তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩১st জুলাই ২০১৫

তথ্যবিবরণী 31/7/2015

তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর : ২১২১

মৎস্যখাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতি সুদৃঢ় করা যেতে পারে                                                                                                                                         -- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী, ১৬ শ্রাবণ (৩১ জুলাই) :

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, মৎস্যখাতের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করা যেতে পারে। মৎস্যখাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকার যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। 

    প্রতিমন্ত্রী আজ রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলার বিশমাইল শুটকিবিলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ -২০১৫ উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দীন, রাজশাহী বিভাগীয় মৎস্য উপপরিচালক মোঃ মাহবুব উল আলম ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের  অক্লান্ত পরিশ্রম ও গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ গত সাড়ে ছয় বছরে  চিংড়ি, মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।  

#

হালিম/মিজান/নবী/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৫/২০৫০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর : ২১২০

আবহাওয়ার সতর্কবার্তা
সমুদ্রবন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত 

ঢাকা, ১৬ শ্রাবণ (৩১ জুলাই) :

    নোয়াখালী ও তৎসংলগ্ন স্থলভাগ এলাকায় অবস্থানরত স্থল নি¤œচাপটি সামান্য পশ্চিম-উত্তরপশ্চিমে সরে গিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে ফরিদপুরের নিকট অবস্থান করছে। এটি আরো পশ্চিম-উত্তরপশ্চিমে স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

    এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করার কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
    
    চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৩ (তিন) নম্বর পুনঃ ৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে ।

নদীবন্দরসমূহের জন্য সতর্ক সংকেত

    আজ ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে প্রতি ঘণ্টায় ৬০  থেকে ৮০ কিলোমিটার  বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ২ (দুই) নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। 

    এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে প্রতি ঘন্টায় ৪৫  থেকে ৬০ কিলোমিটার  বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহের জন্য ১ (এক) নম্বর সতর্ক সংকেত  দেখাতে বলা হয়েছে।

#

মিজান/নবী/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৫/১৮৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর : ২১১৯

সকল ধর্মেই শিশু অধিকারের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে
                            -- মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৬ শ্রাবণ (৩১ জুলাই) :

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, পৃথিবীর সকল ধর্মেই শিশু অধিকারের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। শিশুদের প্রতি আমাদের আরো যতœশীল হতে হবে। সমাজে  কিশোররা অনেক সময় অবহেলিত হয়। অভিভাবকরা কিশোরদের প্রতি যতœশীল হলে তারা পথভ্রষ্ট হবে না। 

প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর ভাটারায় দ্য কোঅপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ অভ্ বাংলাদেশ (কালব) ভবন মিলনায়তনে ইস্ট এডিপি ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে  ‘ন্যায্যতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা: শিশু কল্যাণের পূর্বশর্ত’ শীর্ষক আন্তঃধর্মীয় সংলাপে  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।  

প্রতিমন্ত্রী  বলেন,  প্রতিটি নারী একজন মা। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে নারীকে যতœ করতে হবে।

আলোচনাসভায় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  প্রফেসর ড. আনিছুজ্জামান, ড. সুকুমার বড়ুয়া এবং  প্রফেসর ড.  তপন ডি রোজারিও বক্তব্য রাখেন । 

#

খায়ের/মিজান/নবী/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৫/১৮৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২১১৮

এডিবি’র প্রেসিডেন্টের সাথে সেতুমন্ত্রীর  বৈঠক
তিনটি সড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস

ম্যানিলা (ফিলিপাইন), ৩১ জুলাই :
    রেজাল্ট  বেইজড ল্যান্ডিং (আরবিএল) কর্মসূচির আওতায় টেকেরহাট  থেকে কুয়াকাটা, সিলেট থেকে তামাবিল ও সোনাপুর থেকে জোরারগাছ পর্যন্ত তিনটি সড়ক চারলেনে উন্নীত করার আর্থিক প্রস্তাবে এডিবি ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে এবং ইআরডি’র মাধ্যমে শীঘ্রই বাংলাদেশ থেকে এডিবি’র সদরদপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 
    সেতুমন্ত্রী আজ ম্যানিলায় এডিবি’র সদরদপ্তরে এডিবি’র প্রেসিডেন্ট ঞধশবযরশড় ঘধশধড়সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান।
    মন্ত্রী বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ ১৮শ’ কিলোমিটার মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে এডিবি’র সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ পর্যায়ে। বৈঠকে কাজ দ্রুত শেষ করতে ঐকমত্য পোষণ করা হয়। বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণখাতের প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে বলে মন্ত্রী জানান। 
    বৈঠকে এডিবি’র প্রেসিডেন্টকে মন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশি অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহের কাজ যথাসময়ে শেষ করতে সরকার সচেষ্ট। 
    বৈঠকে এডিবি’র প্রেসিডেন্ট বলেন, বাংলাদেশে এডিবি’র বিদ্যমান ঋণ কর্মসূচির পাশাপাশি আরো ঋণ বাড়ানো হবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ দিন দিন উন্নত হচ্ছে। সামষ্টিক অর্থনীতিতে এসেছে স্থিতিশীলতা এবং প্রবৃদ্ধির হার উৎসাহব্যঞ্জক। বাংলাদেশের অর্থনীতির চলমান গতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন আরো বাড়ানো হবে বলে জানান। 
    বৈঠকে এডিবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ডবহপধর তযধহম সহ এডিবি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল উ ঘ ঝযধৎধহ, পল্লিউন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা ইউনিটের কারিগরি পরামর্শক মাহফুজ আহম্মেদ, এনার্জি ডিভিশনের প্রিন্সিপাল এনার্জি স্পেশালিস্ট সোহেল হাসমি এবং এডিবিতে কর্মরত বিভিন্ন স্তরের বাংলাদেশি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 
    পরে মন্ত্রী এডিবিতে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ম্যানিলায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল (অবঃ) জন গোমেজ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
#
ওয়ালিদ/মিজান/নবী/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৫/১৯৩০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর : ২১১৭

সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের আদেশ
সওজ’র  ফেরি চলাচল বন্ধ থাকা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার

ঢাকা, ১৬ শ্রাবণ (৩১ জুলাই):

    ঘূর্ণিঝড় কোমেন এর প্রভাবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রেক্ষিতে উপকূলীয় জেলাসমূহে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের আওতাধীন ফেরি চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকার আদেশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

    এছাড়া, আগামীকাল শনিবার পর্যন্ত উপকূলীয় জেলাসমূহের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর (সিভিল ও মেকানিক্যাল) ছুটি বাতিলের আদেশটিও প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তাদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে।

    সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ এ প্রত্যাহার আদেশ জারী করেছে।

#

ওয়ালিদ/মিজান/নবী/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৫/১৯৫০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২১১৬

দেশকে সমৃদ্ধির শীর্ষে নিতে স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে
                                        -- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী

ঢাকা, ১৬ শ্রাবণ (৩১ জুলাই) :
    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, দেশকে সমৃদ্ধির শীর্ষে নিয়ে যেতে হলে স্ব স্ব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর জনশক্তিতে পরিণত করতে তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলার পাশাপাশি ইংরেজিতে পারদর্শী করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ আলোকে পিটিআই কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। 
মন্ত্রী আজ রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ পিটিআই কর্মকর্তা সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। 
বাংলাদেশ পিটিআই কর্মকর্তা সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদারের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মেছবাহ উল আলম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল এবং মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ পিটিআই কর্মকর্তা সমিতির নবনির্বাচিত মহাসচিব মোঃ সেলিম অভিষেক অনুষ্ঠানে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আইসিটি বেইজড দেশ গড়ার লক্ষ্যে ৫৫টি পিটিআইতে কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছে। এছাড়া ডিপ্লোমা-ইন-প্রাইমারি এডুকেশন (ডিপিএড) পিটিআইগুলোতেও ল্যাপটপ প্রদান করা হয়েছে।  ইতোমধ্যে দেশের ৫০৩টি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ইন্টারনেট মডেম ও সাউন্ড সিস্টেম সরবরাহ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি বিদ্যালয়কে ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে সকল বিদ্যালয়ে এ সকল উপকরণ বিতরণ করা হবে বলে তিনি জানান। প্রশিক্ষণ যথাযথভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রয়োগ হচ্ছে কিনা তা নিয়মিত তদারকি করতে তিনি পিটিআই ইন্সট্রাক্টরদের প্রতি আহ্বান জানান। 
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও ঝরেপড়া রোধে চলতি বছর থেকে বিদ্যালয়গুলোতে শতভাগ উপবৃত্তি প্রদান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। 
    মন্ত্রী বলেন, সমৃদ্ধিশালী দেশ গড়তে হলে জ্ঞানভিত্তিক সমাজের বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব প্রদান করে শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে শিক্ষকদের উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য সার্টিফিকেট ইন এডুকেশন (সি-ইন-এড) কোর্সকে বিশ্বমানের হিসেবে তৈরি করতে ৩৬টি পিটিআইয়ে ১৮ মাসব্যাপী ডিপ্লোমা-ইন-প্রাইমারি এডুকেশন (ডিপিএড) কোর্স প্রবর্তন করেছে। 
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সমিতির নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। 
#
রবীন্দ্র/মিজান/নবী/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৫/২০০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর : ২১১৫

ভারত ও বাংলাদেশের ছিটমহলবাসিন্দাদের প্রতি পরিকল্পনামন্ত্রীর অভিনন্দন

ঢাকা, ১৬ শ্রাবণ (৩১ জুলাই) :

    ভারত ও বাংলাদেশের ছিটমহলবাসিন্দারা আজ মধ্যরাত থেকে স্বাধীন দেশের নাগরিকের পূর্ণ মর্যাদা পেতে যাওয়ায় তাদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। 

    মন্ত্রী এক অভিনন্দনবার্তায় বলেন, আজ মধ্যরাত থেকেই বাংলাদেশ ও ভারতের অভ্যন্তরে থাকা ছিটমহলগুলোতে নিজ নিজ দেশের পতাকা উড়বে। এর মধ্য দিয়েই অবসান হচ্ছে তাদের ৬৮ বছরের দুঃসহ ও গ্লানিকর জীবন। এজন্য ছিটমহলবাসীদের জানাই অভিনন্দন। তিনি তাদের সুন্দর জীবন কামনা করেন। 
    
    অভিনন্দনবার্তায় পরিকল্পনামন্ত্রী আরো বলেন, ছিটমহলবাসীদের বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে তাঁর আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে বলেছেন, এখন থেকে ছিটমহলবাসীরাও এ দেশের নাগরিক। দেশের অন্য নাগরিকদের সাথে তাদের কোনো পার্থক্য নেই। তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক প্রকল্প গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। 

    পরিকল্পনামন্ত্রী অভিনন্দনবার্তায় আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ছিটমহলবাসীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প তৈরির কাজ অচিরেই হাতে নিতে যাচ্ছে। একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি এ কাজের তদারকি করবে বলেও তিনি বার্তায় উল্লেখ করেন।

#

তাপস/মিজান/মোশারফ/সেলিম/২০১৫/১৬৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                                                                 নম্বর : ২১১৪

                                                                        বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঢাকা, ১৬ শ্রাবণ (৩১ জুলাই) :

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ’ উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :


    ‘‘প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দেশে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০১৫ এর প্রতিপাদ্য ''ইৎবধংঃভববফরহম ধহফ ড়িৎশ, ষবঃ'ং সধশব রঃ ড়িৎশ ǃ" অর্থাৎ

    ‘‘কাজের মাঝে শিশু করবে মায়ের দুধ পান
       সবাই মিলে সবখানে করি সমাধান’’।

    একজন মা যদি কর্মস্থলে শিশুকে তার চাহিদা অনুযায়ী বুকের দুধ ও ঘরের তৈরি বাড়তি খাবার খাওয়াতে পারেন তবে তার সুফল অনেক। সবচেয়ে বড় সুফল হচ্ছে শিশু সুস্থ থাকবে। এতে মা চিন্তামুক্ত থাকবেন। কাজের প্রতি অধিক মনোযোগী হবেন। কর্মস্থলে মায়ের উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পাবে। এরফলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে বহুগুণ।

    আমাদের সরকার মাতৃ ও শিশু পুষ্টি উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে গত সাড়ে ছয় বছরে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। আমরা মাতৃত্বকালীন ছুটি বেতনসহ ৬ মাসে উন্নীত করেছি। সরকারি বেসরকারি অফিসে ‘ব্রেস্টফিডিং কর্নার’ স্থাপন করা হয়েছে। কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল থেকে কর্মজীবী মায়েদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে। মাতৃদুগ্ধ ও ঘরের তৈরি পরিপূরক কার্যক্রমকে জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স¦াস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে মা ও শিশু স¦াস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আমরা মাতৃদুগ্ধ বিকল্প শিশুখাদ্য এবং বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুতকৃত শিশুর বাড়তি খাদ্য ও এর ব্যবহারের সরঞ্জামাদি (বিপণন নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ প্রণয়ন করেছি। দেশের সকল হাসপাতাল ও স¦াস্থ্য কমপ্লেক্সকে শিশুবান্ধব হিসেবে পরিণত করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    শতভাগ কর্মজীবী মা যাতে কর্মক্ষেত্রে শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়াতে সমর্থ হন তা নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি আমি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বীমা, কলকারখানা, শপিংমল, পেশাজীবী সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন ও মানবাধিকার সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

    আমার প্রত্যাশা, সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম তৈরি করতে কর্মক্ষেত্রে ‘মাতৃদুগ্ধদান কক্ষ ও শিশু দিবাযতœ কেন্দ্র’ স্থাপনে সকলে এগিয়ে আসবেন।

    আমি বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০১৫ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
  বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’

#

নুরএলাহি/মিজান/সঞ্জীব/মোশারফ/আব্বাস/২০১৫/১৭১৫ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                                                            নম্বর : ২১১৩

                                                                  বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

ঢাকা, ১৬ শ্রাবণ (৩১ জুলাই) :

    রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

    ‘‘প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সরকারিভাবে বাংলাদেশে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০১৫’ আয়োজনের সাথে সংশ্লি¬ষ্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান, জাতীয় পুষ্টি সেবা এবং বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশনসহ সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

    মায়ের দুধ পানের সঠিক প্রচার ও প্রসারের ফলে বাংলাদেশে বর্তমানে জন্মের ১ ঘন্টার মধ্যে শিশুকে মাতৃদুগ্ধ খাওয়ানোর হার ৫৭%, শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানোর হার ৫৫% এবং ২ বছর পর্যন্ত শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর হার ৯০% এ উন্নীত হয়েছে যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ৫ বছর বয়সের নিচে শিশুমৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৪৬ এবং খর্বকায় শিশুর (ংঃঁহঃরহম) হার ৩৬% এ নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। সরকারের সময়োপযোগী এবং কার্যকর পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অতি সন্নিকটে পৌঁছে গেছে।

    স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্ষেত্রে মায়ের দুধ খাওয়ানোকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। কর্মস্থলে মা শিশুকে দুধ দান করতে পারলে এবং ঘরের তৈরি খাবার দিতে পারলে শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হবে এবং মা উৎসাহ নিয়ে কাজ করতে পারবেন। এতে কর্মক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং জাতীয় অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে। এবারের বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য বিষয় 'ইৎবধংঃভববফরহম ধহফ ড়িৎশ, খবঃ'ং সধশব রঃ ড়িৎশ' অর্থাৎ ‘কাজের মাঝে শিশু করবে মায়ের দুধ পান, সবাই মিলে সবখানে করি সমাধান’ যথাযথ হয়েছে বলে আমি মনে করি। আমি আশা করি এবারের প্রতিপাদ্য মায়েদেরকে মাতৃদুগ্ধ পানে সচেতন ও উৎসাহিত করবে।

    বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালনের সার্থকতা অর্জনে সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে মাতৃদুগ্ধদান কক্ষ, কাজের ফাঁকে মাতৃদুগ্ধ দানের বিরতি প্রদান ও মাতৃদুগ্ধ দানবান্ধব কর্মক্ষেত্র তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে আমার বিশ্বাস।

    আমি ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০১৫’ উপলক্ষে গৃহীত কর্মকা-ের সার্বিক সাফল্য কামনা করি।

¬¬¬
    খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’

#

আজাদ/মিজান/সঞ্জীব/আব্বাস/২০১৫/১৭১০ ঘণ্টা

 

Todays handout (4).doc Todays handout (4).doc

Share with :
Facebook Facebook