কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬ এ ১০:১৮ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৭-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৭-০৫-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৭৫
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি মডেল ইউনাইটেড নেশন
কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
সাভার ( ঢাকা), ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক আজ সাভারে অবস্থিত জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে 'জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি মডেল ইউনাইটেড নেশন কনফারেন্স ২০২৬'-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। তরুণ শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক নেতৃত্ব ও কূটনীতিতে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সফল সমাপ্তি ঘোষণা করে প্রতিমন্ত্রী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশের যুব সমাজকে উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত লাল-সবুজের পতাকাকে ধারণ করে বাংলাদেশ আজ যে সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখছে, তরুণরাই সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মূল ধারক। তরুণদের স্বপ্ন ও আজকের এই প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা যুব সমাজকে নিজেদের জীবন সুগঠিত করার পাশাপাশি দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্যের ওপর আলোকপাত করে বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গন, জাতিসংঘ এবং এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনে বাংলাদেশ কীভাবে আরও কার্যকরভাবে নিজেদের মেধা ও অবস্থান তুলে ধরতে পারে, তা শেখার অন্যতম মাধ্যম এই মডেল ইউনাইটেড নেশন কনফারেন্স। এর মাধ্যমে যুব সমাজ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের হয়ে উন্নত যোগাযোগ স্থাপনে সক্ষম হবে।
দেশের যুব ও যুব নারীদের স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মোঃ আমিনুল হক জানান, দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এই সব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আগামী দিনে দেশে ও বিদেশে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
#
আলম/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২২২০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৭২
অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ রোধে সীমান্তে কঠোর নজরদারি
--- প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
বগুড়া, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে সীমান্তবর্তী এলাকা হয়ে অবৈধভাবে গবাদিপশু প্রবেশ রোধে বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রশাসনকে কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেশীয় খামারিদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং স্থানীয় উৎপাদন ব্যবস্থাকে টেকসই করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলেও তিনি জানান।
আজ বগুড়ার মম ইন কনভেনশন সেন্টারে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প আয়োজিত টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন: আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, বাজার সংযোগ ও ভ্যালু চেইন-শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে গবাদিপশুর উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কোরবানির পশুর চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ আত্মনির্ভরতার অবস্থানে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, দেশে প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখের ওপর গবাদিপশু রয়েছে, যেখানে সম্ভাব্য চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। ফলে কোরবানির পশুর চাহিদা পূরণে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গবাদিপশু আমদানির প্রয়োজন নেই।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উদ্বৃত্ত পশু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাতকে ভবিষ্যতে রপ্তানিমুখী শিল্পে পরিণত করার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ উৎপাদন, প্রাণিসম্পদের স্বাস্থ্যসেবা এবং বাজার সংযোগ জোরদারের মাধ্যমে এ খাতকে আরো শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, যেখানে একদিকে খামারিরা তাদের উৎপাদিত পশুর ন্যায্যমূল্য পাবেন, অন্যদিকে সাধারণ ভোক্তারাও সহনীয় দামে কোরবানির পশু ক্রয়ের সুযোগ পাবেন। উদ্বৃত্ত উৎপাদনের এ সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও টেকসই, লাভজনক এবং জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম শক্তিশালী খাতে রূপান্তরে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষক ও খামারিদের উৎপাদন ব্যয় কমানো, সহজে সহায়তা প্রদান এবং সরকারি সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কৃষি কার্ড, প্রণোদনা, ভরতুকি ও উৎপাদনমুখী সহায়তার সুবিধা খামারিরাও পেতে পারবেন, যাতে তারা আরো উৎপাদনমুখী ও লাভজনক উদ্যোগ গ্রহণ করতে উৎসাহিত হন।
তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার, খামারি, উদ্যোক্তা, কর্মকর্তা এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। একটি দেশ তখনই উন্নতির পথে এগিয়ে যায়, যখন সবাই জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে। দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী জেলা কসাইখানা এবং জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামান খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন। সেমিনারে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সরকারি কর্মকর্তা, খামারি, উদ্যোক্তা, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
#
মামুন/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/সঞ্জীব/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২০৪৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৬৭
২০২৮ সালে নতুন শিক্ষাক্রম পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
ময়মনসিংহ, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বর্তমান বিশ্বের চাহিদা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের বাস্তবতায় ৫০ বছর আগের কারিকুলাম দিয়ে আর নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই সরকার যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক ও বাস্তবমুখী নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নে কাজ করছে, যা ২০২৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে।
আজ ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ও রুম টু রিড-এর যৌথ আয়োজনে প্রাথমিক স্তরের বাংলা ভাষা শিক্ষার দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক বেইজলাইন রিপোর্ট শেয়ারিং সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী একথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক স্তরে ভাষা শিক্ষার ভিত্তি শক্তিশালী করা গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, শুদ্ধ ভাষা চর্চা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাকে আরো কার্যকর ও আনন্দময় করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এ লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ আরো কার্যকর করা, শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক পাঠদান পদ্ধতি চালু করা, মানসম্মত শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত মূল্যায়ন কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, বর্তমান টেক্সটবুকের আকার ও উপস্থাপনাও শিশুদের উপযোগী নয়। একটি ছয় বছরের শিশুর হাতে বড় আকারের বই তুলে দিলে তার মধ্যে শেখার আগ্রহ কমে যায়। ছোট ছোট অধ্যায়ভিত্তিক বই ও আনন্দমুখর শেখার পরিবেশ তৈরির ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, এখন থেকে প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি কাজের একমাত্র মাপকাঠি হবে লার্নিং আউটকাম।
এ সময় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক দেবব্রত চক্রবর্তী, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহ্মদ সহ অন্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#
তানভীর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/সঞ্জীব/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২০৩৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৬৫
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা উদ্ধোধন করলেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
ঢাকা, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যে আধুনিক, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমরা দেশের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে উন্নত মানের ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করেছি।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের যে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন, আমরা তার আলোকে ধারাবাহিকভাবে একের পর এক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে আপনারা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলো, যা দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে। এই অর্জন কেবল একটি প্রকল্প নয়, এটি জনগণের সেবায় আমাদের অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, সরকারের ইশতেহার অনুযায়ী দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা বিমানবন্দর, রেলস্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে উন্নত ইন্টারনেট সেবা চালু করেছি।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ মোট আটটি বিমানবন্দর এবং ছয়টি রেলস্টেশনে এই সেবা একযোগে চালু করা হয়েছে। এয়ারপোর্টের পার্কিং এলাকা থেকে শুরু করে বোর্ডিং ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ২৫০টি অ্যাক্সেস পয়েন্টের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো সাধারণ যাত্রী—বিশেষ করে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা মানুষ—যাতে সহজে, দ্রুত এবং বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা পেতে পারেন। চেক-ইন, ইমিগ্রেশন বা বোর্ডিং—সব পর্যায়ে যেন নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত হয়, সেটাই আমাদের অঙ্গীকার। এই উদ্যোগ কেবল শুরু। আমরা ভবিষ্যতে আরও বিমানবন্দর ও পরিবহন কেন্দ্রগুলোতে এই সেবা সম্প্রসারণ করব।
বিমানবন্দরে ওয়াইফাই সেবা ঠিকমতো কাজ করছে কি না মন্ত্রী এবং উপদেষ্টা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এসময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক, বিটিসিএল সহবাংলাদেশ বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য ইতোমধ্যে দেশের ৭টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর ও ৬টি রেলওয়ে স্টেশনে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শাহ মখদুম বিমানবন্দর, সৈয়দপুর বিমানবন্দর, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বরিশাল বিমানবন্দর ভাই এবং যশোর বিমানবন্দর। পাশাপাশি কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন, রাজশাহী রেল স্টেশন, সিলেট রেলওয়ে স্টেশন, চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন এবং ঢাকা এয়ারপোর্ট রেলওয়ে স্টেশন-এ যাত্রীরা এখন বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করতে পারছেন।
#
জসীম/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/সঞ্জীব/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২০৪৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৬২
যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে রাজী আছি, আলেমদের ওপর অত্যাচার-জুলুম হতে দিব না
- ধর্মমন্ত্রী
ঢাকা, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) বলেছেন, প্রয়োজনে যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে রাজী আছি। কিন্তু আলেম-ওলামাদের ওপর কোনো অবিচার-অত্যাচার, জুলুম হতে দেব না। মাদ্রাসাগুলোকে যেন বঞ্চিত করা না হয়, তাদের প্রতি যেন অবিচার না করা হয় সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার বিষয়ে আমরা সোচ্চার আছি।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে আলেম-ওলামাদের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ওলামায়ে কেরামদের জন্য ইসলাম টিকে আছে, টিকে থাকবে। ইসলামের প্রচারের জন্য এবং মাদ্রাসাগুলো চালানোর জন্য কারো কোনো সাহায্য প্রয়োজন হয় না। আল্লাহপাকই কিয়ামত পর্যন্ত এগুলোকে টিকিয়ে রাখবেন। এদেশের আলেমসমাজ একটি প্লাটফর্মে আসতে পারলে অনেককিছুই সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
চামড়া সংরক্ষণে আলেমদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, অতীতে আমরা দেখেছি দাম না পেয়ে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। এমনটি যেন না ঘটে। এই চেষ্টা আপনাদেরকে করতে হবে। এ বিষয়ে সরকারও সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে। চামড়ার গুণগত মান যেন ভালো থাকে সেভাবে চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান তিনি। এছাড়া, চামড়া সিন্ডিকেট ও দালালের দৌরাত্ম্য বন্ধ করার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন মন্ত্রী।
আলেমদের সমাজের ধারক ও বাহক হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৯ সালের গণভোটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কোনো সংগঠন ছিলো না। বাংলার জমিনের পীর-মাশায়েখ, কওমি ওলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকরা সেদিন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মী হিসেবে কাজ করেছিলেন। তারাই সেদিন জিয়াউর রহমানকে 'হ্যাঁ' ভোট দিয়ে বিজয় এনে দিয়েছিলেন। তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে কওমি আলেম-ওলামাদের ভূমিকার জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে কোনো সরকার প্রধানই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতার কথা চিন্তা করেননি। তারেক রহমান সেটা করেছেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মরত ব্যক্তিরা এই সম্মানী ভাতা পাবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আঃ ছালাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ। এছাড়া ইফা সচিব শেখ মুর্শিদুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. মুহাম্মদ হারুনুর রশীদ, মুহাদ্দিস ড. ওয়ালীয়ুর রহমান খান, জামিয়া ফোরকানিয়া লালবাগ মাদ্রাসার মুহাদ্দিস হাফেজ মুফতি যুবায়ের আহমদ, আজিমপুর ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
বক্তারা চামড়ার যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান।
এ অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন মাদ্রাসা মুহতামিম, শিক্ষক, বিভিন্ন মসজিদের খতিব, ইমামসহ ওলামা-মাশায়েখরা অংশগ্রহণ করেন।
#
আবুবকর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/সঞ্জীব/মোশারফ/শামীম/২০২৬/১৯৫৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৬১
বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশনারের বৈঠক
ঢাকা, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পরও শুল্কমুক্ত ও অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখা এবং দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরো সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নিউজিল্যান্ড।
আজ সচিবালয়ে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকে নিউজিল্যান্ডের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেভিড পাইন এ আগ্রহের কথা জানান। বৈঠকে দুইদেশের বাণিজ্য সহযোগিতা আরো জোরদারে বিদ্যমান আঞ্চলিক কাঠামোর কার্যকর ব্যবহার, পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য (এফটিএ) চুক্তির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণকে সফল করতে দ্রুত বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অপরিহার্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট রপ্তানির বড় অংশ তৈরি পোশাক খাতনির্ভর হওয়ায় এ খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যবসা বাণিজ্য সহজীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নিউজিল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা সম্ভাবনাময় খাত সমূহে বিনিয়োগ করে লাভবান হতে পারে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ করুক বা না করুক, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে প্রতি বছর ব্যাপক বিনিয়োগ প্রয়োজন। শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
বৈঠকে ডেভিড পাইন বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাণিজ্যের বহুমুখীকরণ শুধু রপ্তানির ক্ষেত্রেই নয়, আমদানির উৎস বৈচিত্র্যকরণের ক্ষেত্রেও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে উভয় দেশ পারস্পরিকভাবে আরো বেশি সুবিধা অর্জন করতে পারবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের পর যাতে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত ও অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধায় কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়ে নিউজিল্যান্ড বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, নিউজিল্যান্ডের পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে বিশ্বস্ত, উচ্চমানসম্পন্ন, নিরাপদ এবং জিএমও-মুক্ত হিসেবে সুপরিচিত। বাংলাদেশে একটি স্থিতিশীল এবং দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য কাঠামো প্রতিষ্ঠায় নিউজিল্যান্ড আগ্রহী।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
#
কামাল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২০১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৬০
মেঘনার ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- পানিসম্পদ মন্ত্রী
নোয়াখালী, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
নোয়াখালীর সুবর্ণচর ও হাতিয়া অঞ্চলের মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। জনগণের স্বার্থে এবং স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে আগামী অর্থবছর থেকেই ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
আজ নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনকবলিত মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে কাটাখালি বাজার ও আশপাশের এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
ভাঙনের ভয়াবহ চিত্র প্রত্যক্ষ করে মন্ত্রী বলেন, চোখের সামনেই মানুষের বসতভিটা, বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জনগণের পাশে থাকা এবং তাদের জানমাল রক্ষা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা এলাকাটি পরিদর্শনে এসেছি।
বর্ষা মৌসুম ও অতিপ্লাবনের হাত থেকে স্থানীয়দের রক্ষায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সামনে বর্ষা মৌসুম থাকায় ভাঙন প্রতিরোধে আমরা ইতিমধ্যে ‘ইমার্জেন্সি ওয়ার্ক’ হাতে নিয়েছি। এছাড়া আরো দুই-তিনটি পয়েন্টে দ্রুত জরুরি কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নদীর অপর প্রান্তে উড়িরচর, স্বর্ণদ্বীপ ও ভাসানচরসহ পুরো হাতিয়া নদীভাঙন এলাকার দিকে আমাদের বিশেষ নজর রয়েছে। সেখানে অনেকগুলো প্রকল্প চলমান। তবে সুবর্ণচরের এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি স্থায়ী বাঁধের। যেখানে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে আমরা টেকসই বা পার্মানেন্ট কাজের ব্যবস্থা গ্রহণ করব। স্টাডি রিপোর্ট সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী অর্থবছরের মধ্যেই এই স্থায়ী কাজগুলো সমাপ্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
বর্তমান সরকারের তিন মাসের কাজের মূল্যায়ন করে মন্ত্রী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। এই তিন মাসে প্রতিটি সেক্টরে কীভাবে উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে আমরা জনগণের স্বার্থে, জনগণের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার এটিএম মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর চৌধুরী আলো, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ আজাদ। এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
#
নাছির/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/সঞ্জীব/মোশারফ/শামীম/২০২৬/১৯৫৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৫৯
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজধানীতে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস-২০২৬ উদ্যাপিত
ঢাকা, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
“Digital Lifelines: Strengthening Resilience in a Connected World -ডিজিটাল জীবনধারা: সংযোগে স্থিতি, সহনশীলতায় শক্তি” প্রতিপাদ্য সামনে রেখে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে আজ রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বিটিআরসি ভবনের প্রধান সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মোঃ এমদাদ উল বারী বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ কিলোমিটার ফাইবার অপটিক সাবমেরিন ক্যাবল বিস্তৃত রয়েছে, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ৯৯ শতাংশ ডাটা ট্রাফিক সম্পন্ন হয়। তিনি বলেন, ডিজিটাল অবকাঠামোকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সহনশীল করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি স্থানীয় সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী সমাধান তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বর্তমান সরকার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে দেশের প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। তিনি বলেন, এআই, হার্ডওয়্যার, সেমিকন্ডাক্টর, সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা সেন্টার, স্টার্টআপ এবং ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশকে প্রযুক্তি উৎপাদন ও রপ্তানিতে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে সরকার কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশে মোবাইল ফোন সংযোগ ১৮.৮৪ কোটিতে এবং ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ১৩.৩৬ কোটিতে পৌঁছেছে। ৪জি নেটওয়ার্ক দেশের ৯৯ শতাংশ জনগোষ্ঠীর আওতায় এসেছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, বাংলাদেশ মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ২০টি দেশের মধ্যে রয়েছে। তিনি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্বমানের ৫জি এবং দেশব্যাপী ফাইবার অবকাঠামো নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি “এক নাগরিক, এক ওয়ালেট, এক আইডি” এবং জাতীয় ডেটা ব্যাংক গঠনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। সরকারি সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার সম্প্রসারণের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থায় নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তিনি মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপরও তিনি জোর দেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন খুব অল্প সময়েই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। তিনি বিমানবন্দরগুলোতে আধুনিক ডিজিটাল সেবা ও ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।
চলমান পাতা-২
পাতা-২
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় টেলিযোগাযোগ ও ডিজিটাল খাতের বিকাশে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি সেবার মান ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের শীর্ষ ডিজিটাল সেবাদানকারী দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, দুর্যোগের সময়ে একটি মোবাইল বার্তাও একটি জীবন বাঁচাতে পারে। তিনি ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব, সাইবার নিরাপত্তা, পেপারলেস প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্যাটেলাইট ডাটা ও আইওটি প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, ডিজিটাল সংযোগ এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সেবার অন্যতম ভিত্তি। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি, ৫জি, ক্লাউড কম্পিউটিং ও ডেটা প্রযুক্তি আগামী দিনের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে এক ভিডিও বার্তায় আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ)-এর মহাসচিব ডোরিন বোগডান-মার্টিন বলেন, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক এখন মানুষের জন্য জীবনরেখায় পরিণত হয়েছে। তিনি শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনটি বিভাগে দিবসটি উপলক্ষে অনলাইন রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিবসটি উপলক্ষে ছিল বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন, প্রযুক্তিভিত্তিক স্মরণিকা প্রকাশ, রচনা প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে বিষয়ভিত্তিক টকশো। এছাড়া ১৭ ও ১৮ মে দুইদিনব্যাপী বিটিআরসি প্রাঙ্গণে টেলিকম ও প্রযুক্তি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় মোবাইল অপারেটর, মোবাইল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, টাওয়ার কোম্পানি, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার, আইসিএক্স, আইআইজি, বিটিসিএলসহ টেলিকম ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট ৩০টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে।
প্রসঙ্গত, ১৮৬৫ সালের ১৭ মে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (ITU) প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে ১৭ মে “বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস” হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৪টি সদস্য দেশে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতের সরকারি-বেসরকারি অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
#
জসীম/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/সঞ্জীব/শামীম/২০২৬/১৮৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৫৮
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর নিকট শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে চেক হস্তান্তর
ঢাকা, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি প্রতিষ্ঠান বিএসআরএম গ্রুপ অব কোম্পানিজ এবং কাজী ফার্মস লিমিটেডের পক্ষ থেকে মোট ৫ কোটি ৮৭ লক্ষ ৩ হাজার টাকার লভ্যাংশের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ রোববার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর নিকট তাঁর অফিসকক্ষে প্রতিষ্ঠান দুটির পৃথক প্রতিনিধিদল এই অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন।
এর মধ্যে বিএসআরএম গ্রুপ অব কোম্পানিজের পক্ষ থেকে ৩ কোটি ৮ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড থেকে অর্জিত লভ্যাংশের একটি নির্দিষ্ট অংশ এই তহবিলে দেওয়া হয়েছে। বিএসআরএম গ্রুপের মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান মো. রবিউল হুসাইনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মন্ত্রীর নিকট চেকটি হস্তান্তর করেন।
একই দিনে কাজী ফার্মস লিমিটেডের পক্ষ থেকে ২ কোটি ৭৮ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার আরেকটি চেক হস্তান্তর করা হয়। কাজী ফার্মস লিমিটেডের পরিচালক কাজী জাহিন শাহপার হাসানের নেতৃত্বে একটি ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল মন্ত্রীর নিকট শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের অনুকূলে এই চেকটি তুলে দেন।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদার এবং উপসচিব সৈয়দ ইরতিজা আহসানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#
বোরহান/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/সঞ্জীব/শামীম/২০২৬/১৮৩৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৫৭
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে মানবিক সহায়তা প্রদান
রাজবাড়ী, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
চালকের অদক্ষতা, অসচেতনতা, স্বেচ্ছাচারিতা এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের কারণেই দেশে অধিকাংশ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, জনগণের অসচেতনতা এবং একই সড়কে ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের যান চলাচলও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
আজ রাজবাড়ী পৌর মিলনায়তনে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড আয়োজিত ‘সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ ও সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠান’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ রাজবাড়ী সার্কেল।
জেলা প্রশাসক রাজবাড়ী আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও সুধীজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, আজকের এই আয়োজন মূলত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি সংহতি ও সহমর্মিতা প্রকাশের জন্য। এটি আমাদের সামগ্রিক ব্যর্থতা এবং একটি জাতীয় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। তিনি বলেন, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে সংঘটিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন সরকারের হাতে এসেছে এবং প্রতিবেদনে চালকের ত্রুটি ও যানবাহনের সমস্যাকেই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকার বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের আওতায় চালকদের প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চোখ ও রক্তচাপ পরীক্ষা, মাদকাসক্তি শনাক্তকরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। সড়ক নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলমান থাকবে, বলেন তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অসংখ্য পরিবারের কান্না ও দীর্ঘমেয়াদি দুর্ভোগ। তিনি বলেন, সরকার সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং চালক, মালিক, যাত্রীসহ সকলকে আরো সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ সহায়তা কোনো ক্ষতিপূরণ নয়, বরং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বেদনার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশের একটি প্রয়াস। তিনি দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণের জন্য মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতি আহ্বান জানান এবং নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে সংঘটিত বাস দুর্ঘটনাসহ জেলায় বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত মোট ৬২ জনের মধ্যে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
#
নোবেল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/সঞ্জীব/শামীম/২০২৬/১৮৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৫৩
হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৭৪ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৪৩ জন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৪২ হাজার ৯২ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৩৭ হাজার ৭৪৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে ১ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগে ৫ জন মারা যান। গত ১৫ মার্চ
হতে অদ্যাবধি মোট নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৫ এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৮৪ জন।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/সঞ্জীব/শামীম/২০২৬/১৬৩৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৫২
চলচ্চিত্র একটি জাতির সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সমাজজীবনের প্রতিচ্ছবি
-তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, চলচ্চিত্র একটি জাতির সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সমাজজীবনের প্রতিচ্ছবি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের অডিওভিজ্যুয়াল ঐতিহ্য সংরক্ষণে ফিল্ম আর্কাইভের কার্যক্রমকে আরো আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হবে।
আজ বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় আলোচনা অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে অত্যন্ত আন্তরিক। চলচ্চিত্র সংরক্ষণ, ডিজিটাইজেশন এবং গবেষণাভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে তিনি বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভকে আরো সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যানদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পী, গবেষক, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিসেবীরা উপস্থিত ছিলেন ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ঐতিহ্য সংরক্ষণে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
#
ইমরানুল/কুতুব/মিতু/আতিক/সাঈদা/কনক/কামাল/২০২৬/১৫৩৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৫১
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবার উদ্বোধন
ঢাকা, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ্ আফরোজা খানম। এসময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ উপস্থিত ছিলেন।
এ সম্পর্কিত প্রেস ব্রিফিংয়ে আফরোজা খানম বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত ‘সবার জন্য দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট’ প্রতিশ্রুতির আলোকে বিমানবন্দরের সাধারণ যাত্রীদের জন্য উন্নতমানের ডিজিটাল সেবা প্রদান করছে। আশা করছি আমরা থার্ড টার্মিনালও দ্রুত উদ্বোধন করতে সক্ষম হবো এবং সেটা হবে আমাদের জন্য গুরুত্বপুর্ণ মাইলফলক।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, একসঙ্গে ৩৭ হাজারের বেশি যাত্রী এই ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করতে সক্ষম হবে। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টাকে তাঁর এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য যে, বিমানবন্দরের প্রায় ৯৪,০০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে এই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক বিস্তৃত। এর আওতায় রয়েছে-টার্মিনাল ১, টার্মিনাল ২, ডোমেস্টিক টার্মিনাল, ভিআইপি টার্মিনাল, ভিভিআইপি টার্মিনাল এবং কার পার্কিং এলাকা। এই বিস্তৃত কভারেজের ফলে বিমানবন্দরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ অংশেই যাত্রীরা বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। সেবাটির জন্য আধুনিক নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে-২৫০টি অ্যাক্সেস পয়েন্ট (Access Points/APs), ৪৮ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ও ইথারনেট কেবল স্থাপন, এবং ৩৭টি অ্যাক্সেস সুইচ। এই শক্তিশালী প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর মাধ্যমে বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থানে দ্রুত ও স্থিতিশীল ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিটি অ্যাক্সেস পয়েন্ট একসাথে সর্বোচ্চ ১৫০ জন ব্যবহারকারীকে সেবা দিতে সক্ষম। সে অনুযায়ী ২৫০টিঅ্যাক্সেস পয়েন্ট (AP) ব্যবহার করে একই সময়ে প্রায় ৩৭,৫০০ জন ব্যবহারকারী ইন্টারনেট সংযোগ গ্রহণ করতে পারবেন। সম্পূর্ণ সিস্টেমটি সর্বোচ্চ ৪০ Gbps ব্যান্ডউইথ ক্ষমতা নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে, যা পুরো কভারেজ এলাকাজুড়ে দ্রুতগতির ও স্থিতিশীল ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করবে।
#
তরিকুল/কুতুব/মিতু/আতিক/সাঈদা/কনক/কামাল/২০২৬/১৫২৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৪৭
১৭ বছরের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ভেঙে সত্য ইতিহাস তুলে ধরতে হবে
-ভূমি প্রতিমন্ত্রী
চট্টগ্রাম, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
বাংলাদেশি জাতীয়াতাবাদী আদর্শ দেশের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ ও পন্থা বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেছেন, দেশের যেকোনো ক্রান্তিকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারই সবসময় দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ১৭ বছর ধরে যে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ও ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছে, তা রুখে দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে সত্য ইতিহাস তুলে ধরতে হবে।
গতকাল চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি (পিআরইউ)-এর উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও শহীদ জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, যদি দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হয় তাহলে বাংলাদেশি জাতীয়াতাবাদের কোনো বিকল্প নেই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু বাংলাদেশের আত্মিক স্বাধীনতা দেননি, তিনি বাক-স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক ও সার্বভৌমত্বের স্বাধীনতা ফেরত দিয়েছেন। আজকের অর্থনীতির তিনটি প্রধান স্তম্ভ- কৃষি, গার্মেন্টস এবং শ্রম রপ্তানি খাতের মূল প্রবক্তাই হলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন আরো বলেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের মহান নেত্রী মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোনোদিন অন্যায়ের সাথে আপস করেননি। লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে থেকে তাঁরা জনগণের অধিকার আদায়ে ভূমিকা রেখেছেন বলেই দেশবিরোধী শত ষড়যন্ত্রের পরেও দেশের মানুষ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিএনপিকে নির্বাচিত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। জেল হত্যা মামলার উদাহরণ টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩রা নভেম্বর থেকে গৃহবন্দী থাকা সত্ত্বেও শহীদ জিয়াকে এই মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আসামি করা হয়েছিল। এই ধরনের মিথ্যাচার থেকে তরুণ প্রজন্মকে বাঁচাতে পিআরইউ-এর মতো আরো বেশি সংগঠন দরকার যারা সত্য ইতিহাস তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে পিআরইউ-এর আহ্বায়ক হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ইমরান এমির পরিচালনায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী অতিথিদের সাথে নিয়ে পিআরইউ সদস্য জহিরুল ইসলাম জহিরের ‘অনন্য রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।
এর আগে গতকাল নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজীব আহসান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে সাথে নিয়ে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে চলমান মহেশখালসহ কয়েকটি খালের ড্রেজিং কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীগণ খালের বিদ্যমান ড্রেজিং কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীমুখ ভরাটের কারণে চট্টগ্রাম নগরীতে যেন কোনো প্রকার জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেন।
#
রেজোয়ান/কুতুব/আতিক/সাঈদা/কনক/কামাল/২০২৬/১০৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৪৬
লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণে জাসাসকে আরো সক্রিয় হওয়ার আহ্বান টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর
ঢাকা, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, দেশের লোকসংস্কৃতি, শিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে জাসাসকে আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
গতকাল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট গীতিকার ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন (জাসাস)-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি লোকমান হোসেন ফকির স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, লোকমান হোসেন ফকির শুধু একজন শিল্পী নন, তিনি ছিলেন দেশের লোকসংগীত ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। তাঁর গান ও সৃষ্টিকর্ম আজও মানুষের হৃদয়ে স্থান করে আছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালে ‘চরিত্রহীন’ চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনার জন্য লোকমান হোসেন ফকির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করেন এবং তাঁর পরিবেশিত লোকগান আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রশংসিত হয়।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, দেশের গ্রামগঞ্জে হারিয়ে যেতে বসা লোকসংস্কৃতি ও লোকগান নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে জাসাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, লোকমান হোসেন ফকির কেবল একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই নন, তিনি ছিলেন সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক। তাঁর জীবন ও কর্ম আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
জাসাস কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আহ্বায়ক হেলাল খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আসরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল এবং সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইদ সোহরাব আলোচনায় অংশ নেন।
#
জসীম/কুতুব/আতিক/সাঈদা/কনক/আসমা/২০২৬/১১০০ ঘণ্টা