তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৫ জুন ২০১৭

তথ্যবিবরণী ১৫ জুন ২০১৭

তথ্যবিবরণী                                 নম্বর : ১৬৪০

সরকার সমন্বিতভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস'াপনা বাসত্মবায়ন করছে
                         -- প্রতিমন্ত্রী রাঙ্গাঁ

ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :

পলস্নী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মোঃ মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ বলেছেন, সরকার সমন্বিতভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস'াপনা পরিকল্পনা ২০১৬-২০২০ বাসত্মবায়ন করছে। এসব কর্ম-পরিকল্পনা সফল করতে জাতীয় ও আনত্মর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সমন্বিত সহায়ক কার্যক্রম গ্রহণ অপরিহার্য।

তিনি আজ রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক আয়েশা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট (বিডি) কর্তৃক দু’হাজার দুঃস' ও দরিদ্র নর-নারীর মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন। ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক মইনুল হকের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী মোঃ রফিক ও সংস'ার পরিচালক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আয়েশা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট  বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী আর্ত-মানবতার সেবায় দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সাথে কাজ করে আসছে। তিনি সংস'াটির দুর্যোগ কবলিত এলাকায় নিয়মিত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম, শিড়্গা কর্মসূচি, দরিদ্রদের শীতবস্ত্র, সেলাই মেশিন ও হুইল চেয়ার প্রদানসহ জনকল্যাণকর কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, ট্রাস্টটির কর্মপরিধি বাড়ালে মানবতা উপকৃত হবে।

পরে প্রতিমন্ত্রী ট্রাস্টের পড়্গ থেকে দু’হাজার দুঃস' ও দরিদ্র নর-নারীর মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন।

#

আহসান/মাহমুদ/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/২১৩০ ঘণ্টা

 

 

Handout                                                                                                         Number : 1639

 

Japanese FM condoles death in landslide

 

Dhaka,  June 15 :

 

            Japanese Foreign Minister Fumio Kishidain a message to Bangladesh Foreign Minister A H Mahmood Ali expressed condolence at the loss of lives and properties in the recent devastating landslides in Bangladesh.

 

#

 

Khaleda/Mahmud/Salimuzzaman/2017/2030 Hrs

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর :  ১৬৩৮
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এসডিজি অর্জন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :
জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (ঝউএং) এর লক্ষ্যমাত্রা (ঞধৎমবঃ)  ৮.৬ এবং ৮.ন অর্জনের জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে  নেতৃত্ব প্রদানকারী মন্ত্রণালয় (খবধফ গরহরংঃৎু) হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অর্জনে মন্ত্রণালয় কর্তৃক দঅপঃরড়হ চষধহ' এবং দগড়হরঃড়ৎরহম ধহফ ঊাধষঁধঃরড়হ ঋৎধসবড়িৎশ' প্রণয়ন করা হয়েছে। এ দঅপঃরড়হ চষধহ' এবং দগড়হরঃড়ৎরহম ধহফ ঊাধষঁধঃরড়হ ঋৎধসবড়িৎশ' বিষয়ে একটি কর্মশালা আজ ঢাকায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি’র সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি'ত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপসি'ত ছিলেন, যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়,  যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স'ায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) মোঃ আবুল কালাম আজাদ। সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব  মোঃ আসাদুল ইসলাম।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ বিপুল সফলতার মধ্য দিয়ে ২০১৫ সালের শেষ নাগাদ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) সমাপ্ত করেছে। এখন ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য নির্মূল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের পথে অগ্রগামী হয়েছে। ইতোমধ্যে টেকসই উন্নয়নের প্রতিটি লক্ষ্য অর্জনের সাথে সম্পৃক্ত লিড ও সহায়ক মন্ত্রণালয়গুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদে মন্ত্রণালয়গুলো সংশ্লিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তার ওপর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর অনত্মর্গত কর্মসূচি নির্দেশকসমূহের মধ্যে যোগসূত্র স'াপন করা হচ্ছে। এছাড়া মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতেও এর প্রতিফলন ঘটানো হচ্ছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশপাশি এর সুবিধা সর্বসত্মরের মানুষের মধ্যে বিসত্মারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত ও সমৃদ্ধশীল দেশ গঠনে যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে সেটি ধারণ করে সরকার সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এমডিজির মতো এসডিজি অর্জনেও আমরা সক্ষম হবো। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে। তিনি বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এসডিজির অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য ২০২০ সালের মধ্যে বাসত্মবায়নযোগ্য ১৩টি ও ২০৩০ সালের মধ্যে বাসত্মবায়নযোগ্য ১৯টি প্রকল্প গ্রহণ করেছে । এর মধ্যে শোভন কর্ম এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির আওতায় যে সকল যুব সমাজ কর্ম, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে নেই তাদের সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং সামাজিক সুরক্ষা ও কর্মসংস'ান বৃদ্ধির জন্য জিডিপিতে সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি করাই প্রধান লক্ষ্য।
কর্মশালায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস'া ও বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস'ার শতাধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
#
শফিকুল/মাহমুদ/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/১৯২৭ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর : ১৬৩৭

আপটাইমের অনুমোদন পেল ৪-টিয়ার ডেটা সেন্টারের ডিজাইন

ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :
ডাটা সেন্টারের হোস্টিং ক্যাপাসিটি বাড়াতে, সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডাটা/নথি সংরক্ষণ ও সুরক্ষিত রাখতে এবং জাতীয় ই-সেবা সিস্টেমের মাধ্যমে নাগরিক সেবা দ্রুত ও নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি প্রাঙ্গণে গড়ে তোলা হচ্ছে ফোর টায়ার ডেটা সেন্টার। আজ যুক্তরাষ্ট্রের আপটাইম ইনস্টিটিউট ফোর টিয়ার ডেটা সেন্টারের ডিজাইন অনুমোদন দেয়। 
যুক্তরাষ্ট্রের আপটাইম ইনস্টিটিউট ফোর টিয়ার মানের ডেটা সেন্টারকে উবংরমহ উড়পঁসবহঃং, ঈড়হংঃৎঁপঃবফ ঋধপরষরঃু এবং ঙঢ়বৎধঃরড়হধষ ঝঁংঃধরহধনরষরঃু  এই তিন ধাপে সার্টিফিকেট প্রদান  আজকের এই অনুমোদনের ফলে ডেটা সেন্টার স্থাপনে এক ধাপ অগ্রগতি হলো যা আপটাইম ইনস্টিটিউট থেকে টায়ার ফোর গোল্ড ফল্ট টলারেন্ট সার্টিফিকেশন অর্জনের মাধ্যমে সমাপ্তি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। 
অনুমোদন প্রাপ্তিতে আইসিটি প্রতিমিন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বে ও প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টার সার্বিক তত্ত্বাবধানে দিনে দিনে ডিজিটাল বাংলাদেশের কলেবর বাড়ছে। আর সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেশি পরিমাণে ডেটা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তাও। এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে আমরা কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে টিয়ার ফোর মানের ডেটা সেন্টার স্থাপন করছি। এই ডেটা সেন্টারে সরকারি ডেটার পাশাপাশি আমরা সীমিত আকারে বেসরকারি ডেটাও হোস্ট করব। আর নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করবে আপটাইম ইনস্টিটিউট। টিয়ার ফোর মানের সার্টিফিকেশন দেয়ার আগে আপটাইম ইনস্টিটিউট সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। 
“ফোর টায়ার ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার (৪ঞউঈ)” প্রকল্পের আওতায় দেশে একটি সমন্বিত ও  বিশ্বমানের ডাটা সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে যার ডাউন টাইম শূন্যের কোটায়। এর ফলে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার ডিজিটাল কন্টেন্ট সংরক্ষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, ডিজিটাল কন্টেন্ট সমূহের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, দেশিয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে জনসেবা উন্নত হবে এবং ক্লাউড কম্পিউটিং ও জি-ক্লাউড প্রযুক্তিতে বিশ্বের ৬ষ্ঠ বৃহত্তম স্থান হিসাবে অবদান রাখবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে সরকারের সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল সরকারি কার্যালয়ের আইসিটি কার্যক্রম সরাসরি যুক্ত থাকবে।
#

নাছের/সেলিম/মোশারফ/জয়নুল/১৭৪০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                         নম্বর : ১৬৩৬

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির  বৈঠক অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :

দশম জাতীয় সংসদের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৭তম বৈঠক আজ সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুন বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা, এ কে এম এ আউয়াল (সাইদুর রহমান), সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, মোঃ মকবুল হোসেন এবং  দিলারা বেগম বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে বিশেষ আমন্ত্রণে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান অংশগ্রহণ করেন।  

২৬তম বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন সভায় উপস্থাপন করা হয় এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে হজের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে পর্যালোচনা করা হয় এবং ২০১৭ সালের হজ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পালনের জন্য মন্ত্রণালয় ও সংসদীয় কমিটি একসাথে কাজ করার দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করে। বৈঠকে হজ সংক্রান্ত সকল কার্যক্রমে স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুল জলিলসহ ধর্ম মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
 
#
হুদা/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৭/১৭২১ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                         নম্বর : ১৬৩৫

বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক

ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :

দশম জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৭তম বৈঠক আজ কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান-এর সভাপতিত্বে  সংসদ  ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সদস্য বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন  মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, শেখ হেলাল উদ্দীন, মোঃ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, কামরুল আশরাফ খান, রওশন আরা মান্নান এবং সাবিহা নাহার বেগম বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে ‘বেসামরিক বিমান চলাচল বিল, ২০১৭’ এর ওপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কমিটি ‘বেসামরিক বিমান চলাচল বিল, ২০১৭’ পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কতিপয় ধারা উপ-ধারায় কিছু সংশোধন সাপেক্ষে জাতীয় সংসদে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য সুপারিশ করে।  

বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বিমানের  ব্যাবস্থাপনা পরিচালক, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিবসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট  কর্মকর্তাবৃন্দ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
#
এমদাদুল/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৭/১৭১৭ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর : ১৬৩৪

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর 

ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :

নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করতে সংস্থা প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছেন। এ লক্ষ্য পূরণে ‘মনিটরিং টিম’ গঠনের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আজ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে মন্ত্রণালয়ের সাথে এর আওতাধীন ১১টি দপ্তর ও সংস্থার ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উক্ত নির্দেশনা দেন।  
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায় মন্ত্রণলয়ের পক্ষে এবং ১১টি সংস্থার প্রধানগণ সংস্থার পক্ষে স্বাক্ষর করেন। 
সংস্থাগুলো হলো- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি, ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।  
শাজাহান খান বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থাসমূহে ব্যাপক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বিগত সময়ের চেয়ে সংস্থাগুলোর কর্মকা- অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সরকারের সঠিক দিক নির্দেশনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় উন্নয়নমূলক কর্মকা- বাস্তবায়ন করে চলেছে। আগামী অর্থ বছরকে (২০১৭-১৮) চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে শতভাগ কাজ সম্পন্ন করতে সংস্থা প্রধানদের পুনরায় নির্দেশনা দেন।  
#

জাহাঙ্গীর/সেলিম/মোশারফ/জয়নুল/১৭০৫ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ১৬৩৩

কমনওয়েলথ অভ্লার্নিংয়ের বোর্ড সভায় যোগ দিতে কানাডায় শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ অভ্লার্নিং (সিওএল)-এর বোর্ড অভ্ গভর্নরস্-এর সভায় যোগ দিতে গতকাল কানাডার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। 
শিক্ষামন্ত্রী ১৫ ও ১৬ জুন ভ্যাঙ্কুভারে সিওএল -এর বোর্ড সভায় অংশ নেবেন। বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে সিওএল-এর বোর্ড অভ্ গভর্নরস্-এর সভায় যোগ দিচ্ছেন। উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে বাংলাদেশ এ অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়।
মন্ত্রী আগামী ১৮ জুন দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
#

আফরাজুর/সেলিম/মোশারফ/জয়নুল/১৭০০ঘণ্টা  


তথ্যবিবরণী                                                                                                            নম্বর : ১৬৩২

১৩টি সংস্থার সাথে তথ্য মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর  

ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :
তথ্য মন্ত্রণালয়ের ১৩টি দপ্তর ও সংস্থার সাথে মন্ত্রণালয়ের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। 
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর উপস্থিতিতে আজ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তথ্যসচিব মরতুজা আহমদের সাথে ৫টি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এবং ৮টি দপ্তর তথ্য অধিদফতর, বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের প্রধানগণ নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। 
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী এ চুক্তিগুলোকে মন্ত্রণালয়ের আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ‘কাজের বাজেট’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, আগামী অর্থবছরে কি পরিমাণ জনবল ও অর্থ ব্যয়ে কি কি কাজের মাধ্যমে জনগণ ও গণমাধ্যমকে সেবা দেয়া হবে তারই পরিকল্পনা অনুসারে এ চুক্তি সম্পাদিত হলো।  রূপকল্প ২০২১, রূপকল্প ২০৪১, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ, ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, মন্ত্রণালয়ের নীতি, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও ঘোষিত কর্মসূচির আলোকে এই চুক্তিগুলো প্রণীত হয়েছে। 
‘ফাঁকা বুলি নয়, শেখ হাসিনার সরকার সত্যিকার অর্থে জনসেবার মান ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করতে রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনায় যে পরিকল্পনা ও নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে, এ চুক্তিস্বাক্ষর তারই একটি বাস্তব প্রতিফলন’, বলেন মন্ত্রী।
তথ্য মন্ত্রণালয়ও একইভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাথে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে আবদ্ধ জানিয়ে হাসানুল হক ইনু এসময় চুক্তিকে শপথ হিসেবে বিবেচনা করে সে অনুযায়ী অঙ্গীকারগুলো পূরণের জন্য সকল সংস্থা ও দপ্তর প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানান।
তথ্য সচিব মরতুজা আহমদ তার বক্তৃতায় বলেন, এ চুক্তি স্বাক্ষর তথ্য মন্ত্রণালয়ের সকল সংস্থা ও দপ্তরের স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, জবাবদিহিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। বিগত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তথ্য মন্ত্রণালয় সামগ্রিকভাবে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির ১০০ নম্বরের মধ্যে ৯৬.৬৭ নম্বর অর্জন করে সকল মন্ত্রণালয়ের মধ্যে শীর্ষ স্থানের একটি অর্জন করেছে এবং বিদায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৯৭.৫ নম্বরের অধিক অর্জন করবে বলে জানান তথ্য সচিব।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবগণের মধ্যে মোঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ, রোকসানা মালেক এনডিসি, মনজুরুর রহমান, মোঃ মোশাররফ হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা এসময় উপস্থিত ছিলেন।  
#
আকরাম/সেলিম/মোশারফ/জয়নুল/১৬৫০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর : ১৬৩১ 

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তর, সংস্থার মধ্যে ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি’ স্বাক্ষর

ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :     
আজ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ ১৭টি দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি’ স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তিতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. ইব্রাহীম হোসেন খান এবং দপ্তর ও সংস্থার পক্ষে এর প্রধানগণ স্বাক্ষর করেন। 
মন্ত্রণালয়ের দপ্তর ও সংস্থাগুলো হলো- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর, আর্কাইভস্ ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউ-েশন, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, কপিরাইট অফিস, নজরুল ইনস্টিটিউট, কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি), ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি, নেত্রকোণা, রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী ও মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি, মৌলভীবাজার।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মো. ইব্রাহীম হোসেন খান বলেন, আজ মন্ত্রণালয়ের সাথে এর দপ্তর ও সংস্থাসমূহের যে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো তা একটি তাৎপর্যময় ঘটনা। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার স্বপ্ন দেখছি, ২০৪১ সালের মধ্যে একটি আধুনিক ও উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছি, সে স্বপ্ন পূরণের পথে এ চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতিগত কৌশল। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা আনয়নে এ চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও দক্ষতা বাড়াতেও এ চুক্তি সাহায্য করবে। ফলে মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পরিপূর্ণভাবে অর্জিত হবে এবং প্রদেয় সেবার মান বৃদ্ধি পাবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মসিউর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব সামছুন্নাহার বেগম, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচাল লিয়াকত আলী লাকী, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আলতাফ হোসেন, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশীষ কুমার সরকার, নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক ভূঞা প্রমুখ।        

#
কুতুবুদ-দ্বীন/অনসূয়া/রফিকুল/শামীম/২০১৭/১৪৩০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ১৬৩০

রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক

ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :     
রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ৩৪তম বৈঠক আজ কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটির সদস্য রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান,  মো. সিরাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ নোমান, ইয়াসিন আলী এবং  ফাতেমা জোহরা রানী বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে রেলওয়ে জমি লিজ প্রদানের বিদ্যমান নীতিমালা পরিবর্তন করে যুগোপযোগী করার সুপারিশ করে কমিটি । রেলওয়ের নারায়ণগঞ্জ জেলায় ২৭ দশমিক ২৭০৯ একর জমি এবং নরসিংদী জেলার ২১ দশমিক ৫০ একর জমি নিয়ম বহির্ভুতভাবে লিজ প্রদান করায় বিধি মোতাবেক দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও সুপারিশ করা হয়।
 বৈঠকে আরো জানানো হয়, ইন্দোনেশিয়া থেকে এডিপির অর্থায়নে প্রকল্পের আওতায় ১০০টি মিটারগেজ এবং ৫০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী গাড়ি সংগ্রহ করা হয়েছে। 
বৈঠকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।                                                                                                                                  
#
সাব্বির/অনসূয়া/গিয়াস/রফিকুল/শামীম/২০১৭/১৪০৫  ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর : ১৬২৯ 

খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত 

ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :

জাতীয় সংসদের খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২০তম বৈঠক আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে কমিটি সদস্য খাদ্য মন্ত্রী মো. কামরুল ইসলাম, মো. আব্দুল মালেক, আ ক ম বাহাউদ্দিন, মো. হাসিবুর রহমান স্বপন, মো. নূরুল হক, শেখ ফজলে নূর তাপস এবং বেগম শিরিন নাঈম বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। 
কমিটি দুর্যোগ উত্তর জরুরি প্রয়োজনে সরকারি ও পারিবারিক পর্যায়ে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৮টি সাইলো নির্মাণ প্রকল্পের কাজ দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার সুপারিশ করে। এছাড়া যে সব জেলায়/স্থানে উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্য উৎপন্ন হয় সেসকল স্থানে ভবিষ্যতে সাইলো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণেরও সুপারিশ করে। 
বৈঠকে সমন্বিত খাদ্য নীতি গবেষণা কার্যক্রম ও নীতি নির্ধারণে সহায়তা, সারাদেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে খাদ্য মজুদ ও খাদ মন্ত্রণালয়ের খাদ্য ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ট জনবলের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া খাদ্য অধিদপ্তরের জনবল নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার সুপারিশ করে। কমিটি নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম দৃশ্যমান এবং গতিশীল করারও সুপারিশ করে।
বৈঠকে  দেশের প্রতিটি খাদ্য গুদামে সরকারের ক্রয়কৃত ধান, চাল বা গম যে পরিমাণে গুদামজাত করা হয় তার সুনিদিষ্ট হিসাবে বাস্তবে যাচাই-বাছাই করা এবং কোনক্রমেই যাতে নিম্নমানের খাদ্যশস্য  গুদামজাত করা না হয় সে বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তর থেকে কঠোর মনিটরিং ও নজরদারি অব্যাহত রাখার সুপারিশ করা হয়।
কমিটি পরবর্তী বৈঠকে খাদ্য মজুদ ও সংগ্রহের সময় ভিত্তিক তথ্য প্রতিবেদন দাখিলের সুপারিশ করে। এছাড়া সরকারি খাদ্য গুদাম ও বেসরকারি গুদামজাতকরণ সম্বলিত পরিসংখ্যানের সচিত্র প্রতিবেদন দাখিলেরও সুপারিশ করে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব কায়কোবাদ হোসেন, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বদরুল হাসানসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। 
#

হালিম/অনসূয়া/গিয়াস/সুবর্ণা/রফিকুল/আসমা/২০১৭/১৪২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ১৬২৮ 

ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ এবং জাতীয় ফল প্রদর্শনী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ এবং জাতীয় ফল প্রদর্শনী উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৬-৩০ জুন ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ এবং ১৬-১৮ জুন জাতীয় ফল প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষের এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্য পুষ্টি অর্থ চাই, দেশি ফলের গাছ লাগাই’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
জীববৈচিত্র্যের দেশ বাংলাদেশ। প্রাকৃতিকভাবে বিপুলসংখ্যক প্রাণী ও উদ্ভিদের সমাহার বাংলাদেশকে করেছে বৈচিত্র্যময়। এ সম্পদের অন্যতম উপাদান হলো দেশীয় ফলদ বৃক্ষ এবং ফল। খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, মেধার বিকাশ, অক্সিজেন ও মূল্যবান কাঠ সরবরাহ, দারিদ্র্য বিমোচন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ নৈসর্গিক শোভা বর্ধনে দেশীয় ফল ও ফলদ বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। 
আওয়ামী লীগ সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির ফলে দানাদার খাদ্য শস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি শাকসবজি এবং ফলমূল উৎপাদনেও এসেছে ব্যাপক সাফল্য। এখন পুষ্টির নিরাপত্তা অর্জন একটি চ্যালেঞ্জ। দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত ফলমূলের যোগান পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারে। আমাদের দেশীয় ফল বিশেষ পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। তাই পরিকল্পিতভাবে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে বছরব্যাপী দেশীয় ফলের চাষ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।    
সারাবছর পর্যাপ্ত ফল উৎপাদন করার জন্য গ্রামাঞ্চলে বসতবাড়ির আঙ্গিনায়, রাস্তার ধারে, পুকুরপাড়ে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনায় ও শহরাঞ্চলে বাসভবনের ছাদে বেশি বেশি দেশীয় ফলদ বৃক্ষরোপণ করার জন্য সকলকে আহ্বান জানাই।
আমি আশা করি, ‘ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ’ এবং ‘জাতীয় ফল প্রদর্শনী’ দেশীয় ফল চাষে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।
আমি  ‘ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ’ ও ‘জাতীয় ফল প্রদর্শনী’র সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
ইমরুল/অনসূয়া/গিয়াস/সুবর্ণা/আসমা/১১০০ ঘণ্টা  
 

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ১৬২৭  

ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ ও জাতীয় ফল প্রদর্শনী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) :   
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ১৬ জুন ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ ও জাতীয় ফল প্রদর্শনী উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“প্রতিবারের ন্যায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ বছরও জুন মাসে দেশব্যাপী ‘ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ ও জাতীয় ফল প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। আমি এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
প্রাচীনকাল থেকে ফলের বহুবিদ ব্যবহার সর্বজনবিদিত। ফল বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন ও খনিজ লবণের সবচেয়ে ভালো উৎস। ফলের ঔষধি গুণও যথেষ্ট। তাই দেহের পুষ্টি চাহিদা পূরণে ফলের কোনো জুড়ি নেই। আমাদের দেশের মাটি ও জলবায়ু ফল উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত অনুকূল। এখানে সারাবছর নানা জাতের ও স্বাদের ফল উৎপন্ন হয়। আজকাল বিদেশি ফল স্ট্রবেরি, আঙুর, কমলা, ম্যান্ডারিন দেশে চাষ হচ্ছে। তবে দেশীয় ফলের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে কীটনাশক ও প্রিজারভেটিভের অপরিকল্পিত ব্যবহার ইতোমধ্যে জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তাই এ ব্যাপারেও সকলকে সচেতন হতে হবে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে হবে। কাষ্ঠসম্পদের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও ফলদ বৃক্ষের রয়েছে অপরিসীম অবদান। পরিকল্পিতভাবে দেশীয় ফলের আবাদ বাড়ানোর মাধ্যমে ফল উৎপাদন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব বলে আমার বিশ্বাস।
খাদ্য ও পুষ্টির পাশাপাশি আয় ও কর্মসংস্থানে ফলদ বৃক্ষের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রেক্ষাপটে ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষের এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্য পুষ্টি অর্থ চাই, দেশি ফলের গাছ লাগাই’ যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি। ‘জাতীয় ফল প্রদর্শনী’ নতুন প্রজন্মসহ আপামর জনগোষ্ঠীর কাছে ঐতিহ্যবাহী ও বৈচিত্র্যময় দেশীয় ফলের ভা-ার ও গুণাগুণ সম্পর্কে জানাতে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।
খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য আমি দেশবাসীকে বেশি করে ফলদ বৃক্ষরোপণের উদাত্ত আহ্বান জানাই। আমি ‘ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ’ ও ‘জাতীয় ফল প্রদর্শনী’ ২০১৭ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করি।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
আজাদ/অনসূয়া/গিয়াস/সুবর্ণা/শামীম/২০১৭/১০৩৪ ঘণ্টা 
 

Todays handout (9).docx Todays handout (9).docx

Share with :
Facebook Facebook