫২

জাইকা প্রতিনিধিদলের সাথে সড়ক ও সেতু মন্ত্রীর সাক্ষাৎ

অবকাঠামো সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সাথে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেন। এসময় রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন খাতের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশের যোগাযোগ খাতকে আরো আধুনিক, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে জাইকার দীর্ঘদিনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাইকার অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করেন।

এসময় জাইকা প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে এবং ভবিষ্যতেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস প্রদান করে।

#

নোবেল/খাদীজা/কুতুব/মিতু/সাঈদা/কনক/আলী/কামাল/২০২৬/১৫২০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৫১

হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪২৩ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০৮ জন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৫৯ হাজার ২৭৯ জন। অদ্যাবধি হাসপাতাল হতে মোট ছাড় পাওয়া রোগীর সংখ্যা ৪২ হাজার ৩৩৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে ৩ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগে ৪ জন মারা যান। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৮৩ এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০৫ জন।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

#

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/খাদীজা/কুতুব/মিতু/কনক/আলী/আসমা/২০২৬/১৫০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ৪০৫০

তথ্যমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার ও সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে আজ ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক ও সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেঙ্গলি পৃথক পৃথক সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে সরকার গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজ শুরু করেছে। মন্ত্রী এক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্য অফিস অফ কমিউনিকেশনস (অফকম) এর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। হাইকমিশনার এক্ষেত্রে তথ্যমন্ত্রীকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি অফকমের কার্যক্রম সম্পর্কেও মন্ত্রীকে অবহিত করেন।

তিনি বলেন, সরকার একইসাথে আমরা জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দিতে চায়। এজন্য তিনি সুইজারল্যান্ড এর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

এসময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিলেও একই সাথে এটি একটা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। ‌ তিনি এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য সুইস রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান।

#

ইমরানুল/খাদীজা/কুতুব/মিতু/কনক/আলী/মিজান/২০২৬/১৪৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৪৯

বাকুতে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সাথে UN-Habitat-এর নির্বাহী পরিচালকের বৈঠক অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সাথে UN-Habitat -এর নির্বাহী পরিচালকের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল আবাসন নীতি উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত সহায়তা, দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা, নগর পরিকল্পনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে UN-Habitat-এর সহযোগিতা কামনা করে।

বৈঠকে বাংলাদেশের দ্রুত নগরায়ন, সাশ্রয়ী আবাসন, বস্তি উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, সাশ্রয়ী আবাসন নীতি ও নির্দেশিকা ও পুনর্বাসন, স্থানিক পরিকল্পনা আইন বাস্তবায়ন, জেন্ডার সংবেদনশীল গণপরিসর নকশা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান মোসাঃ ফেরদৌসী বেগমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে আরো ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল ও রাজউকের চিফ টাউন প্লানার মোঃ আশরাফুল ইসলাম। অপরপক্ষে, UN-Habitat-এর নির্বাহী পরিচালক Anacláudia Rossbach এর নেতৃত্বে UN-Habitat এর প্রতিনিধিদলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন Regional Director Kazuko Ishigaki Srinivasa Popuri.

UN-Habitat কর্মকর্তারা বাংলাদেশের নগর উন্নয়ন ও জলবায়ু-সহনশীল উদ্যোগসমূহের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে টেকসই ও জনকেন্দ্রিক নগর উন্নয়নে কারিগরি সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময়, গবেষণা এবং পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

উভয়পক্ষ টেকসই নগর উন্নয়ন, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা আরো জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

#

আলমগীর/খাদীজা/কুতুব/মিতু/কনক/আলী/মিজান/২০২৬/১৪৩৫ ঘণ্টা

Handout Number: 4048

UAE’s Ambassador calls on Civil Aviation and Tourism Minister

Dhaka, May 21:

Abdulla Ali Abdulla Alhmoudi, Ambassador of the United Arab Emirates to Bangladesh, paid a courtesy call on Minister for Civil Aviation and Tourism Afroza Khanam at the latters’s office today in Dhaka. State Minister M Rashiduzzaman Millat also join the meeting.

During the meeting, both sides emphasized further strengthening the existing bilateral relations between Bangladesh and the United Arab Emirates. They also discussed on the development of the country’s civil aviation and tourism sectors, expansion of investment opportunities, and enhancement of mutual cooperation.

At the meeting, the Ambassador expressed dnata’s interest in providing ground handling services at the Third Terminal of Hazrat Shahjalal International Airport. In response, the State Minister informed the Ambassador about the progress of the preparatory activities for the inauguration of the Third Terminal and stated that the Government would take necessary decisions and communicate further developments after the ORAT (Operational Readiness and Airport Transfer) activities of the terminal are fully operational.

The Minister also stated that the Government remains committed to undertaking all necessary measures to enhance the quality of services at the airport. The Ambassador expressed his firm commitment to work closely with the present Government of Bangladesh.

#

Tariqul/Khadiza/Qutub/Saida/Kanok/Ali/Kamal/2026/1440 hrs.

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৪৭

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ্‌ আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত-এর সাথে আজ ঢাকায় মন্ত্রীর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali Abdulla Alhmoudi সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি দেশের বিমান ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে dnata-এর আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন। প্রতিমন্ত্রী তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতি কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরে জানান, টার্মিনালটির Operational Readiness and Airport Transfer (ORAT) কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে শুরু হওয়ার পর এ বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পরবর্তী কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করবে।

মন্ত্রী জানান, বিমানবন্দরে সেবার মান বৃদ্ধিতে সরকার সকল ধরণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে সদা প্রস্তুত। এসময় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

#

তরিকুল/খাদীজা/কুতুব/মিতু/সাঈদা/কনক/আলী/কামাল/২০২৬/১৪১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৪৬

শিক্ষামন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক শিক্ষা কৌশল বাস্তবায়ন শাখার এবং ক্যানভার কর্মকর্তাদের বৈঠক

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সাথে গতকাল যুক্তরাজ্যের লন্ডনস্থ কুইন এলিজাবেথ-২ সেন্টারে এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬ এর সাইড লাইনে যুক্তরাজ্যের ব্যবসা ও বাণিজ্য দপ্তরের আন্তর্জাতিক শিক্ষা কৌশল বাস্তবায়ন শাখার প্রধান জোনাথন লেজারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বৈঠক করেছেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, যুক্তরাজ্যভিত্তিক দক্ষতা ও কারিগরি এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা অংশীদারি প্রতিষ্ঠান ‘পিয়ারসন-ক্যামব্রিজ পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন’ এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে মন্ত্রী ও উপদেষ্টা সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের বিষয় তুলে ধরেন। বিশেষ করে তারা শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, চাকরির উপযোগী করে তোলা, শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংযোগ জোরদার করা, চাহিদা ও বাজারভিত্তিক পাঠ্যক্রম, এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) ব্যবস্থা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দেশের নিজস্ব জাতীয় চাহিদা ও অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করার অভিজ্ঞতার বিষয় তুলে ধরা হয়। উভয় পক্ষই শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের যোগ্যতার ক্ষেত্রে পারস্পরিক লক্ষ্য অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার আশাবাদ করেন।

এরপর মন্ত্রীর সাথে ক্যানভা কে-১২ এডুকেশনের গ্লোবাল লিড অ্যান্ডি শ’ এর নেতৃত্বাধীন ক্যানভা (Canva) এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠক করেন।

বৈঠকে ক্যানভা কর্মকর্তারা ডিজিটাল শিক্ষাকে শক্তিশালী করা, সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, শ্রেণিকক্ষের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং ভিজ্যুয়াল যোগাযোগ উন্নত করার মাধ্যমে ক্যানভার শিক্ষা সেবা কীভাবে বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহায়তা করতে পারে সে বিষয়ে মন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করেন।

এরপর শিক্ষামন্ত্রী বৈঠক চলাকালেই ক্যানভাকে বাংলাদেশের দুটি বিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত করেন, যাতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ক্যানভার প্রিমিয়াম শিক্ষা সেবা ব্যবহার শুরু করতে পারে। ধীরে ধীরে এই বিনামূল্যের প্রিমিয়াম সেবা দেশের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সম্প্রসারিত হবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে। তিনি বলেন, সরকার একটি বিশদ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, যেখানে শিক্ষা আরো সৃজনশীল, প্রযুক্তিনির্ভর, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ভবিষ্যৎ উপযোগী করে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

#

শিবলী/খাদীজা/কুতুব/মিতু/কনক/আলী/আমিরুল/২০২৬/১১১০ ঘণ্টা

Handout Number: 4045

Bangladesh Calls for Strengthened and Forward-Looking UN Peacekeeping Reform

Dhaka, 21 May 2026;

“Under the leadership of Prime Minister Tarique Rahman, Bangladesh continues to view peacekeeping not merely as an obligation, but as a profound moral responsibility to humanity,” said Shama Obaed Islam, MP, State Minister for Foreign Affairs of Bangladesh, at the Second Ministerial Conference on Peacekeeping in a Francophone Environment held in Rabat on Wednesday.

Reaffirming Bangladesh’s unwavering commitment to multilateralism, the State Minister underscored the country’s standing as one of the largest contributors to UN peacekeeping operations, while paying rich tribute to the 174 Bangladeshi peacekeepers who made the ultimate sacrifice in the service of global peace. She also highlighted Bangladesh’s expanding and increasingly impactful contribution of women peacekeepers.

Recalling Bangladesh’s enduring peace oriented foreign policy legacy shaped by Shaheed President Ziaur Rahman and further strengthened under former Prime Minister Begum Khaleda Zia, the State Minister emphasized ongoing national initiatives in social protection, education reform and women’s empowerment, and termed these as essential pillars of sustainable peace. She further stressed the central importance of the Women, Peace and Security agenda in advancing more effective peacekeeping and peacebuilding efforts.

The State Minister also drew attention to emerging challenges confronting modern peace operations, including misinformation and digital harassment, as well as the need to ensure the ethical and responsible use of technology in peacekeeping contexts.

Calling for strengthened and forward-looking UN peacekeeping reform, State Minister Shama Obaed underscored the need for clear and realistic mandates, adequate resourcing, enhanced consultation with troop- and police-contributing countries and stronger measures to ensure the safety and security of peacekeepers. She further put emphasis on robust pre-deployment training through institutions such as the Bangladesh Institute of Peace Support Operation Training (BIPSOT), and reiterated Bangladesh’s commitment to environmentally sustainable peacekeeping practices.

The Second Ministerial Conference on Peacekeeping in a Francophone Environment was jointly convened in Rabat by the Governments of Morocco and France. The first edition of this conference took place in 2016 in Paris.

Sadia Faizunnesa, Bangladesh Ambassador to Morocco accompanied the State Minister during the event.

In the evening, State Minister Shama Obaed attended the Global Growth Conference 2026 as the keynote speaker at the session titled “Geopolitics of Fragmentation: Power, Escalation & Strategic Reordering,” held at the Four Seasons Hotel in Rabat. During the session, she shared insights on Bangladesh’s position amid the evolving global geopolitical landscape, the shifting balance of power and the strategic implications of growing international fragmentation.

#

Kamrul/Khadiza/Mitu/Saida/kanok/Ali/Zohra/2026/1031 Hour

Handout Number: 4044

First-Ever Bangladesh-Morocco B2B Platform Launched in Rabat

Dhaka, May 21:

In a landmark moment for South-South commerce, Shama Obaed Islam, State Minister for Foreign Affairs, formally inaugurated the first-ever Bangladesh-Morocco B2B Meeting Platform in Rabat on Tuesday, opening a new corridor for trade, investment and green innovation linking South Asia with Morocco’s gateway to Africa, Europe and beyond. The launch marked the flagship event of the State Minister’s two-day visit to Morocco and one of its most significant outcomes.

In her inaugural remarks, State Minister has said the Platform is established to catalyze high-value, innovation-driven and people-centred partnerships, not trade for trade’s sake, but trade that builds industries, creates jobs, accelerates technology transfer and drives sustainable growth on both sides.

Highlighting Bangladesh’s strategic position between South and Southeast Asia, the State Minister further shed light on the country’s emergence as the world’s second-largest garment exporter, a pharmaceutical supplier to more than 150 countries and a growing hub for ICT, leather, ceramics, light engineering and food processing. She also conveyed Prime Minister Tarique Rahman’s invitation to Moroccan businesses to consider Bangladesh as a key investment destination.

The promotion of Bangladesh’s jute and jute-based products emerged as one of the key priorities of the new platform. Bangladesh’s modernized jute industry-producing biodegradable, carbon-absorbing products increasingly utilized in the automotive and fashion sectors - aligns closely with Morocco’s expanding industrial landscape. The State Minister remarked, ‘As African countries increasingly move to restrict single-use plastics, demand for biodegradable alternatives made from jute is expected to rise significantly, positioning Bangladesh as a major supplier.’

An exhibition featuring Bangladeshi jute products was also organized at the Chamber premises. The exhibition was jointly inaugurated through a ribbon-cutting ceremony by the State Minister and Hassan Sakhi, President of the Moroccan Chamber of Commerce.

The B2B event, organized by the Embassy of Bangladesh in Rabat in collaboration with the Moroccan Chamber of Commerce, Industry and Services, brought together around 30 leading Moroccan business figures and a seven-member Bangladeshi business delegation. To give further momentum to this platform, a high-level Moroccan business delegation is expected to visit Bangladesh in November 2026 to explore economic zones, industrial hubs and innovation centres, paving the way for investment partnerships and joint ventures.

Sadia Faizunnesa, Bangladesh Ambassador to Morocco, also addressed the event. Among others, Syed Md. Nurul Basir, Director General, Department of Jute of Ministry of Textiles and Jute, Abdur Rouf Mondol, Director General (Africa) of Ministry of Foreign Affairs and Sahela Akter, Joint Secretary, Ministry of Industries were present.

Later in the afternoon, the State Minister delivered a lecture titled ‘Bangladesh Foreign Policy: Focus on Africa’ at the Moroccan Institute for Training, Research and Diplomatic Studies in Rabat. She highlighted the BNP-led government’s forward-looking, value-driven and people-centric foreign policy anchored in the principle of ‘Bangladesh First,’ aimed at safeguarding national interests while promoting constructive international engagement. Emphasizing the vast potential for Bangladesh-Africa cooperation, she stressed the importance of advancing shared goals of peace, prosperity, sustainable development and economic empowerment for the peoples of both regions.

The session was attended by diplomats, retired ambassadors, trainee diplomats, academics and foreign policy experts. Ambassador Sadia Faizunnesa accompanied the State Minister.

#

Kamrul/Khadiza/Qutub/Saida/Kanok/Ali/Kamal/2026/1020 hrs.

তথ্যবিবরণী নম্বর : ৪০৪৩

পার্বত্যের কৃষকদের বাজারজাতকৃত পণ্যে পরিবহন পারিশ্রমিক যোগ করে পণ্য মূল্য নির্ধারণ

-ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৭ জ্যৈষ্ঠ (২১ মে):

পার্বত্য চট্টগ্রামের কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থার কষ্টের কথা বিবেচনা করে তাদের উৎপাদিত পণ্যের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের কৃষকদের কৃষি ফলন ও কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে সহজ যাতায়াত ব্যবস্থার অপ্রতুলতা রয়েছে। অনেক কষ্টের বিনিময়ে তারা পণ্য বাজারে নিয়ে আসেন। তাই তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃষকদের পণ্যের মূল্যের সাথে আনা-নেওয়ার অতিরিক্ত পারিশ্রমিক যোগ করে কৃষকদের কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

গতকাল পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর উদ্যোগে আয়োজিত পার্বত্য চট্টগ্রামের পল্লী অঞ্চলের কৃষি পণ্যের সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন বিষয়ক প্রকল্প এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে বার্ডের আউটরিচ সেন্টার প্রতিষ্ঠা শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ফল ও সবজি বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাকে আধুনিক ও কার্যকর করতে এ প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। তিনি উল্লেখ করেন, সরাসরি বৃহৎ পরিসরে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিবর্তে বার্ড প্রাথমিকভাবে এটিকে একটি প্রায়োগিক গবেষণা (Pilot Research) হিসেবে গ্রহণ করেছে, যা একটি বাস্তবসম্মত ও দূরদর্শী পদক্ষেপ।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন আশা প্রকাশ করেন, বার্ড সমবায়ভিত্তিক কৃষিপণ্য সাপ্লাই চেইন মডেল গড়ে তোলার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের উৎপাদনশীল খাতের সাথে সম্পৃক্ত সাধারণ মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। তবে এ ধরনের উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ বার্ডকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।

সভার শুরুতে বার্ডের মহাপরিচালক সাইফউদ্দীন আহমেদ সভার এজেন্ডা অনুযায়ী প্রকল্পের সার্বিক ধারণা উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে প্রকল্পের মূল ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন কুমিল্লার বার্ড-এর পরিচালক ফৌজিয়া নাসরিন সুলতানা।

সভায় জানানো হয়, প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের কৃষিজ পণ্যের পোস্ট-হারভেস্ট (ফসল কাটার পরবর্তী) ক্ষতি হ্রাস করা, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা। আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নের একটি টেকসই মডেল তৈরি করাই এ প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।

এ প্রকল্পের আওতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎপাদিত কৃষিজ পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ব্লকচেইনভিত্তিক সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনা প্রবর্তনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, ৯৫০জন কৃষককে জৈব পদ্ধতিতে চাষাবাদ ও রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্য উৎপাদনের উত্তম চর্চা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। শিক্ষানবিশ কর্মসূচির মাধ্যমে ৫০ জন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তাকে সমবায়ভিত্তিক সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনা ও বাজারজাতকরণ বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনতে সমিতিভিত্তিক সঞ্চয় সহায়তা প্রদান, ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধকরণ এবং কৃষক ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জীবনমান উন্নয়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।

সভায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বার্ডের আউটরিচ সেন্টার প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত গবেষণা প্রস্তাবনায় স্থানীয় পল্লী উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ ও প্রয়োজনসমূহ চিহ্নিত করে গবেষণা ও প্রায়োগিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তবে সভায় এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত না নিয়ে ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় পর্যালোচনার মাধ্যমে পুনরায় বিবেচনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় উপস্থিত বক্তারা প্রকল্পটিকে সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ প্রকল্প পার্বত্য অঞ্চলের কৃষকদের জন্য আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবে এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি, বাজার সম্প্রসারণ ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম, বার্ডের মহাপরিচালক সাইফউদ্দীন আহমেদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব কংকন চাকমা, অতুল সরকার, মমিনুর রহমান, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ আহাম্মদ (যুগ্ম-সচিব), বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য শ্রী ফদাং তাং রান্দাল, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, টিআরএটিএফ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হক, ওমেগা লজিস্টিক ও সাপ্লাই চেইন বিশেষজ্ঞ জিয়া করিম, বার্ডের যুগ্ম পরিচালক আযমা মাহমুদা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ।

#

রেজুয়ান/খাদীজা/কুতুব/কনক/আলী/মিজান/২০২৬/৯৩০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন