তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৬ জুন ২০১৮

তথ্যবিবরণী ৬ জুন ২০১৮

তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর :  ১৬৭৯

বজ্রপাতজনিত ভয়াবহতা মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ২৩ জ্যৈষ্ঠ (৬ জুন) : 

ইনস্টিটিউশন অভ্ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি ) ঢাকা জেলা ও আইডিইবি স্টাডি এন্ড রিসার্চ সেলের যৌথ উদ্যোগে ‘বজ্রপাতজনিত ভয়াবহতা মোকাবিলায় করণীয়’ শীর্ষক সেমিনার ও ইফতার আজ ঢাকার কাকরাইলে আইডিইবি’র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। 

মন্ত্রী বলেন, বজ্রপাতজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সরকার অনেক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এসবের সুফল পেতে হলে এবং বজ্রপাতজনিত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে হলে দেশব্যাপী জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, জনগণকে সরকারি উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি এসময় জনসচেতনতামূলক কাজে এগিয়ে আসার জন্য ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের আহ্বান জানান।

সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইডিইবি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সেলের উপপরিচালক ইয়াকুব হোসেন সিকদার। মূলপ্রবন্ধে বজ্রপাতজনিত ক্ষয়ক্ষতি রোধে কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়। 

সুপারিশসমূহ হলো-খোলা জায়গা থেকে ঘরের ভিতর অবস্থান নেয়া, গাড়িতে থাকলে ভিতরে থাকাই ভাল, বজ্রপাতের সময় ধাতব কল, রেলিং, পাইপ প্রভৃতি স্পর্শ না করা, প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্রনিরোধক দ- স্থাপন, উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুটি, তার, ধাতব খুটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা, খোলা মাঠে থাকলে হাটু গেড়ে বসে পড়া ও দু’হাত দিয়ে দু’কান চেপে ধরা ইত্যাদি।

আইডিইবি ঢাকা জেলার সভাপতি মোঃ খবির হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওগ্রাফি এন্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের প্রফেসর ড. এ কিউ এম মাহবুব, আইডিইবি’র সভাপতি এ কে এম এ হামিদ এবং অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন পলিটেকনিকের সিভিল এন্ড মেকানিক্যাল বিভাগের হেড রবার্ট প্রিসুটি ।

#

কামরুল/ফারহানা/রফিকুল/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২১৫০ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর :  ১৬৭৮

এ বছরের হজ ব্যবস্থাপনা উন্নত হবে
                            -- ধর্মমন্ত্রী
ঢাকা, ২৩ জ্যৈষ্ঠ (৬ জুন) : 
ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেছেন, সঠিক ও সুন্দরভাবে হজ পালনের ক্ষেত্রে হজযাত্রীদের ধর্মীয় ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। সেজন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হজের প্রশিক্ষণ মডিউল প্রস্তুত করে সারা দেশে সরকারি-বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জেলা পর্যায়ে হজ প্রশিক্ষক তৈরির মাধ্যমে দেশের সকল হজযাত্রীকে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এর মাধ্যমে সরকার এ বছর একটি উন্নত হজ ব্যবস্থাপনা উপহার দিতে সক্ষম হবে। 
মন্ত্রী আজ সকালে ঢাকার  আশকোনা হজ ক্যাম্পে আসন্ন হজে গমনেচ্ছুক হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ (টিওটি) কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতকালে এসব কথা বলেন। 
মন্ত্রী উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদের লব্ধ জ্ঞানের আলোকে হজযাত্রীদের সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ প্রদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আপনাদের আন্তরিক প্রশিক্ষণ হজযাত্রীদের হজ পালন সহজ করে তুলবে। উন্নত হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এই  প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  
ধর্মমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, ২০১৮ সালের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরো উন্নত করার  লক্ষ্যে এ বছরের শুরুতেই একটি হজ ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা হয়েছে। সে আলোকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় করণীয়সমূহ পর্যায়ক্রমে সুন্দরভাবে সম্পাদন  করছে। 
মন্ত্রী বলেন, এবছর বাংলাদেশ হতে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজযাত্রী হজ করতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জন হজযাত্রী হজ করবেন। ইতিমধ্যে সকল হজযাত্রীর হজের  নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় বাড়ি ভাড়া সম্পন্ন হয়েছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বাড়ি ভাড়া চলছে। ভিসার লজমেন্টের কাজ শুরু হয়েছে। বিমান শিডিউলও পাওয়া গেছে। অনেক এজেন্সি ইতিমধ্যে বিমানের টিকেটের জন্য বুকিং দিয়ে দিয়েছে। অর্থাৎ অন্যান্য বছরের তুলনায় সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় এগিয়ে রয়েছে। 
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বি এইচ হারুন এমপি, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনিছুর রহমান, হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অভ্ বাংলাদেশ (হাব)-এর মহাসচিব সাহাদাত হোসেন তসলিম প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (হজ) মোঃ হাফিজ উদ্দিন। 
উল্লেখ্য, চার দিনব্যাপী জেলা পর্যায়ের হজযাত্রীদের প্রশিক্ষকদের এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রথম দিনে ১৬টি জেলার প্রশিক্ষক টিম অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসকের এক জন প্রতিনিধি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক বা তাঁর প্রতিনিধি, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক জন প্রতিনিধি, দুই জন মুফতি/মাওলানা এবং হাবের এক জন প্রতিনিধিসহ মোট ছয় জনের সমন্বয়ে জেলার হজযাত্রীদের প্রশিক্ষক টিম গঠন করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত এ টিমসমূহ স্ব-স্ব জেলায় আগামী ২১ থেকে ৩০ জুনের মধ্যে জেলার সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের হজ পালনের বিধি-বিধান, হজে গমন, স্বাস্থ্য সচেতনতাসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। 
#
আনোয়ার/মাহমুদ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২০০০ ঘণ্টা  

 

তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর :  ১৬৭৭
 
উৎপাদনমুখী কাজের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীরা ক্ষমতায়িত হচ্ছে
                                                        -- কৃষিমন্ত্রী
 
ঢাকা, ২৩ জ্যৈষ্ঠ (৬ জুন) : 
 
কৃষিসহ বিভিন্ন উৎপাদনমুখী কাজের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীরা ক্ষমতায়িত হচ্ছে। জনসংখ্যার অর্ধেক অংশ নারীদের খাদ্য ও পুষ্টি সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান থাকা অত্যাবশ্যক। সরকার গৃহীত বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বাংলাদেশ খাদ্যশস্যের একটি দেশ হয়ে উঠেছে। 
 
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী আজ ঢাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে অমৎরপঁষঃঁৎব, ঘঁঃৎরঃরড়হ ্ এবহফবৎ খরহশধমবং (অঘএবখ) জবংঁষঃং উরংংবসরহধঃরড়হ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন।  
 
মন্ত্রী আরো বলেন, কৃষি আমাদের দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তার মূল চালিকাশক্তি। সরকারের আন্তরিকতায় বাংলাদেশ কৃষিতে অনেক অগ্রগতি অর্জন করেছে। বর্তমানে দেশে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাচ্ছে। প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষকবান্ধব কৃষি নীতির কারণে সর্বোপরি প্র্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে  খাদ্য উৎপাদনে আধুনিক, উন্নত ও টেকসই প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও ব্যবহার শক্তিশালী হয়েছে।  
 
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম ও আব্দুল হালিম এবং আন্তর্জাতিক খাদ্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই)-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. আখতার আহমেদ।
 
#
 
গিয়াস/মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭০০ ঘণ্টা  

Handout                                                                                                          Number :  1676

Bangladesh leapfrogging towards a digital Sonar Bangla

Bangkok, 06 June  :            

            ÔBangladesh is leapfrogging under Prime Minister Sheikh Hasina’s vision 2021 towards a 5G digital Sonar Bangla by 2021Õ said Post, Telecommunication and Information Technology Minister Mustafa Jabbar at the ÔInnovate for a Digital Asia-PacificÕ conference in Bangkok today. The conference is being organised by the Royal Thai government, Huawei company and the Bloomberg media group. Telecom and Digital Economy Ministers from select Asia Pacific countries are participating in the two-day (6-7 June) conference.

            Thailand’s Deputy Prime Minister Dr. Somkid Jatusrioutak inaugurates the conference. Earlier Mr. Jabbar held sideline meeting with Thailand’s Science and Technology Minister Suvit Maesincee and exchanged views on early signature of the MoU for cooperating in the ICT and innovation cooperation currently being negotiated between Bangladesh and Thailand. Bangladesh Ambassador to Thailand Saida Muna Tasneem was present on the occasion.

            In his statement at the Ministerial Roundtable, Minister Jabbar underlined that Bangladesh in 2008 under its farsighted and progressive Prime Minister Sheikh Hasina was perhaps the first country in Asia to announce a government driven ÔDigital Bangladesh’ manifesto and political vision. During the past decade of Digital Bangladesh her government has fast transformed into an IT and innovation, driven digitally connected nation up to the union and village levels where mobile technology is delivering services at the fingertips of the citizens, the Minister added.

#

 

Shafayet/Mahmud/Parvez/Zoynul/2017/1710hours
 
তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর :  ১৬৭৫
 
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা উন্নয়নের পথে বড় চ্যালেঞ্জ
                                          --- পরিবেশ মন্ত্রী
ঢাকা, ২৩ জ্যৈষ্ঠ (৬ জুন) :
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা বিশ^ব্যাপী নন্দিত হয়েছে। বাংলাদেশ একটি অনগ্রসর দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের সম্মান লাভ করেছে। এই পর্যায়ে আসতে এদেশকে অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে। 
আজ ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ভূগোল ভবনে ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে নগর সমস্যা এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের নগরে অভিগমন ও অভিযোজন’ শীর্ষক এক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের অধিক জনসংখ্যা ও জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্বের কারণে পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা কঠিন হয়ে পড়েছে। বনজ সম্পদ কমেছে, পানি সম্পদের উপর অত্যধিক চাপ বাড়ছে। ভূমি ব্যবহারের পরিকল্পনা না থাকায় কৃষি জমি কমছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই টেকসই উন্নয়নের দিকে যেতে হবে। বিশেষ করে অভিবাসন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গ্রাম ও শহরের ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়নে ছোট শহর, মাঝারি শহর ও বড় শহরের ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই বড় শহরের ওপর থেকে চাপ কমবে এবং বড় শহরের সক্ষমতা বাড়বে।
ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ এবং জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীপক কান্তি পাল।
#
 
পাশা/মাহমুদ/সেলিম/পারভেজ/জয়নুল/২০১৮/১৭০০ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ১৬৭৪
 
প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতিতে বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী চেম্বার জজ মনোনীত 
 
ঢাকা, ২৩ জ্যৈষ্ঠ (৬ জুন) :
প্রধান বিচারপতি ৩ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটি, সরকারের ঘোষিত ছুটিসহ কোর্টের অবকাশকালে আপিল বিভাগের মামলা সংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে চেম্বার জজ হিসেবে মনোনীত করেছেন।
সুপ্রিম কোর্ট গত ৩১ জুলাই এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে।
বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ৬ জুন, ১৩ জুন এবং ২০ জুন সকাল ১১টা হতে চেম্বার কোর্টে শুনানি গ্রহণ করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। 
#
বদরুল/অনসূয়া/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৮/১৫০১ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ১৬৭৩
 
এডভোকেট ফজলুর রহমান মল্লিকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
 
ঢাকা, ২৩ জ্যৈষ্ঠ (৬ জুন) :
কিশোরগঞ্জ জেলা বারের সদস্য, সাবেক জি পি ও বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট ফজলুর রহমান মল্লিক এর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। 
রাষ্ট্রপতি শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। 
উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ কিশোরগঞ্জ জেলা বারে আইন পেশায় নিয়োজিত থাকাকালে মরহুম মল্লিক তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী ছিলেন।
                                                          
#
আজাদ/অনসূয়া/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৮/১২৩০ ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                        নম্বর : ১৬৭২
ঐতিহাসিক ৬-দফা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
 
ঢাকা, ২৩ জ্যৈষ্ঠ (৬ জুন ) :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬-দফা উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭ জুন এক অবিস্মরণীয় দিন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ৬-দফা আন্দোলন ১৯৬৬ সালের ৭ জুন নতুন মাত্রা পায়। বাঙালির মুক্তির সনদ 
৬-দফা আদায়ের লক্ষ্যে এদিন আওয়ামী লীগের ডাকে হরতাল চলাকালে নিরস্ত্র জনতার ওপর পুলিশ ও তৎকালীন ইপিআর গুলিবর্ষণ করে। এতে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, সফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন শহিদ হন।
আজকের এই দিনে আমি ঐতিহাসিক ৭ই জুনসহ স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
পাকিস্তানি শাসন-শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে জাতির পিতা ১৯৬৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি লাহোরে সরকার বিরোধী সর্বদলীয় সভায় ঐতিহাসিক ৬-দফা প্রস্তাব পেশ করেন। দেশে ফিরে তিনি ৬-দফার পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারাভিযান শুরু করেন। বাংলার মানুষ ব্যাপকভাবে ৬-দফার প্রতি সমর্থন জানান। ৬-দফা হয়ে ওঠে দেশের শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের মুক্তির সনদ। ৬-দফার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন এবং বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার ৬-দফার রূপকার বঙ্গবন্ধুকে ৮ই মে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৬-দফার প্রতি বাঙালির অকুণ্ঠ সমর্থনে রচিত হয় স্বাধীনতার রূপরেখা।
ঐতিহাসিক ৭ই জুনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার অক্ষুণœ রাখতে আমাদের সরকার বদ্ধপরিকর।
আমরা বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছি। সম্প্রতি আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছি। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করে ৭ই জুনের শহিদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব। ইনশাল্লাহ ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশ হবে মধ্যমআয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে হবে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ। 
                                                                               জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
            বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
 
#
আশরাফ/অনসূয়া/সুবর্ণা/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৮/১০২৪ ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর ঃ ১৬৭১
ঐতিহাসিক ৬-দফা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী 
 
ঢাকা, ২৩ জ্যৈষ্ঠ (৬ জুন) :
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬-দফা উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬-দফা একটি অন্যতম মাইলফলক। ঐতিহাসিক এ দিনে আমি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। ৬-দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য যাঁরা জীবন দিয়েছেন আমি তাঁদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।
বাঙালির স্বাধীনতা একদিনে অর্জিত হয়নি। ১৯৪৮ সালে বাংলাভাষার দাবিতে যে আন্দোলনের সূত্রপাত হয় তার সফল পরিসমাপ্তি ঘটে ’৫২-এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। রচিত হয় বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি। এরপর ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠন, ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বায়ত্বশাসনের  লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালে লাহোরে সর্বদলীয় সম্মেলনে ঐতিহাসিক ৬-দফা প্রস্তাব পেশ করেন। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, মুদ্রানীতি, রাজস্ব ও করনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য, আঞ্চলিক বাহিনী গঠন এই ৬-দফার মধ্যেই তিনি পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্বার্থকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরেন, যার মধ্যে নিহিত ছিল বাঙালির স্বাধিকার ও স্বায়ত্বশাসনের রূপরেখা।  
ঐতিহাসিক ৬-দফা ঘোষণার পর শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে বারবার গ্রেফতার করে এবং তাঁর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। তা সত্তে¦ও তিনি ৬-দফার দাবি থেকে পিছপা হননি। তাঁর নেতৃত্বে দাবি আদায়ের আন্দোলন বেগবান হয় এবং তা অল্পসময়ের মধ্যে সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে। শাসকগোষ্ঠী ৬-দফার আন্দোলন স্তিমিত করতে গ্রেফতার, নির্যাতনসহ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬-দফা দাবির সমর্থনে আওয়ামী লীগের আহ্বানে প্রদেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘট চলাকালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর মদদে পুলিশের গুলিতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ১১ ব্যক্তি নিহত হন। আহত ও গ্রেফতার হন অনেকে। 
ঐতিহাসিক ৬-দফা কেবল বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারা বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণারও উৎস। তরুণ প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর ৬-দফার দাবি থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে বলে আমার বিশ্বাস। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন। তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণে তথা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমি সকলের প্রতি আহ্বান জানাই।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
 
আজাদ/অনসূয়া/সুবর্ণা/শামীম/২০১৮/১০২৮ ঘণ্টা 
 
 
Todays handout (5).docx Todays handout (5).docx

Share with :

Facebook Facebook