তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২১st নভেম্বর ২০২০

তথ্যবিবরণী 21/11/2020

তথ্যবিবরণী                                                                                                           নম্বর : ৪৪৪১

 

সময়, অর্থ ও হয়রানি কমাতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য  জব পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে

                                                                              -- আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :

 

          তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন সময়, অর্থ ও হয়রানি কমাতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে একটি জব পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে। অচিরেই এটি উন্মুক্ত করা হবে। তিনি বলেন এর মাধ্যমে বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিরা যেকোনো স্থান থেকে চাকরির জন্য আবেদন ও ইন্টারভিউ দিতে  এবং চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর চাকরিতে যোগদান করতে পারবেন।

 

          প্রতিমন্ত্রী আজ আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ‘যুব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতা -২০২০’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

 

          ২০১৩ সালে প্রতিবন্ধী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হয়েছে উল্লেখ করে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর বৈষম্যমুক্ত সমাজ ও দেশ প্রতিষ্ঠার দর্শনকে অবলম্বন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন। তিনি আরো বলেন, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে অধিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

          তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রযুক্তিতে দক্ষ ও স্বাবলম্বী করতে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ‘আইসিটি ট্রেনিং ফর ইয়ুথ ডিজএবিলিটি’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। সেই প্রকল্পের আওতায় বিশেষভাবে সক্ষম ২৫০০ জনকে ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। প্রতিবন্ধীদের জন্য আইসিটি বিভাগ প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ডিজিটাল টুলস ও প্রশিক্ষণ মেট্রিয়াল তৈরি করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

 

          বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বিএসআইডি এর নির্বাহী পরিচালক খন্দকার জহিরুল আলম,  বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক এনামুল কবির।

 

          ২০০ জন যুব প্রতিবন্ধী মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও পাওয়ারপয়েন্ট, মাইক্রোসফট এক্সেল, ইন্টারনেট, স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং এবং মুভি মেকারে এ ৪টি বিষয়ে  প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।

 

          প্রতিবন্ধী ৪টি ক্যাটাগরিতে মোট ২০ জনকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হয়। বিজয়ীরা আগামী ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি ২০২০ এ দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য  আন্তর্জাতিক ‘গ্লোবাল আইটি চ্যালেঞ্জ ফর ইয়ুথ পারসন্স উইথ ডিএবিলিটিজ’ (জিআইটিসি) প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবেন।

 

          শারীরিক, দৃষ্টি, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার এ ৪ ক্যাটাগরির প্রতিবন্ধীগণ এতে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের আঞ্চলিক অফিসসমূহে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

#

শহিদুল/সাহেলা/মোশারফ/সেলিম/২০২০/২১১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                           নম্বর : ৪৪৪০

 

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জনে টেলিকম খাত অবদান রাখছে

                                                                                         -- টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :

 

          ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, টেলিটক হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের মহাসড়ক। এই খাত ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিরাট অবদান রাখছে। সামনের দিনে এই ডিজিটাল মহাসড়কই সকল সমৃদ্ধির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে। তিনি বলেন আমরা ৫জির জন্য পুরোই প্রস্তুত। তবে জনগণের বিদ্যমান প্রয়োজনীয়তা মেটাতে ডিজিটাল সংযোগের বেইসলাইন হিসেবে ৪জি সম্প্রসারণের জন্য মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের প্রতি তিনি জোরদার ভূমিকা গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমাদের স্পেকট্রাম প্রস্তুত আছে। ২জি, ৩জিসহ ৪জি-৫জি যে ভার্সনেই ব্যবহার করার প্রয়োজন আমরা তা দিতে প্রস্তুত।

 

          মন্ত্রী আজ ঢাকায় সিটিও ফোরাম বাংলাদেশ এবং মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বেগবান করতে টেলিযোগাযোগের ভূমিকা শীর্ষক ওয়েবিনার সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

 

          সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি তপন কান্তি সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে টেলিকম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহসীনুল আলম, অ্যামটব সভাপতি ও রবি‘র সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সাহাব উদ্দিন, বাংলালিংকের সিইও এরিক অ্যাস এবং সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের উপদেষ্টা আবুল কাশেম মোঃ শিরিন বক্তৃতা করেন।

 

          মন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের প্রযুক্তি হবে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী ডিজিটাল প্রযুক্তি। বিদ্যমান প্রযুক্তি দিয়ে সামনে এগুনোর সুযোগ নেই। এরই ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তির উদ্ভাবনের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। সামনের দিনটা সামগ্রীক একটা রূপান্তরের দিন, সমগ্র জীবনের রূপান্তর। টেলকো হচ্ছে হাইওয়ে। এর ওপর ভিত্তি করেই পরের সভ্যতার বিকাশ ঘটবে। তিনি বলেন, ভয়েস কল ও ডেটার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি করোনাকালে মানুষ উপলব্ধি করেছে। যে গ্রামের মানুষ একসময় ইন্টানেটের প্রয়োজনীয়তার কথা কল্পনাও করতো না সেই গ্রামের দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুটিও এখন ইন্টারনেট চায়। সেই কারণে মোবাইল অপারেটরদের বলছি, জনগণের কাছে যাওয়া প্রয়োজন, প্রত্যন্ত গ্রামটিতেও ফোর জি পৌঁছে দেওয়া দরকার। তিনি ফাইভ জি বিকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বলেন, আমরা ৫জি চালু করার কার্যক্রম শুরু করেছি। ফাইভ জি’র ওপর শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিকাশ নির্ভর করবে। ফাইভ জি’র ওপর নির্ভর করে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে।

 

          উল্লেখ্য, ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের অগ্রদূত মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।

 

          অনুষ্ঠানে বক্তারা বেসরকারি পর্যায়ে টেলিযোগাযোগ খাতের বিকাশে সরকারের সহযোগিতার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি এই খাতের বিকাশে কতিপয় চ্যালেঞ্জের কথা জানান।

 

#

শেফায়েত/সাহেলা/মোশারফ/সেলিম/২০২০/২১০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ৪৪৩৯

 

সরকারের সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের কারণেই ইলিশের উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে

                                                           ---সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ ( ২১ নভেম্বর) :

 

          সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের সময়োচিত ও যথাযথ পদক্ষেপের কারণেই বর্তমানে ইলিশের উৎপাদন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। খাদ্য ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা ছাড়া কোনো পদক্ষেপ বা কর্মসূচি সফলতা পায় না। ইলিশ সংরক্ষণে এ দু'টির সঠিক সমন্বয় ঘটেছে বলেই আমরা ভালো ফল পাচ্ছি। সরকার ইলিশের প্রজনন মৌসুমসহ ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালে জেলে পরিবারদের জন্য খাদ্য সহায়তা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে এবং এ সংক্রান্ত  প্রকল্প গ্রহণ করেছে। সরকারের এসব কর্মসূচির কারণে বিগত দশ বছরে দেশে ইলিশের উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

          প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর হোটেল পূর্বাণী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এর দিলকুশা হলে পদক্ষেপ বাংলাদেশ আয়োজিত 'আন্তর্জাতিক ইলিশ, পর্যটন ও উন্নয়ন উৎসব ২০২০' এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

          কে এম খালিদ বলেন, বাঙালির বহুল প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে যে 'মাছের রাজা ইলিশ'। এটি সর্বতোভাবে সত্য। ইলিশ অত্যন্ত সুস্বাদু ও উপাদেয় মাছ এবং ব্যক্তিগতভাবে আমার খুব প্রিয়। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইলিশের বিশেষ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এতে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তাছাড়া ইলিশের চর্বিতে রয়েছে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন 'এ' ও 'ডি'। দেশে কর্মস্থান সৃষ্টিতেও ইলিশের অবদান রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত। 

          বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য আদিবা আনজুম মিতা, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিপিএম ও বাংলাদেশ কাস্টমস এর অতিরিক্ত কমিশনার অরুণ কুমার বিশ্বাস।

          অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন পদক্ষেপ বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি বাদল চৌধুরী।

          আন্তর্জাতিক ইলিশ, পর্যটন ও উন্নয়ন উৎসব ২০২০ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান যথাক্রমে পদক্ষেপ বাংলাদেশ এর উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সাবেক সচিব শ্যামসুন্দর সিকদার ও কবি আসলাম সানী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন 'আন্তর্জাতিক ইলিশ, পর্যটন ও উন্নয়ন উৎসব' এর প্রধান সমন্বয়কারী জান্নাতুন নিসা।

 

#

ফয়সল/সাহেলা/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/২০৪৪ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ৪৪৩৮

 

রাষ্ট্রপতির সাথে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানগণের সাক্ষাৎ

 

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ ( ২১ নভেম্বর) :


          সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

 

          সাক্ষাৎকালে তাঁরা সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এছাড়া তিন বাহিনীর প্রধানগণ করোনা মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধিসহ তাদের গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

 

          সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অভিনন্দন জানান। মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেন দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিদেশেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। করোনা মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন আগামীতেও তাদের এই প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

 

          পরে রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

 

 

          রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম শামীম উজ জামান, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

#

ইমরানুল/নাইচ/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/১৯৪৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর : ৪৪৩৭

 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও বিপণনে বেকারদের বিনিয়োগ করতে চাই

                                                        -- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

 

বরিশাল, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :

 

          মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনার কারণে সৃষ্ট বেকারত্ব দূর করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। করোনায় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সবচেয়ে বড় খাত পোশাক শিল্প ও প্রবাসী আয় বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বিদেশে থেকে অনেক মানুষ বেকার হয়ে দেশে ফিরেছে। দেশেও অনেকে কাজ হারানোয় বেকারত্ব বেড়েছে। এদের বেকারত্ব দূর করতে হবে। এজন্য মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন ও বিপণন প্রক্রিয়ায় বেকারদের বিনিয়োগ করতে চাই।’

 

          আজ বরিশালের কাশিপুরে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন ব্লাক বেঙ্গল জাতের ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আয়োজনে ও জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, বরিশাল এর সহযোগিতায় সরকারি ছাগল উন্নয়ন খামার, বরিশাল-এর কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

          বরিশালের জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোঃ ইউনুস, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ আবদুল জব্বার শিকদার ও বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার
ড. অমিতাভ সরকার এবং বরিশাল বিভাগে কর্মরত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

          মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা বেকারদের সক্ষম করে তুলতে চাই, উদ্যোক্তা করতে চাই, গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল করতে চাই। এজন্য মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটানোর সবচেয়ে বড় খাতকে আমরা বড় আকারে বিস্তার ঘটাতে চাই। করোনা, আম্ফান, বৃষ্টি ও বন্যার কারণে প্রাণিসম্পদ খাতে প্রান্তিক পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্তদের  ৯০০ কোটি টাকার প্রণোদনা দেয়া হবে। যারা ভরাট পুকুরে মাছ চাষ করতে চায়, যারা গবাদিপশু, হাঁস-মুরগী, ভেড়া, ছাগল পালন করতে চায় তাদের বিনামূল্যে সহযোগিতা দেয়া হবে, সহজ শর্তে ঋণ দেয়া হবে। আমরা দেখতে চাই, গ্রামের একটা মানুষও বেকার থাকবে না।’

 

          বরিশালের গৌরব পুনরুদ্ধার করা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বরিশালের যুবকদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের জন্য এখানে প্রাণিসম্পদ প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশে উন্নয়নের সমতা নিশ্চিত করতে চান। বরিশাল অঞ্চলে গবাদিপশু, হাঁস-মুরগী, ছাগল খামারসহ প্রাণিসম্পদের সবচেয়ে বড় খামার প্রতিষ্ঠা করা হবে।’

 

          এ সময় বরিশালের নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে বরিশালে চিড়িয়াখানা ও মহিষ গবেষণা কেন্দ্র করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

 

#

 

ইফতেখার/নাইচ/মোশারফ/সেলিম/২০২০/১৮৪০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর :  ৪৪৩৬

 

করোনা ভ্যাকসিনের জন্য এক হাজার কোটি টাকা

আগাম বরাদ্দ দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

                                                                -- নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

বিরল (দিনাজপুর), ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :

          নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী বলেছেন, করোনা মোকাবিলায় আমেরিকা-ইউরোপ যেখানে ব্যর্থ হয়েছে, বাংলাদেশ করোনা মোকাবিলায় সফলতার পরিচয় দিয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ যেন আগেভাগে করোনার ভ্যাকসিন পায় সেজন্য এক হাজার কোটি টাকা আগাম বরাদ্দ দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

          প্রতিমন্ত্রী আজ দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বিজোড়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ’ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সুধী সমাবেশে এসব কথা বলেন।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমেরিকা যখন ব্যর্থ হয়েছে, তাদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কীভাবে প্রভাব ফেলেছে আপনারা দেখেছেন। এ ব্যর্থতার কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। ইউরোপের দেশে দেশে তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখনো বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের জনগণ মৃত্যুর মুখোমুখি হয়নি। জেলা উপজেলায় করোনা চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

          খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী বলেন, শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে যখন জার্মানি ও ইতালি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তখন বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটাই মানবিক বাংলাদেশ; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিকতা।

          এর আগে বিরল উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত রবি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পঁচাত্তর সালের পরে প্রথমবারের মতো ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য এবং কৃষির জন্য ভর্তুকি দিয়েছিলেন শেখ হাসিনার সরকার।’

          খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার সরকারকে যখন বিশ্বব্যাংক বাধা দিয়েছিল কৃষিতে এই ভর্তুকি দেয়া যাবে না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন বলেছিলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের কথায় বাংলাদেশ চলবে না। বাংলাদেশ চলবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য যেটা ভালো হয় সেইভাবেই বাংলাদেশ চলবে।’ তিনি বলেন, ‘৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত কৃষকদেরকে সার বীজ কীটনাশকের জন্য যুদ্ধ করতে হয় নাই। কৃষকদের সার বীজ কীটনাশকের জন্য কৃষিপণ্য নষ্ট করতে হয় নাই। বর্তমানে ২৪ টাকার সার ১৬ টাকায় করে দেওয়া হয়েছে।’

#

 

জাহাঙ্গীর/নাইচ/মোশারফ/রেজাউল/২০২০/১৮০৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ৪৪৩৫

 

বাফার গোডাউনসমূহের নির্মাণ কাজ দ্রুত সমাপ্ত করার নির্দেশনা শিল্প প্রতিমন্ত্রীর

 

 

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ ( ২১ নভেম্বর) :

 

          সারের মজুদ সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নির্মাণাধীন বাফার গোডাউনসমূহের নির্মাণ কাজ দ্রুত সমাপ্ত করার নির্দেশনা দিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার । তিনি গুদামজাত সার যাতে কোনো প্রকার অপচয় ও নষ্ট না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

 

          আজ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) কর্তৃক আয়োজিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সম্মেলন ২০২০ উদ্বোধনকালে শিল্প প্রতিমন্ত্রী এসকল নির্দেশনা প্রদান করেন। ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বিসিআইসি'র চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

 

          শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ যাতে বিসিআইসি'র অনুকূলে বরাদ্দ প্রদান করা হয় সেজন্য শিল্প মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তিনি বলেন, শিল্প কারখানাগুলোর আধুনিকায়ন ও মেরামতের পাশাপাশি পুরনো জরাজীর্ণ কারখানায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন উচ্চ উৎপাদনশীল ও পরিবেশবান্ধব  নতুন শিল্প কারখানা স্থাপনের বিষয়টি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে। এজন্য বেসরকারি খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হচ্ছে।

 

          শিল্প প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় করোনার এসময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় বিসিআইসি কর্তৃপক্ষসহ কারখানাসমূহের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি এসময় কারখানার শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কারখানা নিয়মিত মেরামত করা এবং উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সবসময় তৎপর থাকতে বলেন। প্রতিমন্ত্রী কারখানার উন্নয়নে ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দকে বেশি বেশি কাজ করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দরা নিয়মিত কাজ করলে কারখানার অন্য শ্রমিকরাও কাজ করতে উৎসাহিত হবেন। প্রতিমন্ত্রী শিল্প কারখানাগুলোকে লাভজনক করার জন্য কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের সাথে নিয়ে একসাথে কাজ করতে ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পরামর্শ দেন।

 

#

 

মাসুম/নাইচ/আব্বাস/২০২০/১৭৫৬ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৪৪৩৪

 

কসবার আড়াইবাড়ী দরবার শরীফের পীর সাহেবের মৃত্যুতে আইনমন্ত্রীর শোক

 

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :

 

          ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার ঐতিহ্যবাহী আড়াইবাড়ী দরবার শরীফের পীর ও আড়াইবাড়ী ইসলামিয়া সাঈদিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা গোলাম সারোয়ার সাঈদী করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হয়ে আজ (শনিবার) ভোরে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি.....রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৫৪ বছর।

          তাঁর আকস্মিক ও অকাল মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

          আইনমন্ত্রী বলেন, মাওলানা গোলাম সারোয়ার সাঈদী এদেশের প্রখ্যাত বুজুর্গান আলেমে দ্বীন সৈয়দ আজগর আহাম্মদের দৌহিত্র। তাঁর পিতা মরহুম পীর গোলাম হাক্কানী সাহেবের স্থলাভিষিক্ত হয়ে গোলাম সারোয়ার সাঈদী সাহেব দুনিয়া ও আখেরাতের মুক্তির জন্য দ্বীনের দাওয়াত দিয়ে এলেম দান করেছেন।

          মন্ত্রী এক শোকবার্তায় তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ফজলুল হক মন্টুর মৃত্যুতে আইনমন্ত্রীর শোক

 

          জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মন্টুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক ।

 

          মন্ত্রী শোক বার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার  মাগফিরাত  কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

#

 

রেজাউল/নাইচ/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/১৭১৬ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ৪৪৩৩

 

কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাসসংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

 

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ ( ২১ নভেম্বর) :

 

 ‌                  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১২ হাজার ৬৪৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ৮৪৭ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ ৪৫ হাজার ২৮১ জন।

 

          গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জন-সহ এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৩৫০ জন এ রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন।

 

          করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৬০ হাজার ৩৫২ জন।

 

#

 

হাবিবুর/নাইচ/আব্বাস/২০২০/১৭১৪ ঘণ্টা

2020-11-21-21-51-0b5aca293a2b62832455d9da6874ea6d.docx 2020-11-21-21-51-0b5aca293a2b62832455d9da6874ea6d.docx

Share with :

Facebook Facebook