কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ এ ০৯:৩৭ PM

Handout 14 April 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৪-০৪-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৪-০৪-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৪৭

দুর্ঘটনায় আহত কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিল সরকার

ঢাকা, ১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল):

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডাঃ শংকর প্রসাদ অধিকারীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন আজ ঢাকার ন্যাশনাল নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডাঃ শংকরকে দেখতে গিয়ে একথা জানান।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আহত চিকিৎসকের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন ও সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ডাঃ শংকর প্রসাদ দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছেন। তিনি দুর্ঘটনায় আহত হওয়ায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। দক্ষ এই কর্মকর্তাকে সুস্থ করে তুলতে নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা তার চিকিৎসার দায়িত্বভার নিচ্ছি। এ পর্যন্ত যে খরচ হয়েছে বা আগামীতে যে খরচ হবে তার ব্যয়ভার সরকার নির্বাহ করবে। এমনকি বিদেশ নেওয়ার প্রয়োজন হলে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতেও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ডাঃ শংকর প্রসাদ অধিকারী গত ১২ এপ্রিল মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় পতিত হন। আহতাধীন অবস্থায় পটুয়াখালী ও বরিশালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকার নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঐ রাতেই তার মস্তিষ্কে অপারেশন করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন, তবে তার অবস্থা শংকামুক্ত নয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, পরিচালক (প্রশাসন) অধ‍্যাপক ডাঃ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী এবং নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

#

মাহমুদুল/শাহাদাত/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৪৪

টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন

টোকিও (জাপান), ১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল):

জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে আজ আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ‘পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩’ উদ্‌যাপিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ দাউদ আলী সকলকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বলেন, পহেলা বৈশাখ একটি সার্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক উৎসব, যা ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি নির্বিশেষে সকল মানুষকে এক সুতোয় গেঁথে রাখে। তিনি আরো বলেন, সম্রাট আকবরের শাসনামল থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্য আজ আমাদের জাতীয় পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জাপানের বন্ধুপ্রতিম জনগণ তাদের নিজস্ব বর্ষপঞ্জির ঐতিহ্যের সাথে পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্যের যে মিল রয়েছে, তা তিনি উল্লেখ করেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ লোকসংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দূতাবাস পরিবারের সদস্যদের পরিবেশনায় সমবেত সংগীত এবং টোকিও ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজের বাংলা বিভাগের জাপানিজ শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে ‘আমি বাংলার গান গাই’-এর মতো দেশাত্মবোধক গান। এছাড়াও গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্য এবং জাপানি শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে পরিবেশিত জাপানি গান দুই দেশের সাংস্কৃতিক মৈত্রীর এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সাজসজ্জায় বাঙালি সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও আতিথেয়তার এক অনন্য পরিচয় তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, জাপান সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় মিডিয়া হাউজ প্রতিনিধি, ব্যবসায়ীবৃন্দ এবং জাপানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন।

#

শফি/শাহাদাত/ফেরদৌস/মেহেদী/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/১৭৫৫ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৪১

বৈশাখী মেলা কেবল একটি সাংস্কৃতিক মিলনমেলা নয় বরং

এটি দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক

-- শিল্পমন্ত্রী

ঢাকা, ১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল):

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, যে কয়েকটি দিন আমাদের প্রাণে সবচেয়ে বেশি দোলা জাগায়, বাংলা নববর্ষ তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত বৈশাখী মেলা কেবল একটি সাংস্কৃতিক মিলনমেলা নয়; বরং এটি দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি খাতের বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ এবং চৈত্র সংক্রান্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এবং বাংলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে সাত দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, গত দেড় দশকে প্রত্যেকটা বৈশাখে মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক সৃষ্টি হত, স্বাভাবিক বর্ষবরণ হবে নাকি কোন অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটবে। এদেশের আপামর মানুষ যে কত শান্তিপ্রিয় কত সুশৃঙ্খল স্বাভাবিক তার একটি উদাহরণ হচ্ছে আজকের বর্ষবরণ।

মন্ত্রী বলেন, দেশের উৎপাদনশীলতা শুধু বৃহৎ শিল্পকারখানায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা বিস্তৃত রয়েছে গ্রামীণ কারুশিল্পী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং গৃহভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থার মধ্যে। তাঁদের সৃজনশীলতা, শ্রম ও উদ্ভাবনী শক্তিই জাতীয় অর্থনীতির ভিতকে সুদৃঢ় করে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প খাতের অবদান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ খাত দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম প্রধান মাধ্যম। শিল্প মন্ত্রণালয় এ খাতের টেকসই উন্নয়ন, উদ্যোক্তা সৃষ্টির প্রসার এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মাওলা, বিসিকের চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বক্তৃতা করেন।

পরে মন্ত্রীদ্বয় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন এবং মেলায় বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

উল্লেখ্য, সার্বজনীন এই লোকজ মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এবারের মেলায় মোট ১৬০টি স্টল রয়েছে। এর মধ্যে চামড়াজাত পণ্যের ৭টি, জামদানির ৬টি, নকশিকাঁথার ৪টি, বস্ত্রের ৪৪টি, শতরঞ্জির ৫টি এবং মণিপুরি শাড়ি ২ স্টল। এছাড়া, কারুশিল্পী জোন, শিশুদের রাইড ও বিনোদন জোন, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য ১৩টি, প্রান্তিক কারুশিল্পীদের জন্য ১৩টি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ২টি এবং কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির জন্য ১টি স্টল রয়েছে।

সার্বজনীন এই লোকজ মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলা চলবে ২০ এপ্রিল (৭ বৈশাখ) পর্যন্ত।

#

এনায়েত/শাহাদাত/ফেরদৌস/মেহেদী/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/১৭৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৪০

নাইজেরিয়ার লেগোসে ‘Pharma West Africa 2026’ মেলা শুরু

ইপিবি’র সহায়তায় বাংলাদেশের ১০টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ

আবুজা (নাইজেরিয়া), ১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল):

নাইজেরিয়ার বাণিজ্যিক রাজধানী লেগোসের ল্যান্ডমার্ক সেন্টারে আজ থেকে শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী ‘Pharma West Africa 2026’ মেলা।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এর আর্থিক সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন আবুজা, নাইজেরিয়ার ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের ১০টি ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিষ্ঠান এই মেলায় অংশগ্রহণ করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো একমি ল্যাবরেটরিজ, এরিস্টোফার্মা, ইনসেপ্টা, ইউরো ফার্মা, নিভিয়ান ফার্মাসিউটিক্যালস, রেডিয়ান্ট ফার্মাসিউটিক্যালস ও জিস্কা ফার্মা। এছাড়া এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস, ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যাল এবং এস-কে-এফ ফার্মাসিউটিক্যালস মেলায় অংশগ্রহণ করেছে।

মেলাটি বিশ্বব্যাপী বিশেষত পশ্চিম আফ্রিকার দেশসমূহের ফার্মাসিউটিক্যালস সেক্টরের ব্যবসায়ীদের সাথে বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যালস সেক্টরের যোগাযোগ সমৃদ্ধ করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এই বাণিজ্যিক মেলায় বিশ্বের প্রায় ৫০ দেশের ২৫০টি ফার্মাসিউটিক্যালস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং ৪ হাজার ৫০০ পেশাদার ক্রেতা অংশগ্রহণ করছে।

এশিয়া, ইউরোপ এবং মেনা অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল প্রদর্শকের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ মেলায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর বিশেষ বুথে বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যালস সেক্টরের ক্রমবিকাশ এবং সম্ভাবনার ওপর নির্মিত বিভিন্ন প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। এছাড়া মেলায় বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যালসসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের উপর একটি ব্রোশিওর প্রকাশ করেছে।

#

বাংলাদেশ হাইকমিশন, নাইজেরিয়া/শাহাদাত/ফেরদৌস/মেহেদী/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/১৯২৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৩৯

নতুন বছরে নতুন প্রত্যয়: পর্যটন উন্নয়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

ঢাকা, ১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল):

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম আজ বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন কর্তৃক আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্ষবরণ শুধু নতুন বছরের সূচনা নয়, বরং এটি জাতীয় পরিচয়কে উপলব্ধি করার দিন। তিনি দেশের উন্নয়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান ও দেশের উন্নয়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা দেশকে আরো সুন্দরভাবে বিশ্বে তুলে ধরতে চাই। পর্যটনের উন্নয়নের মাধ্যমে তা সম্ভব হতে পারে। যদি আমরা দেশের সংস্কৃতিকে ধারণ করি তাহলে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান সায়েমা শাহীন সুলতানা।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

তরিকুল/খাদীজা/কুতুব/আতিক/আসমা/২০২৬/১৬৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৩৮

সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় মূল্যবোধের বিকল্প নেই

- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী

রাঙ্গামাটি, ১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল):

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় মূল্যবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কেবল উপাসনার স্থান নয়, বরং এগুলো নৈতিকতা ও সামাজিক সংহতির কেন্দ্রবিন্দু।

তিনি আজ রাঙ্গামাটির ঐতিহাসিক রাজবন বিহার প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদ্‌যাপন এবং বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘ দান ও অষ্টপরিষ্কার দানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচির সমন্বয়ে আয়োজিত ‘মহতী পুণ্যদান অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান পুণ্যার্থী হিসেবে এসব কথা বলেন।

পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি সম্প্রদায়ের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার এই অঞ্চলের মানুষের স্বকীয়তা রক্ষা ও সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে। দেশের সকল শ্রেণি, পেশা ও সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের স্ব-স্ব সামাজিক ও ধর্মীয় আচরণ নির্বিঘ্নে পালন করতে পারে তার নিশ্চয়তা প্রদান করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘ দান, অষ্টপরিষ্কার দান, হাজার প্রদীপ প্রজ্বলন এবং বিশ্বশান্তি প্যাগোডার জন্য অর্থ দান করা হয়। এতে বাংলাদেশি বৌদ্ধদের ধর্মীয় সংঘ রাজ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাস্থবির ও উপ-সংঘরাজ ভদন্ত প্রিয়দর্শী মহাস্থবিরকে শ্রদ্ধা নিবেদন ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বশান্তি ও জগতের সকল প্রাণীর সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধেয় ধর্মপ্রাণ মহাস্থবির, চতুর্থ মহাসংঘরাজ, উপ-সংঘরাজ প্রিয়দর্শী মহাস্থবিরসহ বিভিন্ন বিহারের ভিক্ষুসংঘ, দায়ক-দায়িকা এবং উপাসক-উপাসিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

রেজুয়ান/খাদীজা/কুতুব/আতিক/সাঈদা/আসমা/২০২৬/১৪৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৩৭

আগামীর বাংলাদেশ শিশুদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর

- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

ঢাকা, ১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল):

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ শিশুদের জন্য উপযোগী করে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। মন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কর্তৃক একাডেমি চত্বরে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছিলেন তখন তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শিশুদেরকে যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া প্রয়োজন। সে লক্ষ্যেই তিনি বাংলাদেশ শিশু একাডেমি এবং শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই জেলা পর্যায় পর্যন্ত শিশু একাডেমির পরিসর বিস্তৃত হয়েছে। যদিও পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে শিশু একাডেমি শিশুদের বিকাশের জন্য যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, শিশুদের অধিকার আদায়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সজাগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিটি জেলায় এবং উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত শিশুদের বিকাশের জন্য, লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের মননশীলতা ও চিন্তার পরিধির ব্যাপ্তিলাভ করানোর জন্য এবং শিশুদের আগামীর নেতৃত্ব প্রদানে পারদর্শী করে গড়ে তোলার জন্য সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন বলেন, শিশু একাডেমি আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিশুদের অংশগ্রহণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে দেশজ ও সংস্কৃতির বীজ বপনে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। তিনি শিশুদের সৃজনশীল বিকাশের জন্য সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মোছাঃ আরজু আরা বেগম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সহধর্মিনী ডা. শরীফা করিম স্বর্ণা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ এর অধীন দপ্তর-সংস্থাসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক এবং সাংবাদিকবৃন্দ।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একাডেমি চত্বরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

#

তাহমিনা/খাদীজা/কুতুব/সাঈদা/আসমা/২০২৬/১২৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৩৬

দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ঢাকা, ১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল):

দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, কৃষকদের ফসলের হিসাব রাখার সুবিধার্থে বাংলা নববর্ষের প্রচলন শুরু হয়েছিল। বাংলা নববর্ষ একদিকে যেমন আমাদের বাংলা সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে, তেমনি কৃষি অর্থনীতিরও প্রতিনিধিত্ব করে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিকে অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। দেশের কৃষক সমাজ তথা কৃষি অর্থনীতির জন্য সরকার বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ কে উৎসর্গ করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

#

ইমরানুল/খাদীজা/কুতুব/আতিক/সাঈদা/জোহরা/২০২৬/১১৫৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৩৫

নববর্ষে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

কৃষক কার্ড দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিনের আশাবাদ

ঢাকা, ১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল):

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন গতকাল এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেছেন।

তিনি জানান, নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ টাঙ্গাইল থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রথম পর্যায়ে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় মোট ২০ হাজার কৃষকের মধ্যে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। পরবর্তীতে দেশের সকল কৃষকের জন্য পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে। মাহ্‌দী আমিন আরো উল্লেখ করেন, এ কর্মসূচির আওতায় শুধু কৃষকরাই নয়, মৎস্যজীবী ও খামারিরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

মাহ্‌দী আমিন জানান, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ, সেচ সুবিধা এবং কৃষি যন্ত্রপাতি সহজলভ্য করার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি, এ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য প্রশিক্ষণের সুযোগও তৈরি হবে।

তিনি বলেন, কৃষি ভর্তুকি প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তিতে কৃষক কার্ড কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সরকারের এ উদ্যোগ দেশের কৃষি খাতের আধুনিকায়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মাহ্‌দী আমিন আশা প্রকাশ করেন।

#

ইমরানুল/খাদীজা/কুতুব/আতিক/সাঈদা/আসমা/২০২৬/৯০০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন