তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ জুন ২০১৮

তথ্যবিবরণী 25 জুন 2018

Handout                                                                                                              Number : 1820

Prime Minister Sheikh Hasina congratulates Erdogan

Dhaka, June 25 :

            Prime Minister Sheikh Hasina today sent a congratulatory message to Recep Tayyip Erdoğan on his reelection as Turyey’s President. The full text of the message is as follows :

 “Your Excellency,

            Assalamu Alaikum Wa Rahmatullahi Wa Barakatuh.

            I am happy to learn that you have been re-elected as the President of the Republic of Turkey. This election, I believe, is a testimony to the trust and confidence reposed on you by the people of Turkey. Let me take this opportunity, Your Excellency, to congratulate you on this happy occasion on my own behalf as well as on behalf of my government and the people of Bangladesh.

            The friendly and brotherly relations between the peoples of Bangladesh and Turkey dates back much before the foundation of our two Republics in the last century. Cultural, social and religious ties existing between our two nations form the fountainhead of friendship and brotherhood lasting for centuries. The time-honored tradition of Sufism brings our two peoples closer. The heroic acts of Turkish people in defense of their motherland during Turkey’s War of Independence during 1922-23 are deeply adored by the people of Bangladesh.    

            As you are aware, Excellency, people of Bangladesh made supreme sacrifices to attain independent statehood through the glorious War of Independence in 1971 under the resolute and unwavering leadership of Father of the Nation Bangabandhu Sheikh MujiburRahman. The people of Bangladesh are working successfully to realize the ultimate aims of our War of Independence- attaining a happy and prosperous “Sonar Bangla” (Golden Bengal) as envisioned by the Father of the Nation. At the same time, we are happy to witness the unprecedented development and prosperity of Turkey attained under your able leadership. Let us hope, Your Excellency, that our two peoples will walk hand in hand towards realizing their full potential and much deserved goals of peace, development and wellbeing.

            In this context, I would like to recall your personal initiative and committed support to the cause of the oppressed Muslim Rohingya population of Myanmar who had to flee to Bangladesh to save themselves from atrocities. We admire the role of the brotherly people and the Government of Turkey to provide succor to the distressed people in many different ways. My government and people have remained steadfast in extending assistance to the Rohingya population sheltered on the soil of Bangladesh. We hope that with the support of the International Community the displaced Rohingya people would be able to return to their homes in Myanmar in an ensured environment of safety and security soon.  

            Excellency, I sincerely hope that the new Turkish government under your dynamic and wise leadership would take our existing excellent relations to a new height to the mutual benefit of our peoples in the days to come, particularly through focusing on concrete areas of cooperation in economic, commercial, technological, educational, defence and cultural fields. People of Bangladesh would remain ready to extend all possible support to their Turkish brothers and sisters as and when necessary in that direction. Let me also take this opportunity to cordially invite you to pay a visit to Bangladesh at a mutually convenient time as soon as possible.

            I wish you all success as the President of the Turkish Republic. I also pray for your good health, peace and prosperity and for the peace, progress and prosperity of the people of Turkey.

            Please accept, Excellency, the assurance of my highest consideration.”

#

Anjuman/Mahmud/Salimuzzaman/2018/2130 Hrs

 

 

Handout                                                                                                         Number :1818

President Abdul Hamid congratulates Erdoğan

Dhaka, 25 June :

            President Abdul Hamid today sent a congratulatory message to Recep Tayyip Erdoğan on his reelection as Turkey's President. The full text of the message is as follows: 

"Excellency,

 

Assalamu Alaikum Wa Rahmatullahi Wa Barakatuh.

 

I am immensely delighted to know that the people of Turkey have re-elected you as their President for a new term. This is a clear demonstration of their confidence in your leadership. I would like to extend my warmest felicitations to you on this grand electoral success.   

 

Both our countries have excellent bilateral relations based on commonalities rooted in history, culture, faith and tradition. I believe the brotherly peoples of the two countries would continue their march towards peace, development and prosperity in the coming years. At the same time our existing excellent relations will continue to grow from strength to strength.

 

I wish you good health and personal well-being and the brotherly people of the Republic of Turkey continued peace, progress and prosperity. I would also like to extend a warm invitation to you to pay a visit to Bangladesh at a mutually convenient date as soon as possible.

 

Please accept, Excellency, the assurances of my highest consideration."

 

#

Anjuman/Mahmud/Abbas/2018/2130 Hours 

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর ঃ  ১৮১৯
 
ব্রাসেলসে সাসটেইন্যাবিলিটি কম্প্যাক্টের সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী
কারখানা নিরাপদ ও কর্মবান্ধব করা হয়েছে
 
ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :
 
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক অংশীদার। বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এভরিথিংস বাট আমস (ইবিএ) এর আওতায় বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা প্রদান করে যাচ্ছে। এতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হচ্ছে। এজন্য বাংলাদেশ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এ বাণিজ্য সুবিধার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে,  তৈরি পোশাক খাতের উন্নতি হচ্ছে, বাংলাদেশের শ্রমিকরা উপকৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ আশা করছে ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সরকার বাংলাদেশের শ্রম আইন সংশোধন করেছে। শ্রমিকরা এখন যে কোনো সময়ের তুলনায় অধিক শ্রম অধিকার ভোগ করছে। শ্রমিক ও মালিকরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে। ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে আরো বেশি তৈরি পোশাক আমদানি করবে বলে বাংলাদেশ আশা করে। 
 
বাণিজ্যমন্ত্রী আজ (২৫ জুন) বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে সাসটেইন্যাবিলিটি কম্প্যাক্টের ৪র্থ পর্যালোচনা সভার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা প্রদানের সময় এসব কথা বলেন। 
 
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত, আইএলও প্রতিনিধি বক্তব্য রাখেন। তারা বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। বক্তাগণ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ও শিল্প মালিকদের গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। 
 
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে রয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু, বাণিজ্যসচিব শুভাশীষ বসু, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আফরোজা খান, এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম, বিজিএমইএ’র প্রেসিডেন্ট  মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনের নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ হাবিবুর রহমান খান, বিকেএমই’র প্রতিনিধি, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সিনিয়র কর্মকর্তাগণ। 
 
এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের ট্রেড কমিশনার মিজ সিসিলিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক  করেন। ট্রেড কমিশনার বাংলাদেশে শ্রমিকদের কর্ম পরিবেশের উন্নয়ন, বিল্ডিং ও ফায়ার সেফটি নিশ্চিতকরণ এবং কর্মবান্ধব পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে প্রয়োজনীয় সবধরনের সহযোগিতার আশ^াস দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ক্রেতাদের সাথে আলোচনা করা হবে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সহযোগিতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়ও গুরুত্বের সাথে দেখা হবে। 
#
 
বকসী/মাহমুদ/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৯৪০  ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর ঃ  ১৮১৭
 
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৭-১৮ এর জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার মান উন্নয়নে সবাইকে কাজ করতে হবে 
 
ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। এজন্য শিক্ষকরা হচ্ছেন মূল শক্তি। তাদেরকে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করতে হবে। 
 
মন্ত্রী আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭  ও ২০১৮ এর জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। অনুষ্ঠানে ২৫টি ক্যাটেগরিতে ১৮০ জন শিক্ষক, শিক্ষার্থী  ও কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করা হয়।
 
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মূল লক্ষ্য হচ্ছে নতুন প্রজন্মকে আধুনিক বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে গড়ে তোলা। এজন্য নতুন প্রজন্মকে যোগ্য ও দক্ষ করে তুলতে হবে। এখন শিক্ষা মানে দক্ষতা, প্রযুক্তি ও মানসম্মত শিক্ষা। তিনি বলেন, বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেয়া হয়। এটি সারা পৃথিবীতে একটি অতুলনীয় উদাহরণ। এর ফলে দরিদ্র পরিবারের ছেলেমেয়েরা পড়ালেখায় উৎসাহিত হচ্ছে। গরিব শিক্ষার্থীেেদর সমর্থন দিতে বৃত্তি-উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে।
 
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান, শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক-অধ্যক্ষ-মাদ্রাসার সুপারিন্টেডেন্ট, শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক এবং শ্রেষ্ঠ জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা  নির্বাচনের মাধ্যমে ভাল কাজের উৎসাহ প্রদান ও প্রণোদনা দেয়ার জন্য এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া নেতৃত্ব বিকাশের জন্য শ্রেষ্ঠ রোভার, শ্রেষ্ঠ বিএনসিসি ও গার্লস গাইড গ্রুপকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, স্কুল পর্যায়ে বিতর্ক, আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা, হামদ-নাত, সংগীত ও নৃত্য প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল মেধা বিকাশে সাহায্য করছে। তাদের মানসিক গঠন ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে এসকল প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 
 
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুণা বিশ্বাস এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর মোঃ মাহাবুবুর রহমান।
 
পরে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৭-১৮-তে জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী ১৮০ জন শিক্ষার্থী, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মাঝে পুরস্কারের নগদ অর্থ ও  সার্টিফিকেট তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী।
#
আফরাজুর/মাহমুদ/রফিকুল/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮০০ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর ঃ ১৮১৬
 
এনটিআরসিএ ১ম-৫ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা
তথ্য পূরণের সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত
 
ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) গৃহীত ১ম-৫ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সম্মিলিত জাতীয় মেধাতালিকা তৈরির জন্য তথ্য পূরণ করার সময়সীমা ২৬ জুন থেকে বর্ধিত করে আগামী ৩০ জুন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান না করলে সম্মিলিত জাতীয় মেধা তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধনধারীরা আগ্রহী নন মর্মে বিবেচিত হবেন।
#
 
হাওলাদার/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০১৮/১৭৪০ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর ঃ ১৮১৫
 
সরকারের রূপকল্প বাস্তবায়নের মানদন্ড হলো এপিএ চুক্তি 
                                                  -ভূমিমন্ত্রী
ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :
ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেন, সরকারের রূপকল্প বাস্তবায়নে সকলকে দক্ষতার সাথে এক বছরের নির্ধারিত কাজের লক্ষ্যমাত্রা যথাসময়ের মধ্যেই সম্পাদন করতে হবে। তিনি বলেন, সরকারের রূপকল্প বাস্তবায়নের মানদন্ড হলো এপিএ চুক্তি। সরকারের রূপকল্প বাস্তবায়ন শুধুমাত্র চুক্তি সম্পাদনেই শেষ নয়, এ কর্মযজ্ঞ তখনই স্বার্থক হবে, যখন সরকারের ইশতেহার বা গৃহীত রূপকল্প ইতিবাচক হিসেবে দৃশ্যমান হবে।
আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ অধিদফতর, বোর্ড ও সংস্থার মধ্যে বার্ষিক কর্মসম্পাদনা চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ সংশ্লিষ্টদের এসব কথা বলেন।
ভূমি মন্ত্রী বলেন, কাজের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সঠিক সময়ের মধ্যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে কাজ সম্পাদন করতে হবে। তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সম্পদের সুষ্ঠু ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার দিকটিও সকলকে গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, দৃশ্যমান উন্নয়ন সরকারের ভাবমূর্তিকে তুলে ধরে। সরকারের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে স্ব স্ব দায়িত্ব স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে যথাসময়ে সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
সভাপতির বক্তব্যে ভূমি সচিব আবদুল জলিল বলেন, প্রতিটি কাজ আমরা হিসাব করে এগোচ্ছি। সঠিক সময়ের মধ্যে চূড়ান্তভাবে কার্য সম্পাদনে আমরা চুক্তিবদ্ধ। আমাদের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ঈর্ষণীয়। উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রার সূচক আগামী অর্থবছরে ৭.৪ ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ অধিদপ্তর, সংস্থা ও বোর্ড প্রধানদের সাথে এপিএ চুক্তি স্বাক্ষর করেন ভূমি সচিব আবদুল জলিল।
#
 
রেজুয়ান/অনসূয়া/সেলিনা/সুবর্ণা/শামীম/২০১৮/১৪২২  ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ১৮১৪ 
 
সচিব পর্যায়ে বদলি
ফয়েজ আহম্মদ জনপ্রশাসন সচিব
 
ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :   
 
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব ফয়েজ আহম্মদকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে বদলি করা হয়েছে। 
ময়মনসিংহ বিভাগের কমিশনার জি এম সালেহ উদ্দিনকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ দিলওয়ার বখ্তকে পরিকল্পনা কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সদস্য  হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খানকে ৩০ জুন হতে সরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছা অবসর প্রদান করা হয়েছে। চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (অবসর) আইন, ১৯৭৪ এর ৯(১) ধারা অনুযায়ী ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খানকে এ স্বেচ্ছা অবসর প্রদান করা হয়।    
#
অনসূয়া/জসীম/আসমা/২০১৮/১১৩০ ঘণ্টা  
 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ১৮১৩
 
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
 
ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ জুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশে ২৬ জুন ২০১৮ মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বিশ্বকে মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকার নিয়ে ১৯৮৭ সালের ৭ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৬ জুনকে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে এ দিবসটি প্রতিবছর পালিত হয়ে আসছে।
বাংলাদেশ কোন মাদক উৎপাদন ও রপ্তানি করে না। গোল্ডেন ক্রিসেন্ট ও গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল এর মধ্যে থাকায় মাদকের অপব্যবহার ও পাচারের জন্য বাংলাদেশ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে মাদকমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর এবং মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। আমরা সামাজিক দায়বদ্ধতা, পারিবারিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সৃষ্টির মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করেছি। দেশের শিক্ষা কারিকুলামে মাদকসংক্রান্ত বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয়াবলী অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষার্থীদের মাদকের অপব্যবহার ও ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে। আমি অভিভাবক, শিক্ষক, ইমাম ও অন্যান্য ধর্মগুরুসহ নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মাদক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। যারা ইতিমধ্যে মাদকাসক্ত তাদের সরকারি ও বেসরকারি নিরাময় কেন্দ্রের মাধ্যমে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। এ অর্জনে দেশের যুবসমাজই মূল ভূমিকা পালন করেছে। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে যুব সমাজকে মাদকের অপব্যবহার থেকে দূরে রাখতে হবে।
আমি আশা করি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা দেশকে মাদকমুক্ত করে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।
আমি এ দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। 
                                                                                          জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
             বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
 
 
#
ইমরুল/অনসূয়া/জসীম/সেলিনা/সুবর্ণা/শামীম/২০১৮/১২১৫ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর ঃ ১৮১২
 
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী 
 
ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ২৬ জুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার প্রতিরোধ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। 
মাদক যে কোন দেশের উন্নয়ন, শান্তি এবং নিরাপত্তার জন্য হুমকি। মাদকের করাল গ্রাস দেশের প্রাণশক্তি যুবসমাজকে ধ্বংসের মাধ্যমে উন্নয়নের পথকে বাধাগ্রস্ত করে। তাই মাদকের অপব্যবহার ও পাচার প্রতিরোধ করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকা-ের ফলে বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। এসডিজি অর্জন ও সরকারের রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে দেশের যুবসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। তাই মাদকের অপব্যবহার প্রতিরোধে সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আমি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
মাদকাসক্তদেরকে সঠিক চিকিৎসা প্রদান ও পুনর্বাসন করা গেলে তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হবে। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি দেশি বিদেশি সংস্থা, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানসহ সমাজের সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদকের অপব্যবহার প্রতিরোধে নাগরিক সমাজের সর্বাত্মক সহযোগিতা অপরিহার্য। মাদকের অপব্যবহার এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি দেশকে মাদকমুক্ত রাখার অঙ্গীকারের বার্তা প্রতিটি জনপদে পৌঁছে দিতে হবে। এ লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।
আমি মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
 
হাসান/অনসূয়া/জসীম/সেলিনা/সুবর্ণা/শামীম/২০১৮/১২১১ ঘণ্টা 
Todays handout (1).docx Todays handout (1).docx

Share with :

Facebook Facebook