কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬ এ ০৯:০৬ PM

Handout 1 April 2026

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ০১-০৪-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০১-০৪-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১৩৭

মুম্বাইয়ে ৫৫তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে কূটনৈতিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

মুম্বাই (ভারত), ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):

যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মুম্বাইস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে বাংলাদেশের ৫৫তম মহান স্বাধীনতা এবং জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মুম্বাইয়ের ঐতিহ্যবাহী পাঁচতারকা হোটেল, তাজ প্যালেসে একটি কূটনৈতিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মহারাষ্ট্র সরকারের সচিব (রাষ্ট্রাচার, বৈদেশিক বিনিয়োগ, প্রবাসী-কল্যাণ ও প্রচার) এবং প্রধান রাষ্ট্রাচার কর্মকর্তা ড. রাজেশ গাওয়ান্ডে, আইএফএস এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে উভয় দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। পরে প্রধান অতিথি এবং উপ-হাইকমিশনার তাদের বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক পারস্পরিক সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে গভীরভাবে আবদ্ধ। ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরো জোরালো ও সুদৃঢ় হবে মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিল্পীদের বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

বাংলাদেশের কূটনৈতিক সংবর্ধনায় মুম্বাইয়ে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, মহারাষ্ট্র সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ, মুম্বাইভিত্তিক ভারতের ব্যবসায়ী ও চেম্বার নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতের সামরিক কর্মকর্তা, মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রী, শিল্পী, সাংবাদিক, ভারতের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন, হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ তাদের পরিবারসহ উপস্থিত ছিলেন।

#

বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, মুম্বাই/শাহাদাত/ফেরদৌস/সঞ্জীব/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/২০.৪০ ঘণ্টা

Handout Number: 3136

High Commissioner of Maldives Calls on State Minister for Foreign Affairs

Dhaka, 01 April:

The High Commissioner of the Maldives to Bangladesh Shiuneen Rasheed, paid a courtesy call on the State Minister for Foreign Affairs, Shama Obaed Islam, at the Ministry of Foreign Affairs today. The High Commissioner congratulated the State Minister on her assumption of the office.

The State Minister expressed appreciation for the participation of the President and the Foreign Minister of the Maldives in the swearing-in ceremony of the new Government, as well as the participation of the Minister for Higher Education, Labour and Skill Development of the Maldives at the State Funeral of former Prime Minister Begum Khaleda Zia.

During the meeting, both sides emphasized the importance of further strengthening bilateral cooperation in different areas including trade, health, education, connectivity and unlocking the vast untapped potential between the two countries. The State Minister underscored the importance of increased exchanges of business delegations between the two countries and welcomed the resumption of direct Malé–Dhaka flights by ‘Maldivian’, the national carrier of the Maldives, from 12 March 2026.

The High Commissioner appreciated the contributions of Bangladeshi migrant workers to the socio-economic development of the Maldives. The State Minister expressed sincere appreciation to the Government of the Maldives for extending employment opportunities to Bangladeshi workforce and requested the Maldives to consider recruiting more skilled and semi-skilled workers from Bangladesh. The High Commissioner conveyed the interest of the Maldives in recruiting healthcare workers from Bangladesh.

The State Minister expressed appreciation for the continued support of the Government of Maldives on the Rohingya issue. The State Minister conveyed the Government of Bangladesh’s commitment to revitalizing SAARC, with both sides emphasizing the importance of strengthening regional cooperation.

#

Kamrul/Kamruzzaman/Shahadat/Ferdows/Sanjib/Rafiqul/Salim/2026/19.55 Hrs.

Handout Number: 3135

Foreign Affairs Adviser conveys Prime Minister’s messages

of solidarity and holds meetings with leaders of Oman

Muscat (Oman), 01 April:

Foreign Affairs Adviser to the Prime Minister of Bangladesh, Humaiun Kobir, called on the Foreign Minister of Oman Sayyid Badr bin Hamad bin Hamood Albusaidi and handed over a personal letter from the Prime Minister of Bangladesh, Tarique Rahman, addressed to the Sultan of Oman Haitham bin Tarik in Oman today.

In the letter, the Prime Minister conveyed Bangladesh’s solidarity with the leadership, governments, and brotherly peoples of Oman in the context of the current regional situation. Prime Minister expressed his deep concerns on the attacks on Oman and loss of lives and properties. He expressed deep appreciation for the continued support extended by Omani government in hosting a large number of Bangladeshi expatriates and for the measures taken to ensure their safety and well-being. The Prime Minister also conveyed Bangladesh’s readiness to extend any necessary support, should it be considered useful by the Omani government.

During the meeting, the Foreign Affairs Adviser appreciated the constructive roles played by Oman to negotiate the dispute between Iran and United States and promoting peace, dialogue and diplomacy in the region. The discussion also covered the excellent state of bilateral relations between Bangladesh and Oman, with a shared commitment to further strengthening cooperation across sectors of mutual interest.

The Foreign Affairs Adviser is currently undertaking a visit to several Gulf countries as the Special Envoy to the Prime Minister, to convey his messages to the leadership and further reinforce Bangladesh’s engagement with the region.

#

Kamrul/Kamruzzaman/Ferdows/Sanjib/Rafiqul/Salim/2026/19.35 Hrs.

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১৩৪

লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭৫ বাংলাদেশি

ঢাকা, ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):

লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় লিবিয়ার ত্রিপলীস্থ তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ১১৩ জন এবং বেনাগাজীস্থ গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ৬২ জনসহ মোট ১৭৫ জন স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবাসনেচ্ছুক অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে আজ বুরাক এয়ারের ফ্লাইটযোগে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ গমনের উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে বলে জানা যায়। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন মর্মে অভিযোগ রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তাগণ প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সকলের সাথে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথখরচা, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা একসাথে কাজ করে যাচ্ছে।

#

কামরুল/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/রফিকুল/কনক/সেলিম/২০২৬/১৮.৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১৩৩

নারায়ণগঞ্জে ১৩ হাজার ৯৮০ লিটার ডিজেল উদ্ধার, জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান

ঢাকা, ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):s

গতকাল নারায়ণগঞ্জে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযানে ১৩ হাজার ৯৮০ লিটার ডিজেল উদ্ধার, জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

সিদ্ধিরগঞ্জ গোদনাইলস্থ মেঘনা ডিপোর ঈদগাহর পাশের স্পটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ১০০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয় এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ মজুতদার সিফাতকে ছয় হাজার টাকার অর্থদণ্ড ও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

এছাড়া, গোদনাইলস্থ মেঘনা ডিপোর পাশের এলাকায় এস এ রোডে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ৮৮০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। অভিযুক্ত নাসিরকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

#

আরিফ/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/রফিকুল/সেলিম/২০২৬/১৮.৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১২৯

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত Ghanshyam Bhandari সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, শিক্ষা ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরো জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল উভয়ই জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হওয়ায় সবুজায়ন সম্প্রসারণ এবং জ্বালানি খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি অপরিহার্য। তিনি পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের উদ্যোগ এবং জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত নেপালের বন ব্যবস্থাপনায় সাফল্য তুলে ধরে জানান, দেশটির প্রায় ৪৫ শতাংশ এলাকা বনভূমি। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ-নেপাল সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বিমসটেকের আওতায় যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ রায়হান কাওছারসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

উভয় পক্ষ পরিবেশ সংরক্ষণ, বন ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে একমত পোষণ করেন ।

#

মালেক/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৮১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১২৮

বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের

ঢাকা, ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের সাথে আজ তাঁর দপ্তরে জাপান ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কোইকে ওয়াকাও এবং হরি ইউকো সাক্ষাৎ করেন। প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ আমন্ত্রণে বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের স্থায়ী অফিস স্থাপনের সম্ভাবনা ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাপানের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও ঐতিহাসিক। জাইকা আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, তাকে সফল করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। জাপান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে অফিস স্থাপন করলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদান করবে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোখতার আহমেদ কর্মীদের দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, জাপানে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু ভাষাই প্রধান অন্তরায় নয়, জাপানিজ সংস্কৃতি ও আচার-আচরণ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকাও জরুরি। জাপানি প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে সরাসরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে কর্মীরা খুব সহজেই সে দেশের কর্মপদ্ধতির সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন পরামর্শ দেন যে, জাপানিজদের সহায়তার ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জাপান দূতাবাসের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করা প্রয়োজন। এর আগেই সরকারের পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তৈরি রাখার ওপর তিনি জোর দেন।

জাপান ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি কোইকে ওয়াকাও বাংলাদেশের আন্তরিকতাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে অফিস খোলার বিষয়ে সরকারের এই আগ্রহের বার্তা আমি অবশ্যই আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেব।

সাক্ষাৎকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

শরীফুল/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৭৫০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১২৬

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও সিলেট জেলা

স্টেডিয়াম পরিদর্শন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সিলেট, ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক আজ সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছেন।

স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী উপস্থিতি হয়ে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। একই সময়ে দেশের ৬৪ জেলাতেও একযোগে কর্মসূচিটি চালু করা হবে।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর আওতায় ফুটবল, ক্রিকেটসহ সাতটি ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। মূলত তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ায় সম্পৃক্ত করা এবং তৃণমূল থেকে প্রতিভা তুলে আনাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। তিনি বলেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জন্য ক্রীড়া বৃত্তির ব্যবস্থাও রাখা হবে। তিনি বলেন, গত ৩০ মার্চ তারিখে প্রতিটি খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড়ের মধ্যে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা শুরু হয়েছে এবং আগামী সাত কার্য দিবসে মধ্যে অবশিষ্ট খেলোয়াড়দের এই ভাতা প্রদান করা হবে।

স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে উন্নয়নের নামে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে, যার প্রতিফলন সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের জীর্ণ অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

#

আলম/কামরুজ্জামান/ফেরদৌস/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৭৪০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১২৫

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর সাথে

UNOPS-এর প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন-এর সাথে আজ ঢাকায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘ প্রকল্প পরিষেবা অফিসের (UNOPS) বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার Sudhir Muralidharan-এর নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে মন্ত্রী জাহিদ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইউনিভার্সাল সিস্টেমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানকে দেওয়া হবে। বৈঠকে তিনি এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত তথ্যাদি তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১০ মার্চ ঢাকায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হয়েছে যারা প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা করে আর্থিক সহযোগিতা পাচ্ছেন। তিনি জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করা হবে, যেই কার্ড হবে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রদানের নামে নাগরিক হিসেবে একটি সম্মানজনক স্বীকৃতি। মন্ত্রী দরিদ্র ছেলে এবং মেয়েদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে কেয়ারগিভারের ওপরও আলোকপাত করেন।

মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনকে UNOPS-এর পক্ষ থেকে প্রতিনিধি Sudhhir Muralidharam অভিনন্দন জানান। তিনি বর্তমান সরকার কর্তৃক পরিবারের নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যুর উদ্যোগকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি ফ্যামিলি কার্ড প্রদান কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদানসহ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে সামাজিক নিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

#

রফিক/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/আলী/মিজান/২০২৬/১৫৪০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১২৪

টেকসই ও কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়নে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

ঢাকা, ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):

স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-তে অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পসমূহের ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা আজ ঢাকায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কোনো প্রকল্পের কাজ যেন অযৌক্তিকভাবে আটকে না থাকে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পসমূহ দ্রুত সম্পন্ন নিশ্চিত করতে তিনি তাগিদ দেন। তিনি টেকসই ও কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়নে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সভায় সংস্থাভিত্তিক অর্থবরাদ্দ, সমাপ্তির অপেক্ষায় থাকা প্রকল্পসমূহের তালিকা এবং চলমান গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জসমূহ উপস্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে আলোচনার ভিত্তিতে মন্ত্রী প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন আরো গতিশীল, কার্যকর এবং সময়োপযোগী করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রচলিত ধ্যানধারণা থেকে বেরিয়ে এসে বাস্তবসম্মত ও টেকসই দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে। গড্ডলিকা প্রবাহে নামমাত্র প্রকল্প গ্রহণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি)-তে এক্সিট প্ল্যান, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং টেকসই উন্নয়নের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারমূলক কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে অধিক সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। একই সঙ্গে ঢাকাসহ দেশের নদ-নদী রক্ষায় বৃহৎ ও সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্প ডিজাইনের সময় সম্ভাব্য সকল ঝুঁকি ও বিষয় বিবেচনা করতে হবে এবং চলমান প্রকল্পগুলোতে প্রয়োজন অনুসারে যথাযথ পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া প্রকল্প পরিচালক পরিবর্তন না করার নির্দেশ দেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন চলমান প্রকল্পের পরিচালকগণ সশরীরে ও অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন।

#

ফয়সল/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/মিতু/সুবর্ণা/সাঈদা/আলী/জোহরা/২০২৬/১৪১৫ ঘণ্টা

https://objectstorage.ap-dcc-gazipur-1.oraclecloud15.com/n/axvjbnqprylg/b/V2Ministry/o/office-pressinform/2026/3/6890a840-304b-4cc5-91d4-5de29b9013d1.png

Handout Number: 3123

Biography of Power, Energy and Mineral Resources Minister Iqbal Hassan Mahmood

Dhaka, 1 April:

Valiant Freedom-fighter Iqbal Hassan Mahmood was born on 10 May 1950 in a distinguished Muslim family in Sirajganj. His father, Abdullah Al-Mahmud, and mother, Begum Abeda Khatun, greatly influenced his early life and values. His father was a renowned politician who served as Minister for Power, Energy and Mineral Resources and Water Resources in the then Pakistan government. He was also a former Member of the National Assembly of Pakistan, the Bengal Legislative Assembly, and the Indian Legislative Council.

Throughout his academic life, Iqbal Hassan Mahmood demonstrated outstanding merit and leadership. In 1975, he completed his Master’s degree with Honours from the University of Dhaka. From his student years, he was actively engaged in social and political activities. His spouse, Rumana Mahmood, was a former Member of Parliament. In his personal life, he is the father of one son and one daughter.

Iqbal Hassan Mahmood played a significant role in the pivotal movements of the nation. He actively participated in the historic Eleven-Point Movement of 1969 as a member of the East Pakistan Students’ Union. In 1971, he took part in the Great War of Liberation, contributing to the country’s struggle for independence.

In the post-independence period, he continued to play an active role in national politics and was elected as a Member of Parliament four times through direct vote. He served as a Member of the Law Commission and made notable contributions at the organizational and policy-making levels as a Member of the National Standing Committee of the Bangladesh Nationalist Party (BNP). His political philosophy is rooted in democracy, rule-based governance, and the welfare of the people.

Alongside his political career, Iqbal Hassan Mahmood has gained extensive experience in industry and commerce. For over the past four decades, he has served as a sponsor director in various projects. He was a former Director of the Bangladesh Shilpa Rin Sangstha (BSRS), a leading industrial financing institution, and served as President of the Dhaka Chamber of Commerce & Industry (DCCI). He has also held key leadership roles in major industrial enterprises, including Managing Director of Apex Weaving & Finishing Mills Limited; former Director of Apex Tannery Limited, and former Deputy Managing Director of Apex Foods Limited and Apex Spinning & Knitting Mills Limited. Since 1978, he has represented Bangladesh in promoting the country’s export-oriented industries at international level.

The life and career of Valiant Freedom-fighter Iqbal Hassan Mahmood reflect dedication, patriotism, political foresight, and significant contributions to industry and commerce-an exemplary journey aligned with the nation’s development aspirations.

#

Arif/Khadiza/Kutub/Fatema/Marufa/Mitu/Kamal/2026/1354 hours


minister

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১২২

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা

ইকবাল হাসান মাহমুদের জীবনবৃত্তান্ত

ঢাকা, ১৭ চৈত্র (১ এপ্রিল):

বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল হাসান মাহমুদ ১৯৫০ সালের ১০ মে সিরাজগঞ্জের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদ এবং মাতা বেগম আবেদা খাতুন। তাঁর পিতা ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও তৎকালীন পাকিস্তানের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। এছাড়া তাঁর পিতা পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের প্রাক্তন সদস্য, বঙ্গীয় আইনসভার সদস্য এবং ভারতীয় আইন পরিষদের সদস্য ছিলেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর সহধর্মিণী রুমানা মাহমুদও একজন সাবেক সংসদ সদস্য। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক পুত্র ও এক কন্যার জনক।

জাতির গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রামসমূহে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক এগার দফা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে গণআন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে তিনি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদান রাখেন।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি ধারাবাহিকভাবে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং চারবার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি আইন কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে সংগঠন ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। গণতন্ত্র, ন্যায়ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা ও জনগণের কল্যাণ তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি।

রাজনীতির পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রেও ইকবাল হাসান মাহমুদ সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি বিভিন্ন প্রকল্পে স্পনসর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি শিল্প অর্থায়নে নিয়োজিত বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (বিএসআরএস) এর প্রাক্তন পরিচালক ছিলেন এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও এপেক্স উইভিং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এপেক্স ট্যানারি লিমিটেডের প্রাক্তন পরিচালক, এপেক্স ফুড লিমিটেড এবং এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেডের প্রাক্তন ডিএমডি হিসেবে শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখেন। ১৯৭৮ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল হাসান মাহমুদের জীবন সংগ্রাম, দেশপ্রেম, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং শিল্প-বাণিজ্যে অবদান জাতীয় উন্নয়নের ধারায় এক অনন্য উদাহরণ।

#

আরিফ/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/মিতু/কামাল/২০২৬/১২৫১ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১২১

বৃক্ষরোপণকে সামাজিক নয়, ব্যক্তি আন্দোলনে রূপ দিতে চাই

-শেখ রবিউল আলম

ঢাকা, ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতের লক্ষ্যে গৃহীত এ কর্মসূচিকে ব্যক্তি পর্যায়ের আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর পূর্বাচলে ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ে হতে মাদানি এভিনিউ সংযোগ সড়কে সরকার ঘোষিত ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপণ সরকারের একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি এবং একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এ উদ্যোগের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণকে আমরা শুধু একটি আনুষ্ঠানিক বা সামাজিক কর্মসূচি হিসেবে দেখতে চাই না; বরং এটিকে ব্যক্তি পর্যায়ের আন্দোলনে রূপ দিতে চাই। দেশের প্রতিটি দপ্তর, মন্ত্রণালয়, সংস্থা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ জনগণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, আজকের উদ্বোধন অনুষ্ঠান কেবল একটি সূচনা মাত্র-এটি যেন কোনোভাবেই আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে। বরং আজ থেকেই সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন দেশের সকল সড়ক ও মহাসড়কে বাস্তবভিত্তিক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক পরিহার করে সাশ্রয়ী, অনাড়ম্বর এবং কার্যক্রমবান্ধব পদ্ধতিতে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

সড়ক ও সেতু মন্ত্রী বলেন, কার্যক্রমবান্ধব বলতে আমরা বুঝি-যে এলাকায় যে গাছ ভালো জন্মায়, সেই গাছ নির্বাচন করা, উপযুক্ত মানের চারা ব্যবহার করা এবং রোপণের পর সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা। আমরা চাই না শুধু গাছ লাগিয়ে দায়িত্ব শেষ করা হোক; বরং আমরা চাই, ১০০টি গাছ লাগালে অন্তত ৮০ থেকে ৮৫টি গাছ যেন টিকে থাকে এবং পূর্ণতা পায়। গাছের পরিচর্যা, সুরক্ষা এবং নিয়মিত তদারকির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

জনগণকে সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই কর্মসূচিকে সফল করতে হলে এটিকে মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের অংশ করে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি তাদের পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনদেরও এই কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করতে হবে। এতে করে একটি বৃহৎ সামাজিক সচেতনতা তৈরি হবে এবং কর্মসূচিটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিস্তৃত হবে।

পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রয়োজনীয় বনভূমির ঘাটতি রয়েছে এবং ভবিষ্যতে বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে এ বছর ৫ কোটি এবং আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ওপর বর্তায়। মন্ত্রী আরো জানান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়ক, সংযোগ সড়ক এবং নতুন সড়ক নির্মাণ প্রকল্পসমূহে যেখানে যেখানে সুযোগ রয়েছে, সেখানে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করা হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’ গ্রহণ করা হয়েছে, যা একটি টেকসই ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এই উদ্যোগকে সফল করতে হলে কেবল সরকারি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; বরং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, সাধারণত বর্ষা মৌসুমে বৃক্ষরোপণ শুরু হলেও সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ বছর ১ এপ্রিল থেকেই এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তিনি জানান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সকল দপ্তর ও সংস্থার মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

#

নোবেল/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/আলী/মিজান/২০২৬/১৪৩০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১২০

ভূমি ভবনের সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ের সাত রাস্তা মোড়ে ‘ভূমি ভবন’ পরিদর্শন করেছেন। এসময় তিনি ভূমি ভবনে নাগরিকদের সেবা প্রদান কার্যক্রম সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ভূমি ভবনের বিভিন্ন শাখা ঘুরে দেখেন এবং ডিজিটাল ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে নাগরিকরা কিভাবে সেবা পাচ্ছেন, তা পর্যবেক্ষণ করেন। বিশেষ করে এস.এ. খতিয়ান, আর.এস. খতিয়ান, নামজারি খতিয়ান এবং মৌজা ম্যাপ সংগ্রহের জন্য আগত সেবা প্রত্যাশীদের সাথে তিনি সরাসরি কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী তাদের কাছ থেকে সেবার মান এবং কোনো ধরনের ভোগান্তি হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।

উপস্থিত সেবা গ্রহীতাদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন বলেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে একটি আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা ও জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। ভূমি সংক্রান্ত সেবা পেতে সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হয় এবং দ্রুততম সময়ে কাঙ্ক্ষিত সেবা পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তিনি নির্দেশ প্রদান করেন।

এসময় প্রতিমন্ত্রীর সাথে তাঁর একান্ত সচিব এবং ভূমি ভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

রেজুয়ান/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/মিতু/সুবর্ণা/সাঈদা/আলী/জোহরা/২০২৬/১৪১৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১১৯

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬১ হাজার মে. টন গম বহণকারী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে

ঢাকা, ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):

বাংলাদেশ সরকার ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (MoU) আলোকে নগদ ক্রয় চুক্তি নম্বর জি টু জি-০৩ এর অধীনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬১ হাজার মেট্রিক টন গম নিয়ে এমভি এমপি আল্ট্রাম্যাক্স-২ (MV.MP ULTRAMAX 2) জাহাজটি আজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে।

ইতোপূর্বে জি টু জি-০৩ চুক্তির আওতায় প্রথম শিপমেন্টের মাধ্যমে ৫৮ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন এবং দ্বিতীয় শিপমেন্টের মাধ্যমে ৬২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন গম দেশে পৌঁছেছে।

এমভি এমপি আল্ট্রাম্যাক্স-২ জাহাজে রক্ষিত গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং দ্রুত গম খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জাহাজে রক্ষিত ৬১ হাজার মেট্রিক টন গমের মধ্যে ২৯ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন গম চট্টগ্রামে এবং অবশিষ্ট ৩১ হাজার ৫৫০মেট্রিক টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সরকার টু সরকার (জি টু জি) ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি কার্যক্রম শুরু করেছে। জি টু জি-০১ ও ০২ চুক্তির আওতায় আমদানিকৃত সকল গম দেশে পৌঁছেছে।

উল্লেখ্য, জি টু জি-০১ মোতাবেক ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন এবং জি টু জি-০২ মোতাবেক ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৯ মেট্রিক টন মোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে।

#

ইমদাদ/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/সুবর্ণা/সাঈদা/আলী/মিজান/২০২৬/১২৫০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১১৮

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ইসলামাবাদে কূটনৈতিক অভ্যর্থনা অনুষ্ঠিত

ইসলামাবাদ, ১ এপ্রিল:

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল ইসলামাবাদে সেরেনা হোটেলে বর্ণাঢ্য কূটনৈতিক অভ্যর্থনা ও নৈশ্যভোজের আয়োজন করা হয়। পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান ও তাঁর সহধর্মিনী নাহিদ রওশন এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তাগণ অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান।

পাকিস্তান সরকারের পক্ষে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণা বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী রানা তানভীর হুসেন প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া, সিনেটর ও জাতীয় পরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানগণ, পাকিস্তান সরকারের বেসামরিক ও সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সাত শতাধিক অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে উভয় দেশের জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে সকলকে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। দু’দেশের মধ্যকার সরাসরি বিমান ও জাহাজ চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়ন, শিক্ষা, পর্যটন, সংস্কৃতি, শিল্প, স্বাস্থ্য সেবা, কৃষি, জ্বালানিখাতে সহযোগিতা জোরদারে ও ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার সচেষ্ট আছে।

বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার শান্তিপ্রিয়। দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তথা বিশ্ব শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে সকল প্রকার যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ করে বিশ্ববাসীকে বিপদমুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণা বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এ সম্পর্ক আরো জোরদার করার মাধ্যমে দু’দেশের মানুষের উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

#

তৈয়ব/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/মারুফা/মিতু/সুবর্ণা/সাঈদা/আলী/জোহরা/২০২৬/১২১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১১৭

সৌদি মানবসম্পদ বিষয়ক উপমন্ত্রীর সাথে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর বৈঠক

বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি এবং ভাষা ও দক্ষতার স্বীকৃতি নিয়ে আলোচনা

জেনেভা, ১ এপ্রিল :

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৫৬তম গভর্নিং বডি অধিবেশনের সাইডলাইনে ৩০ মার্চ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর সাথে সৌদি আরবের মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপমন্ত্রী ড. তারিক বিন আব্দুল আজিজের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে অর্জিত দক্ষতার স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সৌদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদার এবং জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান উপস্থিত ছিলেন।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সৌদি রাজ পরিবারের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। মন্ত্রী সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এ সংকটকালে সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি কর্মীদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদানের জন্য সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ জানান। বৈঠকে সৌদি উপমন্ত্রী আইএলও-তে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আনীত কতিপয় মামলার আলোচনায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

সাক্ষাৎকালে সৌদি উপমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আরো দক্ষকর্মী নেয়ার বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিকরা সৌদি আরবের উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সৌদি সরকারের সাথে সহযোগিতা বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশে অর্জিত দক্ষতাকে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সৌদি সরকারকে অনুরোধ জানান। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের কিছু কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে সৌদি আরবের তত্ত্বাবধানে ঢেলে সাজানোর জন্য এবং অভিবাসন প্রত্যাশী কর্মীদের আরবি ভাষা প্রশিক্ষণের জন্য অনুরোধ করেন। এতে সৌদি আরবের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী যোগ্যতার স্বীকৃতি প্রদানে সুবিধা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে সৌদি উপমন্ত্রী প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশ ও সৌদি আরব শ্রমক্ষেত্রে পারস্পরিক অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার বিষয়ে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

#

শরীফুল/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/সাঈদা/আলী/আসমা/২০২৬/১০৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১১৬

আইএলও মহাপরিচালকের সাথে শ্রমমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতার আশ্বাস

জেনেভা, ১ এপ্রিল:

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)’র মহাপরিচালক জিলবার্ট হোংবো সরকারের অগ্রাধিকারের সাথে সংহতি রেখে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আইএলও’র পক্ষ থেকে সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। ৩৫৬তম আইএলও গভর্নিং বডিতে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে জেনেভা সফররত শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সংস্থাটির মহাপরিচালক এ আশ্বাস দিয়েছেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদার অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকের শুরুতেই আইএলও মহাপরিচালক জিলবার্ট হোংবো একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে এ গণতান্ত্রিক উত্তরণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকারের সাথে আইএলও কাজ করতে আগ্রহী বলে তিনি জানান। শ্রমমন্ত্রী মহাপরিচালককে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।

শ্রমমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সরকারের জন্য গুরত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারগুলোর একটি। এক্ষেত্রে আইএলও’র সহযোগিতা বিশেষত আইএলও ঢাকা অফিস আরো বেশি উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। আইএলও মহাপরিচালক শ্রমমন্ত্রীর সাথে ঐকমত্য পোষণ করেন এবং এক্ষেত্রে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চলমান আর্টিকেল ২৬ মামলা নিষ্পত্তির বিষয়ে মহাপরিচালকের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন শ্রমমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে মহাপরিচালক বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কূটনৈতিক তৎপরতার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, মিশন আইএলওর বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ, সংস্থাটির গভর্নিং বডিতে সভাপতিত্ব, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় সমন্বয়ক এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে যার ফলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চলমান মামলায় বিপুল সমর্থন পেয়েছে। এক্ষেত্রে দেশে শ্রমক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ সুদৃঢ় করা গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুযায়ী অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, বহুজাতিক কোম্পানি ও বিপণন প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত করার ক্ষেত্রে মহাপরিচালকের সহযোগিতা কামনা করেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা যেমন- স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা, দুর্ঘটনা বিমা ইত্যাদি কার্যক্রমে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর অবদান রাখার ক্ষেত্রে মহাপরিচালক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিশ্রুত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট রয়েছে। জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও শ্রম অধিকার সমুন্নতকরণে কাজ করে যাচ্ছি।

শ্রমমন্ত্রী আগামী জুনে মহাপরিচালকের বাংলাদেশ সফরের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। বৈঠকে জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবদুস সামাদ আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

#

শরীফুল/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/আলী/আসমা/২০২৬/৯.০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ৩১১৫

বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্ব পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা এবং অগ্রগতির গভীরে প্রোথিত

-সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ চৈত্র (১ এপ্রিল):

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্ব পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা এবং অগ্রগতির গভীরে প্রোথিত। জাপানকে বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা দুই দেশের মধ্যকার অটুট বন্ধুত্ব বিগত কয়েক দশক ধরে ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যৌথ শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার জন্য জাপানের সাথে বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করতে আমরা দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মন্ত্রী গতকাল ঢাকায় বাংলাদেশের জাপান দূতাবাসে জাপানের সম্রাটের জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত দেশটির জাতীয় দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি সফলভাবে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রূপান্তর সম্পন্ন করেছে। বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করা, বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকার জনগণের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে সুসংহত ও প্রসারিত করার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছে এবং আমাদের কৃষক সম্প্রদায়কে সহায়তা করার জন্য ‘কৃষি কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধিসহ এ ক্ষেত্রগুলিতে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতাকে মূল্য দেই।

বাংলাদেশ-জাপানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বলিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর প্রতিষ্ঠিত উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, জাপান বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে অবকাঠামো, জ্বালানি ও সংযোগ খাতে যুগান্তকারী অবদান রেখে চলেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে তিনি অভিহিত করেন। এছাড়াও বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য জাপানের অব্যাহত মানবিক সহায়তার গভীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে একটি টেকসই সমাধানের জন্য জাপানের গঠনমূলক সম্পৃক্ততা অপরিহার্য।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত SAIDA Shinichi সহ বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতগণ, হাইকমিশনারগণ, মিশন প্রধানগণ, কূটনৈতিক সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যবৃন্দ এবং বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

তাহমিনা/খাদীজা/কুতুব/ফাতেমা/সাঈদা/আলী/মিজান/২০২৬/৯.২০ ঘন্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন