তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd জুন ২০১৭

তথ্যবিবরণী : ৩ জুন, ২০১৭

Handout                                                                                                                                                                Number : 1535

Inu at presenting 'Lalan Shah Fakir Ke Geet' to Indian President

Lalan songs in Hindi to unfold a non-communal sub-continent

 

New Delhi (India), June 3 :

                Information Minister Hasanul Haq Inu said, 'Spreading Lalon Songs in Hindi is to unfold a new era in the sub-continent free from communalism, terrorism and discrimination'. At the same time, it denoted one more knot of friendship between Bangladesh and India, the two closest neighbours, said he.

                The minister was speaking at the ceremony of presenting first copy of the book 'Lalan Shah Fakir Ke Geet', selected and translated songs of Lalan Fakir from Bangla to Hindi by Professor Muchkund Dubey to the President of India Pranab Mukherjee at Rashtrapati Bhavan, the President's Secretariat in New Delhi today.

                First copy of the CD containing the Hindi songs from the book sung by Bangladesh’s acclaimed Lalan-singer Farida Parveen was also presented to the Indian President at the same time.

                Bangladesh High Commissioner to India Syed Muazzem Ali,  Professor Emeritus Dr. Anisuzzaman, author of 'Lalan Shah Fakir Ke Geet' and iconic diplomat Professor Muchkund Dubey, devoted Lalan-singer Farida Parveen along with the organizers ICCR President Professor Lokesh Chandra and Sahitya Akademi President  Dr. Vishwanath Prasad Tiwari and eminent scholars were present at the ceremony. Farida Parveen voiced two Lalan songs in Hindi that concluded the ceremony.

                President Pranab Mukherjee extended his warm greetings to all as Professor Emeritus Dr. Anisuzzaman and author of `Lalan Shah Fakir Ke Geet’ Professor Muchkund Dubey spoke on the occasion.

                Inu said, commencing the journey of great Lalan Shah Fakir’s songs from Bangla to Hindi language, for more than 1.5 billion Hindi speaking people in the world, is making an everlasting bridge of friendship between the Bangladesh and India. These songs of humanism, communal harmony and equality deserve to be known across the globe because they seem eternally relevant to humanity, he mentioned.

                'Practicing Lalan can minimize our cultural deficits, bring an end to communal violence and eradicate discrimination. Because, Lalon stands against religious conflict, ill motivated politics and all sorts of violence', said the minister.

                Hasanul Haq Inu recalled the Father of the Nation of Bangladesh, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman for giving birth to a spouting surge of non-communal force that erode communalism and led to country’s independence for 'Bangalee' nationalism in 1971.  

                At the same time, the Information Minister paid tributes to the legendary Leader Late Indira Gandhi and to President Pranab Mukherjee of India for their unparallel roles during the emergence of Bangladesh, calling Bangladesh’s independence a glaring testimony to rise of non-communal force from the malign grips of the then Pakistan’s communalism.

                Inu, who hails from Lalan’s district Kushtia said when he started speaking of equality, of socialism, and thrived for ending communal violence, deep in his heart, he felt his spirit of Lalan encouraging him all the way.

                He thanked the President of India for including him in making of this new historic bridge of friendship between India and Bangladesh.

                Information Minister left Dhaka on Thursday to attend this historic ceremony and is expected to return on 4 June.

#

Akram/Salim/Sanjib/Salimuzzaman/2017/21.20 Hrs

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ১৫৩৪
বিডা’র আঞ্চলিক অফিসের কার্যক্রম আরো গতিশীল করা হবে
                                         -- বিডা’র চেয়ারম্যান

রাজশাহী, ২০ জ্যৈষ্ঠ (৩ জুন) :
    বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এর চেয়ারম্যান কাজী মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেছেন, সারাদেশে বিনিয়োগ সমপ্রসারণের লক্ষ্যে বিডা’র আঞ্চলিক অফিসের কার্যক্রম আরো গতিশীল করা হবে। শুধু ঢাকা, চট্টগ্রাম নয়, দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় বিডা’র কার্যক্রম ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে দেশব্যাপী নতুন উদ্যোক্তা তৈরি তথা বিনিয়োগ প্রসারের লক্ষ্যে কাজ করছে বিডা। তিনি বলেন, এ দেশে রয়েছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের অমিত সম্ভাবনা। এ বিনিয়োগ সম্ভাবনা দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
    তিনি আজ রাজশাহী নগরীর নানকিং দরবার হলে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের রাজশাহী বিভাগীয় অফিস আয়োজিত ‘ঈযধষষবহমবং ধহফ চৎড়ংঢ়বপঃং ড়ভ ওহাবংঃসবহঃ রহ ঃযব ঘড়ৎঃযবৎহ জবমরড়হ ড়ভ ইধহমষধফবংয’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
    তিনি বলেন, রাজশাহী হচ্ছে হযরত শাহ মখদুমের স্মৃতিবিজড়িত পূণ্যভূমি। রেশম শিল্প ও শিক্ষা শহর খ্যাত এ রাজশাহীকে আমরা শিল্প ও গবেষণা শহরে রূপানত্মর করতে চাই। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রাজশাহীর রয়েছে প্রচুর সম্ভাবনা। রয়েছে যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত কিছু সমস্যাও। এসব সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা নিরসন করে রাজশাহীকে একটি বিনিয়োগবান্ধব শহরে রূপানত্মরের লক্ষ্যে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে বিডা। এ লক্ষ্যে রাজশাহী শহরে একটি ১০-১২ তলাবিশিষ্ট বিনিয়োগ ভবন নির্মাণ করা হবে।
    কাজী মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ, উৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্য তথা সব ধরনের উন্নয়ন কর্মকা-ে সকল স্টেকহোল্ডারদের অনত্মর্ভুক্তি নিশ্চিত করে একটি অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাসত্মবায়ন করতে চাই। তিনি বলেন, সবাইকে সম্পৃক্ত করে বিভাগীয় পর্যায়ে একটি বিনিয়োগ ফোরাম অতি দ্রম্নত গঠন করা হবে। এ ফোরাম বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিনিয়োগ সম্ভাবনা খুঁজে বের করবে। তিনি আরো জানান, আগামী দু’এক মাসের মধ্যে বিনিয়োগ কর্মপরিকল্পনা চূড়ানত্মকরণের জন্য রাজশাহী শহরে একটি সভা আহ্বান করা হবে। উক্ত সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাসত্মবায়ন বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক উপসি'ত থাকবেন।
    সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস'াপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোনমিক বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল ওয়াদুদ।
    রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মোঃ নুর উর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী মেট্রেপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম, রাজশাহী অঞ্চলের কর কমিশনার দবির উদ্দিন, কাস্টমস কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন, রাজশাহীর অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ মাসুদুর রহমান ভূঁইয়া, রাজশাহী চেম্বার অভ্‌ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট মনিরম্নজ্জামান মনি, জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ ও সমাজসেবক শাহীন আক্তার রেনি।
    প্যানেল আলোচক হিসেবে উপসি'ত ছিলেন দৈনিক সোনার দেশ এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আকবারম্নল হাসান মিলস্নাত, বাংলাদেশ রেশম মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ লিয়াকত আলী, দৈনিক করতোয়া এর সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক এবং ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ (টিএমএসএস) এর নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ড. হোসনে আরা বেগম।
    সেমিনারে বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, চেম্বার প্রতিনিধি, মহিলা উদ্যোক্তা, শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, আগ্রহী বিনিয়োগকারী, উন্নয়ন কর্মী, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
#
ফয়সল/সেলিম/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/২০৪৫  ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ১৫৩৩

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে সরকার সহযোগিতা করছে
                    ---শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা, ২০ জ্যৈষ্ঠ (৩ জুন) :

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, শিক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা আমাদের অগ্রাধিকারের অগ্রাধিকার। এর প্রসারে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দিবে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমেই দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব। এ দক্ষ জনশক্তি দেশের উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। দেশের বাইরেও দক্ষ জনবল কাজ করার সুযোগ পাবে।

    মন্ত্রী আজ ঢাকায় ইনস্টিটিউট অভ্ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) ভবনে বাংলাদেশ প্রাইভেট পলিটেকনিক ওনার্স এসোসিয়েশন (বিপিপিওএ)-এর ২য় জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে মোট শিক্ষার্থীর মাত্র শতকরা এক ভাগ কারিগরি শিক্ষায় পড়াশোনা করত, যা সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ১৪ ভাগে উন্নীত হয়েছে। ২০২০ সালে তা শতকরা ২০ ভাগে উন্নীত করা হবে। তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেরও অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে ৪শ’ ৬৭টি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ৭ হাজার ৭৫৩টি ভোকেশনাল স্কুলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। স্টেপ প্রকল্পের মাধ্যমে ১৬২টি বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সকল শিক্ষার্থীই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ। তাই তাদেরকে সমান সুযোগ দিতে হবে।

    বিপিপিওএ’র সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শামসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম বাবু, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ আলমগীর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

#
আফরাজ/সেলিম/সঞ্জীব/আবব্াস/২০১৭/১৭৩৯ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ১৫৩২

সমুদ্র তীরবর্তী অধিবাসীদের সমুদ্র ঝড় থেকে বাঁচাতে টেকসই বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন
                                -- ত্রাণ মন্ত্রী

চকোরিয়া (কক্সবাজার), ২০ জ্যৈষ্ঠ (৩ জুন) :

    দুর্যোগ ব্যবস'াপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, সমুদ্র তীরবর্তী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের অধিবাসীদের সমুদ্র ঝড় থেকে বাঁচাতে টেকসই বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন। এ উপলব্ধি থেকে সরকার চট্টগ্রাম অঞ্চলের বাঁশখালী এলাকায় আড়াইশ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণ করেছে। এ  বাঁধ নির্মাণের ফলে বাঁশখালী এলাকার মানুষ ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ থেকে রড়্গা পেয়েছে এবং ড়্গয়ড়্গতি কম হয়েছে।

    তিনি আজ চট্টগ্রাম জেলায় বাঁশখালী উপজেলার বাহের চর, কক্সবাজার জেলায় চকোরিয়া উপজেলার কোনাখালী বটতলা বাজার এবং বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে প্রায় ২ হাজার লোকের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন। বাঁশখালীতে সংসদ সদস্য মোসত্মাফিজুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস'াপনা ও ত্রাণ সচিব মোঃ শাহ্‌ কামাল, এবং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জিলস্নুর রহমান এসময় উপসি'ত ছিলেন।

    মন্ত্রী বলেন, জলোচ্ছ্বাস থেকে রড়্গা করতে উন্নত বিশ্বের মতো টেকসই বেরীবাঁধ নির্মাণ করতে হবে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকা বারবার ঘূর্ণিঝড়ে আক্রানত্ম হচ্ছে। এর ফলে জীবনমান, শিড়্গা দীড়্গা ও আর্থসামাজিক অবস'া ব্যাপক ড়্গতির সম্মুখীন হচ্ছে। সহস্রাব্দ লড়্গ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে উপকূলীয় লোকদেরকে এসব ড়্গয়ড়্গতি থেকে রড়্গা করতে হবে। বারবার ঘূর্ণিঝড়ে আক্রানেত্মর পর নিজেদের জানমাল রড়্গা করে এলাকার মানুষ দুর্যোগ সহনশীল জনপদে পরিণত করেছে। এসব এলাকায় ঘরবাড়ি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস'া গ্রহণের আশ্বাস দেন মন্ত্রী।

#

দেওয়ান/সেলিম/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/১৮২৭ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ১৫৩১

হেলেনা রাব্বীর মৃত্যুতে চিফ হুইপের  শোক

ঢাকা, ২০ জ্যৈষ্ঠ (৩ জুন) :

চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের বড় ভাই ও পটুয়াখালী জুট মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এ এফ এম ফজলে রাব্বীর সহধর্মিনী হেলেনা রাব্বী (৬৪) শুক্রবার রাত ৯টায় ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস'ায় ইনেত্মকাল করেছেন (ইন্নালিলস্নাহি ......... রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, এক ছেলে এবং দুই মেয়ে সহ বহু আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বাদ জোহর ধানমন্ডি ৭ নং রোডে বায়তুল আমান জামে মসজিদে জানাজার নামাজ শেষে মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস'ানে মরহুমাকে দাফন করা হবে।

 যুক্তরাজ্যের নির্বাচন পর্যবেড়্গণের জন্য লন্ডনে অবস'ানরত চিফ হুইপ তাঁর ভাবীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ, পারিবারিক স্মৃতিচারণ এবং মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

#

লাবণ্য/সেলিম/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/১৭৫০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ১৫৩০
টেকেরহাট-শিবচর নৌপথ খনন কাজ উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহণ মন্ত্রী
শিবচর (মাদারীপুর), ২০ জ্যৈষ্ঠ (৩ জুন) :
দেশে এক সময় ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ছিল। কিন' ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলোর নদীর প্রতি অবহেলার কারণে তা দাঁড়িয়েছে  ৩,৬০০ কিলোমিটারে। বর্তমান সরকার হারানো নদীর পথ পুনরায় উদ্ধারের জন্য কাজ করছে। এজন্য দেশের ৫৩টি নৌপথ খননের জন্য সাড়ে এগার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। নদী খননের জন্য প্রয়োজন ড্রেজার। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন; কিনত্মু তাঁকে হত্যার পর কোন সরকার ড্রেজার সংগ্রহ করেনি। আওয়ামী লীগ সরকারের গত মেয়াদে নৌপথ খননের জন্য ১৪টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমান মেয়াদে ২০টি ড্রেজার সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।  
নৌপরিবহণ মন্ত্রী শাজাহান খান আজ মাদারীপুরের শিবচরে ময়নাকাটা নদীর চর টেকেরহাট-শিবচর নৌপথের ড্রেজিং কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী,  বিআইডবিস্নউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক।
শিবচর ও চর টেকেরহাটের সাথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের নৌ-যোগাযোগ রড়্গা করে  কার্গো ও নৌ-যান নির্বিঘ্নে চলাচলের লড়্গ্যে  চর টেকেরহাট-শিবচর নৌ-পথের ময়নাকাটা নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি করে দেশের আর্থ-সামাজিক ব্যবস'ার উন্নয়ন ঘটানো উক্ত ড্রেজিং কার্যক্রমের মূল লড়্গ্য।
ময়নাকাটা নদীর তীরে অবসি'ত মাদারীপুর জেলার অনত্মর্গত শিবচর উপজেলার শিবচর বাজারটি একটি প্রসিদ্ধ ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এ নদীর পারে সরকারি কয়েকটি খাদ্য গুদাম রয়েছে যেখানে পূর্বে নৌ-পথে কম খরচে পণ্য ওঠানামা করত। কিনত্মু পরবর্তী সময়ে  কোন ড্রেজিং কার্যক্রম গ্রহণ না করায় উক্ত নৌ-রম্নটটিতে পলি জমে নৌ-চলাচলে অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। বর্তমান সরকার সারা বাংলাদেশের মৃতপ্রায় নদীগুলোর  নাব্যতা ফিরিয়ে আনার লড়্গ্যে নদী খননের বিষয়ে বিশাল কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের চর টেকেরহাট-শিবচর নৌ-রম্নটটিকে সচল করার লড়্গ্যে নাব্যতার উন্নয়নে দরপত্রের মাধ্যমে বেসরকারি ড্রেজিং প্রতিষ্ঠানের দ্বারা ৮ লাখ ঘনমিটার খনন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এতে ব্যয় হবে ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়াধীন বিআইডবিস্নউটিএ কর্তৃক বাসত্মবায়নাধীন ‘১২টি গুরম্নত্বপূর্ণ নৌ-পথের খনন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মাদারীপুর-কবিরাজপুর-চৌধুরীহাট/পেঁয়াজখালী-চরজানাজাত/কাওড়াকান্দি নৌ-পথের চর টেকেরহাট-শিবচর অংশের অনত্মর্গত আড়িয়াল খাঁ এবং ময়নাকাটা নদীর চর টেকেরহাট হতে শিবচর পর্যনত্ম যাত্রী ও পণ্যবাহী নৌ-যান নির্বিঘ্নে চলাচলের ব্যবস'াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় নাব্যতা আনয়নের নিমিত্ত ড্রেজিং কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।  
চর টেকেরহাট-শিবচর নৌ-পথের খনন কাজ সম্পন্ন হলে ঢাকার সাথে শিবচরবাসীর নৌ-যোগাযোগ উন্নত হবে এবং সারা বছর নির্বিঘ্নে নৌ-পথে মালামাল পরিবহণ করার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। নৌ-পথটি খনন করা হলে পানির সর্বনিম্ন সত্মরে  অর্থাৎ শুষ্ক মৌসুমে নৌ-পথটিতে ১২০ ফুট প্রশসত্মতা ও ১০ ফুট গভীরতা বিদ্যমান থাকবে। সারা বছর ৮ ফুট ড্রাফটের নৌযান নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।  
#
জাহাঙ্গীর/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/১৭৪০ ঘণ্টা 

 
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ১৫২৯

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে  অটিস্টিক শিশুদের দক্ষ মানবসম্পদে গড়ে তোলা যাবে
                                                 ---বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান
রাজশাহী, ২০ জ্যৈষ্ঠ (৩ জুন) :

    বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ওরা প্রতিবন্ধী নয়, ওরা বিশেষ প্রয়োজনের শিশু। যথাযথ শিক্ষা ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা গেলে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশুদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা যাবে। তখন তারা দেশ ও জাতির বোঝা না হয়ে আশীর্বাদ হিসেবে পরিগণিত হবে।

    তিনি আজ সকালে নগরীর পঞ্চবটীতে রাজশাহী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়কে উত্তরা মোটরস লিমিটেড এর পক্ষ থেকে মাইক্রোবাস প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে ও তাঁর সুযোগ্যা কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের তত্ত্বাবধানে বর্তমান সরকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশুদের উন্নয়নে যেসব যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা বিশ্ব দরবারে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত ও সমাদৃত হয়েছে।

    রাজশাহী জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মোঃ নুর উর রহমান এবং উত্তরা মোটরস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মতিউর রহমান।

    চেয়ারম্যান বলেন, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশুদের মাঝে সহযোগিতা ও সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া শুধু আমাদের মানবিক ও নৈতিক কর্তব্য নয়, বরং এটা আমাদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। তিনি উত্তরা মোটরস লিমিটেডের চেয়ারম্যানকে তাদের কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে এ ধরনের মহতী কাজে এগিয়ে আসার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, উত্তরা মোটরস লিমিটেডের এ উদ্যোগ বেসরকারি খাতকে এ ধরনের সামাজিক কাজে আরো বেশি হারে অংশগ্রহণের জন্য উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে।

    পরে বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান প্রতিষ্ঠানটির মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে মাইক্রোবাসের চাবি হস্তান্তর করেন। মাইক্রোবাসটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতসহ আনুষঙ্গিক কাজে ব্যবহার করা হবে।
#

ফয়সল/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৭/১৭৩৩ ঘণ্টা

 

 
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ১৫২৮

মিল্ক ভিটা দুগ্ধ সামগ্রী ভোক্তাদের ন্যায্যমূল্যে পৌঁছে দিতে সমবায় বিপণি উদ্বোধন

ঢাকা, ২০ জ্যৈষ্ঠ (৩ জুন) :

    পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন মিল্ক ভিটা তরল দুধ ও ১০ ধরনের দুগ্ধ পণ্য সামগ্রী সহজে ন্যায্যমূল্যে ভোক্তাগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সমবায় বিপণি উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মোঃ মসিউর রহমান রাঙ্গা রাজধানীর নিকেতন ও কলাবাগানে এ এস কে কো-অপ-শপ উদ্বোধন করে  মগবাজারাস্থ ড্রিম প্যারাডাইজ কো-অপ-শপ আকস্মিক পরিদর্শন করেন । এ সময় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মাফরুহা সুলতানা, সমবায় নিবন্ধক আবদুল মজিদ ও মিল্ক ভিটা চেয়ারম্যান শেখ নাদের হোসেন লিপু উপস্থিত ছিলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান ‘মিল্ক ভিটা’ পণ্য নিয়ে কোন অনিয়ম বা গুণগতমানের ব্যাপারে কোন আপোশ করা হবে না। তিনি বলেন স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকর দুগ্ধ  এবং দুগ্ধজাত সামগ্রী রাজধানীর প্রতিটি ওয়ার্ড ও জেলায় কো-অপ শপের মাধ্যমে বিপণন করা হবে। ইত্যেমধ্যে ঢাকায় শতাধিক শপ স্থাপিত হয়েছে। তিনি বলেন মিল্ক ভিটার দুধ, মাখন, ঘি, আইসক্রিম ,দই, রাসমালাই, চকোলেট ও লাবাং গুণগতমানের ও সাশ্রয়ী মূল্যের । তিনি এসব সামগ্রী ক্রয় করে দেশের দুগ্ধ সমবায়ীদের জীবন মানোন্নয়নে সহায়তা করতে জনগণের প্রতি আহবান জানান।

#
আহসান/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৭/১৭২০ ঘণ্টা
 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ১৫২৭

জি টু জি ভিত্তিতে ইউরিয়া সার আমদানির জন্য কাতার গেলেন শিল্পমন্ত্রী

ঢাকা, ২০ জ্যৈষ্ঠ (৩ জুন) :

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির (জি-টু-জি) ভিত্তিতে ইউরিয়া সার আমদানি চূড়ান্ত করতে কাতার সফরে গেলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোমেন আমু। এ লক্ষ্যে তাঁর নেতৃত্বে ৬ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল আজ ভোরে দোহার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে।

শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী, সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা, বিসিআইসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল, পরিচালক (বাণিজ্যিক) মোঃ আবদুল হাই ও মহাব্যবস্থাপক (ক্রয়) মোঃ সহিদুল ইসলাম প্রতিনিধিদলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

শিল্পমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল ৩ থেকে ৬ জুন কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত ইউরিয়া সার কারখানা মুনতাজাতসহ অন্যান্য কারখানা পরিদর্শন করবেন। এ সময় তাঁরা ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য মুনতাজাত থেকে ইউরিয়া সার আমদানির পরিমাণ চূড়ান্ত করবেন। পাশাপাশি তাঁরা সার জাহাজীকরণ সম্পর্কেও বিস্তারিত অবহিত হবেন।

উল্লেখ্য, দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা মেটাতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ সরাসরি কাতার, সৌদিআরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করে থাকে। ২০০৬-০৭ অর্থবছর থেকে এ ধরনের সার আমদানি অব্যাহত রয়েছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে কাতারের মুনতাজাত থেকে ৩ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির চুক্তি হয়েছিল। এর বিপরীতে ইতোমধ্যে ২ লাখ ৪৬ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করা হয়েছে।

আগামী অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ নির্ধারণসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে আলোচনার জন্য শিল্পমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল কাতার সফরে যাচ্ছেন।

#

জলিল/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৭/১৭০২ ঘণ্টা

 


তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ১৫২৬

ব্যানবেইসে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

ঢাকা, ২০ জ্যৈষ্ঠ (৩ জুন) :

    বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)-এর নব নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ‘অফিস ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে।  শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আজ ঢাকায় ব্যানবেইস সম্মেলন কক্ষে  এ প্রশিক্ষণ’ কোর্সের উদ্বোধন করেন। প্রশিক্ষণে উপজেলা আইসিটি ট্রেনিং এন্ড রিসোর্স সেন্টার ফর এডুকেশন (ইউআইটিআরসিই)-এর জন্য নবনিয়োগপ্রাপ্ত   ৯০ জন প্রোগ্রামার ও কম্পিউটার অপারেটর অংশগ্রহণ করেন।
    ব্যানবেইসের পরিচালক মোঃ ফসিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইন এবং কোর্সের পরিচালক এস এম মোর্শেদ বিপুল বক্তব্য রাখেন।   
    এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা দেশের কাজে লাগাতে হবে। সঠিকভাবে সততার সাথে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। দেশের উন্নয়নের জন্য সবাইকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে আইসিটি প্রশিক্ষণ ও ডিজিটাল সেবা প্রদানে ইউআইটিআরসিইগুলোর ভূমিকা হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১২৫টি উপজেলায় ইউআইটিআরসিই স্থাপন করা হয়েছে। আরো ১৬০টি উপজেলায় নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে।
    মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য আছে। এসডিজি, রূপকল্প-২০২১ এবং উন্নত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। প্রশিক্ষণার্থীদেরকে নতুন প্রজন্মের কর্মী উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার লক্ষ্য অর্জনে আপনারা নিজের কাজটা ঠিকঠাক মতো করবেন। সেবাগ্রহীতা কাউকে যাতে হয়রানি হতে না হয়। সম্পদের অপচয় যাতে না হয়।
    ১০ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কোর্সটি আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে।

#
আফরাজ/সেলিম/মোশারফ/আবব্াস/২০১৭/১৬৫৮ ঘণ্টা

 

Todays handout (5).docx Todays handout (5).docx

Share with :
Facebook Facebook