তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৬ অক্টোবর ২০১৮

তথ্যবিবরণী 26/10/2018

তথ্যবিবরণী                                                       নম্বর : ২৯৬৮
 
টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
 
ঢাকা, ১১ কার্তিক (২৬ অক্টোবর):
  বাংলাদেশের দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ও দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক’ কর্মশালা আজ ঢাকায় অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। 
নবম বিসিএস ফোরাম ও জাইকা আয়োজিত এ ওয়ার্কশপে ভূমি ও পানি ব্যবস্থাপনা, ভূ-প্রকৃতির ব্যবহার, খাদ্য নিরাপত্তা, উষ্ণতা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন, দারিদ্র্যমোচন এবং উপকূলীয় দুর্যোগসহ ভবিষ্যতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মোঃ আবুল কালাম আজাদ। কর্মশালায় প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের  সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমদ,  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ শাহ কামাল, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার এবং জাইকার চিফ রিপ্রেজেনটেটিভ হিতোশি হিরাটা। আলোচ্য বিষয়ে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মোহসীন এবং পরিকল্পনা কমিশনের যুগ্ম প্রধান মফিদুল ইসলাম। নবম ব্যাচের কর্মকর্তাগণ ছাড়াও সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ব্যাচের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এ ধরনের পরিকল্পনা বাংলাদেশে প্রথম ও বিশ্বে বিরল বলে অভিহিত করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তাগণ বলেন, বাংলাদেশ ব-দ্বীপ হওয়ার কারণে নদী ভাঙন, সমুদ্র তলদেশের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় বন্যা, মাটি ও পানির লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং খরার ফলে খাদ্য উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। একই সাথে উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণ গৃহহীন হয়ে পড়ে এবং দরিদ্র হয়ে যায়। বক্তারা অভিমত রাখেন যে, বাংলাদেশের উন্নয়নের অভিযাত্রাকে অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে এ সকল মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় টেকসই কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ডেল্টা প্লান ২১০০ প্রণীত হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সুশাসন এবং কার্যকর স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পানি ব্যবস্থাপনার ফলে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয় ক্ষতির মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব। 
এছাড়া জীব বৈচিত্র্য সুরক্ষা, উন্নততর হাওর ব্যবস্থাপনা, নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ, জনবসতি সুরক্ষা কর্মসূচি, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, সকল প্রাণী ও উদ্ভিদের জীন-ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব মর্মে বক্তারা একমত পোষণ করেন। বাংলাদেশ কে ‘ব-দ্বীপ’ হিসেবে উল্লেখ করে এর সুরক্ষায় গৃহীত স্বল্প মেয়াদি, মধ্য মেয়াদি ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নির্ধারণ এবং লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন কৌশল স্থির করার জন্য সরকারের দৃঢ় প্রত্যয়ে আলোচকগণ বিশেষভাবে সন্তোষ প্রকাশ করেন। 
#
দেওয়ান/সেলিম/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২০২০ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                       নম্বর : ২৯৬৭
 
বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বের সক্ষমতা  অর্জন করেছে
-- মোস্তাফা  জব্বার
ঢাকা, ১১ কার্তিক (২৬ অক্টোবর) :  
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী  মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, অতীতে তিনটি শিল্প বিপ্লবে অবদান না থাকলেও বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বের সক্ষমতা অর্জন করেছে। নিজস্ব অর্থায়নে বাংলাদেশ হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। দেশের এই অগ্রযাত্রাকে আরো বেগবান করতে দেশের তরুণ সমাজকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে  মন্ত্রী বলেন, আমাদের তরুণরা অত্যন্ত মেধাবী, তাদের হাত ধরে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনের মুক্তি হলে ময়মনসিংহ বিভাগ প্রতিষ্ঠার তৃতীয় বার্ষিকী  উপলক্ষে ঢাকায় ময়মনসিংহ বিভাগ সমিতি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরো  বলেন, পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন  নেতৃত্ব। ময়মনসিংহ বিভাগীয় সদর দপ্তরকে আধুনিক একটি বিভাগীয় শহর হিসেবে গড়ে তুলতে গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এটি হবে দেশের অন্যতম একটি আধুনিক নগর।  তিনি বলেন, একটি উন্নত বাংলাদেশ নির্মাণে যুদ্ধের ধ্বংসের ভয়াবতার ওপর দাঁড়িয়েও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করেছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক কানেকটিভিটি প্রতিষ্ঠায় ১৯৭৩ সালে আইটিইউ এর সদস্য পদ অর্জন এবং ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বেতবুনিয়ায় ভূউপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর দীর্ঘ ২১ বছর দেশ  পশ্চাৎপদতার দিকে ধাবিত হয়। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুগান্তকারী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সালের বর্তমান সময় পর্যন্ত  তাঁর গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি বাংলাদেশকে  আজ  বিশ্বে  উন্নয়নের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বৈশ্বিক উন্নয়নের প্রতিটি সূচকে  অভাবনীয় সফলতার স্বাক্ষর রাখছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবী। নতুন প্রজন্মের বিপুল সম্ভাবনাময় প্রতিভাকে চলমান ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবকে গতিশীল করতে কাজে লাগাতে হবে।
ময়মনসিংহ বিভাগ সমিতি, ঢাকা’র  সভাপতি ম. হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে  পিএসসি সদস্য উজ্জল বিকাশ দত্ত, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম বিভাগের সচিব রিয়ার এডমিরাল (অব.) মোঃ খোরশেদ আলম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাসিস বসু. ময়মনসিংহ বিভাগ উন্নয়ন সমন্বয় পরিষদ সভাপতি এডভোকেট মোঃ আনিসুল হক, বাংলাদেশ ফেডারেল  সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি মোল্লা জালাল এবং ময়মনসিংহ বিভাগ সমিতির সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান বক্তৃতা করেন।
ময়মনসিংহ বিভাগ উন্নয়ন মূল পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন ড. খুরশীদ জাবিন হোসেন।
#
শেফায়েত/সেলিম/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮০০ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                       নম্বর : ২৯৬৬
 
শেরে বাংলাকে নিয়ে জাতি গর্বিত
                        -- চিফ হুইপ
 
ঢাকা, ১১ কার্তিক (২৬ অক্টোবর) :  
 
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ বলেছেন, বাংলার বাঘ খ্যাত ও কৃষকপ্রিয় বাঙালি নেতা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক নিয়ে জাতি আজ গর্বিত, জনগণ তাঁকে চিরদিন স্মরণ রাখবে।  
 
চিফ হুইপ আজ ঢাকায় শেরেবাংলা জাতীয় স্মৃতি সংসদ আয়োজিত জাতীয় নেতা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
 
চিফ হুইপ বলেন, ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাবের মাধ্যমে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের যে স¦প্ন দেখেছিলেন তাঁর সেই অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শেরে বাংলা বাঙালি জাতি তথা মুসলমানদের নিয়ে চিন্তা করতেন। 
 
অনুষ্ঠান শেষে চিফ হুইপ শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করেন।
 
বিশ্ব বাঙালি সম্মেলন ও শেরেবাংলা জাতীয় স্মৃতি সংসদের সভাপতি কবি মুহম্মদ আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক সচিব সিরাজউদ্দিন আহমেদ, শেরে বাংলার দৌহিত্র এ, কে, ফাইয়াজুল হক রাজু, সাবেক সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোফাজ্জেল হোসেন প্রমুখ।
 
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-২ থেকে আজ এ সম্পর্কিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
 
#
 
এমাদুল/মাহমুদ/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮০০ ঘণ্টা 
Todays handout (2).docx Todays handout (2).docx

Share with :

Facebook Facebook