কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ০৯:৫৬ PM

তথ্যবিবরণী ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ০৭-০২-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০৮-০২-২০২৬

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৪৬

ইশারা ভাষা করুণা নয়, অধিকার-রাষ্ট্রই তা নিশ্চিত করবে

উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

ঢাকা, ২৪ মাঘ (৭ ফেব্রুয়ারি):

সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, ‘ইশারা ভাষা করুণা নয়। বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব কোনো চ্যারিটি নয়-এটি তাদের অধিকার।’

আজ ঢাকায় জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা বলেন, ইশারা ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মানুষের ভাষাগত পরিচয়, আত্মমর্যাদা ও নাগরিক অধিকারের ভিত্তি। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্য ও বিচার ব্যবস্থায় সকল নাগরিকের সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

উপদেষ্টা আরো বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর ও গণমাধ্যমে ইশারা ভাষার ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা সম্ভব। সরকারি গণমাধ্যমে ইশারা ভাষার ব্যবহার এর ইতিবাচক উদাহরণ।

অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ তরিকুল আলম (অতিরিক্ত সচিব) সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন সরকার। অনুষ্ঠান শেষে মেধাবী বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

#

রফিকুল/পবন/ফেরদৌস/মোশারফ/সেলিম/২০২৬/২১২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৪৫

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনকে কৃষি সমাজ উন্নয়নের মডেল

হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান শারমীন এস মুরশিদের

ঢাকা, ২৪ মাঘ (৭ ফেব্রুয়ারি):

সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, কৃষি সমাজের উন্নয়নে সরকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনকে একটি মডেল হিসেবে তৈরি করতে চায়। তিনি বলেন, সর্বস্তরের কৃষিবিদ এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদেরকে সমন্বিতভাবে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ব্যবস্থাপনাকে এগিয়ে নিতে হবে।

উপদেষ্টা আজ ঢাকায় ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের বোর্ডরুমে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনা, সংস্কার এবং পরিচালনায় অর্জিত সাফল্য শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রশাসক লে. কর্ণেল (অব.) মোঃ আব্দুর রব খান, সাবেক মহাসচিব কৃষিবিদ আনোয়ারুন নবী মজুমদার বাবলাসহ সমাজসেবা অধিদপ্তরের অন্যান্য প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তদারকির অভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির প্রভাবমুক্ত করে কেআইবিকে একটি দক্ষ ও প্রতিনিধিত্বশীল পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দক্ষ প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। অতঃপর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দিকনির্দেশনায় ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়। এই ধারাবাহিকতায় গত ৪ জানুয়ারি সকল স্টেকহোল্ডারের অংশগ্রহণে একটি ‘অন্তর্বর্তীকালীন উপদেষ্টা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে যা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে নতুন গতির সঞ্চার করেছে।

শারমীন এস মুরশিদ বলেন, আমি বিশ্বাস করি বর্তমানে যে অংশগ্রহণমূলক মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে কেআইবি ভবিষ্যতে সকল কৃষিবিদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে। এই মডেলটি ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের সংকটে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে এবং বাংলাদেশের অন্যান্য পেশাজীবী সংগঠনের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

#

রফিকুল/পবন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/কনক/সেলিম/২০২৬/২১০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৪৪

বিআরটিসির নিজস্ব কারখানায় নির্মিত আধুনিক এসি বাস আমাদের সক্ষমতার প্রতীক

- শেখ মইনউদ্দিন

গাজীপুর, ২৪ মাঘ (৭ ফেব্রুয়ারি):

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী শেখ মইনউদ্দিন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)-এর নিজস্ব অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় নির্মিত দুইটি আধুনিক এসি বাসের উদ্বোধন করেছেন। আজ গাজীপুরের সমন্বিত কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ মইনউদ্দিন বলেছেন, বিআরটিসির নিজস্ব কারখানায় নির্মিত আধুনিক এসি
বাস-আমাদের সক্ষমতার প্রতীক। তিনি বলেন, দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে সক্ষমতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে বিআরটিসিকে নেতৃত্ব দিতে হবে। ভবিষ্যতে যেন শুধু নিজেদের বহরের বাসই নয়, বাইরের বাসও এখানে সংযোজন করা যায়-সে লক্ষ্যে সক্ষমতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব বলেন, আমাদের মেধা ও দক্ষতার সর্বোচ্চ উৎকর্ষ সাধন করতে হবে। বিআরটিসির সম্প্রসারণের সুযোগ অনেক বেশি এবং আমরা সংস্থাটিকে আরো এগিয়ে নিতে চাই। এটি নতুন যুগের সূচনা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং সভাপতিত্ব করেন বিআরটিসি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, সংস্থা প্রধান ও প্রতিনিধিগণ, বিআরটিসির শীর্ষ কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

#

নোবেল/পবন/সঞ্জীব/কনক/শামীম/২০২৬/১৯৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৪৩

আঞ্চলিক তথ্য অফিস সিলেটে গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান প্রধান তথ্য অফিসারের

সিলেট, ২৪ মাঘ (৭ ফেব্রুয়ারি)

প্রধান তথ্য অফিসার মোঃ নিজামূল কবীর বলেছেন, গণমাধ্যম সমাজের দর্পণস্বরূপ। দেশের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের দ্বায়িত্বশীল ভূমিকা রাষ্ট্রকে সঠিক পথ দেখায়। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে গণমাধ্যমকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রধান তথ্য অফিসার আজ সিলেট আঞ্চলিক তথ্য অফিসে তথ্য অধিদফতর আয়োজিত গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মোঃ নিজামূল কবীর বলেন, তথ্য অধিদফতর গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। এ উপলক্ষ্যে প্রস্তুতকৃত সচেতনতামূলক বিভিন্ন কনটেন্ট, টিভিসি, থিম সং, আটটি বিভাগের আটটি আঞ্চলিক ভাষায় গানসহ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, গণভোট ও পোস্টাল ব্যালট সম্পর্কিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন বিভাগে সেমিনার, কর্মশালা ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করছে তথ্য অধিদফতর।

তিনি আরো বলেন, গণভোট নিয়ে তরুণরা উচ্ছ্বসিত। তরুণদের এ উচ্ছ্বাসকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি গ্রামের সাধারণ জনগণ ও নারীদের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। গণভোট কী, কেন এবং কীভাবে ভোট দিতে হবে- এসব বিষয়ে জনগণের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। তাই গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুবিধা এবং আচরণবিধি সহজভাবে জনগণের কাছে তুলে ধরতে হবে।

উপপ্রধান তথ্য অফিসার হাছিনা আক্তারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে কর্মশালায় অতিরিক্ত প্রধান তথ্য অফিসার ইয়াকুব আলী, উপপ্রধান তথ্য অফিসার নাসরীন জাহান লিপি ও মোল্লা আহমদ কুতুবুদ- দ্বীন বিভিন্ন বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন।

কর্মশালায় ইলেকট্রনিক মিডিয়া, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিকগণ তাদের মতামত ও নির্বাচন বিষয়ক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

#

ডলি/পবন/সঞ্জীব/কনক/আব্বাস/২০২৬/১৮৪৬ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী নম্বর : ২৪৪২

চার পদ্ধতিতে ভোটারগণ জানতে পারবেন ভোটকেন্দ্রের তথ্য

ঢাকা, ২৪ মাঘ (ফেব্রুয়ারি):

আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারগণের ভোটপ্রদানের সুবিধার্থে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানার জন্য চারটি সহজ পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এসব পদ্ধতির মাধ্যমে ভোটারগণ দ্রুত ও নির্ভুলভাবে ভোটার নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন।

পদ্ধতি-১ (Smart Election Management BD অ্যাপ)

ভোটারগণ Smart Election Management BD অ্যাপের মাধ্যমে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন। এজন্য ভোটারকে Play Store বা App Store থেকে Smart Election Management BD অ্যাপ ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে। অ্যাপটি ইনস্টলের পর ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ সিলেক্ট করে ‘ভোট কেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ ইনপুট দিয়ে অনুসন্ধান করলে ভোটার নম্বর, ভোটার ক্রমিক নম্বর, ভোটকেন্দ্রের নাম ও কেন্দ্রের ঠিকানা প্রদর্শিত হবে।

পদ্ধতি-২ (হটলাইন নম্বর ১০৫)

ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানার জন্য বাংলাদেশের যে-কোনো ভোটার হটলাইন নম্বর ১০৫-এ কল করতে পারবেন। এজন্য হটলাইন নম্বর ১০৫-এ কল করার পর অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ প্রেস করতে হবে। এ পদ্ধতিতে তথ্য জানতে ভোটারের এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ প্রয়োজন। এজন্য এসব তথ্য হাতে নিয়ে হটলাইন নম্বর ১০৫-এ কল করতে হবে। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এ সেবা চালু থাকবে।

পদ্ধতি-৩ (১০৫-এ এসএমএস-এর মাধ্যমে)

এসএমএস-এর মাধ্যমে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে PC NID লিখে ১০৫ নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএস-এর মাধ্যমে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।

পদ্ধতি-৪ (নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে)

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ব্যবহার করেও ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। এ জন্য ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ কম্পিউটার ও মোবাইলের যে-কোনো ব্রাউজার থেকে ecs.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইটের ‘ভোটকেন্দ্র’ মেনুতে ক্লিক করলেই ভোটকেন্দ্র অনুসন্ধানের অপশন পাওয়া যাবে। ওয়েবসাইটে দুটি উপায়ে ভোটকেন্দ্র খোঁজা যাবে। প্রথমত, নির্বাচনি এলাকা, উপজেলা বা থানা নির্বাচন করে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের তালিকা দেখা যাবে। দ্বিতীয়ত, এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে অনুসন্ধান করলে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। এছাড়া ওয়েবসাইটে ভোটকেন্দ্রের অবস্থান সরাসরি গুগল ম্যাপে দেখার সুবিধা রয়েছে। গুগল ম্যাপের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রের দূরত্ব এবং যাওয়ার পথ সম্পর্কেও বিস্তারিত জানা যাবে।

#

মামুন/পবন/সঞ্জীব/কনক/আব্বাস/২০২৬/১৭৪৩ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৪৪১

মৎস্যসম্পদ আমাদের সামগ্রিক জীবনবোধের অংশ

-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

ঢাকা, ২৪ মাঘ (৭ ফেব্রুয়ারি):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের কাজ কেবল অর্থনীতি বা বিজ্ঞানের বিষয় নয়; এটি ধর্ম, সংস্কৃতি ও সামাজিক আচরণ-সংস্কৃতির সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তিনি বলেন, আমরা যে মৎস্যসম্পদ নিয়ে কাজ করি, তা আমাদের সামগ্রিক জীবনবোধের অংশ। বিষয়টিকে কেবল অর্থনৈতিক বা প্রযুক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে পূর্ণতা আসবে না।

উপদেষ্টা আজ রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)-এ বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই), নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের গবেষণা প্রস্তাবনা পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন (২০২৫–২৬)’ - শীর্ষক ইনসেপশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, হালদা নদী সাধারণ মানুষের সম্পদ। তাই গবেষণার উপস্থাপনা ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন এমন ভাষায় হওয়া উচিত, যা সাধারণ মানুষ সহজে বুঝতে পারে। প্রেজেন্টেশন ও শিরোনাম ইংরেজিতে হতে পারে, তবে চূড়ান্ত প্রতিবেদন অবশ্যই বাংলায় প্রকাশ করা প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।

সামাজিক-অর্থনৈতিক গবেষণায় নারীদের অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, হালদা পাড়ের বাস্তবতা বোঝার জন্য সেখানকার নারীদের অভিজ্ঞতা ও অবস্থান বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সামাজিক-অর্থনৈতিক গবেষণা পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না। গবেষণা পদ্ধতিতেই বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

হালদা নদীর বর্তমান ঝুঁকির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডই নদীর জন্য প্রধান হুমকি। ‘এনথ্রোপোজেনিক’ শব্দ ব্যবহার করে বিষয়টিকে আড়াল না করে একে মানুষের ভুল ও ক্ষতিকর কাজ হিসেবে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে। ভুজপুর রাবার ড্যাম ক্ষতিকর হলে তা অপসারণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন। গবেষণা চলমান থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মত দেন তিনি।

তামাক চাষের ক্ষতিকর প্রভাব উল্লেখ করে তিনি বলেন, নদীর তীরবর্তী স্থানে তামাক চাষ মৎস্যসম্পদের জন্য হুমকি। তিন-ফসলি জমিতে তামাক চাষ নিষিদ্ধের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কিছুটা সুরক্ষা নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

স্লুইস গেট ব্যবস্থাপনা ও আগ্রাসী প্রজাতির ‘সাকার ফিস’ নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন উপদেষ্টা।

প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্প সম্পন্ন করার লক্ষ্য থাকতে হবে। শুরুতেই সময় বৃদ্ধি নির্ধারণ না করে বাস্তব প্রয়োজনে তা বিবেচনা করা উচিত। তিনি ২০২৬ সালের শেষ বা ২০২৭ সালের শুরুতে একটি মধ্যমেয়াদি কর্মশালা আয়োজনের প্রস্তাব দেন, যাতে প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা যায়। সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় হালদা নদী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)’র মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মোঃ ইমাম উদ্দীন কবীর এবং সম্মানীয় অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুর রউফ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের নদী কেন্দ্রের চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মোঃ আমিরুল ইসলাম। টেকনিক্যাল সেশনের চেয়ারম্যান ছিলেন বিএফআরআই’র সিনিয়র স্পেশালিস্ট ড. মোঃ খলিলুর রহমান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মোশরেফা আলী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ সামসিল আরেফিন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এস কে ইশতিয়াক আহমেদ প্রমুখ।

#

মামুন/খাদীজা/আতিক/আলী/শফি/২০২৬/১৬০০ ঘণ্টা

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন