তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৩ নভেম্বর ২০২০

তথ্যবিবরণী ১৩ নভেম্বর ২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                                              নম্বর: ৪৩৩৬

 

সরিষাবাড়িতে স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা সভায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী

 

সরিষাবাড়ি (জামালপুর), ২৮ কার্তিক (১৩ নভেম্বর) :

 

          জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সকল ইউনিয়নের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের সাথে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ মুরাদ হাসানের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী।

          প্রতিমন্ত্রী আজ দৌলতপুরস্থ তাঁর নিজ বাড়িতে এ আলোচনা সভা করেন ।

          এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য ও দেশের মানুষের জন্য বর্তমান সরকার সবসময় যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন তাঁর সমস্ত মন, প্রাণ দিয়ে এ দেশের মানুষকে ভালোবেসে তাদের সেবা করে গেছেন। তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন।

          এ সময় তারাকান্দি ট্রাক ও ট্যাঙ্কলড়ী মালিক সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক মুকুল, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম মানিক, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরিদ আহাম্মেদ, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র পদপ্রার্থী সুমন চাকলাদারসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

#

 

তুহিন/সাহেলা/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/২০০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর: ৪৩৩৫

 

বাস পোড়ানো বিএনপি ও তার দোসরদের বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ

                                                               -- তথ্যমন্ত্রী

 

ঢাকা, ২৮ কার্তিক (১৩ নভেম্বর) :

 

            'বাসে অগ্নিসংযোগ, গবেষণার নামে টিআইবি'র রাজনৈতিক প্রতিবেদন ও বিভিন্ন মহলের উস্কানিমূলক বক্তব্য বিএনপি ও তার দোসরদের দেশকে অস্থিতিশীল করার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রেরই অংশ' বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

 

            গতকাল রাজধানীতে বেশ কয়েকটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আজ ঢাকার মিন্টু রোডে তাঁর সরকারি বাসভবনে একথা বলেন।

 

            তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'প্রকৃতপক্ষে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, অত্যন্ত দক্ষতার সাথে করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে, মহামারির মধ্যে ধনাত্মক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হাতেগোনা ক'টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ স্থান করে নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশকে অস্থিতিশীল করার একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গতকাল বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই টিআইবি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে একটা প্রতিবেদন দিয়েছে, বিভিন্ন মহল থেকে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে এবং বাস পোড়ানোতে যে বিএনপি ও তাদের দোসররা জড়িত, তা সহজেই অনুমেয়।'

 

            বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য 'নির্বাচনে কারচুপি আড়াল করতেই বাসে আগুন' এর প্রত্যুত্তরে মন্ত্রী বলেন, 'অতীতে কারা এভাবে বাস পুড়িয়েছে, কিভাবে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে শত শত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, দেশবাসী তা ভালোভাবেই জানে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তেও দেখা গেছে, ২০১৩-১৪ সালে যেভাবে যাত্রীবেশে বাসে উঠে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, গতকাল যে নয়-দশটি বাস পোড়ানো হয়েছে, তার মিল আছে। এবং প্রথম বাসটি, একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের বাস পোড়ানো হয়েছে নয়া পল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে। সুতরাং এ ঘটনার সাথে বিএনপি ও তাদের মিত্রদের সংশ্লিষ্টতা অনায়াসে অনুমেয়।'

 

            'মির্জা ফখরুল সাহেব শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা করছেন, যাতে কোনো লাভ হবে না' বলেন হাছান মাহ্‌মুদ। দ্ব্যর্থহীন ভাষায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে ২০১৩-১৪ সালে যেমন এ ধরনের নাশকতা সরকার কঠোরহস্তে দমন করেছে, এবারও জনগণকে সাথে নিয়ে এ ধরনের নাশকতা কঠোরহস্তে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর। 

 

            একইসাথে এ ধরনের অপতৎপরতা সম্পর্কে সতর্ক থাকতে ও সন্দেহজনক কিছু দেখলে, সাথে সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে আনার জন্য জনগণের প্রতি আহবান জানান মন্ত্রী। দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী কোনো গুজব বা ঘটনার বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যেই সকল গণমাধ্যমের সাহায্যে দেশবাসীকে অনুরোধ করা হয়েছে।

 

            সাংবাদিকরা 'বাস পোড়ানোর ঘটনা নিয়ে বিএনপির দু'জন নেতার একটি ফোনালাপের অডিও ফাঁসে'র বিষয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, 'অডিওবার্তা এটাই প্রমাণ করে যে, এই ঘটনার সাথে তারা যুক্ত। এবং মির্জা ফখরুল সাহেব এ বিষয়ে একটি সত্যি কথা বলেছেন যে, এটি পূর্বপরিকল্পিত। আসলে মির্জা ফখরুল সাহেবরা পূর্বপরিকল্পনা করেই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।'

 

#

 

আকরাম/সাহেলা/মোশারফ/সেলিম/২০২০/১৮০০ ঘণ্টা

Handout                                                                                                          Number : 4334

 

Coronavirus and Agenda 2030 : Foreign Minister

called for meaningful global partnership

 

Dhaka, November 13 : 

 

            Foreign Minister Dr. A K Abdul Momen called for robust and meaningful global partnership for timely implementation of the Agenda 2030 and for reducing the risk of future disasters at the forty-fourth annual meeting of Ministers for Foreign Affairs of the Member States of the G-77 yesterday.

 

            Speaking at the event, Foreign Minister highlighted Bangladesh’s comprehensive response plan with a stimulus packages of around US$ 14.14 billion (4.3% of GDP) to secure life and livelihood of the people to minimize the impact of the pandemic under the leadership of the Prime Minister Sheikh Hasina.

 

            In his statement, he raised about the potential loss of global economy and simultaneous social costs due to covid-19 which would be almost impossible to quantify. He also referred to the Rohingya crisis that has caused double jeopardy for Bangladesh in tandem with the pandemic and heavily disrupted its phenomenal success towards achieving the SDGs.

 

            Dr. Momen further said ‘COVID-19 response and recovery process provides us with an opportunity to work together and response collectively for building a more sustainable and resilient world’. He emphasized on the significance of ensuring equitable access to safe, effective and affordable Covid-19 vaccines and other preventive tools in his remarks.

 

            In a virtual platform, Foreign Ministers of the member states of the Group of 77 and China met on the occasion of their forty-fourth annual meeting yesterday and discussed the effects of the COVID-19 pandemic, challenges faced by developing countries in the economic, social and environmental areas.

 

           

#

 

Khadiza/Sahela/Mosharaf/Salim/2020/17.55 Hrs.

তথ্যবিবরণী                                                                                               নম্বর : ৪৩৩৩

 

কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাসসংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

 

ঢাকা, ২৮ কার্তিক (১৩ নভেম্বর) :   

 

 ‌                  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৩ হাজার ৫৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ৭৬৭ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ ২৮ হাজার ৯৬৫ জন।

 

          গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ জন-সহ এ পর্যন্ত ৬ হাজার ১৫৯ জন এ রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন।

 

          করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৩৮৭ জন।

 

#

 

হাবিবুর/সাহেলা/মোশারফ/সেলিম/২০২০/১৭৪০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                               নম্বর : ৪৩৩২

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঢাকা, ২৮ কার্তিক (১৩ নভেম্বর) :   

          প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ নভেম্বর ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

          “প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশের উদ্যোগের কারণেই দিবসটির ‘জাতিসংঘ দিবস’-এর মর্যাদা লাভ করেছে যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের।

          ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’-এর এবারের প্রতিপাদ্য-‘ডায়াবেটিস-সেবায় পার্থক্য আনতে পারেন নার্সরাই’ সময়োচিত হয়েছে বলে আমি মনে করি। এ প্রতিপাদ্য থেকে এটা স্পষ্ট যে এবার আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন ডায়াবেটিস-সেবায় চিকিৎসকদের পাশাপাশি নার্সদের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেছে। 

          আমি মনে করি, ডায়াবেটিক রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমিয়ে আনা ও উপযুক্ত ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের পাশাপাশি নার্সরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। কারণ, ডায়াবেটিস সু্নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপরই একজন ডায়াবেটিক রোগীর সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন নির্ভরশীল। আর এ কারণে নার্সরা যদি ডায়াবেটিক রোগীকে রক্ত পরীক্ষা, ইনসুলিন দেয়া ছাড়াও অন্যান্য বিষয়গুলো শিখিয়ে দিতে পারেন তবে ডায়াবেটিস-সেবায় বিশাল বদল আসতে পারে। এর জন্য নার্সদেরও উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। 

          স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাস্থ্যসেবায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ সরকার সব সময়েই জনগণের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে আসছে। আমরা জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। একটি গণমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নেও আমাদের সরকার কাজ করছে। সারাদেশে সকল হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন নতুন মেডিকেল কলেজ, নার্সিং কলেজ ও নার্সিং ইনস্টিটিউট এবং মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এরই মধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা বিস্তৃত করতে দেশব্যাপী সকল উপজেলায় এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে সক্ষম হয়েছি।

          ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা সৃষ্টিতে আমাদের সরকারের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এ ব্যাপারে নানা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানাই।   

          আমি ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচীর সার্বিক সাফল্য কামনা করি। 

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

ইমরুল/জুলফিকার/রেজ্জাকুল/শামীম/২০২০/১৪৩৯ ঘণ্টা         

তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৩৩১

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

ঢাকা, ২৮ কার্তিক (১৩ নভেম্বর) :   

          রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ১৪ নভেম্বর ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

          “বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

           অব্যাহত নগরায়ণের কারণে জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসে ব্যাপক পরিবর্তন, কায়িক পরিশ্রমের অভাবসহ নানা কারণে বাংলাদেশে ডায়াবেটিসের প্রকোপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রায় প্রতিটি পরিবারেই ডায়াবেটিস এখন উদ্বেগের অন্যতম প্রধান কারণ। ডায়াবেটিস সারা জীবনের রোগ। একবার হলে তা আজীবন বয়ে বেড়াতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের কারনে হৃদপিণ্ড, কিডনি ও চোখ ছাড়াও শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ডায়াবেটিক রোগীদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নার্সরা বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারেন। ডায়াবেটিস যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে একজন ডায়াবেটিক রোগীকে নিয়মিত নিজে নিজে রক্ত পরীক্ষা ও ইনসুলিন দেয়া ছাড়াও ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় জানা থাকা আবশ্যক। নার্সরা ডায়াবেটিক রোগীদের এসব বিষয়ে উপযুক্ত স্বাস্থ্যশিক্ষা দিতে পারলে যে কোনো ডায়াবেটিক রোগীর পক্ষেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়ে উঠবে। এ কারণে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস এর এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডায়াবেটিস-সেবায় পার্থক্য আনতে পারেন নার্সরাই’ যথাযথ হয়েছে বলে আমি মনে করি। 

ডায়াবেটিস থেকে রক্ষা পেতে হলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে। এ বিষয়ে সচেতনতার কাজ শুরু করতে হবে পরিবারের মধ্য থেকেই। বিশেষ করে ফাস্টফুড, কোমল পানীয়র মতো ক্যালরিসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণে সংযমী হওয়া আবশ্যক। একইসাথে নিয়মিত খেলাধুলা, শরীরচর্চা, সুষম ও পরিমিত আহার ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত জরুরি। আমি ডায়াবেটিস সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টিতে চিকিৎসক, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি ও গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থাকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

আমি বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি।

          জয় বাংলা।

          খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

হাসান/জুলফিকার/রেজ্জাকুল/শামীম/২০২০/১৪৪৬ ঘণ্টা

2020-11-13-20-05-4739c187085e3a30191f988c0a0b7cc0.docx 2020-11-13-20-05-4739c187085e3a30191f988c0a0b7cc0.docx

Share with :

Facebook Facebook