তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৬ নভেম্বর ২০২০

তথ্যবিবরণী ২৬ নভেম্বর ২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর :  ৪৫২৩

 

মোবাইল টাওয়ার শেয়ারিংয়ের উদ্বোধন করলেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

 

ঢাকা, ১১ অগ্রহায়ণ (২৬ নভেম্বর) :

 

            দ্রুততার সাথে দেশে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও গুণগত মানের মোবাইল সেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে মোবাইল টাওয়ার শেয়ারিংয়ের যাত্রা শুরু হয়েছে। আজ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের   সামিট কমিউনিকেশন্স এবং বাংলালিংকের মধ্যে অনুষ্ঠিত টাওয়ার শেয়ারিং এর উদ্বোধন করার মধ্য দিয়ে এই যাত্রা শুরু হলো।

 

            এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেন, আজকের এই যাত্রা কোয়ালিটি অভ্‌ সার্ভিসের ক্ষেত্রেও একটি নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে। তিনি বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালে ৪টি কোম্পানির স্বাক্ষরিত টাওয়ার শেয়ারিংয়ের চুক্তির মাধ্যমে গৃহীত উদ্যোগের যাত্রা শুরু হলো। এর ফলে বিশাল বিনিয়োগ নির্ভর টেলিকম খাতে মোবাইল অপারেটরদের জন্য নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজটি যেমন সহজ হয়েছে তেমনি গুণগত মানের মোবাইল সেবা প্রদানের বিষয়টিও অপারেটরদের জন্য সহজতর হয়েছে। তিনি বলেন, গুণগত সেবা নিশ্চিত করতে স্পেকট্রাম সহসাই নিলাম করা হবে।

 

            মোস্তাফা জব্বার ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে পৃথিবীর যে কোন দেশের সাথে বাংলাদেশ এক বিন্দুও পিছিয়ে থাকবে না উল্লেখ করে বলেন, যে জাতি অতীতে তিনটি শিল্প বিপ্লব মিস করেছে সে জাতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্বের জন্য তৈরি হয়েছে।

 

            অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আফজাল হোসেন, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান, বাংলা লিংক গ্রুপ চেয়ারম্যান সার্গে হেরিরিরো, বাংলা লিংকের সিইও এরিক অস এবং সামিট টেলিকমিউনিকেশন্স লিমিটেড চেয়ারম্যান ফরিদ খান বক্তৃতা করেন।

 

#

 

শেফায়েত/খালিদ/মোশারফ/সেলিম/২০২০/২২০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                  নম্বর : ৪৫২২
 
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সহায়তা দরকার
                                                               -- পরিবেশ মন্ত্রী
 
ঢাকা, ১১ অগ্রহায়ণ (২৬ নভেম্বর) :
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নিরলসভাবে কাজ করছে। তবে একার পক্ষে এটি করা কষ্টসাধ্য। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব এড়াতে বাংলাদেশের গ্লোবাল সেন্টার অন এডাপ্টেশন (জিসিএ) এর মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতা প্রয়োজন।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে ‘গ্লোবাল সেন্টার অন এডাপ্টেশন সাউথ এশিয়া ওয়ার্ক প্রোগ্রাম কনসালটেশন মিটিং অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, সবাই একসাথে আমরা যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারি। এ লক্ষ্যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, জিসিএর প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক প্যাট্রিক ভিনসেন্ট ভারকুইজেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব জিয়াউল হাসান এনডিসি, জিসিএর অন্তর্বর্তী আঞ্চলিক পরিচালক আহমেদ শামীম আল রাজি, ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জি এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ ও বিশ্বব্যাংক, ইউএনডিপি, এডিবি, জাইকার মতো উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জিসিএর বিশিষ্ট ফেলো আবুল কালাম আজাদ।
#
দীপংকর/খালিদ/মোশারফ/জয়নুল/২০২০/২১৩০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর :  ৪৫২১

 

কমসেক এর ৩৬তম অধিবেশনে বাণিজ্যমন্ত্রী

ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে সম্পাদিত পিটিএ দ্রুত পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে

 

ঢাকা,  ১১ অগ্রহায়ণ (২৬ নভেম্বর) :

 

          বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে সম্পাদিত অগ্রাধিকার মূলক বাণিজ্যচুক্তি  পিটিএ দ্রুত পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করুন। কোভিডের অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত খাত হিসেবে ট্যুরিজম সেক্টরে একটি ফান্ড গঠন করা খুবই জরুরি। কোভিড-১৯ কালে ওআইসি কর্তৃক গৃহীত মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম গ্রহণ এবং অর্থনীতি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রসমূহ সচল রাখার বিষয়ে গৃহীত কার্যকর পদক্ষেপসমূহ প্রশংসনীয়। গত ৩০ অক্টোবর তুরস্কে সংঘটিত ভয়াবহ ভূমিকম্পের ফলে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, পৃথিবীর মধ্যে বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ উপযুক্ত স্থান। বাংলাদেশে বর্তমানে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এখানে ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের বিনিয়োগকারীগণ বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন।

 

          বাণিজ্যমন্ত্রী গতকাল (২৫ নভেম্বর) রাতে সরকারি বাসভবনের অফিস থেকে জুম ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অর্গাইনেজেশনস  অভ্‌  ইসলামিক স্টেটস এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিষয় সংক্রান্ত জোট The Standing Committee for Economic and Commercial Cooperation of the Organization of the Islamic Cooperation) (COMCEC)  স্ট্যান্ডিং কমিটির ৩৬তম অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানের সময় এসব কথা বলেন।  অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, “প্রতিযোগিতামূলক ট্যুরিজম শিল্পের বিকাশে উদ্যোক্তা সৃষ্টি।” কমসেকভুক্ত ৫৭টি দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইপে এরদোগান। তিনি ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে অধিকতর ভ্রাতৃত্ব বোধ সৃষ্টিসহ অর্থনৈতিক এবং বাণ্যিজ্যিক ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানান।

         

#

 

বকসী/সাহেলা/মোশারফ/সেলিম/২০২০/২০৩০ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                 নম্বর :  ৪৫২০

 

লক্ষ্যভিত্তিক অর্থ ব্যয়ের দিকে যাচ্ছে সরকার : নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য অর্থ বরাদ্দ হবে বেশি

                                                                                             -- পরিকল্পনা মন্ত্রী

 

ঢাকা,  ১১ অগ্রহায়ণ (২৬ নভেম্বর) :

 

          পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, লক্ষ্যভিত্তিক অর্থ ব্যয়ের দিকে যাচ্ছে সরকার। রাষ্ট্রের অর্থ বেশি ব্যয় হবে তাদের জন্য, যারা নিম্ন আয়ের। তিনি বলেন, আমাদের প্রধান টার্গেটে থাকবে পানি এবং এর সাথে থাকবে হাইজিন ও স্যানিটেশন।

 

          মন্ত্রী আজ ঢাকায় ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অভ্‌ বাংলাদেশ (ডিজেএফবি) এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডরপ (DORP) এর যৌথ আয়োজনে ‘পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে ন্যায্যতাভিত্তিক বাজেট বরাদ্দ বিষয়ক’ এক ওয়েবিনার আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

 

          মন্ত্রী বলেন, আমরা উন্নত দেশের দিকে যেতে চাচ্ছি। উন্নত দেশের প্রধান পরিচয় হবে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ। আমরা অনেকটা সফলও হয়েছি। কিন্তু তারপরও আরো কাজ করতে হবে। ডিজেএফবির সদস্য সুশাস্ত সিনহার সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য
ড. শামসুল আলম।

 

          আলোচনায় অংশ নেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব ইমদাদুল হক চৌধুরী, ডরপ-এর পরিচালক যোবায়ের হাসান, ডিজেএফবি’র সভাপতি এফএইচএম হুমায়ন কবীর এবং ইউনিসেফের প্রতিনিধি মোহাম্মদ মনিরুল আলম, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রিকিডস এর গ্রান্ডস ম্যানেজার আবদুস ছালাম মিয়া, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপ-পরিচালক আলমগীর হোসেন এবং ওয়াটার এইড বাংলাদেশের রঞ্জন ঘোষ প্রমুখ।  

 

#

 

শাহেদ/সাহেলা/মোশারফ/সেলিম/২০২০/১৯০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                               নম্বর : ৪৫১৯

দরিদ্রদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করবে সরকার

                                                   -- ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১১ অগ্রহায়ণ (২৬ নভেম্বর) :

          দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান বলেছেন, সারা দেশে দরিদ্র মানুষের কাঁচা ও জীর্ণ-শীর্ণ টয়লেট বদলে আধুনিক স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করে দেবে সরকার। এজন্য প্রকল্প নেয়া হচ্ছে, প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হবে।

          প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে  ‘দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি (এসওডি)-২০১৯’ বিষয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সদস্যদের অংশগ্রহণে আয়োজিত  কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায়  এসব কথা বলেন ।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল সংসদীয় কমিটির মিটিং হয়েছে। সেখানে একটি প্রকল্পের অনুমোদন নিয়েছি। আমরা দেখেছি ওয়াটার এইড, সাজেদা ফাউন্ডেশনসহ অনেক এনজিও স্যানিটেশন নিয়ে কাজ করে। কিন্তু ক্যাপাসিটি কম। আমরা সারা দেশে দেখেছি লাখ লাখ পরিবারে টয়লেটগুলো জীর্ণ-শীর্ণ, কলাপাতা দিয়ে ঢাকা, পলিথিন দিয়ে ঢাকা, পুরনো শাড়ি দিয়ে ঘেরাও করা কাঁচা পায়খানা এখনও আছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশের যতগুলো পরিবার এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ টয়লেট ব্যবহার করে আমরা সেই টয়লেটগুলো রিপ্লেস করে আধুনিক মানসম্মত স্যানিটারি টয়লেট তৈরি করে দেব।’তিনি বলেন,'এজন্য প্রথম পর্যায়ে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেব। এরপর সমগ্র বাংলাদেশে সব দরিদ্র-অতি দরিদ্র মানুষের যে টয়লেটগুলো আছে সেগুলো স্বাস্থ্যসম্মত করে দেব।’

          এনামুর রহমান বলেন, ‘এই টয়লেটের কারণে পানি ও মল বাহিত আমাশয়, কৃমিসহ অন্যান্য রোগ ছড়ায়। এটা যদি আমরা করে দিতে পারি তাহলে পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধ করতে পারবো এবং কৃমির কারণে যে পুষ্টিহীনতা সেটা প্রতিরোধ করে নতুন প্রজন্মকে পুষ্টিবান হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো। তিনি বলেন, ‘লাওসে একটি কনফারেন্সের আলোচনায় এসেছে, পানিবাহিত রোগের কারণে মানুষ খর্বাকৃতি হয়। আমরা যদি এটা করতে পারি তাহলে মানুষের গ্রোথও ভালো হবে।’

          প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আগে আসলে কে টেন্ডার নেবে লাভ করবে কীভাবে সেটাই ছিল লক্ষ্য। এখন আমরা সেটা থেকে বেরিয়ে এসেছি। জনগণের কল্যাণের জন্য কোনটা লাগবে সেটা নিয়ে আমরা কাজ করি।

          উপকূলীয় এলাকায় জলাবদ্ধতার বিষয়ে একজন সংবাদিক দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উপকূল দিবসে অনেকগুলো দাবি আছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি তিনি বলেছেন, ডেল্টা প্ল্যানে যে ছয়টি হটস্পট আছে, তার মধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ণ ও এক নম্বরে উপকূলীয় অঞ্চলে প্রতি বছর ঘূর্ণিঝড়ে বাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে, জলাবদ্ধতা হয়, বোল্ডারগুলো ভেঙে যায়। এ সমস্ত সমস্যা সমাধানের জন্য উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নের কথা বলা আছে। একশ বছরের পরিকল্পনা হলেও প্রধানমন্ত্রী দশ বছরের মধ্যে সমাধানের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। আগামী দশ বছরের মধ্যে এসব সমস্যার টেকসই ও স্থায়ী সমাধান হবে।’

         দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোহসীন, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব মোঃ ফিরাজ সালাউদ্দিন, উপ-মহাসচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) পরিচালক আহমাদুল হক এবং বিএসফআরএফের সভাপতি তপন বিশ্বাস কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন।

#

সেলিম/সাহেলা/মোশারফ/জয়নুল/২০২০/১৯১০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                            নম্বর : ১৫১৮

করোনা মোকাবিলায় প্রচার কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান

ঢাকা, ১১ অগ্রহায়ণ (২৬ নভেম্বর) :

          করোনা মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল হোসেন মজুমদার। তিনি বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

          শিল্প প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকা জেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ, ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ কার্যক্রম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তৃতাকালে এ আহ্বান জানান। বৈঠকে আরো বক্তৃতা করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, এডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি, হাজী সেলিম এমপি, ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবুর রহমান ও ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মোঃ আলী নূর ভার্চুয়াল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন। ঢাকা জেলা প্রশাসক মোঃ শহীদুল ইসলাম এতে সভাপতিত্ব করেন। জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

          শিল্প প্রতিমন্ত্রী তার বক্তৃতায় জুমার খুতবার সময় মুসল্লিদের মাস্ক ব্যবহারে সচেতন করতে ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সচেতনতা প্রচারণা কার্যক্রম জোরদার করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, করোনা মোকাবিলায় সরকারের সকল বিভাগ সাফল্যের সাথে কাজ করছে। এডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি বলেন, শিক্ষিত সমাজ-সহ সমাজের নেতৃবৃন্দ মাস্ক ব্যবহার করলে সাধারণ জনগণ মাস্ক ব্যবহারে আরও উৎসাহিত হবে। ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে বিনামূল্যে দুটি করে মাস্ক সরবরাহের প্রস্তাব করেন।

          ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তাগণ গণপরিবহনে মাস্ক ব্যবহারে সচেতনতা সৃষ্টিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেখানে মাস্ক ছাড়া কোনো ব্যাক্তিকে পাওয়া যাবে, সেখানে সাথে সাথে তাকে মাস্ক প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। বক্তারা এ সময় বলেন, কোনো চাষযোগ্য জমি পতিত রাখা যাবে না এবং কৃষি উৎপাদন কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম সুসমন্বিতভাবে পরিচালনার আহ্বান জানান তাঁরা।

#

মাসুম/সাহেলা/মোশারফ/জয়নুল/২০২০/১৮৫৫ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                              নম্বর : ৪৫১৭

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের হাতে খালের দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত, ১৪ সদস্যের কমিটি গঠন

                                                                                                   -- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকা, ১১ অগ্রহায়ণ (২৬ নভেম্বর) :

          রাজধানীর খালের দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের হাতে দিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

          মন্ত্রী আজ মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

          স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘এক সময় খালের দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের হাতেই ছিল এবং আইনেও তাই আছে। পরবর্তীতে কোনো এক সময়ে রাষ্ট্রপতির আদেশে সেটি ঢাকা ওয়াসার হাতে দেওয়া হয়। এখন দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তাঁরা খালের দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আলোচনায় ঢাকা ওয়াসা থেকে দুই সিটি কর্পোরেশনের নিকট খালসমূহ হস্তান্তরের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে’।

          মন্ত্রী বলেন,  হস্তান্তর কাজটি এখন কিভাবে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা যায় এ লক্ষ্যে আজকেই একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে চারজন করে আটজন, ঢাকা ওয়াসা থেকে চারজন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিমকে আহ্বায়ক ও মোহাম্মদ সাঈদ উর রহমানকে সদস্য সচিব করে এই কমিটি করা হয়েছে।

          গঠিত এই কমিটি সিটি করপোরেশন কিভাবে কাজ করবে, ওয়াসা কিভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে সে বিষয়ে প্রতিবেদন দেবে। সে অনুযায়ী আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পাদন হবে। কমিটি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। সেই রিপোর্টের আলোকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

          মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ এতদিন ওয়াসা দায়িত্ব পালন করেছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর দুই সিটি কর্পোরেশন পালন করবে। পানি নিষ্কাশনের জন্য জনবল, যন্ত্রপাতিসহ সবকিছুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে আছে, তাদের সক্ষমতা আছে। দুই মেয়র অত্যন্ত আন্তরিক এবং জনবান্ধব, তারা একাজ স¦তঃস্ফূর্তভাবে করতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

          মন্ত্রী বলেন, পানি নিষ্কাশন, বর্জ্যসহ অন্যান্য যেসব সমস্যা আছে তা খুব দ্রুত সমাধান করা হবে। সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এবং মন্ত্রণালয় ও দুই সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

হায়দার/সাহেলা/মোশারফ/জয়নুল/২০২০/১৮৪৫ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর : ৪৫১৬

শীঘ্রই ভুয়া অনলাইনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা

                                        ---তথ্যমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১১ অগ্রহায়ণ (২৬ নভেম্বর) :

          শীঘ্রই ভুয়া অনলাইনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

 

          আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে তাদের অনলাইন জার্নাল ‘রিপোর্টার্স ভয়েস’ উদ্বোধন ও ডিআরইউ সদস্য লেখক সম্মাননা ২০২০ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা জানান। ডিআরইউ সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শফিকুর রহমান এবং ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী এসময় বক্তব্য রাখেন।

 

          মন্ত্রী বলেন,  ‘২০০৯ সালে হাতেগোনা কয়েকটি অনলাইন ছিল, এখন অনলাইনের সংখ্যা অনেক, তবে সবগুলো অনেক ক্ষেত্রেই সহায়ক নয়। সেজন্য আমরা অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রম শুরু করেছি। আমাদের পরিকল্পনা আছে এ বছরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমটি যতদূর সম্ভব সম্পন্ন করা। একইসাথে যে সমস্ত অনলাইন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পরিবর্তে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহৃত হয়, যে সমস্ত অনলাইন গুজবের সাথে যুক্ত, সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে, সেগুলোর ব্যাপারে আমরা আগামী বছর থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া শুরু করবো।’

 

          অনলাইন নিউজপোর্টাল রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রমটি এগিয়ে যাওয়ার পর এই আইনগত ব্যবস্থা শুরু হবে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘এটি যেমন সমাজের চাহিদা, একইভাবে সাংবাদিক সমাজেরও চাহিদা। যে অনলাইন নিউজপোর্টালগুলো সত্যিকার অর্থে সংবাদ পরিবেশনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা না করে ভিন্ন উদ্দেশ্যে কাজ করে, সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

 

          তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা পৃথিবীর প্রেক্ষাপট। উন্নত দেশগুলোতে এক্ষেত্রে অনেক শৃঙ্খলা স্থাপন করা সম্ভবপর হয়েছে, যেটি এখনো এখানে পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে দিতে গিয়ে অনেক সময় ভুল সংবাদ এবং অসত্য তথ্য পরিবেশিত হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, অনেক বেশি ক্লিক পাওয়ার জন্য দেয়া হেডিং এর সাথে ভেতরের সংবাদের সেই মিল নেই। বিশেষ করে যে অনলাইনগুলোতে কোনো অনুষ্ঠান চলাকালীন সংবাদ পরিবেশনের ক্ষমতা রিপোর্টারকে দেয়া থাকে, সেখানে অনেক অনিচ্ছাকৃত ভুল হতে দেখা যায়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এটা কমিয়ে আনা সম্ভব। এ বিষয়ে পিআইবির সাথে যুক্ত হয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়ে থাকে, যা সত্যিই প্রয়োজনীয়।’

 

          হাছান মাহ্‌মুদ আরো বলেন, ‘এখন দেখা যায় কেউ একজন অনলাইন পোর্টাল খুলে তাকে সাংবাদিকের কার্ড দিয়ে দিলো। তিনি আসলে প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিক নন, সেই কার্ডটির জন্যই সাংবাদিক সেজেছেন। এগুলোকে বন্ধ করার জন্য রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ সাংবাদিকদের যে ফোরামগুলো আছে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কিছু কিছু সাংবাদিক নামধারীর জন্য পুরো সাংবাদিক সমাজের বদনাম হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ কোর্টে অনেক সময় ভুয়া উকিল ধরা পড়ে। আইনজীবী সমিতিই কিন্তু ভুয়া উকিল খুঁজে বের করে। এক্ষেত্রেও সাংবাদিকদের ফোরামগুলো উদ্যোগী হলে সরকার আপনাদের পাশে থাকবে, সহায়তা করবে।’                                                                                      চলমান পাতা-২

                                                                                                                          পাতা-২

 

          ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিকে অনলাইন জার্নাল শুরুর জন্য অভিনন্দন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অনলাইনের মাধ্যমে মানুষের কাছে সহজে তথ্য পৌঁছানো সম্ভব। দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে, সে কারণে এটা করা সম্ভব হয়েছে।

 

          তথ্যমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালে আমরা যখন সরকার গঠন করি তখন বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৪০ লক্ষ আর আজকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১১ কোটির বেশি। ২০০৯ সালে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ছিল সাড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি মানুষ, এখন ১৭ কোটি মানুষের দেশে সাড়ে ১৫ কোটির কাছাকাছি মোবাইল সিম ব্যবহারকারী । এই ব্যাপক পরিবর্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই সম্ভবপর হয়েছে। অথচ ২০০৮ সালে নির্বাচনের আগে আমরা যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের স্লোগান দিয়েছিলাম, তখন অনেকে হাস্যরস করেছে। আর আজ ডিজিটাল প্রযুক্তির কারণে আমরা প্রতি বছর কয়েক মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছি।

 

          ডিআরইউ জার্নাল রিপোর্টার্স ভয়েস উদ্বোধনের পর মোরসালিন আহমেদ, জাকির হোসেন, মিজান রহমান, এম মামুন হোসেন, রিয়াজ চৌধুরী, সাজেদা পারভীন সাজু, আমীন আল রশীদ, মোতাহার হোসেন, প্রণব মজুমদার, আমিরুল মোমেনীন মানিক, রকিবুল ইসলাম মুকুল, আবু আলী, মিজান মালিক, মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ, মোঃ শফিউল্লাহ সুমন, তরিকুল ইসলাম মাসুম, আবু হেনা ইমরুল কায়েস, মাইদুর রহমান রুবেল, মাসুম মোল্লা, সায়ীদ আবদুল মালিক, দীপন নন্দী, হক ফারুক আহমেদ, সেলিনা শিউলী, চপল বাশার, আশীষ কুমার দে, জামশেদ নাজির, শামসুজ্জামান শামস, ইন্দ্রজিৎ সরকার, আহমেদ মুশফিকা নাজনীন ও হাবিবুল্লাহ ফাহাদ-এই ৩০ জন সাংবাদিকের হাতে ডিআরইউ সদস্য লেখক সম্মাননা স্মারক তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে ডিআরইউ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে তিনি ডিআরইউ মটর সাইকেল ছাউনির ফিতা কাটেন।

 

#

আকরাম/সাহেলা/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/১৮৩১ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর : ৪৫১৫

তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে নিয়োগ পেলেন খাজা মিয়া

ঢাকা, ১১ অগ্রহায়ণ (২৬ নভেম্বর) :

 

          সরকার বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)-এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) খাজা মিয়াকে পদোন্নতিপূর্বক তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে নিয়োগ করেছে।

 

          আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

 

#

লতিফ/সাহেলা/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/১৮১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                               নম্বর : ৪৫১৪

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিরিজ আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সরকার ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে

ঢাকা, ১১ অগ্রহায়ণ (২৬ নভেম্বর) :

          বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, কোভিড-১৯ দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রয়েছে। সরকারের প্রচেষ্টায় মানুষ সচেতন হচ্ছে, ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সফলভাবেই কাজ করে যাচ্ছে। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখতে সরকার অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সংবলিত প্রায় ১ দশমিক ২২ লাখ কোটি টাকার ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতির জন্য এ সকল পদক্ষেপ খুবই প্রয়োজন ছিল। সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে ক্ষয়-ক্ষতি কম হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ সময়ে দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ এবং মূল্য স্বাভাবিক রাখতে সরকার সক্ষম হয়েছে। প্রয়োজনে টিসিবি’র মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রয় করা হয়েছে। ফলে কঠিন পরিস্থিতিতেও দেশে কোনো পণ্যের সংকট হয়নি বা মূল্য বৃদ্ধি ঘটেনি।

          বাণিজ্যমন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আয়োজিত ‘কোভিড-১৯ মোকাবিলা এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ সরকারের নেয়া প্রণোদনা প্যাকেজ’ বিষয়ে সিরিজ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। প্রথম সভার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখা এবং অর্থনীতির সামগ্রিক চাহিদা ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা’। অনুষ্ঠানে বিষয়ের উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার।

          বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চীনে কোভিড-১৯ শনাক্তের পর মার্চের ৮ তারিখ বাংলাদেশে শনাক্ত হয়। দেশে ৬৬ দিন সরকারি ছুটি কার্যকর ছিল। প্রয়োজনে সরকার অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অর্থনীতির উপর এর ক্ষতিকর প্রভাব কাটিয়ে উঠতে নিতে হয়েছে অনেক পদক্ষেপ। সে কারণে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা সম্ভব হয়েছে।

          অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি (ITO Naoki), বাংলাদেশ ও ভুটানে

2020-11-26-22-06-32d025892f88ae33ea0e2627d5579e86.docx 2020-11-26-22-06-32d025892f88ae33ea0e2627d5579e86.docx

Share with :

Facebook Facebook