কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ এ ১০:১১ PM

Handout 16 April 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৬-০৪-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৬-০৪-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৭৮

টাঙ্গাইল জেলার প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক কবির হোসেন সরকারি নিয়মেই পেয়েছেন কৃষক কার্ড

ঢাকা, ৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল):

টাঙ্গাইল জেলার শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ১৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার প্রান্তিক কৃষক কবির হোসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে ‘কৃষক কার্ড’ গ্রহণ করেন এবং এ উপলক্ষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। কিন্তু ‘কৃষক কার্ড’ গ্রহণের পর থেকেই তাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তৈরি ডিপফেইক ছবি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও নেতিবাচক তথ্য প্রচার করা শুরু হয়, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ কৃষি মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে।

মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক মো. ওবায়েদুর রহমান মন্ডলের নেতৃত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে এক কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকও এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তিন ধাপে যাচাই-বাছাই করে যথাযথভাবে কৃষক নির্ধারণ করা হয়েছে- উভয় কমিটির তদন্তে এ বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দু’টিতে টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ কৃষি ব্লকের অন্তর্গত উত্তর তারূটিয়া গ্রামের বাসিন্দা কবির হোসেন (পিতাঃ মোঃ আবু সাইদ তালুকদার) একজন প্রান্তিক কৃষক ও বর্গাচাষী হিসেবে প্রমাণিত হয়। তার নিজস্ব জমির পরিমাণ ১৩ শতাংশ এবং চলতি বছর তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬০ শতক জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করেছেন।

কবির হোসেন একজন প্রকৃত কৃষক এবং সরকারি নিয়ম অনুসরণ করেই তিনি ‘কৃষক কার্ড’ পেয়েছেন বলে তদন্ত কমিটি নিশ্চিত করেছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় মনে করে সরকারের উন্নয়নমূলক যুগান্তকারী পদক্ষেপ ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমকে ব্যাহত করার হীন উদ্দেশ্যে একটি গোষ্ঠী অপপ্রচার চালিয়েছে। এ বিষয়ে সর্বস্তরের জনসাধারণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

#

জাকির/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/সঞ্জীব/সেলিম/২০২৬/২২০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৭৫

সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, ইইউ রাষ্ট্রদূত এবং

ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিদের পৃথক সাক্ষাৎ

ঢাকা, ৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল):

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেনের সাথে আজ ঢাকায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T Christensen, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত Michael Miller এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক্সপার্ট মিশনের সদস্য Matthew David Carter এর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেছেন।

মন্ত্রীর সাথে প্রতিনিধিবর্গের সাক্ষাৎকালে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ, নারী ও শিশুর উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং মানবিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T Christensen এর সাক্ষাতে মন্ত্রী বাংলাদেশের সামাজিক কল্যাণ খাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সহায়তা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার শিশু ও নারীদের বিরুদ্ধে সকল প্রকার সহিংসতার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এসব ক্ষেত্রে আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত Michael Miller ও প্রতিনিধিদের সাক্ষাতে মন্ত্রী বলেন, সরকার নারী ও শিশুদের ক্ষমতায়ন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং সমাজের অসহায়-দুস্থ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। তিনি ইইউ’র সাথে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ, বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তা সৃজন, শিশু সুরক্ষা প্রকল্প এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক্সপার্ট মিশনের সদস্য Matthew David Carter ও প্রতিনিধিদলের সাক্ষাতে মন্ত্রী বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ঐতিহ্য তুলে ধরে সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু উন্নয়ন খাতে যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে মিলে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে কাজ করছে। জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিকে আরো গতিশীল করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নারী ও শিশুদের অধিকার সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং দুস্থ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করি। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে এ ধরনের সাক্ষাৎ আমাদের প্রচেষ্টাকে আরো শক্তিশালী করবে।

প্রতিনিধিরা মন্ত্রীর সাথে আলোচনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগে তাদের দেশের সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। এছাড়া সাক্ষাতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিবৃন্দ ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ডসহ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা, শিশু নিরাপত্তা ও নারী অধিকার সংরক্ষণ, চলমান সকল উন্নয়ন কার্যক্রমের সার্বিক আর্থিক সহায়তা প্রদানে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

#

রফিকুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/শাহাদাত/সঞ্জীব/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/২০০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৭৩

১৭ এপ্রিল হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

হজের প্রথম ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল

ঢাকা, ৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল):

সৌদি সরকার ঘোষিত হজ ব্যবস্থাপনার রোডম্যাপ অনুসারে ১৮ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু হবে। ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এবছর বাংলাদেশ থেকে হজের উদ্বোধনী ফ্লাইটটি ১৮ এপ্রিল রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এ দিন মোট ১৪টি ফ্লাইট রয়েছে যার মধ্যে ছয়টি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, চারটি সৌদি আরবের সাউদিয়া ও চারটি ফ্লাইনাস পরিবহন করবে।

২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করবেন। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমে ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালনের জন্য যাবেন।

সৌদি আরবের সাথে স্বাক্ষরিত হজচুক্তি অনুসারে মোট হজযাত্রীর শতকরা ৫০ ভাগ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিবহন করবে। বাকি ৫০ ভাগের মধ্যে সৌদি আরবের সাউদিয়া শতকরা ৩৫ ভাগ ও ফ্লাইনাস ১৫ ভাগ হজযাত্রী পরিবহন করবে।

প্রি-হজ ফ্লাইট ২০৭টি যার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০২টি, সাউদিয়ার ৭৫টি ও ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। ২১ মে প্রি-হজ ফ্লাইট শেষ হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ মে ২০২৬ পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।

হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে হতে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে এবং তা ১ জুলাই শেষ হবে।

#

আবুবকর/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৬৩৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৭২

শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে ট্রান্সকম গ্রুপের ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার চেক প্রদান

ঢাকা, ৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল):

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৭৪ হাজার ৮৬ টাকা জমা দিয়েছে ট্রান্সকম গ্রুপ। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর নিকট আজ মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক এম সাব্বির আলীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল এই চেক হস্তান্তর করেন।

ট্রান্সকম গ্রুপের ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড থেকে অর্জিত লভ্যাংশের একটি নির্দিষ্ট অংশ এই তহবিলে প্রদান করা হয়।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ আবদুছ সামাদ আল আজাদ এবং উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

বোরহান/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৬৫৫ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৭০

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

সাংস্কৃতিক বিনিময় ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান

ঢাকা, ৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল):

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সাথে আজ সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত Antonio Alessandro সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা দু’দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন। ১৯৯১ সালের ১৩ অক্টোবর স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক চুক্তির কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, এ চুক্তিটি দু’দেশের দীর্ঘস্থায়ী সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্বের মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছিল।

মন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতি হলো বিভিন্ন দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সেতুবন্ধন রচনার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম। শিল্পী, সংগীতশিল্পী ও কারুশিল্পীদের বিনিময়ের মাধ্যমে এ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করা প্রয়োজন। বৈঠকে পুরাকীর্তি সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার এবং আধুনিক জাদুঘর ব্যবস্থাপনায় ইতালির কারিগরি সহযোগিতার প্রস্তাব এবং ভাষা প্রশিক্ষণ ও ঢাকায় আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক ইভেন্ট আয়োজনে ইতালির আগ্রহকে মন্ত্রী সাধুবাদ জানান।

তিনি বলেন, দু’দেশের এ বিনিময় কর্মসূচি সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করবে। মন্ত্রী এসময় ভেনিস বিয়েনাল (২০২২, ২০২৪), নেপলস সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্মেলন (২০২৫) এবং এক্সপো মিলানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আয়োজনে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে ইতালির সাথে সহযোগিতার দীর্ঘ ইতিহাসের প্রশংসা করেন। তিনি আরো বলেন, ২০২৩ সালের ২৫ জুলাই রোমে স্বাক্ষরিত সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি (সিইপি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ইতালির রাষ্ট্রদূত Antonio Alessandro বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইতালিতে বসবাসরত বৃহৎ বাংলাদেশি কমিউনিটি দু’দেশের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যাই হোক না কেন, সংস্কৃতি সবসময় অভিন্ন থাকে। ইতালি বাংলাদেশের সাথে এ সহযোগিতার সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিতে চায়। ঢাকার মতো জনবহুল রাজধানীতে আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দু’দেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণে যৌথ প্রদর্শনী আয়োজনের বিষয়ে তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও ইউনেস্কো এবং ঐতিহ্যগত সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরো দৃঢ় করার বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারে উভয় দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি এবং ফেলোশিপের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই দু’দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো সুসংগঠিত ও গতিশীল করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। সাক্ষাৎকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ইতালি দূতাবাসের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।

#

শাকিলুজ্জামান/খাদীজা/মারুফা/সুবর্ণা/আলী/কামাল/২০২৬/১৪৩৭ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৩৯

টেলিভিশন চ্যানেলে স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য

সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া

ঢাকা, ৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল):

সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:

মূলবার্তা:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল (শুক্রবার) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ‘হজ ফ্লাইট ২০২৬’-এর উদ্বোধন করবেন-বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

#

তরিকুল/খাদীজা/মারুফা/আলী/আসমা/২০২৬/১২০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৬৯

মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’

-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী

বান্দরবান, ৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল):

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর ও আপসহীন। রাষ্ট্র ও সমাজের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এসব অপরাধের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মাঠ পর্যায়ে শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে।

মন্ত্রী গতকাল বান্দরবান জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলার সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মাদক, সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি যেই হোক না কেন, তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। যদি আমাদের দলের কোনো ব্যক্তিও এসব অপকর্মে লিপ্ত থাকে, তবে তাকেও আইনের আওতায় আসতে হবে। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কোনো কাজ সরকার মেনে নেবে না।

দীর্ঘদিন পর অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে দীপেন দেওয়ান বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের মূল লক্ষ্যই হলো উন্নয়ন। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ায় উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল করা হবে। মন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জীবনমান ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন অনেকাংশেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভরশীল। তাই প্রতিটি কর্মীকে আরো দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব হতে হবে।

মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি ও সমস্যার কথা শোনেন এবং আশ্বস্ত করে বলেন, তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব না হলে সেগুলো গুরুত্বের সাথে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে। মতবিনিময় সভায় বান্দরবান পার্বত্য জেলায় কর্মরত পদস্থ সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভা শেষে মন্ত্রী বান্দরবান জেলা সদরে রাজার মাঠে মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়ে ২০২৬’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মৈত্রী পানি বর্ষণ (জলকেলি) অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এসময় তিনি পার্বত্য অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও কৃষ্টি রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

#

রেজুয়ান/খাদীজা/মারুফা/আলী/কামাল/২০২৬/০৯১৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ৩৩৬৮

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা আরো সুদৃঢ় করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ

নিউইয়র্ক, ৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল):

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনরত ফোর্স কমান্ডার ও হেডস অব মিলিটারি কম্পোনেন্টদের সম্মানে গতকাল এক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল জ্যাঁ-পিয়ের লাক্রোয়া, অপারেশনাল সাপোর্ট বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল অতুল খারে, অফিস অব মিলিটারি অ্যাফেয়ার্সের ভারপ্রাপ্ত মিলিটারি অ্যাডভাইজার লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেরিল পিয়ার্সসহ বিভিন্ন দেশের ফোর্স কমান্ডার, জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনরত ফোর্স কমান্ডার ও হেডস অব মিলিটারি কম্পোনেন্টদের দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, তাঁদের নেতৃত্বে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা জাতির জন্য গৌরব ও মর্যাদা বয়ে আনেন। একইসঙ্গে তিনি শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা, পেশাদারিত্ব ও কার্যকারিতা নিশ্চিতকরণে তাঁদের অব্যাহত সহযোগিতা ও সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে আত্মোৎসর্গকারী শহিদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে রাষ্ট্রদূত চৌধুরী বলেন, তাঁদের ত্যাগ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তিনি জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের অবদান আরো জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিশনের ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী।

#

জাতিসংঘে স্থায়ী মিশন নিউইয়র্ক/খাদীজা/মারুফা/সুবর্ণা/আলী/মিজান/২০২৬/৯৩০ ঘণ্টা

Handout Number: 3367

Bangladesh Reiterates Strong Commitment to UN Peacekeeping at Mission Event

New York, 16 April:

The Permanent Mission of Bangladesh to the UN hosted a luncheon in honor of the Heads of Military Components and Force Commanders serving in United Nations peacekeeping missions at the Mission on yesterday hosted by the Permanent Representative of Bangladesh Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury. The event was attended by the United Nations Under-Secretary-General for Peace Operations Jean-Pierre Lacroix, Under-Secretary-General for Operational Support Atul Khare, Acting Military Adviser of the Office of Military Affairs Lieutenant General Cheryl Pearce along with distinguished Force Commanders, senior UN officials and diplomats.

In his welcoming remarks, the Permanent Representative of Bangladesh Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury expressed deep appreciation for the leadership of Force Commanders and Heads of Military Components serving in challenging UN peacekeeping missions.

Paying rich tribute to the peacekeepers who made the ultimate sacrifice in the line of duty, Ambassador Chowdhury underscored Bangladesh’s readiness to further strengthen its contributions in partnership with the United Nations and the international community.

The programme was moderated by Brigadier General Mohammad Golam Rabbani the Defence Attaché of the Mission who concluded the event by expressing his sincere gratitude to all distinguished guests for their presence.

#

Press NYPM/Khadiza/Marufa/Ali/Mizan/2026/920 hours

Handout Number: 3366

Bangladesh calls for bridging digital divide and strengthening data systems at UN CPD59

New York, 16 April:

Bangladesh’s Permanent Representative Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury yesterday called for strengthening research and data systems, bridging the digital divide through enhanced international cooperation, technology transfer and capacity building. While delivering his statement at the 59th Session of the Commission on Population and Development at the UN Headquarters in New York, Ambassador Noman urged for promoting the ethical use of emerging technologies with strong data privacy safeguards and investing in digital skills particularly for women and youth.

Highlighting the critical role of technology and research in achieving ICPD objectives and the Sustainable Development Goals, he noted that nearly one-third of the global population still lacks internet access, limiting opportunities in essential services.

In his statement the Ambassador underlined Bangladesh’s progress in reducing maternal mortality, expanding immunization coverage, strengthening community-based healthcare, promoting women’s empowerment and enhancing collaboration with research institutions. He also emphasized the use of digital health solutions, including telemedicine and real-time disease surveillance.

Stressing the importance of investing in youth, skills development and innovation, Ambassador Chowdhury also acknowledged challenges such as urbanization, climate change, and non-communicable diseases as barrier for sustainable development.

#

Press NYPM/Khadiza/Marufa/Ali/Mizan/2026/920 hours

তথ্যবিবরণী নম্বর : ৩৩৬৫

জাতিসংঘ CPD-59 অধিবেশনে ডিজিটাল রূপান্তর ও তথ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের আহ্বান জানাল বাংলাদেশ

নিউইয়র্ক, ৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল):

গতকাল নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত জনসংখ্যা ও উন্নয়ন কমিশনের ৫৯তম অধিবেশনে গবেষণা ও তথ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান ডিজিটাল বিভাজন হ্রাসে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি উদীয়মান প্রযুক্তির নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করতে শক্তিশালী তথ্য-গোপনীয়তা সুরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও আন্তর্জাতিক জনসংখ্যা ও উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং গবেষণার অপরিহার্য ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিশ্বে এখনও প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠী ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক সুযোগে গভীর বৈষম্য সৃষ্টি করছে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পথে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করছে।

রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, টিকাদান কর্মসূচির সম্প্রসারণ, কমিউনিটি-ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। পাশাপাশি তিনি টেলিমেডিসিন, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা এবং রিয়েল-টাইম রোগ নজরদারির মতো প্রযুক্তিনির্ভর সেবায় দেশটির সম্প্রসারণের বিষয়টি তুলে ধরেন।

তরুণ জনগোষ্ঠীতে বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনকে টেকসই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি নগরায়ণ, জলবায়ু পরিবর্তন ও অসংক্রামক রোগের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

#

জাতিসংঘে স্থায়ী মিশন নিউইয়র্ক/খাদীজা/মারুফা/সুবর্ণা/আলী/মিজান/২০২৬/৯১০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন