কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬ এ ১০:৪৬ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৯-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৯-০৫-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০১১
নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে সরকার
-স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘পিপলস ম্যান্ডেট সিটিজেন ডায়ালগ অন ম্যানিফেস্টো টু অ্যাকশন’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, আগামী চার বছরের মধ্যে নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে ‘ইশতেহার বাস্তবায়নের সংকট ও সম্ভাবনা : নগর উন্নয়ন ও জলবায়ু সহিষ্ণুতা’ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়, যেখানে তিনি সরকারের প্রথম তিন মাসেই ইশতেহারের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও জনকল্যাণমুখী কাজ সফলভাবে শুরু হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারে নির্বাচনি ইশতেহারে প্রধান এজেন্ডা ছিলো ফ্যামিলি কার্ড।। নারীদের স্বাবলম্বী করতে এরইমধ্যে সরকার মাঠ পর্যায়ে এই কার্ড বিতরণ শুরু করেছে। একই সাথে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করতে দেশজুড়ে নতুন করে খাল খনন কর্মসূচি জোরদার করা হচ্ছে।
রাজধানীর প্রশাসনিক জটিলতা ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকার যেকোনো সমস্যা তৈরি হলেই সাধারণত সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় সরকার বিভাগকে দায়ী করা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে রাজধানীর সব কাজের একক এখতিয়ার স্থানীয় সরকারের হাতে নেই। তাই নাগরিক সেবার গতি বাড়াতে হলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। একই সাথে বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী চিরাচরিত ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে আধুনিক ‘সিটি গভার্নেন্স’ নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।
নগরায়ন ও পরিবেশগত সুরক্ষায় শহরের নদ-নদী ও খাল-বিল দূষণমুক্ত রাখতে এখন থেকে প্রতিটি বাসাবাড়িতে নিজস্ব সেপটিক ট্যাংক করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে, যার জন্য রাজউকের সাথে আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে। অতীতের প্রকল্পগুলোর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণ আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক রূপ দিতে চীনের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।
#
আশরাফুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/মোশারফ/ফেরদৌস/কনক/লিখন ২০২৬/১৭৪১ ঘণ্টা
Handout Number: 4008
Govt working to increase capacity and capability of Fire Service
-- Home Minister
Dhaka, May 19:
Home Minister Salahuddin Ahmed stated that the government is actively working to enhance the capacity and capability of the Fire Service and Civil Defense Department.
The Minister said this as the chief guest at the ‘Fire Service and Civil Defense Week, Medal Distribution, and Passing Out Parade-2026’ held today at the Fire Service and Civil Defense Multipurpose Training Ground in Purbachal, Dhaka.
The Director General of the Fire Service and Civil Defense Department, Brigadier General Muhammad Jahed Kamal, presided over the ceremony, while Senior Secretary of the Ministry of Home Affairs, Manzur Morshed Chowdhury, spoke as the special guest. Mostafizur Rahman Bhuiyan Dipu, Member of Parliament for Narayanganj-1 constituency, was also present.
The Minister noted that the Fire Service currently provides services through 538 fire stations across the country, which is insufficient considering the present demand. In light of this, the present government has undertaken various development plans for the Fire Service and Civil Defense in line with its electoral manifesto. He mentioned that the construction and reconstruction of 20 fire stations are currently underway. Additionally, the procurement of 100 ambulances is in progress to expand ambulance services. Furthermore, to enhance the capacity of divers, a proposal to create 72 posts has been approved, which, once implemented, will further strengthen the department's capability to respond to waterway accidents. He added that a proposal to restructure the organogram of the Fire Service is under consideration to increase the number of fire stations and expand the workforce to over 30,000 as per the plan. To improve training quality, initiatives have also been taken to establish a Fire Service and Civil Defense Academy in Gazaria, Munshiganj.
The Minister further stated that an online-based ‘E-Fire License’ service was launched on May 1, 2026, to ensure transparency and accountability in fire service delivery. He emphasized that alongside boosting the capability of this public-important institution, the current government is committed to increasing the benefits and facilities for Fire Service officials and employees. Several proposals regarding the upgrading of ranks and benefits for the members of this force, in coordination with other forces and government departments, are under consideration. The Minister added that to address the housing issues of the force, construction projects for two multi-storey residential buildings are ongoing in Mirpur and Sadarghat, Dhaka, along with the construction of the Headquarters building in Mirpur, Dhaka. Moreover, decisions regarding the provision of a special ‘Fire and Rescue Allowance’ and fresh money allowance for the members of the force will be finalized after proper review and examination.
At the beginning of the event, the Minister formally inaugurated ‘Fire Service and Civil Defense Week 2026.’ He inspected the passing out parade and received the salute.
A total of 234 personnel participated in the passing out parade, including 12 Station Officer and Staff Officers, 158 Firefighters, 2 Nursing Attendants, 56 Drivers, and 6 Divers.
In recognition of their multidimensional heroic deeds, the Minister handed over medals to 84 officials and employees of the Fire Service and Civil Defense. The recipients included 34 individuals for the year 2023 and 50 individuals for 2024.
#
Faisal/Kamruzzaman/Vivekananda/Ferdows/Mosharaf/Konok/Salim/2026/1900 Hours
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০০৬
রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের
সহযোগিতা চাইলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলপূর্বক বিতাড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
আজ সচিবালয়ে জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন (UNHCR) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) এর একটি যৌথ উচ্চ পর্যায়ের মিশনের সাথে বৈঠককালে মন্ত্রী এ সহযোগিতার কথা বলেন।
রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরো সমন্বিতভাবে পরিচালনা করা, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির উন্নয়নে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি টেকসই সমাধান নিশ্চিত করার পরিকল্পনায় এ মিশন পরিচালিত হচ্ছে।
ইউএনএইচসিআর-এর ডেপুটি হাইকমিশনার kelly T.clements এবং ডব্লিউএফপি-এর সহকারী নির্বাহী পরিচালক Rania Dagash-Kamara এই মিশনের যৌথ নেতৃত্ব দেন। অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় কমিশনের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও উচ্চপদস্থ দাতা প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মোঃ সাইদুর রহমান খানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
#
মাহবুবুর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/মোশারফ/কনক/লিখন ২০২৬/১৬১০ ঘণ্টা
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
তথ্যবিবরণী নম্বর : ৩৯৯৫
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আগামীকাল বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন:
“বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উপলক্ষ্যে আমি এই বাহিনীর সকল স্তরের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আজকের এই ঐতিহাসিক শুভক্ষণে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ এ বাহিনীর ৬৭০ জন বীর সদস্যসহ বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালনকালে দেশমাতৃকার জন্য আত্মদানকারী সকল সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই ও তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সুদূরপ্রসারী চিন্তা ও পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় আনসার বাহিনীর পুনর্গঠন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী নেতৃত্বে আনসার-ভিডিপি আইন, ১৯৯৫ প্রণয়নের মাধ্যমে ব্যাটালিয়ন আনসার গঠিত হয় এবং এতে গ্রাম প্রতিরক্ষা দল আইনগত সাংগঠনিক ভিত্তি লাভ করে। সেই অগ্রদৃষ্টিসম্পন্ন উদ্যোগের ফলস্বরূপ আজ আনসার-ভিডিপি গ্রাম-বাংলার অতন্দ্র প্রহরীতে পরিণত হয়েছে।
সম্প্রতি একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ পুনরায় গণতান্ত্রিক ধারায় প্রত্যাবর্তন করেছে। এই নির্বাচনে অন্যান্য বাহিনী ও মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যগণ সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেজন্য বাহিনীর সদস্যদের আমি ধন্যবাদ জানাই। আমি আশা করি, একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার পথচলায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী বিশ্বস্ত সহযাত্রী হয়ে পাশে থাকবে।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা বিধান, বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলা এবং যানজট নিরসনে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এছাড়া, নিয়মিত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এ বাহিনী যুব ও নারীদেরকে বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে। যেকোনো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা প্রদানে নিয়োজিত সংস্থার কার্যকারিতা নির্ভর করে এর পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলাবোধের ওপর। আমি আশা করি, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকবেন।
আমার বিশ্বাস, ‘শান্তি, শৃঙ্খলা, উন্নয়ন, নিরাপত্তায় সর্বত্র আমরা’-এ মূলমন্ত্রে দীক্ষিত বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সকল সদস্য জননিরাপত্তার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা অব্যাহত রাখবেন। আমি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি।
আমি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করছি।”
#
রাহাত/কুতুব/মিতু/তানভীর/আতিক/সাঈদা/আলী/মিজান/২০২৬/১৫৪০ ঘণ্টা
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
তথ্যবিবরণী নম্বর : ৩৯৯৬
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন:
“বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উদ্যাপিত হচ্ছে। এই শুভলগ্নে আমি এই বাহিনীর সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং তৃণমূলের অকুতোভয় আনসার-ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এই বাহিনীর ৬৭০ জন শহিদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
দেশের যেকোনো প্রয়োজনে এই বাহিনীর সদস্যদের সময়োপযোগী ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ফেব্রুয়ারি মাসে সারাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে। তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য আমি এই বাহিনীর সর্বস্তরের প্রতিটি সদস্যকে আবারও অভিনন্দন জানাই।
দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনের পর বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। দেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কাজ করে যাচ্ছে। একটি স্বনির্ভর, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার এই যাত্রাপথে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম।
স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গর্বিত উচ্চারণ ‘আমাদের হাত কোটি হাতিয়ার, অঙ্গীকার আমাদের দেশ গড়বার’ এবং গণপ্রতিরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের ধারণায় গড়ে ওঠা এই বাহিনীর রয়েছে দেশের প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন। গ্রাম ও শহরে সুরক্ষিত সমাজ কাঠামো গঠন, সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং বহুবিধ সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে আনসার-ভিডিপি সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করছে।
আনসার-ভিডিপির নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণের মতো কার্যক্রমে সারাদেশে বিস্তৃত নেটওয়ার্কের সক্ষমতাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। বিজ্ঞানভিত্তিক পরিবেশ সুরক্ষা এবং কৃষি অর্থনীতির বিকাশে খাল খনন, দুর্যোগপ্রবণ প্রত্যন্ত এলাকায় বন্যা থেকে সুরক্ষা, পানিসম্পদ পরিকল্পনা, দুর্যোগকালীন সাধারণ জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের মতো অনন্য কার্যক্রম বাস্তবায়নেও আনসার ও ভিডিপি অপরিসীম ভূমিকা পালন করতে পারে।
আমাদের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে শিল্পকারখানা, হাসপাতাল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫২ হাজারের বেশি অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, তারুণ্যই শক্তির উৎস। যুবসমাজকে নিছক জনশক্তি নয়, বরং দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আনসার ও ভিডিপি যে সুনির্দিষ্ট চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে। স্বনির্ভরতা ও কর্মসংস্থানের এই নতুন মডেলে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে আনসার-ভিডিপি সহায়ক শক্তি হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখবে, এটিই আমার প্রত্যাশা।
আমি বিশ্বাস করি, দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে আনসার-ভিডিপির গর্বিত সদস্যদের হাত ধরে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাম আর্থসামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে। বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে বাহিনীর ৬০ লাখ সদস্যের সাহস ও নিষ্ঠা হোক আগামী দিনের পাথেয়।
আমি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি এবং দেশ গড়ার পবিত্র দায়িত্বে আপনাদের সাহসী ও কার্যকর ভূমিকার প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখছি।”
#
আশরোফা/কুতুব/মিতু/তানভীর/আতিক/সাঈদা/আলী/সফি/২০২৬/১৫৪৫ ঘণ্টা
আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০০৩
দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান
-বাণিজ্যমন্ত্রী
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ এখন আর কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়; বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে।
আজ ঢাকায় স্থানীয় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘Responsible Business Conduct for Resilient Supply Chains and Trade Competitiveness’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ব্যবস্থার দ্রুত পরিবর্তনশীল বাস্তবতায় বাংলাদেশ একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে। শক্তিশালী রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং প্রতিকূলতা মোকাবিলায় সক্ষমতার মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতে দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা শুধু উৎপাদন ব্যয়ের ওপর নির্ভর করবে না; বরং নির্ভর করবে টেকসই উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, শ্রমমান, পরিবেশগত দায়বদ্ধতা এবং দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক চর্চার ওপর।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রেতা, বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং ভোক্তারা সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রতিটি স্তরে পরিবেশগত, সামাজিক ও সুশাসন এবং ডিউ ডিলিজেন্স প্রক্রিয়ার ওপর অধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে টেকসই উন্নয়ন-সম্পর্কিত নতুন বিধি-বিধান ও প্রত্যাশা বাড়ছে, যা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে সরাসরি প্রভাবিত করছে।
তিনি আরো বলেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে এখন কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার, সুশাসন এবং জলবায়ু ও টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহে দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক চর্চা শক্তিশালী করা গেলে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ একটি দায়িত্বশীল ও প্রতিযোগিতামূলক উৎস দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে উচ্চমূল্যের ও উদীয়মান বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়বে, টেকসই ও গুণগত বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পাবে।
সরকার টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দায়িত্বশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ সম্পর্কিত নীতি সমন্বয় এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করার গুরুত্ব অনুধাবন করে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সবুজ শিল্পচর্চার সম্প্রসারণ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও সংকলন, টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন উদ্যোগ এবং পরিবেশ ও সামাজিক কমপ্লায়েন্স কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দায়িত্বশীল ও টেকসই ব্যবসায়িক চর্চায় রূপান্তর কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য সরকার, বেসরকারি খাত, শিল্প সমিতি, উন্নয়ন সহযোগী এবং সুশীল সমাজের সম্মিলিত সহযোগিতা জরুরি।
তিনি আরো বলেন, আমাদের এমন একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে বড় ও ছোট সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধাপে ধাপে দায়িত্বশীল চর্চা গ্রহণ করতে পারবে এবং একই সঙ্গে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় রাখতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো: আবদুর রহিম খান , ইউএনডিপি এর ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালি দায়ারাত্নে, কান্ট্রি ইকনোমিক এডভাইসর ওয়াইস পেরি। অনুষ্ঠানে কী নোট পেপার উপস্থাপন করেন পলিসি একচেঞ্জ বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ।
#
কামাল/কুতুব/মিতু/আতিক/সাঈদা/আলী/জোহরা/২০২৬/১৪৫৮ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০০৫
চীফ হুইপের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
আজ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সাথে তাঁর কার্যালয়ে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উপপ্রধান মেগান বলডিন (Megan Bouldin)-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে।
সাক্ষাৎকালে তাঁরা বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, গণতন্ত্রের উন্নয়ন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন, বাণিজ্যিক সম্পর্ক, জাতীয় সংসদের অধিবেশন ও সংসদ ভবনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
চীফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় আমাদের গণতান্ত্রিক যাত্রায় পাশে থেকেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের চমৎকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের তৈরি পোশাক শিল্প খাতের বড় একটি বাজার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ সরকার আইটি চাকরি তৈরির যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, তাতে প্রযুক্তিতে উন্নত যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সহযোগিতা করবে বলে তিনি আশা করেন।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গৃহিত পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সংসদ দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকার জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও কৃষি ঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, সংসদ হলো গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র। গণতন্ত্রের প্রতীক এই ভবনের স্থপতি লুই আই কানকে জনগণ সবসময় শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। এসময় মেগান বলডিন বলেন, এটি দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের একটি শক্তিশালী প্রতীক। আমেরিকান স্থাপত্যের ছাত্ররা প্রায়ই এই ভবনটি দেখার ইচ্ছা পোষণ করে, কারণ এটি লুই কানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে পরিচিত।
প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের শ্রম আইন সংস্কারের প্রশংসা করে এবং একে ওয়াশিংটনে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়। আলোচনায় দুই দেশের গণতন্ত্র এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা সম্পর্কে জোর দিয়ে বলা হয় যে, বাংলাদেশ একটি বন্ধুপ্রতিম গণতান্ত্রিক দেশ এবং এর অর্থনৈতিক সংস্কারগুলো আমেরিকান কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগে আরও উৎসাহিত করবে । দুই দেশের মধ্যকার এই সম্পর্ক কেবল নথিপত্রে সীমাবদ্ধ থাকবেনা। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো উচ্চতায় পৌছাবে এবং টেকসই হবে।
সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
শোয়াইব/কুতুব/মিতু/আতিক/সাঈদা/আলী/জোহরা/২০২৬/১৪৩৫ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০০৪
লিবিয়া থেকে ১৭০ বাংলাদেশির প্রত্যাবাসন
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
লিবিয়ার বেনগাজী হতে ১৭০ জন স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনেচ্ছুক বাংলাদেশিকে আজ সকাল পাঁচটায় বুরাক এয়ারের ফ্লাইট যোগে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেন বলে জানা যায়। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তাগণ ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান। জনসচেতনতা বাড়াতে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সকলের সাথে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।
লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
#
কামরুল/কুতুব/মিতু/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৫২০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০০২
আইএলও ও চীনা নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর বৈঠক
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ সচিবালয়ে International Labour Organization (ILO)-এর বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর
Max Tunon এবং China State Construction Engineering Corporation-এর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন। বৈঠকগুলোতে শ্রমিক কল্যাণ, নগর ব্যবস্থাপনা এবং অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।
আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাথে বৈঠকে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবনমান উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুত্বসহকারে আলোচনা করা হয়। এ সময় মন্ত্রী বলেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে আইএলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরো বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বাণিজ্য, শিল্পায়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা প্রয়োজন। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
চীনের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান China State Construction Engineering Corporation-এর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে অবকাঠামো ও নগর উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে নিরাপদ পানি সরবরাহ, আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, নির্মাণ খাত এবং নগর অবকাঠামো উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা গুরুত্ব পায়।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোঃ মাহমুদুল হাসান, উন্নয়ন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং অধীনস্থ দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
চয়ন/কুতুব/মিতু/তানভীর/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৪০০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০০১
ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে
-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী আজ রাজধানীর পূর্বাচলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মাল্টিপারপাস ট্রেনিং গ্রাউন্ডে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ, পদক বিতরণ এবং পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠান-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। এসময় নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, সারাদেশে ৫৩৮টি ফায়ার স্টেশনের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস সেবা প্রদান করে যাচ্ছে যা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। এ বিবেচনায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ২০টি ফায়ার স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১০০টি অ্যাম্বুলেন্স সংগ্রহের কাজও চলমান রয়েছে। তাছাড়া ডুবুরিদের সক্ষমতা বাড়াতে ৭২টি পদ সৃজনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে যা বাস্তবায়িত হলে নৌযান দুর্ঘটনা মোকাবিলায় এ বাহিনীর সেবা সক্ষমতা আরো বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরো বলেন, ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী সদস্য সংখ্যা ৩০ হাজারের অধিক করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের অর্গানোগ্রাম পুনর্গঠনের প্রস্তাবও বিবেচনাধীন রয়েছে। এছাড়া, প্রশিক্ষণের মান উন্নয়নের জন্য মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স একাডেমি স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সেবা সহজীকরণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে অনলাইনভিত্তিক ই-ফায়ার লাইসেন্স প্রদানের কার্যক্রম গত ০১ মে, ২০২৬ তারিখ থেকে চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ এ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার বিষয়েও বর্তমান সরকার সচেষ্ট রয়েছে। এ বাহিনীর সদস্যদের অন্যান্য বাহিনী ও সরকারি দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে আপগ্রেডেশন সংক্রান্ত বেশকিছু প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে। তিনি আরো বলেন, ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের আবাসন সমস্যা দূরীকরণে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ঢাকার মিরপুর ও সদরঘাটে ২টি বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প এবং ঢাকার মিরপুরে সদর দপ্তর ভবন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। তাছাড়া বাহিনীর সদস্যদের জন্য বিশেষ ভাতা হিসেবে ‘ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ ভাতা’ এবং ফ্রেশ মানি প্রদানের বিষয়টি পর্যালোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী ‘ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। তিনি পাসিং আউট প্যারেড পরিদর্শন করেন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।
পাসিং আউট প্যারেডে স্টেশন অফিসার ও স্টাফ অফিসার ক্যাটাগরিতে ১২ জন, ফায়ারফাইটার ক্যাটাগরিতে ১৫৮ জন, নার্সিং অ্যাটেনডেন্ট ক্যাটাগরিতে ০২ জন, ড্রাইভার ক্যাটাগরিতে ৫৬ জন, ডুবুরি ক্যাটাগরিতে ০৬ জনসহ মোট ২৩৪ জন অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বহুমাত্রিক বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৮৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাতে পদক তুলে দেন।
#
ফয়সল/কুতুব/মিতু/আতিক/সাঈদা/আলী/জোহরা/২০২৬/১৩৩৭ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৪০০০
পাটখাতকে সাত বিলিয়ন ডলারের শিল্পে উন্নীত করার লক্ষ্য সরকারের
-বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা, উন্নত বীজ উৎপাদন এবং বহুমুখী পাটপণ্যের প্রসারের মাধ্যমে দেশের পাট খাতকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় থেকে পাঁচ থেকে সাত বিলিয়ন ডলারের শক্তিশালী শিল্পে পরিণত করা সম্ভব।
আজ ঢাকার ফার্মগেটে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রোমোশন সেন্টারে আয়োজিত ‘বহুমুখী পাটপণ্য মেলা-২০২৬’–এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম।
বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, এক সময় বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশই এসেছে পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয় ৫০ থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হলেও পাট খাতের অবদান প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এ বাস্তবতায় পাটখাতের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগাতে সরকার সময়োপযোগী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
তিনি আরো বলেন, পাট খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে দেশে উন্নত মানের পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন। বর্তমানে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ছয় হাজার টন পাটবীজের চাহিদা পূরণে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। এই নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয়ভাবে মানসম্মত পাটবীজ উৎপাদন নিশ্চিত করা হবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, কৃষককে ন্যায্যমূল্য দিতে হলে পাটপণ্যের বহুমুখীকরণ, নতুন নকশা উদ্ভাবন এবং উচ্চমূল্যের বাজার সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি। এজন্য গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে।
তিনি জানান, পাট ও চামড়া খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, উন্নত বীজ উদ্ভাবন, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজার উপযোগী ডিজাইন তৈরিতে সহযোগিতা জোরদার করতে চীনের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রোমোশন সেন্টার এবং বেসরকারি খাতের অংশীদারদের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো দ্রুত বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে আধুনিকায়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মুনাফাভিত্তিক পরিচালনা নিশ্চিত করা যায়।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাটখাতের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে অত্যন্ত আগ্রহী। তাঁর নেতৃত্বে সরকার সময়সীমাবদ্ধ কর্মপরিকল্পনার আওতায় পাট খাতের প্রতিটি পর্যায়ের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম বলেন, সকলে মিলে পাট শিল্পের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক বিপ্লবকে এগিয়ে নিতে হবে। তাহলেই পাট তার অতীত গৌরব ফিরে পাবে, বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের পাটচাষীসহ পাট শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। পাশাপাশি গ্রাম ও শহরে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বহুমুখী পাটপণ্য মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পাটপণ্যের সম্ভাবনা, বাজার সম্প্রসারণ ও বিদ্যমান সমস্যাবলি নিয়ে আলোচনা করেন।
পাঁচ দিন ব্যাপী এ মেলা ২৩ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
#
কামাল/কুতুব/মিতু/আতিক/আলী/সফি/২০২৬/১৪০০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৯৭
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সাথে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে আজ ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এন্টনিও আলেসান্দ্রো সাক্ষাৎ করেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সাক্ষাৎকালে দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ইতালি বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। তিনি বৈধ পথে আরো বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী গ্রহণের জন্য ইতালি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।
মন্ত্রী গণযোগাযোগ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সম্প্রচার বিষয়ে ইতালির সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে প্রস্তাব দেন। তিনি ইতালির অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে এক্ষেত্রে নলেজ শেয়ারিংয়ের বিষয়ে আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ইতালিতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে এবং তারা বাংলাদেশ ও ইতালি উভয় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তিনি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ইতালিতে সমুদ্র পথে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তথ্য উপদেষ্টা, ইতালির রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ থেকে বৈধ পথে ইতালিতে অভিবাসন বৃদ্ধির অনুরোধ জানান। এ বিষয়ে ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে অভিবাসন চলমান আছে এবং বিগত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে ২০ হাজার মানুষ ইতালিতে অভিবাসী হয়েছেন।
#
ইমরানুল/কুতুব/মিতু/তানভীর/আতিক/সাঈদা/আলী/কামাল/২০২৬/১২২০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৯৮
আজ নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ৫ (পাঁচ) টাকা মূল্যমান কারেন্সি নোট ইস্যু করা হয়েছে
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
অর্থ সচিব ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার স্বাক্ষরিত নতুন ডিজাইন ও বৈশিষ্ট্যের ৫ (পাঁচ) টাকা মূল্যমান কারেন্সি নোট মুদ্রণ করা হয়েছে। আজ থেকে তা বাজারে প্রচলন দেয়া হয়েছে। নোটটি আজ থেকে প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস হতে ইস্যু করা হয়েছে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকে এ নোট ইস্যু করা হবে।
‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ৫ (পাঁচ) টাকা মূল্যমান কারেন্সি নোটের ডিজাইন ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যে বলা হয়েছে; নোটটি অর্থ সচিব ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার স্বাক্ষরিত, কারেন্সি নোটটির আকার নির্ধারণ ১১৭মি.মি × ৬০ মিমি, নোটের সম্মুখভাগের বামপাশে তারা মসজিদ, ঢাকার ছবি ও মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি এবং নোটের পিছনভাগে গ্রাফিতি-২০২৪ এর ছবি মুদ্রিত আছে। নোটে জলছাপ হিসেবে ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ’-এর নিচে উজ্জ্বল ইলেকট্রোটাইপ জলছাপ ‘5’ এবং ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রাম’ রয়েছে। নোটটিতে হালকা গোলাপী রঙের আধিক্য রয়েছে। নোটের বামদিকে বিদ্যমান ২ মি. মি. চওড়া নিরাপত্তা সুতাটি নোটের কাগজের ভিতর প্রবিষ্ট যা আলোর বিপরীতে ধরলে উভয় দিক হতে দেখা যায়। এছাড়া, নোটের সম্মুখভাগের নীচের গ্লিউইশ প্যাটার্নের উপরের অংশে Microprint হিসেবে আনুভূমিকভাবে অসংখ্য ‘BANGLADESH’ মুদ্রিত রয়েছে।
নতুন ডিজাইন ও বৈশিষ্টের ৫ টাকা মূল্যমান নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত সকল কাগুজে নোট এবং ধাতব মুদ্রাও যথারীতি চালু থাকবে। এছাড়া, মুদ্রা সংগ্রাহকদের চাহিদার বিষয়টি বিবেচনা করে নিয়মিত নোটের পাশাপাশি ৫ টাকা মূল্যমান নমুনা (Specimen) নোট (যা বিনিময়যোগ্য নয়) মুদ্রণ করা হয়েছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংক কারেন্সি মিউজিয়াম, মিরপুর থেকে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।
আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
সিরাজ/কুতুব/মিতু/তানভীর/আতিক/সাঈদা/আলী/কামাল/২০২৬/১১৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৯৪
সরকার মহাকাশ, স্যাটেলাইট ও ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে
-ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
ঢাকা, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
বাংলাদেশের মহাকাশ, স্যাটেলাইট ও ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের এই যুগে স্যাটেলাইট, ড্রোন ও স্পেস টেকনোলজি শুধু বিলাসিতা নয়, বরং জাতীয় উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা খাতে অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছে।
গতকাল রাজধানীতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে অনুষ্ঠিত ‘স্যাটেলাইট, ড্রোনস অ্যান্ড ফিউচার স্পেস টেকনোলজি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে দুর্যোগ পূর্বাভাস, নদীভাঙন পর্যবেক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উপকূলীয় নিরাপত্তা এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সরকার ইতোমধ্যে সাইক্লোন ও বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস দ্রুত জেলেদের কাছে পৌঁছে দিতে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
ড্রোন প্রযুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড্রোন এখন শুধু ফটোগ্রাফি বা বিনোদনের যন্ত্র নয়; এটি সীমান্ত নিরাপত্তা, কৃষি ব্যবস্থাপনা, জরিপ কার্যক্রম ও দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, সরকার ভবিষ্যতে লো আর্থ অরবিট (LEO) ভিত্তিক নতুন স্যাটেলাইট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, যাতে আরো স্পষ্ট ও কার্যকর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা যায়। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে স্পেস ডাটা ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে কি নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমাদুর রহমান। এ সেমিনারের সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বাংলাদেশের মহাকাশ প্রযুক্তির সম্ভাবনা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে তরুণ প্রকৌশলীদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
#
জসীম/কুতুব/আতিক/সাঈদা/আলী/মিজান/২০২৬/৯.১০ ঘণ্টা
Handout Number: 3993
Bangladesh urges stronger UN peacekeeping capacity to protect civilians
New York, 19 May:
Bangladesh has called for stronger political support, adequate resources and modern capabilities for United Nations peacekeepers to strengthen civilian protection amid rising conflicts and evolving global security threats.
Speaking at a UN side event titled ‘Dialogue to De-escalate: How United Nations Military Peacekeepers Protect Civilians through Dialogue and Engagement’ at the Permanent Mission of Bangladesh to the UN yestertday, Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury said peacekeepers remain vital to protecting civilians in increasingly complex conflict situations.
He cited geopolitical tensions, rapid technological change and funding constraints as major challenges to implementing Protection of Civilians (POC) mandates, stressing the need to equip peacekeepers to address emerging threats, including those linked to artificial intelligence and evolving warfare technologies.
Referring to Gaza and the Rohingya crisis, he expressed concern over rising civilian casualties and emphasized humanitarian access, peacekeeper safety and dialogue-based engagement to de-escalate conflicts.
The event featured a panel discussion with Lt Gen Cheryl Pearce of the UN Department of Peace Operations, Lt Gen Humphrey Nyone of MINUSCA and Lt Colonel Herly Sinaga of Indonesia. It was co-hosted by Bangladesh, Australia, France, Ghana, Indonesia, Uruguay, Zambia and the Stimson Center. The session was moderated by Lisa Sharland from Stimson Center and attended by senior UN officials, diplomats and peacekeeping experts.
#
Press NYPM/Qutub/Atik/Ali/Mizan/2026/9.20 Hours
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৯২
বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় আরো শক্তিশালী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ব্যবস্থার আহ্বান বাংলাদেশের
নিউইয়র্ক, ৫ জ্যৈষ্ঠ (১৯ মে):
ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের জন্য অধিকতর রাজনৈতিক সমর্থন, পর্যাপ্ত সম্পদ সরবরাহ এবং আধুনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে গতকাল অনুষ্ঠিত ‘Dialogue to De-escalate: How United Nations Military Peacekeepers Protect Civilians through Dialogue and Engagement’ শীর্ষক এক সাইড ইভেন্টে বক্তব্য প্রদানকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।
ক্রমবর্ধমান জটিল সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় শান্তিরক্ষীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা বর্তমানে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও পরিবর্তিত যুদ্ধ প্রযুক্তিজনিত উদীয়মান হুমকি মোকাবিলায় শান্তিরক্ষীদের উপযুক্তভাবে প্রস্তুত ও সক্ষম করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
গাজা পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে বাধাহীন প্রবেশাধিকার, শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা এবং সংঘাত নিরসনে সংলাপভিত্তিক সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সামরিক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেরিল পিয়ার্স, মিনুস্কার ফোর্স কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল হামফ্রে নিয়োনে এবং ইন্দোনেশিয়ার লেফটেন্যান্ট কর্নেল হার্লি সিনাগা।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ঘানা, ইন্দোনেশিয়া, উরুগুয়ে, জাম্বিয়া এবং স্টিমসন সেন্টার। স্টিমসন সেন্টারের লিসা শারল্যান্ড সেশনটি সঞ্চালনা করেন। এতে জ্যেষ্ঠ জাতিসংঘ কর্মকর্তা, কূটনীতিক, সামরিক নেতৃত্ব, শান্তিরক্ষা বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
#
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/কুতুব/আতিক/আলী/মিজান/২০২৬/৯.১০ ঘণ্টা