কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ এ ০৮:৫৮ PM

Handout 13 April 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ১৩-০৪-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৩-০৪-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৩৪

ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া মেধাবীদের জন্য বার কাউন্সিল পরীক্ষা যেন ‘কঠিন বাস্তবতা’ না হয়

---আইনমন্ত্রী

ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া ও বিদেশে লেখাপড়া করা মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান বার কাউন্সিল পরীক্ষার পদ্ধতি যেন একটি কঠিন বাস্তবতা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে নজর দেওয়ার জন্য বার কাউন্সিলের কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান।

রাজধানীর সুপ্রীম কোর্ট অডিটোরিয়ামে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) অর্থায়নে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস আয়োজিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ছয়মাস মেয়াদি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের প্রথম পর্বের সমাপ্তি ও দ্বিতীয় পর্বের আগমন উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক মেধাবী ছেলেমেয়ে যারা ইংলিশ মিডিয়ামে পড়েছেন কিংবা বিদেশে লেখাপড়া করে এসেছেন, তাদের জন্য বার কাউন্সিল পরীক্ষায় প্রশ্ন পদ্ধতি বাংলায় হওয়ায় প্রতিকূল বাস্তবতা পার হতে হয়। এই জায়গাটি যুগোপযোগী করা যায় কি না, তা বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখতে পারে। তিনি ‘যার নেই কোন গতি, সে করে ওকালতি’এই ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে আইন পেশার সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন এবং আইন পেশার মান উন্নয়নে সবার এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

আইনমন্ত্রী অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির প্রশংসা করে বলেন, তাকে এই কর্মসূচি অনেক উৎসাহিত করেছে। তিনি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ সদস্যদের জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একজন করে ইন্টার্ন দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তাব করেছেন। ইন্টার্নরা সংসদ সদস্যদের গবেষণামূলক কাজ করবে, যা আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়া ও সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে সহায়ক হবে। এছাড়া, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের আধুনিকায়ন ও বসার জায়গার সংকট নিরসনে বাজেটে বরাদ্দ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান আইনমন্ত্রী।

আইন কমিশন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, গত দুই যুগে ১৫০ কোটি টাকার বেশি খরচ করে আইন কমিশন ১৬৯টি আইনের সুপারিশ করলেও গৃহীত হয়েছে মাত্র ৮টি। প্রতিবছর ৮-১০ কোটি টাকা জনগণের অর্থ ব্যয় করেও প্রত্যাশিত ইনপুট আসছে না।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লাইনাস র্যাগনার উইকস, ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ, আব্দুল জব্বার ভুঁইয়া, ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম কোর্ডিনেটর ও ডেপুটি অ্যাটর্নি ব্যারিস্টার তাসনুভা শেলী প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রথম ব্যাচের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২৫ শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান ও নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করানো হয়।

#

রেজাউল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/মেহেদী/রফিকুল/আব্বাস/২০২৬/২০৩৩ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩৩০

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন ফকির মাহবুব আনাম

টাঙ্গাইল, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম আজ টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন। আগামী ১৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে প্রস্তুতি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে তিনি এই পরিদর্শন করেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান উপস্থিত ছিলেন।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, কৃষকদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যা দেশের কৃষি খাতকে আরো গতিশীল করবে এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করবে।

জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়। এসময় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন, যাতে অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে কথা বলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। কৃষকদের ডিজিটাল পরিচয় নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি সেবা সহজলভ্য করতে এই কৃষক কার্ডকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

#

জসীম/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/রফিকুল/আব্বাস/২০২৬/১৮৫৭ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩২৯

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সাথে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার (Michael Miller) সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ পুলিশ সংস্কার, নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন কৌশল, বাণিজ্য সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

সাক্ষাতের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের একটি পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন অংশীদার। বর্তমান সরকারের মেয়াদে আমরা দুই পক্ষের বিদ্যমান সহযোগিতা আরো জোরদার ও প্রসারিত করতে চাই।

পুলিশ সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা চলাকালে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে। এক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রয়োজনীয় পরামর্শ পরিষেবা দিয়ে আমাদের সহায়তা করতে পারে। তিনি আরো জানান যে, ইইউ পুলিশের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশকে পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারে। এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

দুর্নীতি দমনে ইইউ'র ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের একটি সুনির্দিষ্ট ও শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কৌশল থাকা প্রয়োজন এবং ইইউ এক্ষেত্রে সব ধরনের কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের এই প্রস্তাবের সাথে একমত পোষণ করেন। তিনি ইইউ’র সাথে বিভিন্ন সেক্টরে সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলো দ্রুত চিহ্নিত করতে এবং এসব বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার জন্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন।

এসময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ শাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

ফয়সল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/রফিকুল/আব্বাস/২০২৬/১৮৫১ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩২৭

প্রকল্পের সংখ্যার চেয়ে কাজের মানে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে

---শ্রমমন্ত্রী

সিলেট, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, প্রকল্পের সংখ্যার চেয়ে কাজের মানের দিকে আমাদের বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। যেকোনো নির্মাণ কাজ যেন দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনবহুল এলাকাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

মন্ত্রী আজ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন সমাপ্ত ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন এবং নতুন কাজের উদ্বোধনকালে একথা বলেন।

পরে মন্ত্রী জাফলং ব্রিজ সংলগ্ন পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনকালে সেখানে পুলিশ সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণের তাগিদ দেন। ফাঁড়ি এলাকায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে সেখানে প্রচুর পরিমাণে ফলদ বৃক্ষ রোপণের নির্দেশ দেন। এসময় তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ ও উপজেলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের জন্য জমি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

এরপর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পাথর কোয়ারি সচল করা প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, পাথর উত্তোলনের বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সাথে খুব শীঘ্রই উচ্চপর্যায়ের সভা করা হবে। সিলেটের তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলার বিষয়ে তিনি বলেন, সিলেটে আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে ড্রাইভিং, ক্যাটারিং, প্লাম্বিংসহ বিভিন্ন কারিগরি ট্রেডে প্রশিক্ষণ এবং চীনা, জাপানি ও কোরিয়ান ভাষা শেখানো হবে। এছাড়া, কোম্পানীগঞ্জ হাইটেক পার্কের অব্যবহৃত অবকাঠামো কাজে লাগিয়ে সেখানে রপ্তানিমুখী শিল্পনগরী গড়ে তোলার বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী বীরমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫-তলা একাডেমিক ভবন এবং জিসি সড়ক হতে গহড়া দোয়ারীখেল সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

#

বোরহান/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/মোশারফ/আব্বাস/২০২৬/১৮৪২ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩২৬

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীর সাথে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলমের সাথে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও উৎপাদন খাতকে বেগবান করতে বেসরকারি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ মিল দ্রুত চালু করতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। আগামীতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীর মাধ্যমে বন্ধ থাকা মিল চালু করা হবে। এজন্য আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মোঃ শরীফুল আলম আরো জানান, এখন পর্যন্ত যারা মিল লিজ নিয়েছেন, সেখানে অনেক পরিমাণে জমি পড়ে আছে, অব্যবহৃত জমিতে বেশি করে বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদনের সাথে কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। এতে দেশে উৎপাদন খাত শক্তিশালী হবে -যা অর্থনীতির জন্য সহায়ক হবে। এসময় আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী পাটশিল্পের উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ ও বন্ধ মিল চালু করার জন্য ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের অধীনে থাকা ২৫টি পাটকলের কার্যক্রম ২০২০ সালে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ২০টি মিল লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়, এর মধ্যে ১৪টি মিল ইতোমধ্যে লিজ দেওয়া হয়েছে। চালু থাকা ৯টি মিলে দৈনিক প্রায় ১০০ মেট্রিক টন পণ্য উৎপাদন হচ্ছে।

#

আসিফ/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/ফেরদৌস/মেহেদী/মোশারফ/আব্বাস/২০২৬/১৮৪১ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩২৫

অবাধ তথ্য প্রবাহের পাশাপাশি অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে

নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ

---তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একসময় তথ্যপ্রাপ্তির সীমাবদ্ধতা ছিল প্রধান চ্যালেঞ্জ, কিন্তু বর্তমানে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তথ্যের অধিকার এখন কেবল তথ্য প্রবাহের স্বাধীনতায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং সঠিক তথ্য পাওয়ার নিশ্চয়তাও এর অংশ।

আজ বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী সবাইকে সতর্ক করে বলেন, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার কার্যকর ও জনবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশে ডিজিটাল ইকোসিস্টেম শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন তথ্যমন্ত্রী।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দেশ এখনো পুরোপুরি এনালগ থেকে ডিজিটাল প্যারাডাইমে রূপান্তর হতে পারেনি। ফলে বিদ্যমান ডিজিটাল সেবাগুলো বিচ্ছিন্নভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং একটি সমন্বিত ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে ওঠেনি। এই খাতে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও নীতিগত, প্রযুক্তিগত ও কর কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেই সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের কাছে পুরোপুরি পৌঁছাচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত অবকাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি অংশীদারদের অন্তর্ভুক্ত করে সময়োপযোগী নীতি গ্রহণ করা হলে ডিজিটাল সেবার বিস্তার আরো ত্বরান্বিত হবে।

মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দ্রুত সময়োপযোগী সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে একদিকে যেমন উদ্যোক্তারা লাভবান হবেন, অন্যদিকে সাধারণ মানুষও পাবে সর্বোচ্চ মানের ডিজিটাল সেবা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আজাদ বক্তব্য রাখেন।

#

ইমরানুল/কামরুজ্জামান/বিবেকানন্দ/পবন/মেহেদী/মোশারফ/আব্বাস/২০২৬/১৭৫৫ ঘণ্টা

টিভিস্ক্রল নম্বর: ২৩৬

স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য

সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া

ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

আগামী ১৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রমনা পার্ককেন্দ্রীক বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে ড্রোন উড়ানো সংক্রান্ত নিম্নবর্ণিত বার্তাসমূহ টিভি স্ক্রলে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:

বার্তাসমূহ:

‘‘ (১) অনুষ্ঠান চলাকালে শুধু সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অফিসিয়াল ড্রোনসমূহ উড়াতে পারবে; এবং

(২) বিটিভি’র ড্রোন কর্তৃক ধারণকৃত ছবি ও ভিডিও অন্যান্য মিডিয়া প্রচার করতে পারবে’’- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

#

কামরুজ্জামান/পবন/ফেরদৌস/মোশারফ/আব্বাস/২০২৬/১৭৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩২২

কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে বিভিন্ন ধরনের কৃষিসেবা পাবেন

- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

টাঙ্গাইল, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্য মূল্যের সার, বীজ, কৃষি ঋণসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পাবেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক আজ টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন আগামীকাল এই স্টেডিয়াম থেকে কৃষকদের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্টেডিয়ামের চারপাশে অবৈধ স্থাপনা দখলমুক্ত করাসহ দেশে মাঠ সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে। স্টেডিয়াম সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সকলের সহযোগিতায় সমাধান করা হবে।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের দ্বারা পরিচালিত প্রশিক্ষণ সম্পর্কে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত কিছু সমস্যা রয়েছে। আগামী ১৮ তারিখ সকল জেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের সাথে একটি সভা আয়োজন করা হবে। কারো দায়িত্বে অবহেলা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্টেডিয়াম পরিদর্শনের সময় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।

#

নূর আলম/খাদীজা/মারুফা/মিতু/আতিক/আসমা/২০২৬/১৩৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর : ৩৩২৩

অর্থনীতিতে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে জোর দিচ্ছে সরকার

-বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের অর্থনীতিতে টেকসই স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে হলে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করা অপরিহার্য। তিনি বলেন, অতীতে জবাবদিহিতার অভাব এবং অযৌক্তিক প্রকল্প গ্রহণের ফলে অর্থনীতিতে অস্বাভাবিকতা সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব এখনো বিদ্যমান।

আজ রাজধানীতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘প্রাক-বাজেট আলোচনা বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগণের বাইরে কোনো আলাদা সত্তা নয়; জনগণের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা এবং অর্থনৈতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে কার্যকর সংযোগের মাধ্যমেই একটি সুস্থ অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে ওঠে। এ সংযোগ ও স্বচ্ছতা ভেঙ্গে গেলে অর্থনীতিতে অস্থিরতা ও ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য। কিন্তু অতীতে এমন কিছু প্রকল্প নেওয়া হয়েছে যেগুলোর যথাযথ যৌক্তিকতা ছিল না এবং প্রকৃত ফলাফল অর্জনে সেগুলো ব্যর্থ হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের আওতাধীন বাস্তবায়ন, মনিটরিং ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) পর্যালোচনায়ও অনেক প্রকল্পে দুর্নীতি ও অকার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, শুধু সরকারি ব্যয় বাড়িয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি টেকসই করা সম্ভব নয়। বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে হলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, সহজ ব্যবসা প্রক্রিয়া এবং প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা জরুরি। তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে ব্যবসায়ীরা ঘরে বসেই লাইসেন্স ও নিবন্ধন সেবা গ্রহণ করতে পারেন।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি ও সারসহ বিভিন্ন আমদানি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, এলএনজি, ক্রুড অয়েল ও সার আমদানির খরচ দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সরকারের ব্যয় ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্থানীয় উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলন বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার জন্য করজাল (Tax Net) সম্প্রসারণ অপরিহার্য। ব্যক্তিগত করহার বাড়ানোর পরিবর্তে করদাতার সংখ্যা বাড়ানোর ওপর সরকার জোর দিচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আসন্ন বাজেট ও পরবর্তী সময়ে এ ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে। তিনি বেসরকারি খাতকে সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা একসাথে কাজ করলে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও শক্তিশালী করা সম্ভব।’

ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ প্রাক-বাজেট আলোচনায় জেনারেল ইকনমিকস ডিভিশন এর সদস্য ড. মঞ্জুর হোসেন, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ-এর প্রেসিডেন্ট মাহবুবুর রহমানসহ দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

#

কামাল/খাদীজা/মারুফা/আতিক/সুবর্ণা/সফি/২০২৬/১৫২৪ ঘণ্টা

আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ

তথ্যবিবরণী নম্বর : ৩৩১৮

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আগামীকাল বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন:

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩।

পহেলা বৈশাখের এই শুভক্ষণে বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানাই। এই উৎসবমুখর দিনে প্রিয় দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে জানাই নববর্ষের উষ্ণ শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন।

বাংলা নববর্ষ আমাদের প্রাণের সর্বজনীন উৎসব। এটি আমাদের ঐক্য, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ অতিক্রম করে পহেলা বৈশাখ আমাদের সবার জন্য হয়ে ওঠে এক আনন্দ ও মিলনের দিন। আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্য, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং আত্মপরিচয়ের ধারক ও বাহক হিসেবে এ উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। বৈশাখের আগমনে আমাদের জীবনে জাগে নতুন প্রত্যাশা, নব প্রতিশ্রুতি ও অসীম সম্ভাবনার স্বপ্ন। অতীতের গ্লানি, বেদনা ও ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে আমরা এগিয়ে চলি নব উদ্যমে ও নব প্রত্যয়ে।

একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের নতুন পথচলা শুরু হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বেশ কিছু জনকল্যাণমুখী ও দূরদর্শী কর্মসূচি চালু করেছে। কৃষিনির্ভর এ দেশের প্রেক্ষাপটে মুঘল আমলে ফসলি সনের প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে যে বাংলা সনের যাত্রা শুরু, সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির সূচনা এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এ উদ্যোগ কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় আজ আমরা নানাবিধ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এ প্রেক্ষাপটে আমাদের আরো সংযমী, ধৈর্যশীল ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সক্ষম হবো-এই প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।

নববর্ষের এই উৎসব ও আনন্দমুখর মুহূর্তে আন্তরিক প্রত্যাশা-সকল অশুভ ও অসুন্দর দূরীভূত হোক; সত্য ও সুন্দরের গৌরবগাথা প্রতিধ্বনিত হোক সর্বত্র। বিদায়ী বছরের সকল দুঃখ-বেদনা মুছে যাক; নতুন বছর ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

এই আনন্দঘন দিনে আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই আসুন, আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করি; ভেদাভেদ ভুলে গড়ে তুলি একটি অসাম্প্রদায়িক, ঐক্যবদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ।

আবারও সবাইকে জানাই ‘শুভ নববর্ষ’।”

#

রাহাত/খাদীজা/মারুফা/মিতু/আতিক/সুবর্না/সাঈদা/সফি/২০২৬/১১৫৬ঘণ্টা

বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ


আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩১৯

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

­ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষ্যে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন:

“বিদায় ১৪৩২। স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। এ উপলক্ষ্যে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি আমাদের জীবনে প্রতি বছর ফিরে আসে নতুনের আহ্বান নিয়ে। নতুন বছরের আগমনে পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

পহেলা বৈশাখের সঙ্গে আমাদের এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সম্পর্ক নিবিড়। তথ্যপ্রযুক্তির এই সুবর্ণ সময়েও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কৃষক তাঁর ফসল উৎপাদনের দিনক্ষণ ঠিক করে। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়। বৈশাখি মেলা, বৈশাখি শোভাযাত্রা, হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরে এবং আমাদেরকে ঐক্যবোধে উজ্জীবিত করে। বাংলা নববর্ষ আমাদের সামনে এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির নবজাগরণ আর মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলেমিশে সৃষ্টি করে এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ।

দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে যাত্রা শুরু করে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার। দায়িত্ব নিয়েই এই সরকার রাষ্ট্র এবং সমাজের সব শ্রেণি পেশার মানুষের জীবন মানোন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। কৃষক, কৃষি এবং কৃষি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হলো কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি। আগামী দিনগুলোতে এই কৃষক কার্ড বাংলাদেশের কৃষক এবং কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে, বাংলা নববর্ষে এটিই হোক আমাদের প্রত্যয় ও প্রত্যাশা।

আমি আশা করি, বাংলাদেশের জনগণের যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। বিশ্ব আজ নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত। এই প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি-এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি। নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। দেশবাসীকে আবারও জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩।”

#

আশরোফা/খাদীজা/মারুফা/মিতু/সুবর্ণা/সাঈদা/সুবর্ণা/সফি/২০২৬/১১৩০ ঘণ্টা

আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ

আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩২০

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

কৃষক কার্ড কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভুমিকা রাখবে

ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানিয়ে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। দিনটি আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি আমাদের জীবনে প্রতি বছর ফিরে আসে নতুনের আহ্বান নিয়ে। নতুন বছরের আগমনে পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সম্পর্ক নিবিড়। তথ্যপ্রযুক্তির এই সুবর্ণ সময়েও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কৃষক তাঁর ফসল উৎপাদনের দিনক্ষণ ঠিক করে। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়। বৈশাখি মেলা, বৈশাখি শোভাযাত্রা, হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরে এবং সকলকে ঐক্যবোধে উজ্জীবিত করে। বাংলা নববর্ষ আমাদের সামনে এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির নবজাগরণ আর মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলেমিশে সৃষ্টি করে এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে যাত্রা শুরু করে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার। দায়িত্ব নিয়েই এই সরকার রাষ্ট্র এবং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবন মানোন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। কৃষক, কৃষি এবং কৃষি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হলো কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি। আগামী দিনগুলোতে এই কৃষক কার্ড বাংলাদেশের কৃষক এবং কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে, বাংলা নববর্ষে এটিই হোক আমাদের প্রত্যয় ও প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের জনগণের যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। বিশ্ব আজ নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত। এই প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি-এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী

#

আশরোফা/খাদীজা/মারুফা/আতিক/ সুবর্ণা/সাঈদা/সফি/২০২৬/১১৫৭ ঘণ্টা

আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ


আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ

তথ্যবিবরণী নম্বর : ৩৩২১

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে দেশবাসীর প্রতি রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা

ভেদাভেদ ভুলে অসাম্প্রদায়িক, ঐক্যবদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার আহ্বান

ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানিয়ে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে নববর্ষের শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের প্রাণের সর্বজনীন উৎসব। এটি আমাদের ঐক্য, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ অতিক্রম করে পহেলা বৈশাখ সবার জন্য হয়ে ওঠে এক আনন্দ ও মিলনের দিন। আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্য, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং আত্মপরিচয়ের ধারক ও বাহক হিসেবে এ উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। বৈশাখের আগমনে আমাদের জীবনে জাগে নতুন প্রত্যাশা, নব প্রতিশ্রুতি ও অসীম সম্ভাবনার স্বপ্ন। অতীতের গ্লানি, বেদনা ও ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে চলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের নতুন পথচলা শুরু হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বেশ কিছু জনকল্যাণমুখী ও দূরদর্শী কর্মসূচি চালু করেছে। কৃষিনির্ভর এ দেশের প্রেক্ষাপটে মুঘল আমলে ফসলি সনের প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে যে বাংলা সনের যাত্রা শুরু, সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির সূচনা এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় আজ আমরা নানাবিধ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এ প্রেক্ষাপটে আমাদের আরো সংযমী, ধৈর্যশীল ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সক্ষমতা অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি নতুন বছরে ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশা করে বলেন, নববর্ষের এই উৎসব ও আনন্দমুখর মুহূর্তে সকল অশুভ ও অসুন্দর দূরীভূত হোক; সত্য ও সুন্দরের গৌরবগাথা প্রতিধ্বনিত হোক সর্বত্র। বিদায়ী বছরের সকল দুঃখ-বেদনা মুছে যাক; নতুন বছর ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। এই আনন্দঘন দিনে তিনি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করে; ভেদাভেদ ভুলে একটি অসাম্প্রদায়িক, ঐক্যবদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান দেশবাসীর প্রতি।

#

রাহাত/খাদীজা/মারুফা/আতিক/সু্বর্ণা/সাঈদা/সফি/২০২৬/১১৫৮ঘণ্টা

আজ বিকাল পাঁচটার আগে প্রচার করা নিষেধ


তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৩৪

টেলিভিশন চ্যানেলে স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য

সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া

ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো:

মূলবার্তা:

আগামী ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় টাঙ্গাইল সদরে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।

#

সুষমা/খাদীজা/মারুফা/সুবর্ণা/আসমা/২০২৬/১০৪৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩১৭

নীলফামারীতে বন্ধ টেক্সটাইল মিল তিন মাসে চালুর আশা বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীর

নীলফামারী, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

বন্ধ থাকা শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করা সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের একটি লক্ষ্য। এলক্ষ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ টেক্সটাইল ও পাটকল চালুর উদ্যোগ নিয়ে দ্রুততার সাথে কাজ করছে।

গতকাল দিনাজপুর এবং নীলফামারীতে টেক্সটাইল মিল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী দেশের বন্ধ থাকা জুট ও টেক্সটাইল মিলগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগে নেয়া হয়েছে। নীলফামারীর দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল নিয়ে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র করা হয়েছে, আরো ভালো বিনিয়োগকারীও পাওয়া যাচ্ছে। আমরা আশা করছি, দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই মিলটি পুনরায় চালু হবে এবং স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান হবে। দিনাজপুরের টেক্সটাইল মিলও খুব দ্রুতই আবার চালু করা হবে।

সোনালি আঁশের ঐতিহ্য উল্লেখ করে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম আরও বলেন, সোনালি আঁশের সুদিন ফিরিয়ে আনতে হবে, সেজন্য কাজ করতে হবে। কৃষকরা পাটের ন্যায্য মূল্য যেন পায় এজন্য পদক্ষেপ নিচ্ছি। এছাড়া প্ল্যাস্টিকের পরিবর্তে পাটের পণ্য ব্যবহারে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

পরিদর্শনের সময় নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব জহিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়জুল ইসলাম, বাংলাদেশ টেক্সটাইলস মিলস কর্পোরেশনের (বিটিএমসি) পরিচালক এইচ এম নুরুল ইসলাম ও মুখ্য পরিচালন কর্মকর্তা কাজী ফিরোজ হোসেন ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রী জেলা সদরের গোড়গ্রাম ইউনিয়নের হাজীগঞ্জে অবস্থিত হস্ত ও কুটির শিল্প উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘ক্লাসিক্যাল হ্যান্ডমেইড প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেড’ পরিদর্শন করেন। এসময় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান তৌহিদ বিন আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

#

আসিফ/খাদীজা/ফাতেমা/মারুফা/আতিক/সাঈদা/আসমা/২০২৬/৯৩০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩৩১৬

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন শ্রমমন্ত্রী

সিলেট, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল):

আগামীকাল সকাল ১০ টায় টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। একই দিনে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।

প্রথম ধাপে সারাদেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মাঝে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে জুড়ী উপজেলার ১ হাজার ১০০ জন কৃষক কার্ড পাচ্ছেন। আগামী ৪ বছরে
১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার, যার প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮১ কোটি টাকা। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধখামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে ঋণ এবং কৃষি বিমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন। পেশাজীবী হিসেবে কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ১২ লাখ কৃষকের ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার কৃষিঋণ মওকুফ করেছে বিএনপি সরকার। প্রকৃত কৃষক শনাক্ত করতে ভূমিহীন (৫ শতাংশের কম জমির মালিক), প্রান্তিক
(৫-৪৯ শতাংশ) ও ক্ষুদ্র (৫০-২৪৯ শতাংশ) সহ মোট ৫টি শ্রেণিতে কৃষকদের বিভক্ত করে ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরির মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

#

বোরহান/খাদীজা/মারুফা/আতিক/সাঈদা/আসমা/২০২৬/৯৩০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন