কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ এ ০৯:৪৭ PM

Handout 15 May 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৫-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৫-০৫-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৩১

নতুন প্রজন্মকে সুস্থ ও সচেতনভাবে গড়ে তোলাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য

-- ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ১ জ্যৈষ্ঠ (১৫ মে):

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, একটি সুস্থ, সচেতন ও মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ক্রীড়া ও সংস্কৃতি একটি জাতির আত্মপরিচয়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, সুস্থ শরীর ও সৃজনশীল মনই পারে একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে।

আজ চট্টগ্রামের দামপাড়া পুলিশ লাইনের ইনডোর স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ‘চট্টগ্রাম কারাতে এসোসিয়েশন’ আয়োজিত ‘শাহ ও সেলিনা আলম ২য় কারাতে প্রতিযোগিতা’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, সরকার শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত প্রতিভা বিকাশের ধারা শক্তিশালী করতে চায়। সেই লক্ষ্যেই দেশব্যাপী ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নতুন প্রজন্মকে প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার সাথে সাথেই সারা দেশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর আয়োজন করেছে, যেন আগামী প্রজন্মকে নতুনভাবে গড়ে তোলা যায়। কারাতে চর্চা যত বাড়বে, ততই দেশের আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুন্দর ও সমৃদ্ধ হবে।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া আমাদের তরুণদের মাঝে শৃঙ্খলা, সহনশীলতা ও নেতৃত্ব শেখায়। এসব গুণের সমন্বয়ে আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রতিটি তরুণ হবে আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত। নতুন প্রজন্মের সার্বিক বিকাশে এই ধরনের ক্রীড়া আয়োজনকে সরকার সবসময় উৎসাহিত করবে এবং এতে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। শেষে প্রতিমন্ত্রী প্রতিযোগিতায় বিজয়ী খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও সার্টিফিকেট তুলে দেন।

চট্টগ্রাম কারাতে এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর নিয়াজ মোহাম্মদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সভাপতি শাহজাদা আলম, এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক আবু মোশাররফ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান কোচ কাউসার আহমেদ, সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, ফয়সাল আহমেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী, মো. হাবিবুর রহমান, শ্রীমা চাকমা, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব আমিনুল ইসলামসহ বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

রেজুয়ান/শাহাদাত/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১৪০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯৩০

বৈচিত্র্যকে বিভাজনের হাতিয়ার নয়, জাতীয় সম্পদে রূপান্তর করতে হবে

- - তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ঢাকা, ১ জ্যৈষ্ঠ (১৫ মে):

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশের ভাষা, ধর্ম, লিঙ্গ ও জাতিসত্তার বৈচিত্র্যকে বিভাজনের হাতিয়ার নয়, বরং জাতীয় সম্পদে রূপান্তর করতে হবে। তিনি বলেন, ‘৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ একটি দেহের মতো। এই দেহের প্রতিটি অংশ যেমন অপরিহার্য, তেমনি দেশের প্রতিটি জাতিসত্তা, ধর্মীয় ও ভাষাগত গোষ্ঠীও বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

আজ রাজধানীর পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে সিএইচটি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটি আয়োজিত ‘বিজু, বৈসুক, সাংগ্রাই, বিষু ও চাংক্রান পুনর্মিলনী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক উৎসব’-এ মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, মাধবী মার্মা ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মেজর (অব.) তপন বিকাশ চাকমা।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর ধারণার মাধ্যমে তার সমাধান দিয়েছিলেন। এই দর্শনের ভিত্তিতে ভাষা, বর্ণ, ধর্ম বা জাতিসত্তা নির্বিশেষে সকল নাগরিক সমান মর্যাদার অধিকারী বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে প্রত্যাবর্তনের পর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে পাহাড়ি ও সমতলের জনগণকে সমান নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং সরকার ভবিষ্যতেও সমঅধিকারভিত্তিক রাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যে সমাজ যত বেশি বৈচিত্র্য ধারণ করতে পারে, সেই সমাজ তত বেশি শক্তিশালী হয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিভিন্ন ভাষা, বর্ণ ও সংস্কৃতির মানুষের সহাবস্থান দেশটিকে শক্তিশালী করেছে। তিনি বলেন, ‘যারা বৈচিত্র্যকে বিভাজনের পথে নিতে চায়, তারা দেশবিরোধী। আর যারা দেশের প্রতিটি জাতিসত্তা ও সম্প্রদায়কে সম্মান করতে চায়, তারাই প্রকৃত দেশপ্রেমিক।’

মন্ত্রী বলেন, পিছিয়ে থাকা জাতিগোষ্ঠীগুলোকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ও কোটা ব্যবস্থা থাকা উচিত। তিনি বলেন, ‘সমান অবস্থানে থাকা মানুষের ক্ষেত্রে মেধাই একমাত্র মানদণ্ড হতে পারে। কিন্তু পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে আনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ মেধাবিরোধী নয়; বরং জাতীয় সংহতির জন্য অপরিহার্য।’

ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইন ও নীতিমালা প্রণয়নে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংসদ সদস্যদের যে কোনো ইতিবাচক উদ্যোগের পাশে থাকার কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জুলাই অভ্যুত্থান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ সুষম ও সমতাভিত্তিক উন্নয়নে বিশ্বাসী। এই অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, বিশেষ করে খেয়াং, বম ও চাক সম্প্রদায়ের মানুষকে দেশের মূল ধারার উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত করতে আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এবারের নির্বাচনে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ বিপুল ভোটে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের তিনটি আসনেই বিজয়ী করেছেন। এজন্য তিনি পাহাড়ের মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে পার্বত্য অঞ্চলের স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি ও সামগ্রিক কল্যাণে নিরলস কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

ইমরানুল/শাহাদাত/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১৩০ ঘণ্টা

Handout Number: 3929

Chandragonj Upgraded to Upazila to Meet Public

Expectations and Reduce Public Suffering

— Minister for Water Resources

Lakshmipur, 1 Jyaishtha (15 May):

‎‎Minister for Water Resources Md. Shahiduddin Chowdhury Anee said that Chandragonj has been upgraded to an upazila to fulfill public expectations and reduce public suffering. He stated that the long-standing movement and demands of the people of Chandragonj have finally been realized through this decision.

He made these remarks as the chief guest at an exchange of views meeting with leaders of the newly formed Chandragonj Upazila BNP and its affiliated organizations at his residence on Godown Road in Lakshmipur today.

The meeting was chaired by Advocate Hasibur Rahman, Joint Convenor of the District BNP. Among others present were District Council Administrator Sahab Uddin Sabu, Vice President of the Bangladesh Football Federation Wahid Uddin Chowdhury Happy.

‎#

‎Nasir/Shahadat/Ferdows/Sanjib/Konok/Shamim/2026/1932 hours

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯২৮

জনদুর্ভোগ কমাতে চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়েছে

------ পানি সম্পদ মন্ত্রী

লক্ষ্মীপুর, ১ জ্যৈষ্ঠ (১৫ মে):

পানি সস্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, জনদুর্ভোগ কমাতে চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়েছে। চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলায় রূপান্তরের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও দাবির সফল সমাপ্তি হয়েছে।

আজ লক্ষ্মীপুর গোডাউন রোডে মন্ত্রীর বাসভবনে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলায় উন্নীত করার জন্য আন্দোলন ও দাবি-দাওয়া ছিলো। অতীতে লক্ষ্মীপুর ছিলো বঞ্চিত ও নিপীড়িত। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতীয় উন্নয়নের পাশাপাশি লক্ষ্মীপুরের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সকল কিছু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জেলা বিএনপির যুগ্মআহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি।

#

নাছির/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/শামীম/২০২৬/১৯৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯২৭

খাল খনন গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে

-- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী

শাহারাস্তি (চাঁদপুর), ১ জ্যৈষ্ঠ (১৫ মে):

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচি গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। তিনি বলেন, খালের পানি ব্যবহার করে সেচসুবিধা, পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, খাল পাড়ে গাছ লাগানো ও খালে মাছের চাষ করা হবে। এ কার্যক্রম আমাদের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে কাঙ্ক্ষিত ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

আজ চাঁদপুরের শাহারাস্তিতে ‘খোর্দ’ খাল পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোমিনুল হকসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

#

মাহবুবুর/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯২৬

মানবকল্যাণে চিকিৎসকদের এগিয়ে আসার আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

চট্টগ্রাম, ১ জ্যৈষ্ঠ (১৫ মে):

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, মানুষের সেবা করাই পরম ধর্ম। তিনি বলেন, জনকল্যাণের জন্য সেবার মনোভাব নিয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আজ চট্টগ্রামের স্টেশন রোডস্থ বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের হোটেল সৈকত লাউঞ্জে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত ‘জাতীয় হোমিওপ্যাথিক কনভেনশন-২০২৬’ এর অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হোমিও চিকিৎসায় মানবকল্যাণে সংশ্লিষ্ট ডাক্তারদের নিবেদিতভাবে অবদান রাখার আহ্বান জানান। তিনি চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানুষের সেবার নামে হয়রানি করা এবং অপচিকিৎসা দেওয়া থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। প্রকৃত সেবার মানসিকতা নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

#

রেজুয়ান/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/১৭২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯২৫

হাম রোগের সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ১ জ্যৈষ্ঠ (১৫ মে):

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৯২ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১১ জন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৪০ হাজার ১৭৬ জন। সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৩৬ হাজার ৫৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে ৪ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগে ৮ জন মারা যান। গত ১৫ মার্চ হতে অদ্যাবধি মোট নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪ এবং সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৭৭ জন।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

#

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/শামীম/২০২৬/১৬৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯২৪

প্রথম বিভাগ ব্যাডমিন্টন লীগ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১ জ্যৈষ্ঠ (১৫ মে):

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে বর্তমান সরকার সকল প্রকার ইনডোর ও আউটডোর গেমসকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ রাজধানীর পল্টনস্থ শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে ‘প্রথম বিভাগ ব্যাডমিন্টন লীগ ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে বিশেষ দু-একটি খেলার ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হলেও বর্তমান সরকার সকল খেলাকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে ২৮টি ফেডারেশনের ৩০০ জন খেলোয়াড়কে মাসিক এক লক্ষ টাকা হারে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ২ মে থেকে শুরু হওয়া ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচিতে আটটি বিভাগের মধ্যে ব্যাডমিন্টনকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা তৃণমূল থেকে দক্ষ শাটলার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ৬৪টি জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরেই ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের কাজ শুরু হবে, যেগুলোতে অত্যাধুনিক ইনডোর স্টেডিয়ামের সুবিধা থাকবে। এছাড়া, ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিনি শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন এবং মানসম্মত প্রশিক্ষণের জন্য দুই বছরের মেয়াদী বিদেশি কোচ নিয়োগের বিষয়ে ফেডারেশনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলাই পারে যুব সমাজকে মাদক ও অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে দূরে সরিয়ে রেখে একটি সুস্থ জাতি উপহার দিতে। ইনডোর স্টেডিয়ামে ব্যাডমিন্টন লীগের উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী নিকটস্থ রোলার স্কেটিং গ্রাউন্ডে ‘স্বাধীনতা দিবস বয়স ভিত্তিক রোলার স্কেটিং হিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন।

#

নূর আলম/কুতুব/আতিক/আলী/জোহরা/২০২৬/১৫৪০ ঘণ্টা

Handout Number: 3923

State Minister for Fisheries and Livestock Conducts Surprise Visit to National Zoo

Dhaka, 1 Jyaishtha (15 May):

The State Minister for Fisheries and Livestock, Sultan Salahuddin Tuku, paid a surprise visit today to the Bangladesh National Zoo in Mirpur, Dhaka.

During the visit, the State Minister reviewed the zoo’s overall environment, the care and healthcare services for animals and birds, food supply, security arrangements, and the facilities available for visitors arriving from different parts of the country.

He toured various facilities and exchanged views with the concerned officials and staff members. Speaking on the occasion, the State Minister said that the National Zoo is one of the country’s important centers for recreation and education. He emphasized that, alongside ensuring a safe, healthy, and natural environment for the animals and birds, modern and quality services must also be provided for visitors.

He instructed the concerned officials to further develop the zoo into a more modern, clean, visitor-friendly, and secure habitat for animals and birds. He also called upon all concerned to sincerely perform their duties in ensuring animal welfare, biodiversity conservation, and visitor safety.

During the inspection, the Director General of the Department of Livestock Services, Md. Shahzaman Khan, the curator of the Bangladesh National Zoo, Dr. Md. Atikur Rahman, along with other zoo officials and employees, were present.

#

Mamun/Qutub/Atik/Ali/Asma/2026/1500 hours

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯২২

জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১ জ্যৈষ্ঠ (১৫ মে):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আজ রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা আকস্মিক পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী চিড়িয়াখানার সার্বিক পরিবেশ, পশুপাখিদের পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা, খাদ্য সরবরাহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দূর-দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

তিনি বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় চিড়িয়াখানা দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন ও শিক্ষা কেন্দ্রগুলোর অন্যতম। পশুপাখিদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত সেবা প্রদান করতে হবে।

তিনি চিড়িয়াখানাকে আরো আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, দর্শনার্থীবান্ধব এবং পশুপাখির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে পশুপাখির কল্যাণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামান খান, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডাঃ মোঃ আতিকুর রহমানসহ চিড়িয়াখানার কর্মকর্তা- কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

#

মামুন/কুতুব/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১৫০০ ঘণ্টা

Handout Number: 3921

Bangladesh Embassy and BSIA Conclude first ever

Semiconductor Roadshow in South Korea

Seoul, (South Korea), 15 May:

The Embassy of Bangladesh in Seoul, along with Bangladesh Semiconductor Industry Association (BSIA), has successfully concluded a high-impact two-day Roadshow in South Korea on 12-13 May 2026, aimed at integrating Bangladesh into the global semiconductor value chain through strategic international collaboration, talent development, and advanced packaging initiatives.

The Roadshow commenced on May 12 with a series of one-to-one meetings with Korean semiconductor design houses and the Korea Semiconductor Industry Association (KSIA). A 12 member delegation led by M A Jabbar, President of BSIA visited South Korea in this regard.

The main highlight of the roadshow activities was a Banquet Reception held on 12th May 2026 in DoubleTree by Hilton Pangyo hotel in Seoul. Bangladesh's Ambassador in South Korea Toufiq Islam Shatil delivered welcome remarks highlighting the ample scope of joint collaboration between the semiconductor industries of both countries. He discussed on the ADB proposed $79 billion, 20-year economic corridor from Teknaf to Tetulia as a future hub for high-tech industrialization creating a specialized ecosystem where semiconductor manufacturing, advanced packaging, and electronics can thrive outside the traditional urban centers. BSIA's President M A Jabbar emphasized to enter the semiconductor ecosystem through focusing strategic pathways like design verification, embedded system and advanced packaging.

The technical sessions featured insights on ‘Silicon River’ initiatives from Prof. Muhammad Mustafa Hussain (Purdue University, USA) followed by capabilities overviews from seven leading BSIA member companies, namely Dynamic Solution Innovators, Test Bangladesh Limited, Ulkasemi Private Limited, Neural Semiconductor Ltd., PrimeSilicon Technology Inc., Siliconova Limited, MARS Solutions Limited.

On 13 May, the BSIA delegation met high officials of different semiconductor & research organizations including Korea Advanced Institute of Science and Technology (KAIST), SK Hynix, Hana Micron, Korea Semiconductor Industry Association (KSIA), Koolmicro, Y-Tech, Growith Associates during their 2 days roadshow. A significant milestone of the road show was achieved with the signing of Letter of Intent (LOI) between KAIST Global Commercialization Center (GCC), Center of Research Excellence on Semiconductor Technology (CREST) and BSIA. This agreement aims to foster joint research, talent development and capacity building in the semiconductor sector.

The successful conclusion of this roadshow underscores the growing economic and technological partnership between Bangladesh and South Korea. This is expected that Bangladesh’s emerging industry would be highly benefitted from the technological and economic cooperation from the global leaders of Korea in Semiconductor manufacturing. The Embassy of Bangladesh in Seoul remains committed to supporting these initiatives to transform the nation into a global high-tech destination.

#

Nazmul /Qutub/Atik/Ali/Zohora/2026/1430 hour

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯২০

জাতীয় জাদুঘরে সাড়ম্বরে উদ্‌যাপিত হলো রবীন্দ্র-নজরুল জন্মবার্ষিকী

সংস্কৃতি কর্মীদের জন্য বিশেষ কল্যাণ কার্ড চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে

- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী

ঢাকা, ১ জ্যৈষ্ঠ (১৫ মে):

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, সংস্কৃতি কর্মীদের জন্য বিশেষ কল্যাণ কার্ড চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, যাতে তারা প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আসতে পারেন। পাশাপাশি দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, লোকঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কারণ, ঐতিহ্য রক্ষা মানেই জাতির শেকড়কে সুরক্ষিত রাখা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে গতকাল আয়োজিত বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘নৃত্যগীতি ও প্রবন্ধ পাঠ’ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়; সংস্কৃতি একটি জাতির আত্মপরিচয়, চেতনা ও সভ্যতার ভিত্তি। যে জাতি তার সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করতে পারে না, সে জাতি ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় টিকে থাকতে পারে না। হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, সহনশীলতা ও মুক্তচিন্তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম তাঁদের সাহিত্য, সংগীত ও দর্শনের মাধ্যমে সেই চেতনাকেই বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি বৈচিত্র্যের এক অনন্য মিলনভূমি। এ দেশের বিভিন্ন জাতি, ধর্ম, ভাষা ও গোষ্ঠীর মানুষ যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের মাধ্যমে এক সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য গড়ে তুলেছে। এই বৈচিত্র্যের মধ্যকার ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিভেদ, সাম্প্রদায়িকতা ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক জাগরণই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সংস্কৃতিকে রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিস্তৃত করা, নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানবিক মূল্যবোধের সাথে সম্পৃক্ত করা এবং শিল্পী-সংস্কৃতি কর্মীদের মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্রনাথ আমাদের মানবতার বাণী শিখিয়েছেন, নজরুল শিখিয়েছেন সাম্য, দ্রোহ ও মুক্তির চেতনা। নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁদের আদর্শ পৌঁছে দিতে হলে সাংস্কৃতিক চর্চাকে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজজীবনের প্রতিটি স্তরে আরো শক্তিশালীভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একটি মানবিক, প্রগতিশীল ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সংস্কৃতিই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

অনুষ্ঠানে খ্যাতিমান নৃত্যশিল্পী শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নীপার নির্দেশনায় ‘নৃত্যাঞ্চল’-এর শিল্পীরা মনোমুগ্ধকর নৃত্যগীতি পরিবেশন করেন। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্য, দর্শন ও মানবিক চেতনাকে কেন্দ্র করে প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আহমেদ রেজা।

ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়েসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষাবিদ, সংস্কৃতিকর্মী
ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলাম।

#

শাকিলুজ্জামান/কুতুব/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/১০০০ ঘণ্টা

Handout Number: 3919

State Minister for Foreign Affairs meets Khaled Khiari

Bangladesh reaffirms commitment to peacekeeping,

Sustainable Development and multilateral cooperation

New York, 15 May:

Bangladesh has reaffirmed its strong commitment to democratic governance, sustainable development, peacekeeping and multilateral cooperation during a meeting between State Minister for Foreign Affairs Shama Obaed Islam and UN Assistant Secretary-General Khaled Khiari in New York yesterday.

The State Minister underlined the priorities of Bangladesh’s newly elected government, emphasizing efforts to restore public trust, strengthen institutions, enhance transparency and accountability, improve public service delivery, and uphold human rights and the rule of law. She also highlighted the government’s initiatives, including the introduction of the ‘Family Card’ and ‘Farmers Card’ programmes aimed at addressing the socio-economic vulnerabilities of the respective groups.

Underscoring Bangladesh’s role as one of the leading contributors to UN peacekeeping operations, she stressed the importance of preserving peacekeeping mandates despite the ongoing liquidity crisis and emphasized greater participation of women and youth in post-conflict settings.

On the Rohingya crisis, she said the repatriation of displaced Rohingyas to Myanmar remained the only viable long-term solution and called for continued international support for their return to their own country.

Khiari commended Bangladesh’s longstanding contribution to UN peacekeeping operations and its role in promoting women’s participation in peace and security initiatives.

#

Press NYPM/Qutub/Atik/Ali/Asma/2026/9.30 hours

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৯১৮

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে খালেদ খিয়ারিবৈঠক

শান্তি প্রতিষ্ঠা, টেকসই উন্নয়ন ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

নিউইয়র্ক, ১৫ মে:

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, টেকসই উন্নয়ন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। গতকাল নিউইয়র্কে জাতিসংঘের রাজনৈতিক, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারির সাথে বৈঠকে তিনি এসব বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অঙ্গীকার তুলে ধরেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরে জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর সামাজিক-অর্থনৈতিক ঝুঁকি ও দুর্বলতা মোকাবিলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘ফার্মার্স কার্ড’ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরে চলমান তারল্য সংকটের মধ্যেও শান্তিরক্ষা ম্যান্ডেট অক্ষুণ্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতিতে মহিলা ও তরুণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই এ সংকটের একমাত্র কার্যকর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। তিনি তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।

সহকারী মহাসচিব খিয়ারি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদান এবং শান্তি ও নিরাপত্তা উদ্যোগে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

#

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক/কুতুব/আতিক/আলী/আসমা/২০২৬/৯.৩০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন