তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৪ অক্টোবর ২০১৮

তথ্যবিবরণী 24/10/2018

তথ্যবিবরণী                                                     নম্বর : ২৯৫১
 
ভাটিয়ালি ও ভাওয়াইয়া অধ্যুষিত অঞ্চলে একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে 
                                               -- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী
 
ময়মনসিংহ, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর):
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, সারাদেশে তথা তৃণমূল পর্যায়ে সংস্কৃতি চর্চা প্রচার ও প্রসারে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। সরকার এ প্রচেষ্টার মাধ্যমে মঞ্চের সামনের মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে চায়। অর্থাৎ কবিতা, গান ও নৃত্যপ্রেমী এবং  শিল্পের সমঝদার মানুষের সংখ্যা বাড়াতে চায়। আর যত বেশি মঞ্চের সামনের মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, সমাজ তত বেশি মানবিক হবে। আমরা যে অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি, সংস্কৃতি চর্চা ছাড়া এটি কোনভাবেই সম্ভব নয়।
মন্ত্রী আজ রাতে ময়মনসিংহ শহরের টাউন হল চত্বরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ও চারণ আখড়ার সহযোগিতায় জাতীয় ভাটিয়ালি সংগীত উৎসব উদযাপন কমিটি ময়মনসিংহ কর্তৃক আয়োজিত ‘জাতীয় ভাটিয়ালি সংগীত উৎসব ২০১৮’ এর উদ্বোধন ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের লোকসংগীত ও লোকঐতিহ্য সংরক্ষণে ভাটিয়ালি ও ভাওয়াইয়া অধ্যুষিত অঞ্চলে দু’টি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। মন্ত্রী এসময় দেশের নতুন প্রজন্মকে সংস্কৃতি চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য অভিভাবকদের আহ্বান জানান।
সংগীতজ্ঞ অধ্যাপক সুমিতা নাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ ইকরামুল হক টিটু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ জহিরুল হক খোকা ও জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস।
আলোচনা অনুষ্ঠানে ‘ভাটিয়ালি : নিঃসঙ্গ মাঝির অন্তরঙ্গ সুরের ভেলা’ শীর্ষক নিবন্ধ উপস্থাপন করেন শিক্ষক, গবেষক ও ছড়াকার স্বপন ধর। নিবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বাংলা একাডেমির উপপরিচালক ড. আমিনুর রহমান সুলতান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষক ড. জাহিদুল কবির এবং চারণ আখড়ার সাধারণ সম্পাদক পিন্টু সাহা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন  জাতীয় ভাটিয়ালি উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব সারওয়ার কামাল রবীন।
অনুষ্ঠানে সূচনা সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর ময়মনসিংহ শাখার শিল্পীবৃন্দ।
এর আগে উৎসব উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরের টাউন হল চত্বর থেকে শুরু হয়ে নতুন বাজার মোড় হয়ে পুনরায় টাউন হলে গিয়ে শেষ হয়।
#
 
ফয়সল/মাহমুদ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২১৫০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                     নম্বর : ২৯৫০
 
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক
 
ঢাকা, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর):
 
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-২ প্রেরিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি নি¤œরূপ :
 
দশম জাতীয় সংসদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৯তম বৈঠক আজ কমিটির সভাপতি ডা. আ ফ ম রুহুল হকের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
 
কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, আয়েন উদ্দীন এবং নুরুল ইসলাম মিলন বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ আমন্ত্রণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বৈঠকে যোগদান করেন।
 
বৈঠকে কেমিক্যাল মেট্রোলজি অবকাঠামো সমৃদ্ধকরণ প্রকল্প, দেশের আটটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ইনস্টিটিউট অভ্ নিউক্লিয়ার মেডিসিন এন্ড এলায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) শীর্ষক প্রকল্প এবং বাংলাদেশে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক গবেষণা চুল্লি স্থাপনের কারিগরি সমীক্ষা শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
 
কমিটি পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাইরয়েড, কিডনি, লিভার, বোন প্রভৃতি রোগের ডায়াগনেসিস ও থাইরয়েড ক্যান্সার, গরিব ও সাধারণ মানুষকে স্বল্প মূল্যে সর্বাধিক প্রযুক্তি এবং পরমাণু চিকিৎসা সেবা সম্পসারণের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
 
বাংলাদেশে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক গবেষণা চুল্লি স্থাপনের জন্য ডিপিপি প্রণয়ন করে প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে।
 
  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।                                                                           
 
#
 
এমাদুল/মাহমুদ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৯২০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                       নম্বর : ২৯৪৯
 
চীনের আইসিটি প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ
 
ঢাকা, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর):
 
চীনের কেবলিং ডেটা সেন্টার ইনফ্রাস্টাকচার প্রতিষ্ঠান ‘ভিভানকো’ বাংলাদেশের আইসিটি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। এই লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে প্লট বরাদ্দ পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। কোম্পানির চেয়ারম্যান ইয়েনাং ঝাংয়ের নেতৃত্বে ভিভানকোর তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সাথে তাঁর দপ্তরে সাক্ষাৎকালে এই আগ্রহের কথা জানান।
 
বৈঠককালে তাঁরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ করে বাংলাদেশের ডিজিটাল খাতে বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী প্রতিনিধিদলের সাথে আলাপকালে  বাংলাদেশ ও চীন দু’দেশের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের দীর্ঘ দিনের বন্ধু এবং উন্নয়ন অংশীদার। দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক আরো সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। 
 
বাংলাদেশে আইসিটি বা ডিজিটাল পণ্যের একটি বড় বাজার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আসিয়ানভুক্ত দেশসহ দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহের প্রবেশদ্বার। বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে এ ভৌগোলিক অবস্থানের অপার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারে। মোস্তাফা জব্বার ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে বাংলাদেশের অগ্রগতি চিত্র তুলে ধরে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ ৮০টি দেশে আইসিটি পণ্য রপ্তানি করছে। আইসিটি খাতে নগদ প্রণোদনাসহ বিভিন্ন সুযোগ সৃষ্টির ফলে আইসিটি খাত বিনিয়োগের থ্রাস্ট সেক্টরে পরিণত হয়েছে। গত প্রায় এক বছরে আইসিটি খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগে অভাবনীয় সাড়া জেগেছে। 
 
প্রতিনিধিদল কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক সিটিতে পরির্দশনে তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এবং সেখানকার  যোগাযোগ  অবকাঠামোসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোকপাত করেন। 
 
#
 
শেফায়েত/ফারহানা/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮৫০ ঘণ্টা   
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২৯৪৮
 
সরকার সংবাদপত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের বিষয়ে আন্তরিক                                                                                                                              --- তথ্য প্রতিমন্ত্রী
 
ঢাকা, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর) :
তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, বর্তমান সরকার সাংবাদিকসহ সংবাদপত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের বিষয়ে খুবই আন্তরিক। এজন্য সরকার বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন সংশোধনের মাধ্যমে প্রেস শ্রমিক ও সংবাদপত্র কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করা অথবা নতুন আইন করে প্রেস শ্রমিক ও সংবাদপত্র কর্মচারীদের সহায়তা ভাতা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। 
প্রতিমন্ত্রী আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশন ও বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব নিউজপেপার প্রেস ওয়ার্কাস প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। তথ্যসচিব আবদুল মালেক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
  তারানা হালিম বলেন, সম্প্রচার আইন ও গণমাধ্যম কর্মী চাকরি শর্তাবলি আইন প্রণয়নের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। খুব শীঘ্রই এটি সংসদে উপস্থাপন করা হবে। প্রতিমন্ত্রী এসময় নেতৃবৃন্দের উপস্থাপিত দাবি আন্তরিকভাবে বিবেচনা করবেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 
বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ মতিউর রহমান তালুকদার ও বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অভ্ নিউজপেপার প্রেস ওয়ার্কার্স সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন খান এসময় সংগঠনদ্বয়ের পক্ষ থেকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে ১০দফা সংবলিত একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।
১০ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে ৯ম ওয়েজবোর্ডের মহার্ঘ্য ভাতা বাস্তবায়ন, কর্মচারী-প্রেস শ্রমিকদের জন্য দুঃস্থ কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন ও অফিস ও আবাসন ব্যবস্থা, নিউজপেপার এক্ট ১৯৭৪ পুনর্বহাল, সংবাদপত্র শিল্পের নীতিমালা প্রণয়ন ও সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারীদের সমান সুবিধা দেয়া, ছাঁটাইকৃত সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ, ছাঁটাই বন্ধ, ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার বাস্তবায়ন ও সকল পত্রিকায় ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন।
#
 
এনায়েত/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৯৩০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                   নম্বর : ২৯৪৭
 
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক
 
 
ঢাকা, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর):
 
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-২ প্রেরিত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি নি¤œরূপ :
 
দশম জাতীয় সংসদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৪১তম বৈঠক কমিটির সভাপতি মোঃ জাহিদ আহসান রাসেলের সভাপতিত্বে আজ সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
 
কমিটির সদস্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার, উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, নাহিম রাজ্জাক, এ এম নাঈমুর রহমান, মোঃ মাহবুব আলী, মোঃ নূরুল ইসলাম তালুকদার এবং আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
 
বিগত বৈঠকে গৃহীত সুপারিশসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং দশম জাতীয় সংসদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক যে সমস্ত সুপারিশ গৃহীত হয়েছিল, সেগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। শুটিং ফেডারেশনের প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ অল্প সময়ের মধ্যে আমদানি বিষয়ে প্রয়োজনীয় অগ্রগতি বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। এশিয়ান গেমস্ ২০১৮-এর কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে এবং যে সকল ফেডারেশন ভালো ফলাফল করছে তাদের আরো গুরুত্ব প্রদানে কমিটি সুপারিশ করে।
 
গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম করার নিমিত্ত জমি অধিগ্রহণ করার জন্য বাজেট বরাদ্দ রাখার পদক্ষেপ নিতে কমিটি সুপারিশ করে। রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন খেলার মাঠে শেখ রাসেল উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কমিটি কর্তৃক সুপারিশ করা হয়।
 
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
 
#
 
সাব্বির/মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২৯৪৬
 
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের ক্ষমতায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার
                                                                   --- এলজিআরডি মন্ত্রী
 
ঢাকা, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর) :
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের ক্ষমতায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।
  মন্ত্রী আজ সচিবালয়স্থ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এনআইএলজি)-র পরিচালনা বোর্ডের ৫০ তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সভায় এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবুল কালাম আজাদসহ পরিচালনা বোর্ডের অন্য সদস্যবৃন্দ।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘ভিশন ২০২১’-কে সামনে রেখে স্থানীয় সরকারের সকল পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও কর্মচারীদের সম্মানী ও বেতন দ্বিগুণ করা হয়েছে। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ জ্ঞানার্জনে অভিজ্ঞ করে গড়ে তুলতে জনপ্রতিনিধি ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এতে তারা জনকল্যাণে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত হতে পারবে।
মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথভাবে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশকে মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রে পরিণত করার কর্মযজ্ঞে শামিল হতে পারে। তিনি এনআইএলজি-কে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কর্মে আরো সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
 
#
 
জাকির/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৮৪৫ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২৯৪৫ 
 
অ্যাকর্ডের অধীনে থাকা পোশাক কারখানা আরসিসি’র কাছে হস্তান্তর শুরু
 
ঢাকা, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর) :
বাংলাদেশের পোশাক কারখানার সংস্কার কাজের তদারকিতে থাকা ইউরোপীয় দেশগুলোর ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড তাদের কারখানাগুলো রিমিডিয়েশন কো-অর্ডিনেশন সেল বা সংস্কার কাজ সমন¦য় সেল (আরসিসি)’র কাছে হস্তান্তর শুরু করেছে।
তৈরিপোশাক কারখানার সংস্কার কাজে সমন¦য়ের উদ্দেশ্যে গঠিত আরসিসি’র কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অ্যাকর্ড আজ ঢাকা, গাজীপুর এবং চট্টগ্রামে ২০টি কারখানা হস্তান্তর করেছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১২টি, গাজীপুরে ৫টি এবং চট্টগ্রামের ৩টি কারখানা রয়েছে।
পোশাক কারখানার সংস্কার কাজ সমন¦য়ের জন্য বাংলাদেশ সরকার গত বছর ১৪ মে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের অধীনে আরসিসি গঠন করে। ইতোমধ্যে আরসিসি’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে, জনবল বাড়ানো হয়েছে। কারখানা ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ ও অগ্নি নিরাপত্তাসহ উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) যৌথভাবে শতাধিক প্রকৌশলী নিয়োগ দিয়েছে। 
২০১৩ সালের মর্মান্তিক রানা প্লাজার দুর্ঘটনার পর ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড এবং আমেরিকার দেশগুলোর ক্রেতাদের জোট এলায়েন্স দেশের পোশাক কারখানাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারকরণ এবং সংস্কার কার্যক্রমে অংশ নেয়।
#
 
আকতারুল/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৮২০ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২৯৪৪
 
নায়েমের ১৫২তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষাক্ষেত্রে যুগান্তকারী উন্নয়ন হয়েছে
 
ঢাকা, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর) :
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শিক্ষাক্ষেত্রে যুগান্তকারী উন্নয়ন সাধন সম্ভব হয়েছে। মাত্র ১০ বছরে শিক্ষাক্ষেত্রে এমন পরিবর্তন পৃথিবীর আর কোনো দেশে সম্ভব হয়নি। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার জন্য সকলকে এ সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। 
শিক্ষামন্ত্রী আজ ঢাকায় জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) অডিটোরিয়ামে নায়েমের ১৫২তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। 
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রায় সকল শিশু এখন বিদ্যালয়মুখী হয়েছে। বছরের প্রথম দিনে সকল শিক্ষার্থীর হাতে পুরো সেট বই তুলে দেয়া হচ্ছে। সময়মতো ভর্তি ও ক্লাস চালু নিশ্চিত করা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আইসিটি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাঠ্যক্রম যুগোপযোগী করাসহ নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় গবেষণাখাতে বরাদ্দ অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে। শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে অভূতপূর্ব অগ্রগতি উল্লেখ করে  তিনি বলেন, ২০১৯ সালের মধ্যে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় প্রায় ৩৩ হাজার ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হবে। ফলে ভবিষ্যতে শিক্ষায় অবকাঠামোতে কম ব্যয় করে মান উন্নয়নে অধিক বরাদ্দ দেয়া সম্ভব হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, একজন সফল শিক্ষকের চেয়ে সম্মানিত আর কেউ হতে পারে না। তরুণ প্রশিক্ষণার্থীদের শিক্ষকতা পেশাকে ব্রত হিসেবে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিজেদের নিবেদিত পেশাজীবী এবং সৃজনশীল উদ্যোগী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। দক্ষ ও যোগ্য মানুষ তৈরিতে তারাই মুখ্য ভূমিকা পালন করবেন। তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষায় মেধাবীদের স্থান করে দিতে হবে। অন্যদিকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়াতে হবে। 
নায়েমের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মোঃ গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) প্রফেসর মোহাম্মদ শামসুল হুদা এবং কোর্স পরিচালক প্রফেসর শাহিদা আফরোজ।
পরে শিক্ষামন্ত্রী প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন। উল্লেখ্য, শিক্ষা ক্যাডারের ১৭৭ জন প্রশিক্ষণার্থী ৪ মাসব্যাপী এ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। 
#
আফরাজুর/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৮৩০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২৯৪৩
 
প্রধানমন্ত্রী মৃত্যু ভয়কে তুচ্ছ করে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন
                                               --- স্পিকার
 
ঢাকা, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর) :
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি নি¤œরূপ :
        স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৃত্যু ভয়কে তুচ্ছ করে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসীম সাহস, দৃঢ় মনোবল ও অভীষ্ট লক্ষ্যে অবিচল থেকে সকল চ্যালেঞ্জ এবং ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি ’৭৫ এর শোককে শক্তিতে পরিণত করে তিনি অবিচলভাবে দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। জনগণের প্রতি তাঁর অপার ভালবাসা তাঁকে নিরলসভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে।
            তিনি আজ বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭১তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁকে নিবেদিত ৭১টি অনুপম কবিতার দ্বিভাষিক সংকলন ‘পিস অ্যান্ড হারমোনি’ প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন।
            ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, একাত্তর শব্দটি বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মদিনকে কেন্দ্র করে ৭১টি নির্বাচিত অনুপম কবিতার দ্বিভাষিক সংকলন এক চমৎকার উদ্যোগ। তাঁর লড়াই ও সংগ্রামী জীবনে বিভিন্ন অধ্যায় কবিদের মনের মাধুরী মেশানো লেখনীর মাধ্যমে ‘পিস অ্যান্ড হারমোনি’ প্রকাশনায় প্রকাশিত হয়েছে।
            স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের বিস্ময়। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করেছে। ২০২৪ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল এবং ২০৪১ সালে সুখী সমৃদ্ধ-উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
            ‘পিস অ্যান্ড হারমোনি’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব পরিষদের সভাপতি অধ্যাপিকা পান্না কায়সারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. নাসরিন আহমেদ। এছাড়াও অভিনেত্রী শমী কায়সার, কবি ড. আবুল আজাদ, আনিস মোহাম্মদ, কবি আজিজুর রহমান ও অধ্যাপক আহমেদ রেজা বক্তব্য রাখেন। এ সময় দেশবরেণ্য কবি, সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
#
 
তারিক/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৮১৫ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                                             নম্বর : ২৯৪২
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা নির্মাণ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর
ঢাকা, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর) :
দেশে নতুন সার কারখানা ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রজেক্ট (জিপিইউএফপি) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এবং বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোয়াসু ইজুমির উপস্থিতিতে চুক্তিতে বিসিআইসি’র পক্ষে সংস্থার চেয়ারম্যান শাহ্ মোঃ আমিনুল হক এবং নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মিত্সুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হাজিমী নাগানো (ঐধলরসব ঘধমধহড়) ও চায়না ন্যাশনাল কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নং-৭ কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়ান দ লিন (ডধহম উধ খরহ) স্বাক্ষর করেন। 
উল্লেখ্য, নরসিংদী জেলার পলাশে ‘ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রজেক্ট (জিপিইউএফপি)’ বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমানে বিদ্যমান ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (ইউএফএফএল) এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (পিইউএফএফএল) এর স্থলে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এ কারখানা গড়ে তোলা হবে। এটি নির্মাণে জাপানের  উন্নত ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এটি হবে একটি জ্বালানি সাশ্রয়ী, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং পরিবেশবান্ধব সার কারখানা। এতে প্রতিদিন ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন গ্রানুলার ইউরিয়া উৎপাদিত হবে। বছরে এ কারখানা ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার পাওয়া যাবে। উৎপাদন ক্ষমতার বিচারে এ কারখানায় উৎপাদন ক্ষমতা হবে বিদ্যমান সার কারখানা দু’টির মোট উৎপাদনের প্রায় তিনগুণ। 
দেশের সর্ববৃহৎ এ কারখানা নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৪৬০ কোটি ৯১ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ১ হাজার ৮৪৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা অর্থায়ন করবে। বাকি ৮ হাজার ৬১৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা কমার্শিয়াল লোনের মাধ্যমে সংস্থান করা হবে। বিডার ফাইন্যান্সিং প্রক্রিয়ায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। জাপানের ঐতিহ্যবাহী মিত্সুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (এমএইচআই) এবং গণচীনের চায়না ন্যাশনাল কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নং-৭ কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিসি-৭) কনসোর্টিয়াম এ কারখানা নির্মাণ করবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে এশিয়ার উদীয়মান ব্যাঘ্র (ঊসবৎমরহম ঞরমবৎ) হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বর্তমান সরকার ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশ্বখ্যাত উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে এগিয়ে আসছে। এর ফলে বাংলাদেশে জ্ঞানভিত্তিক ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের নতুন ধারা জোরদার হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 
আমির হোসেন আমু বলেন, জাপান বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু ও উন্নয়ন অংশীদার। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে আরো বড় বড় প্রকল্পে জাপানের বিনিয়োগ আসবে। তিনি গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুততার সাথে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা বাংলাদেশের জন্য একটি জ্বালানি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব সার কারখানার মডেল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।  
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব মোঃ নজিবুর রহমান, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, বাংলদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলাম, সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খান, ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব মোঃ আবদুল হালিম, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোয়াসু ইজুমি, বিসিআইসি’র চেয়ারম্যান শাহ্ মোঃ আমিনুল হক, মিত্সুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হাজিমী নাগানো, চায়না ন্যাশনাল কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নং-৭ কন্সট্রাকশন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়ান দ লিন বক্তব্য রাখেন।
#
জলিল/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৮০০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২৯৪১
 
রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক
 
ঢাকা, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর) :
রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ৫১তম বৈঠক আজ কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটির সদস্য রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, মোহাম্মদ নোমান, ইয়াসিন আলী এবং ফাতেমা জোহরা রাণী বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
 
বৈঠকে চট্টগ্রামে রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাসাবাড়িতে বিদ্যুতের প্রিপ্রেইড মিটার স্থাপনের মাধ্যমে সরকারিভাবে বিদ্যুতের বিল কমিয়ে আনার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
 
কমিটি ভবিষ্যতে নতুন স্টেশন ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রেল পুলিশের জন্য অফিস এবং ব্যারাক স্থাপনসহ আনুষঙ্গিক অফিস নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে।
 
এছাড়াও বৈঠকে উল্লেখ করা হয় যে খুলনায় দৃষ্টিনন্দিত নতুন রেলওয়ে স্টেশনের সন্মুখে অবস্থিত হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স কর্পোরেশনের ভবন অপসারণের বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আহ্বানের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
 
মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।    
#
 
সাব্বির/অনসূয়া/জসীম/শামীম/২০১৮/১৫১৮ ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২৯৪০
 
গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর
 
ঢাকা, ৯ কার্তিক (২৪ অক্টোবর) :
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিতে হবে। বিদ্যুৎখাতে প্রতিবছর প্রায় ২০% গ্রাহক বাড়ছে। সেবা নিয়ে তাদের কাছে যেতে হবে। উন্নতসেবা প্রাতিষ্ঠানিক সমৃদ্ধিতেও সহযোগিতা করবে।    
প্রতিমন্ত্রী, আজ ঢাকায় ডেসকো‘র উদ্যোগে আয়োজিত উত্তরার ‘সেক্টর-১৮, ১৩২/৩৩/১১ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, গ্রাহক হয়রানি রোধ ও সাশ্রয়ের জন্য প্রিপেইড মিটার কার্যকরী অবদান রাখতে পারে। এ কার্যক্রম কাক্সিক্ষতভাবে এগুচ্ছে না। বর্তমানে ডেসকোর গ্রাহক ৮ লক্ষ ৮৫ হাজার অথচ প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৮৬ হাজার, তন্মধ্যে মাত্র ৭০ হাজার স্মার্ট প্রিপেইড মিটার। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূগর্ভস্থ তার স্থাপনে প্রাথমিকভাবে খরচ বাড়লেও বিদ্যুৎ অপচয় কম হয়। এ সময় তিনি সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিজেদের বদলান, আগামীর জন্য প্রস্তুত করুন।
ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লিমিটেড, মিরপুর, উত্তরা, গুলশান, টঙ্গী ও পূর্বাচল নতুন শহরসহ প্রায় ৪শ’ বর্গকিলোমিটার ভৌগোলিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। ২০৪১ সা
Todays handout (6).docx Todays handout (6).docx

Share with :

Facebook Facebook