তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৯ নভেম্বর ২০২০

তথ্যবিবরণী ২৯ নভেম্বর ২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ৪৫৭৪

বাংলাদেশে করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে

                                                           -- শিল্পমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

          বাংলাদেশে করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এ বছর ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে বিভিন্ন দাতা সংস্থা পূর্বাভাস দিয়েছে।

          শিল্পমন্ত্রী আজ ঢাকা চেম্বার অভ্ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘Constraints and Prospects of Industrial Policy’ শীর্ষক ওয়েবিনারে  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। 

          শিল্পমন্ত্রী বলেন, অতিক্ষুদ্র, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, বৃহত্তর শিল্পের ফরোয়ার্ড ও ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজকে শক্তিশালী করা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ ও শহরে বসবাসকরীদের মাঝে বৈষম্য হ্রাস করার লক্ষ্যে আগামী শিল্পনীতি প্রণয়ন করা হবে। অগ্রাধিকারমূলক খাতসমূহে নীতিসহায়তা, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আয়ত্তকরণের প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন ও করোনা বা দুর্যোগ মোকাবেলায় টেকসই দিকনির্দেশনা দেবার বিষয়টি  নতুন জাতীয় শিল্পনীতিতে গুরুত্ব পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। নতুন শিল্পনীতি ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং ইজ অভ্ ডুয়িং বিজনেস সূচকসহ বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আরও উন্নত করতে ভূমিকা রাখবে এবং এর ফলে নতুন দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আরও অধিক পরিমাণে আকৃষ্ট হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

          শিল্পমন্ত্রী আরো বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পখাতের অবদান ৩৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি ও করোনা-পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বেগবান করতে অতিক্ষুদ্র, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি এ সময় এ সকল খাতের জন্য বরাদ্দকৃত প্রণোদনার অর্থ দ্রুত বিতরণের জন্য ব্যাংকগুলোর প্রতি আহবান জানান।

#

মাসুম/নাইচ/মোশারফ/রেজাউল/২০২০/২২১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর : ৪৫৭৩

বরেণ্য সরোদ শিল্পী ওস্তাদ শাহাদাত হোসেন খান এর মৃত্যুতে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

          একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য সরোদ শিল্পী ওস্তাদ শাহাদাত হোসেন খান এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

          প্রতিমন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

          শোকবার্তায় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী জানান, শাস্ত্রীয় সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য ওস্তাদ শাহাদাত হোসেন খান স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

#

ফয়সল/নাইচ/মোশারফ/রেজাউল/২০২০/২২০৬ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                   নম্বর : ৪৫৭২

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক

আব্দুল হান্নানের মৃত্যুতে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দের শোক

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

          আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান খানের মৃত্যুতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীবর্গ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। 

          বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক; পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন; পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান; শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন; বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী; মৎস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ।

          এছাড়াও শোক প্রকাশ করেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ আশরাফ আলী খান খসরু; নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী; পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহ্রিয়ার আলম; পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক; তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ মুরাদ হাসান; গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ; সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী; মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেছা এবং পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। 

          আজ এক শোকবার্তায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ বলেন, আব্দুল হান্নান খান ছিলেন একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ, সাহসী এবং নীতি ও আদর্শবান ব্যক্তিত্ব। তিনি অত্যন্ত সফলতার সাথে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলা, জেল হত্যা মামলা এবং একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত কার্যক্রমের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় এক বিরাট শূন্যতা তৈরি হলো।

          আজ পৃথক শোকবার্তায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান খানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

#

আকরাম/নাইচ/মোশারফ/রেজাউল/২০২০/২১৫২ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                নম্বর : ৪৫৭১

প্রাইভেট ও সরকারি হাসপাতাল মিলেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলানো হবে
                                                                          -- স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

          স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশের প্রাইভেট ও সরকারি হাসপাতাল মিলে একযোগে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা করতে হবে। করোনার প্রথম পর্যায়ে দেশের প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর মধ্য থেকে অন্তত ৭৫টি হাসপাতাল করোনা নিয়ে কোনো না কোনোভাবে কাজ করেছে। এদের মধ্যে ১৫টি হাসপাতাল ছিল কোভিড ডেডিকেটেড। এদের মাধ্যমে লাখ লাখ লোকের কর্মসংস্থান অব্যাহত ছিল। করোনার এই দুঃসময়ে এই প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর মাধ্যমে প্রায় ১২ হাজার কোভিড রোগীর চিকিৎসা দেয়া হয়েছে এবং লক্ষাধিক করোনা টেস্ট করা হয়েছে। এগুলো এই দুঃসময়ে দেশের মানুষের কাজে লেগেছে। আর, দেশের প্রাইভেট হাসপাতালগুলো যেভাবে সরকারের সাথে থেকে করোনার প্রথম পর্যায়ে কাজ করে গেছে দ্বিতীয় পর্যায়েও ঠিক সেভাবেই কাজ করবে। এর সাথে দেশের মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে করোনার দ্বিতীয় পর্বেও দেশের মানুষ এখনকার মতো করেই নিরাপদে থাকতে পারবে।

          আজ রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের বলরুমে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত "করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা ও ভ্যাক্সিন বিষয়ে আলোচনা সভায়" প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

          মাস্ক ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, "করোনায় মাস্ক ব্যবহার না করে মানুষ এখন টু মাচ কনফিডেণ্ট এটিটিউট দেখাচ্ছে যা কিছুটা চিন্তার কারণ হয়ে দেখা দিচ্ছে। এ কারণে সরকার এখন কঠোর অবস্থানে চলে যাচ্ছে। করোনা থেকে বাঁচতে হলে এখন মানুষের মুখে মাস্ক পড়ার বিকল্প কিছুই নেই।"

          ভ্যাক্সিন আনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, "বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনো কোনো দেশকেই ভ্যাক্সিন ব্যবহার করার অনুমোদন দেয়নি। তবে সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছে। যখনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বের কোথাও কাউকে ভ্যাক্সিন ব্যবহারে অনুমতি দিবে বাংলাদেশও সাথে সাথেই ভ্যাক্সিন পেয়ে যাবে।"

          বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি মুবিন খানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আলী নূর, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের মহাসচিব আনোয়ার হোসেন খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম-সহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহর থেকে আসা প্রাইভেট মেডিকেল হাসপাতালের পরিচালকবৃন্দ।

#

মাইদুল/নাইচ/মোশারফ/রেজাউল/২০২০/২১৩৪ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ৪৫৭০

 

সরকার কৃষির উন্নয়নে বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে

                                     ---পরিবেশ মন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) : 

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, সরকার কৃষির উন্নয়নে বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে এবং কৃষকদের সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। বর্তমান সরকারের এ সকল সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। দেশের এই সফলতা ধরে রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিরলসভাবে কাজ করতে হবে।

 

মন্ত্রী আজ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত ২০২০-২১ অর্থবছরে রবি মৌসুমে বীজ সহায়তা প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বোরো হাইব্রিড ধান বীজ বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ঢাকাস্থ সরকারি বাসভবন হতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

 

পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, কৃষি ও কৃষকদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার সব উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, কৃষক ও কৃষিকে অবহেলা করে উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ জন্য সরকার কৃষিতে বিভিন্নভাবে ভর্তুকি দিচ্ছে। ডিজেল ও সারের দাম কমানো হয়েছে। বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়ার পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও কৃষি উপকরণ দেওয়া হচ্ছে। এতে কৃষিতে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। মন্ত্রী কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বাড়ির আঙিনাসহ সব পতিত জমিতে ফসল ফলান। এক ইঞ্চি জমি পতিত রাখবেন না। ফসল, সবজি, খাদ্য ইত্যাদি উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে।

 

এসময় পরিবেশ মন্ত্রী বড়লেখা উপজেলার ৩০০০ কৃষকের মধ্যে ২ কেজি করে বিনামূল্যে বোরো হাইব্রিড ধান বীজ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

 

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমেদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ মোঃ রফিকুল ইসলাম সুন্দর, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাজ উদ্দিন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবল সরকার, বাংলাদেশ আওয়ামী কৃষক লীগ বড়লেখা শাখার আহবায়ক মোঃ আব্দুল লতিফ প্রমুখ।

  

 

#

দীপংকর/ফারহানা/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/২০১৬ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                                                   নম্বর : ৪৫৬৯

তথ্যসচিব কামরুন নাহারের বিদায়ি সভা

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

            তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক অনাড়ম্বর অথচ আবেগঘন সভার মধ্য দিয়ে অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) গমন করলেন তথ্যসচিব কামরুন নাহার। 

            সচিবালয়ে আজ এ সভায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ সভাপতির বক্তৃতায় বিদায়ি সচিব কামরুন নাহারকে সিভিল সার্ভিসের সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন দক্ষ, নির্মোহ ও ন্যায়পরায়ণ কর্মকর্তা বলে অভিহিত করেন। মন্ত্রী বলেন, তথ্য ক্যাডারের এই অনন্য কর্মকর্তা মন্ত্রণালয়ের অধিকাংশ দপ্তর ও সংস্থায় চাকরির অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ হওয়ার কারণে তথ্য জগৎ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণার অধিকারী ছিলেন। দেশের প্রথম নারী তথ্যসচিব হিসেবে তার কর্মদক্ষতায় এর প্রতিফলন ছিল সুস্পষ্ট।

            তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ মুরাদ হাসান বলেন, তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা হয়েও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রথম নারী প্রধান তথ্য অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে কামরুন নাহার তার বিরল প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।

            ১৯৮৪ সালের বিসিএস তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সহধর্মিণী বিদায়ি তথ্যসচিব কামরুন নাহার তার বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে চাকরিকালে সকল নির্দেশনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। এ সময় তিনি বলেন, তথ্যমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী সবসময় তার পাশে ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরও বিশেষ ধন্যবাদ জানান তিনি।

            সভায় অতিরিক্ত সচিব জাহানারা পারভীনের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস এম হারুন-অর-রশীদ, তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক হোসনে আরা তালুকদার, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী সালমা বেগম, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বেগম শাহিন ইসলাম, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আকতার হোসেন, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মোঃ নিজামূল কবীর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স ম গোলাম কিবরিয়া, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ জসীম উদ্দিন, তথ্য কমিশনের সচিব সুদত্ত চাকমা, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব শাহ আলম, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুর রহমান তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা বিদায়ি সচিবের ভবিষ্যৎ জীবনের মঙ্গল ও শান্তির জন্য প্রার্থনা করেন।

            নতুন তথ্যসচিব খাজা মিয়া আগামীকাল ৩০ নভেম্বর যোগদান করবেন। 

#

আকরাম/ফারহানা/সঞ্জীব/রেজাউল/২০২০/২০২৪ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                  নম্বর : ৪৫৬৮

দেশরক্ষার জন্য নদীরক্ষা অপরিহার্য

                              --তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

            ‘দেশ রক্ষার জন্য দেশের নদ-নদী রক্ষা অপরিহার্য’ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

            জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আজ রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও নদীমাতৃক বাংলাদেশ’ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

            তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের দেহের শিরা-উপশিরা নষ্ট হলে যেমন মৃত্যু অনিবার্য, ঠিক একইভাবে আমাদের নদীগুলোকে দখল-দুষণ থেকে রক্ষা করতে না পারলে দেশকে রক্ষা করা কঠিন, দেশের জলবায়ু এবং এই নদীপাড়ের মানুষগুলোকে রক্ষা করা কঠিন। সেজন্য আমাদের সবাইকে নদীরক্ষায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। 

            তিনি জানান, ‘বাংলাদেশের নদীগুলোর শতকরা ৯৩ ভাগের উৎস বাংলাদেশের বাইরে। এই নদীগুলো আমাদের দেশের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রে গিয়ে পড়ার পথে ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন টন পলি বহন করে। এর মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ মিলিয়ন টন নদী পথে জমা হয়। এইভাবেই গত ৪ বছরে সমুদ্রে বেশ কয়েকটি দ্বীপচর জেগেছে। সুবর্ণচর কিন্তু ৫০ বছর আগে ছিল না, উপজেলাটি ছিল। এ রকম আরো অনেক ছোট ছোট দ্বীপ জেগে উঠেছে, যেখানে আজকে রোহিঙ্গাদের সাময়িক স্থানান্তরের কথা বলা হচ্ছে, সেই চরটিও ৫০ বছর আগে ছিল না । এই যে সম্ভাবনা সমুদ্রে তৈরি হচ্ছে তা কাজে লাগানোর জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া সম্ভব।’ 

            ‘প্যারিস চুক্তিতে বিশ্বের দেশগুলোর দেয়া সমস্ত প্রতিশ্রুতি যদি শতভাগ বাস্তবায়িত হয়, তারপরও পৃথিবীর তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রী বাড়বে’ উল্লেখ করে পরিবেশ গবেষক ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, ‘পৃথিবীর তাপমাত্রা যদি ৩ ডিগ্রি বাড়ে তাহলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে। এই বাস্তবতায় নদীগুলো কিভাবে বাঁচানো যায়, সেজন্য আগামী ১০০ বছরের ভাবনা মাথায় রেখেই আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে হবে। কোথায় মানুষকে থাকতে দিবো, কোথায় ফসল উৎপাদন করবো, কোথায় রবি শস্য উৎপাদন করবো- এসব বিষয়ে সারাদেশে একটা ফিজিক্যাল প্লান দরকার।’ 

            নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদের নেতৃত্বে নদী দখল-দুষণকারীদের বিরুদ্ধে তার মন্ত্রণালয় সত্যিকারের কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। এই ব্যবস্থাকে টেকসই করতে বেপরোয়া দখলকারীদের রুখতে নদীরক্ষা কমিশনকে আরো শক্তিশালী করা দরকার, প্রয়োজন শক্তিশালী টাস্কফোর্স। 

            বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. হাছান বলেন, প্রকৃতপক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে ৩ বছর সময় পেয়েছিলেন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির সমস্ত দিক তিনি রচনা করে গেছেন, আইন প্রণয়ন করে গেছেন, যেটির ওপর দাঁড়িয়ে আমরা হাঁটছি। তখন যদি বাংলাদেশ জাতিসংঘের সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত কমিটির সদস্য না  হতো, সমুদ্রসীমার জন্য আমরা মামলাও করতে পারতাম না। মামলা করার কোনো সুযোগ থাকতো না। ’৭৪ সালের সীমান্ত চুক্তি না থাকলে ছিটমহলগুলো অধিকারে আনাও আমাদের পক্ষে সম্ভব হতো না। আজকে যে বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে, তার ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র তিনিই রচনা করে গেছেন। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু সবকিছুর ভিতই রচনা করে গেছেন। আর সেই ভিতের উপর দাঁড়িয়ে আজকে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য দেশকে ২০৪১ সাল নাগাদ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দেয়া আর সেই স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে হলে নদ-নদীগুলোকে রক্ষা করতে হবে। 

            নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তার বক্তৃতায় বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আমরা আজ নদীমাতৃকার সুফল ভোগ করতে পারতাম। কিন্তু আজ আমাদের নদীরক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আজ আমরা সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি।

            নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ খালেদ ইকবাল। প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, ইনস্টিটিউট অভ্ ওয়াটার মডেলিংয়ের ঊর্ধ্বতন পানি সম্পদ বিশেষজ্ঞ সাইফুল আলম, বুয়েটের পানি সম্পদ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আতাউর রহমান এবং লেখক, গবেষক ও সংগঠক শেখ রোকন। নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর এ জেড এম জালাল উদ্দিন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

#

আকরাম/ফারহানা/মোশারফ/রেজাউল/২০২০/২০১৪ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর : ৪৫৬৭

 

সততা আর দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করে গড়ে তুলতে হবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা

                                                                        ---ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :  

 

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান বলেছেন, সকলে মিলে সততা, নিষ্ঠা আর দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে। তিনি এসময় জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আজ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সাথে পরিচিতি অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।  

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নির্দেশনার আলোকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে হজ ব্যবস্থাপনার যুগান্তকারী উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের  উন্নয়ন, সারা দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ, মঠ-মন্দির, প্যাগোডা সংস্কার ও উন্নয়নে কাজ এগিয়ে চলছে। মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডাভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষাসহ  বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, সরকারের ভিশন-২০২১ প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে উন্নীত করার জন্য সকলকে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর এ উন্নয়ন অভিযাত্রায় সমাজের সকল সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীকে সমানভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

ধর্ম সচিব মোঃ নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ পরিচিতি সভায়  মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবগণ, যুগ্মসচিবগণ এবং মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানসহ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের  পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।  

 

#

আনোয়ার/ফারহানা/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২০/১৯২০ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর : ৪৫৬৬

 

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল প্রকল্প বাস্তবায়নের তাগিদ শিল্পমন্ত্রীর

 

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

 

          নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল প্রকল্প বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন । তিনি বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রমের উপর দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি অনেকটাই নির্ভর করে। তাই করোনা পরিস্থিতির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে প্রকল্পের কাজসমূহ দ্রুত শেষ করতে হবে।

 

          আজ শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০২০-'২১ অর্থবছরের এডিপিভুক্ত উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার ।

 

          শিল্পমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় ভালো অবস্থায় রয়েছে। আর্থসামাজিক বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান প্রশংসার দাবি রাখে। শিল্পমন্ত্রী এ সময় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকল্পগুলোর মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

 

          বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় শিল্প প্রতিমন্ত্রী সাভারে অবস্থিত চামড়া শিল্প নগরীর সমস্যাসমূহ সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, বাফার গোডাউনসমূহের সংরক্ষিত সারের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানসমূহের অব্যবহৃত ও বেহাত হওয়া জমির মালিকানা বুঝে নিতে শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

 

          সভায় জানানো হয়, ১৩ বাফার গোডাউন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় যশোর, গাইবান্ধা, শেরপুর ও নীলফামারীর বাফার গোডাউন ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে সমাপ্ত করা হবে। ইতিপূর্বে পঞ্চগড় ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাফার গোডাউন নির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে। এছাড়া ৩৪টি বাফার গোডাউন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৬টি বাফার গোডাউনের জমি অধিগ্রহণ পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাবার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সভায় জানানো হয়, ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার নির্মাণ প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালস ইনগ্রেডিয়েন্টস (এপিআই) পার্কের অবকাঠামোগত অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করে ও উদ্যোক্তাদের শিল্প কারখানা স্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

 

          সভায় শিল্প মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহের প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ ও নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

#

মাসুম/ফারহানা/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/১৯১৫ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর : ৪৫৬৫

 

শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে লভ্যাংশ জমা দিল লাফার্জ হোলসিম  

 

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

            শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে গত এক বছরের লভ্যাংশের নির্দিষ্ট অংশ ৯৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকা জমা দিয়েছে সিমেন্ট উৎপাদনকারী কোম্পানি লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিঃ। 

            আজ সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ানের নিকট কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার এ বি এম মামুন-অর রশিদ ৯৯ লাখ ৫৭ হাজার ৩৭৭ টাকার একটি চেক হস্তান্তর করেন।

            বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী কোম্পানির নিট লাভের শতকরা পাঁচ ভাগের এক দশমাংশ বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে জমা প্রদানের বিধান রয়েছে। এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি এবং বহুজাতিক মিলে ১৭৬টি কোম্পানি এ তহবিলে অর্থ প্রদান করছে। 

            এ তহবিলে এখন পর্যন্ত জমার পরিমাণ প্রায় ৪শ’ ৯০ কোটি টাকা। অন্যদিকে এ তহবিল থেকে প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের প্রায় সাড়ে দশ হাজার শ্রমিককে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

          চেক প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন এবং লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশের শ্রমিক প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

          পরে সাবেক সচিব ড. মাহফুজুল হক এবং মিকাইল শিপারের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রাকটিক্যাল একশন ইন বাংলাদেশ কর্তৃক “Developing Guidelines for Joint Policy Recommendations on decent Labour Rights of Informal Waste and Sanitation Workers” নামে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট প্রতিমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। এসময় সাবেক যুগ্মসচিব
মোঃ আমিনুল ইসলাম এবং প্রাকটিক্যাল একশন ইন বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার উত্তম কুমার উপস্থিত ছিলেন।

     &nb

2020-11-29-22-33-ba5f5f0760857868f06acc45fb2b2d76.docx 2020-11-29-22-33-ba5f5f0760857868f06acc45fb2b2d76.docx

Share with :

Facebook Facebook