কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬ এ ০৯:৫৫ PM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৬-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৬-০৫-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৪৫
২ মাসের মধ্যে দেওয়া হবে প্রবাসী কার্ড
- প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী
সিলেট, ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে):
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, প্রবাসীদের কল্যাণে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ‘প্রবাসী কার্ড’ আগামী ২ মাসের মধ্যে প্রদান করা হবে। তিনি সিলেটের উন্নয়ন ও বিশ্বায়নে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স এবং বিনিয়োগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।
সিলেটের অফুরন্ত সম্ভাবনাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসী সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে আজ সিলেটের ‘গ্র্যান্ড সিলেট’-এ ‘গ্লোবালাইজিং সিলেট’ শীর্ষক এক সেমিনারে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের বিনিয়োগ নিরাপদ ও সহজ করতে সরকার বিশেষ আবাসন ও বিনিয়োগ সহায়তা প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। আমাদের দেশে জমি কমে যাচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে প্লটভিত্তিক প্রকল্পের বদলে এপার্টমেন্টভিত্তিক বিভিন্ন নাগরিক সুযোগ-সুবিধাসহ আধুনিক আবাসন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে শুধু প্রবাসীরাই বরাদ্দ পাবেন এবং প্রবাসীদের জন্য এপার্টমেন্টভিত্তিক এই আধুনিক আবাসন প্রকল্প সিলেট থেকেই শুরু হতে পারে। তিনি আরো বলেন, প্রবাসীদের নতুন প্রজন্মকে দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতেই এ ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেন মাতৃভূমিকে ভুলে না যায়, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তারা দেশে এলে বিনিয়োগও করবে, পারিবারিক বন্ধনও শক্ত হবে।
সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধুনিকায়ন ও সেবা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য আলাদা লাউঞ্জ নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এছাড়া ইমিগ্রেশন এলাকায় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ডাক্তার, নার্স ও মেডিকেল সুবিধাসহ একটি মেডিকেল ইউনিট চালুর কাজ চলছে। গুরুতর অসুস্থ প্রবাসীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার জন্য বিমানবন্দরে স্থায়ী অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। একই সঙ্গে বিদেশে মারা যাওয়া প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে এনে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও সরকার চালু করেছে।
সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
#
শরীফুল/শাহাদাত/মোশারফ/শামীম/২০২৬/২১৫৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৪৪
চামড়া দেশের রপ্তানি খাতের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত
-- শিল্পমন্ত্রী
সাভার (সাভার), ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে):
শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, চামড়া দেশের রপ্তানি খাতের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত। কিন্তু হাজারীবাগ থেকে যেভাবে ট্যানারি শিল্পকে সাভারে স্থানান্তর করা হয়েছে, সেটি ছিল অপরিকল্পিত ও অবহেলাপূর্ণ। ফলে এই শিল্প তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। বিগত বছরগুলোতে এই খাতকে কার্যত নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। অথচ সারা বছর দেশে যে পরিমাণ চামড়া সংগ্রহ করা হয়, তার পুরোটা সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানি করা গেলে ১২ বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব।
মন্ত্রী আজ সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধরা এলাকায় চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি বিসিক কার্যালয়ে ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন।
মন্ত্রী বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে অতিরিক্ত বর্জ্যের চাপ মোকাবিলায় সাভারের চামড়া শিল্প নগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি) বর্তমান সক্ষমতায় যথেষ্ট নয়।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে সিইটিপিতে প্রি-ট্রিটমেন্টের মান বজায় রেখে প্রতিদিন ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার সিপিএম বর্জ্য পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে। তবে ঈদ মৌসুমে ট্যানারিগুলোতে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় বর্জ্যের চাপও অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। সে সময় দৈনিক বর্জ্য পরিশোধনের চাহিদা প্রায় ৪৫ হাজার সিপিএমে পৌঁছে যায়। ফলে বিদ্যমান সিইটিপির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয় এবং কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তিনি বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ট্যানারি শিল্পে উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু সেই বাড়তি উৎপাদনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে যেসব ট্যানারি প্রতিষ্ঠান আর্থিক ও কারিগরি দিক থেকে সক্ষম, তাদের নিজস্ব ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপনে উৎসাহিত করা হবে। এতে কেন্দ্রীয় ইটিপির ওপর চাপ কমবে এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ আরও কার্যকর হবে। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রয়োজন হলে সরকার নীতিগত ও কারিগরি সহায়তা দেবে। ট্যানারি শিল্পের পরিবেশগত সংকট নিরসনে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে শিল্পমন্ত্রী বলেন, সিইটিপির সব ধরনের প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনাগত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে। একই সঙ্গে পরিবেশসম্মত ট্যানারি শিল্প গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান ।
মতবিনিময় সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিসিক কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন ট্যানারি মালিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
#
এনায়েত/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৯৫০ ঘণ্টা
Handout Number: 3943
Government Implementing Integrated Action Plan to
Build a Modern, Investment-Friendly and Future-Ready Telecom Sector
— Posts & Telecommunications Minister
Dhaka, May 16:
Minister for Posts, Telecommunications, Information Technology and Science & Technology, Faqir Mahbub Anam, has said that the present government is implementing an integrated action plan to transform the country’s telecom sector into a modern, investment-friendly and future-ready industry.
He stated that the government is prioritizing the expansion of high-speed internet and technology services to remote areas in order to bridge the digital divide. Establishing free Wi-Fi zones across different regions of the country, expanding telecom infrastructure and creating technology-based employment opportunities are among the government’s key objectives.
The Minister made these remarks today while addressing as Chief Guest a roundtable discussion titled ‘Future of the Telecom Sector: What the New Government is Thinking’, organized by the Telecom and Technology Reporters Network Bangladesh at InterContinental Dhaka.
The Minister said the government is working to ensure policy stability, technological innovation and an investment-friendly environment in the telecom sector. Public-private partnerships will be further strengthened to expand 5G, Artificial Intelligence (AI), Internet of Things (IoT) and cloud-based services. At the same time, initiatives have been taken to modernize state-owned institutions in order to improve service quality and establish customer-friendly systems.
He further said that special emphasis is being placed on digital skill development, innovation and the startup ecosystem to transform the country’s young population into a skilled workforce. In addition, long-term infrastructure development plans have been adopted to ensure reliable internet connectivity and wider digital services in rural areas.
Reaffirming the government’s commitment to transparency and accountability in the telecom sector, the Minister said the government is working with utmost importance to extend 5G and Artificial Intelligence to the grassroots level. He also stated that the government remains committed to controlling corruption in the sector and aims to create one million jobs in the ICT sector over the next five years.
Speaking as Special Guest, Prime Minister’s Adviser Rehan Asif Asad said that the ICT sector’s contribution to the country’s GDP has the potential to increase to 10 to 15 percent in the future. He added that the government is working to establish investment-friendly policies, a stable tax structure and technology-driven infrastructure.
The Adviser further said that the government’s objective is not limited to generating revenue from spectrum alone; rather, it aims to build a strong digital ecosystem. Affordable smartphones, 5G, data centers, AI and cybersecurity are being given the highest priority.
He also remarked that Artificial Intelligence has created significant opportunities for Bangladesh and that, with the right policies and infrastructure, the technology sector can play a vital role in boosting economic growth, export earnings and foreign investment.
The keynote discussion was presented by Major General (Retd.) Emdad Ul Bari, Chairman of the Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission. The keynote paper was presented by Sahid Alam, Head of Regulatory and Corporate Affairs of Robi Axiata Limited.
Among others participating in the discussion were Lt. Col. (Retd.) Mohammad Zulfikar, Secretary General of Association of Mobile Telecom Operators of Bangladesh; Nurul Kabir, Chief Executive Officer of the Foreign Investors’ Chamber of Commerce and Industry; Khaled Abu Naser, former Director of the Bangladesh Competition Commission; Nurul Mabud Chowdhury, Managing Director of Teletalk Bangladesh Limited; Taimur Rahman, Head of Regulatory and Corporate Affairs of Banglalink; and Dr. Lutfa Akter, Professor at Bangladesh University of Engineering and Technology and telecom expert.
The welcome address was delivered by Masuduzzaman Robi, General Secretary of TRNB. The roundtable discussion was chaired and moderated by Samir Kumar Dey, President of TRNB.
#
Zasim/Sahadat/Ferdows/Sanjib/Konok/Salim/2026/2010 Hours
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৪২
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বসে থাকলে হবে না, আয়বর্ধক কাজ করতে হবে
- শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
সিলেট, ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে):
ফ্যামিলি কার্ড ও অন্যান্য কার্ডের ভাতার ওপর নির্ভর করে বসে থাকলে হবে না, কৃষিকাজ, হাঁস-মুরগি, গরুর খামারের মতো অন্যান্য আয়বর্ধক কাজ করে জীবনমান উন্নত করতে হবে। প্রত্যেকের দুটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তর করে উৎপাদনমুখী কাজ করতে হবে।
আজ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা মিলনায়তনে ২য় পর্যায়ের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপজেলার নিজপাঠ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ৪৬৫ জন নারীকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়। এ অনুষ্ঠানকে চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের সাথে অনলাইনে সংযুক্ত করা হয়।
মন্ত্রী কৃষক কার্ড, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ, স্কুলের শিক্ষাভাতা, ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণসহ সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সুযোগ সুবিধা প্রবাসী কার্ড বিতরণ শুরু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এর পূর্বে শ্রমমন্ত্রী গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল কলেজে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি কলেজের মাঠ উন্নয়ন এবং সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য তিনি গোয়াইনঘাটে একটি ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার আশ্বাস দেন। এ প্রতিষ্ঠানে কর্মমুখী শিক্ষার পাশাপাশি জাপানি, কোরিয়ান, আরবি ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণ চালুর পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী। পরে তিনি একই উপজেলার পিয়াইন নাতারখাল ইস্তি ব্রিজ হতে সাকেরপকের খাল ভরাং পর্যন্ত পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।
#
বোরহান/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/মোশারফ/কনক/শামীম/২০২৬/২০৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৩৯
নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়তে আধুনিক শিক্ষার বিকল্প নেই
-- মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
রাঙ্গামাটি, ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে):
আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত জাপানি শিক্ষা পদ্ধতি ‘কুমন’ প্রশিক্ষণের যাত্রা রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে। এমইউএফজি ব্যাংক লিমিটেডের সহায়তায় ব্র্যাক কুমন লিমিটেড ও মোনোঘরের যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্ত্বা জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৪০ জন শিক্ষার্থী গণিত বিষয়ে ‘কুমন’ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।
আজ রাঙ্গামাটির রাঙ্গাপানি মোনোঘর আবাসিক বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কুমন লার্নিং সেন্টার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
মন্ত্রী বলেন, নতুন প্রজন্মকে দক্ষ, আত্মনির্ভরশীল ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে যোগ্য করে গড়ে তুলতে আধুনিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। পার্বত্য অঞ্চলের অবহেলিত ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এই ধরনের আধুনিক উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ শীঘ্রই পুনঃগঠন করা হবে। পুরো বিষয়টি এখন প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। এটি একটি বড় এবং জটিল প্রক্রিয়া, তাই এখানে কোনো প্রকার ভুল হতে দেওয়া যাবে না। তবে পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন আইনের বিধান মেনেই সকল জাতিসত্ত্বার সদস্যসহ সব জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করে এই জেলা পরিষদগুলো গঠন করা হবে। অচিরেই তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠনের বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
মোনোঘরের সভাপতি উদয় শংকর মহাথের-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক কুমন লিমিটেডের চিফ বিজনেস অফিসার নেহাল বিন হাসান, এমইউএফজি ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর কিমুরা কেঞ্জি, ভাইস প্রেসিডেন্ট গোলাম কিবরিয়া, মোনঘরের মহাসচিব কীর্তি শিখান চাকমা এবং জাইকা বাংলাদেশ অফিসের স্পেশাল অ্যাডভাইজার কিয়োকো আমাদা।
#
রেজুয়ান/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৭৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৩৮
প্রান্তিক মানুষের ভাগ্য বদলাতে গ্রাম থেকেই কাজ শুরু করেছে সরকার
-- সংস্কৃতি মন্ত্রী
মাগুরা, ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে):
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, একটি জাতিকে ধ্বংস করতে হলে প্রথমে ধ্বংস করতে হয় তার শিক্ষা ব্যবস্থা, ইতিহাসচেতনা, সংস্কৃতি ও নৈতিক ভিত্তিকে। পূর্ববর্তী শাসকগোষ্ঠী শিক্ষাকে মেধাভিত্তিক না রেখে রাজনৈতিক আনুগত্যের হাতিয়ারে পরিণত করেছিল, ইতিহাস বিকৃত করেছিল এবং জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। সেই বৈষম্যমূলক, মেধাবিনাশী ও চক্রান্তমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে জাতিকে মুক্ত করাই বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার।
আজ মাগুরার ঐতিহ্যবাহী নাজির আহমেদ কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
দেশের উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাজ শুরু করেছে। মাত্র তিন মাসের মধ্যেই প্রশাসনিক সংস্কার, অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। জনগণের শক্তিই আমাদের সাহস, জনগণের প্রত্যাশাই আমাদের পথচলার প্রেরণা।
শিক্ষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে। তবে একইসঙ্গে শিক্ষকদেরও জ্ঞানচর্চায় আরো মনোযোগী হতে হবে, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠদান করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, সুযোগ ও সঠিক নেতৃত্ব পেলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও বিশ্বমানের মেধা হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। তিনি দক্ষিণ মাগুরার ঐতিহ্যবাহী নাজির আহমেদ কলেজের উন্নয়ন ও পর্যায়ক্রমে সরকারিকরণের উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি কলেজে ছাত্রীদের জন্য চার তলাবিশিষ্ট একটি আধুনিক মহিলা হোস্টেল নির্মাণের ঘোষণাও দেন।
কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি প্রসঙ্গে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গ্রামীণ উন্নয়ন, খাল খনন, কৃষি কার্ড ও স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণসহ জনকল্যাণমূলক নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। একই সঙ্গে দেশের বিত্তবান ও প্রবাসীদের নিজ নিজ এলাকার উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খান, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলী, মাগুরা জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক এমবি বাকের এবং মাগুরা জেলা পরিষদের প্রশাসক আলী আহমেদ। এছাড়া জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
#
শাকিলুজ্জামান/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৭৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৩৭
হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে):
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল শুক্রবার সকাল আটটা থেকে আজ শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৬১ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০৮ জন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৪১ হাজার ২৮ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৩৬ হাজার ৬৪৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে কারো মৃত্যু হয়নি, তবে সন্দেহজনক হাম রোগে দুই জন মারা যান। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪ এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৭৯ জন।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
#
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/কুতুব/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১৫২০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৩৬
টেক্সটাইল খাতের টেকসই রূপান্তরে পণ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে
-বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী
ঢাকা, ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে):
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে হলে টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা, উদ্ভাবন, গবেষণা এবং পণ্য বৈচিত্র্যের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, সাস্টেইনেবিলিটি এখন আর কেবল একটি স্লোগান নয়; এটি শিল্পের অস্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ টিকে থাকার অপরিহার্য শর্ত।
আজ রাজধানীর Le Méridien Dhaka-এ অনুষ্ঠিত “Grand Launching Event of Textile Innovation Exchange” শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সীমিত। তাই শিল্পে শক্তি সাশ্রয়, পানি পুনঃব্যবহার, সার্কুলার উৎপাদন ব্যবস্থা এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিটি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশের তৈরি পোশাক শিল্প গত কয়েক দশকে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করলেও এখনো রপ্তানি মূলত সীমিত কিছু পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। স্পোর্টসওয়্যার, ম্যান-মেড ফাইবারভিত্তিক পোশাক, টেকনিক্যাল টেক্সটাইলসহ উচ্চমূল্য সংযোজিত পণ্যে দ্রুত অগ্রসর হতে না পারলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা কঠিন হবে।
তিনি বলেন, European Union-এর বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে এবং সম্ভাব্য এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে পণ্যের বহুমুখীকরণ ও নতুন বাজার অনুসন্ধানে আরো সক্রিয় হতে হবে। একই সঙ্গে গবেষণা, নকশা উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাসে টেক্সটাইল খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কম পুঁজিতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে এ খাত দেশের শিল্পায়ন ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। সঠিক পরিকল্পনা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে এ খাতের সম্ভাবনার দিগন্ত এখনও অনেক প্রসারিত।
সরকারের বন্ধ শিল্পকারখানা পুনঃব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরোনো যন্ত্রপাতি অপরিবর্তিত রেখে অকার্যকর কারখানায় অর্থ ব্যয় করা হবে না। বরং শিল্পভেদে উপযোগী সমাধানের মাধ্যমে কোথাও শিল্পপার্ক গড়ে তোলা হবে, কোথাও পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) অথবা লিজের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা হবে। এ প্রক্রিয়ায় বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, চামড়া, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, শিপবিল্ডিংসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করা হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা এবং উদ্যোক্তাদের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দেশের টেক্সটাইল শিল্প আরও আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে। এ ধরনের উদ্যোগে সরকার সবসময় পাশে থাকবে।
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. জুলহাস উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এনামুল হক খান, প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার আইউব নবী খান, মো. আব্দুল হামিদ এবং ইঞ্জিনিয়ার মো. এনায়েত হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ইঞ্জিনিয়ার মো. শামসুজ্জামান। এছাড়া বক্তব্য দেন ড. মো. হাসিব উদ্দিন এবং তারেক আমিন। অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য দেন ইঞ্জিনিয়ার এহসানুল করিম কায়ছার।
পরে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ইনোভেশন টেক্সটাইল এক্সচেঞ্জ প্লাটফর্ম এর উদ্বোধন করেন এবং বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
#
কামাল/কুতুব/আতিক/আলী/জোহরা/২০২৬/১৪১৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৩৫
সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার মৃত্যুতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোক
ঢাকা, ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে):
সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এবং দেশের ঔষধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান সিনহার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।
আজ এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, গতকাল রাতে (শুক্রবার) সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজানুর রহমান সিনহা মৃত্যুবরণ করেন।
#
মাহমুদুল/ কুতুব/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১৪৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৩৪
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন ইতিহাস সৃষ্টির জন্য জন্ম নেওয়া এক মহান নেতা
-ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
চট্টগ্রাম, ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে):
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন ইতিহাস সৃষ্টির জন্য জন্ম নেওয়া এক মহান নেতা। বাংলাদেশের প্রতি তাঁর মমত্ববোধ, সততা এবং দেশপ্রেম চিরকাল প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তিনি শুধু একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ঘোষণা দিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং যুদ্ধবিধ্বস্ত এক জাতিকে পুর্নগঠন করে আধুনিক বাংলাদেশের শক্ত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তাঁর জীবন ও আদর্শ ছিল সম্পূর্ণভাবে দেশ ও মানুষের কল্যাণে উৎসর্গীকৃত।
গতকাল চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী সরাইপাড়া ওয়ার্ডের হাজী ক্যাম্প এলাকায় আয়োজিত এক জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে পাহাড়তলী, খুলশী, আকবর শাহ, হালিশহর ও ডবলমুরিং থানা যুবদল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি আমাদের শিখিয়েছেন-‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ’। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সাথে তাঁর যে আত্মিক টান ছিল, তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দেশকে স্বনির্ভর করা এবং ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’-এর কালজয়ী দর্শন উপহার দিয়ে আমাদের আত্মপরিচয় সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তাঁর আদর্শকে বাস্তবায়ন করতে এবং অসমাপ্ত স্বপ্নপূরণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক অভূতপূর্ব ও দুর্বার গতিতে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিনের সভাপতিত্বে এবং মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ফজলুল হক সুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের পদস্থ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্য শেষে প্রতিমন্ত্রী অসহায় ও দুস্থ মানুষের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন এবং গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
#
রেজুয়ান/কুতুব/আতিক/আলী/জোহরা/২০২৬/১৩২৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৩৩
জাতীয় ঐকমত্য ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চলচ্চিত্র শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নেওয়া হবে
- তথ্যমন্ত্রী
ঢাকা, ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে):
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্য ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চলচ্চিত্র শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নেওয়া হবে। তিনি বলেন, সরকার রাষ্ট্র ও সমাজকে নতুনভাবে মেরামত করতে চায় এবং সেই লক্ষ্যেই চলচ্চিত্রসহ সৃজনশীল খাতকে জাতীয় উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ মিলনায়তনে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিস ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্রসহ সৃজনশীল শিল্প সভ্যতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘সফট পাওয়ার’ এবং এ শক্তিকে সমৃদ্ধ করার দায়িত্ব শিল্পী, নির্মাতা ও সৃজনশীল ব্যক্তিদের। তিনি বলেন, সরকার চলচ্চিত্র শিল্পের প্রতিটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে চায়। নীতি নির্ধারণে বিশেষজ্ঞদের সাথে কার্যকর সংযোগ ছাড়া উচ্চমানের সৃজনশীল উৎপাদন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
চলচ্চিত্র খাতের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নবগঠিত চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড ও জুরি বোর্ডকে চলচ্চিত্র অঙ্গনের সর্বস্তরের মানুষ স্বাগত জানিয়েছে, যা সরকারের জন্য একটি বড় নৈতিক শক্তি। তিনি জানান, অতীতে এসব বোর্ড গঠন নিয়ে নানা বিতর্ক থাকলেও এবার কোনো বিতর্ক ছাড়াই সংশ্লিষ্টরা নতুন বোর্ডকে সমর্থন জানিয়েছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন জানান, আগামী অর্থবছরের বাজেটে চলচ্চিত্রে অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অনুদান দ্রুত ছাড় ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণ শেষ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম বড় সংকট হিসেবে সিনেমা হলের সংখ্যা কমে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, একক সিনেমা হলগুলো টিকিয়ে রাখা ও আধুনিকায়নের জন্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে শিল্প সমালোচক ও চলচ্চিত্র বোদ্ধা মঈনুদ্দিন খালেদকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিস এর সভাপতি ড. জহিরুল ইসলাম কচি ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ এর মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।
#
ইমরানুল/কুতুব/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১৩৪৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৩২
বাংলাদেশ ও নেপালের বন্ধুত্বকে আরো সুদৃঢ় করবে ‘নেপাল উৎসব’
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী
ঢাকা, ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে):
বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধনকে আরো গভীর করার লক্ষ্যে গতকাল ঢাকায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নেপাল উৎসব ২০২৬’। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের উদ্বোধন করেন। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারী (Ghanshyam Bhandari) এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন) বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের সম্পর্ক কেবল কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ নয়; এটি দু’দেশের জনগণের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের গভীর বন্ধনে আবদ্ধ। ভৌগোলিক সীমারেখা আলাদা হলেও আমাদের সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও আতিথেয়তার চেতনা আমাদেরকে এক অভিন্ন বন্ধনে যুক্ত করেছে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান বিশ্বে বিভাজন ও অসহিষ্ণুতার নানা বাস্তবতার বিপরীতে সংস্কৃতিই হতে পারে শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবিক সংযোগের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। বৈচিত্র্য কখনো বিভেদের কারণ নয়; বরং তা সৌন্দর্য, সৃজনশীলতা এবং ঐক্যের এক অনন্য শক্তি। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আয়োজন দু’দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্বকে আরো সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
নেপালের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পাহাড়-পর্বতময় ভূপ্রকৃতির প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবসময় নেপালের সাথে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মূল্যায়ন করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে সংস্কৃতি, পর্যটন, শিক্ষা, যুব বিনিময় এবং আঞ্চলিক কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে দু’দেশের সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত হবে।
ঢাকাস্থ নেপাল দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবের জন্য বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারী (Ghanshyam Bhandari)-কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান সংস্কৃতি মন্ত্রী। একই সঙ্গে উৎসব সফল করতে সংশ্লিষ্ট দু’দেশের শিল্পী, পারফর্মার, শেফ ও আয়োজকদের অভিনন্দন জানান তিনি।
তিনি বলেন, এ উৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ নেপালের ঐতিহ্যবাহী রন্ধনশিল্প, সংগীত, নৃত্য ও বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন, যা দু’দেশের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
এ অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি উৎসবের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন।
#
শাকিলুজ্জামান/কুতুব/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/৯.৩০ ঘণ্টা