কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬ এ ০৯:৪৮ PM

Handout 20 May 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ২০-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২০-০৫-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৪২

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য সাভারে ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে

- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সাভার (ঢাকা), ৬ জৈষ্ঠ্য (২০ মে):

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন বলেছেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শারীরিক গঠন, মানসিক বিকাশ এবং বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ঢাকায় সাভারে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই ক্রীড়া কমপ্লেক্সে থাকবে জিমনেশিয়াম, আধুনিক স্পোর্টস লার্নিং, মেডিকেল ফিজিওথেরাপি, সুইমিং পুল, মসজিদ, ইনডোর, আউটডোর গেমিং এর ব্যবস্থা।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় সাভারে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্প কাজ পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মানসিক প্রতিবন্ধী, সাইকোলজিক্যাল ও ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধীসহ প্রায় ১১ ধরনের প্রতিবন্ধী রয়েছে। এই প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা অলিম্পিক হয়, যেটাকে বলা হয় প্যারা অলিম্পিক। তিনি বলেন, আমাদের দেশের অনেক প্রতিবন্ধী আন্তর্জাতিক অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করে দেশের জন্য সুনাম বয়ে এনেছে। অনেকে স্বর্ণপদক বিজয়ীও হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রকল্পটি ২০২১ সালে নেওয়া হলেও ২০২৬ সাল পর্যন্ত এসে মাত্র ১০ শতাংশ কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পটি নেওয়ার পরও কার্যক্রম শুরু হয়নি, মাঝখানে কিছু জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ ছিল। এখন আবার কাজ শুরু হওয়ায় প্রকল্পটি আগামী দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে।

#

রফিক/কারুজ্জামান/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/রফিকুল/শামীম/২০২৬/২০৫৫ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৩৯

এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬ এর প্লেনারি সেশনে শিক্ষা মন্ত্রী

শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু শিক্ষিত করা নয়, কর্মক্ষেত্রে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা

ঢাকা, ৬ জৈষ্ঠ্য (২০ মে):

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকারের ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ উদ্যোগ শিক্ষকদের প্রযুক্তিগতভাবে আরো দক্ষ করে তুলবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ সকল আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষকদের সহায়ক হতে হবে। এ সকল প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করতে এবং শিক্ষার মান উন্নত করতে ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি প্রযুক্তি যেন বৈষম্য কমানোর পরিবর্তে বৈষম্য বৃদ্ধি না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

মন্ত্রী আজ যুক্তরাজ্যের লন্ডনস্থ কুইন এলিজাবেথ-২ সেন্টারে এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬ এর প্লেনারি সেশনে বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন অগণতান্ত্রিক শাসনের পর বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরেছে। জনগণের বিপুল সমর্থনের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সরকার গঠন করেছি। এই জনসমর্থন আমাদেরকে শিক্ষাক্ষেত্রে অর্থবহ পরিবর্তনের গুরুদায়িত্ব প্রদান করেছে। তাই শিক্ষা ক্ষেত্রে অবশ্যই গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে। এই পরিবর্তন শুধু তরুণদের শিক্ষিত করা নয়, বরং তাদেরকে কর্মক্ষেত্রে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা। এক্ষেত্রে এমন পরিবর্তন আনতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়ে দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা ও মূল্যবোধ অর্জন করতে সক্ষম হয়। পাশাপাশি এই শিক্ষা যেন চাকরি, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, উদ্ভাবন ও মর্যাদা অর্জনের পথ তৈরি করতে পারে।

‘আনন্দের সাথে শিক্ষা’ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে মন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দের সাথে শেখার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। মুখস্ত করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে কৌতূহল, সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধান, মূল্যবোধ, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও মানসিক দৃঢ়তা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, সরকার তৃতীয় ভাষা শিক্ষার প্রসার, মাধ্যমিক স্তরে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সংযোজন, স্কুল ফিডিং (মিড ডে মিল) কর্মসূচি সম্প্রসারণ, শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ সরবরাহ, এবং ধীরে ধীরে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বিনিয়োগ বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এবছর বিশ্বের প্রায় ১৫০ টি দেশের শিক্ষা মন্ত্রী এই ফোরামে অংশগ্রহণ করছেন।

#

শিবলী/কামরুজ্জামান/শাহাদাত/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৯৫০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৩৭

গণমাধ্যম কমিশন গঠনে পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে চূড়ান্ত প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে

- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ঢাকা, ৬ জৈষ্ঠ্য (২০ মে):

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম কমিশন সংক্রান্ত এ পর্যন্ত সম্পন্ন হওয়া সকল আলোচনা, সুপারিশ ও ডকুমেন্ট ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে এবং সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে।

আজ ঢাকার একটি হোটেলে ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ও বিবিসি মিডিয়া একশন আয়োজিত “PIMHIE Project: Learning & Sharing From Policy Reform to Newsroom Practice” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি সরকার প্রধানের সাথে মালিক সমিতি ও সম্পাদকদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সাথে পূর্বে যেমন আলোচনা হয়েছে, পরামর্শক কমিটি গঠনের পর আবারও আলোচনা করা হবে, যাতে একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর কাঠামো তৈরি করা যায়।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যম আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। রাষ্ট্রের অন্যান্য স্তম্ভকে জনগণের কাছে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে গণমাধ্যম কমিশন গঠন শুধুমাত্র সরকারের একক বিষয় নয়; এটি সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ। তিনি আরো বলেন, সরকার একদিকে যেমন এ প্রক্রিয়ায় সমান অংশীদার হিসেবে কাজ করবে, অন্যদিকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সমন্বয়কারী ও ব্যবস্থাপকের দায়িত্বও পালন করবে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, গণমাধ্যম সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন এ উদ্যোগে সরকারের সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, গণমাধ্যম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান ও যমুনা টেলিভিশনের সিইও ফাহিম আহমেদ।

#

ইমরানুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/শামীম/২০২৬/১৯৪০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৩৩

সরকার যুবসমাজের চাওয়া-পাওয়াকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে

-- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সাভার (ঢাকা), ৬ জৈষ্ঠ্য (২০ মে):

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আর আপনাদের (যুবসমাজের) মাধ্যমেই আমরা পেয়েছি একটি স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ। এই স্বাধীন বাংলাদেশে এখন সবাই স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারছেন। সরকার যুবসমাজের চাওয়া-পাওয়াকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে। এখন সবাইকে সাথে নিয়ে দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আজ সাভারে অবস্থিত জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে ‘যুব সমাবেশ-২০২৬’ এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী বিষয়। পুরো পৃথিবী আজ ডিজিটাল প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতার যুগে আমাদের যুবসমাজকে এআই-এর ইতিবাচক ও ভালো দিকগুলোকে গ্রহণ করতে হবে। তিনি যুবকদের উদ্দেশে দল-মত নির্বিশেষে স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবসময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করতে হবে এবং সৎ থাকতে হবে। যেকোনো ভুল ও অন্যায় কাজকে রুখে দিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, বর্তমানে বিদেশে ‘কেয়ার গিভার’-এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যাদের বিদেশে পাঠানো হবে, তাদের দক্ষ করে পাঠানো হবে এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এই বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। যুবসমাজকে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে প্রতিটি জেলায় যুব প্রশিক্ষণ সেন্টারে এআই (AI) প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশের যুব কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও তৃণমূলমুখী করার লক্ষ্যে ‘যুব সমাবেশ’ কেবল ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে, তা পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় জেলা পর্যায়ে আয়োজন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন।

#

আলম/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/শামীম/২০২৬/১৮২১ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০৩১

আগামীতে অর্গানিক মাংস রপ্তানি করবে বাংলাদেশ

--- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ঢাকা, ৬ জ্যৈষ্ঠ (২০ মে):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কোন প্রকার জিনেটিক পরিবর্তন না ঘটিয়ে প্রাকৃতিক ও পুষ্টিসম্পন্ন ঘাস গবাদিপশুকে প্রদানের মাধ্যমে উৎপাদিত মাংস আগামী তিন বছরের মধ্যে রপ্তানি করবে বাংলাদেশ।

আজ বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এবং অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটি (সিএসইউ)-এর যৌথ উদ্যোগে এবং অস্ট্রেলিয়া সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সের অর্থায়নে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে “অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ রিসার্চ শোকেস” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “জলবায়ু সহনশীল খাদ্য ব্যবস্থা-ব্যবহারিক সমাধান ও অংশীদারিত্ব”।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে নিরাপদ খাদ্য ও নিউট্রেশনাল ফুড খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। জেনেটিক মোডিফায়েড ফুড পৃথিবীকে কল্যাণের দিকে নিয়ে যেতে পারেনি। গবেষণার মাধ্যমে নেপিয়ার ঘাসের এমন এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা ১৮ শতাংশ প্রোটিন সম্পন্ন। তিনি আরো বলেন, গবাদিপশুর জন্য উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ও খরা-সহিষ্ণু ঘাসের ফলে মাংস উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য মাংসের দামও তুলনামূলকভাবে সহনীয় পর্যায়ে আনা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী গবেষক ও বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের কল্যাণে স্বাধীনভাবে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন আগামী দিনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পাবে এবং দেশের প্রাণিসম্পদ ও কৃষি খাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, গবাদিপশুর খাদ্য উৎপাদন ব্যয় কমানো গেলে মাংস উৎপাদনের খরচও কমবে এবং তা ভোক্তাদের কাছে তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। কম খরচে উন্নতমানের ঘাস ও প্রাণিখাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাই কমিশনার ক্লিনটন পবকি উপস্থিত ছিলেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জনাব মো: শাহজামান খান।

সেমিনারে পরিবেশবান্ধব ও স্বল্প ব্যয়ী গরুর মাংস উৎপাদন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে “এনভায়রনমেন্টালি সাসটেইনেবল লো-কস্ট বিফ প্রোডাকশন-প্র্যাকটিক্যাল সলুশনস অ্যান্ড পার্টনারশিপ” শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএলআরআই-এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প সমন্বয়কারী ড. মোহাম্মদ খায়রুল বাশার।

সেমিনারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, গবেষক, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, প্রাণিসম্পদ খাতের পেশাজীবী, উন্নয়ন সহযোগী, বিএলআরআই-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং খামারিরা অংশ নেন।

#

মামুন/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/সঞ্জীব/কনক/লিখন/২০২৬/১৬৩৮ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০২৯

হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ৬ জ্যৈষ্ঠ (২০ মে):

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৭০ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩৮জন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৫৭ হাজার ৮৫৬ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৪১ হাজার ১২০জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে ৩ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগে ৩ জন মারা যান। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৮০ এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০১ জন।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

#

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/খাদীজা/মিতু/তানভীর/কনক/আলী/সফি/২০২৬/১৫৩৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০২৮

আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে হিসাববিদদের সেলফ-রেগুলেশনের আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

ঢাকা, ৬ জ্যৈষ্ঠ (২০ মে):

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হিসাববিদদের ‘স্বপ্রণোদিত নিয়ন্ত্রণ’ বা সেলফ-রেগুলেশনের আহ্বান জানিয়েছেন। দেশে সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে এবং পুঁজিবাজার ও আর্থিক খাতের প্রতি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বিশেষ করে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস এবং কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টসদের পেশাগত সততা বজায় রেখে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সঠিক ও প্রকৃত আর্থিক চিত্র (ফেয়ার পিকচার) তুলে ধরার ওপর জোর দেন মন্ত্রী।

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আজ ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল কর্তৃক ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (ICAB) এবং ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (ICMAB)-এর যৌথ সহযোগিতায় আয়োজিত এফএআর সামিট (FAR Summit)-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের সামিটের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Trustworthy Financial Reporting: What Really Matters’

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গত বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনীতি একটি অস্থির সময় পার করেছে। নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, তদারকি ব্যবস্থা ও পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাসমূহ প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়ায় আর্থিক খাতে এক ধরণের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। এছাড়া, মিথ্যা প্রতিবেদনের মাধ্যমে দুর্বল কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে, যার ফলে যোগ্য ও মৌলিক কোম্পানিগুলো বাজারে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আর্থিক খাতের বর্তমান সংকট উত্তরণে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন একটি ক্রসরোডে দাঁড়িয়ে আছি। বর্তমান সরকার এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকবে। তিনি বলেন, এফআরসি, আইসিএবি এবং আইসিএমএবি-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে কাজ করছে, তার ওপরই অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। কোনো নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার পক্ষে প্রতিদিন ভুল বের করা সম্ভব নয়; তাই হিসাববিদদের নিজেদের এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সবার আগে ‘সেলফ-রেগুলেট’ বা স্বপ্রণোদিত নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা নিতে হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রী হিসেবে নিজের অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি খাতের ওপর বিশ্বাস রেখে অতীতে বিজিএমইএ-কে যেভাবে ইউডি সার্টিফিকেট প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং তারা সফল হয়েছিল; ঠিক তেমনি আইসিএবি এবং আইসিএমএবি-কে কেবল বার্ষিক সাধারণ সভা বা ডিনারের আয়োজক হিসেবে সীমাবদ্ধ না থেকে, তাদের মেম্বাররা কীভাবে কাজ করছে এবং সঠিক অডিট করছে কি না-তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

মন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতি তৈরি হওয়া নতুন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, বিশ্বের বড় বড় ফান্ড ম্যানেজার এবং বিনিয়োগকারীরা এখন বাংলাদেশের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছে। জেপি মরগ্যানসহ বিশ্বখ্যাত ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে আসতে চায়। আমরা হংকং ও লন্ডনে বাংলাদেশ ডেডিকেটেড ফান্ড ফ্লোট করার পরিকল্পনা করছি, পাশাপাশি ডোমেস্টিক বন্ড চালু করতে যাচ্ছি। কিন্তু এই বিশাল বিদেশি বিনিয়োগ বা ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (FDI) আকর্ষণের প্রথম শর্তই হলো নির্ভরযোগ্য আর্থিক প্রতিবেদন। বিনিয়োগকারীরা যদি অডিট রিপোর্টের ওপর আস্থা না পায়, তবে কোনো সংস্কারই কাজে আসবে না।

তিনি স্বল্পমেয়াদি সুবিধা নয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে আর্থিক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য পুঁজিবাজার, এনবিআর এবং আর্থিক খাতের চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানান।

অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম ভাইস প্রেসিডেন্ট বিটিএমএ, মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া চেয়ারম্যান এফআরসি।

#

সিরাজ/খাদীজা/মিতু/তানভীর/আলী/জোহরা/২০২৬/১৪০২ঘণ্টা


Handout Number: 4025

State Minister Shama Obaed Reaffirms Prime Minister’s

Vision for Stronger Africa Partnership

Dhaka, 20 May 2026;

Under the leadership of Prime Minister Tarique Rahman, Bangladesh is keen to deepen its engagement with African nations and elevate its partnership with Morocco to a new horizon of cooperation, shared prosperity and strategic opportunity, said Shama Obaed Islam, MP, during her meeting with Nasser Bourita, Morocco’s Minister of Foreign Affairs, African Cooperation and Moroccan Expatriates in Rabat yesterday.

The two leaders highlighted the importance of sustained high-level exchanges in advancing political relations. In this context, the State Minister fondly recalled the historic visit of Shaheed President Ziaur Rahman to Morocco in 1980 and expressed appreciation for Morocco’s gracious gesture of honouring the nation by naming an avenue in Rabat after him.

Both leaders reaffirmed their commitment to consolidating Bangladesh-Morocco ties across diverse sectors, including trade and investment, textiles, pharmaceuticals, ceramics, sports, culture, agriculture, education, women empowerment, shipbuilding and people-to-people connectivity, alongside stronger multilateral collaboration. They also agreed to convene the next round of Foreign Office Consultations at the earliest in Dhaka to assess ongoing cooperation and explore new areas of mutual interest.

The State Minister extended an invitation to the Moroccan Foreign Minister to visit Bangladesh at a mutually convenient time.

Later in the afternoon, State Minister Shama Obaed held a bilateral meeting with Ryad Mezzour, Morocco’s Minister of Industry and Trade. Highlighting Bangladesh’s improved investment landscape, the State Minister proposed the exchange of business delegations to promote greater commercial interaction. In response, the Moroccan Industry Minister expressed his intention to send a business delegation to Bangladesh by the end of 2026.

Commending the existing partnership in the agricultural sector, the State Minister called for strengthening G2G cooperation to ensure a more reliable and efficient supply chain of phosphate exports, thereby contributing to Bangladesh’s agricultural development and food security. She also reiterated Bangladesh’s readiness to work with Morocco in promoting eco-friendly jute and jute goods in the Moroccan market. Both leaders pledged deeper cooperation in innovation, industrial training, ICT and artificial intelligence. They further discussed the prospect of a Free Trade Agreement between the two countries to further strengthen bilateral trade relations.

On the same day, the State Minister met Younes Sekkouri, Morocco’s Minister of Economic Inclusion, Small Business, Employment and Skills at his office. During the meeting, the State Minister briefed him on the new Government’s social protection initiatives, including the “Family Card” and “Farmers’ Card” programmes as well as development efforts such as canal re-excavation projects.

The two leaders also explored opportunities to expand collaboration in employment generation, vocational training, skills development, women and youth empowerment, entrepreneurship and the growth of small and medium enterprises. They stressed the value of closer cooperation through knowledge-sharing, technical exchanges and institutional partnerships.

Sadia Faizunnesa, Bangladesh Ambassador to Morocco and Abdur Rouf Mondol, Director General (Africa) of the Ministry of Foreign Affairs accompanied the State Minister during the meetings.

State Minister Shama Obaed is currently on an official visit to Morocco to attend the Second Ministerial Conference on Peacekeeping in a Francophone Environment, scheduled to be held in Rabat on 20 May 2026.

#

Kamrul/Khadiza/Mitu/Ali/Zohra/2026/1355 Hour

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০২২

আগামী প্রজন্মকে বিশ্বমানের নেতৃত্বে গড়ে তুলতে কারিকুলামে আসছে বড় পরিবর্তন

-প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৬ জ্যৈষ্ঠ (২০ মে):

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আগামী বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবই ভিত্তিক শিক্ষা নয়, বরং নেতৃত্ব, নাগরিক দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে বিশ্বমানের নেতৃত্বে গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

আজ ঢাকায় বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশন আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ে হলদে পাখি নীল কমল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী প্রজন্মকে দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে এবং সরকার দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর মিড-ডে মিল চালুর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজ আমি শুধু গার্ল গাইডস্‌দের মাঝে নেই, আমি আগামী বাংলাদেশের নেতাদের মাঝে আছি। আপনারাই ভবিষ্যতে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন। আমরা এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই, যারা শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, নতুন কারিকুলামে শিশুদের শুধু একাডেমিক শিক্ষা নয়, বরং বাস্তবসম্মত দক্ষতা শেখানো হবে। শিক্ষার্থীরা শিখবে কীভাবে ভালো নাগরিক হতে হয়, কীভাবে নিজের স্কুল, ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হয় এবং সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়। শিশুদের বয়স আনন্দের মাধ্যমে শেখার। তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ বা বড় বড় বই চাপিয়ে দেওয়ার সময় নয়। নতুন কারিকুলাম এমনভাবে সাজানো হবে যাতে শিশুরা গল্প, সৃজনশীলতা ও আনন্দের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে নীলকমল অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত হলদে পাখির সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অর্জন দেশের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে। এ অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে মোট ৫৭জন হলদে পাখি সদস্যকে নীল কমল অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার কাজী জেবুন্নেছা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গার্ল গাইডস্ নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

#

তানভীর/খাদীজা/মিতু/তানভীর/সাঈদা/কনক/আলী/জোহরা/২০২৬/১২৫০ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০২০

পরিবেশ মন্ত্রীর সাথে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ০৬ জৈষ্ঠ্য (২০ মে):

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সাথে গতকাল ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে তাঁর কার্যালয়ে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনোন সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকে প্লাস্টিক দূষণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ, কার্বন ক্রেডিট, জলবায়ু অর্থায়ন, সার্কুলার ইকোনোমি এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

পরিবেশ মন্ত্রী আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর ও তাঁর প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার ‘এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি (EPR)’ নীতির আওতায় বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরো সুসংগঠিত ও বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশে শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ইটিপি (Effluent Treatment Plant) কার্যক্রম জোরদারে মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে ‘ইলেকট্রিক ভেহিকেল’ চালুর পরিকল্পনা গ্রহন করছে। এছাড়াও বিদ্যুতের ওপর চাপ কমাতে ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার দেশব্যাপী ব্যাপকভিত্তিক সোলার প্যানেল (সৌরবিদ্যুৎ) স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

ম্যাক্স টুনোন আগামী মাসে গাজিপুরে অনুষ্ঠিতব্য এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি (EPR) কর্মশালায় প্লাস্টিক রিসাইক্লিং, বর্জ্যে ব্যাবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার জন্য পরিবেশ , বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অগ্রগামী ভুমিকা পালন করার ওপর জোর দেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা , উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য তাগিদ প্রদান করেন।

বৈঠকে আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু খাতে চলমান সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং পরিবেশ , বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যায্য রূপান্তরের (Just Transition) ওপর বিশেষ গুরুত্বরোপ করা হয়।

সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন) , অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ অনুবিভাগ) এবং বাংলাদেশে আইএলও কান্ট্রি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

#

মালেক/খাদীজা/সাঈদা/আলী/আমিরুল/২০২৬/০৯১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০২১

শিক্ষামন্ত্রীর সাথে গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক

ঢাকা, ৬ জ্যৈষ্ঠ (২০ মে):

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সাথে গতকাল যুক্তরাজ্যের লন্ডনস্থ কুইন এলিজাবেথ-২ সেন্টারে এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬-এর সাইডলাইনে গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন।

‘গুগল ফর এডুকেশন’ প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক কলিন মারসন ও সলিউশনস ইঞ্জিনিয়ারিং-এর প্রধান অলি ট্রাসেল বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

এসময় বিভিন্ন দেশের শিক্ষার উন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহারকে আরো বিস্তৃত করার বিষয়ে গুগলের কর্মপ্রক্রিয়া সম্পর্কে গুগলের কর্মকর্তারা শিক্ষামন্ত্রীকে অবহিত করেন। এছাড়া, শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহারে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে গুগল কিভাবে সহযোগিতা করতে পারে সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনায় ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুগলের সহায়তার বিষয়ে গুরুত্ব প্রদান করা হয়।

#

শিবলী/খাদীজা/তানভীর/কনক/আলী/কামাল/২০২৬/১০৪০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন